নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সেরিব্রাল ক্যাকটাস

মগজ মন্থনে মগ্ন...

সেরিব্রাল ক্যাকটাস › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রসঙ্গঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ; পরম পরিশুদ্ধ সাংস্কৃতিকতা তে'ও সামান্য সাম্প্রদায়িকতা সমর্থন যোগ্য নয় ।

০৪ ঠা মার্চ, ২০১৩ রাত ৩:১৭

আমার ব্যাক্তিগত মূল্যবোধের মধ্যে কখনোই জাতীয়তাবাদ অন্তর্ভুক্ত ছিলনা, এমনকি অদূর কিংবা সুদূর ভবিষ্যতেও সে অন্তর্ভুক্তির সম্ভাবনা যথেষ্ট ক্ষীণ। তবু'ও প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় কিছু মতামত শেয়ার না করে পারছিনা,



শ্রীযুক্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কখনওই বাংলাদেশী'দের কবি ছিলেন না, উনি ছিলেন বাঙ্গালী'দের কবি।



কাকতালীয়তাবশত বাঙ্গালী (ভারতীয় পশ্চিম বঙ্গ প্রদেশ বাসী) এবং বাংলাদেশী জনসমাজ প্রায় এক বা অভিন্ন ভাষাগত হওয়ার সুবাদে আমরা (গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ এর জনসমাজ এর একটা বহুলাংশ) পশ্চিমবঙ্গ জাত বহু সংস্কৃতি, কৃষ্টি ও মুল্যবোধকে নিজস্ব জ্ঞান করি।



প্রসঙ্গতঃ আরও বলে রাখি, সুইৎজারল্যান্ড প্রদেয় নোবেল নামক স্বীকৃতি একজন মানুষের মৌলিক পরিচয়কে পরিবর্তিত করতে পারেনাই কখনও। যেমন নোবেল শান্তি-পুরস্কার প্রাপ্তি ড. ইউনুস কে অর্থলোলুপ, ভণ্ড এবং প্রতারক পরিচয় বদলে কোনও সাহায্য করেনাই। ডাচ সরকারের দৃষ্টিকোনে উনি একজন স্বনামধন্য চোর এর অধিক কিছু নয়।



এবার মুল কথায় আসি,



ব্রিটিশ শাসনামলে আমাদের এই উপ-মহাদেশীয় অঞ্চলের সকল প্রাদেশিক নীতি-নির্ধারণ এবং তৎ-প্রসূত সিদ্ধান্ত গৃহীত হত কলিকাতাস্থঃ কংগ্রেস থেকে। উপমহাদেশীয় ইতিহাস থেকে জানা যায়, উক্ত শ্রীযুক্ত রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তৎকালীন কংগ্রেসে জোর প্রচেষ্টা চালিয়েছিলেন যাতে



"ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়" নামক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নির্মিত না হয়; যার অনুচ্চারিত মনস্তাত্তিক কারন ছিল -



"অবহেলিত এই জনপদ শিক্ষার আলোকপ্রাপ্ত হলে তৎকালীন তথাকথিত পশ্চিমবঙ্গীয় সাংস্কৃতিক উৎকর্ষতা তুলনামুলকতা পাবে"।



আর এই উদ্ভুত ধারনা থেকেই উক্ত শ্রীযুক্ত কংগ্রেসে/রাজ্যসভায় প্রানপন "লবিং" করেছিলেন আজকের বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ "ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়" স্থাপনের বিরোধিতায়।



সংস্কৃতিমনস্কতার মুল ভিত্তি হল মানবিক সাম্যতার প্রতিষ্ঠা, যার অভাব আমি প্রকটভাবে তার মাঝে দেখেছি। বরং তার অধিকাংশ সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড আমার কাছে চিরকাল "বাবুয়ানা" জনিত পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার অধিক কিছু মনে হয় নাই।



আমার এহেন ব্যাক্তিগত ধারনাপ্রসূত মতামত হয়ত অনেককেই মর্মাহত করবে জানি, তবুও বৈষম্যের বীর্যজাত ব্যাক্তিবর্গের বীরত্বগাঁথা চর্চা'র চেয়ে এ অনেক শ্রেয়ঃ বোধ করি।



পুনশ্চঃ



জীবন-জিবিকা'র অবসরে যদি খানিক সময় যোগাড় করতে পাড়ি তবে আলবেয়ার কামু কিংবা আহমেদ ছফা পরব, তবু মননকে এক-পাক্ষিক করবনা তথাকথিত সু- সাহিত্য চর্চায়...।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা মার্চ, ২০১৩ রাত ৩:৩২

এস দেওয়ান বলেছেন: দুই ভাইয়ের মধ্যেও কিছু পার্থক্য থাকে । সমাজে সুসম্পর্কের সাথে বসবাস করতে কিছু কিছু পার্থক্যকে ইগনোর করেই মিল খুঁজে বের করতে হয় । অন্যথায় পশুর মতো কামড়াকামড়ি ছাড়া ভালো কিছু অর্জন করা সম্ভব না । ভারতে কত ধর্মের মানুষ ও কত জাতের মানুষ বাংলাদেশের চেয়ে বেশি শান্তিপূর্ণ ভাবে বসবাস করছে । আর আমাদের অবস্থা দেখুন, আমরা বাংলাদেশিরা তো প্রায় সবাই এক ভাষা ও এক ধর্মের মানুষ তারপরও কেন এত শত্রুতা বলতে পারেন ?

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.