| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আইন মন্ত্রী বলেছেন, জীবিকা অর্জনে বিদেশ যেতে কাউকে বাধা দিতে পারেন না। উনি বাধা না দিলেও বিদেশে যাওয়ার সুযোগ দিন দিন সংকুচিত হয়ে আসছে সন্দেহ নেই। একটা সংবাদ দেখলাম, মধ্য প্রাচ্যের একটা দেশ বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেয়া বন্ধ করে দিচ্ছে। এদিকে আমেরিকা ও ইউরোপে উন্নততর জীবনের জন্য যাওয়াও ঐসকল দেশের সরকারি অভিবাসন বিরোধী কড়াকড়ির কারণে সম্প্রতি কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে আসছে। অস্ট্রেলিয়া পড়তে যাওয়া ছাত্র ছাত্রীদের তাদের পরিবার নিয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিচ্ছে। ফলে ছাত্রদের স্ত্রী বা স্বামীর ওই দেশে কাজ করার সুযোগ আর খাকছে না।
যখন একজন কাজ করে রোজগার করে ইংরেজিতে বলে "He makes 20 dollar an hour" or "makes 600 dollar a week." ইত্যাদি, অর্থাৎ একজন যখন কাজ করে তখন সে দেশের মোট উৎপাদিত সম্পদে আরো কিছু মূল্য যোগ করে। একজন কৃষক যখন এক মন পেঁয়াজ বা মরিচ উৎপাদন করেন তখন তা দেশের সম্পদে যোগ হওয়া যেমন সুস্পষ্ট, কারো কারো কাজে বিষয়টা তেমন সুস্পষ্ট হয়তো মনে হয় না, তবে তা সত্য। একজন মিষ্টির কারিগর চিনি, ময়দা, দুধ মিশিয়ে যখন মিষ্টি তৈরী করে সে মিষ্টির মূল্য চিনি, ময়দা ও দুধের দাম এবং তার শ্রমের মিলিত মূল্যের চেয়ে সাধারণত বেশি। তেমনি একজন কাঠ মিস্ত্রি কাঠ পেরেক, আর রং দিয়ে যখন একটা চেয়ার তৈরী করে সেই চেয়ারের মূল্য কাঠ, পেরেক, রং এবং তার শ্রমের সমবেত মূল্য থেকে বেশি হয়। এই অতিরিক্ত মূল্য যোগ হচ্ছে অর্থনীতিতে ! এভাবেই "He is making money"!
সাধারণত একজন শ্রমিককে যে পারিশ্রমিক দেয়া হয় সে কাজের মাধ্যমে তার চেয়ে বেশি মূল্য যোগ করে। একজন শ্রমিক যখন বিদেশে কাজ করে সে তার শ্রমের মাধ্যমে ওই দেশের জন্য যত টাকা বানাচ্ছে তার একটা অংশ মাত্র মুজুরি হিসাবে পেয়ে দেশে পাঠাচ্ছে। সে দেশে কাজ করার সুযোগ পেলে তার বানানো পুরো টাকাটা দেশের অর্থনীতিতে যোগ হতে পারতো।
আমাদের দেশে অনেক লোক, সবার কর্মসস্থান করা অবশ্যই কঠিন। তবে বিদেশে পাঠানোর জন্য যে প্রচেষ্টা চলছে সেই চেষ্টা অব্যাহত রাখার সাথে সাথে দেশেও কর্মসস্থানের প্রচেষ্টা আরো জোরদার করা আবশ্যক। দেশে কাজের সুযোগ বৃদ্ধি, উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী এবং বেতন ভাতা ইত্যাদি যুগোপযোগী করে দেশেই কাজ করাকে আকর্ষণীয় করে তুলতে পারলে সবার জন্য মংগল।
অনেক দেশেই বিভিন্ন কারণে অনেকের জন্য সপরিবারে থাকার সুযোগ হয় না। ফলে পরিবারের প্রধান বিদেশে থাকায় দেশে অবস্থানরত অন্যান্য সদস্যদের যে সকল অসুবিধা এবং সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় সে এক মাত্র ভুক্তভুগীরাই জানেন। এ থেকে বেঁচে থাকাও এমন একটা অমূল্য অর্জন যা বলার অপেক্ষা রাখে না।
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:১৪
ঢাকার লোক বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ !
২|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৭
নিমো বলেছেন: বেড়েছেতো চাঁদাবাজে দেশ ভরেছে, ওয়াজ করনেওয়ালা বেড়েছে, মিছিলে ছাপড়ি বেড়েছে। অটোরিকশার বিপ্লব হয়েছে। এরপরও আপনি কর্মসংস্থান দেখতে পাচ্ছেন না কেন?
©somewhere in net ltd.
১|
১৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১০:০০
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: চআপনার সাথে একমত পোষণ করছি।