নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

প্রবাস জীবন (দুবাই)-ধর্ম-স্বাস্থ্য-টিপস-আমার কথা--

জানার আগ্রহ মানুষের চিরন্তন, বই হলো তার বাহন, আইনের মৃত্যু আছে কিন্তু বইয়ের মৃত্যু নেই।

সিটিজি৪বিডি

আজকের দিনই শেষ দিন মনে করতে হবে..কারন হঠাৎ করেই একদিন মরতে হবে.. কেয়ামত পর্যন্ত কবরে থাকতে হবে.. হাশরের মাঠে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হতে হবে.. জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সমস্ত কর্মকান্ডের হিসাব দিতে হবে.. পুলসিরাত পার হতে হবে.. তারপর....... জান্নাত অথবা জাহান্নামই হবে আসল ঠিকানা....

সিটিজি৪বিডি › বিস্তারিত পোস্টঃ

۞۞ দুলাভাইয়ের সাথে রহস্যজনক সম্পর্ক অতঃপর আত্মহত্যা! ۞۞

০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১০:৫০



শ্যালিকা সামসুন নাহারকে (২২) খুব ‘ভালবাসতেন’ ভগ্নিপতি এনামুল হক। তবে এ সম্পর্ককে খুব ভালো চোখে দেখতেন না বড় বোন রোকসানা। দুলাভাই ও শ্যালিকার ‘রহস্যজনক’ এ সম্পর্কের জের ধরে রোকসানার সংসারে সব সময় লেগে থাকত ঝগড়া-বিবাদ। এ কারণে বড়বোনের নানা ধরনের অপমান সহ্য করতে হতো ছোটবোনকে। কিন্তু শেষতক আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। অবশেষে আত্মহনননের পথকেই বেছে নিল ছোটবোন।



গতকাল দুপুরে নগরীর ৬ নম্বর রেলওয়ে কলোনিতে আত্মহত্যা করেছেন সামসুন নাহার। তাদের বাড়ি গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ কাউরি গ্রামে।



পুলিশ সূত্র জানায়, সামসুন নাহার গ্রামের বাড়ির কলেজ থেকে ডিগ্রি পাশ করেন। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনার জন্য ৪ মাস আগে গ্রামের বাড়ি থেকে চট্টগ্রাম শহরে আসেন সামসুন নাহার। তার বাবার নাম আশরাফ আলী। চট্টগ্রাম শহরে এসে উঠেন রেলওয়ে কলোনিতে বড়বোনের বাসায়। ওই বাসায় বড়ভাই শাহাদাত হোসেনও সপরিবারে থাকতেন। কিন্তু ছোটবোনের সাথে ভগ্নিপতির সম্পর্কের জের ধরে দুই পরিবারের মধ্যে কয়েকমাস ধরে টানাপোড়েন চলে আসছিল। বড়ভাইয়ের সঙ্গে গত শুক্রবার ৬ নম্বর রেলওয়ে কলোনির আরেকটি বাসায় উঠেন সামসুন নাহার। এরপরও বড়বোনের অপমান-নির্যাতন থামছিল না। পুলিশ আরও জানায়, সামসুন নাহার আত্মহত্যা করলেও গতরাতে কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন বড়ভাই শাহাদাত হোসেন। এতে কাউকে আসামি করা না হলেও ভগ্নিপতি এনামুল হককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।



সুত্রঃ http://www.suprobhat.com/?p=92148





۩۞۩ শ্যালক-শ্যালিকাদের সাথে উত্তম আচরণ করুন ۩۞۩



প্রত্রিকার পাতা উল্টালেই মাঝে-মধ্যে কত গুলো বিচিত্র সংবাদ দেখতে পায়। তার মধ্যে দাম্পত্য জীবনের কোন ঘটনা-দুর্ঘটনার সংবাদ থাকলে আগে পড়ার চেষ্টা করি। দুলাভাইয়ের হাত ধরে শালী পলায়ন, দুলাভাইয়ের হাতে শালী খুন, দুলাভাইয়ের হাতে শালীর শারীরিক নির্যাতন ও পরকীয়া এই যাতীয় সংবাদ পড়ে মনটা খারাপ হয়ে যায়। আমরা কতটা অমানুষ, নির্দয়, লোভী, স্বার্তপর, দুশ্চরিত্র হয়ে গেছি যে ঘরে বউ রেখে বউয়ের বোনের সাথে অন্যায় আচরন করি। আমরা কি মানুষ? আমাদের চরিত্রের অধঃপতনের কারণ কি? উপরোক্ত ঘটনার জন্য কে দায়ী? দুলাভাই? শালী? বউ? পরিবার নাকি সমাজ? সমাধান কি হতে পারে? আসুন আমার ক্ষুদ্র জ্ঞানে একটু সমাধান দেবার চেষ্টা করি।



۞۞ স্ত্রীকে যে কাজটি করতে হবেঃ (আপনার স্বামী যদি একটু দুষ্ট টাইপের হয়) ۞۞



۩ আপনার যদি অবিবাহিত বোন থাকে তাহলে আপনার বোনের দিকে কড়া নজর রাখতে হবে।



۩ আপনার আদরের বোনটিকে আপনার স্বামীর সাথে হাসি-তামাশার সাথে কথা বলতে নিষেধ করবেন।



۩ আপনার বোনকে একাকী দুলাভাইয়ের সাথে মার্কেটে ঘুরতে, সিনেমা দেখতে যেতে নিষেধ করবেন।



۩ আপনার বোন আপনার শাশুর বাড়ীতে বেড়াতে এলে আপনার স্বামীর সাথে বেশী ঘনিষ্ট হবার সুযোগ দিবেন না।



۩ আপনার বোনকে আপনার দেবরদের সাথেও খুব বেশী কথা বলার সুযোগ দিবেন না।



۞۞۞ দুলাভাইকে শালীদের সাথে কেমন আচরণ করা উচিত? ۞۞۞



শালী দুলাভাইয়ের সম্পর্ক হয় মধুর অথবা "শালি আধি ঘরওয়ালি" (অর্থাৎ শালি আধা-বউ) এই কথা বলে যারা শালীদের সাথে হাসি-তামাশা-দুষ্টামী করতে চায় তাদেরকে বলবোঃ



۩ শালীর সাথে ভদ্র ভাষায় কথা বলুন (যেভাবে আপনার বোনের সাথে কথা বলেন)



۩ শালীর পড়ালেখা ঠিকমতো চলছে কিনা, নিয়মিত নামায পড়ে কিনা জিজ্ঞেস করুন।



۩ সত্য ও সুন্দর পথে চলার জন্য পরামর্শ দিন। হিজাব ব্যবহার করতে উৎসাহ দিন।



۩ শালীকে দামী দামী কাপড়-গহনা উপহার না দিয়ে বই উপহার দিন।



۩ শালীকে নিয়ে কখনো একা মার্কেটে-পার্কে-সিনেমা দেখা উচিত নয়।



۩ আপনার স্ত্রীর কোন বিপদের সময়ে আপনার শালীকে সাহায্য করার জন্য বাসায় রাখতে পারেন, সেই সময় আপনার শালীর সাথে উত্তম আচরণ করুন।



۩ কোন দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে আপনার শালীর সাথে খারাপ আচরণ করবেন না।



۩ আপনার দুষ্ট আচরণের কারনে বউয়ের কাছে, শালীর কাছে, পরিবারের কাছে, আপনাকে আজীবন মাথা নিচু হয়ে থাকতে হবে। তাই নিজের স্ত্রীকে ভালবেসে শালীকে স্নেহের চোখে দেখুন।



۞۞۞ শালীকে যা করা উচিতঃ ۞۞۞



۩ বোনের জামাইকে সম্মান করতে হবে।



۩ কোন আজে-বাজে কথা বলা যাবে না।



۩ দুলাভাইয়ের সাথে একা কোথাও যাওয়া যাবে না।



۩ দুলাভাইকে কোন কিছুর জন্য আবদার করা যাবে না।



۩ শালীন পোষাকে দুলাভাইয়ের সামনে চলাফেরা করতে হবে।



۩ দুলাভাই দুষ্ট টাইপের হলে এড়িয়ে চলার চেষ্টা করতে হবে।



۩ দুলাভাই কোন খারাপ আচরণ করলে প্রতিবাদ করতে হবে।



۩ দুলাভাইয়ের সাথে কোন অন্যায় কাজ করে বোনের সংসারে আগুন জ্বালাবেন না।



তখন তিনজনের জীবনটা নষ্ট হবার সম্ভাবনা থাকবে।



পরিশেষে-----------এতটুকু বলতে পারি,



আপনি সচেতন হউন আপনার স্ত্রী’র প্রতি, আপনার ভাইয়ের প্রতি--



মেয়েরা সচেতন হউন স্বামীর প্রতি, বোনের প্রতি--



তাহলে হয়ত আপনার সুখের সংসারটি আর পরকীয়ার আগুনে জলবেনা।



মন্তব্য ১১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:২২

মুক্তকণ্ঠ বলেছেন: ভালো লেগেছে।

০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:৩৮

সিটিজি৪বিডি বলেছেন: ধ ন্যবাদ।

২| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:২৮

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: পরকিয়ার বলি :(

০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:৪১

সিটিজি৪বিডি বলেছেন: হুম

৩| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:২৮

রাহুল বলেছেন: দারুন লিখেছেন।ভালো লাগলো।

০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:৪১

সিটিজি৪বিডি বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:৪৪

বশর সিদ্দিকী বলেছেন: মাইয়া গুলা তো দুলাভাই বলতে অজ্ঞান। সবকিছু বাচবিচার করা উচিত। ভাল একটা পয়েন্ট নিয়া লিখেছেন

৫| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:৪৮

মুস্তাক বলেছেন: এই ঘঠনাটি যদি একটা বিচ্ছিন্ন ঘঠনা হত তাহলে দায়ীকরা যেত বোন বা দুলাভাইকে; আজকাল এরকম হরহামেশা হচ্ছে, কিছু প্রকাশ পাচ্ছে আর বেশিরভাগ চেপে যাচ্ছে দুটি সংসারের মান বাচাতে । কাজেই বিষয়টি একটি সামাজিক সমস্যা হয়ে দাড়িয়েছে; আর সামাজিক সমস্যার জন্যে একক ভাবে ব্যাক্তিকে দায়ীকরা যাবেনা । হয়তো দুলাভাইয়ের সাথে এমন বেপর্দায় চলেছেন যাতে করে সেই মানুষটির চারিত্রিক স্খলন ঘঠেছে, পারিবারিজ ভাবে এমন একটা পরিবেশ দেয়াহয়েছে যেখানে দুজনের মধ্যে জৈবিক আর্কষণের পরিবেশ তৈরী হয়েছে; বিষয় গুলি যদি সামাজিক ভাবে চড়ম ঘৃণা বা প্রতিবাদ হত তাহলে তা আর সহজে ঘটতোনা । কাজেই আমরা যতদিননা শালিনতাকে, ছেলে-মেয়ের চলাচলের পথকে, প্রত্যেক ধর্মের নিজ নিজ নির্দেশকে মান্যকরবো তথক্ষন পর্যন্ত তার অবসান হবেনা ।

৬| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ সকাল ১১:৫৪

নীলতিমি বলেছেন: অসাধারন লিখেছেন! :)
সবাই কি এভাবে চিন্তা করে আদৌ? দেশ আর সমাজকে মানুষ যে আজ কোথায় নিয়ে যাচ্ছে !


খুব ভালো কমেন্ট করেছেন। @মুস্তাক ভাই! :)

৭| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৭

আল ইফরান বলেছেন: ভালো লিখেছেন।
উপদেশগুলো ভালো লাগলো ।

৮| ০৬ ই অক্টোবর, ২০১৩ রাত ১১:৩৭

শূন্য পথিক বলেছেন: বেশ লিখেছেন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.