| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পাহাড়ের পথে (বান্দরবান টু থানচি)১ ঢাকা-চট্টগ্রাম, চট্টগ্রাম-বান্দরবান রুট নির্ধারিত হওয়ায় বান্দরবানে পৌঁছাতেই রাত ১০ টা। এ যাত্রার মূল উদ্দেশ্য ছিল অজস্র মেঘের লীলাভূমি নীলগিরি দর্শন। রাত্রেই বিস্তারিত খবর নিয়ে জানলাম বান্দরবান থেকে থানছির পথে প্রথম বাস ছেড়ে যায় সকাল ৮টা, সেটা আবার চিম্বুক ও নীলগিরিতে বিরতি দেয়। পরদিন সকাল ৭টায় বাসস্ট্যান্ড পৌঁছেই দেখলাম বেশিরভাগ টিকিট বিক্রি হয়ে গেছে। গাড়ির সামনে বসে চলমান অবস্থায় পাহাড়গুলো বড়ই নয়ন শোভা দৃশ্য সৃষ্টি করে। তাই বাসের একেবারে সম্মুখের সিট দুটি বুকিং দিলাম।
বাস ছাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাহাড়ের উঁচু নিচু রাস্তা চমৎকার দৃশ্যকল্প সৃষ্টি করে আমাদের নিয়ে চলল। শীতের রুক্ষ্ম পাহাড় আর বৃষ্টিস্নাত পাহাড়ের সৌন্দর্যের পার্থক্য বিস্তর। যে দিকে চোখ যায় শুধু সবুজ আর সবুজের বন্যা।
আমাদের ওপর দিয়ে উড়ে যাওয়া খ- খ- মেঘগুলোর ছায়া গাঢ় সবুজ আর রৌদ্রময় অংশ সোনালী সবুজ রং ধারণ করে অপূর্ব নজরকাড়া দৃশ্য তৈরি করছিল। এভাবে মুগ্ধ নয়নে চলতে চলতে এক সময় চিম্বুক চলে এলাম। সৌন্দর্য্যরে জন্য চিম্বুকের খ্যাতি আগে থেকেই ছিল। এখানে বাসের ১৫ মিনিট বিরতি দেয়ায় সেই সুযোগটি লুফে নিয়ে আবার যাত্রা শুরু করে নীলগিরি স্পর্শ করে আরও আরও দূরে থানছির দিকে এগুতে থাকলাম। নীলগিরি থেকে থানছি পর্যন্ত রাস্তার ঢালগুলো খুবই খাড়া, তাই মানসিক প্রস্তুতি থাকা ভাল। এখানে বলে রাখা ভাল যে, বান্দরবান আর থানছি রাস্তায় বাসের সংখ্যা খুবই কম আর বেশ বিরতি দিয়ে ছাড়ে। তাই বিস্তারিত জেনে যাওয়া-আসায় প্ল্যান করাই ভাল, না হলে সময় আপনাকে বিপদে ফেলে দেবে। এটা মাথায় রেখেই থানছিতে পৌঁছা মাত্রই ১২.৩০ টার ফিরতি বাসে উঠে পড়লাম।
সেই পুরানো পথ ধরে দুপুর ২.০০ টায় নীলগিরিতে এসে নামলাম। নেমেই নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে কষ্ট হচ্ছিল যে, মেঘের এতরূপ থাকতে পারে। যেদিকে চোখ যায় সবুজের উপর সাদা কালো আর নীল মেঘের ছড়াছড়ি। কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাদের অত্যন্ত প্রত্যাশিত ঝুম বৃষ্টি শুরু হয়ে চললো পাক্কা দের ঘন্টা ধরে।
হঠাৎ বৃষ্টি থেমে গেলে নিচে তাকিয়ে দেখি কোথাও কোথাও তখনও বৃষ্টি হচ্ছে আর কোথাও কোথাও কড়া রোদ্রে স্বর্ণালি প্রলেপ একে দিচ্ছে। এরই মাঝে হঠাৎ অপ্রতাশিত ভাবে চোখের সামনে ভেসে উঠলো বিশাল বিস্ময়কর এক রংধনু। কাছের পাহাড় থেকে দূরের পাহাড়ে মিলে গেছে। প্রতিটি রংই সুস্পষ্ট। সেই পাহাড়, সেই মেঘ-বৃষ্টি আর রংধনুর সৌন্দর্য বর্ণনা করা যায় না, শুধুই অনুভব করা যায়। এরই মাঝে কখন যে ফেরার সময় হয়ে গেল বুঝতে পারলাম না। দিনের শেষ বাসে বিকালে নীলগিরি ছেড়ে সন্ধ্যায় বান্দরবান এসে পৌঁছালাম।
২|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:১৮
এম আর ইকবাল বলেছেন: সুন্দর ছবিগুলি ।
৩|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:১৯
C/O D!pu... বলেছেন: চমৎকার... কবে গিয়েছেন?
৪|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:৪০
দেশপ্রেমিক পোলা বলেছেন: ঐ পিচ্চিগুলান কি পিকনিক করে? আমার যাইতে মন চাইতেসে।
৫|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:১২
১১স্টার বলেছেন: +++
৬|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৫৯
ইনকগনিটো বলেছেন: বানন্দরবানের স্মৃতি যত পুরনোই হোক, কখনও অমলিন হয়না।
৭|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:০৩
ইসপাত কঠিন বলেছেন: কয়েকদিন আগেই গেলাম। নীলগিরি পার হবার পর বলিপাড়ার ৫ কিলোমিটার আগ পর্যন্ত রোড না দেখলে কেউ বুঝতে পারবে না রোড কি ভয়ংকর হতে পারে।
৮|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১২ দুপুর ২:৩৭
চুক্কা বাঙ্গী বলেছেন: বান্দরবন দেখলেই মনটা কেমন কেমন করে। এত অদ্ভুত সুন্দর জায়গা!!
৯|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:০৫
সাইফুল আল খান বলেছেন: চমৎকার ছবি !!! সেখানে যাওয়ার ইচ্ছা আছে
১০|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৮
যুবায়ের বলেছেন: চমৎকার সব ছবি..
পোষ্টে প্লাস++++
১১|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৩৫
জাতির শ্বশুর বলেছেন: পোষ্টে প্লাস++++
১২|
০১ লা ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৮:২১
স্তব্ধতা' বলেছেন: কলা পাতায় ভাত খাইতে চাই ++++++
©somewhere in net ltd.
১|
৩০ শে নভেম্বর, ২০১২ সকাল ১০:১১
গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ছবি গুলি চমৎকার হয়েছে । পোস্টে +++++++++++