নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ডালিয়া

ডালিয়া › বিস্তারিত পোস্টঃ

আরবরা বিজ্ঞানে যখন এত এগিয়ে ছিল, তখন তাদের মধ্যে থেকেই গ্যালিলিও বা কোপার্নিকাসের জন্ম হওয়া উচিত। কেন এমন হল না?

২৩ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:২৫

লিখেছেন: বিপ্লব পাল হজরত মহম্মদ যা করেছেন, তাতে আমার আপত্তি নেই। ৪০০ খৃষ্টপূর্বাব্দের অর্থশাস্ত্রে কৌটিল্য উপদেশ দিয়েছিলেন রাজন্যবর্গ দেশ শাসন করতে, নিজের আইনকে ঈশ্বর কতৃক স্বপ্নে প্রদত্ত আইন বলে চালাবে। রাজাকে রাজ্য শাসন এবং বিস্তারের জন্যে নিজের আদেশকে ঈশ্বরের আদেশ বলে চালানোর সুচতুর কৌশল কৌটিল্য মহম্মদের জন্মের ১০০০ বছর আগেই দিয়ে গিয়েছিলেন। কৌটিল্যসুত্র মেনেই ভারত ও ইউরোপের রাজন্যবর্গ নিজেদের ঈশ্বরের প্রতিনিধি হিসাবে রাজত্ব করেছে পৃথিবীর সর্বত্র। তবুও মহম্মদ কৌটিল্যের সেরা ছাত্র হিসাবে ইতিহাসে আবির্ভূত হলেন-কারন অন্যান্য রাজন্য বর্গ ঈশ্বরকে কাজে লাগিয়েছেন নিজেদের পারিবারিক রাজত্ব কায়েম করতে। সেখানে হজরত মহম্মদ সেই ঐশ্বরিক স্কীমকে হাতিয়ার করে মানব সমাজের আরো পূর্নাঙ্গ রূপ দেওয়ার চেষ্টা করলেন। লক্ষ্য – মানব সাম্যের ওপর ভিত্তি করে গরীব দরদী এবং একটি শক্তিশালী সমাজের বিকাশ। তবে হ্যাঁ সেখানেও দাশ প্রথার বিলোপ, নারীর জন্যে সমানাধিকার তিনি আল্লার নামে নামালেন না। কারন সেই যুগে যখন শিশু মৃত্যুর হার ছিল অনেক বেশী, নারীর গর্ভে ছয় থেকে সাতটি সন্তান না এলে, জনসংখ্যার বিলোপ ছিল অবসম্ভ্যাবী-তখন নারীকে প্রজননের মেশিন ছাড়া অন্য কিছু ভাবা ছিল অসম্ভব। কোরান এবং হিন্দু গ্রন্থ সমূহে তাই একই কারনে নারী সেই প্রজনন মেশিন । যাইহোক, এই ইসলামের ওপর ভিত্তি করেই আরবের প্যাগান সমাজ পরবর্ত্তী তিন শতকে পৃথিবীর সব থেকে শক্তিশালী এবং জ্ঞানী সমাজে পরিণত হল। কারন ইসলাম তৎকালীন সময় অনুসারে আরো উন্নত সামাজিক আইন এবং চিন্তা বলবৎ করতে সক্ষম হয়।



মনে রাখতে হবে নৃতত্ত্ববিজ্ঞান এবং বিবর্তনের দৃষ্টিতে ঈশ্বরের উৎপত্তির মূল কারন গোষ্ঠিবদ্ধ জীবন। প্রকৃতির ভয় থেকে ঈশ্বরের উৎপত্তি অতিসরলীকরন। পশু পাখীরাও ঝড় বাদলাকে ভয় পায়-কিন্ত তাদের ঈশ্বর নেই। ঈশ্বর আদিম সমাজে গোষ্ঠিবদ্ধ জীবনের জন্যে একটি অতীব গুরুত্বপূর্ন প্রয়োজন হিসাবেই বিবর্তিত হয়েছে। একটি সমাজ কিছু আইনের ভিত্তিতে গোষ্টিবদ্ধ হয়-সেই আইন গুলির উৎপত্তিকে সমাজ বিজ্ঞানে বলে ‘সেলফ অর্গানাইজেশন’। অর্থাৎ কিছু অনু পরামানু যেমন নিজেদের আনবিক শক্তিক্ষেত্রের আওতাই এসে আস্তে আস্তে একটি শক্তিশালী ক্রীস্টাল তৈরী করে-তেমন ই মানুষ নিজেদের মধ্যে পারস্পারিক আইন তৈরীর মাধ্যমে একটি গোষ্ঠিবদ্ধ সমাজের জন্ম দিয়ে থাকে। এই আইন যত সমাজের রিপ্রোডাক্টিভ ফিটনেসের উপযোগী হয়, সমাজ তত শক্তিশালী হয়। অর্থাৎ যেসব সমাজের আইনগুলিতে সামরিক শক্তি বা মিলিটারিজম, পরোপকার বা আলট্রুইজম এবং প্রজননের ওপর গুরুত্ব আরোপ করা হয়-সেই সমাজ বিবর্তনের শক্তিতে ভবিষ্যতে সব থেকে প্রসার লাভ করে। মিলিটারিজম, আলট্রুইজম এবং রিপ্রোডাকশন -যেকোন প্রানীকূলের মূল সারভাইভার স্ট্রাটেজি। যদি ভিনগ্রহের কোন মানুষ আমাকে কোরান বা গীতাকে এক কথায় প্রকাশ করতে বলে-আমি লিখব এই বই গুলি মানব সমাজের সারভাইভাল স্ট্রাটেজির ম্যানুয়াল ছিল মধ্যযুগে।



কোরান বর্নিত সামাজিক নির্দেশাবলী এক শক্তিশালী আরব সমাজের জন্ম দিয়েছিল। কিন্ত ১২০০ শতাব্দি থেকে সেই সমাজ দুর্বল হতে শুরু করে। কেন? আরবরা বিজ্ঞানে যখন এত এগিয়ে ছিল, তখন তাদের মধ্যে থেকেই গ্যালিলিও বা কোপার্নিকাসের জন্ম হওয়া উচিত। কেন এমন হল না? এ প্রসঙ্গে স্যার কার্ল পপারের একটি বক্তব্য প্রাণিধানযোগ্য–যেকোন দর্শনের সব থেকে শক্তিশালী দিকটিই তার দুর্বলতম অধ্যায়। অর্থাৎ ইসলামের দর্শনের সব থেকে শক্তিশালী দিক- এক অভূতপূর্ব সামাজিক শক্তি যা কঠোর সামাজিক আইন এবং সমাজের জন্যে ব্যাক্তির আত্মত্যাগের ওপর প্রতিষ্ঠিত, তা বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি ভিত্তিক সমাজের ভিত্তি হতে পারে না। সেখানে উদার নৈতিক ব্যাক্তি কেন্দ্রিক ভোগ্য সমাজ দরকার। ১৫০০-১৮০০ সালের ইউরোপের দিকে তাকালে দেখা যাবে, শিল্প বিপ্লব এবং বিজ্ঞানের অগ্রগতির পেছনে-সামরিক এবং বাজারের ( মূলত উপনিবেশিক) ভূমিকা ছিল মূখ্য। ওই সময়ের অন্যতম শ্রেষ্ঠ আবিস্কারক, লিও নার্ডো দ্যা ভিঞ্চি, তৎকালীন নগর সম্রাজ্যের অধীশ্বর দের চিঠি লিখতেন -তার আবিস্কার দিয়ে আরো উন্নত অস্ত্র বানানো সম্ভব, তাই তাকে অর্থ দেওয়া হৌক সেসব বানাতে। অর্থাৎ প্রযুক্তিগত আবিস্কার গুলির পেছনে ( বৈজ্ঞানিক আবিস্কারের কথা বলছি না) , বাজার থেকে ফয়দা তোলার ব্যাক্তিগত লোভ সেকালেও আবিস্কারদের ছিল-একালেও আছে। রেডীও থেকে ইন্টারনেট -বাজার ভিত্তিক সমস্ত প্রযুক্তির আবিস্কার এবং তার ব্যাপক বাজারীকরন আবিস্কারকদের ব্যাক্তিগত লোভ থেকেই উদ্ভুত। বাজারের অনুপস্থিতির কারনেই ভুতপূর্ব সমাজতান্ত্রিক দেশগুলি মারণাস্ত্র এবং মিলিটারি প্রযুক্তি ছাড়া আর কিছুই বিশ্বকে দিতে পারে নি। কোন জীবনদায়ক্ ঔষুধ সেখানে আবিস্কার হয় নি-সব হয়েছে আমেরিকা বা ইংল্যান্ডে বা জার্মানীতে।



অর্থাৎ আমি যেটা বলতে চাইছি, ইসলামে সামাজিক শক্তির ব্যাপক চাপ থাকার জন্যে ত্রয়োদশ শতাব্দীতে বিজ্ঞানের ব্যাপক উন্নতি সত্ত্বেও আরব সমাজ সামন্ততান্ত্রিক থেকে ধনতান্ত্রিক সমাজে বিকশিত হল না। সেই ঘটনা ঘটল ইউরোপে-কারন সেখানকার রাজন্য বর্গ নিজ স্বার্থেই পোপ হতে মুক্ত হতে এবং উন্নত তর অস্ত্র ও উৎপাদনের জন্য ধর্মের ডানা ছেঁটে আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের দিকে এগোলেন। আরবে শিল্প বিপ্লবের জন্যে ইসলামের ডানা ছাঁটা দরকার ছিল দ্বাদশ শতাব্দিতে। কিন্ত তা সম্ভব হল না ইসলামের দুর্বার সামাজিক শক্তির জন্যে। ফলে শিল্প বিপ্লব এবং বিজ্ঞানের উন্নতির সামনে ইসলামের সব থেকে শক্তিশালী ফিচারটিই তাদের পিছিয়ে পরার মূল কারন হিসাবে উদ্ভুত হচ্ছে ক্রমাগত ভাবে সেই দ্বাদশ শতাব্দি থেকে।



কিন্ত ধান ভাঙতে শিবের গীত গাইছি কেন? কারন মুসলমান সমাজের বিদ্বান ব্যাক্তিরাও বোঝেন প্রযুক্তি ও বিজ্ঞান নির্ভর সমাজ না গড়ে তোলার জন্যে আজ পৃথিবীর ৫১ টি মুসলিম দেশই পাশ্চাত্যের থেকে অনেক বেশী পিছিয়ে পড়েছে। সামন্ততন্ত্র থেকে ধনতন্ত্রের উত্তোরন একমাত্র তুরস্ক ছাড়া কোথাও সেই ভাবে হয় নি। মিশর, ইন্দোনেশিয়া এবং মালেশিয়ার সাফল্য আংশিক। ফলে মুসলিম সমাজে বিজ্ঞানের প্রসার ঘটাতে গিয়ে এক অদ্ভুত সার্কাসের চলছে। সেখানে বিজ্ঞানের প্রসারের বদলে ইসলাম ধর্ম কত বৈজ্ঞানিক, সেটা প্রচার করতে রাষ্ট্র এবং মিডিয়া “স্ব কিছুই কোরানে আছে” টাইপের অপবিজ্ঞানের জন্ম দিচ্ছে। এমন নয় যে হিন্দু বা খ্রীষ্ঠান ধর্মে এটা হচ্ছে না। ব্যাপক ভাবেই হচ্ছে। কিন্ত তার পেছনে রাষ্ট্রের মদত নেই। কিন্ত ইসলামের ক্ষেত্রে এই অপবিজ্ঞান রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকতায় এক ভয়ংকর দূষনের রূপ নিয়েছে। আমি এই প্রবন্ধে দেখাবো কি ভাবে এই কুকীর্তি সাধিত হয় । কিভাবে একই আয়াত যা সপ্তম শতাব্দির আরবে ছিল রূপকথা, তা অপবিজ্ঞানীদের হাতে পড়ে, “বৈজ্ঞানিক সত্যের” দাবী করে।



(২)



একটি বাক্যের অর্থ কত প্রকার হতে পারে, এবং তা নিয়ে কি কি ঢপবাজি করা যায়, সেটা বুঝতে জ্যাকুস দেরিদার ডিকনস্ট্রাকশন তত্ত্ব খুবই উপযোগী।



ডিকনস্ট্রাকশন পাঠ করার একটি পদ্ধতি। দেরিদা দেখান



* প্রতিটা বাক্যের একাধিক অর্থ হতে পারে

* সেই অর্থগুলি পরস্পর বিরোধী হতে পারে

* একই বাক্যের নানা ব্যাখ্যা গুলির পরস্পর বিরোধিতা কমানোর কোন উপায় নেই

* তাই ব্যাখ্যা মূলক পাঠের সীমাবদ্ধতা আছে-এটাকে এপোরিয়া বলে



ডিকনস্ট্রাশনের মুলে আছে ডিফারেন্স (Différance)। এই তত্ত্ব অনুযায়ী



* একটি শব্দের নির্দিষ্ট কোন অর্থ নেই-এক টি শব্দের অর্থ তার কাছাকাছি সে সমার্থক শব্দগুলি আছে, তার সাথে পার্থক্য করে নির্নয় করতে হয়। বাড়ি শব্দটির অর্থ নির্নয় করতে আমদের দেখতে হবে কি করে এই শব্দটি ঘর, গৃহ, বাটিকা, প্রাসাদ, অট্টালিকা ইত্যাদি শব্দের থেকে আলাদা।



* যেহেতু প্রতিটি শন্দ একটি ইমেজ বা ছবি ( আসল বা এবস্ট্রাক্ট) কে প্রতিনিধিত্ব করে সেহেতু বাড়ির সাথে গৃহ, বাটিকা, অট্টালিকা ইত্যাদি শব্দগুলির পার্থক্য নিরূপন করতে, একই সাথে সমার্থক শব্দগুলির ইমেজ, সামাজিক, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকেও ভাবতে হবে ।



একটি বিতর্কিত সুরা ধরে উত্তর দিচ্ছিঃ



9:5 But when the forbidden months are past, then fight and slay the Pagans wherever ye find them, an seize them, beleaguer them, and lie in wait for them in every stratagem (of war); but if they repent, and establish regular prayers and practise regular charity, then open the way for them: for Allah is Oft-forgiving, Most Merciful.



এই আয়াতে সমস্ত গন্ডোগলের উৎপত্তি প্যাগান শব্দের অর্থ থেকে। আলি সিনা এটিকে বিধর্মীদের বি্রুদ্ধে যুদ্ধ বলেও ঘোষনা করতে পারেন-কারন কনটেক্সটুয়ালি মানেত তাই। আবার কেও ঐতিহাসিক দৃষ্টিতেও বলতে পারে, প্যাগান মানে তখনকার মক্কাবাসী ্যারা ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রত ছিল। তাই বর্তমানে আয়াতটির কোন মূল্য নেই। সেটাও ঠিক। আবার কেও প্যাগান বলতে অমুসলিম ধরেও অর্থ করতে পারেন। আবার প্যাগান বলতে এখানে ইসলামের শত্রুও বোঝানো যেত পারে। ব্যাখ্যাগুলি পরস্পর বিরোধি অর্থের জন্ম দিচ্ছে-কিন্ত কোন ব্যাখ্যাকেই ভুল বলা যাবে না । এটার কারন প্যাগান শব্দটার “ডিফ্যারান্স”। কনটেক্সটুয়ালি শব্দটির একাধিক পরস্পর বিরোধি অর্থ হতে পারে-যার কোনটিকেই অস্বীকার করা যাবে না।



প্রশ্ন হচ্ছে ধর্ম গ্রন্থগুলিকে যখন আমরা ব্যাখ্যা করছি-সেই ব্যাখ্যামূলক অর্থের কোনটি ঠিক-আর কোন টি বেঠিক কে নির্নয় করবে? দেরিদার ডিকনস্টাকশন অনুযায়ী-এই ঠিক না বেঠিক ব্যাখ্যা এই প্রশ্নটিই অর্থহীন। কারন বাক্যের বাখ্যার সীমাবদ্ধতা আছে এবং একাধিক ব্যাখ্যাই কনটেক্সুয়াল কারনে ঠিক হতে পারে। একই বাক্য কখনোই একটিই মাত্র অর্থ বহন করে না।



এবার ত তাহলে বিশাল গেরো হল। দেরিদার মূল কথা হল একটি বাক্য দিয়ে একটি না একাধিক অর্থ পাঠকের কাছে সব সময় পৌছে দেওয়া হচ্ছে। অর্থাৎ কোরানের ১২০০ ইন্টারপ্রেটেশন থাকলে ১২০০ টিই ঠিক হতে পারে। তাহলে কি সিদ্ধান্তে আসা যায়?



অ) আল্লা বা ঈশ্বরকে যত্ই বুদ্ধিমান ভাব না কেন-একটি গ্রন্থের মধ্যে দিয়ে তার বক্তব্যকে পৃথিবীতে পাঠানোর মতন বোকামী আর হতে পারে না! কারন সেই বই এর হাজার হাজার ভাবার্থ হতে পারে, ফলে আল্লা বা ঈশ্বর ঠিক কি চাইছেন, তা কোনদিনই জানা সম্ভব না। অর্থাৎ হীরক রাজার দেশের অবস্থা–ব্যাখ্যার কোন শেষ নাই-ব্যাখ্যার চেষ্টা বৃথা তাই। সুতরাং একজন চোর, ডাকাত, মাস্টারমশাই, ব্যাবসায়ী, যোদ্ধা-একই বই পড়লেও এদের কাছে কোরানের ব্যাখ্যা হবে আলাদা। মোদ্দাকথা ১৫০০ মিলিয়ান মুসলিম কোরান পড়ে ১৫০০ মিলিয়ান ব্যাখ্যা তুলে নিয়ে আসতে পারে-যার অনেক গুলিই পরস্পর বিরোধি হবে-কিছু মিল থাকবে। এবং সেটাই বাস্তব। আল্লা বা ঈশ্বর বুদ্ধিমান হলে বই এর মাধ্যমে, ইনস্ট্রাকশন পাঠানোর রামপাঁঠামো কাজটি করতেন না। উনি ত সৃষ্টির মা-বাপ। একদম মানুষের মস্তিস্কের মধ্যে কোরানটাকে জেনেটিক্যালি ওয়ারড করে পাঠিয়ে দিলেই লেঠা চুকে যেত! আল্লা কি চান? তার আইনের সাম্রাজ্য! সেটা ত মানুষের জেনেটিক কোডে ঢুকিয়ে দিলেই অনায়াসেই হয়ে যেত! উনিই ত মানুষ তৈরী করেছেন! সেটা না করে বই এর মাধ্যমে তার ইচ্ছা বা আইনের কথা জানানোর গাধামো কেন তিনি করলেন তা সত্যই খুব গোলমেলে! একবার ভেবে দেখুন। একটি প্রতিষ্ঠিত আইনের ও হাজার ব্যাখ্যা হয়-আইন বাক্যটি কিন্ত বদলায় না। সুতরাং কিছু আইন সংকলন করে ছেড়ে দিলেই আইনের সম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা হয় না-সামাজিক বিবর্তনের সাথে সাথে সেই একই আইনের ব্যাখ্যাও বদলে যায়। সুতরাং একটি গ্রন্থের মাধ্যমে সর্বকালীন সার্বজনীন একটি ধর্মের প্রতিষ্টা করার ধারনাটাই ডাঁহা ভুল। সর্বশক্তিমান ঈশ্বর বা আল্লার যদি সত্যিই অস্তিত্ব থাকত -ধর্ম রাজ্য বানাতে ধর্ম গ্রন্থ বাজারে ছাড়ার মতন বোকামি তিনি করতেন না। জেনেটিক কোডে সামান্য রদ-বদল করে তিনি তার ধর্ম রাজ্য বানাতে পারতেন! ধর্মগ্রন্থ বাজারে ছেড়ে ধর্ম রাজ্য প্রতিষ্টার খোয়াব মানবিক ক্রিয়া-কলাপ, যা এই বান্দা বর্তমান প্রবন্ধের মধ্যে দিয়ে করে চলেছে। কারন মানুষের জেনেটিক কোড বদল করার ক্ষমতা আমার হাতে নেই!



আ) ধর্মের ব্যাখ্যা মূলক বিতর্কগুলি অর্থহীন জঞ্জালের সৃষ্টি করছে। কারন কোন ব্যাখ্যাই আসলে বেঠিক না। যে কোরানে বিজ্ঞান পাচ্ছে সেও ঠিক ব্যাখ্যা করছে-যে পাচ্ছে না-বা উলটো পাচ্ছে সেও ঠিক ব্যাখ্যা করছে। কারন ওই রকম দুর্বল বাক্যের একটি মাত্র ভাবার্থ থাকতে পারে না। সুতরাং যারা কোরানে বিষ্ঠা এবং মূত্র পাচ্ছে তারাও যেমন ঠিক-আবার যারা ফুল ফলের শোভিত গন্ধ পাচ্ছে তারাও ঠিক। দেরিদার কথা মানতে গেলে ব্যাখ্যা মূলক বিতর্ক সম্পূর্ন অর্থহীন-একাধিক পরস্পর বিরোধি ব্যাখ্যা থাকাটাই বাক্যের ধর্ম!



(৩)



তাহলে কি আমরা জাকির নায়েকের এই ধরনের ধরনের ধাপ্পাবাজির সামনে অসহায়? মোটেও না। আসল সমস্যার মুলেই আঘাত করতে হবে। ডিকনস্ট্রাকশন জনিত দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে ধর্মকে মানবিক বা যুগোপযোগী করে তোলার চেষ্টাকে বলে “উইক থিওলজি” বা “দুর্বল ধর্মতত্ত্ব”। এটাই ধর্মতত্ত্বের পোষ্টমডার্নিজম-যে কোন ধর্মতত্ত্বের একটি ই মাত্র ব্যাখ্যা থাকতে হবে তার মানে নেই। কারন ধর্মের টেক্সট বা বাক্যগুলির গঠন খুব দুর্বল। গোদের ওপর বিষফোরার মতন মধ্যযুগীয় শব্দ। ফলে আইসক্রীমের বা চালের যেমন গার্ডেন ভ্যারাইটি প্রোডাক্ট লাইন থাকতে পারে-ইসলাম বা হিন্দু ধর্ম মানেও যে একটিই মাত্র ধর্ম বোঝাতে হবে, তারই বা মানে কি আছে? আসল সত্য ত এটাই ১৫০০ মিলিয়ান মুসলমান ১৫০০ মিলিয়ান রকমের ইসলাম ধর্ম পালন করে। হিন্দু দের মধ্যেও তাই-এক বিলিয়ান হিন্দুর জন্যে এক বিলিয়ান হিন্দু ধর্ম। ভারতে বা পাকিস্থানে যে ধরনের ইসলাম পালন করা সহজ রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায়, আমেরিকাতে তাত হবে না। তাই এখানে, আমেরিকাতে ইসলামের বিবর্তন বা হিন্দু ধর্মের বিবর্তন ও অন্যভাবে হবে। এবং এই ভাবেই ধর্মের উদারনৈতিক ব্যাখ্যাগুলি ক্রমশ গোঁড়া বা রক্ষনশীল ব্যাখ্যাকে কোনঠাসা করতে সক্ষম হবে, সেই বিবর্তনের পথেই। এই ভাবেই ত হিন্দু সংস্কার আন্দোলন সফল হয়েছে। তাই ইসলামের যত বেশী ব্যাখ্যা বাজারে আসবে ধর্মটার বিবর্তন হবে তত দ্রুত-কারন মানুষ তার যুগোপযোগী ব্যাখ্যাটাই খুঁজে নেবে। এই ভাবে বিবেকানন্দের হিন্দু ধর্ম সংস্কার আন্দোলন কিছুটা হলেও সফল হয়েছে। ভারতের ইসলাম আর আরবের ইসলাম এক না। বাংলার ইসলাম, বাংলার মাটির সাথে কথা বলেই তার ভাবার্থ খুঁজেছিল এক সময়-এখন আবার আরবী হওয়ার চেষ্টা করছে। যা অতীব হাস্যকর কারন বাংলার ইসলামও এই ধরনের উইক থিওলজি থেকে বাংলা সংস্কৃতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে বিবর্তিত ধর্ম। সেই বিবর্তনকে উপেক্ষা করে, আরবের ইসলাম বাংলায় চালাতে গেলে, বাংলা ভাই টাইপের চরিত্রই ভবিষ্যত।



আবার ধর্মীয় মৌলবাদিরা ডিকনস্ট্রাকশনের ভাষায় স্ট্রং থিওলজিস্ট-কারন তারা বিশ্বাস করে ধর্মীয় বাক্যের একটিই মাত্র ব্যাখ্যা আছে -যা তারা মানে। কিন্ত আমরা দেখালাম, তা অবৈজ্ঞানিক ধারনা। ধর্মীয় বাক্যের একাধিক অর্থ থাকাটাই বাস্তবে সত্য। মূলত এদের জন্যেই মৌলবাদি জঞ্জালে ভর্তি হয়ে যাচ্ছে গোটা পৃথিবী।



কিন্ত ধর্মে বিজ্ঞান খুঁজে পাওয়া অপবিজ্ঞানীদের কি হবে? ভাষাবিজ্ঞানী নোয়াম চমস্কির মতে এই ধরনের উৎপাতের কারন ধর্মগ্রন্থগুলির বাক্য উইক টেক্সট বা দুর্বল ভাবে গঠিত বাক্য যা বিজ্ঞানের ভাষা হতে পারে না। রিচার্ড ডকিন্স ও এই ব্যাপারে সহমত। অর্থাৎ নিউটনের তৃতীয় সূত্র বিজ্ঞান যে ভাষায় লেখে, সেখানে একটি বাক্যের একাধিক মানে নেই। বিজ্ঞান ভাষ্যে বাক্যকে ভীষন ভাবে অবজেক্টিভ হতে হবে যাতে একটিই মাত্র অর্থ হয় এবং সেই অর্থ অনুসরন করে তার পরীক্ষামূলক অনুসন্ধান সম্ভব। কোন বাক্যের একাধিক পরস্পর বিরোধি অর্থ থাকলে, সেই বাক্যকে আমরা বলব উইকটেক্সট ( দুর্বল বাক্য) এবং সেই বাক্যটি বিজ্ঞানের জগতে গ্রহনযোগ্য হতে পারে না। সুতরাং আমাদের স্ট্যান্ডার্ড উত্তর হওয়া উচিত-কোরান বা গীতায় বিজ্ঞান আছে কি নেই-তাই নিয়ে ধার্মিক রা যত খুশী মাথা ঘামাক। তাতে বিজ্ঞানীদের কিছু যায় আসে না-কারন ওই গ্রন্থ গুলির টেক্সট এত দুর্বল -তা একাধিক অর্থ বহন করে, তাই তা বিজ্ঞানের বিবেচ্য নয়। কেও যদি কোরানে বিজ্ঞান আছে বলে গর্বিত বা খুশী হয়। তাতে কি যায় আসে। হিরোইন বা কোকেন খেয়েও লোকে আপাত ভাবে খুবী উজ্জীবিত থাকে। সেটা তাদের চয়েস-কিন্ত বিজ্ঞানী মহলে তা অর্থহীন প্রলাপ ছাড়া কিছুই না।



মোদ্দা কথা আল্লা নিজের ভেলকি বা কেরামতি দেখাতে চাইলে, মানুষের জেনেটিক কোডেই সেটা করতে পারতেন-বই এর মাধ্যমে সমাজ পরিবর্ত্তনের চেষ্টাটা আমাদের মতন নশ্বর মানুষের কাজ!

মন্তব্য ২২ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (২২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৪৭

রাজদরবার বলেছেন: গ্যালিলিও বা কোপার্নিকাস তাদের থিওরীগুলো কোত্থেকে পেয়েছিল? পেয়েছিল স্পেনের মুসলিম শাসনের অবসানের পর তাদের পরিত্যক্ত লাইব্রেরীগুলো থেকে।

স্পেনের পতনের পর মুসলমানদের ফেলে যাওয়া বইগুলো থেকে চুরি করেই ইউরোপীয় বিজ্ঞানীরা বিজ্ঞানী হয়েছিল। এজন্য স্পেন পতনের আগে ইউরোপের কোন উল্লেখযোগ্য বিজ্ঞানীর কথা ইতিহাসে নেই। তাদের বিজ্ঞানচর্চার ইতিহাস শুরুই হয়েছে স্পেনের পতনের পর।

২| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৫৭

পাস্ট পারফেক্ট বলেছেন: এক বালস্য মালাউনের হইছে ইসলাম নিয়া চুলকানী। পালের নিজের গেন্ধা ধম্ম নিয়া গবেষনা করুক- কামে দিব!

৩| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৪:৫৯

মুহাম্মাদ আলী বলেছেন: আমরা এখন ভারতবর্ষের বিজ্ঞানের আলোকবর্তিকা পাঠ করবো।যেটা আমাদের ভারতকে মহান বানিয়েছে ।কিন্তু ভারতেও কোন গ্যালিলিও বা কোপার্নিকাসের জন্ম হয়নি ;)

শ্রীমদ্ভগবত গীতায় নারীঃ

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গীতাতে নারীকে পাপযোনী ও শুদ্রের স্তরের সম স্তর বিবেচনা করত গীতার নবম অধ্যায়ের ৩২ নং শ্লোকে বললেনঃ

মাং হি পার্থ ব্যপাশ্রিত্য যেহপি সু্যঃ পাপযোনয়ঃ ।
স্ত্রিয়ো বৈশ্যাস্তথা শুদ্রাস্তেহপি যান্তি পরাং গতিম্ ৩২
অর্থঃ হে পার্থ, স্ত্রীলোক, বৈশ্য ও শুদ্র অথবা যাঁহারা পাপযোনিসম্ভূত অন্ত্যজ জাতি, তাঁহারাও আমার আশ্রয় লইলে নিশ্চয়ই পরমগতি প্রাপ্ত হন।” সূত্রঃ শ্রীমদদ্ভগবদগীতা, লেখক- শ্রীজগদীশচন্দ্র ঘোষ, অধ্যায়-৯, শ্লোক-৩২, পৃষ্ঠা- ২০৭
মহাভরতে নারীঃ

মহাভরতের অশ্বমেধ পর্ব্ব, অনুচ্ছেদ-XXXVIII (৩৮) যুধিষ্টি বললেনঃ”

“নারী হল সকল পাপের মূল।”
আরো বলা আছেঃ “হে নারদ, (জগতে) নারীর মত পাপী (পাপিষ্ঠ) কিছুই নাই। বস্তুত, সকল দোষের (পাপের) মূল নারী।” সূত্রঃ মহাভরতের অশ্বমেধ পর্ব্ব, লেখক- কিশরী মহোন গাঙ্গুলী, অনুচ্ছেদ-XXXVIII (৩৮)
মহাভরতের অশ্বমেধ পর্ব্ব, অনুচ্ছেদ-XXXIX (৩৯) আছেঃ

“তারা (নারী) মিথ্যাকে সত্য এবং সত্যকে মিথ্যায় পতিপন্ন করে।”
সূত্রঃ মহাভরতের অশ্বমেধ পর্ব্ব, লেখক- কিশরী মহোন গাঙ্গুলী, অনুচ্ছেদ-XXXIX (৩৯)
মহাভরতের অশ্বমেধ পর্ব্ব, অনুচ্ছেদ-XXXIX (৩৯) আছেঃ

“নারীরা হলেন অত্যন্ত উগ্র/রাগী।”
সূত্রঃ মহাভরতের অশ্বমেধ পর্ব্ব, লেখক- কিশরী মহোন গাঙ্গুলী, অনুচ্ছেদ-XLIII (৪৩)
মহাভরতের অশ্বমেধ পর্ব্ব, অনুচ্ছেদ-XIX (১৯) ঋৃষি বললেনঃ

“নারীরা স্বভাবতই মিথ্যাবাদী।”
সূত্রঃ মহাভরতের অশ্বমেধ পর্ব্ব, লেখক- কিশরী মহোন গাঙ্গুলী, অনুচ্ছেদ-XIX (১৯)
মহাভরতের আদি পর্ব্ব, অনুচ্ছেদ-LXXIV (৭৪) রাজা দূষমন্ত শকুন্তলাকে বললেনঃ

“সাধারণতঃ নারীরা মিথ্যা বলে।”
সূত্রঃ মহাভরতের আদি পর্ব্ব, লেখক- কিশরী মহোন গাঙ্গুলী, অনুচ্ছেদ-LXXIV (৭৪)
মূল সংস্কৃত মহাভরতের ১২২ অধ্যায়ে বলা আছেঃ

“ঋত্তাবৃতৌ রাজ পুত্রী ভর্তা পতিব্রতে।
নাতি বর্তেব্য ইত্যোবং ধর্ম কর্ম বদো বিদুঃ
শেষে বন্যেষু কালেষু স্তাতন্ত্রং স্ত্রী কিলার্হতি।
ধর্ম সেবং জনাঃ খন্তঃ পুরাফ্থ পরিচক্ষতে ”
অর্থঃ “হে পতিত্রতে রাজ পুত্রি। ধর্মজ্ঞেরা ইহা ধর্ম বলিয়া জানে যে, কেবল ঋতুকালে স্ত্রী আপন স্বামীকে অতিক্রম (পর পরুষের সাথে সঙ্গম) করিবেন না; অন্যান্য সময়ে স্ত্রীগণ স্বচচন্দচারিণী (পর পুরুষের সাথে সঙ্গমে উপগত) হইতে পারিবেন। সাধু জনেরা এই প্রাচীন ধর্মের গুণ কীর্তন করিয়া থাকেন।” সূত্রঃ সংস্কৃত মহাভারত-১২২ অধ্যায়

“অনাবৃতাঃ কিল পুরাস্ত্রীয় আসর বরাননে।
কামাচার বিহারিণাঃ স্বতন্ত্রাশ্চারুহ সিনী
তামাং বুচ্চারখানানাং কৌমারোত্‍ সুভসে পতিন।
নবম্মোহ ভৃয়রারোহে সহি ধর্মঃ পুয়াভবত্‍
প্রমাণ দৃষ্ট ধর্মোহং পূজ্যতে মহির্ষিভি।
উত্তবেষ্ণুচ বম্ভোরু কুরুধন্যাপি পূজ্যতে
স্ত্রীনামনুগ্রহ করঃ সহিকর্ম সনাতনঃ।”
অর্থঃ “হে সুমুখি! (কুন্তি), পূর্বাকালে হিন্দু স্ত্রীলোকেররা অরুদ্ধ, স্বাধীনা ও স্বচ্ছন্দ বিহারিণী (রতিক্রীড়াকারিনী) ছিল। পতিকে ছাড়িয়া অন্য পুরুষে উপগতা (কামাসক্ত হয়ে রতিক্রীড়া করলে) হইলে, তাহাদের অধর্ম হইত না। পূর্বাকালে হিন্দুদিগের ইহাই ধর্ম ছিল, বরং ইহা প্রামণিক ধর্ম, ঋৃষিরা এই ধর্ম পালন করিয়া থাকেন, উত্তর কুরু দেশে অন্যাপি এই ধর্ম মান্য ও অনুকুলে।” সূত্রঃসংস্কৃত মূল মহাভারত থেকে গৃহীত, বিদ্যসাগর মহাশয়ের অনুবাদ

৪| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:০৪

মিতক্ষরা বলেছেন: "আরবরা বিজ্ঞানে যখন এত এগিয়ে ছিল, তখন তাদের মধ্যে থেকেই গ্যালিলিও বা কোপার্নিকাসের জন্ম হওয়া উচিত।"

মানেটা কি? আরব বিজ্ঞানীরা তো আমার বিচারে গ্যালিলিও বা কোপার্নিকাসের চেয়ে বেশী অবদান রেখে গিয়েছেন।

৫| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:০৫

শার্লক বলেছেন: যা অনুমান করছিলাম লিখছে এক পালে। হাস্যকর। ডালিয়া আর এই পাল কি একই ব্যক্তি নাকি?

৬| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:১২

গাজী সালাহউদ্দিন বলেছেন: Who the hell are you to copy paste from other blog this nasty things ?

দূরে গিয়া মর... নিজেও জানেনা কি কইতাছে ......এই সব পাগল আবার সমাজ ও রাষ্ট্র এবং মানুষের উন্নয়ন করব । হুহ...

৭| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:১৩

মুহাম্মাদ আলী বলেছেন: ডালিয়া আর এই পাল কি একই ব্যক্তি নাকি?

আমারও এই একই সন্দেহ।এই পালেরা সবাই ধর্মীয় হিংসা বিদ

৮| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:৫৯

বিদ্রোহী_বাংলা বলেছেন: লেখক বলেছেন: "আল্লা কি চান? তার আইনের সাম্রাজ্য! সেটা ত মানুষের জেনেটিক কোডে ঢুকিয়ে দিলেই অনায়াসেই হয়ে যেত"

এর উত্তর আল্লাহ পাক পবিত্র কোর`আনে দিয়েছেন।এই জীবন একটা পরীক্ষা।
জেনেটিক কোডে ঢুকিয়ে দিলে তো আর পরীক্ষা থাকবে না!!!

২৩ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৪৮

ডালিয়া বলেছেন: [১] আল্লাতালা কার পরীক্ষা নিচ্ছেন? আপনার?
[২] আচ্ছা আপনি কে? খ্রীষ্ঠান পরিবারে জন্মালে আপনি কে হতেন? ২০ মিলিয়ান বছর আগে বানর হয়ে জন্মালে আপনি কে হতেন? আপনার “আমি” তে কত শতাংশ সমাজ আর আপনি?
[৩] আপনার মন বদলাচ্ছে-দেহকোষ বদলাচ্ছে-তাহলে আপনি ঠিক কি? দেহ বা মন ত না-তা বদলাচ্ছে? তাহলে কোন আপনি আল্লার কাছে কি পরীক্ষা দিচ্ছেন?

আরে ভাই খুব সহজ ব্যাপার-যিনি এই ‘ডিজাইনের মালিক” তিনি জেনেটিক কোড একটু -সামান্য চেঞ্জ করলেই, ‘তার সমাজ এসে যেত!” এই বই বাজারে কেন ছাড়তে গেলেন। ওটাত মানুষ করে থাকে। মানুষের ডিজাইনই যার হাতে, তার ত এসব কিছু করার দরকার নেই নিজের বানী পৃথিবীতে এভাবে পাঠাটে-জ়িনটা সামান্য বদলালেই কাজ হাসিল হয় তার!

তারো আগে সেইদিন পালিয়েছিলেন। আজ জবাব দিন-আপনি কে বলে আপনার মনে হয়? মন না, দেহ না-তাহলে কে আপনি? তার পরে ভাববেন আল্লা কিসের পরীক্ষা নিচ্ছেন। আপনার সারাজীবনের উপস্থিতি এই মহাবিশ্বের ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র-ব্যাক্টেরিয়ার থেকেও ছোট-আপনি হাগলেন না মুতলেন, তাতে এই সুবিশাল ১৩ বিলিয়ান বছরের মহাবিশ্বের কি যায় আসে? না তার ‘অধীশ্বরের’ কিছু যায় আসে?


আর যদি ডি এন এ কেই আমাদের আসল সত্ত্বা বলে মেনে নেন-যা আমাদের জীবন কালে প্রায় অপরিবর্তন শীল ( এপিজেনেটিক্স পরিবর্তন ছাড়া) , তাহলে ত এটাই ঠিক-আমাদের সন্তানের মধ্যেই সেই ‘আমি’ বেঁচে থাকি? তাহলে এই ধর্মের সাত কীর্তন ছেড়ে ছেল মেয়ে মানুষ করা , ভবিষ্যত প্রজন্মের জন্যে আমাদের পৃথিবীকে রক্ষা করাই আমাদের উদ্দেশ্য হওয়া উচিত তাই নয় কি? সেটাই ত আসল ধর্ম কি বলেন? আপনিই বলুন সন্তান মানুষ করার চেয়ে আর কোন বড় ধর্ম আপনি জানেন কি না?

(৩) ২০৪০ সালে আমি কখন হাগব, মুতব মহান ঈশ্বর ত আগে থেকেই ঠিক করে দিয়েছেন! এখানে আমার “পরীক্ষা” দেওয়ার স্কোপটা কোথায়? আমি পাশ করব বা ফেইল করব, সেটা ত আপনার মহান সৃষ্টিকর্তা যিনি সর্বজ্ঞ আগে থেকেই জেনে বসে আছেন! তাহলে আপনার পরীক্ষায় পাশ বা ফেল করা থেকে উনি আপনাকে নিয়ে নতুন কি জানবেন? উনি ত সব আগেইেজেনে বসে আছেন! যবে থেকে জন্ম দিয়েছেন তবে থেকেই! ভেবে দেখুন। আপনার পরীক্ষা দেওয়ার কথাটি সত্য হতে হলে মানব জাতির ‘স্বাধীন ইচ্ছা” থাকতে হবে, যাতে ঈশ্বর ইন্টারফেয়ার করতে পারবেন না। কারন পরীক্ষক উত্তর বলে দিলে, সেটা আর পরীক্ষা হয় না! সুতরাং আপনি মানুষের স্বাধীন ই চ্ছার অস্তিত্ব স্বীকার করে নিচ্ছেন-তাই যদি হয়-তাহলে পৃথিবী মানুষের দ্বারাই পরিচালিত। ঈশ্বরের দ্বারা নয়।

আশা করি আপনার ঈশ্বরের কাছে পরীক্ষা দেওয়ার ব্যাপরাটা যে বিরাট স্ববিরোধিতা, সেটা বুঝেছেন।
আল্লাহ সুবাহানাতালা জানেন আমরা কি করব(তাই তিনি তকদির লিখে রেখেছেন) , কিন্তু ঠিক করে রাখেন নাঈ আমরা কি করব , আমরা এ ব্যপারে স্বাধীন

আপনার মাথা কি সুস্থ আছে?

ধরুন আল্লা তালা জানেন আমি ক বাবুকে খুন করবো। কিন্ত তিনি ঠিক করে রাখেন নি আমি তার সাথে প্রেম করব না খুন করব?

একটু ভেবে দেখুন। এ ধরনের স্ববিরোধিতা একমাত্র মানসিক দিক দিয়ে ভারসাম্যহীন লোকদের মাথা থেকেই বেড়োতে পারে।

৯| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০৯

আহমেদ জী এস বলেছেন:
ডালিয়া,

আপনি বেশ যুক্তি দিয়ে লিখেছেন । কিন্তু সবই যে বিফলে গেলো মনে হয় । কারন যে তত্ত্ব বা তথ্যের উপর ভিত্তি করে আপনি এটা লিখেছেন তাও আপনার সেই তত্ত্ব সূত্র অনুযায়ী প্রশ্নবিদ্ধ । আপনি লিখেছেন -
একটি বাক্যের অর্থ কত প্রকার হতে পারে, এবং তা নিয়ে কি কি ঢপবাজি করা যায়, সেটা বুঝতে জ্যাকুস দেরিদার ডিকনস্ট্রাকশন তত্ত্ব খুবই উপযোগী।

ডিকনস্ট্রাকশন পাঠ করার একটি পদ্ধতি। দেরিদা দেখান

* প্রতিটা বাক্যের একাধিক অর্থ হতে পারে
* সেই অর্থগুলি পরস্পর বিরোধী হতে পারে
* একই বাক্যের নানা ব্যাখ্যা গুলির পরস্পর বিরোধিতা কমানোর কোন উপায় নেই
* তাই ব্যাখ্যা মূলক পাঠের সীমাবদ্ধতা আছে-এটাকে এপোরিয়া বলে

ডিকনস্ট্রাশনের মুলে আছে ডিফারেন্স (Différance)। এই তত্ত্ব অনুযায়ী

* একটি শব্দের নির্দিষ্ট কোন অর্থ নেই-এক টি শব্দের অর্থ তার কাছাকাছি সে সমার্থক শব্দগুলি আছে, তার সাথে পার্থক্য করে নির্নয় করতে হয়। বাড়ি শব্দটির অর্থ নির্নয় করতে আমদের দেখতে হবে কি করে এই শব্দটি ঘর, গৃহ, বাটিকা, প্রাসাদ, অট্টালিকা ইত্যাদি শব্দের থেকে আলাদা।

* যেহেতু প্রতিটি শন্দ একটি ইমেজ বা ছবি ( আসল বা এবস্ট্রাক্ট) কে প্রতিনিধিত্ব করে সেহেতু বাড়ির সাথে গৃহ, বাটিকা, অট্টালিকা ইত্যাদি শব্দগুলির পার্থক্য নিরূপন করতে, একই সাথে সমার্থক শব্দগুলির ইমেজ, সামাজিক, ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটকেও ভাবতে হবে ।


দেরিদার কথা অনুযায়ী “প্রতিটা বাক্যের একাধিক অর্থ হতে পারে” তাইতো ? দেরিদার নিজেরই তো বোঝা উচিত ছিলো তার এই থিওরীর হাযারো ব্যাখ্যা হতে পারে । সবই ঠিক আবার সবই বেঠিক হতে পারে । আর এটুকু তো আপনারই আগে বোঝার কথা । কিন্তু আপনি কি এখানে একাধিক অর্থ নিয়ে আলোচনা করেছেন ? দেরিদার সূত্রের কোন এবং কত প্রকার অর্থ ধরে আপনি ব্যাখ্যা করেছেন ধর্মগৃলোকে ?
দেরিদার কথা মতো ব্যাখ্যা মূলক বিতর্ক সম্পূর্ন অর্থহীন-একাধিক পরস্পর বিরোধি ব্যাখ্যা থাকাটাই বাক্যের ধর্ম ! তাহলে উপরে দেরীদার যে তথ্যের বা তত্ত্বের উল্লেখ করেছেন সেটাও তো ধোপে টেকার কথা নয় । কারন তার নিজের লেখা এই বাক্যটিও এর বাইরে নয় নিশ্চয়ই ? তার এই বাক্যের ও তো হাযারো অর্থ হতে পারে । অথচ আপনি দেরীদার তত্ত্বের কোন অর্থ ধরে এই লেখাটি লিখেছেন ? একাধিক ? মোটেও নয় আপনি আপনার নিজের বোধগম্য অর্থ দিয়েই এটি লিখেছেন । আপনার এই লেখাটিও তাই “উইকটেক্সট ( দুর্বল ) বাক্য” । কারন আপনার কথা মতো – “বিজ্ঞান ভাষ্যে বাক্যকে ভীষন ভাবে অবজেক্টিভ হতে হবে যাতে একটিই মাত্র অর্থ হয় এবং সেই অর্থ অনুসরন করে তার পরীক্ষামূলক অনুসন্ধান সম্ভব।“ বিজ্ঞান কি এই তথ্যকে প্রমান করেছে ?
তা যখন হয়নি তখন আপনার এই লেখাটিও বাতিল বলে ধরে নেয়া যায় দূর্বল বলে ।

তবে বেশ কিছু বলেছেন যা যুক্তিযুক্ত । যেমন –
……. সেই বিবর্তনকে উপেক্ষা করে, আরবের ইসলাম বাংলায় চালাতে গেলে, বাংলা ভাই টাইপের চরিত্রই ভবিষ্যত।
….. একজন চোর, ডাকাত, মাস্টারমশাই, ব্যাবসায়ী, যোদ্ধা-একই বই পড়লেও এদের কাছে কোরানের ব্যাখ্যা হবে আলাদা।


আসলেও ঘটছে তাই । আমিও এ ব্যাপারে সহমত ।

১০| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৩৭

জুয়েল বলেছেন: আমার মনে হয় আপনার ইতিহাস সম্পর্কে কোন ধারণাই নেই। ইসলামের আবির্ভাবের পর আরবে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখা যেমন জ্যোতির্বিজ্ঞান, চিকিৎসাশাস্ত্র এসব বিষয়ে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়। পরবর্তীতে আরব ছাড়িয়ে এসব জ্ঞান ইঊরোপে ছড়িয়ে পড়ে যার উপর ভিত্তি করেই ইউরোপ আমেরিকার আজকের বিজ্ঞান এতদূর এগিয়েছে। ইউরোপিয়ানরা এখন অবশ্য স্বীকার করতে চায় না মুসলমানদের অবদান তবে ইতিহাস ঘাটলেই সব তথ্য বেরিয়ে আসে। বিজ্ঞানের অনেক মৌলিক জিনিস যেমন মানুষের "Blood circulation system", মহাকর্ষ / অভিকর্ষ, বীজগণিত ইত্যাদি সহ আরও অনেক বিষয় মুসলমানদের অবদান যা আজ অস্বীকার করা হচ্ছে। দ্বিতীয় সহস্রাব্দের প্রথম দিকের ইউরোপীয়াণ বেশিরভাগ বিজ্ঞানধর্মী বই ছিল আরবি থেকে অনুদিত। হ্যাঁ ইউরোপে অনেক বড় বড় বিজ্ঞানী জন্মেছে তবে তাদের অনেক জ্ঞান ছিল মুসলমানদের থেকে ধার করা।

কুরআনের একটা আয়াতের একটা অর্থই হতে পারে, কারণ আল্লাহ নিজেই কুরআনে বলেছেন, "আমি কুরআন নাযিল করেছি সহজ ও প্রাঞ্জল ভাষায়"। সুতরাং কেউ যদি ভুল ব্যাখ্যা করে সেটা তার সমস্যা, কুরআনের নয়। আর যে আয়াতের উদাহরন দিয়েছেন, যদি কুরআনের ওই সূরাটা পুরোটা পড়েন তাহলে পরিষ্কার হয়ে যাবে, তাই এতে কোন সন্দেহ থাকার কথা না।

আর আপনার ইসলাম সম্পর্কে ভাল জ্ঞান নেই বলেই এসব উলটা পালটা জিনিস লিখেছেন। ধর্মে বিজ্ঞান খোঁজার কোন দরকার নেই একজন মুসলমানের জন্য, তবে একজন বিধর্মীকে যদি বোঝাতে হয় যে ইসলামই সত্য ধর্ম তখন তার কাছে ব্যাখ্যা করতে হবে যে কুরআনে কোন বৈজ্ঞানিক ভুল নেই, একারনেই এটা ঐশী গ্রন্থ; কোন মানুষের রচনা হলে এতে অনেক ভুল ভ্রান্তি থাকত। এজন্যই জাকির নায়েক কুরআনের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা করেন।

আপনার শেষ বাক্যটার জন্য বিদ্রোহী_বাংলা এর মন্তব্য দ্রষ্টব্য।

১১| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৩

ফয়সাল০০০০ বলেছেন: লেখক মহাদয়,
আমাদের শান্তিতে থাকতে দিন। বাক স্বাধীনতার প্রয়োজন আছে, তবে আপনি বাক স্বাধীনতার অপব্যবহার করছেন।

১২| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৮

শার্লক বলেছেন: ডালিয়া আপনি ঐ পালের ব্লগ থেকে প্রশ্ন কপি করে জিগান ক্যান নিজে পারেন না?

১৩| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৩

েমা আশরাফুল আলম বলেছেন: এই গুলা কত বড় বিজ্ঞানী, তা জানতে চাই।

১৪| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৯

মরূেবল বলেছেন: দূরে গিয়া মর... X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X(( X((

১৫| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:১১

রাহীম বলেছেন: যারা তাদের পালনকর্তাকে অস্বীকার করেছে তাদের জন্যে রয়েছে জাহান্নামের শাস্তি। সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্থান।

[67:7]

যখন তারা তথায় নিক্ষিপ্ত হবে, তখন তার উৎক্ষিপ্ত গর্জন শুনতে পাবে।

[67:8]

ক্রোধে জাহান্নাম যেন ফেটে পড়বে। যখনই তাতে কোন সম্প্রদায় নিক্ষিপ্ত হবে তখন তাদেরকে তার সিপাহীরা জিজ্ঞাসা করবে। তোমাদের কাছে কি কোন সতর্ককারী আগমন করেনি?

[67:9]

তারা বলবেঃ হ্যাঁ আমাদের কাছে সতর্ককারী আগমন করেছিল, অতঃপর আমরা মিথ্যারোপ করেছিলাম এবং বলেছিলামঃ আল্লাহ তা’আলা কোন কিছু নাজিল করেননি। তোমরা মহাবিভ্রান্তিতে পড়ে রয়েছ।

[67:10]

তারা আরও বলবেঃ যদি আমরা শুনতাম অথবা বুদ্ধি খাটাতাম, তবে
আমরা জাহান্নামবাসীদের মধ্যে থাকতাম না।

[67:11]

অতঃপর তারা তাদের অপরাধ স্বীকার করবে। জাহান্নামীরা দূর হোক।

[67:12]

যিনি সৃষ্টি করেছেন মরণ ও জীবন, যাতে তোমাদেরকে পরীক্ষা করেন-কে তোমাদের মধ্যে কর্মে শ্রেষ্ঠ? তিনি পরাক্রমশালী, ক্ষমাময়।

১৬| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৮:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন:
ডালিয়া,

ব্লগার বিদ্রোহী_বাংলার মন্তব্যের উত্তরে আপনি লিখেছেন - "তারো আগে সেইদিন পালিয়েছিলেন। আজ জবাব দিন...." ।
পালালেন তো আপনি । কিছু বলার মুখ থাকলে পালিয়ে যেতেন না । এতোগুলো মন্তব্য অথচ আপনি তাদের উত্তর না দিয়ে বসে আছেন । এটা আপনার রূচি , জ্ঞান আর শোভনীয়তার অভাবকে প্রকট করেছে । যদি মন্তব্যের উত্তর দেয়ার কোন্ও প্রয়োজন নাই ভেবে থাকেন তবে ক্লিক করে জানিয়ে দিতে পারতেন " মন্তব্য করা যাবেনা " ।
আপনার কথাতেই বলি - আপনার এই নিরুত্তর থাকার পেছনে দেরিদার সূত্র অনুযায়ী হাযারো অর্থ হতে পারে ।

১) যেহেতু কপি পেষ্ট (গাজী সালাহউদ্দিন বলেছেন: Who the hell are you to copy paste from other blog this nasty things ?) তাই উত্তরের তো কপি পেষ্ট হয়না । কারন মন্তব্য তো এক রকম পাবেন না সেখানে ।
২) ঘটে বিদ্যা কম তাই বেশী বলতে গেলে ফেঁসে যেতে পারেন এই ভয় ।
৩) একটা শব্দই শিখেছেন " জেনেটিক কোড" । এর বেশী কিছু বোধহয় আর বলতে পারবেন না তাই উত্তর দিচ্ছেন না।
৪) ক্যাচালে জড়াতে চান সবাইকে ।
৫) আদার ব্যাপারী তাই জাহাজের খবর জানেন না ।
৬) যে বিষয়ের অবতারনা করেছেন সে সম্পর্কে নূন্যতম ধারনা্ও আপনার নেই ।
৭) সৎ সাহসের অভাব ।
৮) নিজের মতটাকেই প্রাধান্য দিতে আগ্রহী । অন্যের সমালোচনা সহ্য করার মানসিকতা নেই ।

ইত্যাদি ইত্যাদি.....

শুভেচ্ছান্তে ।

১৭| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:০৩

মুদ্‌দাকির বলেছেন: "ইসলামের দর্শনের সব থেকে শক্তিশালী দিক- এক অভূতপূর্ব সামাজিক শক্তি যা কঠোর সামাজিক আইন এবং সমাজের জন্যে ব্যাক্তির আত্মত্যাগের ওপর প্রতিষ্ঠিত, তা বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তি ভিত্তিক সমাজের ভিত্তি হতে পারে না। সেখানে উদার নৈতিক ব্যাক্তি কেন্দ্রিক ভোগ্য সমাজ দরকার।"


এই লাইনটাই লেখার মূল কথা মনে হইল।

যদিয় ডালিয়া হয়ত মূল লেখক নন, তবুয় বলি

১) লেখকের analysis এবং ইসলামি জগতের চিন্তা প্রশংসা যোগ্য। লেখক কে ধন্যবাদ। study করতে থাকুন সিরাতুল মুস্তাকিম পেয়ে যাবেন।

২) আসলে ইসলামে হাক্কুল্লাহ আর হাক্কুলইবাদ ছাড়া কিছুই নাই। বিজ্ঞান সমাজ অর্থনীতি আইন ...... ব্লা ব্লা ব্লা...... হিসাবে চিন্তা করলে ইসলামের কিছুই মিলাতে পারবেন না। খালি ঘুর পাক খাবেন, আর মনে হবে, এইটার জন্য ঐটা হইল না, আর ঐটার জন্য এই টা.....................

৩) যখনই মুসলিমরা হাক্কুল্লাহ আর হাক্কুলইবাদ কোন একটা থেকে পিছিয়ে গেছে তারা সামগ্রিক ভাবেই পিছিয়ে গেছে।

৪) আমার বিশ্বাস, আমার কথা গুলা আপনি বর্তমান মুসলিমদেরচেয়ে বেশি অনুধাবন করতে পারবেন, একটু ইসলাম নিয়া নিজে পড়ালেখা কইরা দেখেন, অন্য মানুষ কি বলল কি লিখল শুধু তা খুজলে কি হয়............?

১৮| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:০৪

ছবির জীবন বলেছেন: হাদীস-কোরআনএ সব আছে!
উষ্ঠ্র-মুত্র খাওয়ার কথাও আছে। =p~ =p~ =p~

১৯| ২৩ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৫৫

ক্লাউনবয়৮৭ বলেছেন: হে মাল্টি হনু! তোমাদের Fuckরিতির জয় হোক

২০| ২৪ শে আগস্ট, ২০১২ বিকাল ৫:০৬

তাশা বলেছেন: সবাই যদি ঠিক পথে চলতো............. তাহলে তো দুনিয়াতে মানুষ পাঠানোর কোন দরকারই ছিল না............. সবাই তো তাহলে আরামসে বেহেশতে বসে আনন্দ করতে পারতো.............. এই জীবনটা একটা বিশাল পরীক্ষাক্ষেত্র.............. প্রশ্ন যদি ঠিকমত ধরতে পারে............. সঠিক উত্তরটা যদি খুজে বের করতে পারে.............. তাহলেই সম্ভব পুরষ্কার লাভ............. সবাই যদি পুরষ্কার পেতে পারতো তাহলে সেই পুরষ্কার বা যে মূল্যবান জিনিসটি পুরষ্কার হিসেবে দেওয়া হয় তার কোন মূল্য থাকতো না............ আর ঠিক এই কারণেই কোরআনকে পাঠানো হয়েছে সংকেতাকারে........... যারা তার মধ্যে থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ অর্থটি খুজে বের করতে পারবে এবং তা প্রয়োগ করে একটি অর্থপূর্ণ সৃষ্টিতে পরিণত হতে পারবে............. সেই সফল এবং বিজয়ী...........
আর গ্যালিলিও কোপার্নিকাসের কথা বলছেন?? আপনি কি জানেন আরবের বেশ কয়েকজন বিজ্ঞানী এমন সব আবিস্কার করে গেছেন যা পদার্থ রসায়ন এবং গণিতের ভিত্তিমূল........?? যেমন বীজগণিত, শূন্য আবিষ্কার, রসায়নের মূল কতগুলো প্রণালী আবিষ্কার.......... আর পশ্চিমা মিডিয়া আর তাদের আচার আচরণ সম্পর্কে কি আপনি জানেন না?? বাংলাদেশী বিজ্ঞানী জগদীশের রেডিও আবিষ্কার যে মার্কনী নিজের নামে চালিয়ে দিয়েছে সেটা জানেন?? সত্যেন বোসের নামের সাথে আইনস্টাইনের নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছে কোন কারণ ছাড়াই সেটা আপনি কি জানেন?? নাকি আপনি পশ্চিমা প্রেমে এতই অন্ধ যে এসবের কিছুই স্বীকার করেন না???

২১| ২৪ শে আগস্ট, ২০১২ রাত ১০:১৫

শার্লক বলেছেন: সত্যি কথা গায়ে লাগছে আমার মন্তব্য মুছে দিছে। হা হা হা

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.