| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
হাসিব
আইপি - ৭৯.২৩৬.৯৯.১১০
ঘটনা ২০০৪ সালের । জার্মানীতে প্রথম আইছি । থাকি একটা এ্যাপার্টমেন্টে । এ্যাপার্টমেন্টে দুই জার্মান প্রতিবেশী । প্রথম দিনই টের পাইলাম দেশ থেকে দুইটা অতি গুরুত্বপূর্ন জিনিস আনা হয় নাই । নেইল কাটার, সুই সুতো সবই আনা হইলেও এগুলোর কথা কেউ বলে নাই ।
প্রথম রাইতে শুইয়া টের পাইলাম বালিশ সেইরকম নরম । পালকের বানানো । মাথা রাখতেই মাথা বিছানার সাথে লাইগা যায় এমুন অবস্থা । জার্মান জাতটারে গাইল দিতে দিতে ঘুমাই । শালারা সারাজীবন গাড়িই বানাইলি । কার্পাস তুলার বালিশে ঘুমানোর আরাম বুঝলিনা ।
আধাখেচড়া ঘুমের পর সকালে হালকা হওনের লাইগা গেছি টয়লেটে । কাজ কর্ম শেষ কইরা পাশে তাকায়া দেখি অতি প্রয়োজনীয় জিনিস 'বদনা' অনুপস্থিত । মেজাজ পুরা বিলা । টয়লেট থিকা বের হইয়া সোজা বাথরুমে ঢুইকা গোসল । সপ্তাহ দুই এভাবে কাটানোর পর এক পাকি বুদ্ধি দিলো বোতল ব্যবহার করতে । কাজ শেষে বোতল কমোডের চিপায় রাইখা দিলেই হবে । দেড় টাকা দিয়া একটা ড্রিংকস কিনা সেইটা ব্যবহার শুরু করলাম । কয়েকদিন পর দেখি পাশের নেইবার জিগায় আমি টয়লেটে ড্রিংকস করি কেন । আমি কিছুক্ষণ বোঝানোর পর দেখি আমার দিকে ফাকা চোখে তাকায় আছে ব্যাটা ।
পাকি বন্ধুর সাথে এই নিয়া আলাপ আলোচনা চালাইতে গিয়া আরেক দু:সংবাদ শুনলাম । ওগো এক গ্রুপ বন্ধু গেছে পড়তে ফ্রান্সে । সবাই এক ডর্মে উঠছে । দুই সপ্তার মধ্যে ডিসিপ্লিনারি কমপ্লেইন গেছে ওগো নামে । ক্যান ? কারন তারা নাকি সব টয়লেটে এ্যালকোহল খায়, খাইয়া ক্যানগুলো সেখানেই ফেলে আসে । আরও খারাপ ব্যাপার তারা প্রতিদিন পার্টি করে ! একটু গবেষণায় মূল ব্যাপার বের হলো । ঘটনা হইলো অরা পুরান বোতলের বদলে বিয়ারের ক্যান দিয়া কাম সারতো । আর প্রতিদিন একত্র হইয়া আড্ডা পিটাইতো কিছুক্ষন ।
কান ধইরা এ্যাপার্টমেন্টে ফিরা বোতল রুমে নিয়া আসলাম । না জানি আবার কমপ্লেইন খাওন লাগে । বিদেশ । কাউরে চিনি না । পুরা পানিতে পইড়া যামু গা । অগত্যা আরেকটা বোতল কিনা সেইটা রুমে রাখা শুরু করলাম । যখন দরকার নিয়া বেরই ।
অতএব ভাইসকল, বদনা আর বালিশ সামলাইয়া । হালকা হওন আর ঘুমানোর থিকা আরামের কম জিনিস আছে পৃথিবীতে । বিদেশে বাইর হইলে এইগুলা খিয়াল কইরা ।
পরের পর্ব কামিং ছুন ।
২|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৩১
আলী বলেছেন: বস লিস্টেট করলাম। মগ পাওয়া যায় তো?
৩|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৩২
হাসিব বলেছেন: সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়াতে আছে । আর এইখানে যাগো বাড়িতে এই ব্যবস্থা আছে ধরতে হইবো তারা বিশাল পয়সা ওয়ালা ।
৪|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৩৩
নজমুল আলবাব বলেছেন: মজা হইছে
আবার দুখও লাগতাছে
হাগতেও শান্তি নাই...
৫|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৩৩
পাগলা দাশু বলেছেন: ভাল্লাগছে গো ভায়া।
৬|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৩৪
হাসিব বলেছেন: মগ কৈথিকা ? গাছে পানি দেওনের জিনিস হিসাবে কিনতে হইবো । পরে সিস্টেম কইরা নিলেই অইবো । আমরা কামলা খাটনের জায়গায় গাছে পানি দেওনের জিনিসই ব্যবহার করি । জিনিসটার কল্লাটা একটু লম্বা হইলেও ভালোই কাজ চলে ।
৭|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৩৬
ধুসর গোধূলি বলেছেন: হাছা কথা কমু?
পয়লা যেইবার দেশ ছাড়ছি, হেইবার নিউমার্কেট থাইকা একটা সাদা রঙের বদনা কিন্যা ঘরে আনছি দেইখা বাসায় আধা ঘন্টা যাবত হাসির রোল পড়ছে।
তবে এদিকে আসার পরে লাগে নাই। কথায় আছে, 'জার্মানরা খনিজ পানি দিয়া কাম সারে'- তাই একটা বড়সড় বোতল লগে থাকতো কোন জায়গায় গেলে।
৮|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৩৭
কিংকর্তব্যবিমূঢ় বলেছেন: অতীব দরকারী পোস্ট ...
৯|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৩৮
হাসিব বলেছেন: ধুগো
- নিজেরা এইরম প্যাচে পড়লে হাসি বাইরাইতো না আর ।
- শহর থিকা বাইর হইলে বোতল ক্যারি আমিও করি ।
১০|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৩৯
হযবরল বলেছেন: একটা বুদ্ধি দেই। যে দোকানে বাগান করবার জিনিসপত্র বিক্রি করে, ওইখানে পানি দেবার প্লাস্টিকের পাত্র পাওয়া যায়। আমাদের দেশী বদনার চাইতে ভাল কাজ দেয় জিনিসটা। মার্কিন মুল্লুকের সব বাংগালী ভাইদের ঘরে ঘরে এই জিনিস।
১১|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৪০
হাসিব বলেছেন: হযবরল - কামলা দেওনের জায়গায় ঐজিনিসই ব্যবহার করি ।
১২|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৪৯
দ্রোহী বলেছেন: আমি বিদেশেই একটা বদনা কিনিয়াছি। তবে প্রথম দিনের ঘটনা নিতান্তই মর্মান্তিক।
--এক গাদা টিস্যু পেপার আন্ডারওয়্যারের ভিতর রেখে হাটাহাটি করার কষ্ট কেউ বুঝবেন না।
১৩|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৫১
হাসিব বলেছেন: জলদি কাহিনী খুইলা কন দ্রোহী । আমরা আমরাই তো, শরমের কিছু নাই ।
১৪|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৫২
গোপাল ভাঁড় বলেছেন: হাহা কঠিন মজা পাইলাম, হাসিব ভাই...
আমারও সেম টু সেম কাহিনি.... নতুন এপার্টমেন্টে উঠছিলাম ভোর ৫টায়...
নো বদনা, নো টয়লেট পেপার প্লাস দোকান পাট ব্ন্ধ্য ....
১৫|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৫৪
ধূসর ছায়া বলেছেন: জনস্বার্থমূলক পোস্ট । জীবনে কাজে আসবে । ধন্যবাদ হাসিব ভাই ।
১৬|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৫৮
অমিত বলেছেন: আমি হযু ভাইয়ের বক্তব্যে সম্মতি দিলাম। তয় এখন কিসু কিসু বাঙ্গালী দোকানে বদনা কিনতে পাওয়া যায়..
১৭|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৫৮
হাসিব বলেছেন: গোপাল ভাড় : ক্লাস শুরু হবার কয়দিন পর প্রফেসর জিগায় জার্মানীতে কোন জিনিসটা খারাপ । এক চাঙ্কু উইঠা কইলো সারাসপ্তায় ৮ টার পর দোকান বন্ধ এইটা কেমুন দেশ ? আবার রবিবার দিন পুরা বন ! প্রফেসর এইটা জার্মানী কইয়া পাশ কাটাইলো । সাথে সাথে আরেক চান্কু মাইয়া অভিযোগ করলো জার্মানীতে নাকি অনেক কিছু পাওয়া যায় না । কিরকম ? সে নাকি পুরা শহর ঘুইরাও কোথাও স্পঞ্জের স্যান্ডেল পায় নাই । প্রফেসর কয় ওইগুলার শুধু সামারে পাইবা । হ্যাও আবার কয় তাইলে কি সামারে স্যান্ডেল কিনা উইন্টারের লাইগ্গা স্টক করুম ? প্রফেসর আবার এইটা জার্মানী টাইপ চাপা চুপা মাইরা তাড়াতাড়ি ক্লাস শেষ করছিলো ।
১৮|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:৫৯
অমিত বলেছেন: আমি একবার পানির অভাবে অ্যালকোহল দিয়া কাম সারসিলাম। এক্কেরে রাশান ভদকা। নিজেরে বেশ পবিত্র পবিত্র লাগতেসিল..
১৯|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:০০
হাসিব বলেছেন: কয় কি ! কোন রাশানরে কইয়েন না । দু:খে মারা যাইবো । @ অমিত
২০|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:০২
গোপাল ভাঁড় বলেছেন: ও বাইদা ওয়ে.. আমি কইলাম সানডে ভোর ৫টায় আইসা পৌছাইসি... বুঝেন তাইলে...
ঐদিন হালা সারা শহরে ঝিঝি পোকা ডাকলো... আমিতো শেষ...
২১|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:২০
দ্রোহী বলেছেন: যারা পড়েননি এখনো, তারা চেষ্টা করে দেখতে পারেন। লেখাটা একটু বড়, কিন্তু জম্পেশ!
-----
!@@!750395 !@@!750396 !@@!750397 !@@!750398
২২|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:২৫
ধুসর গোধূলি বলেছেন:
২৩|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:৪৫
সোনার বাংলা বলেছেন: হাাাাাাাাাাাাাাাাহা
২৪|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:৪৮
হাসিব বলেছেন: দ্রোহীর লেখা পইড়া হাসতে হাসতে খুন :-))
২৫|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:৫০
ধুসর গোধূলি বলেছেন: আচ্ছা আমি আগের কমেন্টে কি লেখতে চাইছিলাম?
২৬|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:৫১
হাসিব বলেছেন: তাইতো !
২৭|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ৩:৫৪
গোপাল ভাঁড় বলেছেন: আসলেই কঠিন পোস্ট হইছে ঐটা..
২৮|
২২ শে মে, ২০০৭ ভোর ৪:০৫
ফারহান দাউদ বলেছেন: খাইসে,বদনা নিয়া এতো হুজ্জোত??
২৯|
২২ শে মে, ২০০৭ ভোর ৪:১২
অলৌকিক হাসান বলেছেন: আমি কিন্তু কোনোরূপ বদনা সংকটে পড়ি নাই। পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত বাঙালিপ্রধান দেশে থাকি। তাই এখানে সবার ঘরে ঘরে বদনার (যার যার পছন্দের কালারের) সমারোহ রয়েছে। কিন্তু জটিলতা বালিশ লইয়া। মাথার বালিশ আমি ৪টা একসঙ্গে ব্যবহার করি। তাতে আমাদের দেশের দুইটার মতো মনে হয়। তবে এখনো কোলবালিশের অভাব বোধ করি। বাংলাদেশে ওইটা ছাড়া আমি ঘুমাইতে পারতাম না। এখানে খুঁজলেও কোলবালিশ পাওয়া যাবে। আই এম শিওর। লন্ডনে বাংলাদেশের কিছু পাওয়া যায়না এইটা পাগলেও বিশ্বাস করে না।
৩০|
২২ শে মে, ২০০৭ ভোর ৪:২১
জলদস্যু বলেছেন: আমি এই প্রবলেমে পড়ি নাই। আমার টয়লেট বিশেষজ্ঞ দোস্ত এইখানে আসার পর বদনা না পেয়ে গাছে পানি দেয়ার ১.৫ লিটারের একটি জলাধার কিনে আনে। পরবর্তীতে পানি নিষ্কাশনের ঝাঁঝরিটা কেটে ফেলে কঠিন বদনা বানিয়ে ফেলেছিলাম।
আমাদের আরেক বন্ধুর মতে, "দোস্ত তোদের বাসায় হালকা হওয়ার সুখ আলাদা। পানির ফ্লোটা এরকম ঝাকানাকা না হলে কাজ সেরে আরাম নেই।" ![]()
৩১|
২২ শে মে, ২০০৭ ভোর ৪:২২
জলদস্যু বলেছেন: হাসিব ভাই "পিসা কতদূর..."?
৩২|
২২ শে মে, ২০০৭ ভোর ৫:৪৫
নেই মানুষ বলেছেন: এইখআনে তো সব জটিল কিসিমের মামাদের আণাগোনা দেখি। বড়ই মজা পেলুম। চালায়া যান মামারা
৩৩|
২২ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:১৩
আড্ডাবাজ বলেছেন: বদনা অতীতের কথা মনে করিয়ে দিল। স্কুল থেকে আমরা সবাই ক্যাম্পিং করতে গেছি জয়দেবপুর। শীতের রাতে আগুন জ্বালিয়ে ক্যাম্পিং নাইট করা হয়। গান বাজনার আসর বাজে। আমাদের তাম্বুতে নেছার ভাই (নামটা বদলে দিলাম) শেষ রাতের দিকে তাম্বুর পাশের বদনা নিয়া প্রাকৃতিক কর্ম করে আমাদেরকে চীতকার করে ডাকার শুরু করল। শেষ রাতে ঘুম ভেংগে শুনি, নেছার ভাইয়ের সবকিছু জ্বলে যাচ্ছে। কারণ, রাতের ফায়ার প্লেসে ব্যবহার করা বদনা দিয়ে তিনি কাজ সেরেছেন। কিন্তু তাতে পানি ছিল না, ছিল কেরোসিন...। 
৩৪|
২২ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:৩৬
অনন্তমৈথুন বলেছেন: নতুন পর্বের অপেক্ষায় আছি
৩৫|
২২ শে মে, ২০০৭ সকাল ১০:২৫
হযবরল বলেছেন: নামায়া ফেলেন কুইক। তোমারটা শেষ হইলে ভাবতাছি আমিও নামামু।
৩৬|
২২ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১১
যীশূ বলেছেন: এই জন্যই তো হুজুররা লগে সবসময় বদনা রাখে। আমি নিশ্চিত, ব্লগের রামছাগলটা কখনো এই সমস্যায় পড়বে না।
৩৭|
২২ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৭
হাসিব বলেছেন: অলৌকিক হাসান: লন্ডনের ভাবই আলাদা
জলদস্যু : আজকেই পাবেন
নেই মানুষ : জটিল নারে ভাই, খু্বই সহজ সরল
মধ্যবিত্ত কিছু বাঙালি
আড্ডাবাজ : ভবিষ্যতে দেইখা ইউজ করুম তাইলে
অনন্ত, হযবরল: আইকাই দ্বিতীয় পর্ব নামামু
৩৮|
২৩ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:১৩
রাগ ইমন বলেছেন: প্প্বুপ্প্বক্কপ্প্ম!ে
প্প্বূ)
৩৯|
২৩ শে মে, ২০০৭ দুপুর ১২:২৬
উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: এই লেখা এতদিন কৈ আছিলো?
এই ব্লগের মধ্যে এইডাই সর্বশ্রেষ্ঠ।
রেটিং ৫ কম হইয়া গেল!
৪০|
২৯ শে মে, ২০০৭ ভোর ৪:৩৭
ফরিদ বলেছেন: আমি অন্য বাথরুম নিয়ে চান্সে দুচার লাইন লিখেছিলাম
৪১|
২৯ শে মে, ২০০৭ ভোর ৫:১৪
হাসিব বলেছেন: লেখা ভালো হইছে ফরিদ ভাই ।
৪২|
২৯ শে মে, ২০০৭ সকাল ৭:০১
অমিত আহমেদ বলেছেন: পরের পর্ব দিয়ে দেন।
৪৩|
১৯ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৩:১৭
নুসরাত বাচ্চু বলেছেন: মজা তো!
৪৪|
১৯ শে আগস্ট, ২০০৭ বিকাল ৪:০০
গন্ডার বলেছেন: বাঙ্গালী সব জায়গাই বদনা খুজে বইলাই আইজ তাদের এই দুরাবস্থা। যেদিন বাঙ্গালী টিস্যু পেপার ইউজ কর্তে শিকবো সেইদিন বাংলাদ্যাশ আমিরকা হইয়া যাইবো
৪৫|
২৫ শে আগস্ট, ২০০৭ রাত ১২:১৮
রাশেদ বলেছেন:
৫
©somewhere in net ltd.
১|
২২ শে মে, ২০০৭ রাত ২:২৯
শমশেরআলম বলেছেন: ওহ এক্কেরে আমার ঘটনাটাই লেখছেন। বাঙ্গালি বদনা ছাড়া যে কত নিরুপায় ভুক্তভুগি ছাড়া কেউ বুজবো না। তয় এশিয়ার দুয়েক্টা দেশে পানির সুবিধা আচে