| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
যাইহোক বেহেস্তে যাবার সুবর্ণ সুযোগ এখন বাঙ্গালির সামনে উপনীত হয়েছে। বিশেষ করে যারা এর আগে শাহবাগে যেয়ে নাস্তিকতার সার্টিফিকেট নিয়েছেন এবং নিজের জন্য আখিরাতে জাহান্নাম ফরমাইছেন তাদের জন্য কিন্তু আজ লাইফ টাইম অপরচুনিটি হয়ে এসেছে ইসলামের রক্ষক মুসলিম সমাজের ত্রান কর্তা হেফাজতে ইসলামী। তারা যেমন আগে বলেছেন শাহবাগে যারা যায় আর যারা গেছে সবাই নাস্তিক হয়ে গেছে( মসজিদের ইমাম এমনকি প্রতিদিন যিনি পবিত্র কোরআন থেকে তিলোয়াত করেছেন তিনি সহ) সেই সুত্র মতে আজ নাস্তিক ইহুদি মুরতাদ সহ যাদের যাদের ইমান একটু দুর্বল তারা যদি শাপলা চত্তরে যান তাহলে তো তারা আস্তিক হয়ে যাবেন এবং একই সাথে ইসলাম রক্ষার এই আন্দোলনে অংশ নেবার অবশই আখিরাতে আপনি পুরস্কিত হবেন। গত বিশ্ব ইজতেমার বয়ানে শুনছিলাম পাকি এক মুরুব্বী বলছেন, হুরের সংখ্যা পৃথিবীতে নেক কাজের উপর ভিত্তি করে ২৫ লক্ষ হতে পারে। বুঝতেই পারছেন এই আন্দলনের সাথে যত বেশি সম্পৃক্ত হবেন তত বেশী হুর আর যত দেরি করবেন তত হুর কমবে।
পুনশ্চঃ টিভিতে দেখলাম হাফাজতের নেতারা অসুরিক শক্তির সাথে গলা ফাটিয়ে বলছে দরকার হলে দেশ অচল করে দেওয়া হবে আর এর জবাবে সামনে উপস্থিত সাগরেদরা যেভাবে দাত মুখ খিঁচিয়ে 'আল্লাহুয়াকবার' উচ্চারণ করছে তা অন্তত আমার ধর্মআনুভুতিতে আঘাত হেনেছে। যেকোনো প্রয়জনে শেষ সম্বল হিসেবে আমি আল্লাহকে স্মরণ করি তাঁকে ডাকি শুধু আমি না আপনি ও হয়ত করেন আসলে বেশিরভাগ মুসলমানই আল্লাহকে অনেক স্রদ্ধা আর ভালোবেসে স্মরণ করেন দরকার বা অদরকারে। যে শব্দটি শুনলে, বললে মনে শান্তির বাতাস বয়ে যায় প্রশান্তি লাগে সেই শব্দটি এতো বিদ্বেষের সাথে হিংস্রতা প্রকাশের জন্য এই ভাবে উচ্চারণের মানেটা কি? নবী( সাঃ) এর ইসলাম আর তালেবানি ইসলামের মধ্যে পার্থক্য আশা করি জানেন।
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৩
মিথ্যুক আমি বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আল্লাহর হেদায়েত কামনা করার জন্যই কিছুক্ষণ আগে নামাজ পড়ে আসলাম যেটা দেশ অবরোধের চাইতে ইসলাম রক্ষার অনেক বড় হাতিয়ার।
২|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৩
অারমান বলেছেন: আরেকবার প্রমান হলো এই দেশ কোন রাজনৈতিক দলের নয় এই দেশ মুসলমানের দেশ। যারা এক আল্লাহ- এবং রাসুলের অনুসারী। যদিও যোগদান করতে পারলাম না, অন্তরে আল্লাহর প্রেম নিয়ে দোয়া করি আল্লাহ আমার দেশকে হেফাজত করুন, সকল অশুভ শক্তি থেকে। এবং বাংলার মাটিতে আমাদের রাসুল কে যারা অবমাননা করেছে তাদের বিচার হউক
আর ইসলামের নামে কোন সরকারি দালাল বা ভন্ড কে যে দেশের মানুষ ভালোবাসেনা তা ও প্রমান হয়ে গেছে।
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৪
মিথ্যুক আমি বলেছেন: ভাই শুধু ইসলামের নামে কেন কোন ধরনের কোন দালালকেই মানুশ ভালোবাসে না। এই দেশ সবার। এমনকি রাসুল(সাঃ) পর্যন্ত বলেননি অন্য ধর্মের মানুষেরা থাকতে পারবে না। নবীজিকে সারা জীবন কম গালি শুনতে হয় নি তাই বলে তিনি কি সবাইকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন? অবশ্যই ইসলাম এর সমালোচনা আর ইসলাম এবং রাসুল (সাঃ) কে গালিগালাজ এক নয় এবং এর প্রতিবাদ অবশ্যই করতে হবে। কিন্তু তার মানে এই না আপনি সারা দেশ অচল করে দিবেন। হরতাল দিবেন, ভাংচুর, হত্যা করবেন। মুসলিম হয়ে যদি নাস্তিক,মুনাফেকদের মত করেই প্রতিবাদ জানায় তাহলে তাদের আর আমাদের মধ্যে পার্থক্য থাকলো কোথায়? মায়ানমারের রাখাইনরা মনে করে সেখানে শুধু তারাই থাকতে পারবে অন্য কেউ না। সেখানকার মুসলমানদের এখন কি অবস্থা সেটা তো দেখছেন? এখন আমরাও যদি একই রকম ভেবে বউদ্ধদের খুন করতে থাকি তাহলে কি আমাদের গৌরব বাড়বে?ইসলাম অনেক মহৎ একটা ধর্ম তাই ইসলাম কখনই বলে না মুসলিমরা ছাড়া অন্য কেউ এই দেশে বা এক সাথে থাকতে পারবে না বা দেশে তাদের কোন অধিকার থাকবে না তা সে নাস্তিক হোক, হিন্দু হোক আর যে ই হোক।
৩|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৩৬
0গাংচিল বলেছেন: আল্লাহ আপনারে হেদায়াত দান করুন ;
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৫
মিথ্যুক আমি বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আল্লাহর হেদায়েত কামনা করার জন্যই কিছুক্ষণ আগে নামাজ পড়ে আসলাম যেটা দেশ অবরোধের চাইতে ইসলাম রক্ষার অনেক বড় হাতিয়ার।
৪|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৩
আনিসুর র বলেছেন: আল্লাহ আপনারে হেদায়াত দান করুন ;
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৫
মিথ্যুক আমি বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আল্লাহর হেদায়েত কামনা করার জন্যই কিছুক্ষণ আগে নামাজ পড়ে আসলাম যেটা দেশ অবরোধের চাইতে ইসলাম রক্ষার অনেক বড় হাতিয়ার।
৫|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৩
পথহারা সৈকত বলেছেন: 0গাংচিল বলেছেন: আল্লাহ আপনারে হেদায়াত দান করুন ;
৬|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৩
পথহারা সৈকত বলেছেন: 0গাংচিল বলেছেন: আল্লাহ আপনারে হেদায়াত দান করুন ;
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৫
মিথ্যুক আমি বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আল্লাহর হেদায়েত কামনা করার জন্যই কিছুক্ষণ আগে নামাজ পড়ে আসলাম যেটা দেশ অবরোধের চাইতে ইসলাম রক্ষার অনেক বড় হাতিয়ার।
৭|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৪৯
শিব্বির আহমেদ বলেছেন:
অারমান বলেছেন: আরেকবার প্রমান হলো এই দেশ কোন রাজনৈতিক দলের নয় এই দেশ মুসলমানের দেশ। যারা এক আল্লাহ- এবং রাসুলের অনুসারী। যদিও যোগদান করতে পারলাম না, অন্তরে আল্লাহর প্রেম নিয়ে দোয়া করি আল্লাহ আমার দেশকে হেফাজত করুন, সকল অশুভ শক্তি থেকে। এবং বাংলার মাটিতে আমাদের রাসুল কে যারা অবমাননা করেছে তাদের বিচার হউক
আর ইসলামের নামে কোন সরকারি দালাল বা ভন্ড কে যে দেশের মানুষ ভালোবাসেনা তা ও প্রমান হয়ে গেছে।
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৬
মিথ্যুক আমি বলেছেন: ভাই শুধু ইসলামের নামে কেন কোন ধরনের কোন দালালকেই মানুশ ভালোবাসে না। এই দেশ সবার। এমনকি রাসুল(সাঃ) পর্যন্ত বলেননি অন্য ধর্মের মানুষেরা থাকতে পারবে না। নবীজিকে সারা জীবন কম গালি শুনতে হয় নি তাই বলে তিনি কি সবাইকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন? অবশ্যই ইসলাম এর সমালোচনা আর ইসলাম এবং রাসুল (সাঃ) কে গালিগালাজ এক নয় এবং এর প্রতিবাদ অবশ্যই করতে হবে। কিন্তু তার মানে এই না আপনি সারা দেশ অচল করে দিবেন। হরতাল দিবেন, ভাংচুর, হত্যা করবেন। মুসলিম হয়ে যদি নাস্তিক,মুনাফেকদের মত করেই প্রতিবাদ জানায় তাহলে তাদের আর আমাদের মধ্যে পার্থক্য থাকলো কোথায়? মায়ানমারের রাখাইনরা মনে করে সেখানে শুধু তারাই থাকতে পারবে অন্য কেউ না। সেখানকার মুসলমানদের এখন কি অবস্থা সেটা তো দেখছেন? এখন আমরাও যদি একই রকম ভেবে বউদ্ধদের খুন করতে থাকি তাহলে কি আমাদের গৌরব বাড়বে?ইসলাম অনেক মহৎ একটা ধর্ম তাই ইসলাম কখনই বলে না মুসলিমরা ছাড়া অন্য কেউ এই দেশে বা এক সাথে থাকতে পারবে না বা দেশে তাদের কোন অধিকার থাকবে না তা সে নাস্তিক হোক, হিন্দু হোক আর যে ই হোক।
৮|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৫০
কাজের কথা বলেছেন: আল্লাহ কাউকে হেফাজত দান করেবন না। কারন জামাত ইসলামী এবং হেফাজতে জামাত ইসলাম এর ভাষ্যমতে ব্লগার সবাই নাস্তিক। তাই আপনি যিনি হেফাজতের হেফাজত করার চেষ্টা করছেন বা যারা দেশের স্বাধীনতার পক্ষ শক্তিকে রক্ষার জন্য জন্য এই ব্লগে এসেছেন তারা সবাই ব্লগার এবং নাস্তিক।
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৬
মিথ্যুক আমি বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। কে আস্তিক আর কে নাস্তিক তা নির্ধারণ করবেন মহান আল্লাহ্ এবং সেই অনুযায়ী আখিরাতে তার বিচার হবে। স্বাধীনতার পক্ষ আর ইসলামের পক্ষ দুইটা জিনিস কেন পরস্পর বিরোধী হবে? কোরআনে কি এমনকিছু লেখা আছে নাকি নবিজী (সাঃ) এমনটা বলে গেছেন? যারা এই বিরোধ করতে চাইছেন তাদের হাতে দেশ ও ইসলাম দুইটার কোনটাই নিরাপদ না।
৯|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৫১
প্রভাষ প্রদৌত বলেছেন: Click This Link
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২১
মিথ্যুক আমি বলেছেন: আপনার লিঙ্কের জন্য ধন্যবাদ। ভালোমানুষের ভাল কাজ প্রশংসনীয় খারাপ মানুশের খারাপ কাজ নিন্দনীয়। ঠিক একই ভাবে ভালমানুষ যদি কোন খারাপ কিছু করে তাহলে তার নিন্দা যেমন করতে হবে একই ভাবে খারাপ কেউ যদি আদতে ভালো কিছু করে তাহলে সেই ভালো কাজের ফল কে খাবে সেটা না ভেবে তার প্রশংসা এবং সমর্থন করা উচিৎ। তাই সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ হোল আপনি আসলেই ভালো কিছু করছেন কি না।
১০|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৫২
চোরাবালি- বলেছেন: ইসলাম সম্পর্কে আপনি যা জানেন তার থেকে এখানকার লোক অবশ্যই বেশী জানেন। সো যে বেশী জানে তারটা মেনে নেয়া অপরাধ নয় বরং বিরোধিতা করা বা তাচ্ছিল্য করাটা বেয়াদবী বা অন্যায়ই বটে।
যা হউক আপনার যেমন শিক্ষা আপনি তেমন লিখবেন বলবেন এটাই স্বাভাবিক
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৩
মিথ্যুক আমি বলেছেন: অবশ্যই এখানকার লোক আমার চাইতে ইসলাম বেশী জানেন। আমি আরবি পারি না বাংলাতে কোরআন শরিফ পড়ি আর এখানকার আলেমেরা আরবিতে কোরআনের তর্জমা পর্যন্ত করতে পারেন। আমি কি জানি তার চাইতে বেশী গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে সেই জ্ঞান আমি কোথায় কিভাবে ব্যবহার করছি। আপনার শেষ লাইনটার সাথে একমত।
১১|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৩
প্যারাসিটামল বলেছেন: পোস্ট. দেখে বুঝতে পারছি আপনার. মাথা পুরাই গেছে, কি করবেন বুঝতে পারছেন. না। পাগলা ছাগলা যে কোথা থেকে আসি
১২|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৩
প্যারাসিটামল বলেছেন: পোস্ট. দেখে বুঝতে পারছি আপনার. মাথা পুরাই গেছে, কি করবেন বুঝতে পারছেন. না। পাগলা ছাগলা যে কোথা থেকে আসে
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৩৫
মিথ্যুক আমি বলেছেন: নামাজ পড়ে মন্তব্য লিখতে বসেছিলাম আপাতত আবার নামাজ পরতে যাচ্ছি। হয়ত বুজতে পারছেন কোথা থেকে এসেছিলাম। আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
১৩|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৫
কর্ণেল সামুরাই বলেছেন: যু্দ্ধের সময়ও আল্লাহুআকবর বলা হয়, কোরবানী করারসময়ও বলা হয়। দোষের কিছু নাই। জয় বাংলা যেমন আমাদের বাঙ্গালী শ্লোগান, আল্লাহুআকবরও মুমীনী শ্লোগান।
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৫
মিথ্যুক আমি বলেছেন: ভাই আমি তো আল্লাহুয়াকবার কেন বলছে বা বলা যাবে না তা বলছি না। বরং মহান আল্লাহর নাম আমাদের সবসময় নেওয়া উচিৎ। ইসলাম শান্তির ধর্ম। হিংসা বিদ্বেষ আল্লাহ্ সব সময় নিরুতসাহিত করেছেন তবে একই সাথে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতেও বলেছেন কিন্তু তাই বলে হিংস্রতার সাথে আপনি আল্লাহর নাম নিবেন? কোরবানির সময় আল্লাহুয়াকবার বলা হয় কেননা আল্লাহর উদ্দেশ্যে তাকে স্মরণ করে কোরবানি দেওয়া হয় কিন্তু তাই বলে আপনি একজন মানুষকে জবাই করছেন বা পিটিয়ে হত্যা করছেন আল্লাহর নাম মুখে নিয়ে সেটা কি আল্লাহ্ আদেউ পছন্দ করবেন?
১৪|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৬
এ সামাদ বলেছেন: আল্লাহ আপনারে হেদায়াত দান করুন ; ঘাবড়াবেন না ; আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুন ; আল্লাহ যেন আপনারে এই ছেলে মানুষী কথাবার্তা না বলিয়ে সমজদারি দান করেন ;
আমীন
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৭
মিথ্যুক আমি বলেছেন: আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আল্লাহর হেদায়েত কামনা করার জন্যই কিছুক্ষণ আগে নামাজ পড়ে আসলাম যেটা দেশ অবরোধের চাইতে ইসলাম রক্ষার অনেক বড় হাতিয়ার।
১৫|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৫৬
প্রভাষ প্রদৌত বলেছেন: এাট পড়ুন । সব দ্বিধা দুর হয়ে যাবে ।
হেফাজতে ইসলামের আসল চরিত্র
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০০
মিথ্যুক আমি বলেছেন: খারাপ কাজের পিছনে ভালো মানুষ থাকলে যেমন কাজটা ভালো বলে বিবেচিত হয় না তেমনি ভালোর পিছনে খারাপ থাকলে সেটাও খারাপ হয়ে যায় না। মুল কথা হোল ধর্ম রক্ষার নামে বা দেশের স্বাধীনতা রক্ষার নামে আসলে আপনি কি করছেন।মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
১৬|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৫:৪৫
মোঃ ইয়াহিয়া বারী বলেছেন: কেউ গু জেনে ইচ্ছা করে খায়,কেউ না জেনে গু খায়।আবার কেউ গু জেনে ও চোখ বন্ধ করে খেয়ে ফেলে।
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০২
মিথ্যুক আমি বলেছেন: দুঃখিত আপনার মন্তব্য বুজতে পারলাম না।
১৭|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ৮:২২
শিব্বির আহমেদ বলেছেন: আমার একান্ত ব্যাক্তিগত মতামত ----
ইসলাম একটি পরিপূর্ণ জীবন ব্যাবস্থা , শুধু উৎসব বা আচার নির্ভর ধর্ম নয় । এইখানেই অন্য যে কোন ধর্মের সাথে ইসলামের মুল পার্থক্য । ইসলাম সব ধর্মের, পেশার , বিশ্বাসের মানুসের সহবস্থান নিশ্চিত করে পরিপূর্ণ মর্যাদার সাথে । আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে ইসলামের বিধান বাস্তবায়নই নিশ্চিত করতে পারে সমৃদ্ধ জীবন ও জাতি গঠন । ইসলামকে জেনে বুঝে তারপর ইসলাম বিষয়ক যে কোন বিষয়ে কথা বলুন । আপনার সামান্যতম ভুলের জন্য আপনি অন্যকে ভুল বার্তা দিতে পারেন যা কখনোই কাম্য নয় ।
মতামত শেষ ।
১৮|
০৭ ই এপ্রিল, ২০১৩ রাত ১:৩৩
মিথ্যুক আমি বলেছেন: চমৎকার বলেছেন। মাত্র ১৪০০ বছরে ইসলাম মানুষের উপর এতটা প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছে এতো মানুষ ইসলাম গ্রহন করেছে সেটা ইসলামের উদারতা, ক্ষমা, ধৈর্য, সৌহার্দ্য আর সম্প্রীতির কারনে অন্তত আমি যতটুকু পড়েছি বা জেনেছি আমার কাছে তেমনটাই মনে হয়েছে। ইসলামকে আজ যেভাবে ব্যবহার করা হচ্ছে বা যেভাবে বর্তমানে তুলে ধরা হচ্ছে তা নবীজি (সাঃ) এর সময়ের সাথে সম্পূর্ণ বিপরীত।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই এপ্রিল, ২০১৩ বিকাল ৩:৩১
অবুঝ পাঠক বলেছেন: আল্লাহ আপনারে হেদায়াত দান করুন ; ঘাবড়াবেন না ; আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনা করুন ; আল্লাহ যেন আপনারে এই ছেলে মানুষী কথাবার্তা না বলিয়ে সমজদারি দান করেন ;
আমীন