| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ছোটদা
বললে তো অনেক কথাই বলা লাগে, কয়টা বলব ??\nথাক এখন না, পরে বলব নে..।.।.।
অতঃপর নিজেদের দ্বায় এড়াতে নির্লজ্জের মত বলে বসি, “আমি একজন জেনারেল স্টুডেন্ট”, “আমি সাধারণ জনগন”। অতপর সব দোষ আপনার। এই দুটি বাক্যই যেন আমাদের রক্ষা কবজ। কিন্তু একবারো আমার বিবেক আমাকে প্রশ্ন করেনা, আমি কি ঠিক করছি???
তাহলে আপনি নিশ্চিত থাকুন আপনার বিবেক মরে গেছে, পচে গেছে ঐ বুড়িগঙ্গার জলে, উড়ে গেছে সাভারের ইটভাটার ধোয়ার সাথে কিংবা লজ্জায় আত্নহত্যা করেছে ধর্ষিতা কিশোরীটির সাথে। কিভাবে আপনার দায় এড়াবেন?
কিভাবে আপনার বিবেককে মুক্তি দিবেন? যেভাবে চির মুক্তি পেয়েছে রাস্তায় এক্সিডেন্ট করা ছেলেটির আকুতির কন্ঠ? আথচ আপনি তখন দাড়িয়ে দাড়িয়ে তামাশা দেখেছেন। একবার ভেবেও দেখেন নি ছেলেটিকে হাসপাতালে পৌঁছে দেয়া আপনার দায়িত্ব।
কিভাবে দায় এড়াতেন আপনি?
আজ যদি ছেলেটির জায়গায় আপনি হতেন ?
আপনি জানেন গলির মোড়ে কিছু উঠতি যুবক মেয়েদের টীজ করে কিন্তু সেটা দেখেও না দেখার ভান করে চলে যান। আপনার হাতে যুক্তি একটিই, আমি সাধারণ জনগন আমি কি করব?
সেদিন ঠিক ই কান্না করবেন কিংবা পুলিশের ডায়েরিতে নাম উঠবেন সেদিন আপনার ছোট বোনটি ওদের দ্বারা ধর্ষিত হবে। সেদিন দায় এড়াবেন কেমন করে?
আমরা খুব সহজেই দায় এড়িয়ে যাই। কিন্তু এই বাধা সমাজে দায় এড়িয়ে আপনি কয়দিন থাকবেন? একদিন না একদিন ঐ একি দায়ে আপনাকেও পড়তে হবে। প্রতিবাদ করতে শিখুন। প্রতিবাদ করতে গেলে বাধা আসবেই। আর সেটা টপকে যাওয়াটা বড় কথা নয় বড় কথা হল আপনি প্রতিবাদ করেছেন। আপনাকে দেখে আরেক জন প্রতিবাদ করবে, তাকে দেখে আরেকজন...... এভাবেই বাড়বে।
নিজে সুখি না হতে পারুন, নিজে প্রতিবাদের ফলাফল দেখে যেতে না পারুন, আপনার নতুন প্রজন্মের জন্য তো পৃথিবীটাকে সুন্দর করে যাবেন, নাকি?
আপনার ক্যাম্পাসে র্যাগ হচ্ছে। শারীরিক এবং মানসিক ভাবে চরম ভাবে হেনেস্থা করা হচ্ছে নতুন ছেলেটিকে। আপনি দেখেও না দেখার ভান করে চলে গেলেন। আপনাকে জবাবদিহি করতে বললে বলবেন, আমি কি করব, আমি তো সাধারণ স্ট্যডেন্ট... আরে ব্বা, সবাই তো সাধারণ স্টুডেন্ট ই কেউ কি অসাধারন?? হ্যা আপনাদের চোখে তারা অনন্য- অসাধারন। কারন তাদেরকে আপনারাই সে সুযোগটা করে দিয়েছেন। আপনার মত সাধারণ স্টুডেন্টরা আজ ফ্যাকাল্টি বিল্ডিং আর হলের বৈধ সিটটিকেই চিনেন আর কিছু চিনেন না । আপনারা দেখে থেকেও দেশের কোন কাজেই আসেন না । স্কলারশিপ নিয়ে চলেযান আরাম আয়েশের দেশে। চলে যান সুখ খোজতে । আর আমরা??? আমরা এই দেশেই পড়ে থাকি। এদেশে এই সব অসাধারন ছাত্রদের মাঝেই বেঁচে থাকি। প্রতিবাদ করতে গিয়ে গুম হবে যাই, হারিয়ে যাই, মারা যাই, রিমান্ডে যাই আরো কত কি.........
তারপরও আপনাদের ফেইসবুক প্রোফাইলে লেখা থাকে “I hate Bangladeshi Politics”
তোর মারে বাপ হারামজাদা খাংকির পোলা।
দেশের মানুষের রক্ত ভেজা টাকায় পোড়াশোনা করিস তোরা, মনে রাখিস। তোর প্রতি তোর ফ্যামিলির যেমন দাবি আছে দেশের মানুষেরও তোড় উপর দাবি আছে । দেশ তোকে মানুষের মত মানুষ করছে যাতে তুই দেশের সেবা করতে পারিস, দেশের উন্নয়নে অংশ রাখতে পারিস। আর তুই কিনা বলে বাড়াচ্ছিস বাংলাদেশের রাজনীতি কে তুই ঘ্রিনা করিস হারামজাদা???
তোর মত সাধারণ স্টুডেণ্ট এর এই দেশে থাকার কোন অধিকার নেই। কারন বাংলাদেশের রাজনিতিকে ঘৃণা করা মানে এদেশের স্বাধীনতা কে ঘৃণা করা । ত্রিশ লক্ষ শহীদকে ঘৃণা করা। যে গৌরবউজ্জ্বল রাজনীতির কারনে আজ তুই এই দেশে জন্মাতে পেরেছিস সেই রাজনিতিকে তুই ঘৃণা করিস??
হাউ শেইম অন ইউ!!!!!!!!!!
তোদের জন্য শুধু মাত্র তোদের জন্য আজ রাজনীতির এই অবস্থা। দেশ সৃষ্টির সেই সব গৌরব উজ্জ্বল দিন গুলোতে তোর চেয়ে শত গুনে মেধাবী স্টুডেন্ট গুলোই আন্দোলন করেছিল। তারাই পড়াশোনা করে দেশের মুখ উজ্জ্বল করত আবার অন্যায়ের প্রতিবাদ করে আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ত।
ওরাই ছিল প্রকৃত জেনারেল স্টুডেন্ট।
আর তোরা হলি হারামজাদা............
©somewhere in net ltd.