| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
আগেই বলে রাখছি - আমি কোনোভাবেই এল-টি-টি-ই ও প্রভাকরণের সমর্থক নই কিন্তু আমি তামিলদের বঞ্চনার ইতিহাসে তাদের সাথে সমব্যথী।
শ্রীলঙ্কায় তামিল-সিংহলী বিবাদ সম্পর্কে অনেকেওই সঠিক ধারণা নেই। প্রভাকরণের মৃত্যুর সাথে সাথে এই বিবাদের আশা করি অন্ত হল। আমি একটা সংক্ষিপ্ত টাইমলাইন দিলাম কিভাবে এই বিবাদের সূত্রপাত তা নিয়ে।
১৮১৫ - ব্রিটিশরা শ্রীলঙ্কা দখলে আনে।
১৮৩৩-১৯৪৮ - ব্রিটিশ শ্রীলঙ্কায় অসংখ্য তামিলদের ধরে এনে চা-বাগানের কাজে লাগানো হয়। এই সময় সংখ্যাগুরু সিংহলীরা তামিলদের বৈরীতার সূত্রপাত কারণ তামিলেরা ব্রিটিশদের হয়ে কাজ করত। এই তামিলেরা সারা শ্রীলঙ্কায় বিচ্ছিন্নভাবে থাকলেও উত্তরাঞ্চলে তাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা ছিল। ব্রিটিশরা সুযোগ বুঝে ডিভাইড আর রুল চালিয়ে যায়। (সূত্র ১,২)
১৯৪৮ - সিলোন সিটিজেনশিপ আইনে তামিলদের শ্রীলঙ্কার নাগরিকত্ব থেকে বঞ্চিত করা হয়। এই আইন অনুসারে শ্রীলঙ্কায় জন্ম হলেই কারো শ্রীলঙ্কার নাগরিকত্ব থাকবে তা নয়, বরং তার পিতা অথবা পিতামহেরও শ্রীলঙ্কায় নাগরিকত্ব থাকতে হবে। অপরদিকে ভারত সরকার ১৯৫০ সালে যারা ভারতে বসবাস করে তাদের ভারতীয় নাগরিকত্ব দেওয়ার কথা ঘোষণা করে। এর ফলে সরকারিভাবেই শ্রীলঙ্কার প্রায় অর্ধেক তামিল জনগণ (সংখ্যায় দশ লক্ষ - মোট জনসংখ্যার ১০%) নাগরিকত্ব বিহীন জনগোষ্ঠীতে পরিণত হয়। পরের বছরের ভোটে নাগরিকত্বকে ভোটার তালিকায় নাম তোলার মূল প্রমাণ হিসাবে দাখিল করতে নির্দেশ দেওয়া হয়। (সূত্র ১)
১৯৫৪ - তীব্র বিরোধিতার মুখে সিটিজেনশিপ আইনের রদবদল ঘটিয়ে কিছু তামিলদের নাগরিকত্বের ব্যবস্থা হয় নিবন্ধীকরণের মাধ্যমে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে ভারতীয় বা পাকিস্তানী তামিলেরা যদি একটানা ১৩ বছর শ্রীলঙ্কায় আছেন এমন প্রমাণ দেখাতে পারেন, তবে তাদের নাগরিক হিসাবে নিবন্ধন করার সুযোগ দেওয়া হল। আবার অন্যান্য ইচ্ছুক তামিলদের সরাসরি ভারতীয় নাগরিকত্ব পাবার ব্যবস্থা করা হয় কলোম্বোয় ভারতীয় হাইকমিশনে। কিন্তু শ্রীলঙ্কায় এই নিবন্ধন পদ্ধতি অত্যন্ত ধীরে চলতে থাকে - মূলত তামিল-ভাষিদের ১৩ বছর একটানা থাকার প্রমাণ না থাকায়। ১৯৬৩ সাল অবধি আবেদনকারীদের মাত্র ৮ ভাগের ১ ভাগ জনগণ এই পদ্ধতিতে নাগরিকত্ব পায়। অপরদিকে একই সময়ের মধ্যে যতজন ভারতীয় নাগরিকত্বের আবেদন করেছিলেন, তারা সকলেই নাগরিকত্ব পেয়ে গিয়েছিলেন। (সূত্র ১)
১৯৫৬ - সিংহলি ওনলি আইন অনুসারে তামিল ভাষাকে সবরকম স্বীকৃতি থেকে বঞ্চিত করা হল। এই সময় তামিল ভাষাভাষিদের সংখ্যা ছিল ২০%। এমনকি উত্তরাঞ্চলের জন্যও সিঙ্ঘলী ভাষা বাধ্যতামূলক করা হল। এর ফলে তামিল মধ্যবিত্তদের পক্ষে সরকারি চাকরি পাওয়া একরকম অসম্ভব হয়ে গেল। আরো দুবছর পরে সরকার এই আইন প্রত্যাহার করে সিঙ্ঘলীকে মূল ভাষার মর্যাদায় রাখা হলেও তামিল ভাষাকে স্বীকৃতিতে আনা হল। অনেক পরে ১৯৮৭ সালে এই আইন পুনর্বিন্যাস করে উভয় ভাষাকেই জাতীয় মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। (সূত্র ২)
১৯৫৮ - তামিল-সিঙ্ঘলী দাঙ্গায় কয়েকশ তামিলের মৃত্যু। পরবর্তী অধ্যায়ে তামিলেরা শ্রীলঙ্কার বিভিন্ন অংশ থেকে উত্তরাঞ্চলে চলে আসে।
(সূত্র ২)
১৯৬৪ - দীর্ঘ আলোচনার পরে তথাকথিত নাগরিকত্ব বিহীন জনগোষ্ঠীর মধ্যে ৪:৭ অনুপাতে শ্রীলঙ্কা ও ভারতের মধ্যে নাগরিকত্ব বন্টনের প্রস্তাবনা হয়। এই চুক্তিতে প্রায় তিন লক্ষ তামিলকে শ্রীলঙ্কা নাগরিকত্ব দেবে ভারত দেবে পাঁচ লক্ষ তামিলকে ও তাদের ভারতীয় রাজ্য তামিলনাডুতে পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করবে। বাকি দেড় লক্ষ তামিলকে নিয়ে কোনো সিদ্ধানে পৌঁছন যায় নি। ১৯৮১ সালের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার কথাও হয়। কিন্তু ১৯৭৪ সালে হিসাবে দেখা যায় যেখানে এক লাখ তামিল ভারতে চলে গেছে ও বাকি এক লাখ ভারতীয় নাগরিকত্ব পেয়ে গেছে, সেখানে মাত্র ৬০ হাজার তামিল শ্রীলঙ্কার নাগরিকত্ব পেয়েছে। (সূত্র ১)
১৯৭০ - ভারত থেকে তামিল বই ও ম্যাগাজিন শ্রীলঙ্কায় আমদানি করা নিষিদ্ধ করা হয়। (সূত্র ২)
১৯৭৪ - ভারত ও শ্রীলঙ্কা বাকি দেড় লাখ তামিলকে সম-অনুপাতে ভাগাভাগি করে নিতে রাজী হয়। (সূত্র ১)
১৯৭৬ - প্রথম তামিল বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর আত্মপ্রকাশ। এতকাল ধরে যে তামিলেরা শ্রীলঙ্কার নাগরিকত্ব পেয়েছিলেন তারা নিজেদের জন্য একটি রাজ্যের দাবী রাখছিলেন। কিন্তু তামিল ইউনাইটেড লিবারেশন ফ্রন্ট এই বছরেই প্রথম স্বাধীন তামিল রাষ্ট্র বা তামিল ইলমের প্রস্তাব করে ও একটি ছোটো সংগঠন তৈরী করে। ১৯৭৭ সালের ভোটে এই সংগঠন বেশ কয়েকটি সিটও পায় কিন্তু শ্রীলঙ্কা সরকার তাদের বিচ্ছিন্নতাবাদী দাবীর জন্য তাদের রাজনীতি থেকে বহিষ্কার করে। কার্যত এর পরে এই গোষ্ঠীই জঙ্গী গোষ্ঠীতে পরিণত হয়। (সূত্র ২)
একই বছরে তামিল ইলমের সমর্থকেরা লেবাননের বেইরুটে প্রথম সামরিক প্রশিক্ষণ নিতে যান। প্রশিক্ষক ছিল ইয়াসর আরাফতের নেতৃত্বে প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশন। শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রীর অনুরোধ উপেক্ষা করে আরাফত সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে ট্রেনিং চালিয়ে যেতে নির্দেশ দেন। (সূত্র ৩)
১৯৮১ - ভারত সরকারের সাথে চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়। চুক্তিশেষে দেখা যায় শ্রীলঙ্কা কোটার দুই-তৃতীয়াংশ মাত্র জনগণকে নাগরিকত্ব দিয়ে উঠতে পেরেছে। ১৯৮৬ সালে অন্য আরেকটি সংশোধনীর মাধ্যমে এই বাকিদেরও শ্রীলঙ্কার নাগরিকত্ব দেওয়া হয়, কিন্তু ততদিনে ক্ষতি যা হবার তা হয়ে গেছে। একই বছরে শ্রীলঙ্কার উত্তরাঞ্চলে জাফনা শহরে একটি দাঙ্গায় তামিল গ্রন্থাগার ও ওই শহরের জনপ্রতিনিধির (তামিল) বাড়ি পুড়িয়ে ফেলা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনায় স্থানীয় পুলিশও দাঙ্গাকারীদের সাথে হাত মিলিয়ে এই কাজে হাত দিয়েছিল। (সূত্র ১,২)
১৯৮৩ - ব্ল্যাক জুলাই মাসে এল-টি-টি-ই ও শ্রীলঙ্কা সেনাবাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ শুরু। এল-টি-টি-ই প্রথমে আক্রমণ করে ১৩ জন সেনাকে মেরে ফেলে। পালটা আক্রমণ চালিয়ে সেনাবাহিনী প্রায় চারশ (পৃথক হিসাবে তিন হাজার) তামিলকে মেরে ফেলে ও হাজার হাজার লোক গৃহহীন হয়ে ভারতে উদ্বাস্তু হয়ে আসতে শুরু করে। সারা দেশে দাঙ্গা শুরু হয় ও তামিলেরা সব বিভিন্ন প্রতিবেশীদের বাড়িতে বা মন্দিরে আশ্রয় নেয়। (সূত্র ২ http://en.wikipedia.org/wiki/Black_July)
এর পরবর্তী ঘটনা বহুল-প্রচারিত ও সকলেই জানে, তাই আর আলাদা করে লিখছি না।
সূত্র -
১) Nationality and international law in Asian perspective By Swan Sik Ko
২) Wikipedia - Click This Link
Click This Link
৩) http://www.atimes.com/ind-pak/DC09Df04.html
২|
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৪
মনজুরুল হক বলেছেন:
শুধু প্লাস দিয়ে লেখাটা নিয়ে গেলাম। বাকি কথা কাল হবে। সুপ্রভাত।
৩|
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩০
আব্দুল হালিম মিয়া বলেছেন: শুধু দু:খ লাগে, এতগুলো প্রাণ অযথাই ঝরে গেল!
৪|
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৩৭
তনুজা বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ , শোকেসে রাখলাম
৫|
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:৪১
লাশ বলেছেন: এতো বঞ্চনার পরও যারা টিকে ছিলো তারা একজন প্রভাকরণের মৃত্যতে থেমে যাবে এটা মেনে নিতে পারছিনা। তারা একদিন সফল হবেই যেমন হয়েছি আমরা ১৯৭১ এ। এ আমার দৃঢ় বিশ্বাস।
৬|
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:০৪
সৈয়দ আফসার__১৯৭৯ বলেছেন:
অজানা তত্ত্ব জানলাম।
ভাল থাকুন।
৭|
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫
বেছু মেম্বার বলেছেন:
১৯৮৩ - ব্ল্যাক জুলাই মাসে এল-টি-টি-ই ও শ্রীলঙ্কা সেনাবাহিনীর মধ্যে যুদ্ধ শুরু। এল-টি-টি-ই প্রথমে আক্রমণ করে ১৩ জন সেনাকে মেরে ফেলে। পালটা আক্রমণ চালিয়ে সেনাবাহিনী প্রায় চারশ (পৃথক হিসাবে তিন হাজার) তামিলকে মেরে ফেলে ও হাজার হাজার লোক গৃহহীন হয়ে ভারতে উদ্বাস্তু হয়ে আসতে শুরু করে। সারা দেশে দাঙ্গা শুরু হয় ও তামিলেরা সব বিভিন্ন প্রতিবেশীদের বাড়িতে বা মন্দিরে আশ্রয় নেয়।
*** তামিলদের প্রশিক্ষণ এবং অস্ত্র কে দিয়ে ছিলো?
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:০২
দিগন্ত বলেছেন: ভারতীয় গোয়েন্দা বাহিনী 'র' ও তামিলনাডুতে অবস্থিত তামিল জনগণ। ভারত সরকার সাহায্য দিতে দেরী করেছিল কারণ তাদের ভয় ছিল ভবিষ্যতে ভারতীয় তামিলনাডুও একই ভাবে আলাদা হতে চাইতে পারে। ভারত ব্যাপারটাকে আরো আগে (পঞ্চাশ বা ষাটের দশকে) আন্তর্জাতিক মহলের নজরে আনলে শান্তিপূর্ণভাবেই সমস্যার সমাধান হতে পারত। (উল্লেখ্য - ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধাদেরও একই রকম সাহায্য দেওয়া হয়েছিল। )
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:৫৯
দিগন্ত বলেছেন: আরো কিছু পড়াশোনার পরে দেখলাম ভারত সরকারের সাথে এদের সাহায্য করেছিল ইয়াসর আরাফতের নেতৃত্বাধীন প্যালেস্টাইনভিত্তিক পি-এল-ও।
http://www.atimes.com/ind-pak/DC09Df04.html
৮|
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:১৯
বেছু মেম্বার বলেছেন:
আপনা কে এই জন্য আমার খুব ভালো লাগে যে আপনি সত্য স্বীকার করেন। ![]()
ধন্যবাদ।
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩৪
দিগন্ত বলেছেন: ১৯৮৩ সালের পরের তামিল-ইলমের ইতিহাসে ভারতের অনেক খারাপ অধ্যায়ই আছে। র ছাড়াও পরের পিস মিশন পাঠানোর কোনো অর্থ নেই। তবে এল-টি-টি-ই কে সাহায্য করে খারাপ না ভাল কাজ হয়েছে তা নিয়ে আমি কোনো মতামত রাখছি না। একদিকে এক স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্রের অধিবাসীদের কয়েক দশকের লড়াইতে জড়িয়ে দেওয়া অন্যদিকে উদ্বাস্তুদের সাথে তামিল জাতীয়তাবাদের চাপ। দুয়ের মাঝে স্যান্ডুইচড ভারত সরকার ভুল করেছিল বলেই আমার মনে হয়। আসলেই ইন্দিরা গান্ধী ১৯৭১ এর সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে চেয়েছিলেন। হয়ত তিনি বেঁচে থাওলে পারতেনও।
আপনার ব্লগে রোহিঙ্গাদের নিয়ে লেখা দেখলাম। রোহিঙ্গাদের হয়ে যদি বাংলাদেশ সরকার একই কাজ করে তাহলে আপনার কি মত হবে?
৯|
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:২৬
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: দারুন পোষ্ট ..প্রিয়তে।
তামিলদের সাথে সহমর্মী বোধ করছি ।
ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতায় তামিলদের উগ্র ও অভদ্র মনে হয়েছে।
পারলে আরো একটু লিখুন ।
+++
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩৭
দিগন্ত বলেছেন: অন্য সংষ্কৃতির লোকজনকে উগ্র বা অভদ্র মনে হওয়াটা অস্বাভাবিক কিছু না। বিশেষত তামিলদের মত একটি জনগোষ্ঠী - যারা উপমহাদেশের প্রাচীন দ্রাবিড় সংষ্কৃতিকে ধরে রেখেছে। একটা উদাহরণ দিই - মাসাই (কেনিয়ার একটি উপজাতি) লোকজনে আপনাকে থুতু দিয়ে অভিবাদন জানাবে, আপনি যদি সেটাকে অভদ্রতা মনে না করেন
...
১০|
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৩৯
কঁাকন বলেছেন: পড়লাম
পড়ে তো মনে হচ্ছে শ্রীলংকান সরকারের স্বেচ্ছাচারিতা বা অদক্ষতা প্রসূত ভুল সিদ্ধান্তই এই দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সূচনা করেছে
ভালো থাকুন
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৬:৪১
দিগন্ত বলেছেন: পৃথিবীর ৯০ভাগ যুদ্ধই এই কারণেই হয়েছে - কাশ্মীর, প্যালেস্টাইন থেকে বাংলাদেশ - সবই অদক্ষতা আর স্বেচ্ছাচারিতার ফসল। এখন কতটা অদক্ষতা (অনিচ্ছাকৃত) আর কতটা স্বেচ্ছাচারিতা (ইচ্ছাকৃত) তা বিতর্কের বিষয়।
১১|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:০৪
বেছু মেম্বার বলেছেন:
তেমন কিছু করার সম্ভবনা নাই। মানে অস্ত্র এবং প্রশিক্ষণ দিয়ে রোহিঙ্গা শান্তি বাহিনী বানানো।
তবে হাঁ রোহিঙ্গাদের তাদের মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে সাহায্য করা উচিত। তার জন্য বার্মা জান্তা সরকারের উপর চাপ অব্যহত রাখতে হবে।
ভারত নিজেদের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিরুদ্ধে গান গায়! আবার তামিল(শ্রীংকায়) শান্তিবাহিনী(বাংলাদেশে) দালাইমা(চীন) সিন্ধি(পাকিস্তান)এদের প্রশিক্ষণ অস্ত্র দেয় কিভাবে? দুই মুখা শাপের মতো!
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৭:১৯
দিগন্ত বলেছেন: পাকিস্তানে বালুচদের সাহায্য দেয়, সিন্ধ্রিদের নয়। আর দলাই লামাকে একই দলে ফেলা যায় না, কারণ উনি শান্তিপূর্ণভাবেই নিজের আন্দোলন করেন, ওনাকে সবারই সমর্থন করা উচিত।
ভারত সরকার নয় শুধু, এই নীতি তৃতীয় বিশ্বের প্রায় সব সরকারই গ্রহণ করে থাকে। পাকিস্তান বা বাংলাদেশ সরকারও ... রাষ্ট্রের ব্যর্থতা ঢাকতেই এই উদ্যোগ। আমেরিকার (বা প্রথম বিশ্বের) ব্যাপারই এখানে আলাদা। আমেরিকার সংবিধানের জোরে যেকোনো স্টেট আমেরিকা থেকে সরাসরি আলাদা হতে পারে।
১২|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:১৩
আদনান প্রীতম বলেছেন: +++++++++
১৩|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:২২
সিউল রায়হান বলেছেন: বিদ্রোহের অবসান কি আসলেই হয়েছে /??? তামিলদের দাবীগুলো কতটুকু পূরণ হয়েছে সেটা নিয়ে লিখেন....
পড়ে ভাল লাগল..... আরো লিখার অপেক্ষায় থাকলাম.....
+
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:২৪
দিগন্ত বলেছেন: যে দাবী নিয়ে শুরু হয়েছিল আন্দোলন তা সবই হয়ত পূরণ হবে। তামিলেরা নাগরিকত্বও পাবে, সরকার হয়ত তাদের জন্য কাজও করবে। কিন্ত যে বিশ্বাসের ফারাক তৈরী হয়ে গেছে তা এখনও কয়েক প্রজন্ম ধরে থাকবে।
১৪|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৮:৩১
ইসানুর বলেছেন: সৈয়দ আফছার বলেছেন:
অজানা তত্ত্ব জানলাম।
ভাল থাকুন।
১৫|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:০১
লেখাজোকা শামীম বলেছেন: চমৎকার। ইতিহাসের খেরোখাতা তুলে এনেছেন একেবারে। অনেক অজানা বিষয় জানলাম।
ধন্যবাদ।
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:১৬
দিগন্ত বলেছেন: এর পরের অংশের ইতিহাসও লেখার ইচ্ছা আছে। দেখি যদি সময় পাই।
১৬|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:০৩
শূন্য আরণ্যক বলেছেন: মাসাইদের সাথে তামিল গড়পড়তা শিক্ষিত লোকের তুলনা করাটা ঠিক হলো না ।
সংস্কৃতির কথা বলিনি। আমার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতার কথা বলেছি। জানি না কারো সাথে আপনার পরিচয় আছে কিনা।
আমার বিচারে ভুল থাকতে পারে।
তবে ইতিহাস জানায় এখন বিচার করতে সুবিধা হলো
আরেকটা ব্যাপার বলা যায় - যে জাত যত যুদ্ধের ভিতর দিয়ে যায় তারা ততো উগ্র হয় ।
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:২০
দিগন্ত বলেছেন: মাসাইদের সাথে আমি তুলনা করিনি, শুধু একটা এক্সট্রিম উদাহরণ দিলাম। তামিলদের সেভাবে দেখলে ইতিহাসে যুদ্ধবাজ হিসাবে নাম আছে। এককালে তারাও উপনিবেশ গড়েছে।
Click This Link
১৭|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:১৬
জুল ভার্ন বলেছেন: নাইস পোস্ট!
তথ্যের জন্য প্রিয়তে রেখে দিলাম।
১৮|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৩৫
বিডি আইডল বলেছেন: তামিলদের বন্চনার ইতিহাসের সাথে অযৌক্তিক স্বাধীন রাজ্য প্রতিষ্ঠার দাবী মেলানো যায় না...তামিল শাসিত প্রাদেশিক সরকার ব্যবস্হার জন্য অহিংস রাজনৈতিক চাপ রাখতে পারতো তারা...ভারতীয় উস্কানিতেই তারা গেরিলা যুদ্ধে ঢুকে পড়ে...ভারতকেও এর খেসারত দিতে হয়েছে...যদ্দুর জানি রাজিব গান্ধীকে হত্যার পরিকল্পনা প্রভারকরণ একক ভাবে করেছিল
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ৯:৪১
দিগন্ত বলেছেন: ভারতীয় উস্কানিতেই তারা গেরিলা যুদ্ধে ঢুকে পড়ে
- উস্কানির ব্যাপারটা আপেক্ষিক। আমাকে উস্কানি দিলেও আমি আপনাকে মারব না যদি না আগে থেকে আপনার সাথে আমার শত্রুতা থেকে থাকে। সেই শত্রুতা কিভাবে তৈরী হয়েছে সেটাই এখানে লেখা আছে। ভারত ছাড়া প্যালেস্টাইনও তাদের সাহায্য করেছে।
১৯|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১০:৩৩
বোতল কুমার বলেছেন: ব্রিটিশরা কি জাত খাটাসের বাচ্চা?
২০|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:১২
আলী আরাফাত শান্ত বলেছেন: পোস্ট টা খুবই গোছানো হইছে
প্রিয়তে রাখলাম
অনেক অজানা ছিলো, জানা গেলো!
২১|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:২২
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: আপনার লেখাটা বেশ একপেশে মনে হয়েছে ... তামিলদের প্রতি সিনহলিজ শাসকদের বৈষম্য আর এলটিটিই নিধনের সাথে সাথে তামিলদের উপর শ্রীলংকা সরকারের অত্যাচারের কথা আপনি ঠিকই এনেছেন, কিন্তু গত দশকের তামিল টাইগারের খারাপ দিকগুলোর প্রকাশ ঘটাননি ... এদের বিরুদ্ধে গণহত্যা, এথনিক ক্লিনজিং, শিশুহত্যা, নিজগোত্রের লোকদের উপর জুলুম (টাইগারে যারা যোগ দিটে চায়নি) -- এরকম অনেক অভিযোগ আছে যেগুলোতে এদের চরিত্র আল-কায়েদা, তালিবানদের কাজের সাথে মিলে যায়।
ইন ফ্যাক্ট, এদের সাথে আল-কায়েদা, ইন্দোনেশিয়ান টেররিস্ট গ্রুপের ভালো রিলেশন, কানেকশন আছে -- এসব তথ্যও আসা উচিত ছিলো। শুধু তেলজাত ভবিষ্যত নেই বলে এই প্রবলেমটার প্রতি পশ্চিমা দাদাদের নজর ছিলোনা, তারা এলটিটিইকে টেররিস্ট আখ্যা দিয়েই ব্যাপারটা ভুলে যেতে চেয়েছে।
এলটিটিই-ভারত আর তালিবান-আমেরিকা অনেকটা এ্যানালজিক।
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে ভারতের ভূমিকা আর শ্রীলংকায় এলটিটিই সৃষ্টিতে ভারতের ভূমিকাকে কখনই এক করে দেখা যায়না ... আকাশ পাতাল ফারাক দুটোতে ... শ্রীলংকায় ভারতীয় সেনারা তামিলদের সাহায্য করতে যায়নি, পেছন থেকে ইন্ধন জুগিয়েছে দেশটাতে অশান্তি টিকিয়ে রাখতে ... কারণ ৮০ এর দশকে তামিলদের প্রতি সিনহলিজদের বঞ্চনার ব্যাপারটা নাগরিকত্বের অধিাকরেই সীমাবদ্ধ ছিলো ... এরকম একটা সমস্যাকে মিলিট্যান্ট গেরিলাবাদে উন্নীত করে পুরো তামিল ডায়াস্পোরাকে এর সাথে জড়িয়ে এলটিটিই শুরুতে করেছে ভুল (যদিও সেটা অন্যায় না), এবং পরবর্তীতে সেটাকে টিকিয়ে রাখতে করেছে অমানবিক সব অন্যায়
আমার এক শ্রীলংকান বন্ধুর কাছে শুনেছিলাম ওদের মেডিক্যাল কলেজে এলটিটিইর হামলায় কিভাবে অনেক ছাত্রছাত্রী মারা গিয়েছিলো ... সে যখন বলছিলো, আমি তার ট্রমাটা যেন চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিলাম!
আমি জানিনা ভদ্রতার খাতিরে কিনা, তবে আমার সাথে দেখা হওয়া একজন শ্রীলংকান তামিলও (সবাই ইউনিভার্সিটিতে পড়তে আসা, তাই চক্ষুলজ্জা কাজ করতে পারে) এলটিটইকে সমর্থন করেনি ... তাদের কাছে এলটিটিই একটা উটকো ঝামেলা বাঁধিয়ে শ্রীলংকা দেশটাকে পিছিয়ে রেখেছিলো ... যদিও এধরনের চিন্তায় একটু সুশীল সুশীল গন্ধ আছে, তবে একদম অমূলক না
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৪৩
দিগন্ত বলেছেন: আমি ১৯৮৩ সালের আগের ঘটনা নিয়ে লিখেছি। তার আগে পর্যন্ত ভারতের ভূমিকা বাংলাদেশ যুদ্ধের মতই ছিল।
শ্রীলংকায় ভারতীয় সেনারা তামিলদের সাহায্য করতে যায়নি, পেছন থেকে ইন্ধন জুগিয়েছে দেশটাতে অশান্তি টিকিয়ে রাখতে
- ভারত বাংলাদেশেও একই কাজ করেছে পাকিস্তানকে ভাগ করে দিয়ে।
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০০
দিগন্ত বলেছেন: আপনার অভিযোগটা আবার পড়লাম। আমার মনে হয় একটা ডিসক্লেমার যোগ করে দেওয়া উচিত - আমি কোনোভাবেই এল-টি-টি-ই ও প্রভাকরণের সমর্থক নই কিন্তু আমি তামিলদের বঞ্চনার ইতিহাসে তাদের সাথে সমব্যথী।
২২|
১৯ শে মে, ২০০৯ সকাল ১১:৪৪
অয়ন আহমেদ বলেছেন: খুব ভালো লাগলো । ক'দিন ধরে তামিল ইতিহাস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা অর্জন করতে চেয়েছিলাম । ধন্যবাদ আপনাকে । ধারাবাহিকভাবে লেখে যান অনেক অজানা কিছু জানা হয়ে যাবে ।
২৩|
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০২
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: "- ভারত বাংলাদেশেও একই কাজ করেছে পাকিস্তানকে ভাগ করে দিয়ে।"
মোটেও একমত নই ... আপনার তৎকালীন পাকিস্তানের ভয়াবহ এথনিক বৈষম্য অজানা থাকার কথা না ... এক ৭০ এর ঘূর্ণিঝড়ের ইতিহাস পড়লেই বুঝবেন পাকি সরকারের বর্বর বৈষম্যের কাছে সিংহলী নাগরিকত্ব নিয়ে টালবাহানা করা বৈষম্য কিছুই না ... তার ওপর ভোটে জেতার পর ক্সমতা দেয়নি ... এরপর তো শুরু হয়েছিলো গণহত্যা ... সেখানে ভারতের হাত বাড়ানোটা ছিলো পুরোপুরি ন্যায় একটা ব্যাপার ... লক্ষ্য করুন, ভারত যদি চাইতো তৎকালীন পাকিস্তানে "বাংলাদেশ সমস্যা"টা জিইয়ে রাখতে, তাহলে কিন্তু বাংলাদেশ স্বাধীনে তারা আগ্রহ দেখাতোনা। কিছু অস্ত্র প্রশিক্ষণ দিয়ে এদেশে বছরের পর বছর গেরিলা জিইয়ে রাখা তাদের পক্ষে অসম্ভব ছিলোনা ... সেটা তারা করেনি, কারণ তারা সেখানে আসলেই সৎ মনোবৃত্তিতে এগিয়ে এসেছিলো -- এটা আপনাকে মানতে হবে।
তামিলরা যদি মিলিট্যান্সীতে না গিয়ে রাজনৈতিকভাবে যেতো -- আমার আপত্তি ছিলোনা ... কিন্তু তাদের মিলিট্যান্সী কোন ন্যায়-অন্যায়ের বাছ-বিচার করেনি ... এমনকি লোকাল তামিলরাও এর শিকার ছিলো
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:১২
দিগন্ত বলেছেন: শ্রীলঙ্কার গণতান্ত্রিক সরকার কখনই পাকিস্তানী সামরিক শাসকদের তুল্য নয়। অত্যাচারে তো নয়ই। আপনি ভারতের মুক্তিযোদ্ধাদের ট্রেনিং এর ব্যাপারটা ভুলে যাচ্ছেন - শুরু হয়েছিল ভারতে আসা রিফিউজিদের মধ্যেই। একই ব্যাপার এখানেও ঘটে।
আর জিইয়ে রাখা বনাম স্বাধীনতার ব্যাপারটা আপেক্ষিক - ভারত তামিলদের স্বাধীনতা দিতে অক্ষম হয়েছে। আর কিছুই না। বাংলাদেশে অপারেশন চালানো অনেক সহজ ছিল কারণ ভৌগোলিকভাবে তা বিচ্ছিন্ন ছিল পাকিস্তান থেকে। স্বাধীনতার পরে তাকে আর পাকিস্তানের সাথে বর্ডারও শেয়ার করতে হয় নি। একই ব্যাপার শ্রীলঙ্কায় করতে গেলে দীর্ঘদিনের লড়াইতে জড়িয়ে পড়ত ভারত।
দ্বিতীয়ত, যখন প্রভাকরণকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল অটোনমি নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে তখন তামিল যুদ্ধের বয়স মাত্র ৫ বছর (১৯৮৩-১৯৮৮ সাল)। এই প্রস্তাব অগ্রাহ্য হওয়ায় শ্রীলঙ্কায় শান্তিবাহিনী পাঠানো হয় - এক ভুল সামলাতে আরেক ভুল। এর পর থেকে ভারত আর এল-টিটি-ইকে সমর্থন করেনি। শান্তিবাহিনী পাঠানোর বিশ্বাসঘাতকতায় রাজীবকে হত্যা করে এল-টি-টি-ই ১৯৯১ সালে। তাই দীর্ঘদিনের লড়াই-এর প্রশ্নই ওঠে না।
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:২৩
দিগন্ত বলেছেন: আপনি ১৯৮৭ সালের পিস একর্ড পড়ে দেখতে পারেন -
Click This Link
Click This Link
২৪|
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:০৬
মামুন (শ।কিল) বলেছেন: ১৯৯০ সালে টাইগার প্রায় ৪শরও অধিক তামিল মুসলমানে মসজিদেই হত্যা করেছিল।কয়েক লক্ষ তামিল মুসলমানকে বাস্তুহারা করেছিল।
Click This Link
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:১৩
দিগন্ত বলেছেন: এল-টি-টি-ই এরকম অনেক হত্যা চালিয়েছে, এদের সমর্থন করার প্রশ্নই ওঠে না।
২৫|
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৮
কৌশিক বলেছেন: চমৎকার। তবে আরো লিখবেন আশা করি। পোস্টে মূল টেক্সট দুবার চলে এসেছে।
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৪
দিগন্ত বলেছেন: ধন্যবাদ, ঠিক করে নিলাম।
২৬|
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:১৩
জ্বিনের বাদশা বলেছেন: "আর জিইয়ে রাখা বনাম স্বাধীনতার ব্যাপারটা আপেক্ষিক - ভারত তামিলদের স্বাধীনতা দিতে অক্ষম হয়েছে। আর কিছুই না। "
ঘটনা কি আসলে তাই? ... যুদ্ধবিগ্রহ সম্পর্কে আমার তেমন ধারনা নেই, তাও মনে হয়, পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে নৌ আর আকশে আক্রমণ করে ভারত শ্রীলংকা থেকে তামিলদের স্বাধীন করে দিতে পারতো ... কথা হলো সেরকম পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি, ৭১ এ বাংলাদেশকে ঘিরে যেটা হয়েছে ... বাংলাডেশের সৃষ্টি কোনভাবেই ভারতের মাস্টারমাইন্ড না ... পরিস্থিতি তৈরী হওয়াতে প্লাস প্রতিবেশী একটি বন্ধুভাবাপন্ন দেশ পাওয়া যাবে (অন্ততঃ পাকিস্তানের তুলনায় ) -- এসবই ছিলো ভারতের আমাদেরকে সাহায্য করার কারণ
তবে এই পোস্টে আমার ফোকাস কোনভাবেই তামিলদের স্বাধীন হবার অধিকার নিয়ে না ... আমার প্রশ্নটা হলো এলটিটিইর গণহত্যামূলক আচরণ (যেটা মোটাদাগে এখনকার আলোচিত আর সব টেররিস্ট সংগঠনের সাথে মিলে যায়) তাদেরকে তামিল স্বাধীনতার যথার্থ নেতৃত্ব হিসেবে জাস্টিফাই করে কিনা?
যাই হোক, আপনি ৮৩ পর্যন্ত ইতিহাস এনেছেন, তবে এলটিটিইর অনেক অপকর্মের তথ্যও এখানে অজানা -- সেজন্য মন্তব্য করেছিলাম ... পারলে এলটিটিইর সাইডটা তুলে ধরবেন পরে
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:২৫
দিগন্ত বলেছেন: তাদেরকে তামিল স্বাধীনতার যথার্থ নেতৃত্ব হিসেবে জাস্টিফাই করে কিনা?
কোনোভাবেই না।
এল-টি-টি-ইকে ভাল বললে আমি দলাই লামা, মার্টিন লুথার কিং আর নেলসন ম্যান্ডেলাকে কি বলি? তাদের পথ থেকে সরা দাঁড়াতে?
আমি ১৯৮৩ অবধি লিখেছি কারণ ১৯৮৩ সালের পরের ইতিহাস অনেকেরই জানা।
পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে নৌ আর আকশে আক্রমণ করে ভারত শ্রীলংকা থেকে তামিলদের স্বাধীন করে দিতে পারতো
- আপনাকে লিঙ্ক দিলাম তো। ভারত আকাশপথে অস্ত্র ও রসদ সাপ্লাই শুরু করেছিল। সফল হয় নি, কারণ শ্রীলঙ্কা সরকার তৎক্ষণাত শান্তিচুক্তির প্রস্তাব দেয়। সেই প্রস্তাবেই তামিল প্রভিন্সগুলোর অটোনমির প্রস্তাব ছিল। তাদের দেখাশোনার জন্য ভারতীয় বাহিনীকেও আসতে বলে। কিন্তু প্রভাকরণ আর এল-টি-টি-ই তাতেও রাজী হয় নি (এদের অপছন্দের একটা কারণ)। বলতে পারেন ভারতও তাতে রাজী না হয়ে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে পারত ও স্বাধীন তামিল ইলমের জন্ম দিতে পারত। সেটার রেকগনিশনের জন্য আবার জাতিসংঘের দ্বারে দাঁড়াতে হত। বাংলাদেশের বেলায় এই অভিজ্ঞতাগুলো সুখকর হয়নি।
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৫২
দিগন্ত বলেছেন: তালেবানের সাথে তুলনাটা পেলাম পাকিস্তানী নিউস পেপারে -
Click This Link
২৭|
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৩৫
শয়তান বলেছেন: শ্রীলংকা বাদেও মালয় উপদ্বীপেও তো তামিলরা আছে । লেখকের কি মনে হয় বিচ্ছিন্নভাবে ছড়িয়েছিটিয়ে থাকা সব অন্চলেই কি জাতিগত উষ্মা দানা বাঁধতে পারে ?
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ১:৫৯
দিগন্ত বলেছেন: মালয়েশিয়ায় তামিলেরা শান্তিপূর্ণভাবেই তাদের দাবী পেশ করে আসছে অনেকদিন হলই। সরকারও তাদের নাগরিকত্ব নিয়ে কোনো ঝামেলা করে নি। তাই এই সমস্যা হবে না। ভারতীয়রা এছাড়াও সুরিনাম, গায়ানা ও ফিজিতেও আছে। এত সমস্যা আর কোথাও নেই। অবশ্য আফ্রিকার কিছু দেশে এখনও সমস্যা আছে।
২৮|
১৯ শে মে, ২০০৯ দুপুর ২:৪৫
শিকস্তি বলেছেন: ভাল তথ্যবহুল লেখা । প্রিয়তে রাথলাম ।
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:২৬
দিগন্ত বলেছেন: ধন্যবাদ!!
২৯|
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৩৮
সোজা কথা বলেছেন: ২১ নং কমেন্টের উত্তরে আপনি বলেছেন
- ভারত বাংলাদেশেও একই কাজ করেছে পাকিস্তানকে ভাগ করে দিয়ে
আশা করি এই লাইনটি ব্যাখ্যা করবেন। আপনি কি মনে করেন বাংলাদেশ সৃষ্টি ভারতের ষড়যন্ত্র? আপনি কি মনে করেন ১৯৭১ এ যা হয়েছে তা ভুল? না হলে কী হলে আপনার দৃষ্টিতে তা সঠিক হতো? যারা পাকিস্তানীদের সঙ্গে ১৯৭১ এ সহযোগিতা করেছে তাদের কী আপনি সমর্থন করেন?
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৪৮
দিগন্ত বলেছেন: ভারতের দিক থেকে দুটোই একই। তামিলদের সাহায্য করা আর বাংলাদেশকে সাহায্য করা।
৩০|
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১০:৫২
সোজা কথা বলেছেন: @লেখক, যেহেতু কমেন্টটি আপনি লিখছেন । ভারত বা পাকিস্তানের প্রতিনিধি লিখে নি । আপনার কাছে সরাসরি প্রশ্নটির উত্তর আশা করেছিলাম । কিন্তু এড়িয়ে গেলেন। যা হোক বিষয় না।
১৯ শে মে, ২০০৯ রাত ১১:০৫
দিগন্ত বলেছেন: আমি ভারতীয় তাই আপনি আমাকে ভারতের প্রতিনিধি ভাবতে পারেন ![]()
৩১|
১৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৫:০৫
প্রগতিশীল বলেছেন:
'শ্রীলংকায় ভারতীয় সেনারা তামিলদের সাহায্য করতে যায়নি, পেছন থেকে ইন্ধন জুগিয়েছে দেশটাতে অশান্তি টিকিয়ে রাখতে '
৩২|
১৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৪৩
নাজিম উদদীন বলেছেন: এবার তামিল সমস্যার একটা সুরাহা যদি হয় তাহলে শ্রীলংকার জন্যে ভাল।
১৬ ই জুন, ২০০৯ ভোর ৫:৫০
দিগন্ত বলেছেন: তামিলদের জন্যও ভাল।
৩৩|
৩০ শে জুন, ২০০৯ রাত ১২:৩৩
সাধারণমানুষ বলেছেন:
৩৪|
১৭ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ২:২৯
মনির হাসান বলেছেন: বহুদিন পর আপনাকে ব্লগে দেখলাম ...
৩৫|
২৮ শে নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৫৬
দেশী পোলা বলেছেন: তামিলরা ভারতের মাঝেই তাদের নিজেদের দেশ বানালে আপনার আপত্তি আছে? হাজার হলেও তামিল ইলম-এর স্বপ্ন কিন্তু শুধু শ্রীলংকাতে সীমাবদ্ধ ছিলো না, ভারতের তামিলনাড়ুও এর পার্ট হওয়ার পরিকল্পনাতে ছিলো
http://en.wikipedia.org/wiki/Dravidistan
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:০২
দিগন্ত বলেছেন: আপনি লিঙ্কটা দেখুন, ওই ইতিহাস ১৯৬০ এই শেষ।
৩৬|
০২ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:২৯
কেমিকেল আলী বলেছেন: জ্বিনের বাদশার সাথে একমত
৩৭|
০৩ রা ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:০৯
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: পর্ব-২
Click This Link
৩৮|
০৬ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:২৭
এ. এস. এম. রাহাত খান বলেছেন: সিকিম পর্ব ৩
Click This Link
©somewhere in net ltd.
১|
১৯ শে মে, ২০০৯ ভোর ৪:২৩
সোজা কথা বলেছেন: ++
প্রভাকরণ গেলেও তামিলদের আগুন নিভবে বলে মনে হয় না।