নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অবিশ্বাসে কিছুই মেলে না

এখানে এখন রাত্রি এসেছে নেমে তবু দেখা যায় দুরে বহু দুরে হেরার রাজতোরণ

ডিজিটালভূত

জন্ম সত্তরে এক আলেম পরিবারে। প্রাইমারী শেষ করার আগেই আব্বা জোর করে মাদরাসায় ঢুকিয়ে দিলেন। মাদরাসায় পড়তে মনে চাইছিল না প্রথমে। পরে মাদারাসার দর্শনই নিজের জীবনের রক্ত-মাংসে, সীরাত-সুরতে আর মন-মস্তিস্কে মিশে গেল। এ নিয়ে গর্ব করি। [email protected]

ডিজিটালভূত › বিস্তারিত পোস্টঃ

আসুন নেকাবের বিরুদ্ধে আন্দোলন করি

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪১

একটু আগে সন্ধ্যা সারে সাতটার বিবিসি থেকে একটি দারুন খবর শুনলাম। মিশরের আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের সবোর্চ্চ ধর্মীয় নেতা (গ্রান্ড মুফতি) নেকাবের বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করবেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, নেকাব পরিধান একটি সামাজিক আচার। এর সাথে ইসলামের কোন সম্পর্ক নেই।

নেকাব মানে মেয়েদের মুখমন্ডল ঢেকে রাখা। পর্দা বা বোরকার নামে মেয়েদের মুখমন্ডল ঢেকে রাখা উচিত নয়।

এ প্রসঙ্গে আমার একটি বিবরতকর অভিজ্ঞতা আছে। সেটি হল, আমার ছেলের বয়স তখন তিন বছর। তাকে ও তার মাকে নিয়ে এক ডাক্তারের কাছে গেলাম। মহিলা ডাক্তার। বউটাকে ডাক্তারের রুমে ঢুকিয়ে আমি আমরা ছেলেকে নিয়ে বাহিরে পায়চারি করতে থাকলাম। ছেলে আমাকে বার বার প্রশ্ন করে আম্মু কেন আসে না? আমি তাকে শান্তনা দিয়ে বললাম, এইতো এক্ষুনি আসবে। ইতিমধ্যে নেকাবসহ বোরকা পরা একটি অল্প বয়সী মেয়ে রিকসা থেকে আমাদের সামনে নামল। আমার ধারনা সে কোন কলেজের ছাত্রী হবে। আমার ছেলে আমাকে ছেড়ে দিয়ে দৌড়ে যেয়ে তাকে আম্মু আম্মু বলে জড়িয়ে ধরল। কারণ, তার মা এ রকমই নেকাবসহ বোরকা পর থাকে। আমি তো লজ্জায় কাঠ হয়ে যাচ্ছি। মেয়েটিও লজ্জা পাচ্ছে। আমি তাকে কিভাবে বলি আপনি একটু চেহারাটা খোলেন আমার ছেলের ভুল ভাংগুক? আমি আমার ছেলেকে জোর করে নিয়ে আসলাম। আর সে আম্মু আম্মু বলে মেয়েটাকে ডাকতেই থাকল। আমার বউ যখন ডাক্তারের কাছ থেকে বের হল তখন ছেলেটি কান্না থামালো।

আসলে ইসলামে মুখ ঢেকে রাখার কোন বিধান নেই। এমনকি এটা কোন নফল কাজও নয়। কুরআনে কোথাও মেয়েদের মুখ ঢেকে রাখতে বলা হয়নি। হাদীসেও নয়। বরং বহু সংখ্যক হাদীস নেকাব ব্যবহারের বিরুদ্ধে রয়েছে। কুরআন ও হাদীসে ওড়না ব্যবহারের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। হ্যা এটা সামাজিকভাবে আরবের কোথাও কোথাও প্রচলিত ছিল। যে সকল মেয়েদের লজ্জা বেশী তারা ব্যক্তিগতভাবে এটা ব্যবহার করত। এটা তাদের স্বাধীনতা। পোশাকের স্বাধীনতা। তবে এটাকে ইসলামের আচার বলে চালিয়ে দেয়া অন্যায়। জামায়াতে ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা মাওলানা মওদুদী নাকি একজন সংস্কারক ছিলেন। তিনি বেশ কিছু ক্ষেত্র্র্র্রে ভুল ও মনগড়া ব্যাখ্যা দিয়েছেন। নেকাব ব্যবহারের পক্ষেও তিনি ভুল যুক্তি দিতে ভুল করেন নাই। আর এ কারণে জামাতী আপারা নেকাব পরে থাকেন খূব যতন করে।

সৌদী আরবের প্রখ্যাত হাদীস বিশারদ শায়খ আল-বানী জিলবাবুল মারআতি (মেয়েদের ওড়না ব্যবহার) নামে সুন্দর একটা বই লিখেছেন। বইটির প্রতিটি তথ্য কুরআন ও সহীহ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত। এ বইতে তিনি ইসলামের দোহাই দিয়ে নেকাব ব্যবহার-কে অন্যায় বলে প্রমাণ করেছেন। এবং মাওলানা মওদুদীর সমালোচনা করেছেন।

নেকাবপন্থীরা বল থাকেন, মেয়েদের আসল সৌন্দর্য হল তাদের চেহারা। এটা খোলা থাকলে পর্দা হয় কিভাবে? তাদের এ যুক্তি ইসলামের মধ্যে একটি বাড়াবাড়ি। রাসূল সা. এর চেয়ে আল্লাহভীরু আর কে হতে পারে? তিনি যখন মেয়েদের মুখমন্ডল ঢেকে রাখতে নির্দেশ দেননি তখন ওরা নির্দেশ দিতে কে?



মন্তব্য ১০৩ টি রেটিং +১৮/-৮

মন্তব্য (১০৩) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪৩

স্পাইডার বলেছেন: ধর্মে বাড়াবাড়ি করতেও নিষেধ করা আছে

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪৫

ডিজিটালভূত বলেছেন: ঠিক বলেছেন। এ বাড়াবাড়ির বিরুদ্ধেই আন্দোলন। ধন্যবাদ।

২| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪৭

নগরের নাগরিক বলেছেন: ভাল............তয় আফনের মনে অয় জামাতী আফাগো চেহারা মোবারক দেখার খুব খায়েশ অইচে। ইনিয়ে বিনিয়ে ইসলামের নিষেধ এর কতা বয়ান কইরা কিন্তু তলে তলে ওইটাই কইবার লাগচেন

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫১

ডিজিটালভূত বলেছেন: অনেক আফাগো চেহারা দ্যাহা যায়। জামাতী আফাগো চেহারা আলাদ কিছু না। হয়ত একটু নূর বেশী।

৩| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

আশিক১১৪ বলেছেন: mne hy khub moja paisen.............jhapa porun abar!!!!

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৩

ডিজিটালভূত বলেছেন: বুঝতে পারলাম না। বাঙ্গালী মন।

৪| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪৮

প্রিয়সখা বলেছেন: একমত। ++++

নেকাবপন্থীরা নিজেদেরকে অতি মুসলমান মনে করেন এবং ইসলামের বারোটাও এই অতি মুসলমানরা বাজাচ্ছেন।


স্পাইডার ঠিকই বলেছেন "ধর্মে বাড়াবাড়ি করতেও নিষেধ করা আছে"।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৩

ডিজিটালভূত বলেছেন: সহমত। ধন্যবাদ

৫| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫০

সিটিজি৪বিডি বলেছেন: ধর্মে বাড়াবাড়ি করতেও নিষেধ করা আছে

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৪

ডিজিটালভূত বলেছেন: কঠোরভাবে নিষেধ। ধন্যবাদ

৬| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫১

ডলুপূত্র বলেছেন: এটি কোন কাজের বিষয় বলে মনে হয় না।

৭| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫১

অনিগিরি বলেছেন: ধর্মটাই একটা বাড়াবাড়ি আর সেইটা আমাদের নবীজী বুঝতে পারছিলেন বিদায় হজ্বের সময়! আর তাই তখন তিনি ধর্ম নিয়া বাড়াবাড়ি করার কথা নিষেধ করেছেন............ভবিষ্যত যে অন্ধকার তা ঠিকই টের পাইছিলেন!

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৫

ডিজিটালভূত বলেছেন: যথার্থ বলেছেন। ধন্যবাদ

৮| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৪

নাজনীন১ বলেছেন: পোস্টের সাথে সহমত।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৬

ডিজিটালভূত বলেছেন: সহমতের জন্য ধন্যবাদ।

৯| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৬

এহসানুল হক জসীম (১) বলেছেন: নেকাব তো কোন খারাপ জিনিস নয়।

ব্যাবহারে অসুবিদা নেই।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৭

ডিজিটালভূত বলেছেন: অসুবিধা নেই। কিন্ত ইসলামের নামে কেন?

১০| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৭

কিরিটি রায় বলেছেন:

নিকলো না বে নেকাব...

জমানা খারাব হ্যায়..পঙ্কজের গান খান মনে পইরা গেল। :)

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৯

ডিজিটালভূত বলেছেন: জমানা খারাব হ্যায় ঠিকই। তবে ওড়না ব্যবহারের মাধ্যমে জমানার মুকাবেলা করা যায়। ধন্যবাদ

১১| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৫৮

অনার্য তাপস বলেছেন: নেকাবপন্থীরা বল থাকেন, মেয়েদের আসল সৌন্দর্য হল তাদের চেহারা। এটা খোলা থাকলে পর্দা হয় কিভাবে?

মন্তব্যটাতে কেমন একটা সুড়সুরি আছে।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০৩

ডিজিটালভূত বলেছেন: উপলদ্ধি করতে ব্যর্থ হলাম।

১২| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০৪

রিজভী বলেছেন: এই রকম খোঁচা মারা পোস্ট বাদ দিয়ে ভালো আশা করছি আপনার কাছে।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০৯

ডিজিটালভূত বলেছেন: খোচা মারা হয়ে থাকলে দু:খিত। পড়ার জন্য ধন্যবাদ

১৩| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:০৯

আলোর অভিলাসী বলেছেন: ইসলামে না থাকলে নাই কিন্তু এর বিরোধিতা করার কি আছে ? যারা ইসলামের দোহাই দেয় তাদের ভুল ধরিয়ে দেয়া উচিত । নেকাব জিনিস টার বিরুদ্ধে যাওয়ার কি দরকার ? :(

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৭

ডিজিটালভূত বলেছেন: যা ইসলামে নেই তা ইসলামের নামে চালাতে গেলে সমস্যা হবেই।

১৪| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১২

সামছা আকিদা জাহান বলেছেন: এই পোস্টের জন্য ধন্যবাদ ।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৮

ডিজিটালভূত বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ

১৫| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১২

পাভেল০৮১ বলেছেন: হাদিসের অনের জায়গায় বললেন নেকাব নিরুতসাহিত করা হইসে তার রেফারেন্স দেন না ভাই

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৯

ডিজিটালভূত বলেছেন: ঐ যে আমি বইটার কথা বললাম। ওখানে পাবেন সব রেফারেন্স। তবে বইটি আরবীতে। এখনো বাংলায় অনুবাদ হয়নি।

১৬| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৩

মেহেরুননেসা মনি বলেছেন: ইসলাম নেকাব নিষেধ করেছে এমন উদাহরণ নেই।

অতএব এটা ইসলামের দৃস্টিতে ভাল।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৩

ডিজিটালভূত বলেছেন: ইসলাম নেকাব ব্যবহারের স্বাধীনতা দিয়েছে। উত্তম বলেনি। রাসূল সা. কাউকে নেকাব লাগাতে বলেননি।

১৭| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৩

আলোর অভিলাসী বলেছেন: ইসলামে না থাকলে নাই কিন্তু এর বিরোধিতা করার কি আছে ? যারা ইসলামের দোহাই দেয় তাদের ভুল ধরিয়ে দেয়া উচিত । নেকাব জিনিস টার বিরুদ্ধে যাওয়ার কি দরকার ? :(

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৪

ডিজিটালভূত বলেছেন: যা ইসলামে নেই তা ইসলামের নামে চালালে বিরোধীতা আসবেই।

১৮| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:১৮

সোনালীডানা বলেছেন: নেকাব আফ্নাকে কি কুড়েছে?

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৫

ডিজিটালভূত বলেছেন: আমার ছেলে অন্যকে মা ডাকে

১৯| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৩

জেনারেশন৭৫ বলেছেন: নেকাব করা ভালো তবে না করলেও ইসলামের দৃষ্টিতে দোষের কিছু নাই।
হাদিস বা কোরানে কোথাও নেকাবের কথা বলা হয় নাই। শুধু হিজাবের ব্যাপারটির প্রতি বিশেষ গুরত্ব দেয়া হয়েছে।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৬

ডিজিটালভূত বলেছেন: একশ ভাগ সহমত

২০| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৪

দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: নিজের ঘর থেকে আন্দোলন শুরু হোক, কি বলেন?

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৭

ডিজিটালভূত বলেছেন: অনেক আগেই শুরু করেছি।

২১| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:২৬

মেহেরুননেসা মনি বলেছেন: নেকাব করা ভালো তবে না করলেও ইসলামের দৃষ্টিতে দোষের কিছু নাই।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৮

ডিজিটালভূত বলেছেন: কোনটা ভাল তা নির্ধারণ করে দেবে ইসলাম - কুরআন ও সুন্নাহ। অন্য কেহ নয়।

২২| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪১

কাজল রশীদ বলেছেন:
অতিরিক্ত যে কোন জিনিসই খারাপ ।


Click This Link

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৯

ডিজিটালভূত বলেছেন: সহমত।

২৩| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪২

জনৈক আরাফাত বলেছেন: ভালো পোস্ট!

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৯

ডিজিটালভূত বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ

২৪| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৮

মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পোস্ট। কুরআন-হাদীসে কোথাও মেয়েদের মুখ-মন্ডল ঢেকে রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়নি।

আমারও প্রশ্ন ছিল - মাওলানা মওদুদী এবং যারা মুখ ঢাকাকে পর্দা বলেছেন তারা কি মনে করে এমনটি বললেন?

উত্তর পেয়েছিলাম - ওনারা মুখ ঢেকে রাখাকে ফরজ মনে করতেন না। পরিবেশ পরিস্থিতির কারনে অর্থাৎ আশ-পাশের পুরুষ যারা পার্দা করেন না তাদের থেকে বাঁচার জন্যই মুখ ঢেকে রাখাকে কল্যাণকর মনে করেছেন। সুতরাং কোন মেয়ে যদি ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তে মুখ ঢেকে রাখতে চান তাতে বাধা দেয়া উচিৎ নয়।

আমার জানামতে জামায়াতের অনেক মহিলা সদস্য মুখ খোলা রেখে পর্দা করে থাকেন। ‘সব জমাতী আপারা যত্ন করে মুখ ঢেকে রাখেন’- এই বক্তব্যের সাথে একমত হতে পারলাম না।

মাওলানা মওদুদীর কোন বক্তব্য কুরআন-সুন্নাহর পরিপন্থি হলে জামাতি আপারা বা ভাইয়ারা তা মানতে বাধ্য নন।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৩

ডিজিটালভূত বলেছেন: আহলান ওয়া সাহলান লোকমান ভাই। অনেক দিন হল আপনার কোন লেখা দেখছি না।
ধন্যবাদ অনেক।
মাওলানা মওদুদীর কোন বক্তব্য কুরআন-সুন্নাহর পরিপন্থি হলে জামাতি আপারা বা ভাইয়ারা তা মানতে বাধ্য নন।
অত্যন্ত চমতকার বক্তব্য। পূর্ণ সহমত। এটাই তো ইসলাম।

২৫| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫০

এন্তার এত্তেলা বলেছেন: শিরোনাম টা পছন্দ হয়নাই... এমন আক্রমনাত্বক শিরোনামে ধর্মীয় রীতি নিয়ে কিছু না বলাই বেটার।
নেকাব জিনিষটা আমি নিজেও লাইক করিনা। কলেজে বহুবার বেকায়দা অবস্থায় পড়েছি বন্ধুদের নেকাবের কারনে। লজ্জাজনক স্মৃতিও আছে।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৫

ডিজিটালভূত বলেছেন: নেকাবটা ধর্মীয় রীতি হইল কেমনে। এখানেই তো আমার যত আপত্তি। এটা ধর্মীয় রীতি নয়। তারপরও লোক তাই বলে যায়।

২৬| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৭

সোনালীডানা বলেছেন: তাইলে ভাবীকে বলেন নেকাব না পরতে।তাইলেইতো ভাতিজা আর অন্য মেয়েকে মা ডাকে না। :)

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৯

ডিজিটালভূত বলেছেন: তাই করবো।

২৭| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৮

সরকার সেলিম বলেছেন: মাওলানা মওদুদীর কোন বক্তব্য কুরআন-সুন্নাহর পরিপন্থি হলে জামাতিরা তা মানতে বাধ্য নন।

একমত লোকমান ভাই।
মওলানা মওদুদী নিজেও এই কথাটি বলেছেন।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০০

ডিজিটালভূত বলেছেন: সবার মধ্যে এ চেতনা জাগ্রত হোক। অনেক ধন্যবাদ

২৮| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫৮

মদন বলেছেন: নেকাবের বিরুদ্ধে আন্দোলনের প্রয়োজন কোথায়? যেখানে মেয়েরা পর্দাই করতে চায় না সেখানে কেউ নেকাব দিলে সমস্যা কোথায়? বরং একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের উচিত প্রত্যেকের(নারী-পুরুষ) পর্দার বিষয়ে সচেতন হওয়া, জনমত গড়ে তোলা।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:০৫

ডিজিটালভূত বলেছেন: মুসলিম হিসাবে পর্দা ও হিজাব অবশ্য পালন করা উচিত। কিন্তু তা করতে যেয়ে এমন বাড়াবাড়ি করা উচিত নয় যা দেখে অন্যদের মনে ইসলাম সম্পর্কে ভীতি সৃষ্টি হয়। ইসলাম-কে কঠিন ভাবে।

২৯| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১১

সেলটিক সাগর বলেছেন: আপনি কি বিবিসি'র নিচের খবরটা নিয়ে কথা বলছেন?

Egypt cleric 'to ban full veils'


Egyptian women in full veil, or niqab


Egypt's highest Muslim authority has said he will issue a religious edict against the growing trend for full women's veils, known as the niqab.

Sheikh Mohamed Tantawi, dean of al-Azhar university, called full-face veiling a custom that has nothing to do with the Islamic faith.

Although most Muslim women in Egypt wear the Islamic headscarf, increasing numbers are adopting the niqab as well.

The practice is widely associated with more radical trends of Islam.

The niqab question reportedly arose when Sheikh Tantawi was visiting a girls' school in Cairo at the weekend and asked one of the students to remove her niqab.

The Egyptian newspaper al-Masri al-Yom quoted him expressing surprise at the girl's attire and telling her it was merely a tradition, with no connection to religion or the Koran.

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০২

ডিজিটালভূত বলেছেন: না

৩০| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৩

শ্রাবনের ফুল বলেছেন: দেখুন নেকাব জরুরী নয় মেনে নিলাম, কিন্তু অপশনাল যেহেতু এটা ইচ্ছামাফিক ব্যাবহার করা খারাপ তো কিছু না..তাই এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করার তো কিছু নাই আপনার পোষ্ট সতর্কতা হতে পারে নেকাবের বিরুদ্ধে বাড়াবাড়ি না করার জন্য, সেক্ষেত্রে শিরোনাম টা " আসেব নেকাব নিয়ে বাড়াবাড়ি না করি" হলেই প্রাসঙ্গিক হতো বলে আমারে মনে হয়।

ইসলাম বাড়াবাড়িকে সমর্থন করে না।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৩

ডিজিটালভূত বলেছেন: সহমত

৩১| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৫

শ্রাবনের ফুল বলেছেন: আইচ্ছা আমার একটা প্রেশ্ন, জামাতীরা মওদুদী ধর্মের অনুসারী নাকি ইসলাম ধর্মের অনুসারী? :|

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৪

ডিজিটালভূত বলেছেন: মওদুদী ধর্ম বলতে কিছু তো নেই। জামাতীরা অবশ্যই ইসলাম ধর্মের অনুসারী।

৩২| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৪

অলস ছেলে বলেছেন: আপনার বউ এর অখন কি অবস্থা? আন্দুলন আগে ঘর থেইক্কা শুরু করেন। আর ইসলাম তো জনগণের এজমালি মাল, যার যেমনে ইচ্ছা াাইবো, বেপার না, ইসলাম নিয়া লেখলে পার্লে কয়েকটা দলীল সহ লেইখেন, নাইলে এমনেই াাইতে থাকেন।

০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৬

ডিজিটালভূত বলেছেন: অবস্থা স্বাভাবিক। এ জন্যই বলি ইসলাম হল কুরআন ও সুন্নাহ। অন্য কিছুর নাম ইসলাম নয়।

৩৩| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:২৬

সোনালীডানা বলেছেন: সহমত@শ্রাবনের ফুল

৩৪| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:০৮

ছায়ার আলো বলেছেন: "জামাতীরা অবশ্যই ইসলাম ধর্মের অনুসারী।"????

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:১৭

ডিজিটালভূত বলেছেন: সন্দেহ নেই

৩৫| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১২

শয়তান বলেছেন: মাথা গুনতাসি

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:১৮

ডিজিটালভূত বলেছেন: আমাকেও কি গনবেন?

৩৬| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:১৩

মু. নূরনবী বলেছেন: নেকাব ব্যবহারে খারাফ কিছু দেখি না। আর আপনি যে সমস্যায় পড়েছেন..তা স্বাভাবিক। এ নিয়ে বউকে নেকাব পরার জন্য আপনি যে দিন দশবার বকা দেন তা আপনার কয়েকটি প্রতিউত্তর থেকে বুঝতে পারলাম।
অন্য জায়গায় বিশেষ একটি দলকে লক্ষ্য করে কটুক্তির করার প্রবণতা লক্ষ্য করা গেছে। যা প্রচন্ড নিন্দনীয়। আপনার ভাল লাগে না..আপনি পরাবেন না...কিন্তু আমার ভাল লাগে ...তাই আমার বৌকে নেকাব পরাব। এত নেকাবের বিরুদ্ধে কথা বলে আপনি অন্যের রুচির উপর আঘাত এনেছেন।
শিরোনামটা চরম ফালতু হয়েছে।

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:২৪

ডিজিটালভূত বলেছেন: আমি আমার বউকে নেকাব না পরার পরামর্শ দিয়েছি। তার স্বাধীনতা আছে। সে নেকাব পরতে চায়। আমার কিছু করার নেই। আসলে কটুক্তি নয়। বলতে চেয়েছি, সমাজ সংস্কারে যাদের ভূমিকা রাখা দরকার তারা রাখছে না। সীমাবব্ধ গন্ডি থেকে বের হয়ে সরাসরি কুরআন ও সুন্নাহ-কে অনুসরণ করার কথা বলতে চেয়েছি। আমাদের দেশের ইসলাম অনুসারীরা প্রায় সকলেই নিজ দল, নিজ পীর, নিজ প্রতিষ্ঠানের অনুসরণ করে থাকে আর বলে আমি ইসলাম, আমি ইসলাম. .।

৩৭| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:২৫

জানজাবিদ বলেছেন: এখানে একটু বুঝার ব্যাপার আছে। পর্দার বিধান নাজিল হওয়ার পর রাসুল (সঃ) এর কোন স্ত্রীকে বা কোন মুমিন নারীকে (মাহরাম আত্নীয় ব্যতিত) কি কোন পুরুষ দেখার সুযোগ পেয়েছে? বা তাঁরা কি কাউকে দেখা দিতেন? ইসলামের প্রথম যুগে মহিলারা কি মুখ খোলা রেখে বাজারে চলাফেরা করতেন? আমি যতদূর জানি প্রত্যেক প্রশ্নের উত্তরই না হবে।

বিষয়টা নিয়ে আরেকটু পড়াশুনা করে স্বিদ্ধান্ত নেয়ার অনুরোধ থাকলো।

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:২৯

ডিজিটালভূত বলেছেন: আপনার প্রশ্নের উত্তরগুলো না হবে এ কথার সাথে একমত হতে পারলাম না। আর পর্দার বিধানের ব্যাপারে নবীর স্ত্রী গণ ও সাধারণ মুসলিম মেয়েদের মধ্যে পার্থক্য আছে। সূরা আল আহযাব পাঠ করে দেখুন।
আর বিষয়টি নিয়ে আমি অনেক গবেষণা করেছি। আরো করব। আল আযহারের ফতোয়াটা বের হলে এ সম্পর্কে একটি বই লেখার ইচ্ছা আছে আমার।

৩৮| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪২

'লেনিন' বলেছেন: অলস ছেলে বলেছেন: আপনার বউ এর অখন কি অবস্থা? আন্দুলন আগে ঘর থেইক্কা শুরু করেন। আর ইসলাম তো জনগণের এজমালি মাল, যার যেমনে ইচ্ছা াাইবো, বেপার না, ইসলাম নিয়া লেখলে পার্লে কয়েকটা দলীল সহ লেইখেন, নাইলে এমনেই াাইতে থাকেন।
_______________________________

অলস_ছেলে: দলীল কয়টা? কি কি? অনির্দিষ্ট? কেবল পণ্ডিতরাই খুঁজে পায়? কোনটা কোনটা সলিডলি গ্রহণযোগ্য? কোন কোন গুলি অগ্রহণযোগ্য? অগ্রহণযোগ্যগুলি টিকে আছে কিভাবে?

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৩১

ডিজিটালভূত বলেছেন: বুঝতে পারলম না, আপনি পক্ষে না বিপক্ষে।

৩৯| ০৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৫০

লাইফ স্টোরি বলেছেন: জেনারেশন৭৫ বলেছেন: নেকাব করা ভালো তবে না করলেও ইসলামের দৃষ্টিতে দোষের কিছু নাই।
হাদিস বা কোরানে কোথাও নেকাবের কথা বলা হয় নাই। শুধু হিজাবের ব্যাপারটির প্রতি বিশেষ গুরত্ব দেয়া হয়েছে

সহমত

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৩

ডিজিটালভূত বলেছেন: নেকাব পরা ভাল হলে সেটা ইসলাম বলে দেবে। আমরা ভাল বললে হবে না। ইসলামের কাছে নিজেদের আত্ন-সমর্পন করার নামই তো ইসলাম অনুসরণ।

৪০| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৩৯

সাঈফ শেরিফ বলেছেন: এধরনের পোস্টে মন্তব্য রাখা বিপজ্জক।

"আর এ কারণে জামাতী আপারা নেকাব পরে থাকেন খূব যতন করে।"

এটা তথ্য বিভ্রাট। জামাতীরা বাহারি হিজাব (আরব/পাকি স্পেশাল) এর সাথে জিনসের প‌্যান্ট পরেন।মুখ ঢাকার বিরুদ্ধ তারাও সোচ্চার, প্রগতিশীল ধার্মিক বলে কথা! আপনি যাদের কথা বললেন ওরা তাবলীগী কন্যা, নেকাবের পাশাপাশি হাত মোজা, পা মোজা পরিয়ে রাস্তায় নামায় বালিকাদের।

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৬

ডিজিটালভূত বলেছেন: তাবলীগি জামাতী পীরপন্থী সব ইসলামিষ্টরাই নেকাব-কে পর্দা তথা ইসলামের বিষয় মনে করে। আর অন্যকেও নেকাব পরতে বাধ্য করে। এটা অন্যায়। আপনার বলুন, আমাদের মেয়েদর জন্য আমরা নেকাবকে নিরাপত্তামুলক ব্যবস্থা মনে করি। ইসলামের কারণে নয়।

৪১| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৭:৫৬

মানবী বলেছেন: আফগানিস্তানে নারীদের পর্দা ও নেকাবের মাঝে শুধু নয়, তাঁদের জীবনযপনে কঠিন বিধি নিষেধ জারী করার ঘটনাগুলো পড়ার সময় যেমন অনুভূতি হয়, এই পোস্টটি পড়ার সময় তেমন হলো।


যেটুকু জানি, কুরআন বা হাদীসে নেকাব পড়া সম্পর্কে কিছু উল্লেখ নেই। আমি নিজে বা আমার পরিবারের কেউ নেকাব পড়েননা, তবু এই পোস্টটির বক্তব্য আপত্তিকর মনে হলো।

একজন নারী নেকাব পড়বেন কি পড়বেননা, এটা তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত অভিরুচী। কোন পুরুষ এসে তা নির্ধারন করবে বা এটা নিয়ে আন্দোলন করবে, এটা বড় বেশি দৃষ্টিকটূ ও আপত্তিকর।।





" দুরন্ত স্বপ্নচারী বলেছেন: নিজের ঘর থেকে আন্দোলন শুরু হোক, কি বলেন? "

লেখক বলেছেন: অনেক আগেই শুরু করেছি।

-ভীষণরকম মেল শোভিনিস্টিক এ্যাটিচুড।



০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

ডিজিটালভূত বলেছেন: আফগানিস্তানে নারীদের অবস্থা এত খারাপ তো নেকাবের কারণেই। আর ইসলামিক স্কলারগণ এ জন্য বোধ হয় নেকাবের বিরুদ্ধে ফতোয়া জারি করতে বাধ্য হচ্ছেন।

৪২| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৩৬

নাজনীন১ বলেছেন: দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য আমাদের বেশীর ভাগ আলেমগণ এবং ফিকহবিদ্গণ পুরুষ, নারীদের উপস্থিতি সেখানে খুবই নগন্য। তাই ইসলামের কোন ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হয় পুরুষদেরকে, সেটা নারীবিষয়ক হলেও। যদিও ব্যাপারটা একজন নারীর জন্য সুখকর নয়, তবুও আমরা নারীরাই বা কয়জন ফিকহবিদ বা আলেম হবার স্বপ্ন দেখি?

নেকাবের ব্যাপারে তাই একজন গ্রান্ড মুফতিকে সিদ্ধান্ত নিতে হচ্ছে। আর লেখক, সে দায় এসে আপনার ঘাড়ে পড়লো!!!!

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩০

ডিজিটালভূত বলেছেন: সুন্দর কথা বলেছেন। অনেক ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

৪৩| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

নাহিদ মাহমুদ বলেছেন: না জেনে, না বুঝে লাফালাফির দায়ে মাইনাস।

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৩১

ডিজিটালভূত বলেছেন: দু:খ পাইলাম। তবে মাইনাসপন্থীরা এখানে সংখ্যালঘু। ধন্যবাদ সকল মাইনাস-কেও

৪৪| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:৫৮

উমর বলেছেন: লেখাটিও পড়লাম আর মন্তব্যগুলোতেও চোখ বুলালাম আর যা মনে হলো একটু বাড়াবাড়িই হয়েই গেছে। নেকাবের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবেন?

//আসলে ইসলামে মুখ ঢেকে রাখার কোন বিধান নেই। এমনকি এটা কোন নফল কাজও নয়। কুরআনে কোথাও মেয়েদের মুখ ঢেকে রাখতে বলা হয়নি। হাদীসেও নয়। বরং বহু সংখ্যক হাদীস নেকাব ব্যবহারের বিরুদ্ধে রয়েছে।//
এই কথাটি কি আপনার না কি ঐ মুফতি বলেছেন?

আচ্ছা এখন আসি আসল কথায়, এর বিরুদ্ধে আন্দোলন করার কিছুই হয় নাই, আপনি একটা ফিতনা টাইপ ব্লগ লিখেছেন।

আসুন দেখি কুরআন ও সহীহ হাদীসে কি আছে।

“বিশ্বাসী নারীদেরকে বলুন তারা যেন তাদের দৃষ্টিকে নত রাখে (নিষিদ্ধ জিনিস থেকে), এবং তাদের লজ্জা স্থানকে হিফাজত করে (অবৈধ সম্পর্ক থেকে) এবং তারা যেন তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ করে না বেড়ায় তবে যা স্পষ্টত দৃশমান (যেমন: পথ দেখার জন্য দুই চোখ, হাতের তালু) এবং চাদর দিয়ে যেন তাদের সমগ্র যুয়ূবিহিন্ন্া(যার মানে হলো- তাদের শরীর, মুখ, গলা, বুক) ঢেকে রাখে;... (সূরা নূর: ৩১)

যুয়ূব এর উপর চাদর ঢেকে রাখা বলতে মুখ ঢাকাও বুঝায়।

যখন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) কে নিন্মোক্ত আয়াতটির ব্যাখ্যা জানতে চাওয়া হলো:
“হে নবী, তুমি তোমার স্ত্রী, কণ্যা এবং বিশ্বাসী নারীদেরকে বলো, তারা যেন তাদের চাদর দিয়ে তাদের সমগ্র শরীর ঢেকে নেয়।” (সূরা আহযাব : ৫৯)

তখন তিনি তাঁর চাদর দিয়ে চোখদুটি ব্যতীত মুখটি ঢেকে ফেললেন। অর্থাৎ মুখ ঢাকাও এই আয়াতের ব্যাখ্যায় নির্দেশ করে। এই আয়াতের ব্যাখ্যা এই ভাবেই দিয়েছিলেন আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা), আর এটি বর্ণিত হয়েছে উবাইদাহ ইবনে সালমানির দ্বারা, এই প্রশ্নটি তিনি তাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন।

আর এটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের হাদীসেও রয়েছে: তিনি বলেছেন: “যেসব মহিল ইহরাম বাধা অবস্থায় থাকবে তারা যেন তাদের মুখ ঢেকে না নেয়”।
যেটা নির্দেশ করে ইহরাম ব্যতীত অন্যসময় নারীরা মুখ ঢেকে রাখতো।

আয়শা (রা) এই বিষয়টি চমৎকারভাবে ব্যাখ্যা করেছেন:
“আমরা যখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সাথে ইহরাম বাধা অবস্থায় হজ্জ্ব করছিলাম তখন কোন গায়রে মাহরাম আমাদের সামনে এলে আমরা মাথার চাদরটি টেনে নিয়ে মুখটি ঢেকে নিতাম আর তারা যখন চলে যেত তখন আবার তা উঠিয়ে ফেলতাম”

অর্থাৎ এই ফেস ভেইল বিষয়টি কাদের জন্য প্রযোজ্য তা চমৎকারভাবে উপরোক্ত হাদীস দ্বারা বুঝা যায়। সূরা নিসায় যাদের সামনে পর্দা করার দরকার নেই তাদের সামনে মুখ খোলা রাখা যাবে। কিন্তু গায়মে মাহরাম অর্থাৎ যাদের সাথে বিবাহযোগ্য তাদের সামনে মুখ ঢেকে রাখতে হবে।

হিজাব অর্থ স্বাভাবিক পোষাক আর এই জিনিসটা আমরা গুলিয়ে ফেলেছি। আসুন একটু পর্যালোচনা করি, সূরা নূর এর ৩১ আয়াতে স্বাভাবিক সৌন্দর্য বলতে কি বুঝাচ্ছে? বুঝাচ্ছে তাদের মুখ এবং হাত। আর এই দুইটি তারা কাদের সামনে খোলা রাখতে পারবে তারও তালিকা দেওয়া আছে আলোচ্য আয়াতে "তারা যেন তাদের স্বামী, পিতা, শ্বশুর, পুত্র, স্বামীর পুত্র, ভ্রাতা, ভ্রাতুস্পুত্র, ভগ্নিপুত্র, স্ত্রীলোক অধিকারভুক্ত বাঁদী, যৌনকামনামুক্ত পুরুষ, ও বালক, যারা নারীদের গোপন অঙ্গ সম্পর্কে অজ্ঞ, তাদের ব্যতীত কারো আছে তাদের সৌন্দর্য প্রকাশ না করে" (সূরা নূর : ৩১)

অর্থাৎ এদের সামনে স্বাভাবিক অবস্থায় মুখ খোলা রাখলে কোন অসুবিধা নেই কিন্ত চাদর বা ওড়না দ্বারা কিন্তু শরীরটি ঠিকই ঢাকা থাকতে হবে। এখানে শরীর ঢেকে রাখা হচ্ছে স্বাভাবিক পোষাক।


হিজাব বলতে কি বুঝায়?
হিজাব আরবী শব্দ, যার অর্থ হলো ঢেকে রাখা। অর্থাৎ হিজাব সে অর্থে ব্যবহৃত হয় যার দ্বারা কোন কিছু ঢেকে রাখা হয়। হিজাবের মাঝে যা আসবে তার সবটুকুই ঢেকে রাখা।

এর সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা হলো: এমনভাবে ঢেকে রাখা অর্থাৎ যে জিনিসটাকে ঢেকে রাখা হয়েছে তা অন্য কিছু কে সেখানে যেতে বাধা দেয়।

আরো বিস্তারিত জানার জন্য: http://islam-qa.com/en/ref/21134/Niqaab

আশাকরি বিষয়টি আপনি বুঝতে পারবেন।

০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

ডিজিটালভূত বলেছেন: আপনি নিজেই তো বুঝলেন না। আয়াতের ব্রাকেটে যা লেখছেন ওগুলো আপনার মনগড়া ব্যাখ্যা। ওগুলো কুরআনের অংশ নয়। আর এ রকম মনগড়া ব্যাখ্যার মাধ্যমে সমাজে কুসংস্কার আর বিদয়াত চালু করা হয়েছে।
সূরা নূরের ৩১ আয়াতের ব্রাকেটে যা দিয়েছেন তা সব নিজের কথা। আল্লাহর কথা নয়।
সূরা আহযাবে ৫৯ আয়াতে আপনি অনুবাদে সমগ্র শরীর লিখেছেন। এটি একটি জালিয়াতি। আয়াতে এ শব্দটি নেই।
নেকাব যদি সুন্নাত হত তাহলে ইহরাম অবস্থায় তা নিষিদ্ধ হতো না।
আমি এ বিষয় একটি দীর্ঘ প্রবন্ধ লিখব। আশা করি পড়েবন।

৪৫| ০৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১১:৪৫

উমর বলেছেন: আপনি আরবী জানেন কিনা জানি না, যদি অনুবাদ পড়ে মনে করেন যেটা পড়েছি সেটাই ঠিক তাহলে ভুল করবেন।

//সূরা নূরের ৩১ আয়াতের ব্রাকেটে যা দিয়েছেন তা সব নিজের কথা। আল্লাহর কথা নয়।//
তাহলে তো কোন তাফসীর পড়াই ঠিক না, কারণ সব তাফসীরই কারো না কারো মনের ব্যাখ্যা, ঐগুলো আল্লাহর কথা নয়, আল্লাহর কথা প্লেইন আরবী টেক্সট।
যুয়ূবিহিন্না দ্বারা যা বুঝায় তা আমি বলে দিয়েছি।

//সূরা আহযাবে ৫৯ আয়াতে আপনি অনুবাদে সমগ্র শরীর লিখেছেন। এটি একটি জালিয়াতি। আয়াতে এ শব্দটি নেই।//
এটি একটি জালিয়াতি.... আপনার এই কথা দ্বারাই বুঝায় আপনি আরবী জানেন না।
তাফহীমুল কুরআন পড়েই মনে করবেন না তাফহীমের লেখক যা লিখেছেন তাই ১০০% সঠিক।
দেখুন আপনাকে আমি বুঝার সুবিধার্থে নীচে কতগুলো অনুবাদ দিয়ে দিচ্ছি:
মালিক আলোচ্য আয়াতটির যে অনুবাদ করেছেন:
O Prophet! Enjoin your wives, daughters and the believing women that they should draw their outer
garments over their persons. That is more proper, so that they may be recognized and not bothered.
Allah is Forgiving, Merciful.

ইউসুফ আলীর অনুবাদ:
O prophet! tell thy wives and daughters and the believing women that they should cast their outer
garments over their persons (when abroad): that is most convenient that they should be known (as
such) and not molested: and Allah is Oft-Forgiving Most Merciful.

Pickthall এর অনুবাদ:
O Prophet! Tell thy wives and thy daughters and the women of the believers to draw their cloaks
close round them (when they go abroad). That will be better, that so they may be recognized and not
annoyed. Allah is ever Forgiving, Merciful.


ইউদনিনা = টেনে নেওয়া
আলাইহিন্না = তাদের উপর
জালাবিবিহিন্না = তাদের বাইরের চাদর

আর উপরোক্ত আয়াতের তাফসীরে আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) দেখিয়ে দিয়েছেন কি করে চাদর টেনে নিতে হয়। (আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা) বিখ্যাত সাহাবী ছিলেন যার কাছে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মৃত্যুর পর, সাহাবীরা মক্কায় তার নিকট কুরআনের আয়াতের ব্যাখ্যা জিজ্ঞেস করতেন)

//তখন তিনি তাঁর চাদর দিয়ে চোখদুটি ব্যতীত মুখটি ঢেকে ফেললেন।//


আর শেষকথা, আপনি নিকাবের বিরুদ্ধে আন্দোলন করবেন, জানি আপনি কেন এই কথা বলছেন, কারণ আপনি একদিন বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছিলেন আর এই জন্যেই আপনার কাছে মুহতারাম মুফতির কথা ভালো লেগেছে।
এই বিষয়টি নিয়ে কে কি বললো, তার গুরুত্ব না দিলেই ভালো করবেন, কুরআন এবং সহীহ হাদীসে কি আছে তা কষ্ট করে একটু অনুসন্ধান করুন, হুট করে কিছু লিখে বা প্রকাশ করে মানুষকে বিভ্রান্ত করবেন না, তা না হলে মানুষগুলোর বিভ্রান্ত হওয়ার দায় আপনার উপরই বর্তাবে।

আর মানুষের ভিতর একবার যা ঢুকে যায় তা পরিবর্তন করা কষ্টসাধ্য, আমি আপনার মনোভাব পরিবর্তন করতে পারবো না। আপনি স্বাধীনভাবে যেটা বুঝেছেন সেটাই আপনার নিকট থাকবে, আপনি এর পিছনে অনেক যুক্তি উপস্থাপন করবেন, তর্ক করবেন।

যেমন আপনি না বুঝেই হুট করে বলে দিলেন এটা জালিয়াতি, এটা কি ঠিক হলো? আগে জেনে নিন তারপর অগ্রসর হোন।










০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৩৪

ডিজিটালভূত বলেছেন: আমি তাফহীম পড়ি না। সরাসরি কুরআন থেকে অর্থ বুঝে নেই। তাফসীর পড়ি, তবে সব তাফসীর গ্রহণ করি না। যে সকল তাফসীর কুরআনের আয়াত ও সহীহ হাদীস দিয়ে করা হয়েছে সেগুলোকে গ্রহণ করি।
আয়াতের ব্যাখ্যায় আব্দুল্লাহ বিন আব্বাসের যে বক্তব্য আপনি পেশ করলেন, তার সনদ দুর্বল। তাই তা প্রত্যাখ্যাত। ইবনে আব্বাসের প্রসিদ্ধ, সর্বাধিক বিশুদ্ধ তাফসীরে (সূরা আন নূরের ৩১ আয়াতে) চেহারা খোলা রাখার কথা এসেছে আপনি তা উল্লেখ করলেন না। দূর্বল সনদ দিয়ে আমাকে জ্ঞান দিলেন।
যদি কেহ আপনাকে বলে শরীরটা ঢেকে রাখবেন, এর অর্থ আপনি কি বুঝবেন? আর এটা বুঝার জন্য মানতেক পড়া দরকার। আল্লাহ যখন কুরআনে বলেন, মানুষ অত্যাধিক জালেম ও কাফের। তখন এর অর্থ কি সকল মানুষ? তাই আপনি সমগ্র শরীর কথাটি আয়াতের অনুবাদে ব্যবহার করে আমানতদারীর পরিচয় দেননি। তাই আমি এটাকে জালিয়াতি বলেছি।
আসলে আমরা সীমাবদ্ধ গন্ডির বাহিরে যেতে রাজী না। আর এ জন্যই কুরআন ও হাদীসকে নিজেদের মনের কত করে ব্যাখ্যা করি। কোথাও বাড়াই কোথাও কমাই। আমরা এ ক্ষেত্রে মোটেই আল্লাহর কাছে জওয়াবদিহিতার চিন্তা করি না। আর এভাবে মনগড়া কথা বলে বলে আমরা মেয়েদর মসজিদে যেতে দেই না। ঈদের নামাজ পড়তে বাধা দেই। জানাযা পড়তে নিষেধ করি। অথচ তারা সর্বত্রই ঘুরে বেড়ায়। তখন আমরা কিছু করতে পারি না।
আল্লাহ যা বলেননি তার তার কথা বলে চালিয়ে দেয়া বড় জুলুম। তেমনি নবী যা বলেননি তা তার কথা বলে প্রকাশ করা মারাত্নক অন্যায়।
আমি আবারও বলি নেকাব পরা অন্যায় নয়। তবে তা ইসলামের আচার বলা অন্যায়। এটি একটি সামাজিক আচার।
আয়েশা রা. বলেছেন, তিনি পুরুষদের দেখলে মুখ ঢেকে নিতেন মর্মে যে হাদীসটি আছে তার সনদ দূর্বল। কারণ এ হাদীসের একজন বর্ণনাকারী ইয়াযীদ ইবনে আবি যিয়াদ দুর্বল রাবী হিসাবে সকলের নিকট স্বীকৃত। আপনার কল্যাণ কামনা করছি।

৪৬| ০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৮:৪২

'লেনিন' বলেছেন: @লেখক: আমার প্রশ্নগুলো অসংহত অনলস হয়ে ওঠা 'অলস ছেলে'র প্রতি। আপনি চাইলে উত্তর দিতে পারতেন। পক্ষে না বিপক্ষে সেটা জানাটা খুবই জরুরী নয়। আপনার চিন্তা প্রক্রিয়া পজিটিভ মনে হওয়ায় প্লাস দিয়েছি আগেই।

০৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৪

ডিজিটালভূত বলেছেন: বুঝতে ভুল হল আমার। ধন্যবাদ ভাল থাকবেন।

৪৭| ১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৮

রিয়াজ উল বলেছেন: মানবী বলেছেন...একজন নারী নেকাব পড়বেন কি পড়বেননা, এটা তাঁর একান্ত ব্যক্তিগত অভিরুচী। কোন পুরুষ এসে তা নির্ধারন করবে বা এটা নিয়ে আন্দোলন করবে, এটা বড় বেশি দৃষ্টিকটূ ও আপত্তিকর।।
সহমত......

আপনার কাছ থেকে এই ব্যাপারে আরো লেখা আশা করছি....

১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:৫৮

ডিজিটালভূত বলেছেন: লেখব ইনশা আল্লাহ। আপনাকে ধন্যবাদ।

৪৮| ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ৯:১০

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: "নেকাব যদি সুন্নাত হত তাহলে ইহরাম অবস্থায় তা নিষিদ্ধ হতো না।" ---
যুক্তিটা কি ঠিক আছে? সাধারন অবস্থায় স্বামী স্ত্রীর ঘনিষ্ট সম্পর্ককে শুধু সুন্নত না, ফরজও বলা যায়, কিন্তু ইহরাম অবস্থায় সেটা হারাম, তাই না?

আমি যতটুকু জানি নিকাবের ব্যাপারে আলেমদের ঐতিহাসিক সময় থেকেই 'দ্বৈতমত' আছে, ঐক্যমত নেই। একাংশ বলেন নিকাব আবশ্যক, আরেকাংশ বলেন, নিকাব আবশ্যক না। এটা মাওলানা মওদূদী প্রথম বলেন নি, বরং মালিকী, হাম্বলী, শাফী' এই তিনটা মাজহাব অনুযায়ীই নিকাব দেয়া ওয়াজিব! সত্যি বলতে কি, এই প্রথম কোন আলেমকে বলতে শুনলাম নিকাব ইসলামের অংশ না। হয়তো সেটা আধুনিক যুগের তৃতীয় মত!

পড়তে পারেন সৌদি গ্যাজেটের এই আর্টিকেলটা

আমি নিজে মনে করি নিকাব আবশ্যক না, এবং নিকাব পরি না। কিন্তু মাঝে মাঝে, ধর্মীয় কারণে না, ব্যক্তিগত কারণে পরি। বাংলাদেশে বাসে, টেম্পোতে, মৌচাকের মত জায়গার দোকানে গেলে ছেলেরা মাঝে মাঝেই 'একদৃষ্টিতে' তাকিয়ে থাকে। এই তাকানোতে মনে হয় খারাপ চিন্তা তেমন থাকে না, কিন্তু অসম্ভব রকমের অস্বস্তিকর একটা দৃষ্টি। বাংলাদেশে যেই মেয়েরা থাকে তারা এই 'তাকিয়ে' থাকাতে অভ্যস্ত হয়ে যায়, ওদের খারাপ লাগে না। কিন্তু আমার খুব অস্বস্তি হয়, তাই মাঝে মাঝে নিকাব দেই। নিকাব নিষিদ্ধের আন্দোলন করতে হলে কোন ছেলে অধিকার না থাকা সত্ত্বেও অপ্রয়োজনে ২০ সেকেন্ডের বেশি কোন মেয়ের মুখের দিকে তাকিয়ে থাকলে তার চোখে মরিচের গুড়া ঢেলে দেয়ার আইনী অধিকার দেয়ার জন্যও আন্দোলন করবেন প্লীজ!

৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:২৮

ডিজিটালভূত বলেছেন: প্রথম কথা হল ইসলাম সেটাই যা কুরআন ও সহীহ দ্বারা প্রমাণিত। কোন ব্যক্তির মতামত ব্যক্তিগত হিসাব। সেটা ইসলামের নামে চালানো যায় না। অবশ্য নেকাব একটি সামাজিক সুরক্ষাও বটে। যার প্রয়োজন হয় সে নেকাব পড়বে। কিন্তু নেকাব না পরলে পর্দাই পালন হবে না এ কথাটা বাড়াবাড়ি। তেমনি কোন সমাজে নেকাব দ্বারা সামাজিক সমস্যা সৃষ্টি হলে কর্তৃপক্ষ নেকাব নিষিদ্ধ করতে পারেন।
আমি নেকাবের বিরুদ্ধে নই। কিন্তু নেকাবকে ইসলামি সংস্কৃতি বলার পক্ষপাতী নই। আমি সৌদী আরবের অনেক ইসলামি স্কলারদের সাথে এ ব্যাপারে কথা বলেছি। তারা নেকাবের পক্ষে কিন্তু যখন এ বিষয়ে আলোচনা করেছি তখন তারা এটাকে ইসলামী সংস্কৃতির অংশ প্রমাণ করতে তেমন কোন দলীল দিতে পারেননি। তাদের সবচেয়ে বড় যুক্তি হল মেয়েদের চেহারা হল সৌন্দর্যের আসল জায়গা। এটা যদি খোলাই থাকে তাহলে আর পর্দা করে লাভ কি? কিন্তু তাদের এ যুক্তি শুধুই যুক্তি-কুরআন বা সুন্নাহ দ্বারা সমর্থিত নয়। আমার সংগ্রহে একশতের বেশী হাদীস আছে যা সহীহ এবং নেকাবের বিপক্ষে। এগুলো অধিকাংশ হিজাবের বিধান নাযিল হওয়ার পরের হাদীস। ধন্যবাদ অনেক ভাল থাকবেন।

৪৯| ৩১ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৫৬

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: আমি নেকাবের বিরুদ্ধে নই।--- আপনার পোস্টটা কিন্তু ছিল নিকাব বিরোধী আন্দোলনের ডাকে :)। জানেন তো, মিশরের ওই ঘটনার পরে ইংল্যান্ড আর ইটালীর কিছু লবী গ্রুপ ভালোই সুযোগ পেয়েছে নিকাব ব্যান করার।

"তখন তারা এটাকে ইসলামী সংস্কৃতির অংশ প্রমাণ করতে তেমন কোন দলীল দিতে পারেননি"
কিছু স্পষ্ট হাদীস আছে রাসুল (সা) এর স্ত্রীরা মুখ ঢাকতেন। ওগুলো সবই কি দুর্বল? বুখারী শরীফেই যে আছে, ইফকের ঘটনার হাদীসটা, যেখানে ঘুম ভাঙার সাথে সাথে আয়েশা (রা) মুখ ঢাকলেন?

আর এটা কি ভাবার বিষয় না যে তিনটা মাযহাবে নিকাবকে ওয়াজিব বলা হয়েছে? যেটা কুরআন সুন্নাহ দিয়ে সমর্থিত না, সেটা কে কি ওয়াজিব বলা যায়? আপনি আলেম কি না জানি না, আপনার ফতোয়া দেয়ার অধিকার আছে কি না তাও জানি না, কিন্তু আপনি কি নিজে নিজে 'সৌদি আরবের অনেক আলেমদের' অসন্তোষজনক জবাব পেয়ে ধরে নিতে পারবেন যে তিনটা বড় বড় মাযহাবের আলেমরাই ভুল বলেছিলেন? এতটুকু বলাই কি যথেষ্ট না যে আপনি দুইটা ভ্যালিড অপিনিয়ন থেকে একটা প্রেফার করছেন? আমার বুঝায় কি ভুল আছে?

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০৮

ডিজিটালভূত বলেছেন: রাসূলুল্লাহ সা. এর সম্মানিত স্ত্রীগণসহ অন্যান্য মহিলা সাহাবীগণ মুখ ডাকতেন স্বভাবগত লজ্জায়। এ মর্মে একটি সহীহ হাদীস এসেছে যে এক মহিলার পুত্র জিহাদে শহীদ হল, মহিলার নাম ছিল উম্মে খাল্লাদ তিনি রাসূলুল্লাহ সা. এর কাছে তার শহীদ ছেলের অবস্থান জানার জন্য আসলেন। তখন তার মুখে নেকাব ছিল। সাহাবীরা তাকে বললেন, তুমি রাসূলুল্লাহ কাছে এসেছো আবার মুখ ঢেকেছো? মহিলা উত্তর দিলেন, আমি আমার ছেলেকে হারিয়েছি তাই বলে আমার লজ্জা হারাবো? হাদীসটি আবু দাউদ জিহাদ অধ্যায়ে বর্ণনা করেছেন।
আর নবীর স্ত্রী গণের জন্য বিশেষ পর্দার নির্দেশ ছিল যা অন্যদের জন্য ছিল না। তাই তারা নেকাব ব্যবহার করলে অন্যদের জন্য তা জরুরী হয় না। সূরা আহযাবের ৩২ নং আয়াত ও পরবর্তি আয়াতগুলো পাঠ করুন, শুধু অনুবাদ নয়, চোখ-কান খুলে মর্ম বুঝতে চেষ্টা করুন।
আল্লাহ তাআলার ইচ্ছা যদি এমনি হয় যে সকল মেয়ে মুখে নেকাব পরে রাখবে, তাহলে তিনি পুরুষদের দৃষ্টি নীচু রাখতে কেন নির্দেশ দেবেন? একটু ভাবুন।
আপা আমি মুফতী নই। তবে মাদরাসায় পড়াশুনা করেছি। এখনো গবেষণা করে যাচ্ছি। কিন্তু তিন মাযহাবে নেকাব ওয়াজিব বলা হয়েছে বলে আমি শুনি নাই। আখেরাতে আল্লাহ আমাদের জিজ্ঞাসা করবেন, তোমরা রাসূলের নির্দেশ মান্য করেছিলে কিনা। মাযহাব সম্পর্কে আল্লাহ কোন প্রশ্ন করবেন বলে আমি বিশ্বাস করি না। মনে হয় আপনিও করেন না।
ইসলাম ধর্ম সহজ। এটাকে কেহ কঠিন করে উপস্থাপন করলে সে আল্লাহ থেকে শাস্তি পাবে। ইসলামকে ইসলামের মত থাকতে দেয়াটাই হল ইসলাম। আমি যে নেকাবের বিরুদ্ধে আন্দোলনের ডাক দিয়েছি সেটা ইসলামের নামে যে নেকাব প্রচলিত সেটার বিরুদ্ধে। সামাজিক বা ব্যক্তিগত নেকাবের বিরুদ্ধে নয়।
আমি যা বলছি সেটা ফতোয়া নয়। গবেষণা বলতে পারেন।
আর মাযহাবের আলেমরা ভুল করতে পারেন না, এ মর্মে আমার কাছে কোন প্রমাণ নেই। তারা মানুষ, তাই ভুল করতেই পারেন। এ বিষয়ে আপনার আগ্রহ-কে ধন্যবাদ না জানিয়ে পারছি না। আল্লাহ আপনাকে ভাল রাখবেন। সে প্রার্থনা করছি।

৫০| ০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:৩৬

চিমটি বলেছেন: ভাইজান, ভাবীর একটা ফটো (নেকাব ছাড়া ) এখানে দিয়ে দিয়েন। তারপর দেখেন হিট কাকে বলে !!

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:১০

ডিজিটালভূত বলেছেন: আপনার ভাবীর চেহারায় হিট করার মত কিছু নাই। ধন্যবাদ

৫১| ০৮ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৭:০৫

সন্ধ্যাবাতি বলেছেন: যাদের জোর করে হিজাব পড়ানো হয়, সেটাও তো বন্ধ করা দরকার। নিয়ত দেখে দেখে সে অনুযায়ী হিজাব নিকাব ব্যান করার আহবান দেয়া কি কোন সমস্যা সমাধানের উপায়?

আপনি যেটাকে স্বাভাবিক লজ্জা বলছেন, আমি সেটাকে স্বাভাবিক লজ্জা বলব না। এই লজ্জাটা শুধু নারী হওয়ার জন্যই হয় নি, বরং লজ্জার জন্ম হয়েছে ইমান থেকে। এটা ছেলে মেয়ে সবার ক্ষেত্রে সত্য। ভেবে দেখেন, ছেলেদের জন্য সতর শুধু নাভী থেকে হাঁটুর নিচ পর্যন্ত, কিন্তু আল্লাহর রাসুল কখনও নিজের বুক পিঠ থেকে কাপড় সরাতেন না। আমার অবজারভেশন হচ্ছে, যাদের আমল খুব ভালো, সেই ছেলেদের পোশাক আশাকেও এতটা রিজার্ভেশন চলে আসে, যেটা প্রয়োজনের চেয়েও অতিরিক্ত। এটা কি স্বাভাবিক লজ্জা থেকে আসে? একই ছেলে, যে আগে প্র্যাকটিসির ছিল না, তার প্র্যাকটিস শুরু করার পরবর্তী পরিবর্তন দেখে বুঝা যায়, ইমানের সাথে পোশাক আশাকে অতিরিক্ত রিজার্ভেশনের সম্পর্কটা কতটুকু।

আমি মনে করি না নিকাব দেয়া ওয়াজিব, কিন্তু আমি মনে করে নিকাব দেয়া নিকাব না দেয়ার চেয়ে 'ভালো', ইসলামিক প্র্যাকটিসের পয়েন্ট অফ ভিউ থেকেই, শুধু সামাজিক না। আপনি নিকাবের ব্যান দেখতে চাইছেন, তাই নিকাবকে নিকাব না দেয়ার চেয়ে ভালো ভাবছেন না। সেজন্যই আপনার চিন্তা ভাবনা আমার ভালো লাগে নি।

আমার জানা মতে শুধু হানাফী মাযহাবে নিকাবকে মুস্তাহাব বলা হয়েছে, অন্য সব মাযহাবে ওয়াজিব বলা হয়েছে। আপনি মাদ্রাসায় পড়া, তাই আপনার গবেষণা অবশ্যই আমার চেয়ে ভালো হবে, একটু জানাবেন কি এই তথ্যটা কি ভুল কি না?

আল্লাহ মাযহাব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন না। কিন্তু জানার জন্য জ্ঞানীদের কাছে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল নাকি জ্ঞানের অভাব থাকা সত্ত্বেও নিজের বিচার বুদ্ধির উপর আস্থা রাখা হয়েছিল, সেটা জিজ্ঞাসা করবেন। আমার নিজের জ্ঞানের উপর আস্থা নেই, তাই তাকলীদ করি, যদিও কোন মাযহাবের তাকলীদ করবো কোন ক্ষেত্রে, সেটা আমার আশে পাশের ইমাম, অন্যান্য মানুষ, আমার নিজের জ্ঞান, সেসব দিয়ে প্রভাবিত।

০৯ ই নভেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:১৩

ডিজিটালভূত বলেছেন: যারা জোর করে নেকাব পরায় তাদের জোর তো এখানেই যে তারা নেকাবকে ওয়াজিব মনে করে।
আমার কথা হল, দুনিয়ার সকল ইমামগণ যদি বলেন নেকাব ওয়াজেব আর এর স্বপক্ষে যদি কুরআন ও সুন্নাহর দলীল না থাকে তাহলে তা বাতিল ও প্রত্যাখ্যাত। আমি যদি এ ধরনের মতামত প্রত্যাখ্যান করি তাহলে আল্লাহ তাআলার কাছে সওয়াব পাবো বলে আমার বিশ্বাস।
আমাদের ইমামগণ ছিলেন মুজতাহিদ। আর আপনি জানেন মুজতাহিদগণ তাদের ইজতিহাদে ভুল করলেও একটি সওয়াব পাবেন। আর সঠিক সিদ্ধান্তে উপনীত হলে দুটো সওয়াব পাবেন।
আমাদের পূর্বসূরী সম্মানিত ইমামগণ যখন ইজতেহাদ করেছেন তখন হাদীসসমূহ পূর্ণরূপে সংকলিত হয়নি। হাদীসের সনদ-সুত্রের যাচাই-বাছাই তখনো সম্পন্ন হয়নি। ফলে তাদের কাছে অনেক হাদীস পৌছেনি। পৌছলেও সেগুলের শুদ্ধাশুদ্ধির বিষয়ে তাদের কাছে তেমন তথ্য ছিল না। পরবর্তিকালে হাদীস সংকলন হয়ে গেলে, গ্রহণযোগ্য ও অগ্রহণযোগ্য হাদীসগুলো চিহ্নিত হয়ে যাওয়ার পর ইমামদের ভুলগুলো ধরা পড়ে। তখনও যদি ইমামদের ভুল সিদ্ধান্তের উপর অটল থাকি তাহলে আমরা ইসলামটা অনুসরণ করলাম কোথায়? কাফেরদের মত তো আমরা আমাদের পূর্বপুরুষদের অনুসরণ করার দোহাই দিলাম।
হা, জ্ঞানীদের জিজ্ঞেস করতেই হয়। সে জন্য শর্ত হলো, যদি তোমরা না জানো। হাদীস কুরআন পাঠ করার পরে আমরা যদি কোন বিষয় বুঝতে না পারি তাহলে তো অবশ্যই জিজ্ঞেস করবো। আর যদি বুঝে যাই তাহলে সেই বুঝ মোতাবেক আমল করাই কর্তব্য।
নিজের জ্ঞানের উপর নির্ভর করা যায় না, এটা ইসলামী ধারনা নয়। ইসলামতো নিজের জ্ঞান অনুযায়ী চলতে বলে। এজন্য বার বার বলা হয়েছে, তোমরা কি বুঝ না? তোমাদের কি জ্ঞান নেই? তোমরা কি অনুধাবন করবে না? ইত্যাদি।
জানীদের কাছে জিজ্ঞাসা করার অর্থ এ নয়, আমরা যা বুঝি অথবা দেখি তা বাদ দিয়ে জ্ঞানীদের তাকলীদ করবো। এ ধরনের তাকলীদে ইসলামে নিষেধ।
অবশ্য কারো যদি নিজের জ্ঞানের উপর আস্থা না থাকে তবে তার কথা আলাদা। কেহ নিজেকে জ্ঞানী মনে না করলে অন্যেরা তাকে জ্ঞানী বানাতে পারে না।
আর ইমানের কারণে যদি এমন কোন স্বভাব কারো তৈরী হয় যা ইসলাম অনুমোদন করে না, তাহলে আমি বুঝে নেব তার ইমানে ভেজাল আছে।
ইসলামতো আত্নসমর্পন করার নাম। আমি দীর্ঘদিন যাবত একটি কাজে অভ্যস্ত ও সেটাকে বৈধ মনে করে আসছি। যখন শুনলাম এটা ইসলামি সংস্কৃতি নয় তখন সাথে সাথে তা থেকে সরে আসাটা হল ইসলাম। আর বিভিন্ন অজুহাতে তা আকড়ে ধরে থাকাটা হল জাহেলিয়াত।
কোন মাজহাবে নেকাবকে ওয়াজিব বলা হয়েছে বলে আমার কাছে তথ্য নেই। বলা হলে বা কি? ওয়াজিব হয়ে যাবে?
অনেক ধন্যবাদ। আল্লাহ আপনাকে ভালো রাখুন।

৫২| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৪

মুহাম্মাদ তারিক সাইফুল্লাহ বলেছেন: কুরআনে পর্দার ব্যাপারে 'জিলবাব' শব্দটির উল্লেখ আছে। জিলবাব অর্থ 'সর্বত্তম আবরন'। সুতরাং সর্বত্তম আবরনগ্রহণকারীই আখিরাতে লাভবান হবেন।

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:২৬

ডিজিটালভূত বলেছেন: ঠিক বলেছেন। জিলবাব ব্যবহার কারীগণ দুনিয়াতেও লাভবান হবেন।

৫৩| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১০ সকাল ৭:০৮

উমর বলেছেন: @লেখক,ডিজিটাল ভূত, আসসালামু আলাইকুম ভাই,

আমার পূর্বোক্ত মন্তব্য দুটো মুছে দিবেন।

এটা http://islam-qa.com/en/ref/21134/Niqaab
রেফারেন্সের আদলে লিখেছিলাম আর তখনও আমি নাসিরুদ্দিন আলাবানীর The Face Veil লেখাটি পড়া হয়নি। এরপর যখন পড়েছি তখন আমার ভুল ভেঙ্গেছে। কাজেই আমি আমার পূর্বোক্ত মন্তব্য থেকে সরে এসেছি। দয়া করে মুছে দিবেন কারণ সাম্প্রতিক সময়ে এটা নিয়ে একটা বড় ভুল বুঝাবুঝি হয়ে গেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.