নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

rm -rf /

আর্কিওপটেরিক্স

Cyber security

আর্কিওপটেরিক্স › বিস্তারিত পোস্টঃ

অদ্ভুতুড়ে

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:২৬


মৃদঙ্গবাবু ঘুম থেকে উঠে চোখ চেয়েই ভারী অবাক হয়ে দেখতে পেলেন,তাঁর পায়ের কাছে খাটের পাশেই একটা ঝাঁকামুটে দাঁড়িয়ে আছে। তার ঝাঁকাতে ঝিঙে, লাউ আর বেগুনও দেখতে পেলেন তিনি। শশব্যস্তে উঠতে গিয়ে তিনি আর-এক দফা অবাক হলেন, কারণ তাঁর খাটের পাশ দিয়েই সাঁ করে একটা সাইকেল টিং টিং করে বেল বাজাতে-বাজাতে চলে গেল।

চারদিকে চেয়ে তিনি হাঁ। এ কী! তিনি যে রাস্তার উপর খাট পেতে শুয়ে আছেন! চারুবাবু থলি হাতে বাজারে যেতে-যেতে তাঁর দিকে চেয়ে বললেন, “আহা, আর একটু সরিয়ে খাটটা পাতবেন তাে, যাতায়াতের যে বড় অসুবিধে হচ্ছে মশাই!”

মৃদঙ্গবাবু ভারী লজ্জিত হলেন। ঘুম ভাঙতে বেশ বেলা হয়েছে তাঁর। চারদিকে ঝলমলে রােদ। রাস্তায় বিস্তর লােক যাতায়াত করছে। তিনি তাড়াতাড়ি নামতে গিয়ে দেখেন, যেদিকে নামবেন সেদিকে পরপর তিনজন ভিখিরি বসে ভিক্ষে করছে। কী বিপদেই যে পড়া গেল! অন্য দিক দিয়ে নামবার উপায় নেই। সেদিকটা খাট ঘেঁষে ঘােষেদের দেওয়াল। খাটের গা আর মাথার দিকটা উঁচু কাঠের নকশা করা রেলিং থাকায় ও দিক দিয়েও নামবার সুবিধা নেই।


কিংবা,


কন্ধকাটা এর মুন্ডু না থাকলেও তাদের কোন অসুবিধে হয়না।শোনা যায় তাদের চোখ নাক কান সবই থাকে তাদের বুকে। বাঁশবনের দুই কন্ধকাটা দাবা খেলে খেলে ক্লান্ত হয়ে একটু বেড়াতে বেরিয়েছিল। গাছে গাছের মগডাল থেকে মগডালে ঝুল খেয়ে খেয়ে তারা মনসাপােতার জঙ্গলে এসে একটা গাছ থেকে ঠ্যাং ঝুলিয়ে বসে জিরোচ্ছিল।

তখন কন্ধকাটা ক কন্ধকাটা খ-কে বলল," ওই দ্যাখ, ভুড়ি যাচ্ছে।”
কন্ধকাটা খ বলে, "কার ভুড়ি?"
“গজপতি দারোগার ভুড়ি।”
“তা গজপতি দারোগা কোথায়?”
‘ভুড়ির পেছনে পেছনে আসছে।”
“ও বাবা, সন্ধ্যার পর গজপতি দারোগা আজ বেরোলে যে! এ তাে ঘাের দুর্লক্ষণ? দেশে অনাবৃষ্টি, মহামারী, ভূমিকম্প কিছু না-কিছু হবেই।”
“হু। সন্ধের পর গজপতিকে কেউ ঘরের বাইরে দেখেনি বটে। নিশ্চয়ই গুরুতর কারণ আছে।”
“থাকতে হবে।”
“আয় তবে, মজা দেখি।”


অথবা,


জ্যোতিষী হিসেবে জটেশ্বর ঘোষালের খুব নামডাক। গণনা করে যা বলেন বলেন একেবারে অব্যর্থ। ফলে কি ফলবে। তবে তার মধ্যেও একটু কথা আছে। ফলে বটে, তবে উলটো রকমে। এই যেমন পরীক্ষার ফল বেরোনোর আগে কাঁচুমাচু মুখে পালবাড়ির ছােট ছেলে ফটিক এসে বলল, “জ্যাঠামশাই, হাতটা একটু দেখে দেবেন? রেজাল্টের জন্য বড় ভয় হচ্ছে।"

জটেশ্বর গম্ভীর মুখে খুব ভাল করে ফটিকের হাত দেখলেন, অনেক হিসেবনিকেশ করলেন, তারপর ভ্রু কুঁচকে দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, “না রে, এবারটায় হবে না।” শুনে ফটিক লাফিয়ে উঠে দু পাক তুর্কি নাচ নেচে, “মেরে দিয়েছি! মেরে দিয়েছি!” বলে চেঁচাতে-চেঁচাতে বেরিয়ে গেল। এবং রেজাল্ট বেরোনোর পর বাস্তবিকই দেখা গেল, ফটিক বেশ ভালো নম্বর পেয়ে পাশ করেছে।

.................................

বলছি, অদ্ভুতুড়ে সিরিজের কথা। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের লেখা চমৎকার এক সিরিজ। শিশু-কিশোর, বুড়া-বুড়িদের জন্য লেখা মজারু সব গল্পের ভান্ডার। উপরের গল্পের অংশগুলো এই সিরিজেরই কয়েকটা বই থেকে নেওয়া। ভূত-প্রেত, অদ্ভুত অদ্ভুত ব্যাপার, কল্পবিজ্ঞান, ইতিহাস, হাস্যরসে ভরা এক সিরিজ। একবার পড়তে বসলে ওঠা দায়।বাচ্চা বুড়ো সকলের জন্য নিঃসন্দেহে সুখপাঠ্য।



লেখক পরিচিতিঃ
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় ১৯৩৫ খ্রিস্টাব্দের ২রা নভেম্বর ব্রিটিশ ভারতের বেঙ্গল প্রেসিডেন্সির অন্তর্গত ময়মনসিংহে জন্মগ্রহণ করেন, যেখানে তাঁর জীবনের প্রথম এগারো বছর কাটে। ভারত বিভাজনের সময়, তাঁর পরিবার কলকাতা চলে আসে। এই সময় রেলওয়েতে চাকুরীরত পিতার সঙ্গে তিনি বিহার, পশ্চিমবঙ্গ ও বিহারের বিভিন্ন স্থানে তাঁর জীবন অতিবাহিত করেন। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় কোচবিহারের ভিক্টোরিয়া কলেজ থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা সম্পন্ন করেন। পরে, কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন। শীর্ষেন্দু একজন বিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু করেন। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের প্রথম গল্প জলতরঙ্গ শিরোনামে ১৯৫৯ খ্রিস্টাব্দে দেশ পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। সাত বছর পরে ঐ একই পত্রিকার পূজাবার্ষিকীতে ঘুণ পোকা নামক তার প্রথম উপন্যাস প্রকাশিত হয়। ছোটদের জন্য লেখা তার প্রথম উপন্যাস মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি। বর্তমানে তিনি আনন্দবাজার পত্রিকা ও দেশ পত্রিকার সঙ্গে জড়িত। শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় মানবজমিন উপন্যাসের জন্য সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পান।

প্রাপ্ত পুরস্কারসমূহঃ
১/ বিদ্যাসাগর পুরস্কার (১৯৮৫) - শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য।
২/আনন্দ পুরস্কার (১৯৭৩ ও ১৯৯০)
৩/সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার (১৯৮৮)- মানবজমিন উপন্যাসের জন্য।
৪/বঙ্গবিভূষণ (২০১২)

☞তাঁর লেখা শিশু-কিশোরদের জন্য বইঃ (বেশিরভাগই অদ্ভুতুড়ে সিরিজের অন্তর্ভুক্ত)

পাতালঘর
কুঞ্জপুকুরের কান্ড
দুধসায়রের দ্বীপ
পটাশগড়ের জঙ্গলে
ঝিলের ধারে বাড়ি
সোনার মেডেল
অদ্ভুতুড়ে
মনোজদের অদ্ভুত বাড়ি
বিপিনবাবুর বিপদ
নৃসিংহ রহস্য
বক্সার রতন
গজাননের কৌটো
গোঁসাই বাগানের ভূত
গৌরের কবচ 
চক্রপুরের চক্করে
নবাবগঞ্জের আগন্তুক
নবীগঞ্জের দৈত্য
পাগলা সাহেবের কবর
বনি
ভূতুরে ঘড়ি
ষোলো নম্বর ফটিক ঘোষ
হিরের আংটি
হেতমগড়ের গুপ্তধন
ঝিকরগাছার ঝঞ্ঝাট
সাধু বাবার লাঠি
হারানো কাকাতুয়া
উঁহু
অঘোরগঞ্জের ঘোরালো ব্যাপার
ময়নাগড়ের বৃত্তান্ত
হাবু ভুঁইমালির পুতুল
গোলমেলে লোক
মদন তপাদারের বাক্স
ভোলু যখন রাজা হল
সর্বনেশে ভুল অঙ্ক
নন্দীবাড়ির শাঁখ।


বইগুলো কিনতে চাইলেঃ

বিদেশেঃ
Amazon এ পাবেন। লেখকের নাম দিয়ে সার্চ করতে হবে।

দেশেঃ
সকল বইয়ের দোকানে।

অনলাইনঃ
রকমারি

আর চাইলে নেট থেকে খুঁজে PDF পড়তে পারেন।


সোর্সঃ
১/ উইকিপিডিয়া।
২/ রকমারি ডট কম।
৩/ অদ্ভুতুড়ে সিরিজেই কিছু বই।

মন্তব্য ৩৫ টি রেটিং +৬/-০

মন্তব্য (৩৫) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:২৮

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন:

আসতেছি

১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:০৪

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: থ্যাংস আপু :)

তোমার জন্যঃ

২| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৩২

পবিত্র হোসাইন বলেছেন: সুন্দর একটা পোস্ট

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:০২

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ :)

৩| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৩৫

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আমার খুবই প্রিয় একজন লেখক। উনার বেশীরভাগ বই-ই আমার পড়া। তারপরেও কিছু বইএর লিঙ্ক দিলেও তো পারতেন। একটু রিভিশান দিতাম!! :)

১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ১১:০৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: শির্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় আমারও প্রিয় একজন লেখক। আপনার মতো আমিও উনার বেশিরভাগ বইই পড়েছি। লিংক দিতাম কিন্তু লেখক এতো ক্ষ্ট করে লিখেছেন তাই বই কিনলেই ভালো হয় বলে আমার মনে হয়। আপনি আমারবই ডট কমে পেয়ে যাবেন।

আমি কাগুজে বইয়ের ভক্ত। বইয়ের গন্ধটা আমাকে টানে.....


পড়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ :)

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:১৫

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: টাইপো X(

শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় হবে।

৪| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৪৩

রাজীব নুর বলেছেন: এই লেখক আমার খুবই প্রিয়। তার যে কোন লেখাই আমি মুগ্ধ হয়ে পড়ি।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:১৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: উনার লেখা আমারও খুবই প্রিয়। দারুণ লেখেন। তাই মুগ্ধতা অনিবার্য :)

৫| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

নজসু বলেছেন:



দূর ভ্রাতা কত স্মৃতি মনে করে দিলেন।
সময় পেলে বইগুলো যদি আবার পড়তে পারতাম।
২/১ টা বাদে প্রায় সব পিডিএফ আমার আছে।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:২২

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: স্মৃতিচারণা ভালো বাছা B-))

সময় পেলে পড়তেই হবে !

কোনো বই না পেলে বলতে পারেন ভ্রাতা :)

৬| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: ভালো লাগলো

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:২৩

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: থ্যাংস এগেইন ফর coming ;)

৭| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩

মা.হাসান বলেছেন: পূজো সংখ্যা আনন্দমেলাটা শুধু ওনার নতুন উপন্যাসের লোভেই কিনি। পুরানো অনেক সংখ্যাই শৈশবে ঢাকায় না থাকার কারনে কিনতে পারিনি। কিছু বাংলাবাজার , কিছু নীলক্ষেত থেকে সংগ্রহ করেছি। তবে চার খন্ডে ওনার কিশোর সমগ্র আসার পর সব পেরেশানি শেষ। দাম ও নাগালের খুব ভিতরে। ওনার দুটো উপন্যাস থেকে সিনেমাও কিন্তু হয়েছে, তবে স্বল্প বাজেটের পরিচালকরা জমাতে পারেন নি। শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩১

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: আমি হার্ডবুক তো কিনিই আবার কোনো বই না পেলে পিডিএফ খুঁজে পড়ি। উনার চমৎকার লেখা পড়ার অনুভূতিই আলাদা। দারুণ দারুণ লেখা। গোগ্রাসে গিলে ফেলি :D

উনার জন্যই আনন্দমেলাটা জমে ভালোই। পুরোনো সংখ্যার পিডিএফ পেতে পারেন। নেটে খুঁজুন।

সমগ্রও দেখেছি। সেগুলো সাশ্রয়ীই বটে ! একটা কিনলেই সিরিজ শুদ্ধ উদ্ধার :D

সিনেমা বলতে শবর আর ঈগলের চোখ নাকি ? দেখা হয়ে ওঠেনি। এবার খুঁজে দেখবোনি :)


পড়ার জন্য আপনাকেও শুভকামনা :)

৮| ১২ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৭

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: বাহ দারুণ পোস্ট।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩২

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: অসংখ্য ধন্যবাদ তারেক ভাই :)

৯| ১২ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৩

করুণাধারা বলেছেন: আমার খুবই প্রিয় একজন লেখক!! যদিও এটা আগে উল্লেখ করতে ভুলে গেছি। আসলেই তার অদ্ভুতুড়ে লেখাগুলো এমন, ছোটদের মতো বুড়োরাও পড়ে মজা পায়।

চমৎকার বিষয় নিয়ে লিখেছেন, +++++

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩৮

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: উনি দেখছি সবারই প্রিয় একজন লেখক। আমার তো বটেই !!

অদ্ভুতুড়ে সিরিজের লেখাগুলো মজার মজার কান্ডকারখানায় ভরা। সকলের জন্যই উপাদেয়।

এই সিরিজ নিয়ে নেটে তেমন একটা লেখা নেই। তাই পোস্টটা করা। এটাই কিন্তু সেই ড্রাফটের মাল। নতুন করে লিখিনি। জাস্ট ড্রাফট থেকে কপি করে পেস্ট করলাম। সমানে আরো ভিন্ন ধাঁচের লেখা দিবো। কবিতা, গান, রম্য, গল্প সাথে উচ্চশিক্ষা নিয়ে পোস্ট আসবে। উপর্যুক্ত সংখ্যক পাঠক এলে প্রজেক্ট চাঁদগাজী রিভিল করা হবে :)


সবশেষে পড়ার জন্য অশেষ কৃতজ্ঞতা :)

১০| ১২ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: ভালো লাগার মত পোস্ট।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:৩৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ভালো লাগার জন্যই এই পোস্ট :)

১১| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০৮

সুমন কর বলেছেন: উনার এ সিরিজটি পড়িনি। আমার অন্যতম প্রিয় লেখক।

শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:৪০

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: না পড়লে ঝটপট পড়ে নিন। নাহলে কখন আবার চান্দু চোর সিরিজটা চুরি করে :P

উনি আমারও প্রিয়।

পড়ার জন্য আপনাকেও অনেক অনেক ধন্যবাদ :)

১২| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:১১

মুক্তা নীল বলেছেন:
শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় নিঃসন্দেহে সবারই একজন প্রিয় লেখক , সেই সাথে আমারও। আর আমি তো আপনার পড়ার কালেকশন দেখে অবাক হচ্ছি। সত্যি ভীষণ ভালো লাগা জানিয়ে গেলাম।
এত সুন্দর একটি পোষ্টের জন্য অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:৪৫

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: এত চমৎকার যার লেখনী, তাঁর ভক্তের শেষ হবে না। এই অধমও উনার ভক্ত :)

আমি কত কিছু পড়ি তার কোনো ঠিকানা নেই। দিনে একপাতা হলেও বই আমি পড়বোই পড়বো। আসলে বইয়ের নেশা সর্বনাশা :P

আপনাকে অনেক অনেক ধন্যবাদ আপু :)

১৩| ১২ ই জুন, ২০১৯ রাত ৯:৩৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: আর্কিওপটেরিক্স,




প্রথম দু'লাইন পড়েই মনে হলো, এইবার গালকাটা চান্দু চোরকে পেয়েছি। যাবে কই বাপধন!!!!!!! ! অদ্ভুতুড়ে ব্যাপার, সবই যে চুরি করা! আজ আপনার একদিন কি আমার একদিন......... !:#P

তো আরো নীচে নামলুম... আরও নীচে! নামতে নামতে ফুঁটো বেলুনের মতো চুপসে গেলুম। :((

আমার প্রিয় একজন লেখককে উদ্ধৃত করেছেন। শীর্ষেন্দু আসলেই দারুন হিউমারিষ্ট!

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ১২:৫০

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: চান্দু এতো সহজে ধরা পড়বে নাকি? গায়ে আসল খাঁটি সরিষার তেল মেখেছে যে :P তাই আপনি ধরতে পারেননি :D

চুরি করে যদি ভালো কিছু হয় তবে চুরিই ভালো :P ঠিক যেমন রবিনহুড :)

তাও ভালো আর দুহাত নীচে নামেননি। নামলে কমেন্টের মধ্যে তলিয়ে যেতেন =p~

উনি সকলেরই প্রিয় একজন। উনার গল্পগুলো আসলেই রসে টুইটুম্বুর।

পাঠে কৃতজ্ঞতা জানবেন :)

১৪| ১৩ ই জুন, ২০১৯ ভোর ৫:৫৫

হাবিব স্যার বলেছেন: পড়িনি এখনো, পড়ে দেখার ইচ্ছা আছে..........

১৩ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: পড়ে ফেলুন, বাচ্চার কাজে লাগবে :P

১৫| ১৩ ই জুন, ২০১৯ সকাল ৯:৫৪

জুন বলেছেন: আমার প্রিয় লেখক তার লেখা সব লেখা বিশেষ করে মানব জমিন বইটি কতবার পড়েছি হিসেব নিকেশ নেই ।
ধন্যবাদ তাকে নিয়ে লেখার জন্য ।

১৩ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: আমারও প্রিয় আপুনি :)

১৬| ১৩ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:২৪

নীল আকাশ বলেছেন: উনার গল্পের বই পড়েছি কিন্তু এইসব লেখা পড়িনি।
ধন্যবাদ।

১৩ ই জুন, ২০১৯ রাত ৮:০০

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: বহুদিন পরে !

এইসব এখন পড়ুন :)

১৭| ১৭ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৫:২৪

মনিরা সুলতানা বলেছেন: বাহ অনেক গল্প ঝালাই হল, কিছু বাদ থেকে গেলেও লেখক আমার বেশ প্রিয়।

১৮ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১১:৩৪

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: একটা গাছে সকল ফল হওয়া যেমন সম্ভব নয় তেমনি জীবনেও অনেক কিছুই বাদ থেকে যায়। এটাই বোধহয় ইচ্ছার অপ্রাপ্তি।

পাঠে পাহাড়ি বাতাসের ন্যায় কৃতজ্ঞতা :)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.