নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আল্লাহ কেমন?

০৭ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১০



সূরাঃ ২৪ নূর, ৩৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৫। আল্লাহ আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীর নূর। তাঁর নূরের দৃষ্টন্ত যেন একটি দীপদানি, যার মধ্যে আছে একটি প্রদীপ।প্রদীপটি একটি কাঁচের আবরণের মধ্যে স্থাপিত। কাঁচের আবরণ উজ্জ্বল নক্ষত্রের মত। এটা প্রজ্জ্বলিত হয পবিত্র যয়তুন বৃক্ষের তৈল দ্বারা।যা প্রাচ্যের নয় প্রতিচ্যেরও নয়। আগুন স্পর্শ না করলেও যেন এর তৈল আলো দেয়। নূরের উপর নূর।আল্লাহর যাকে ইচ্ছা তাঁর নূরের দিকে হেদায়াত প্রদান করেন। আল্লাহ মানুষের (বুঝার) জন্য দৃষ্টান্ত দিয়ে থাকেন। আর আল্লাহ সব কিছু জানেন।

সূরাঃ ২০ তা-হা, ৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫। দয়াময় আরশের উপরে সমাসীন আছেন।

সূরাঃ ৩৯ যুমার, ৭৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৫। আর তুমি ফিরিশতাদেরকে দেখবে আরশের চার দিকে ঘিরে তাদের প্রতিপালকের প্রশংসাসহ তাসবিহ পাঠ করছে। আর তাদের বিচার করা হবে ন্যায়ের সাথে। বলা হবে সকল প্রশংসা জগৎসমূহের রব আল্লাহর।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৫। আল্লাহ, তিনি ব্যতীত কোন ইলাহ নেই।তিনি চিরঞ্জীব চির বিদ্যমাণ।তাঁকে তন্দ্রা অথবা নিদ্রা স্পর্শ করে না।আকাশ ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে সমস্তই তাঁর।কে সে যে তাঁর অনুমতি ছাড়া তাঁর নিকট সুপারিশ করবে? তাঁর সামনে পিছনে যা কিছু আছে তা’ তিনি জানেন।তাঁর ইচ্ছা ছাড়া তাঁর জ্ঞানের কিছুই কেউ আয়ত্ব করতে পারে না।তাঁর ‘কুরসী’ আকাশ ও পৃথিবী জুড়ে বিস্তৃত।এ দু’টির হেফাজত তাঁকে ক্লান্ত করে না।আর তিনি পরম উচ্চ-মহিয়ান।

সূরাঃ ৫৮ মুজাদালা, ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭। তুমি কি লক্ষ্য কর না, আকাশমন্ডলী ও পৃথিবীতে যা কিছু আছে আল্লাহ তা’ জানেন? তিন ব্যক্তির মধ্যে এমন কোন গোপন পরামর্শ হয় না যাতে চতুর্থ জন হিসেবে তিনি উপস্থিত থাকেন না এবং পাঁচ ব্যক্তির মধ্যেও হয় না যাতে ষষ্ঠ জন হিসেবে তিনি উপস্থিত থাকেন না। তারা এরচেয়ে কম হউক বা বেশী হোক তিনিতো তাদের সঙ্গেই আছেন উহারা যেখানেই থাকুক না কেন। অতঃপর তারা যা করে; তিনি কিয়ামতের দিন তা’ জানিয়ে দিবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ সকল বিষয় জানেন।

সূরাঃ ৫০ কাফ, ১৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৬। আমিই মানুষকে সৃষ্টি করেছি এবং তার প্রবৃত্তি তাকে যে কুমন্ত্রণা দেয় আমি তা’ জানি। আমি তার ঘাড়ের শিরার থেকেও নিকটতর।

সূরাঃ ৩১ লোকমান, ২৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৭। পৃথিবীর সমস্ত বৃক্ষ যদি কলম হয় আর সমূদ্র হয় কালি এবং এর সাথে আরো সাত সমূদ্র যুক্ত হয় তবু আল্লাহর কথা শেষ হবে না। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।

সূরাঃ ৩৯ যুমার, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। তারা আল্লাহর যথাযথ সম্মান করে না। কিয়ামতের দিন সমস্ত পৃথিবী থাকবে তাঁর হাতের মুঠোয় এবং আকাশ মন্ডলী থাকবে ভাঁজ করা অবস্থায় তাঁর ডান হাতে। পবিত্র ও মহান তিনি, তারা যাকে শরীক করে তিনি তার উর্ধ্বে।

সূরাঃ ৫৫ রাহমান, ২৬ নং ও ২৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। তাতে সব বিলিন হয়
২৭। আর বাকী থাকে তোমার প্রতিপালকের সত্তা, যিনি মহিমাময়, মহানুভব।

সূরাঃ ৬৮ কালাম, ৪২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪২। যে দিন পায়ের গোছা উম্মুক্ত করা হবে, সেদিন তাদেরকে আহবান করা হবে সিজদা করার জন্য, কিন্তু তারা সক্ষম হবে না।

সূরাঃ ২ বাকারা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহরই এবং যে দিকেই তোমরা মুখ ফিরাও না কেন সেদিকেই আল্লাহর মুখ। নিশ্চয়ই আল্লাহ ওয়াসি (সর্বব্যাপী), সর্বজ্ঞ।

* আরশের উপরে মেশকাত(প্রদীপ দানি)। মেশকাতের উপরে মিসবাহ (প্রদীপ)। তিনি আলো এবং তাঁর পোশাক আলো। তিনি আলোর উপর আলো।আরশের নীচে নভঃমন্ডল ও ভূমন্ডল জুড়ে কুরসিতে আল্লাহর নূরের পা।যা তাঁর সকল সৃষ্টির সিজদা গ্রহণ করে।তিনি আরশ থেকে বড় কারণ তিনি কুরসিতেও আছেন। তিনি কুরসি থেকেও বড় কারণ তিনি আরশেও আছেন।সেজন্য তিনি সবচেয়ে বড়।সবার সাথে আছে তাঁর নূর। সুতরাং তিনি কারো সাথে নেই এমন কেউ নেই।তিনি জীবন্ত বিধায় তিনি জড় প্রদীপ এর মত কিছু নন। তিনি নিরাকার, তবে প্রয়োজনে আকার ধারণ করেন। তাতেও তিনি সীমাবদ্ধ না হয়ে তাঁর নূরের মাধ্যমে অসীমত্বে বিরাজমাণ থাকেন।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯

সৈয়দ কুতুব বলেছেন: এভাবে ছবিতে ‘আল্লাহ’ লেখা প্রদর্শন করা মুহাম্মদ (সা.)-এর যুগে শিরক হিসেবে গণ্য হতো। এই যে মসজিদের ভেতরে ‘আল্লাহ’ এবং ‘মুহাম্মদ’ শব্দ আকারে লেখা থাকে, সেটাও সমস্যাজনক। মসজিদে কিছু লেখার প্রয়োজন নেই। এটি আমার ব্যক্তিগত মতামত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.