| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দারাশিকো
লেখালিখির প্রতি ভালোবাসা থেকে লিখি
প্রথম পর্ব: বাংলাদেশে সমকামিতা: আমার ছোট ভাই আমাকে তার হাত ধরতে দেয় না
সমকামিতা বাংলাদেশে রয়েছে এতে কোন সন্দেহ নেই। বোধহয় মানব সভ্যতা এমন কোন সময় অতিক্রম করে নি যে সময় কেউ সমকামিতায় লিপ্ত ছিল না। আধুনিক প্রযুক্তির এই যুগে যখন একজনের সমকামিতা আরেকজনের বিনোদনের খোরাকে পরিণত হচ্ছে, সেখানে সমকামিতার বিস্তার ঘটবে না সেটা অস্বাভাবিক হবে। সুতরাং, এ কথায় আমার আপত্তি নেই যে সমকামিতার বিস্তার ঘটছে এবং তা সমাজের প্রায় সকল স্তরেই।
ইন্টারনেটে সমকামিতার পক্ষে যথেষ্ট রিসোর্স রয়েছে। সমকামিতা নিয়ে কাজ করছে এ ধরনের বেশ কিছু বাংলাদেশী সঙগঠনের ওয়েবে এ সঙক্রান্ত তথ্য উপাত্ত পাওয়া যায়। সিডনির সমকামিদের কোন এক পত্রিকায় ডেইলী স্টার পত্রিকার বরাত দিয়ে জানায়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সোশ্যালজির সহযোগী অধ্যাপক ড: সাইফুল আজমের মতে, বাংলাদেশে সমকামিতা বৃদ্ধির হার প্রায় বছরে প্রায় ৩.৫%। বাংলাদেশের সমকামিতা নিয়ে ওয়েব সাইটগুলোতে সমকামিদের সংখ্যা সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য পাওয়া যায়। এ সকল সাইটগুলোতে ভুল ভ্রান্তিতে ভরপুর। একটি সাইটের তথ্যানুসারে দেশে ৫-১০ শতাংশ সমকামী। পনেরো কোটি মানুষের দেশে এর পরিমান দাড়ায় ৭৫ লক্ষ থেকে দেড় কোটি। অথচ ১০০ কোটি মানুষের পাশ্ববর্তী দেশ ভারত যেখানে সমকামিতাকে ২০০৯ সালে আইনগত বৈধতা দেয়া হয়েছে সেখানে নাকি সমকামিদের সংখ্যা মাত্র ২৫ লক্ষ (বিপ্লবকান্তির ব্লগ থেকে নেয়া) ।
সমকামিতার প্রসঙ্গ আসলেই স্বাভাবিক ভাবেই সেখানে দুটো পক্ষ দাড়ায়। এক পক্ষ সকল দিক থেকে ঘৃন্য সমকামিতার বিপক্ষে অবস্থান নেয় যেখানে গুটিকতক ব্যক্তি অধিকারের ধুয়া তুলে সমকামিতার পক্ষে অবস্থান নেয়। আমি অবশ্যই প্রথম দলে।
সমকামিতাকে মানসিক সমস্যা/বিকৃতি হিসেবে ব্যক্ত করা হয়েছিল একসময়। পরবর্তীতে অবশ্য লবী গ্রুপের প্রচেষ্টায় একে তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। বাদ দেয়া হলেও মানসিক বিকৃতি ছাড়া আর কিছু মনে হয় না বিশেষ করে শারীরিকভাবে পুরুষ হবার পরেও যারা এ ধরনের সংস্পর্শে জড়ায়। সমকামিতা নিষিদ্ধ সব দিক থেকে। পারিবারিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ধর্মীয় এবং আইনী - সব দিক থেকে নিষিদ্ধ সমকামিতা। বিশেষ করে বাংলাদেশে ক্রিমিনাল পেনাল কোডের ৩৭৭এ ধারায় একে যাবজ্জীবন কারাদন্ড এবং জরিমানার শাস্তির বিধান রয়েছে। কিন্তু প্রায় সকল ক্ষেত্রের মতোই আইনের সঠিক প্রয়োগ এখানে অনুপস্থিত।
অনলাইনে সমকামিদের প্রচেষ্টাগুলো অকৃত্রিম, তবে ধোকায় পরিপূর্ণ। সমকামিতাকে বৈধ করার জন্য তারা বেশ ভালোই প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছে। উদাহরন দেই। এই আর্টিকেলে সমকামিতাকে a practice so harmless and personal in practice বলে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ উইকি সহ প্রায় সব মেডিকেল সাইটেই একে ক্ষতিকর বলে বর্ননা করা হয়েছে। মজার ব্যাপার হলো, এর প্রতিবাদ জানিয়ে বিভিন্ন সাইটের লিংক সহ আমি মন্তব্য করেছিলাম যা মডারেশন বোর্ডে গিয়ে আটকে গিয়েছে, প্রকাশের মুখ দেখে নি। তাদের আরেকটি প্রচেষ্টা হলো বিভিন্ন ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে বর্ননা করা। কোন মসজিদের কোন ইমাম একজন সমকামি এবং তিনি মনে করেন সমকামিতা পাপ নয়, যদিও তা কোরআনে সরাসরি নিষিদ্ধ - এই ভিত্তিতে সমকামিতার বৈধতার চেষ্টা করা হচ্ছে। সবচে' নিকৃষ্ট হলো, ধর্মীয় লেবাসসমৃদ্ধ সাইটে সমকামিতার বৈধতার চেষ্টা করা। এমন একটি ঘৃণিত সাইট হলো আল-ফাতিহা যার নাম শুনে বোঝার কোন উপায় নেই যে এরা ধর্মের নাম ব্যবহার করছে মাত্র। বিশ্বের ১২৬ টি দেশে সমকামিতাকে আইনগত বৈধতা দেয়া হয়েছে, বিপ্লবকান্তির তথ্যানুসারে। ব্যক্তি অধিকারের ধুয়া তুলে আর সমকামিদের সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে এর বৈধতা দানের ঘটনা নিতান্তই আহাম্মকি ছাড়া আর কিছু কি? চিন্তা করুন তো, দেশে ধর্ষন কিংবা ইভটিজিং এর পরিমান বেড়ে গেলে ব্যক্তি অধিকারের ধুয়া তুলে তারা যদি বৈধতা দাবী করে তবে এর বিপক্ষে যুক্তি কি হবে? হয়তো তখন সরকার ধর্ষকামীদের সুবিধার্থে বিশাল ফান্ড থেকে বিনামূল্যে কনডম সরবরাহ করবে যেমনটি সমকামিদের সচেতনতা বৃদ্ধির নিমিত্তে কনডম এবং লুব্রিকেশন সরবরাহের জন্য ৫৬০ কোটি টাকা ব্যবহার করা হচ্ছে।
সিনেমার ভূমিকা
সিনেমার ছাত্র বলেই বোধহয় এ ব্যাপারটিকে সমালোচনা না করে পারছি না। আমার সেই ভাইটি নিজেই জানিয়েছিল, পরবর্তীতে আলোচনার সময় আরও কয়েকজনের কাছে রেফারেন্স পেয়েছি। সমকামিদের অধিকার নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে 'মিল্ক' অস্কার এ লড়াই চালিয়েছে বেশ শক্ত হাতে। দীপা মেহতার "ফায়ার " কিংবা "গার্লফ্রেন্ড " ছবিগুলো যথেষ্ট আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি করেছিল। তবে, এ সকল ছবির পেছনে আমার ততটা ক্ষোভ নেই, কারণ অন্তত: এটা বুঝি যে সমকামিতাকে সমর্থন নয়, বরং আলোচিত দৃশ্যগুলো দেখার জন্যই অনেক দর্শক ছবিটি দেখেছিল। কিন্তু "দস্তানা " ক্ষেত্রে বিষয়টা কিন্তু ভিন্ন। ছবিটিতে অভিনয় করেছে অভিষেক বচ্চন, জন আব্রাহাম এবং প্রিয়াঙকা চোপড়া। তরুন মানসুখানী কর্তৃক পরিচালিত হলেও বিজ্ঞাপনে ব্যবহৃত হয়েছে করন জোহরের নাম, কারণ তরুন করন জোহরের সহকারী। আমার ছোট ভাইয়ের বক্তব্য: ভাইয়া, এই যুগে হিন্দী ভাষা জানে না এমন মানুষ একটাও খুজে পাবেন না, আর দস্তানা দেখে নাই সেরকম মানুষও বিরল। সুতরাং কেউ যদি এ ব্যাপারে কিছু নাও জেনে থাকে, দস্তানা একাই যথেষ্ট। যদি কিছু করতে চান, তবে হিন্দী সিনেমা দেখা বন্ধ করেন।
আমি হয়তো হিন্দী সিনেমাই দেখানো বন্ধ করতে বলবো না, তবে নিয়ন্ত্রনের কথা অবশ্যই বলবো। আপনার ছোট ভাইটি, কিঙবা ছেলেটি তার গ্রহণক্ষমতার বেশী কিছুর দর্শক হয়ে যাচ্ছে নাতো?
সবশেষে, আমার ছোট ভাইদেরসহ সকলের উদ্দেশ্যে
সমকামিতা খারাপ - এতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। কিন্তু এদেশের সকল মানুষই কি সমকামী হয়ে গেল? অবশ্যই না। এটা এমনই একটা জঘন্য ব্যাপার যা একজন স্বাভাবিক মানুষ মাত্রই ঘেন্না করে। সুতরাং, সমকামিতাকে ঘেন্না করতে গিয়ে নিজস্ব সংস্কৃতিকে, পারস্পরিক সম্পর্ককে সর্বোপরি আন্ত:ভালোবাসাকে দূরে সরিয়ে দেয়া কতটুকু যৌক্তিক হবে?
এ ধরনের আচরনের একটি উল্টো প্রভাবও ঘটতে পারে। যে ছেলেটি সমকামিতা সম্পর্কে এখনো জানতে পারেনি, সে ভুল জানবে, অথবা একটি দিক সম্পর্কে জানবে মাত্র। এই অল্প জানা তাকে সেই ঘৃণিত পথেই ঠেলে দিতে পারে, হতে পারে সম্পর্কের অবনতির। কে না জানে, নিষিদ্ধ জিনিষের প্রতি দুর্বার আকর্ষনই তার ব্যবহার বৃদ্ধির সবচে' বড় কারণ।
সমকামিতা নিয়ে জানার দরকার আছে, তার থেকেও বেশী দরকার এর ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে জানার। আর সবচে' বেশী প্রয়োজন এর বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃনা ধরে রাখার।
আইনগত বৈধতাই শেষ কথা নয়, সমাজের সকল স্তরের মানুষের কাছে গ্রহনযোগ্যতাই আসল কথা।
২|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫২
ঈদ এর চাঁদ বলেছেন: এত হাজার হাজার সমস্যা থাকতে 'সমকামিতা' নিয়ে পোষ্ট দেয়ার কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:১০
দারাশিকো বলেছেন: আপনার জুতা গ্রহন করা হৈলো...
ভবিষ্যতে আরও জুতা দিয়া যাইবেন,
তবে,
ভুলেও অন্য ছেলেদের দিকে হাত বাড়াইবেন না, দয়া করে...
৩|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৩
দূর্যোধনের হাত বলেছেন: প্লাস
+++++ সমকামিতা পুলারা কর্লে দেখতে খ্রাপ লাগে ... কিন্তু
ভালু পাই
:!> :!>
৪|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৬
রাজিন বলেছেন: হিন্দী মুভিতে কিন্তু সমকামীতা কে হাসির খোড়াক হিসেবে ব্যবহার করা হয় এবং যেটা বন্ধুদের মধ্যেও এটি হাসি তৈরীর উত্তম অস্ত্র।
তার মানে এই নয় যে বাংলাদেশে সমকামীতা বেড়ে গেছে। আর সমকামীতা কম মানে এই নয় যে একটা ছেলের হাতে হাত ধরে ঘুরে বেড়াতে হবে। মানুষের ব্যক্তিগত কিছু ব্যাপার থাকতেই পারে। কেই একটি ছেলের হাত ধরতে চায় না তার মানে এই নয় যে সে অপর ছেলেটিকে সমকামী মনে করছে।
০৭ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২৮
দারাশিকো বলেছেন: আসলেই ব্যক্তিগত ব্যাপার। আমি শুধু বলতে চাচ্ছি, সমকামিতা যদি বাস্তবতার চেয়ে মনে বেশী স্হান পায় তবে তা ছড়ানোর সুযোগটাই বাড়ে, সুতরাং হুট করে সন্দেহ না করে শ্রদ্ধার ব্যাপারটা স্থান পাওয়া উচিত
৫|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫৯
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: বিশ্বের সব দেশের মতই বাংলাদেশের সমকামিতার হার ১০ % ( ছেলে এবং মেয়ে )।
দেশের বেশিরভাগ সমকামী পুরুষেরা সেটা প্রকাশ করে না। তবে একটি পরিসংখায় দেখা গেছে যে ৫ % পুরুষ লাইফে একবার হলেও সমকামি সেক্স করে পতিতালয়ে যেয়ে।
মেয়েরা আরো কম প্রকাশ করে। তবে ছেলদের মতন দেশের ৫ % মেয়েরাও সমকামি ( বা বিকামি )। তবে অন্য মেয়েরা সেটা ঠিকই বুঝতে পারে। যখন নাকি দেখে যে কোন মেয়ে তাকে একটা ছেলের দৃষ্টিতে পরযবেক্ষন করছে।
৬|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:০১
ক্যাটস-আই বলেছেন:
ঈদ এর চাঁদ বলেছেন: এত হাজার হাজার সমস্যা থাকতে 'সমকামিতা' নিয়ে পোষ্ট দেয়ার কোন প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না।
মা----------------------ই-----------------না----------------------স------------------------------
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:১১
দারাশিকো বলেছেন: ধইন্যবাদ....
আপনার মাইনাস ভবিষ্যতে আরও ভালো লিখতে উৎসাহ দিচ্ছে ...
সামনেও আসবেন ...
৭|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:০২
রিফাত হোসেন বলেছেন: তবে নারী সমকামী ব্যাপারটা বাংলাদেশে ব্যাপাক ।
০৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৩৬
দারাশিকো বলেছেন: বস, রেফারেন্স আছে? থাকলে দিয়েন প্লিজ, কাজে লাগে ..
৮|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:০৭
কাঙাল বলেছেন: বড়ই চিন্তায় ফেলে দিলেন ভাই
৯|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:১২
আকাশের তারাগুলি বলেছেন: বাংলাদেশে সমকামিটা সম্ভবত কুরকুরানির মজা থেকে আগত এবং অস্থায়ী।
০৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:০৪
দারাশিকো বলেছেন: পড়েছিলাম যে, সমকামিতা মূলত শুরু হচ্ছে ১২-১৫ বছর বয়সে, অনেকটা আগ্রহের বশেই
আর তাই সচেতনতার প্রয়োজন সবচে' বেশী
১০|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:১২
স্বল্পজ্ঞানী বলেছেন: এটা হতে পারে অধিক মাত্রায় যৌণাচারের (পশ্চিম বিশ্ব) ফলে আলাদা একটা স্বাদ নেবার ইচ্ছা অথবা সুযোগের অভাবে বন্ধু-বান্ধবীকে দিয়ে আপাততঃ সাধ মেটানো।
আমার মতে বাংলাদেশে সমকামীর হার ছেলেদের চেয়ে মেয়েদের মধ্যে বেশি। গড়ে ৫০% ভাগ মেয়ে একে-অন্যের বক্ষ চর্বন/পেশন করে।
যাইহোক, সমকামীতাকে আমি সবসময়ই বিকৃত রুচি হিসেবে দেখি।
১১|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:১৭
পারভেজ আলম বলেছেন: মিডিয়ার মাধ্যমে সমকামিতা বাড়ছে এমনটা মনে করিনা, তবে মিডিয়া এই ইস্যুকে ব্যাবসায়িক খাতে ব্যাবহার করছে, এবং সমকামিতা সম্পর্কে যেসব আধুনিক এবং স্মার্ট ধারণা আজকাল প্রচারিত হয় তার অনেকটাই ভূল তথ্যে পূর্ণ, ব্যাবসায়ের খাতিরেই মিডিয়া এইসব ধারণা তৈরি করছে।
সেক্স সেলস, সমকামিতাও।
১২|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:২৫
কাঙ্গাল মুরশিদ বলেছেন: এ'সব হচ্ছে গজবের লক্ষন!!
সমকামিতা মুলত একটি রোগ - জঘন্য মানসিক রোগ।
রোগ নিয়ে বেশী ঘাটা ঘাটি করলে বা গোপন রোগকে প্রকাশ্যে নিয়ে আসলে তার প্রকোপ বাড়ে বৈ কমে না। সুতরাং একে গোপন রেখেই উপযুক্ত চিকিৎসার ব্যাবস্থা করা উচিত।
সমকামিতার পক্ষে সবচেয়ে বড় যুক্তি হচ্ছে ব্যাক্তি স্বাধীনতা বা ব্যাক্তির ইন্দ্রীয় সুখের স্বাধীনতা। কিন্তু এই অযুহাতে একে বৈধতা দেয়ারমত বোকামী আধুনিক রাস্ট্রগুলো কিভাবে করছে আমার মাথায় আসে না। যদি ব্যাক্তি স্বাধীনতার জন্যই একে বৈধতা দিতে হয় তাহলে ড্রাগ, আত্ম হত্যা - এসবকে কেন বৈধতা দেয়া হবে না? মনোবিজ্ঞানীরাতো বলেন কিছু কিছু মানুষের মধ্যে খুন করার স্বাভাবিক প্রবনতা লক্ষ করা যায় - তাহলে কি তার ইন্দ্রীয় সুখের স্বাধীনতার জন্য খুনকেও বৈধতা দিতে হবে???
পৃথিবী ব্যাপি যে হারে সমকামিতাকে বৈধতা দেয়া হচ্ছে তাতে লুত্(আ.) এর জাতির মত আর একটি মহা প্রলয় ঘনিয়ে এসেছে বলেই মনে হচ্ছে।
১৩|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:২৬
কালা কাশেম বলেছেন: '''''''সমকামিতা নিয়ে জানার দরকার আছে, তার থেকেও বেশী দরকার এর ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে জানার। আর সবচে' বেশী প্রয়োজন এর বিরুদ্ধে তীব্র ঘৃনা ধরে রাখার।''''''' সহমত....
১৪|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:২৭
দুলাভাই... বলেছেন:
দ্যাখেন বাংলাদেশে এই বিষয় নিয়ে কতগুলো এনজিও খোলা যায়।
আর আইএমএফ, বিশ্বব্যাংকসহ নানান ডোনার পার্টি বাংলাদেশের ঋণের বোঝা আর একটু বাড়িয়ে দেয়ার প্রয়াস পাবে।
১৫|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৩১
টেকি মামুন বলেছেন: ++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
১৬|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৩৪
রাহাজানি বলেছেন: তবে একটি পরিসংখায় দেখা গেছে যে ৫ % পুরুষ লাইফে একবার হলেও সমকামি সেক্স করে পতিতালয়ে যেয়ে। (ঢাকাইয়া টোকাই) মানে কি?
১৭|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৩৪
রণক্লান্ত বলেছেন: করন জোহর নিজে একটা সমকামী বলেই জানি। কে জানে তরুন মানসুখানী তার পার্টনার কি না ।
এই তথ্য কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য না যে বাংলাদেশে ৫-১০ শতাংশ সমকামী। স্রেফ পাগরের প্রলাপ। বড় জোর .০০৫- .০১০ শতাংশ হতে পারে।
পোস্টে প্লাস +++
১৮|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৪০
মাথা খারাপ বলেছেন: ডেশে লেসবো আচে
১৯|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৫০
অলস ছেলে বলেছেন: জ্বি
২০|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৫৯
ঢাকাইয়া টোকাই বলেছেন: রণক্লান্ত বলেছেন:
এই তথ্য কোনভাবেই সমর্থনযোগ্য না যে বাংলাদেশে ৫-১০ শতাংশ সমকামী। স্রেফ পাগরের প্রলাপ। বড় জোর .০০৫- .০১০ শতাংশ হতে পারে।
.০০৫- .০১০ শতাংশ ব্যাক্তি সেটাকে প্রকাশ করে। কিন্তু ৫ % ছেলে এবং ৫ % মেয়ে বিশ্বের সব দেশেই সমকামি ( বা দ্বিকামি )।
বাংলাদেশে WHO এর একটি মেজর পরিসংখ্যান মূলক রিসার্চে এটা পরেছি।
৫ % ছেলে লাইফে একবার করে হলেও সমকামি সেক্স করেছে পতিতালয়ে। ৩০ % পুরূষ লাইফে একবার করে হলেো পতিতালয়ে যায় ( বিশ্বাস না করলে আপনার নিজের বন্ধু সার্কেলের মধ্যেই এলটা মিনি রিসার্চ করে ফেলুন, দেখবেন যে এর হার আরো বেশি )। এবং এই হার যেকোন লেভেলের জন্য সমান, নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত এবং উচ্চবিত্ত।
মেয়েদের মধ্যে ৫ % সমকামি হলেও লাইফে সমকামি সেক্স করেছে ০,১ % নারী।
( রিসার্চের মেথড ছিলো সম্পুর্ন এনিনিমাস। প্রায় ৫ হাজার নারী-পুরুষ কে ইন্টারভিউ করা হয়েছিলো । ইন্টারভিইয়ের প্রশ্ন টেপ রেকর্ডারে শোনার পর উত্তর দেয় রিসার্চের সাবজেক্ট রা )
মেডিকেল জার্নালের আর্টেকেল তাই লিংক দেয়া কষ্টকর । তারপরেও আমি চেষ্টা করবো কোন ভাবে স্কেন করে ফেসবুকে পাবলিশ করার। এ নিয়ে তখন ৩ সপ্তাহ পরে পোস্ট করবো প্রমিজ করলাম।
২১|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৭
অপ্রিয় বলেছেন: এখানে ডেফিনেশনে সমস্যা আছে। বাংলাদেশে সমকামী নেই বা খুবই কম একথা বললে অনেক এনজিওরই বাজেট কম আসবে, সুতরাং তারা সবসময় পরিসংখ্যানকে বায়াস করে বেশী দেখাতে চায়।
কোন ছেলে বা মেয়ে জীবনে একবার দুবার উত্সাহের বসে সম লিঙ্গের সাথে যৌনক্রিয়া করলে সে সমকামী হয়ে যায় না।
প্রকৃত সমকামী তারাই যারা সমলিঙ্গের প্রতি যৌনউত্সাহী নয়, বিপরীত কামের সুযোগ থাকা সত্বেও যারা সমলিঙ্গের সাথে নিয়মিত যৌনাচারে লিপ্ত থাকে।
বাংলাদেশে এদের সংখ্যা খুবই কম বলে আমার ধারণা। আমাদের ধর্ম ও বাঙালী সংস্কৃতি অনেক রক্ষনশীল, এর ভাল দিক হচ্ছে মানুষ অনেক সামাজীক। তবে আমাদের দেশে যৌনতা মৃক্ত নয় বলে 'পরিস্থিতিগত' সমকামীতা কিছু থাকবে।
২২|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:১৫
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: ভাই ছবির নাম দস্তানা না, দোসতানা, মানে বন্ধুত্ব। দস্তানা তো আপনে হাত মোজা বানাই দিলেন!
০৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩৫
দারাশিকো বলেছেন: ওপস...
একদম জায়গামত ...
২৩|
০৭ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
জহিরুল ইসলাম মুসা বলেছেন: বুঝলাম।
২৪|
০৭ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৮:৪৯
সততা বলেছেন: আপনি বলছেন, "সমকামিতাকে মানসিক সমস্যা/বিকৃতি হিসেবে ব্যক্ত করা হয়েছিল একসময়। পরবর্তীতে অবশ্য লবী গ্রুপের প্রচেষ্টায় একে তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। বাদ দেয়া হলেও মানসিক বিকৃতি ছাড়া আর কিছু মনে হয় না বিশেষ করে শারীরিকভাবে পুরুষ হবার পরেও যারা এ ধরনের সংস্পর্শে জড়ায়"
কোন রেফারেন্স আছে? আপনার "মনে হওয়া" দিয়ে পৃথিবীর সেরা মনোরোগ চিকিৎসকদের কিছু যায় আসে না।
সমস্যা হল সবাই যার যার মাপের আকাশ দেখে।
এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামতের সাথে আপনার বক্তব্য ভিন্ন হলে কেউ আপনার বক্তব্যকে আনাড়ী-মনোবিজ্ঞান-সম্পর্কে-অজ্ঞ-অশিক্ষিত বলে কেনো ডিফাইন করতে পারবে না?
একটু একাডেমিক এপ্রোচ নিয়ে পড়াশুনা করুন। আপনার শিক্ষার অভাব আছে।
Click This Link
০৮ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৫৫
দারাশিকো বলেছেন: খুব ক্ষেপছেন দেখছি... ... এত জ্বলে ক্যান?
আপনি যদি সমকামিতার পক্ষ নিয়ে বলতে পারেন, তবে আমি কেন বিপক্ষে বলবো না? শিক্ষার অভাব আছে মানছি, কিন্তু যে শিক্ষা পশু হতে শেখায় সে শিক্ষার দরকার নেই বলেই আমার বিশ্বাস।
আপনার লিংক পড়া হৈসে আগেই, যখন পোস্ট লিখছিলাম।
২৫|
০৮ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:২৩
সততা বলেছেন: আপনি বলছেন "কিন্তু যে শিক্ষা পশু হতে শেখায় সে শিক্ষার দরকার নেই বলেই আমার বিশ্বাস"
সেটাই আপনার "বিশ্বাস" নিয়ে অর্ধশিক্ষিত/মূর্খদের মত প্রলাপ বকতে থাকুন আপনার কথার ২ পয়সার দাম থাকবে না প্রফেশনাল মনোবিজ্ঞানীদের কাছে, যারা ৭০ দশক থেকেই আপনার "অপ্রাকৃতিক" কনসেপ্টকে বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে রিফিউট করেছে।
আপনি আপনার মাপের আকাশ দেখতে থাকুন।
০৯ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৭
দারাশিকো বলেছেন: কাউরে অর্ধশিক্ষিত/মূর্খ বলে খুব শান্তি পান বুঝতেই পারছি, " বড় মাপের আকাশ দেখার " সুবিধাটা নিশ্চয়ই খুব উপভোগ করছেন, ... কিন্তু যেটা বললেন না সেটা হলো.. এত জ্বলে ক্যান?
কয়েকটা মনোবিজ্ঞানী রাইট বলছে বলে খুব লাফাচ্ছেন, ভালো কথা, কিন্তু মনোবিজ্ঞানীরাই সমাজের একমাত্র সম্প্রদায় না, আরও আছে সেটা তো দেখতেই পাচ্ছেন।
আপনার মতো জ্ঞানী (!) লোকরা যে সমাজের অন্ধকার দূর (!!) করার জন্য সর্বদা সজাগ থেকে কাজ করে যাচ্ছেন তাতেই আমরা কৃতজ্ঞ। আবার আসবেন।
২৬|
০৯ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৪৭
সততা বলেছেন: আপনি বলছেন "কয়েকটা মনোবিজ্ঞানী রাইট বলছে বলে খুব লাফাচ্ছেন, ভালো কথা, কিন্তু মনোবিজ্ঞানীরাই সমাজের একমাত্র সম্প্রদায় না,আরও আছে সেটা তো দেখতেই পাচ্ছেন।"
ভুল বলেছেন, কয়েকটা নয় ইউ এস/ইউরোপের সকল দেশ/চীন/ভারত/অস্ট্রেলিয়ার মানসিক রোগ চিকিৎসক এবং ওয়ার্ল্ড হেলথ ওর্গানাইজেশনের মতে সকল ক্রেডিবল মনোবিজ্ঞানী বলেছে ,"ইহা কোন মানসিক রোগ নহে, ইহা অপ্রাকৃতিকও নহে"। গন্ডমুর্খদের জ্ঞানার্জনের জন্য অভিজিৎ রায়-এর লেখাটা ভালো স্টার্টিং পয়েন্ট।
আর কিছু গন্ডমুর্খ সব সমাজেই থাকে - সেটাই দেখতে পাচ্ছি।
গায়ের জোরে নিজের নির্বুদ্ধিতা প্রমান করার জন্য মদনের অভাব নাই এই অর্ধ-শিক্ষিত সমাজে।
১০ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:১৪
দারাশিকো বলেছেন: ইয়ে ... এত জ্বলে ক্যান?
যে সকল মানুষ সর্বদাই অন্যকে নির্বোধ-অশিক্ষিত বলে নিজের জ্ঞান জাহির করতে চায়, তাদের নিয়ে বিশ্বের তাবৎ মনোবিজ্ঞানীরা কি বলেন সেটা কি জানতে পারি? একই সাথে ... এত জ্বলে ক্যান?
২৭|
২১ শে এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ১২:৪২
কানা ফকীর বলেছেন: //আকাশের তারাগুলি বলেছেন: বাংলাদেশে সমকামিটা সম্ভবত কুরকুরানির মজা থেকে আগত এবং অস্থায়ী।আকাশের তারাগুলি বলেছেন: বাংলাদেশে সমকামিটা সম্ভবত কুরকুরানির মজা থেকে আগত এবং অস্থায়ী। //
পোস্টে ++++
২১ শে এপ্রিল, ২০১১ দুপুর ২:১৮
দারাশিকো বলেছেন: ধন্যবাদ কানা ফকীর
২৮|
০৩ রা অক্টোবর, ২০১১ সকাল ৮:৩৫
নরাধম বলেছেন: আপনার এটা অনেক আগের পোস্ট। আজকে ফেসবুকে এক ফ্রেন্ডের লিংক পেলাম ফ্লোরিডায় নাকি পশুপাখির সাথে সেক্স ব্যান করছে!! হেহেহেহে...। কিন্তু সমকামীদের পারষ্পরিক সম্মতির জন্য সেক্স জায়েজ কিন্তু পশুপাখির "সম্মতি ব্যাতিরেকে" সেক্স করা হয় ব্যতিত নাজায়েজ যুক্তিটা মনে হয় খাটেনা। আমরা কি পশুপাখিকে জিজ্ঞেস করে বা অনুমতি নিয়ে তাদের মাংশ খায়? সেটা বাঁচার প্রয়োজনে খায়। তেমনি "সতত" যেমন সমকামীদের অধিকারের পক্ষে যুক্তি দিলেন সেসব যুক্তি পশুপাখির পক্ষেও কেউ কেউ দিবেন। কেউ বলবেন তার পশুপাখির সাথেই ভাল লাগে। এখানে দেখেন সেরকম কেইস কিন্তু কম না। এরা সমকামীদের মত আন্দোলনেও যাবে। হয়ত আমরা আর ৫০ বছর পর পশুপাখির সাথে সেক্স লিগাল দেখব, তখন সততর মত কেউ যারা সেটা অপছন্দ করে তাদেরকে হয়ত গোঁড়া বলবে। Click This Link
Click This Link
২৯|
১৬ ই নভেম্বর, ২০১১ রাত ১২:২০
এইযেদুনিয়া বলেছেন: +++++++
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৫২
আমি ভাল আছি বলেছেন: এটা কি প্রকৃতিগত সমস্যা না কি ব্যক্তি সৃস্ট?