নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

rm -rf /

আর্কিওপটেরিক্স

Cyber security

আর্কিওপটেরিক্স › বিস্তারিত পোস্টঃ

বান-আন বিভ্রাট !

২৪ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:১৪


বানান নিয়ে বাঙ্গালীর বিদ্যুৎ বিভ্রাট বা লোডশেডিং এর মতোই অবস্থা। এখন ঠিক তো তখন বেঠিক ! যেন বিদ্যুতের অবারিত আসা-যাওয়া। আমরা আর আমড়া নিয়ে লাগে মাড়ামাড়ি থুক্কু মারামারি ! দিন শেষে আমরা আমড়াই তো দশা !

এই পোস্টের মাধ্যমে সেই বানানা থুক্কু বানান নিয়েই একটা গপ্পো শোনাবো আজ। গল্পে গল্পে অগ্রসর হবো কোনো নিয়মনীতি মাথায় না নিয়ে। পথচলায় সাথে পাবেন বাংলাপ্রেমী বাবা মোখলেস এবং তার মেয়ে সারাকে।

সারা, বলো তো মা নিচের কোনটি সঠিক?

১.পড়ি পরে।

২.বৃষ্টি পরে টাপুরটুপুর।

৩.নিতু, চলো পালিয়ে যায় !

৪.তখন রতন ওকে মার দেয়।

৫.দিন যাই কথা থাকে !

"বাবা, তুমি পচা X(( সবগুলো ভুল বানান দিয়েছো। দুষ্টু কোথাকার ! ", সারার উত্তর।

তাহলে শারা কি বলি, সারা ঠিক করো তো ! নাম ভুল শুনে সারা অভিমান করে।

আচ্ছা মা, এই নাও চকলেট। খুশি আমার রাজকন্যাটা?

সারা এবার খুশি। ওর ষোড়শী মন বানান বিভ্রাট খুঁজতে থাকে। কিছুক্ষণ পরে উত্তরগুলো চলে আসে অনায়সে !

এই যে বাবা, লিখেছি। দেখো আবার কোনো ভুলটুল হলো কিনা !

সারার প্রদত্ত শোধরানো বানানঃ

১.পরী পড়ে বললে, পরী নামক মেয়ের লেখাপড়া করা বোঝায়। আবার পরী শাড়ি পরে তখন কোনো কিছু গায়ে চাপানো বোঝায়। তাই তখন হবে পরে।

২.বৃষ্টি পড়ে হয় পরে নয় ! অনেকে আবার টাপুরটুপুর বানানটাও টাপুড়টুপুড় করে ফেলে। তবে টাপুরটুপুর শব্দে " র" ই ঠিক !

৩.নিতু, চলো পালিয়ে যাই হবে। নিজে বা আমরা করলে বা বললে, "ই"-কার আর অন্যকেউ করলে বা বললে, " য়"। তবে এটা এভাবে করা যায় । এক্ষেত্রে "য়" হবে, ইর-রেস্পেক্টটিভ অব কে বলছে।

৪.তখন রতন ওকে মার দেয়। আরে এটাতো ঠিক B:-/ । তাহলে বাবা, তুমি একটা বাক্য সঠিক দিয়েছ !

৫.এটা হবে দিন যায়, কথা থাকে !

____________________________________________________________________________

গুড গার্ল ! সবগুলো হয়েছে মা। তুমি কি পুরষ্কার চাও?

বাইরে খেতে চাই বাপি।

ওক্কে তাই হবে !!


সকল বোল্ড করা শব্দ বা বাক্যগুলো সম্পূর্ণ সঠিক


কেন এ ভুল?
ক.সামজিক নামধারী অসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যবহৃত বানান দেখে লোকজন অভ্যস্ত। বাংলিশ সহ আরো নানা অপশব্দের সৃষ্টি হয়েছে কেবল এজন্যই।
খ.চর্চার অভাব। ইংরেজিতে পোস্ট দিলেই তো হলো ! বাংলা ইজ ওল্ড !
গ.দীর্ঘদিন যাবত প্রবাসে থাকা। বিদেশে থাকা লোকজনের মুখে বাংলা না শুনতে শুনতে বানানের আর হুঁশ থাকে কিনা কে জানে !
ঘ.ব্যাকরণের দাঁতভাঙা নিয়মের কারনে বানান আরো গুলিয়ে যায় !
..................................................
......
..






অতীত দর্শনঃ ব্লগে একজন ব্লগার বানানের সহি নিয়ম চেয়ে পোস্ট দেন। উনার সেই পোস্টেও বানান তো ভুল ছিলোই আবার আমার পরিচয় অংশেও বানান গোলানোর অবস্থা। সেই মহান বানান সম্রাটকে এই পোস্ট উৎসর্গ করলাম B-))

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +৭/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:২৭

আপেক্ষিক মানুষ বলেছেন: আর্কিওপটেরিক্স ভাই অসাধারণ একটা কাজ করেছেন। বানান বিভ্রাট আমার ছোট বেলার দোষ। তবে এইটুকু হলে হবে না ভাই। আমাকে আরো বেশি শেখাতে হবে। শেখাবেন না ভাই?

২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:১৩

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: এটুকুতে হবে তা আমিও জানি ভাই। তবে আমি তো ব্যাকরণ বিশারদ নই ! তবে চেষ্টা করবো লিখতে।

পড়ার এবং জানার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ :)

২| ২৪ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:৩৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: আর্কিওপটেরিক্স,




এরকম বানান ভুল তো আকছার হচ্ছে। বাসের ভেতরের লেখা বাণীতে, দোকানের সাইনবোর্ডে। প্রেমের চিঠিতে। অফিসের খাতাপত্রে। স্কুল কলেজের খাতায়। :(
আসলে লেখাপড়ার বয়সকালে আমরা বাংলা ভাষাটাকে তেমন গুরুত্বের সাথে নিইনি যার ফলে এই সব বানান বিভ্রাট।

তবে ব্লগে " দিন যাই কথা থাকে" কিম্বা "নিতু, চলো পালিয়ে যায়" এজাতীয় ভুলগুলো বেশী চোখে পড়ে।
আমাদেরই তো কতো বানান ভুল হয় কিন্তু আমরা তাতে কিছু মনে করিনে কারন "আমড়া আমড়ায় তো" :P ;)

২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:১৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ভুলে ভুলে দুনিয়াটাই ভুলভুলাইয়াতে চলে যাচ্ছে। প্রেমের চিঠিতে বানান ভুল তো সাংঘাতিক ! যদি প্রেমিকার নাম পরী হয় :D তখন কি হবে !!!

বাংলা ব্যাকরণ তো উল্টাপাল্টা নিয়মে ভরা। তাই আমাদের বাংলার এই হাল। সাথে অপসংস্কৃতির কালো থাবা। সবমিলিয়ে হযবরল অবস্থা !

ব্লগে বেশিরভাগ প্রবাসী ব্লগার পরা আর পড়া একই ভাবে পরা লেখে। পোস্টটা পরলাম ভাই। কিংবা পরে ভালো লাগলো !!!!

ই আর য় নিয়ে ভুল তো অহরহ হচ্ছে। তবে এগুলো চোখে ধরে বটে !

আমাদের এসব সয়ে গেছে। তাই কিছু মনে করিনে !

আমড়া আমড়া হবে না তো দামড়া হবে নাকি :P

৩| ২৪ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১২:০৩

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: সুন্দর উপস্থাপনা। এ ধরণের লেখা আরো চায় ;)

২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:২১

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: হায় হায় পোস্ট পড়িয়াও ঠিক হইলো না বাছা :P

সময় মতো পোস্ট আসবে। পরতে ভুলবেন না কিন্তু B-))

৪| ২৪ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:০১

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন:
ব্যাকরণের দাঁতভাঙা নিয়মের কারনে বানান আরো গুলিয়ে যায় ! 
যদি ব্যাকরণকের বইগুলো একটু রসের মাধ্যমে ছাত্রদের সামনে নিয়ে আসা যেত, যেভাবে এখানে আপনি তোলে এনেছেন। আসলে আমরা বিনোদনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের যথেষ্ট উপযোগী শিক্ষা দিতে পারি না।

বাংলায় অনার্স দিয়েছে এবং ফাস্ট ক্লাস পেয়েছে এমন অনেক ছাত্রের বাংলার অবস্থা দেখে আমি অবাক হয়েছি!


মায়ের জন্য আজ বড্ড কষ্টের দিন...

২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:২৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: তোলো নয় ভায়া তুলে। তুলতুলে শরীর ;)

কেন যে এইসব নিয়ম ! আজো বুঝিনা। দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা ত্রুটিপূর্ন। তাই এ দশা।

আরে ওটা তো পাশের জন্য পড়া। পাশ শেষ, বাংলাদেশ :P

মাতৃভাষার এরূপ বিকৃতিও দেখতে হচ্ছে :(

৫| ২৪ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:১২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: সুন্দর উপস্থাপনা। এ ধরণের লেখা আরো চায় ;)
আমিও সহমত ভাই।

২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:২৫

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: হায় হায় পোস্ট পড়িয়াও ঠিক হইলো না বাছা :P

সময় মতো পোস্ট আসবে। পরতে ভুলবেন না কিন্তু B-))

কপি-পেস্ট কমেন্ট আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ :P

আপনাকে প্রমিত বাংলার ১৬টা নিয়ম পরিবার শাস্তি দেওয়া হলো B-))

৬| ২৪ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:২৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগের পোষ্ট ছাড়া, আমি বই ইত্যাদি পড়ি না; ফলে, বানান ও বাক্য গঠনে আমার সমস্যা থেকে যাচ্ছে।

২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:২৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: তাহার পরেও আপনার বানানে ভুল তেমন একটা পাইনাই। আপনার বাক্য গঠনও ভালোই রহিয়াছে।

ব্লগের বাইরে কিছু বই তো পড়ুন !

৭| ২৪ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:৪৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: এরকম পোস্ট খুব জরুরী। বিষয়টির প্রতি আমাদের সবারই আরো যত্নশীল হওয়া দরকার।
পোস্টে দ্বিতীয় লাইক।

শুভকামনা জানবেন।

২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:৩১

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: আপনার সাথে একমত :)


শুভকামনা নিরন্তর !

৮| ২৪ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৪:০৩

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।

২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:৩২

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: পড়ার জন্য আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ রাজীব ভাই :)

৯| ২৪ শে মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৬

বলেছেন: বানান বিভ্রান্তি ছড়ায় বাংলা একাদেমি --- একাডেমি!!!

সুন্দর পোস্টে লাইক

২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:৩৪

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: এটা ঠিক বলেছেন :)

একাডেমী হলো বাংলাদেশেরটা আর আকাদেমি হলো কলকাতারটা !

পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ :)

১০| ২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ৮:৫৯

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: খুব ভালো একটি পোস্ট দিয়েছেন ভাই। সবাই যদি একটু খেয়াল করে তাহলেই আমাদের পোস্ট ভুল বানান হতে রক্ষা পাবে।

২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:৩৫

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: আপনার সাথে সহমত পোষণ করছি :)

পোস্টটা পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ :)

১১| ২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:৫১

নীল আকাশ বলেছেন: আপনি তো দেখি জী এস ভাইয়ের লাস্ট পোস্টের ব্লগের এ্যাডে দেয়া পড়ালেখা শুরু করে দিলেন? সারা দিন ব্যস্ততা শেষে ব্লগে ঢুকি আনন্দের জন্য। এইখানেও যদি এই অবস্থা হয় তাহলে আমি পালাই পালাই!

২৪ শে মে, ২০১৯ রাত ১১:৫৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: তাও ভালো পালায় পালায় লেখেননি :P

এটা কোনো পড়ালেখার পোস্ট নয়। গল্পে গল্পে বানান বিভ্রাট নিয়ে আলোচনা মাত্র B-))


জী এস ভাইয়ের পোস্টটা সেই। ব্লগ আজ বিরাট পাঠশালা !

সামু বিশ্ববিদ্যালয়ে আবার ভর্তি নেব বলে ইচ্ছে আছে ;)

১২| ২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ১২:০২

মুক্তা নীল বলেছেন:
পোস্টে ও উৎসর্গে ভালো লাগা।
যাকে উৎসর্গ করেছেন তিনি তো এখনো এলেন না ।
সত্যি-ই ভাই লেখাটা খুব ভালো হয়েছে ।

২৫ শে মে, ২০১৯ রাত ৩:২৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: যার উদ্দেশ্যে উৎসর্গীকৃত তিনি কালেভদ্রে ব্লগে আসেন। আমাকে বর্তমানে ফলো করছেন।

লেখাটা ভালো হয়েছে তাহলে ! চেষ্টা করছি ভালো লেখার।

পোস্টটা পড়ার এবং জানার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ :)

১৩| ২৫ শে মে, ২০১৯ ভোর ৪:৪৫

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
যে যাই বলুক। বাংলা ভাষা ইংরেজি বা আরবির চেয়ে অনেক উচ্চ মানের ভাষা।
ইংরেজিতে অনেক কিছুর উচ্চারণ লেখা যায়না।
আরবিতেও অনেক কিছুর উচ্চারণ লেখা যায়না

প অক্ষর নেই ড নেই। পাকিস্তান বে বাকিস্তান বলতে হয়

২৫ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:৩৬

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: বাংলা যে আমাদের প্রাণের ভাষা !

১৪| ২৫ শে মে, ২০১৯ সকাল ১১:০৩

আখ্যাত বলেছেন: এত বাণান ভূল আমার পছন্দ নই

২৫ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:৩৬

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: :D

১৫| ২৫ শে মে, ২০১৯ দুপুর ১:১৮

নীলপরি বলেছেন: ভালো লিখেছেন ।

২৫ শে মে, ২০১৯ দুপুর ২:৩৬

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ধন্যবাদ :)

১৬| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:৫৫

রিফাত হোসেন বলেছেন: বাংলিশ অনবরত পড়ে ও শুনে, সঠিকও ভুল মনে হয়। ভুলটাই সঠিক হিসেবে প্রকাশ হচ্ছে। সবার চেষ্টা করা উচিত। না হলে এই ভাষাটি হারিয়ে যাবে কালের বিবর্তনে। পাকিস্তানে কিছু বাঙালি মানুষ রয়ে গিয়েছে। যারা মুক্তিযুদ্ধের পর ফেরত আসে নাই অথবা বাংলাদেশ নিতে চাচ্ছিল না। তারা সেখানে এখন উর্দু চর্চা করে! আবার উর্দুতে নিজেদের জাতিকে বাঙ্গালী বলে। হযবরল অবস্থা। চাকমারাও নিজেদের ভিতর,নিজের ভাষায় কথা বলে। বাঙালিদের অবস্থা পৃথিবীর সব অঞ্চলে একই রকম। মাতৃভাষাকে অন্য ভাষার ভিতর দিয়ে কি, পারলে ঐটাই মাতৃভাষা হিসেবে জাহির করতে চায়! এত হীনমন্যতা কেন?

বিদেশী ভাষা প্রয়োগ দোষের নয় তবে নিজ ভাষাকে ছোট করে নয়। আমারও অহরহ ইচ্ছায়-অনিচ্ছায় ভুল হয়। চেষ্টা করি, এড়িয়ে চলার। আমি বিভিন্ন ভাষাভাষীর সাথে কথা বলি, তাদেরটা শুনি। তখন আমার মাতৃভাষার কথা মনে পরলে, খারাপ লাগে।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:১২

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: গ্লোবালাইজেশন এর ফলে গোটা বিশ্ব একটা গ্রামে পরিণত হয়েছে। ফলে এক দেশের সংস্কৃতি, কৃষ্টি অন্য দেশে ঢুকে পড়ছে। যার শেষ অবস্থা হচ্ছে এই বাংলিশ, হিংলিশ ইত্যাদির সৃষ্টি। ইন্টারনেট এবং টিভিসহ নানান মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের কৃষ্টির সাথে পরিচিত হওয়া যায়। এক্ষেত্রে পরিচিত হওয়া ছাড়াও ঐ সংস্কৃতি আমাদের নিজের মধ্যে ঢুকে পড়ছে। যার ফলে বাংলায় আজ এতো বানান বা শব্দ গোলমাল। এটা চলতেই থাকলে বিলুপ্তি না ঘটলেও নতুন ভাষায় রুপান্তরিত হতে পারে।

মাতৃভাষার বিকৃতি কোনো ক্রমেই কাম্য নয়। অন্য ভাষা দিয়ে মাতৃভাষাকে প্রকাশের দরকার নেই। প্রত্যেকটি ভাষারই স্বকীয়তা রয়েছে। আর এই স্বকীয়তাই কোনো ভাষার অনন্য বৈশিষ্ট্য। তাই শুদ্ধরূপে বাংলার চর্চা করতে হবে।

বিদেশি ভাষা পড়া অত্যন্ত উপকারী। এতে ঐ ভাষার শ্রেষ্ঠ কাজগুলো পড়া সম্ভব হয়। তবে তা যেন কোনো ক্রমেই মাতৃভাষাকে খাটো করে না হয় !


আপনার মতো আমারও মনটা কেঁদে ওঠে যখন ভুল বানান বা বাংলার অপব্যবহার দেখি। এজন্যই কি ৫২ সালে বাঙালিরা প্রাণ দিয়েছিলো ???

সুন্দর মন্তব্যের জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.