নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নাফিস রাইয়ান

নাফিস রাইয়ান › বিস্তারিত পোস্টঃ

লেখক

২৭ শে মার্চ, ২০১৬ রাত ১২:৩৪

সব আলো নিভে যায়...নিকষ কালো আধার জ়ড়িয়ে ধরে বিকালের হেলে পড়া সূর্যকে। বৃষ্টির ফোটাগুলো গাছের পাতায় পড়ে জোৎস্নার আলোয় এক অশরীরি রুপ নেয়। শীতের রাতে ঝুম বৃষ্টি!! !! বৃষ্টি শেষে রংধনুর রংয়ে আঁকা আকাশ। সে আকাশ থেকে নেমে আসা সাদা পক্ষিরাজের পিঠে চড়ে তুষারশুভ্র পাহাড়ের চুড়ায় তার নাম লেখা...এসব স্বপ্ন...স্বপ্ন কখনও সত্যি হয় না। স্বপ্নে আঁকা তার ছবিগুলো চিরকাল আমার.. দুচোখ খুলতে সেগুলো যেন হারিয়ে যায় বিস্তৃতির অন্তরালে ...

রাস্তার ল্যাম্পোস্টগুলো আমার মতোই নিঃসঙ্গ...পথচারী হয়ে দু পা যে পথে যায় সে পথেই তাদের পেয়ে যাই। হাটু গেড়ে বসে পড়ি কোনোটির...সোনালি আলোর আভায় জানিয়ে দেয় ...আমার সাথেই আছে তারা..চোখ দুটি আপনা আপানি বন্ধ হয়ে আসে..কীভাবে শুরু করবো??গল্প বলার মতো মানসিকতা আমার মতো ভবঘুরেদের নেই...অন্য দশ জনের চেয়ে আমার জীবন কোনো ভাবেই আলাদা নয়..দু চোখ খুলে পৃথিবিতে নিজেকে একা আবিষ্কার করার মধ্যে দিয়ে একটি ব্যাপার পরিষ্কার হয়ে যায় আমার ভিতর...আমি ও আমার সত্তা...আমার জন্য যথেষ্ট...মানুষের বিশ্বাস বদলে যায় যখন সে অন্য কারোর হয়ে বাঁচা শুরু করে..আমি বুঝতে শুরু করলাম...আমি দুর্বলতা কে অনেক দূরে ফেলে এসেছি...প্রথম দেখায় কেউ কখনো কাউকে ভালবেসে বসে না। এটি এক অনন্য অনুভুতি..ধীরে ধীরে গ্রাস করতে থাকে অবচেতন মনকে...ভালবাসার মানুষটি কে নিয়ে ভাবায় , ভালবাসার মানুষটির হয়ে ভাবায়‌...বেঁচে থাকার অর্থ বুঝায়...মস্তিষ্কের প্রতিটি কোষের প্রতিটি অংশে ছাপ ফেলে এই অনুভুতি...ভালবাসা আশা জাগায়...সেই আশা নিয়ে বাঁচতে সেখায়...
শ্রেয়াকে প্রথম যেদিন দেখি সেদিন বেশ বৃষ্টি হচ্ছিল...দিনের বেলা...অথচ গাড় অন্ধকার...আমি ক্লাস শেষে ১০ নম্বর বাসের অপেক্ষায় ভিজে দাঁড়কাক হবার পর্যায়...শেষমেষ কোনোভাবে উঠে ফাঁকা একটি সিট পেয়ে বসে পড়লাম..মহিলাদের জন্য বরাদ্দ সব সিটগুলো ভর্তি দেখে আমার পাশের সিট খালি পেয়ে বসে পড়ল সে..কিছুটা অস্বস্তিবোধ লাগা শুরু করল...আড়চোখে তাকে দেখার চেষ্টা করলাম...কণ্ডাক্টারের দিকে ২০ টাকার একটি নোট ধরিয়ে দিয়ে বাকী টাকা নেবার জন্য হাত বাড়িয়ে রাখলো...টাকাটা নিয়ে তার বা কাধে ঝুলানো ব্যাগে ঢুকাতে গিয়ে সে আমার মুখোমুখি হলো...তার মুখয়বের খানিকটা কিশোরসুলভ... আমাকে দেখে সে যেভাবে মৃদু স্বরে হেসে উঠলো...আমার মনে হয় কিছু একটা হয়েছিল...দু চোখ কোনো ভাবেই সরাতে পারছিলাম না তার থেকে...সে আমার দিকে তাকিয়ে আছে এটি জ়েনেও নিজেকে থামাতে পারলাম না..আমি স্বভাবত খুবই লাজুক প্রকৃতির...কোনো মেয়ের সাথে কথা বলা দূরে থাক তার চোখের দিকেও মুখ উঠিয়ে দেখবার মতো সাহস জুগে না কখনো...সেই মুহুর্ত হতে যেন বদলে গেলাম আমি...বাসের সবাই যে আমার দিকে তাকিয়ে হাসছে সেটি বুঝতে পারলাম যখন সে বাস থেকে নেমে গেলো...তার পিছু নেওয়া যে আমাকে এক ধরনের নিচ মানসিকতার মানুষে পরিনত করে ফেলবে এ বিষয়টি আমার অন্তরাত্মা আমাকে বুঝিয়েই ছাড়ল...বৃষ্টি থেমে গেছে...রুপালি আকাশে ভেসে যাওয়া ধুসর মেঘগুলো তার নীলাভ দু চোখের প্রতিচ্ছবি হয়ে গেলো...

“ কী হলো ?? বাকীটা ??"
“ আর লিখতে পারিনি !!"
“ কেনো ??"
“ সময় পাই নি !!"
“ ও আচ্ছা !! কতোক্ষন জাগা আছো ??"
“ আছি কিছুক্ষন !! তুমি ??"
“ জানি না !! আচ্ছা আমার একটি প্রশ্নের জবাব দিতে পারবে ??"
“ পারবো !! জিজ্ঞেস করো !!"
“ না থাক !! অন্য আরেক সময় !!"
“ আচ্ছা !!"

এভাবেই তার চ্যাটবক্সের সবুজবাতি নিভে গেলো !! মেয়েটির সাথে কথা বলছি প্রায় ১ বছর যাবত !! আস্তে আস্তে আগ্রহ থেকে ব্যাপারটি নেশায় পরিণত হয়ে গিয়েছে !! ব্যাপারটা হাস্যকর শুনালেও সত্যি !! মানুষ পাগল হবার ঠিক আগ মুহুর্ত পর্যন্ত ঠিক থাকে !! একবার হয়ে গেলে তখন আর ফিরবার পথ থাকে না !! আমার কী খেয়ে দেয়ে কাজ আছে যে রাত ৩টা / ৪টা পর্যন্ত ল্যাপোটপ স্ক্রিনের সামনে নির্বাকচিত্তে তাকিয়ে থাকবো?? শুধুমাত্র একটা চ্যাটবাক্সের সবুজবাতি জ্বলে ঊঠা দেখবার জন্য প্রতিদিন নিজের জীবনের লালবাতি জ্বালিয়ে কী লাভ?? মাঝে মধ্যে নিজের মধ্যেই কেমন জানি লেগে ঊঠে !! মানুষের প্রতি মানুষের আকর্ষণ খুবই বিচিত্র ব্যাপার !! গৈতম বুদ্ধের একটা খুব জনপ্রিয় উক্তি রয়েছে !! When you like a flower ,you just pluck it !! But when you love a flower , you water it daily ! ! উক্তিটি তুলে ধরার উদ্দেশ্য একটাই !! কাউকে ভাললাগলে উক্তিটি ভুলতে সময় লাগবে না !! কিন্তু কাউকে ভালবাসলে উক্তিটি মনে সারাজ়ীবনের জন্য গেথে থাকবে !! বাংলা সিনেমার চিপ ডায়ালগের মতো শুনালেও কথাটি আসলেই সত্যি !! ভালবাসা আর ভাললাগা এক নয় !!

মেয়েটি আমার লেখা পছন্দ করে কিনা জানি না !! কিন্তু পড়তে চায় !! আমার জন্য এটাই অনেক … মাঝে মাঝে মনে হয় যে আমি যা চিন্তা করি মেয়েটিও কী সেটাই চিন্তা করে ?? যদী করে থাকে তাহলে কী কখনো মুখ ফুটে বলবে ?? নাকি এই অসীম সাহসীকতার কাজটি সব সময় ছেলেদের করতে হয় !! যদী একবার এই পথে পাড়ি দেই তাহলে ফেরার আর পথ নেই !! যদী সব কিছু ঠিকঠাক না হয় তাহলে মাঝপথেই সারাজ়ীবনের জন্য আটকা !!

নিজের কাছে বেশ বড়োসড়ো এক প্রতিজ্ঞা করে ফেললাম ...যেভাবেই হোক লেখাটি শেষ করবো !! !! গল্প বলা এবং গল্প বানাবার মধ্যে যে কতোটা পার্থক্য আছে সেটি একজন লেখক থেকে ভালো আর কেই বা বুঝবে ?? একটি চরিত্র বানিয়ে সেটিকে জ়ীবন্ত করা এতোটা সহজ নয় !! প্রখর কল্পনা শক্তি না থাকলে কখনোই সেটি সম্ভব হবে না !! আমি খুব আশা নিয়ে লেখাটি শুরু করেছি !! প্রতিটি লেখার মতো এই লেখাটিতেও এমন এক পর্যায় এসে পড়েছি যে মনে হচ্ছে যে কী বা দরকার আছে লেখার !! কোনো প্রয়োজোন আছে খামাখা কীবোর্ডে অজস্রবার টিপাটিপি করে সময় নষ্ট করার ?? এমন একজনের জীবনের কাহিনী তৈরী করা যার কোনো অস্তিত্ব নেই !! দুই দিন তিন রাত জ়েগে শেষ পর্যন্ত যখন লেখাটি আসলেই শেষ হলো তখন নিজ়েরই কেমন জানি লাগলো !!

“ হাই !! কী অবস্থা ??’’
“ এইতো !! তোমার ?? ’’
“ ভালোই !! জ়ানো আজকে কাকে দেখসি ?? ’’
“ কাকে ?? ’’
“ তাহসানকে !! ’’
“ হমম !! জানো তোহ !! ও কিন্তু আমাদের স্কুলের ছিলো !! ’’
“ জানবো না কেনো ?? ওর সম্পর্কে এমন কোনো কথা নেই যেটা আমি জানি না !! ’’
“ ওহ !! আমি ভুলেই গিয়েছিলাম যে তুমি একজন মেয়ে !! ’’
“ লোল !! সানি লিওন ও কিন্তু বাংলাদেশে আসছে !! জানো তোহ ?? ’’
“ জানবো না কেন ?? ওর সম্পর্কে এমন কোনো কথা নেই যেটা আমি জানি না !! ’’
“ ওহ !! আমি ভুলেই গিয়েছিলাম যে তুমি একজন ছেলে !! ’’
“ যাই হোক !! লেখাটা ফাইনালি শেষ করেছি !! ’’
“ সত্যি ?? তাড়াতাড়ি দাও !! ’’

লেখাটি সেন্ড করে সাথে সাথে অফলাইন হয়ে গেলাম !! কিছু কাজ়ে সাহসের চাইতেও বেশী প্রয়োজ়ন হয় বাস্তবজ্ঞানের !!

“ তারপর কী হলো ?? ’’
“ কিছুই না !! ’’
“ এভাবে কী কাহিনী শেষ হয়ে যায় ?? ’’
“ হ্যা !! ’’
“ নাবিল শ্রেয়াকে কিছুই বলে না ?? ’’
“ বলার চেষ্টা করে কিন্তু শেষ পর্যন্ত সাহসে কুলোয় না !! ’’
“ তুমি আবার লিখো !! আমি চাই না এরকম সুন্দর একটা গল্প এভাবে শেষ হোক !! ’’



প্রতিক্ষার প্রহর শেষে সবাই ক্লান্ত !! আজ আকাশে কোনো মেঘ নেই !! কোনো পাখি নেই !! কোনো রোদ নেই !! আছে শুধু আধার ...বিষন্নতায় ভরা আধার...এই আধার যেনো মিশে আছে আমার প্রতিটি কোষে !! আলো মানেই কী মৃত ছায়া ?? নিজ় সত্ব্বার সকল প্রতিবন্ধকতা দূর করার সময় চলে এসেছে !! আকাশের বুক চিড়ে চাঁদ জ়োৎস্না নিয়ে এসেছে !! এখন শুধু সেটি নিজের গায়ে মাখা বাকি !!
শ্রেয়া আজ চলে যাচ্ছে !! কোথায় যাচ্ছে জানি না কিন্তু এতটুকু জানি যে সে আর ফিরে আসবে না !! মানুষ বড় বিচিত্র !! সারাজ়ীবন চেষ্টা করেও যা পারে না তা করার সাহস হঠাৎ করে নিমেশেই চলে আসে !! খুব জ়োরে বৃষ্টি হচ্ছে !! দূর থেকে নীল শাড়ীতে শ্রেয়াকে চিন্তে অসুবিধে হলো না !! আমি তার মতো সুন্দর খুব কম মানুষই দেখেছি !! হাসলে সবাইকেই সুন্দর লাগে !! শ্রেয়া হাসলে তাকে শুধু সুন্দরই মনে হয় না , মনে হয় যেনো পৃথিবী যেনো থেমে গেছে !! সমুদ্রের ঢেউ যেনো তাদের পথ হারিয়ে দিগ্বিদিক হয়ে চারিদিক ঘুরছে !! এই হাসি মৃতের শরীরে প্রানের আবির্ভাব আনে !! এই হাসি মিলিয়ে গেলে যেনো ভেতরটা শুন্য হয়ে যায় !!
নিজেকে যেনো আর সামলাতে পারলাম না !! ছুটে চলে গেলাম তার দিকে !! আমাকে দেখে কৃতজ্ঞতা স্বরুপ এক হাসি দিলো শ্রেয়া !! এ হাসি তার মুখে বেমানান !!

“ তুমি তাহলে এলে ?? ’’
“ না এসে কী পারি ?? চলে যাচ্ছ যে সেটি একবার বলতে পারতে !! ’’
“ তানাহয় পারতাম কিন্তু প্রয়জ়ন মনে করে নি !! বলে কী বা লাভ ...তুমি বললেই যে থেমে যাব এমন তো কোনো কথা নেই !! ’’
“ তুমি এটি কিভাবে মনে করলে যে আমি তোমাকে থামাবো ?? ’’
“ সেটাই !! ’’

শ্রেয়ার চোখের কোণে জমে থাকা পানির মধ্যে ফেলে আসা স্মৃতির প্রতিফলন দেখতে পেলাম !! ভেতরটা মোচড় দিয়ে ঊঠলো !!
“ তুমি কতোক্ষন এখানে থাকবে ?? ’’
“ যতোক্ষন না তুমি ট্রেনে ঊঠে যাও ততোক্ষন !! ’’
“ সেতো বহু দেরি !! তোমার থাকা লাগবে না...চলে যেতে পারো...’’
“ তুমি বললেই কী আমি চলে যাবো ?? আমার যখন ইচ্ছা তখন যাবো !! আমার যা ইচ্ছা তা করবো !! যাকে যা ইচ্ছা তা বলবো !! তোমার কী তাতে ?? ’’
“ আসলেই !! আমার কী তাতে !! তুমি কী আমার উপর কোনো কারনে রেগে আছো ?? ’’
“ নাহ !! তুমি খুব ভালো একজন মানুষ !! ভালো মানুষদের ভালবাসা যায় !! তাদের ওপর রাগা যায় না !! ’’

ট্রেন চলে এলো !! সবাই ব্যস্ত হয়ে গেলো নিজেদের গুছাতে !! এই ট্রেন পৌছে দেবে তাদেরকে নিজ গন্তব্যে !! এই ট্রেন দুটি পথের মাঝে দেয়াল হয়ে দাঁড়িয়ে যাবে চিরকালের জন্য !! প্লাটফর্মটি ভরে যাবে অতল শুন্যতায় !! শ্রেয়া তার জন্য প্রস্তুত !! আমার কাছে এসে খুব সুন্দর করে দুই হাত দিয়ে আমার এলোমেলো চুলগুলো নেড়ে দিয়ে অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকলো !! যখন দুজনের মনের অবস্থা এক হয় তখন মুখ ফুটে কথা বলা লাগে না !! দুজনের দুচোখই যথেষ্ট !! তারা কথা বলে না !! কিন্তু এমন কিছু নেই যেটি তাদের জানা নেই !! আমি জানি শ্রেয়া আমার মুখ থেকে কথাগুলো শুনতে চায় !! শ্রেয়া জানে যে আমি কথাগুলো বলতে চাই !!

নাবিল !! আমি চলে যাচ্ছি !! ’’
আমি কোনো উত্তর দিলাম না !!

“ নাবিল !! আমি চলে যাচ্ছি !!
এক দৃষ্টিতে রেললাইনের দিকে তাকিয়ে থাকলাম !!

“ নাবিল !! আমি চলে যাচ্ছি !! ’’
দুই হাত শক্ত করে পিছনের দিকে ফিরে তাকালাম !! আমার এখান থেকে যাওয়া উচিত !! এক আর্তচিতকার ভেসে উঠল আমার কানে !!

“ নাবিল !! আমি চলে যাচ্ছি !! ’’

নিজেকে আর সামলাতে পারলাম না ! দৌড়ে তার কাছে গেলাম !! তার কান্না ভেজা চোখ আমাকে ভুলাতে পারলো না !! তার কানের কাছে ফিসফিস করে বলে দিলাম কথাগুলো !! অবাক হয়ে আমার দিকে কতোকাল ধরে তাকিয়ে আছে সেটি আমার জানা নেই !! আমি চলে যাবার চেষ্টা করতেই আমার আমার শক্তভাবে আমার হাত ধরে ফেললো !! চেষ্টা করেও নিজের হাত ছূটাতে পারলাম না !! ল্যাম্পোস্টের আলোতে তার চোখদুটো জ়োনাকির মতো জ্বলজ্বল করছিল !! চোখে অশ্রু নিয়ে সে যেই অমায়িক হাসি দিলো তার বিবরণ যুগশ্রেষ্ঠ কবি সাহিত্যিকদের দিয়েও দেওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে আমার সন্দেহ আছে !! আমার হাত ছেড়ে দিয়ে ট্রেনে ঊঠে পড়ল শ্রেয়া !! ট্রেন চলে গেলো তার গন্তব্যে !! আমি দাঁড়িয়ে থাকলাম স্টেশনে !! ডাস্টবিনের পাশে গুটিসুটী মেরে শুয়ে থাকা কুকুরটী আমার গা ঘেসে দাড়ালো !!

“ নাবিল শ্রেয়ার কানে ফিসফিস করে কী বলেছিলো ?? ’’
“ তোমার কী মনে হয় ??কী বলেছিলো ?? ’’
“ তুমিই বলো !! ’’
“ আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি !! এতদিন বলার সাহস হয় নি !! কিন্তু আজ আমার আর কোনো বাধা নেই !! আজ আমার বলতে কোনো জ়ড়তা নেই !! আমার জ়ীবন তোমাকে নিয়ে শুরু হয়নি !! কিন্তু আমি নিজের শেষ নিশ্বাসের প্রতিটি মুহুর্ত তোমার সাথে কাটাতে চাই !! ’’
“ তুমি আসলেই ভালো লিখ !! কখোনো লেখালেখি ছেড়ো না !! মানুষকে তোমার লেখা পড়তে দিয়ো !! ’’
“ তুমি শ্রেয়ার জায়গায় থাকলে কী করতে ?? ’’
“ ট্রেণ থেকে নেমে যেতাম !! ’’
“ তারপর ?? ’’
“ নাবিলের দিকে এগিয়ে যেতাম !! ’’
“ তারপর ?? ’’

মেয়েটির চ্যটবক্সের সবুজবাতি নিভে গেলো !! লেখক মানুষের যদি দিব্যদৃষ্টি থাকতো তাহলে ঠিকই দেখতে পেতো ওপারের মেয়েটির চোখ ছলছল করা কান্না !! মেয়েরা সবকিছুই বুঝতে পারে !!
















মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে মার্চ, ২০১৬ সকাল ৯:০৮

বিজন রয় বলেছেন: ভাল লাগল লেখাটি।
সুন্দর।
+++

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.