| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
পেখম বিহীন শিখণ্ডী।
আমি একজন ছাত্র। মতামত প্রকাশ করা আমার ছোট বেলার স্বপ্ন , তাই এখানে আসা।
আমি পড়েছি বাতাসে লাশের গন্ধ ভাসে, কিন্তু দেখিনি। আজ অবশ্য দেখছি। কিন্তু সেটা মৃত লাশ না, জীবিত লাশ! ভাসমান লাশ! অনাহারে থাকা অর্ধমৃত লাশ! কিন্তু মানবাধিকার ও মানবতা আজ চুপ। যেন কোথাও কেউ নেই, কিছুই যেন ঘটেনি।
দায় যেন তাদের। যারা গভীর সমুদ্রে আটকে জিম্মি হয়ে আছে। কারো যেন কোন দায়ভার নেই। এ দেশ দায় চাপাচ্ছে ও দেশের ওপর। ও দেশ দায় চাপাচ্ছে আরেক দেশের ওপর। কিন্তু তাঁরা যে মানুষ এটাই যেন সবাই ভুলে যাচ্ছে।
সভ্যতার এই যুগে এসে আজও মানুষ এভাবে পাচার হবে এটা ভাবলেও মনে হয় সভ্যতা যেন আমাদেরকে কিছুই শেখাচ্ছেনা। এতো এতো লেখাপড়া! এতো এতো ডিগ্রি লাভ! কি হচ্ছে? কি কাজে লাগছে?
কোন কাজেই যেন আসছে না আমাদের অর্জিত এ শিক্ষা। মানবাধিকার আজ ভূলুণ্ঠিত। সভ্যতা আজ এক বিবর্জিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। চণ্ডীদাসের কবিতার সেই অমর পংক্তি "শুনহ মানুষ ভাই, সবার উপর মানুষ সত্য তার উপর নাই" এটা যেন আজ মিথ্যা বলে মনে হচ্ছে। সারা বিশ্বে অগণিত মানবাধিকার রক্ষা করার প্রতিষ্ঠান আছে। কিন্তু তাঁরা যেন নিজেদের অধিকার আদায়ের লক্ষ্যেই কাজ করে যাচ্ছে।
আসলে এতো কিছুর পর যেন এটাই সত্য বলে প্রতীয়মান হচ্ছে যে, "এই দুনিয়াই সেই বেশি চায়, আছে যার ভুরি ভুরি।
রাজার হস্ত করে সমস্ত, কাঙ্গালের ধন চুরি।।"
০১ লা আগস্ট, ২০১৫ রাত ১:৪৪
পেখম বিহীন শিখণ্ডী। বলেছেন: কথা ঠিক বলেছেন ফয়সাল ভাই। এর জন্যে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপ ছাড়া সাধারণ মানুষের কিছু করার নেই বলে আমি মনে করি।
©somewhere in net ltd.
১|
২৯ শে জুলাই, ২০১৫ সকাল ৮:০৭
লাবিব ফয়সাল বলেছেন: আমরা সবাই ভাসমান মানুষগুলোকে একটা কলা আর একটা রুটি দিয়েই নিজের কর্তব্য শেষ করতে চাই।অথচ কেউ তাদের ভাসমান হওয়ার করন খুজতে চায় না।