নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমার নাম- রাজীব নূর খান। ভালো লাগে পড়তে- লিখতে আর বুদ্ধিমান লোকদের সাথে আড্ডা দিতে। কোনো কুসংস্কারে আমার বিশ্বাস নেই। নিজের দেশটাকে অত্যাধিক ভালোবাসি। সৎ ও পরিশ্রমী মানুষদের শ্রদ্ধা করি।

রাজীব নুর

আমি একজন ভাল মানুষ বলেই নিজেকে দাবী করি। কারো দ্বিমত থাকলে সেটা তার সমস্যা।

রাজীব নুর › বিস্তারিত পোস্টঃ

আজকের ডায়েরী- ১৮৯

২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:০৫



মসজিদে বসে মদ খেতে দাও, অথবা সেই জায়গাটা দেখাও যেখানে আল্লাহ নেই।

বহুদিন ধরে গল্প লেখা হয় না!
অথচ আমার গল্প লিখতে ভালো লাগে। সস্তা প্রেম ভালোবাসা বা আবেগের গল্প নয়। একদম বাস্তব গল্প। আমি নিজে একজন প্রচন্ড বাস্তববাদী মানুষ। আমার দুনিয়ায় কোনো রুপকথার স্থান নেই। মাছের পেটে ঢুকে যাওয়া, লাঠি সাপ হয়ে যাওয়া, মূরগী জিন দেখলে ডাকে, ভর সন্ধ্যায় দরজা জানালা বন্ধ করে দেওয়া, নইলে ঘরে খারাপ জিন প্রবেশ করবে। যাইহোক, ঢাকায় প্রচণ্ড গরম! সহ্যের বাইরে। তীব্র গরমে মানুষ অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। আমি নিজেই বাইরে যাচ্ছি না। এসি ছেড়ে অফিসে বসে আছি। কোনো গরম আমাকে স্পর্শ করছে না। কিন্তু যারা বাইরে বের হয়েছে, তাদের অনেক কষ্ট হচ্ছে। রাতে আমি ঘর বরফের মতো ঠান্ডা করে ঘুমাই। আমার কন্যা ফারাজাও গরম সহ্য করতে পারে না। ভোরের দিকে ফারাজা শীতে কুকড়ে যায়। তখন আমি তার গায়ে চাঁদর দিয়ে দেই। যদি এসি বন্ধ করে দেই, তাহলে সাথে সাথে তার ঘুম ভেঙ্গে যাবে।

যেসব রাতে আমি ভয়ানক স্বপ্ন দেখি-
সেসব রাত আমার ভালো লাগে। আর যে রাতে আমি স্বপ্ন দেখি না। সেই রাত আমার মাটি যায়। গতকাল রাত তো ভয়াবহ গেছে। দূর্দান্ত সব স্বপ্ন দেখেছি। আমি এক রাতে চার পাঁচটা স্বপ্ন দেখি। গতকাল অনেক গুলো স্বপ্ন দেখেছি। একটা বিল্ডিংয়ে আগুন লেগেছে। পাঁচ তলায় এক ছোট মেয়ে আটকা পড়েছে। মেয়েটার মা চিৎকার করে কান্না করছে। ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি এখনও আসে নাই। এদিকে আগুন চারিদিকে ছড়িয়ে যাচ্ছে। আমি একদম সুপার ম্যানের মতো পাঁচ তলায় উঠে গেলাম। এবং বাচ্চা মেয়েটাকে কোলে করে নামিয়ে নিয়ে এলাম। যেন এটা কোনো ব্যাপারই না। কেউ যেন আমাকে ধন্যবাদ না দিতে পারে, তাই আমি আস্তে করে চলে গেলাম। আরেক স্বপ্নে দেখলাম- তিনজন মানুষ আমাকে তাড়া করেছে। তাদের হাতে দা, ছুরি। তারা আমাকে মেরেই ফেলবে। এখন আমাকে বুদ্ধি করে বাচতে হবে। টান টান উত্তেজনা! আমি দৌড়াচ্ছি। আরেকটা স্বপ্ন দেখলাম- একটা ঘরে আমাকে বন্ধী করে রাখা হয়েছে। এই ঘর থেকে আমাকে সাত মিনিটের মধ্যে বের হতে হবে। নইলে আমার মৃত্যু হবে। ঘরে আছে দুটা বিষাক্ত সাপ!

সারাদিন ভ্যানগাড়িতে করে অলি গলি ঘুরে-
সবজি বিক্রি করা হয়। কিন্ত সব সবজি বিক্রি হয় না। অনেক সবজি বেঁচে যায়। তখন সমস্ত ভ্যানগাড়ি চালক মালিবাগ আসে। ফুটপাতের পাশে সিরিয়াল করে ভ্যান সাজিয়ে রাখে। অফিস ফেরত মানুষ গুলো বাসায় যাওয়ার সময় সবজি কিনে নিয়ে যায়। সকালের চেয়ে সন্ধ্যায় সবজির দাম কম থাকে। আমি নিজেও মাঝে মাঝে এখান থেকে সবজি কিনে নিয়ে যাই। ফারাজা ঢেঁড়স পছন্দ করে। আর সুরভি ঢেঁড়স অনেক মজা করে রান্না করে। খেয়ে আরাম পাই। যাইহোক, মালিবাগে সবজি বিক্রি করে সেটা সমস্যা নয়। সমস্যা হলো- সব ভ্যানগাড়ি ওলা পুরো রাস্তা ময়লা করে রেখে যায়। অথচ ময়লাওলাকে অল্প কিছু টাকা হাতে ধরিয়ে দিলেই, সে রাস্তা পরিস্কার করে দেয়। নোংরা রাস্তা দিয়ে আমার হাঁটতে মন চায় না। সিটি করপোরেশন অন্য যে কোনো সময়ের চেয়ে এখন বেশি কাজ করছে। ভালো কাজ করছে। আসলে যে যার দায়িত্ব গুলো সঠিক ভাবে পালন করলেই- দেশ তর তর করে এগিয়ে যায়।

শেখ হাসিনার জন্য আমার মায়া হয়।
আহারে.....! এই দেশের জন্য তার অবদান তো কম নয়। আসলেই গত ১৬ বছর দেশের জন্য অনেক করেছেন। সবচেয়ে বড় কথা ৭১ এর পরাজিত শক্তি জামাত শিবিরিকে দমিয়ে রাখতে পেরেছিলেন। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস। আজ আওয়ামীলীগ নেই! পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল, এলিভেটেট এক্সপ্রেসওয়ে..... আরো কত কি! শেখ মুজিবের কি করুন মৃত্যু হলো! রাজনীতি যারাই করে দিন শেষে এত করুন পরিনতি হয়। মহাত্মা গান্ধী, মেন্ডেলা, কেনেডি, আব্রাহাম লিংকন- রাজনীতির কারনেই এদের করুন পরিনতি হয়েছিলো। এদিকে ইউনুস অল্প সময়ে কত অন্যায় করেও পার পেয়ে গেলো। কাল সাপ গুলো ৩২ নম্বর গুড়িয়ে দিতে পেরেছে, ইউনুস চেয়েছে বলেই। আমাদের সংসদ হয়ে গেছে সার্কাস। কি সুন্দর যাত্রাপালা হচ্ছে সংসদে! ভরপুর বিনোদন। যারা বাংলাদেশ চাহেনি তারাই আজ সংসদে! আল্লাহপাক এত অন্যায় কি করে সহ্য করছেন!

''আমি একবারই দুঃসাহস দেখাবো, যখন লোকেরা হেঁটে চলবে আর আমি (মারা যাবার পরে) লোকেদের কাঁধে চাপবো''
মির্জা গালিব পড়া শুরু করেছি। উর্দু এবং ফার্সি ভাষার গ্রেট কবি। তার খ্যাতি আসে তার মৃত্যুর পর। আমাদের কবি জীবনানন্দ দাসেরও একই অবস্থা হয়েছিলো। যাইহোক, গালিব অল্প বয়সে বিয়ে করেছিলেন। গালিব মদ খেতেন এবং ধর্ম নিয়ে তার তেমন কোনো মাথা ব্যথা ছিলো না। ধর্মকে তিনি দূরে সরিয়ে রেখেছিলেন। নাকি তিনি ধর্মের গভীরে ছিলেন! নামাজ পড়ার প্রতি তার তেমন আগ্রহ ছিলো না। রোজা তো রাখতেন'ই না। তবে গালিব আমাদের নবীজিকে ভালোবাসতেন। তাকে নিয়ে কখনও মন্দ কথা বলেননি। পেটে মদ পড়লেই গালিবের মধ্যে ভাব আসতো। তখন তিনি লেখা শুরু করতেন। জুয়া খেলতে গালিব পছন্দ করতেন। এজন্য একবার তাকে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। গালিব বলেছেন, আমরা জানি, জান্নাতের প্রকৃত স্বরূপ কী, মনকে খুশি রাখতে এ ধারণা মন্দ নয়।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৫ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:০৪

সমূদ্র সফেন বলেছেন: ভাল লাগা

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.