নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

নেই কাজ তো খই ভাজ

বসে আছি পথ চেয়ে....

চিররঞ্জন সরকার

চিররঞ্জন সরকার › বিস্তারিত পোস্টঃ

দল উপদল কোন্দোল

২৫ শে জুলাই, ২০১২ দুপুর ২:০৮

আমাদের দেশটা হলো ঝগড়া-বিবাদের দেশ। মারামারি হানাহানির দেশ। তুচ্ছ কারণে এমনকি অকারণেও এখানে ঝগড়া মারামারি কলহ কোন্দল চলতে থাকে। প্রতিদিনের সংবাদপত্রের পাতা জুড়ে কেবলই দ্বন্দ্ব-সংঘাত আর সংঘর্ষের খবর। দলে দলে ঝগড়া-মারামারি, উপদলীয় কোন্দল-এই কোন্দলকে ঘিরে সংঘাত-সংঘর্ষ হানাহানি। মন্ত্রী আর উপদেষ্টায় কোন্দল, নেতায় নেতায় রেষারেষি, কর্মীতে কর্মীতে কোন্দল। শুধু বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যেই নয়, বিভিন্ন পরিবারে, প্রতিষ্ঠানে, এমনকি ব্যক্তির মধ্যেও কলহপ্রবণতা দেখা যাচ্ছে। পুরো দেশটাই বর্তমানে কলহ-কোন্দলের দেশে পরিণত হয়েছে।



জাতি হিসেবে আমরা কতটা শান্তি প্রিয় আর কতটা কলহপরায়ণÑ সে বিষয়ে স্থির কোনো সিদ্ধান্তে আসাটা মুশকিলের ব্যাপার। অনেকে জোরে শোরে প্রচার করে থাকেন যে বাঙালিরা চিরকালই নিরীহ এবং শান্তিপ্রিয়। সহজে তারা মানুষ মুখও খোলে না, প্রতিবাদও করে না। মেনে নিয়ে এবং মানিয়ে নিয়ে বাঙালিরা ঝগড়া-কলহ এড়িয়ে সুখে-শান্তিতে বসবাস করার বিদ্যায় পারদর্শিতা অর্জন করেছে। আবার অনেকে মনে করেন যে, বাঙালি আসলে ভীষণ কোন্দলপরায়ণ ঝগড়াটে এক জাতি। অধিকাংশ বাঙালির পেট ভর্তি হিংসা এবং মাথা ভর্তি জিলেপির প্যাঁচ। আরেকজনের সর্বনাশ কামনা করা ছাড়া অনেকেরই কোনো ধ্যান নেই। অন্যেরটা মেরে, আরেকজনেরটা কেড়ে ঠকিয়ে ছলে-বলে-কৌশলে নিজের আখের গোছানোর চেষ্টা ছাড়া অধিকাংশ বাঙালির কোনো সংকল্প বা জ্ঞান নেই। অন্যের সঙ্গে তো বটেই, বাঙালি চিরকাল স্বজনদের সঙ্গেও পায়ে-পা দিয়ে ঝগড়া করে। হিংসা-কোন্দল ছাড়া বাঙালির পেটের ভাত হজম হয় না।



বাঙালি সম্পর্কে হয়তো এই উভয় ধরনের মতই সত্য। এখানে নিরীহ শান্তিপ্রিয় মানুষ যেমন আছে, তেমনি আছে কলহপরায়ণ ঝগড়াটেও। তবে কী এক অজ্ঞাত কারণে এই দ্বিতীয় শ্রেণীর লোকের সংখ্যাই বাড়ছে। স্বার্থপর হিংসুটে ঝগড়াটে মানুষগুলো ক্রমেই সমাজের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে, ছাত্র সংগঠনে, প্রশাসনে বিভিন্ন পেশাজীবীদের মধ্যে এমনকি মন্ত্রিপরিষদেও এখন কোন্দলপ্রিয় হিংসুটেদের ভিড়। এই মানুষগুলো কেউ কাউকে দেখতে পারে না, কেউ কাউকে পছন্দও করে না। কেবলই একে অপরকে ল্যাং মারে অথবা সারাক্ষণ পারস্পরিক ধস্তাধস্তি করে। এখানে সবাই সবার সবার প্রতিদ্বন্দ্বী। কেউ সংস্কারপন্থী কেউ নেত্রীপন্থী। আওয়ামী লীগ বিএনপি, ছাত্রলীগ ছাত্রদলই শুধু নয়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের, বিএনপির সঙ্গে বিএনপিরও কলহ হয়। প্রতিদ্বন্দ্বি বিভিন্ন দল ও সংগঠনে ঝগড়া-কলহ তো রয়েছেই দলের মধ্যে উপদলীয় কোন্দলের ঘটনাও প্রতিনিয়ত ঘটছে। এক গ্র“প আরেক গ্র“পের বিরুদ্ধে দ্বন্দ্ব-কলহে লিপ্ত হচ্ছে। মারামারি, খুনোখুনি পর্যন্ত হচ্ছে।



একজন মহাপুরুষ বলেছিলেন, যতো মত ততো পথ। কিন্তু বর্তমান বাংলাদেশে যতো মাথা ততো মত। আর মত মানেই হচ্ছে মতপার্থক্য কোন্দল। আমাদের দেশে কোনো বিষয়ে দুজন মানুষও একমত হতে পারে না। সবারই আলাদা আলাদা মত বা এবং মতাদর্শ আছে। একজনের মতের সঙ্গে আরেকজন শুধু দ্বিমত পোষণই করে না, নিজের মতকে যদি কেউ গ্রহণ করতে না চায় তবে তাকে খুন পর্যন্ত করতে উদ্যত হয়।



প্রায় ১৫ কোটি মানুষের বর্তমান বাংলাদেশে অসংখ্য মত, আর বিভিন্ন মতের অনুসারী অসংখ্য দল রয়েছে। এই দলগুলোর মধ্যে দলাদলি ঝগড়া, গুঁতোগুতি লেগেই আছে। এমনকি এক দলের মধ্যেও ঐক্য নেই। সেখানেও ঝগড়া-ফ্যাসাদ-কোন্দল। দেশে এখন স্বতন্ত্র মত ছাড়া মানুষ নেই, কোন্দল ছাড়া দল নেই। কেউ কাউকে মানে না। সবাই সবার শত্রু, প্রতিদ্বন্দ্বী।



সবার সঙ্গে সবার যেন অলিখিত শত্রুতা। কেউ কাউকে সহ্য করতে পারছে না। চান্স পেলেই একজন আরেকজনকে ফাঁসিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। দলের জুনিয়র নেতা সিনিয়র নেতাকে ল্যাং মারছে। আবার সিনিয়র নেতা জুনিয়রের কাঁধে পা দিয়ে চলতে চাইছে। শুধু সিনিয়র-জুনিয়র নয়, সিনিয়রের সঙ্গে সিনিয়রের, আবার জুনিয়রের সঙ্গে জুনিয়রেরও লড়াই বাধছে। নেতায় নেতায় সংঘাত, কর্মীতে কর্মীতেও সংঘাত চলছে।



সবাই জয় চায় কিন্তু এজন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা চায় না। উন্নতি ও কল্যাণের জন্য দলের নেতাকর্মী তো বটেই, এমনকি বাপকে পর্যন্ত গলা-ধাক্কা দিতে কেউ কসুর করছে না। নিজের আখের গোছানোর ক্ষেত্রে যে যাকে প্রতিদ্বন্দ্বি বা পথের কাঁটা মনে করছে, সে তার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে অবতীর্ণ হচ্ছে।



আসুন আমরাও একে-অপরের বিরুদ্ধে কাছাখুলে ঝাঁপিয়ে পড়ি।



আমাদের দেশটা হলো ঝগড়া-বিবাদের দেশ। মারামারি হানাহানির দেশ। তুচ্ছ কারণে এমনকি অকারণেও এখানে ঝগড়া মারামারি কলহ কোন্দল চলতে থাকে। প্রতিদিনের সংবাদপত্রের পাতা জুড়ে কেবলই দ্বন্দ্ব-সংঘাত আর সংঘর্ষের খবর। দলে দলে ঝগড়া-মারামারি, উপদলীয় কোন্দল-এই কোন্দলকে ঘিরে সংঘাত-সংঘর্ষ হানাহানি। মন্ত্রী আর উপদেষ্টায় কোন্দল, নেতায় নেতায় রেষারেষি, কর্মীতে কর্মীতে কোন্দল। শুধু বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যেই নয়, বিভিন্ন পরিবারে, প্রতিষ্ঠানে, এমনকি ব্যক্তির মধ্যেও কলহপ্রবণতা দেখা যাচ্ছে। পুরো দেশটাই বর্তমানে কলহ-কোন্দলের দেশে পরিণত হয়েছে।



জাতি হিসেবে আমরা কতটা শান্তি প্রিয় আর কতটা কলহপরায়ণÑ সে বিষয়ে স্থির কোনো সিদ্ধান্তে আসাটা মুশকিলের ব্যাপার। অনেকে জোরে শোরে প্রচার করে থাকেন যে বাঙালিরা চিরকালই নিরীহ এবং শান্তিপ্রিয়। সহজে তারা মানুষ মুখও খোলে না, প্রতিবাদও করে না। মেনে নিয়ে এবং মানিয়ে নিয়ে বাঙালিরা ঝগড়া-কলহ এড়িয়ে সুখে-শান্তিতে বসবাস করার বিদ্যায় পারদর্শিতা অর্জন করেছে। আবার অনেকে মনে করেন যে, বাঙালি আসলে ভীষণ কোন্দলপরায়ণ ঝগড়াটে এক জাতি। অধিকাংশ বাঙালির পেট ভর্তি হিংসা এবং মাথা ভর্তি জিলেপির প্যাঁচ। আরেকজনের সর্বনাশ কামনা করা ছাড়া অনেকেরই কোনো ধ্যান নেই। অন্যেরটা মেরে, আরেকজনেরটা কেড়ে ঠকিয়ে ছলে-বলে-কৌশলে নিজের আখের গোছানোর চেষ্টা ছাড়া অধিকাংশ বাঙালির কোনো সংকল্প বা জ্ঞান নেই। অন্যের সঙ্গে তো বটেই, বাঙালি চিরকাল স্বজনদের সঙ্গেও পায়ে-পা দিয়ে ঝগড়া করে। হিংসা-কোন্দল ছাড়া বাঙালির পেটের ভাত হজম হয় না।



বাঙালি সম্পর্কে হয়তো এই উভয় ধরনের মতই সত্য। এখানে নিরীহ শান্তিপ্রিয় মানুষ যেমন আছে, তেমনি আছে কলহপরায়ণ ঝগড়াটেও। তবে কী এক অজ্ঞাত কারণে এই দ্বিতীয় শ্রেণীর লোকের সংখ্যাই বাড়ছে। স্বার্থপর হিংসুটে ঝগড়াটে মানুষগুলো ক্রমেই সমাজের সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে, ছাত্র সংগঠনে, প্রশাসনে বিভিন্ন পেশাজীবীদের মধ্যে এমনকি মন্ত্রিপরিষদেও এখন কোন্দলপ্রিয় হিংসুটেদের ভিড়। এই মানুষগুলো কেউ কাউকে দেখতে পারে না, কেউ কাউকে পছন্দও করে না। কেবলই একে অপরকে ল্যাং মারে অথবা সারাক্ষণ পারস্পরিক ধস্তাধস্তি করে। এখানে সবাই সবার সবার প্রতিদ্বন্দ্বী। কেউ সংস্কারপন্থী কেউ নেত্রীপন্থী। আওয়ামী লীগ বিএনপি, ছাত্রলীগ ছাত্রদলই শুধু নয়, আওয়ামী লীগের সঙ্গে আওয়ামী লীগের, বিএনপির সঙ্গে বিএনপিরও কলহ হয়। প্রতিদ্বন্দ্বি বিভিন্ন দল ও সংগঠনে ঝগড়া-কলহ তো রয়েছেই দলের মধ্যে উপদলীয় কোন্দলের ঘটনাও প্রতিনিয়ত ঘটছে। এক গ্র“প আরেক গ্র“পের বিরুদ্ধে দ্বন্দ্ব-কলহে লিপ্ত হচ্ছে। মারামারি, খুনোখুনি পর্যন্ত হচ্ছে।



একজন মহাপুরুষ বলেছিলেন, যতো মত ততো পথ। কিন্তু বর্তমান বাংলাদেশে যতো মাথা ততো মত। আর মত মানেই হচ্ছে মতপার্থক্য কোন্দল। আমাদের দেশে কোনো বিষয়ে দুজন মানুষও একমত হতে পারে না। সবারই আলাদা আলাদা মত বা এবং মতাদর্শ আছে। একজনের মতের সঙ্গে আরেকজন শুধু দ্বিমত পোষণই করে না, নিজের মতকে যদি কেউ গ্রহণ করতে না চায় তবে তাকে খুন পর্যন্ত করতে উদ্যত হয়।



প্রায় ১৫ কোটি মানুষের বর্তমান বাংলাদেশে অসংখ্য মত, আর বিভিন্ন মতের অনুসারী অসংখ্য দল রয়েছে। এই দলগুলোর মধ্যে দলাদলি ঝগড়া, গুঁতোগুতি লেগেই আছে। এমনকি এক দলের মধ্যেও ঐক্য নেই। সেখানেও ঝগড়া-ফ্যাসাদ-কোন্দল। দেশে এখন স্বতন্ত্র মত ছাড়া মানুষ নেই, কোন্দল ছাড়া দল নেই। কেউ কাউকে মানে না। সবাই সবার শত্রু, প্রতিদ্বন্দ্বী।



সবার সঙ্গে সবার যেন অলিখিত শত্রুতা। কেউ কাউকে সহ্য করতে পারছে না। চান্স পেলেই একজন আরেকজনকে ফাঁসিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। দলের জুনিয়র নেতা সিনিয়র নেতাকে ল্যাং মারছে। আবার সিনিয়র নেতা জুনিয়রের কাঁধে পা দিয়ে চলতে চাইছে। শুধু সিনিয়র-জুনিয়র নয়, সিনিয়রের সঙ্গে সিনিয়রের, আবার জুনিয়রের সঙ্গে জুনিয়রেরও লড়াই বাধছে। নেতায় নেতায় সংঘাত, কর্মীতে কর্মীতেও সংঘাত চলছে।



সবাই জয় চায় কিন্তু এজন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা চায় না। উন্নতি ও কল্যাণের জন্য দলের নেতাকর্মী তো বটেই, এমনকি বাপকে পর্যন্ত গলা-ধাক্কা দিতে কেউ কসুর করছে না। নিজের আখের গোছানোর ক্ষেত্রে যে যাকে প্রতিদ্বন্দ্বি বা পথের কাঁটা মনে করছে, সে তার বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে অবতীর্ণ হচ্ছে।



আসুন আমরাও একে-অপরের বিরুদ্ধে কাছাখুলে ঝাঁপিয়ে পড়ি।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.