| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ছোটদা
বললে তো অনেক কথাই বলা লাগে, কয়টা বলব ??\nথাক এখন না, পরে বলব নে..।.।.।
ইন্টারনেট ঘাটলে দেখবেন How To নিয়ে অনেক ভিডিও আছে। How to train your dog, How to train your cat, How to train your horse, How to train your colleague etc. আর How to train your Dragon মুভির কথা তো বলাই লাগেনা। মনে হয় সবাই দেখছেন। এমন কি How to train your grirlfriend to intercourse এই টাইপের শর্ট ফিল্ম ও আছে। কিন্তু আমার মনে হয় পৃথিবীর সমচেয়ে প্রয়োজনীয় How to ভিডিও টি এখনও করা হয়নি। সেটি হবে, How to train your Children…….
বেবি... ওলে ওলে বেবিটা... বেবিটা কি কিউট দেখছো...!!!
হ্যা দুনিয়ার সব বেবিই কিউট; সেটা মানুষেরই হোক আর পশুরই হোক। কিন্তু সেই কিউট বেবিটাই একসময় গারবেজ হয়ে যায় শুধু মাত্র এই How to train এর অভাবে। শিশুটাকে সঠিক শিক্ষা না দিতে পারলে সে মানুষ হয়ে জন্ম নিয়েও মানুষ হতে পারবেনা। পৃথিবীর সবচেয়ে কঠিন কাজটা হল সন্তানকে মানুষ করা। বাবা-মায়ের একটু অবহেলা, একটু উদাসীনতা, বেশি শাসন, কখনও কম শাসন, অতিরিক্ত প্রশ্রয় দান ইত্যাদি নানা কারনে কিউট শিশুটি কখনও কখনও ঐশীর মত বেপরোয়া হয়ে উঠতে পারে। কিংবা কখনও হয়ে যেতে পারে এরশাদ শিকদার এর মত সিরিয়াল কিলার, কখনও কালা মামুন, কালা জাহাঙ্গীর এর মত ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী, কখনও নাইলা নাইম কিংবা ডিজে সানিকার মত পর্ণস্টার। কিংবা কখনও হয়ে যেতে পারে পরিমল এর মত ধর্ষক, কিংবা সুমির মত দেহ ব্যাবসায়ী। হয়ে যেতে পারে আবুল হোসেনের মত দুর্নীতি পরায়ন কিংবা মখার মত নির্বোধ মন্ত্রী। কিংবা হয়ে যেতে পারে বাংলা ভাইয়ের মত জঙ্গি কিংবা আহমাদ শরীফ, হুমায়ন আজাদ, তসলিমা নাসরিন, অভিজিৎ, আসিফ মহিউদ্দিন, রাজীব, সুব্রত শুভ, অমি পিয়াল এদের মত আল্লাহদ্রোহী ইসলামবিদ্ধেসী...
যদি প্রশ্ন করা হয়, আপনি পড়াশোনা করছেন কেন? বেশির ভাগ মানুষ একটি উত্তর ই দিবে, মানুষের মত মানুষ হওয়ার জন্য। মূলত স্কুল, কলেজ, ইউনিভার্সিটিতে পড়ে কেউ মানুষের মত মানুষ হতে পারেনা। এগুলো থেকে মানুষ জীবিকা নির্বাহের জন্য সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে। মানুষের মত মানুষ করে গড়ে তোলার মত প্রতিষ্ঠান একটিই আছে দুনিয়াতে, সেটি পরিবার। একমাত্র পরিবার ই পারে একটি রক্তমাংসের শিশুকে মেধা-মনন-নৈতিকতায় সমৃদ্ধ করে মানুষের মত মানুষ রুপে গড়ে তুলতে। পরিবারে বাবা মা থেকে শিশুটি যে ধরনের আচরন শিক্ষা পায় সেটাই পরবর্তীতে তার চরিত্রে প্রভাব ফেলে।
পরিবার থেকেই শিশুরা ধর্মীয় এবং নৈতিক শিক্ষা লাভ করে। কোন বাবা মায়ের উদাসীনতা কিংবা অতি অধুনিকতার কারনে যদি কোন শিশু ধর্মীয় শিক্ষা না পায় পরবর্তীতে সেই সব শিশুই উগ্র, উশ্রিংক্ষল, বখাটে তে পরিনত হয়।
বাংলাদেশের মফঃস্বল এবং গ্রামের প্রতিটি মসজিদে আগে মক্তব নামক একটি ধর্মীয় শিক্ষার ব্যাবস্থা ছিলো। শহরেরও অনেক মসজিদে মক্তব ছিলো। এখনও গ্রামে মক্তব আছে। মফঃস্বল থেকে উঠে যাওয়ার পথে। আর শহরের কথা নাই বা বললাম। এখনকার শহুরে মা বাবারা তাদের ছেলে মেয়েদের সকালে উঠিয়েই পাঠায় কোচিং করাতে। স্কুল থেকে ফিরে রেস্ট নেওয়ার আগেই চলে আসে গানের টিচার রেওয়াজ করাতে। একটু পর নাচের টিচার। কিন্তু কুরআন পড়াতে কোন টিচার রাখা হয়না... এমনকি এসব বাবা-মাও তাদের সন্তানদের কখনই কুরআন-হাদীস কিংবা ধর্মীয় শিক্ষা দেন না। কিন্তু ঠিক ই তাদের থেকে ভাল আচার ব্যাবহার আশা করেন... যেটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক একটা ব্যাপার।
এসব শিশুরাই একসময় বড় হয় মরুভূমির ক্যাকটাসের মত শরীর ভরা বিষ নিয়ে। আর সেই ধর্মীয় জ্ঞেন শূন্য সায়ানাইড বিষটা তারা প্রয়োগ করে তাদের মা বাবার উপরেই। বাবা মায়ের অনিচ্ছায় বিয়ে করে বউ এর কথায় বাবা মাকে বৃদ্ধাশ্রমে পাঠায়...আরো অনেক কিছুই করে কয়টা বলবো...
পরিবারের পাশাপাশি শিশুরা মক্তব থেকে কুরআন শিক্ষা নিতো, হাদীস জানতো, মাসলা মাসায়েল শিখতো। আমরাও মক্তব থেকেই কুরআন শিখেছি। কিন্তু বর্তমানে মক্তব ব্যাবস্থাটি উঠে যাচ্ছে। ফলে গ্রাম এবং মফঃস্বলের শিশুরা জীবনের শুরু থেকেই ধর্মীয় শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। শহরের শিশুদেরো একি অবস্থা। ফলাফলে আমরা আমাদের নতুন প্রজন্মটিকে সম্পূর্ণ ধর্মীয় জ্ঞেন শূন্য অবস্থায় পাচ্ছি। যেটা মুসলিম জাতির জন্য হুমকি স্বরূপ। ধর্মীয় শিক্ষার চর্চা এভাবে যদি আস্তে আস্তে থেমে যেতে থাকে এক সময় দেখা যাবে সম্পূর্ণ প্রজন্মটিই আল্লাহদ্রোহী ও ইসলাম বিদ্বেষী হয়ে যবে... পরবর্তীতে তাদের কে যতই ধর্মের ভাল ভাল ভাল কথা বলা হোকনা কেন কানেই তুলবে না। কারন, কাচায় না নোয়ালে বাঁশ, পাকলে করে ঠাস ঠাস...
২০ লক্ষের উপরে শুক্রকীট থাকলে আর ওভারিতে নিয়মিত ডিম্বানু উৎপন্ন হলে সকল নারী-পুরষই কিউট বেবীর জন্ম দিতে পারে... কিন্তু কয়জন পারে সেই কিউট বেবিটিকে কিউট মানুষ করতে...???
©somewhere in net ltd.