নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সম্পদহীনদের জন্য শিক্ষাই সম্পদ

চাঁদগাজী

শিক্ষা, টেকনোলোজী, সামাজিক অর্থনীতি ও রাজনীতি জাতিকে এগিয়ে নেবে।

চাঁদগাজী › বিস্তারিত পোস্টঃ

রোহিংগা বিতাড়নে চীনাদের বড় ভুমিকা আছে

২০ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৫২



আজ থেকে ২ দিন পর, মিয়ানমার সাড়ে ৩ হাজার রোহিংগাকে ফেরত নেয়ার কথা; তাদেরকে নেয়া হবে, এক ধরণের ক্যাম্পে, যেটা অনেকটা চীনের উইঘুর কনসেন্ট্রেশন ক্যাম্প, যুদ্ধবন্দী রাখার মত ফেসিলিটি; এগুলো চীনের মডেল। চীন উইঘুরদের অনেক মানুষকে এই ধরণের ক্যাম্প আটক করে ফেলেছে। ২০১৭ সালে, রোহিংগাদের তাড়িয়ে দেয়ার পেছনে চীন যুক্ত আছে। মিয়ানমার ৬০ বছর মিলিটারী শাসনে থাকার ফলে, ইহা বিশ্ব থেকে একেবারে পেছনে পড়ে গিয়েছিলো, সেই সুযোগটা চীন কাজে লাগায়েছে, মিলিটারীর লোকদের ডলারের নীচে চাপা দিয়ে, মিয়ানমারকে অনেকটা দখল করে নিয়েছে চীন; মিলিটারী যখন রোহিংগাদের নির্মুল করতে চেয়েছে, চীন নিজের তিব্বত ও উইঘুর মডেলকে কাজে লাগানোর ব্যাপারে সাহায্য করেছে মিয়ানমারের মিলিটারীকে।

রোহিংগাদের সব দু:খের মুল কারণ বার্মার মিলিটারী; ধর্মীয় ও জাতিগত বিদ্বেষের কারণে রাখাইন ভিক্ষুরা মিলিটারীর সাথে যোগ দিয়েছে; তবে, রোহিংগাদের রাখাইন থেকে পুরোপুরি নির্মুল করার পেছেনে চীনের লম্বা হাত কাজ করছে এখন। চীন ইহাকে মুলত: অর্থনৈতিক পদক্ষেপের অংশ হিসেবে নিলেও, তাদের উইঘুরদের প্রতি ক্ষোভও এখানে কিছুটা যোগ হয়েছে। চীনারা পৃথিবী থেকে আদিম, অলস, শান্তিপ্রিয়, নিরীহ এক জাতি, তিব্বতীয়দের নাম মোটামুটি মুছে দিয়েছে; এখন তারা উইঘুর জাতিটাকে মুছে ছিচ্ছে সবার সামনে।

রাখাইন হচ্ছে নারী আধিপত্যের সমাজ; নারী আধিপত্যের সমাজে ভালো দিক হলো, পুরুষেরা সহজ, সরল থাকে, কোন ব্যাপারে তেমন মাথা ঘামাতে হয় না, কোন কঠিন সিদ্ধান্ত নিতে হয় না। ফলে, রাখাইনরা কোন সময় ভয়ংকর জল্লাদ হিসেবে পরিচিত ছিলো না। নারী আধিপত্যের সমাজে কারো স্ত্রী মাঝে মাঝে অন্যের সাথে ঘুমালেও বেশীর ভাগ পুরুষ ইহাকে সহজভাবে নেয়; এগুলো নিয়েও পুরুষেরা মল্লযুদ্ধে নামে না। আরাকানের পুরুষেরা এখনো বিশ্বমানের পুরুষ নয়, ৩৫ বছরের উপরে যাদের বয়স হয়েছে, তাদের কারো পরিস্কার, পরিপাটি, সুন্দর দাঁত নেই: ময়লা, বিশ্রী, নষ্ট হয়ে যাওয়া দাঁতের মানুষের কোন ব্যক্তিত্ব ও বক্তব্য থাকে না। ফলে, সাধারণ রাখাইনরা রোহিংগাদের আসল প্রতিপক্ষ নয়।

ভিক্ষুরা চায়, চীন রাখাইন দখলের জন্য যে টাকা পয়সা দিচ্ছে, সেটা যেন শুধু রাখাইনরা পায়, রোহিংগারা না পায়। মিলিটারী কিছু ভিক্ষুকে অস্ত্র সরবরাহ করেছে; ভিক্ষুরা স্হানীদের হয়ে চীন সরকারের লোকদের সাথে কাজও করছে রাখাইনে।

চীন আরাকানের পাকিওপিউ'তে যে পোর্ট করেছে, সেটা দিয়ে বিশাল ট্যাংকারে করে তেল আনছে, তেলের পাইপ লাইন গেছে রাখাইন হয়ে; এখন চীন ক্রমেই পোর্টের আশেপাশের এলাকাগুলোতে শিল্পান্চল গড়ছে; এগুলোতে রাখাইনরা কাজ করছে; চীনা ব্যবসায়ীরা চাহে না যে, শিল্পান্চলে রাখাইন-রোহিংগা গোলযোগ থাকুক; সর্বোপরি, চীনারা চাহে না যে, রোহিংগা অস্ত্রধারীরা কোনভাবে চীনাদের ব্যবসা এলাকায় গোলযোগের সৃষ্টি করুক; রাখাইনরা চীনাদের ও মিলিটারীর জন্য আশির্বাদ।

মন্তব্য ৪৩ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৪৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:০১

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: রোহিঙ্গা হচ্ছে বাংলাদেশ ও ভারতের চাষ করা নর্দমা। এই নদর্মার একমাত্র কাজ অদ্ভুৎ ধর্ম দর্শন আর প্রজনন।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:০৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


আসলে, বাংলাদেশের ভেতরে রোহিংগাদের অনেক সাপোর্টার আছে।

২| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৫২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: আমি অনেক পূর্বই দেশ গুলির নাম বলেছি
কার কার স্বার্থ আছে এখানে ।

.............................................................................
পরে নামগুলি বাদ দিয়ে কথা বলতে হয়েছে ।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:৩১

চাঁদগাজী বলেছেন:


বাংলাদেশ সরকার চীনের সাহায্য চেয়ে চীনের সাথে এই নিয়ে বারবার কথা বলেছে আসলে, চীনই রোহিংগাদের বিপক্ষে কাজ করেছে।

৩| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:০২

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: চাঁদগাজী ভাই, বাংলাদেশে বর্তমানে ডেঙ্গু প্রদুর্ভাবের কারণে অনেক ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কর্তৃপক্ষ এবার কোরবানী টা জবরদস্ত দিয়েছে ঈদে মার্কেটিং শপিং করেছে জমজমাট - এর অর্থ কি এই দেশের সকল জনগণ অন্ধ হয়ে ডেঙ্গু মশাকে আশির্বাদ মনে করবে ???

বাংলাদেশে রোহিঙ্গা আসার কারণে শ খানেক এনজিও সরাসরি সেখানে কাজ করছে এবং পরোক্ষাভাবে কাজ করছে সাবকন্ট্রাক্ট করা এনজিও আরো শ খানেক। আর তাতে কর্মসংস্থান হয়েছে সমগ্র বাংলাদেশের ১০,০০০ (দশ হাজার) বেয়াদব ছেলেমেয়ের যারা কক্সবাজারে লিভ টুগেদার করে থাকছে আর এনজিওতে চাকুরী করছে, তাদের কাছে রোহিঙ্গা একটি আশির্বাদ, রোহিঙ্গা যতোদিন থাকবে ততোদিন এই সব ছেলেমেয়ের কক্সবাজারে চালাবে অশ্লিল কর্মকান্ড।

বাংলাদেশে এনজিওতে চাকুরী করা ছেলেমেয়েদের অবাধ মেলামেশায় তাদের চাকুরীতে এনজিও চয়েজ এখন প্রায় জাদুর ছোয়া বলা চলে তাতে চাকুরীর প্রয়োজনে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে যাওয়া যায় আর থাকা যায় অবাধে কোনো রেষ্ট হাউজে অথবা এনজিওকৃত ভাড়া করা বাসাবাড়ীতে যা বাউন্ডারি আড়ালে থাকে।

সেইক্ষেত্রে রোহিঙ্গাকে কারো জন্য - কারো পরিবারের জন্য আশির্বাদ মনে হওয়া বিচিত্র কোনো কারণ নেই।


২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:৩৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



এনজিও'র চাকুরী হলো ফালতু সময় নষ্ট করা।

৪| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:১১

জুনায়েদ বি রাহমান বলেছেন: চীনের প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছে- রোহিঙ্গাদের' ফিরিয়ে নিতে তারা মিয়ানমারকে অনুরোধ করবেন।
ফলাফল দেখা যাবে, দুইদিন পরে।

চীন পাকিস্তান ও বার্মাকে মোটামুটি গিলে ফেলেছে। বাংলাদেশকে লোন টোন দিয়ে আস্তে আস্তে গ্রাস করতে চাইছে!

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১:৩৪

চাঁদগাজী বলেছেন:



যেখানে দুর্নীতি আছে, চীন সেখানে ব্যবসা পায়।

৫| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৭:৩১

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
মিয়ানমারে রোহিঙ্গা নিপীড়নের বিষয়টিতে সবসময়ই জাতিসংঘের হস্তক্ষেপের বিরোধী চীন, এবং সর্বদাই তারা মিয়ানমারের পক্ষে। এটার কৌশলগত কারণটা ভাল করে তুলে ধরেছেন । কৌশলগত ও বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষাই চীনের মূল লক্ষ্য । তাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও তেল-গ্যাসের সরবরাহ নিশ্চিত করার জন্য মালাক্কা প্রণালী ছাড়াও মিয়ানমারের ভেতর দিয়ে আরেকটি স্থলপথকে অক্ষুণ্ণ রাখা তাদের প্রয়োজন । এর জন্য তারা যা যা করার তা করেই যাবে ।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:



বার্মার দুর্নীতিবাজ মিলিটারীকে সাহায্য করে, বার্মা প্রায় দখল করে নিয়েছে চীনের সরকার ও ব্যবসায়ীরা। চীন একই কারণে আরাকান থেকে রোহিংগা বিতাড়নে বার্মার মিলিটারীকে সাহায্য করেছে।

৬| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৭:৫৯

রাজীব নুর বলেছেন: রোহিঙ্গাদের আগে আমাদের মানুষ হিসেবে দেখতে হবে। রোহিঙ্গারা আমাদের দেশে আর্শীবাদ হয়ে এসেছে। ওদের আশ্রয় দিয়ে আমাদের লস হয়নি। বরং বর্হি বিশ্বে আমারদের মাথা উঁচু হয়েছে।

৭১ এ প্রায় ৯০ লাখ মানূষকে আশ্রয় দিয়েছিল ভারত। শুধু আশ্রয় না খাবারও দিয়েছিল।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৮:০৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


ওকে।
তবে, বাংলাদেশ সরকার চীনের কাছে বৃথা মাথা কুটে মরছে।

৭| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সকাল ৯:১১

ইসিয়াক বলেছেন: রোহিঙ্গারা বর্বর , অশিক্ষা কুশিক্ষায় ভরা মৌলবাদী জনগোষ্ঠী ।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


সৌদী, ইরানী, পাকিস্তানী, আফগানরা এদের থেকেও মৌলবাদী

৮| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৭

মোঃ ইকবাল ২৭ বলেছেন: রোহিঙ্গারা হয়তো কোন একদিন চট্টগ্রাম দখল করার চেষ্টা করবে, এরই মধ্যে কক্সবাজারে তাদের রাজত্ব শুরু হয়ে গেছে।সামনে এদের হাতে বাঙালী মার খাবে।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:


এদেরকে বিভিন্ন শিল্পান্চল ও কৃষি অন্চলে ভাগ করে, কাজ দেয়ার দরকার।

৯| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪২

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: রোহিঙ্গারা এত মজা ছেড়ে যাবে না। ১১ লাখের মধ্যে ১১০০ গেলে কোন পরিবর্তন হবে না। বরং বাংলাদেশ সরকারকে 'উইঘুর' স্টাইলে রোহিঙ্গাদের নিয়ন্ত্রণ করার পরিকল্পনা করতে হবে। এরা দিন দিন কক্সবাজার বাসীর জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে...

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


কক্সবাজারে এত রিফিউজীকে একত্রে রাখা অবশ্য ভুল সিদ্ধান্ত; ওদের খাবার ও থাকার যায়গা আছে; পরিবারের কার্যক্ষমকে কাজ দিলে ওরা করবে। ওদের কাজ দিতে সুবিধা হলো, এখন ওদের সব বেতন না দিলেও ওরা চলতে পারবে।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি দেশে, নাকি প্রবাসে?

১০| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১১

মাহের ইসলাম বলেছেন: রোহিংগ্যা সমস্যার পিছনে চীনের ভূমিকা নিয়ে সন্দেহের কিছু নেই।

শুধু চীনের কথা বলেই বা কি হবে?
বাংলাদেশ কি এই সমস্যা সমাধানে তেমন কাউকে শক্তভাবে পাশে পেয়েছে?
যেখানে সবাই যার যার স্বার্থ নিয়ে ব্যস্ত, সেখানে আমাদের স্বার্থ আরো জোরালোভাবে দেখার চেষ্টা না করলে এই ধরনের বিপদ দূর হবে না।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



আমাদের স্বার্থ একমাত্র ভারত ব্যতিত কারো সাথে নেই; আমরা অন্যদের দয়া পেয়ে আসছি বরাবরই

১১| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:১৩

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: এখন দেশে আছি...

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


খুবই ভালো

১২| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৩১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: চীনের জন্য আমার কোন আগ্রহ নেই।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪২

চাঁদগাজী বলেছেন:


এটা শক্তিশালী, ক্রিমিনাল জাতি; রবোটের মতোই অনেকটা

১৩| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৩৬

ডার্ক ম্যান বলেছেন: গভীর সমুদ্র বন্দর নিয়ে এই রোহিঙ্গা খেলা

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৪৪

চাঁদগাজী বলেছেন:


উইঘুরদের নিয়ে, চীনারা নিজদেশে মুসলিম-বিরোধী হয়েছে কিছুটা; বার্মার মিলিটারীকে তারা রোহিংগা তাড়নে মনোবল দিয়েছে।

১৪| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৯:৫৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: চায়না মানুষদেরকে আমার কাছে খুব কৃত্রিম মনে হয় । মনে হয় যেন একটা একটা রোবট। টাকা ছাড়া আর কিছুই বুঝে না।

২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:২২

চাঁদগাজী বলেছেন:



ওগুলো আধা-মানব; ওদের বিশ্ব হলো: সে, তার স্ত্রী ও সন্তানরা; নীচু মানসিকতার জাতি

১৫| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৩০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



কৌশলগত কারণে বাংলাদেশের চেয়ে মায়ানমার ভারত আর চীনের কাছে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। এই দুই দেশ কখনো মায়ানমারকে প্রেসার দেবে না রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে। এখানে চীন-ভারত উইন উইন গেইম চলছে। বাংলাদেশ শুধু দর্শক মাত্র। মায়ানমার কখনো বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের নেবে না। এটাই চরম সত্য কথা।

২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:


রোহিংগারা যেই পরিমাণ ভয় পেয়েছে, ওরা ফেরত যাবে না; ওখানকার সাধারণ মানুষ ওদের চাহে না।
৩ লাখ রোহিংাকে কাজ দেয়ার দরকার।

১৬| ২১ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৫৪

আখেনাটেন বলেছেন: ভালো লিখেছেন।

আমিঃ আপনার কি মনে হয় রোহিঙ্গা সমস্যা বাংলাদেশের জন্য মারাত্মক একটি ভবিষ্যৎ বয়ে আনতে পারে? বাংলাদেশ নিজেই একটি দরিদ্র দেশে সাথে প্রায় ১০ লক্ষ লোকের ভোরণ-পোষণ করা। কিংবা এদের ফেরত নেওয়া নিয়ে মায়ানমারের সাথে একটি দীর্ঘমেয়াদী খারাপ সম্পর্কের মধ্যে দিয়ে যাওয়া।

তিনিঃ দেখুন, মানবিক দিক বিবেচনায় এই লোকগুলোকে বাংলাদেশ সরকার কিছুতেই সীমান্তের উপারে কুরে কুরে মরতে দিতে পারে না। এতে আন্তর্জাতিকভাবে বাংলাদেশের সুনামে মারাত্নক প্রভাব পড়ত। প্রাথমিক অবস্থায় বাংলাদেশ যা করেছে তা প্রশংসাযোগ্য। কিন্তু এর পর যা দেখছি তাতে কোন আশার আলো নেই। এখানে বাংলাদেশ কূটনৈতিকভাবে চরমভাবে ব্যর্থ।

আমি কখনই ভাবতে পারি নি যে ভারত বাংলাদেশকে বাদ দিয়ে মায়ানমারকে সাপোর্ট করবে। এটা বাংলাদেশ সরকারের ডিপ্লোমেসিতে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে থাকবে।

আমিঃ চীনও তো বাংলাদেশের পাশে নেই। এটা কীভাবে দেখছেন?

তিনিঃ চীন পাশে থাকবে না এটা আগে থেকেই জানা কথা। কারণ তারা এখন মায়ানমারকে বেস ধরে ভারত মহাসাগরে তাদের আধিপত্য যা ‘স্ট্রিং অব পার্ল’ বলে সমদ্র ঘাঁটির মাধ্যমে কায়েম করতে চাচ্ছে। তাই তারা বার্মার পাশে থাকবে এটাই স্বাভাবিক। চীনের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামরিক স্বার্থ বার্মাতে বাংলাদেশের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি। তবে বাংলাদেশ সরকার মানবিক দিককে গুরুত্ব দিয়ে চীনের সহানুভূতি আদায় করতে কূটনৈতিকভাবে আরো তৎপর হতে পারত। এখানেও বাংলাদেশ ব্যর্থ।

আমিঃ বাংলাদেশও তো চীনের ব্যাপক অর্থনৈতিক কর্মকান্ড চলছে...

তিনিঃ আমার মনে হয় চীন ও ভারতের পৃথক পৃথক কারসাজিতে মায়ানমার এই অসহায় রোহিঙ্গাদের উপর ধ্বংসযজ্ঞ চালাচ্ছে।

আমিঃ ব্যাপারটা একটু খোলাসা করলে ভালো হতো। কারণ চীনের এখানে ভূমিকা থাকলেও ভারত কীভাবে কারসাজি করছে?

তিনিঃ প্রথমে চীনেরটা বলি। আপনি হয়ত শুনে থাকবেন বাংলাদেশের সোনাদিয়াতে একটি ডিপ সি পোর্ট করার সকল প্রকার আয়োজন সেরে ফেলেছিল। চীন ব্যাপকভাবে ধরেছিল তারাও এর অংশীজন হবে নির্মাণকাজে। ভারত এটাকে তাদের ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থে বাংলাদেশের উপর চাপ প্রয়োগ করে সোনাদিয়া গভীর সমুদ্র বন্দর প্রজেক্টটায় পরিত্যক্ত ঘোষণা করতে বাংলাদেশকে বাধ্য করে। এর পরিবর্তে পায়রা বন্দর নামে ভারতীয় বিনিয়োগের নামে আধা-খেচড়া একটি প্রায় নন ভায়াবল পোর্টকে সমর্থন দিয়েছে। এখানে ভারতের যুক্তি চীন চট্টগ্রামের সোনাদিয়াতে গভীর সমুদ্রবন্দর তাদের ‘স্ট্রিং অব পার্ল’র একটি অংশ। বাংলাদেশ সরকারও ভারতীয় কিছু বিনিয়োগ, বিদ্যুৎ, ক্রেডিটের মূলাতে গভীর সমুদ্র বন্দরের ধারণা থেকেই সরে এসেছে। যা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য মারাত্মকভাবে দরকার এক দশকের মধ্যেই।এতে চীন অবশ্যই ভীষণ নাখোশ হয়েছে। বাংলাদেশে তাদের রাজনৈতিক বা সামরিক স্বার্থ থাকল না। ফলে তারা মায়ানমারের আরাকানের কিউকপিউতে তাদের সমুদ্র বেস করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। ৬-৭ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ।

আবার ভারতও আরাকানের সিতেতে একটি সমুদ্র বন্দরে বিনিয়োগ করছে। তাদের ওএনজিসি কোম্পানী সমুদ্রে তেল ও গ্যাস তুলছে যা পাইপলাইনে করে দক্ষিন-পূর্ব রাজ্যগুলোর ভিতর দিয়ে যা আগে বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে নেওয়ার কথা ছিল, নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে।এখন দেখা যাচ্ছে বৈশ্চিক পট পরিবর্তনে আরাকানের রোহিঙ্গা প্রধান অঞ্চল একটি ভারনেরেবল বা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে চরমপন্থী ইসলামী দলগুলোর তাদের জিহাদী কার্যকলাপ পরিচালনা করতে। কারণ আরাকান ভূমির অবস্থানগত কারণে কিছুটা জঙ্গী তৎপরতায় সুবিধাজনক জোনে রয়েছে। বলতে গেলে মায়ানমার থেকে কিছুটা পাহাড়দিয়ে বিচ্ছিন্ন এই অঞ্চল। এই জঙ্গী কার্যক্রম যদি কখনো আরাকানে বৃদ্ধি পায় তাতে বঙ্গোপসাগরের তেল ও গ্যাসের সরবরাহে চীন ও ভারতের মারাত্নকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে। আর এটা ব্যাপক আকার ধারণ করলে মায়ানমার সরকারেরও কিছু করার থাকবে না। এই ধরণের একপেশে ভারত ও চীনা গোয়েন্দাদের রিপোর্টের ভিত্তিতে সামরিক জান্তা একটি চরম সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। জাতিগত নিধন ও উচ্ছেদ। যাতে ভবিষ্যতে এই ধরণের কোনো চরমপন্থীদের মোকাবেলা করতে না হয়।
এই রকম অভিন্ন স্বার্থে ভারত ও চীন একই সুরে গীটার বাজাচ্ছে বাংলাদেশের কানের কাছে কর্কশভাবে।

এটি বছর দুই আগে এই ব্লগেই আমার লেখা। যেটি আমার বন্ধুর বক্তব্য ছিল। প্রাসঙ্গিক হওয়ায় তুলে দিলাম। বড় মন্তব্য হওয়ায় ক্ষমাপ্রার্থী।

২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


চীন যেখানে থাকবে, সেখানে ভারতের স্হান হবে না। বার্মার মানুষ যেই পরিমাণ পেছেন পড়ে গেছে, তাদেরকে নিজ দেশে চীনের কাজ করে খেতে হবে; তারা চীনের উপর নির্ভরশীল পুরোটাই।

বাংলাদেশ চীনের সাথে কথা বলে লাভ হয়নি; কারণ, চীন বার্মার মিলিটারীকে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে।

বাংকাদেশ রোহিংগাদের জন্য গত ৩ বছর সাহায্য পাচ্ছে, আরো ১০ বছর পাবে; যদি ৩/৪ লাখ রোহিংগাকে কাজে লাগায়, অনেক সম্পদ জমা হবে।

১৭| ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৪৪

আখেনাটেন বলেছেন: লেখক বলেছেন: চীন যেখানে থাকবে, সেখানে ভারতের স্হান হবে না। -- রাখাইন প্রদেশে কিন্তু দুই দেশের উপস্থিতি বেশ লক্ষণীয়।

ভারতীয় প্রভাবশালী পত্রিকার লেখার এই অংশটি দেখুন:
Moreover, efforts will be made to export Chinese products manufactured in the Kyaukpyu Industrial Park to India, while getting duty-free access by benefiting from the free-trade agreement between India and Myanmar.

India has been relatively modest in its investments in large industrial and infrastructure projects in Myanmar. There has been a successful effort by ONGC in offshore exploration for natural gas. The Institute for Information Technology in Mandalay set up by India has won high praise, as have the skill development centres built with Indian assistance across Myanmar.

২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



ভারত বার্মার গ্যাস উত্তোলন করে, সেটা হয়তো কিনবে! ওদের গ্যাস অনেক। তবে, ভারত চীনা কিছু কিনতে যাবে না; কারণ, তখন ভারতীয় বাজারের "মুল্য সাম্যতা" বিনষ্ট হবে। ভারত যেই পরিমাণ নিজের তৈরি কনসিউমার প্রোডাক্টস ব্যবহার করে, সেগুলো চীনাদের সাথে পাল্লা দিতে পারবে না, নিজেরা ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:



বার্মার তেল উ্ত্তোলন টেকনোলোজী পুরোটাই চীনের হাতে।

১৮| ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১২:৫৪

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: অং-সাং-সুকি কি করছেন? বেচারীও তো দেখলাম রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন!

মিলিটারীও উনার হাতের বাইরে।

২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ২:১৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



এখন উনিও চীনের সাথে।

১৯| ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ ভোর ৬:১৬

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: মূল্যবান পোস্ট ! সবাই এর নেপথ্য নায়কদের চিনতে পারবেন আশা করি |

২২ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:



বাংলাদেশ সরকার চীনাদের বুঝে নিয়ে, পদক্ষেপ নিলে ভালো হবে।

২০| ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:৪১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
বাংলাদেশের মানুষ ভারতের শাড়ী, কাপড়, চুড়ি কেনেন। ঈদের বাজার করেন ভারতে গিয়ে। বার্মার সাথে তো এই রকম কিছু করতে দেখি না। বার্মার সিনেমা চলে না। কেবল চলে পচা আচার।

২২ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


বার্মার ইয়াবা সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলাদেশে

২১| ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৬

আলাপচারী প্রহর বলেছেন: রোহিঙ্গাদের সংঙ্গে আমাদের আচরণ হওয়া উচিৎ ঐতিহাসিক ভূমিকার বিচারে।
স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় রোহিঙ্গারা আমাদের অস্তিত্ত রক্ষায় যুদ্ধে নিস্পৃহ ছিলো। বরংচ যারা আমাদের যুদ্ধে সামিল হতে চায়নি তারা আরাকান রাজ্যে সেই সময় গিয়ে ঠাঁই নিয়েছিল।
আরাকানিরা ইসলামের ধ্বজ্বাধারী পাকিস্তানের পক্ষে ছিলো। অতএব ওদের ভবিষ্যতের দায়িত্ব আমাদের নয়।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.