| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
কয়েক মাস আগে নাস্তিকদের সংখ্যা বৃদ্ধি নিয়ে একটা খবর দৃষ্টি কেড়েছিল। খবরটি কৌতুহলউদ্দীপক নিঃসন্দেহে। স্রষ্টায় অবিশ্বাসই নাস্তিকতা। নাস্তিকতা ব্যক্তির স্বাধীন ইচ্ছা, নিজে থেকে নির্বাচন করার ব্যাপার- এটাকে আপাত সেরকমই মনে হয়। কিন্তু দেখা গেছে ধর্মানুসারীদের মত নাস্তিকতাও স্বেচ্ছা নির্বাচনের বিষয় নয়। নাস্তিকদের সংখ্যা বৃদ্ধির খবর শুনে মূল খবরে গিয়ে তারই প্রতিফলন পাওয়া যাবে। অবশ্য খুব অবাক করা ব্যাপার ছিল সংবাদটি পরিবেশনের ধরণ। কালেরকন্ঠে এ খবরটি আসছে এভাবে ‘বিশ্বের প্রতি ছয়জনে একজন ধর্মহীন’। বিশ্বে প্রতি ছয়জনে পাঁচজনের ধর্ম আছে সেটা শুনার চেয়ে একজনের যে ধর্ম নেই তা বলার মধ্যে এক ধরণের থ্রিল কাজ করে বুঝা যায়। কুকুর মানুষ কামড়ালে খবর হয় না কিন্তু মানুষ কুকুর কামড়ালে সেটি যেমন খবর হয়।
প্রগতিশীল ধর্মনিরপেক্ষ মানবতাবাদী গোষ্ঠী নামের নাস্তিকগোষ্ঠীও (প্রগতিশীলতা, ধর্মনিরপেক্ষতা, মানবিকতা একে অপরকে ছাড়া চলতে পারে না!) যেভাবে তথ্যটি দিয়েছে সেখানেও দেখা যায় প্রতি ছয়জনে একজন প্রথাগত ধর্মে বিশ্বাস করে না। কিন্তু যারা এই গবেষণা করেছে ও যাদের গবেষণার উপাত্ত জনে জনে ব্যবহার করছে তারা খবরটিকে মানুষের কুকুর কামড়ানোর মতন ঘটনা হিসেবে দেখে নাই। মূল গবেষণাকারী প্রতিষ্ঠান Pew Forum প্রতি দশজনে আটজন নিজেদের ধর্মীয় গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত বলে বিবেচনা করাকে গুরুত্বসহকারেই স্থান দিয়েছে। তবে প্রতি ছয়জনে একজন যে প্রতিষ্ঠিত ধর্মের সাথে সম্পর্ক নেই সেটাও উল্লেখ করেছে।
যাক পিউ ফোরাম এর মূল লেখায় ঢুকে বিষয়টি পরিষ্কার হল। অধার্মিকদের অনেকেরই বিশ্বাস ও আধ্যাত্নিকতা আছে, নির্ভেজাল নাস্তিক না। সেটা এমন কিছু না, কারণ আস্তিকদের মধ্যেও ভেজাল আছে, মুনাফেক আছে আর আছে বর্ণচোরা। তবে মূল ঘটনা হল এই নাস্তিকরা মূলত বামপন্থী মতবাদের বাইপ্রোডাক্ট। আর সেটি স্বেচ্ছা নির্বাচনের বিষয়তো না-ই। দেখা গেছে এই ধর্মহীনদের শতকরা '৬২ ভাগ'ই চীনা। সাংস্কৃতিক বিপ্লবের নামে লক্ষ লক্ষ লোক হত্যা করেই সমাজতন্ত্র আসছে, আর তার হাত ধরে নাস্তিকতার ক্ষেত্রও তৈরী হয়েছে। আর এই অধার্মিকদের ৭৬ ভাগই এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের। উত্তর আমেরিকাতে মাত্র ৫% এবং ইউরোপে ১২%।
এই অধার্মিকরা যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠ সেখানেও বামরাজত্ব! চেক রিপাবলিক (৭৬%), উত্তর কোরিয়া (৭১%), এস্তোনিয়া (৬০%), জাপান (৫৭%), হংকং (৫৬%) এবং চীন (৫২%)! চেক রিপাবলিকে প্রায় ৪১ বছর কমিউনিস্ট শাসনাধীন ছিল, এস্তোনিয়া ১৯৪০ সাল থেকে রাশিয়া দ্বারা দখল হবার পর প্রায় ৫০ বছর কমিউনিস্ট শাসনাধীনে, উত্তর কোরিয়াতো এখনও কমিউনিজমের লীলাভুমি! বস্তুবাদী জাপান ও হংকং এক্ষেত্রে কিছুটা ব্যতিক্রম! নাস্তিকতা বামজাত, কিন্তু বাম নাস্তিকসহ আপামর নাস্তিকরা বাম ও নাস্তিকরে যেন তেল-জলের মতো দেখে। এই সম্পর্ক ঢাকতে তারা ভেক ধরে প্রগতিশীলতা, আধুনিকতা ও মুক্তমনার
যাক, নাস্তিকতা যেমনেই বাড়ুক (!) বাড়ছেতো। এত নাস্তিক, দিশাহীন! দিশা ঠিক করার জন্য দরকার একটা উপাসনালয়! এর জন্য একটা ভিত্তি তৈরী করা হয়ে গেছে আগেই, এথিইস্ট বাস নিয়ে লম্ফঝম্ফ কম হয় নাই, দিকনির্দেশনামূলক বইও লিখা হইতেছে। যাই হোক ওই উপাসনালয়ে থাকবে অমালিন শান্তি, ভালোবাসা আর বন্ধুত্ব, আফটার অল মানবধর্মও তাই বলে! উপাসনালয় ছাড়া এগুলো যে জমে না প্রকারান্তরে সেটাই যেন তারা স্বীকার করে নিয়েছে! আর প্রতিযোগিতাটাতো ধার্মিকদেরই সাথে! ঈশ্বর ছাড়া নাস্তিকও হওয়া যায় না, উপাসনালয় ছাড়া তাদের চলবে কী করে।
তথ্যসুত্রঃ
১. Click This Link
২. Click This Link
৩. Click This Link
৪. Click This Link
নোটঃ আমি সদালাপে 'শামস' নামে লিখে থাকি। লেখাটি ইতিপূর্বে সদালাপে প্রকাশিত হয়েছিল।
২০ শে জুন, ২০১৩ রাত ৮:০৩
দীপ জ্বেলে যাই বলেছেন: নাস্তিক ও বাম প্রায় সমার্থক, সেটাই পোস্টে তথ্যসুত্রসহ দেখাতে চেয়েছি। বাম থাকলে নাস্তিকও থাকবে। আজিজের আড্ডাটা আগে পাবলিকের লোকচক্ষুর আড়াল ছিল, নেটের সহজলভ্যতার জন্য এখন ব্লগে আসছে তাই চোখে পড়ে!
২|
২০ শে জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৩
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: জীবনধারনের জন্য ধর্ম অপরিহার্য বিষয় নয়। অপরিহার্য বিষয় তাদের জন্য যারা ধর্ম বেঁচে খায়।
বর্তমান ইহুদি জাতির মধ্যে তাদের ধর্মের প্রতি খুব যে দরদ আছে তা কিন্তু নয়। কিন্তু একত্র হওয়ার জন্য এবং দুনিয়াব্যাপী অনাসৃষ্টি করে নিজেরা ভালো থাকার জন্য ধর্ম পরিচয় তাদের দরকার। তাদের পরিচয় তারা ইহুদি জাতি। এটা এক ধরনের ধর্ম বেঁচে খাওয়াই।
যে কোনো ধরনের জাতীয়তাবাদও সন্ত্রাসিমূলক ধারণা। যেভাবেই হোক নিজেরা ভালো থাকো। সাম্প্রদায়িক চেতনার মধ্যে অর্ন্তনিহিত থাকে, ‘নিজের সম্প্রদায়ের লোকেরা ভাই ভাই, বাকীরা চুদির ভাই’।
বিশ্বের বড় বড় অশান্তির মূলে রয়েছে সাম্প্রদায়িক তথা জাতীয়তাবাদী চেতনা। ইতিহাস তাঁর সাক্ষী। ইহুদি নিয়ন্ত্রিত যুক্তরাষ্ট্র বরাবরই ধর্মকে ব্যবহার করছে সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে। তালেবান নামক গোষ্ঠীটি তাদেরই সৃষ্টি। মুসলিমদের জঙ্গি হিসেবে চিহ্নিত করে তারা তা মিডিয়ায় প্রচার করে। নিজ সম্প্রদায়ের লোকজনকে বুঝিয়ে মুসলিম দেশগুলোর তেল সম্পদ দখল করার জন্য আক্রমণ বৈধ করাই তাদের লক্ষ্য। যুগ যুগ ধরে ধর্ম, জাতীয়তাবাদ তথা সাম্প্রদায়িক চেতনাকে বিক্রি করছে সাম্রাজ্যবাদীরা। উপনিবেশিক আমলেও আমরা ব্রিটিশদের দেখেছি ধর্মকে ব্যবহার করতে। আগে হিন্দু ব্রাহ্মণদের দেখেছি, ধর্মকে ব্যবহার করতে। সম্প্রদায় যতদিন থাকবে ততদিনই সাম্প্রদায়িক স্বার্থ থাকবে। আর সাম্প্রদায়িক তথা জাতীয়তবাদী চেতনাকে বিক্রি করে ফুলে ফেঁপে উঠতে থাকবে শক্তিশালী সম্প্রদায়গুলো। চলতে থাকবে নানাভাবে এবং নানা উদ্দেশ্যে এর ব্যবহার।
মানুষের মানবিক পরিচয়ই আসল পরিচয়। আর কোনো পরিচয় ‘মানুষের’ দরকার নেই। কিন্তু মানুষ কখনোই ‘মানুষ’ হয়ে উঠে নি। তাঁর পরিচয় ধর্ম, বর্ণ, গোত্র তথা জাতীয়তাবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। এ পৃথিবীর রুপ-রস, সম্পদ গণমানুষের জন্য নয়। যে সম্প্রদায়ের শক্তি আছে শুধু তাদের।
২০ শে জুন, ২০১৩ রাত ৮:০৮
দীপ জ্বেলে যাই বলেছেন: <জীবনধারনের জন্য ধর্ম অপরিহার্য বিষয় নয়।>
এটা কি আপনার নিজের মনগড়া তত্ব। বেশিরভাগ ধর্ম পালনকারীই কি তা বলে? কোথায়?
<মানুষের মানবিক পরিচয়ই আসল পরিচয়। >
মানবিক পরিচয় জিনিষটা কি? অন্য ধর্মের ব্যাপারে জানি না, ইসলাম কোথায় মানবিক পরিচয়ে বাধা সৃষ্টি করছে?
পৃথিবীর ইতিহাসে কয়টা যুদ্ধ ধর্মের জন্য হইছে, বেশী দূরে যাবার দরকার নাই, গত শতাব্দীতে কয়টা যুদ্ধ ধর্মের জন্য হইছে?
৩|
২০ শে জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:১৯
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: তারাই আঘাত হানে, যারা ধর্ম বেঁচে খায়
Click This Link
৪|
২১ শে জুন, ২০১৩ সকাল ১১:০৭
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: বুঝেছি, আপনার মস্তক প্রক্খালন প্রয়োজন। আজকের যুক্তরাষ্ট্র সাম্রাজ্য বিস্তারের জন্য ধর্ম কে ব্যবহার করছে না?
তালেবান সৃষ্টি করেছে কারা?
আফগান এবং ইরাক যুদ্ধে কি ধর্মের ব্যবহার দেখেননি?? মুসলিমদের উন্মদনাকে সন্ত্রাসি হিসেবে পরিচয় করিয়ে দিয়ে দেশের জনগণকে বুঝিয়েছে ওরা সন্ত্রাসি। চলো দখল করে নেই।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে হিটলারের ইহুদি হত্যার বিষয়টা জানেন না??
বর্তমানে বিশ্ব কে চালায় ?? অল্প কয়েকজন ইহুদি।
নিজের মস্তকটা ওকে করুন। ধন্যবাদ।
২১ শে জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৮
দীপ জ্বেলে যাই বলেছেন: আমার মস্তক নিয়ে পেরেশানের কিছু নাই। ধরে নেন আপনার চেয়ে কম। মূল প্রসঙ্গে আসি। ধর্ম থাকলে ধর্মের ব্যবহার থাকবে, এটাই তো স্বাভাবিক। আপনি যে ইরাক ও আফগানিস্তানের উদাহরণ দিলেন, সেখানে আপনার কথা অনুযায়ী ভিলেন যুক্তরাষ্ট্র। তা যুক্তরাষ্ট্রের এই অবস্থানটার জন্য ধর্ম কিভাবে দায়ী হয়, হবেতো তাদের অনুসৃত বস্তুবাদী পুজিবাদ! আপনি আগা আর মাথাকে এক করে ফেইলেন না। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধটা ওভারঅল কি ধর্মযুদ্ধ? মূল কারণ অর্থনৈতিক, পুজির লড়াই, ক্ষমতার লড়াই। জার্মানদের সে সময়ের ইতিহাস একটু পড়তে পারন, তারপর এ নিয়ে কথা বলে অযথা আমার সময়ের অপচয় হবে না। হিটলার ইহুদী মারছে কি কেবল ধর্মের জন্য? ইউরোপে ইহুদীদের অবস্থা জানতে শেক্সপিয়ারের টেম্পেস্ট এর শাইলক সম্পর্কে জানুন।
আবারো আমার মস্তক নিয়া পেরেশান নিয়েন না। যৌক্তিক কিছু থাকলে তথ্যসহ বলুন। ওকে?
৫|
২১ শে জুন, ২০১৩ সকাল ১১:১০
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: আমি মানুষ হওয়ার আহবান জানাই সবাইকে।
২১ শে জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৯
দীপ জ্বেলে যাই বলেছেন: মানুষ হয় কিভাবে? ক্রাইটেরিয়াগুলো বলুন।
৬|
২২ শে জুন, ২০১৩ রাত ১০:০৫
পরাজিত মধ্যবিত্তের একজন বলেছেন: মানুষ বাদে যারা অন্য পরিচয় দিয়ে বিভাজন সৃষ্টি করে তারাই অমানুষ।
আপনি আমার কথা বোঝেন নাই। ধর্ম আছে বলেই এর অপব্যবহার আছে। ধর্মকে নিয়ে রক্তাক্ত ঘটনা কি কম হয়েছে দুনিয়ায় ।
আপনার কাছে প্রশ্ন:
ইসলামের সার্বজনীন মানদণ্ড কি??
পাকিস্তানের তালেবানেরা যারা মসজিদে বোমা হামলা চালায়, মডারেট মুসলিমরা বলবেন তারা ইসলামের পথে নেই। কিন্তু ওই তালেবানদের যদি বক্তব্য নিতে যান দেখবেন তারাও কোরান বের করে দেখাবে, এতো নং আয়াতে বলা আছে...বিধর্মী শত্রুদের কতল করতে.............. ’
একই হাদিস হুজুর বা ব্যক্তি ভেদে ব্যখ্যা ভিন্ন হয়। শুধু ইসলামের মধ্যে হাজারটা বিভাজন রয়েছে। লাখ লাখ শিয়াকে হত্যা করা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রও ধর্মীয় উন্মদনাকে ব্যবহার করছে সাম্রাজ্যবাদ বিস্তারের হাতিয়ার হিসেবে। ধর্ম শান্তির জন্য প্রতিষ্ঠিত হলেও দুনিয়ার সবচেয়ে অশান্তির মূলে রয়েছে ধর্ম তথা সাম্প্রদায়িক বিভাজন।
অনেক আগের ঘটনা।
আমার এক বন্ধুর সঙ্গে কথা হচ্ছিল। আমি বন্ধুটিকে বলেছিলাম ইসলামে এতো বিভাজন তৈরি হওয়ার কারন ইসলামকে না বোঝা। তখন বন্ধুটি বললো, দেখ, প্রতিটি ধর্মেই বেশ কিছু গ্রুপ তৈরি হয়েছে। ইসলাম ধর্মেই শিয়া সুন্নি থেকে শুরু করে হাজার হাজার গ্রুপ। প্রত্যেক গ্রুপই কোরানকে অনুসরণ করে। আবার প্রত্যেক গ্রুপই অপর গ্রুপকে বেঠিক মনে করে। এবং কোন্দোলও লেগেই রয়েছে। এজন্য কিন্তু ধর্মকেই দায়ী করা উচিত। কারন ধর্মগ্রন্থগুলোতে বিভাজন তৈরি হওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। ঈশ্বর নিশ্চয় এমন কোনো বানী দিবেন যার ব্যখ্যা মানুষে মানুষে ভিন্ন হয়। তিনি এমন বানীই দিবেন যা সার্বজনীন।
এর উত্তর আমি দিতে পারিনি। আশা করি আপনি দিবেন। আমারও প্রশ্ন এতো বিভাজন তৈরির সুযোগ রাখা হলো কেন??
মানুষের যখন কবিতা লেখে তার ব্যখ্যাও দেখা যায় জনপ্রতি ভিন্ন হয়। সৃষ্টিকর্তার বাণীতো সার্বজনীন । বিভাজন তৈরি হওয়ার সুযোগ কেন??
২৮ শে জুন, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৭
দীপ জ্বেলে যাই বলেছেন: <মানুষ বাদে যারা অন্য পরিচয় দিয়ে বিভাজন সৃষ্টি করে তারাই অমানুষ। >
তাইলেতো পৃথিবীতে বেশীরভাগ মানুষই অমানুষ! ডাটায়তো তাই দেখা যায় নাকি, এ ধরণের চিন্তায় বাড়তি সুখ থাকলে সেই সুখে মজে থাকেন।
২৮ শে জুন, ২০১৩ বিকাল ৫:০০
দীপ জ্বেলে যাই বলেছেন: "ইসলামের সার্বজনীন মানদণ্ড কি??
পাকিস্তানের তালেবানেরা যারা মসজিদে বোমা হামলা চালায়, মডারেট মুসলিমরা বলবেন তারা ইসলামের পথে নেই। কিন্তু ওই তালেবানদের যদি বক্তব্য নিতে যান দেখবেন তারাও কোরান বের করে দেখাবে, এতো নং আয়াতে বলা আছে...বিধর্মী শত্রুদের কতল করতে.............. "
কোরানের কোন আয়াতে বিধর্মীদের হত্যা করার কথা আছে? এর আগে পরের আয়াতের ধারাবাহিকতা কি? তালেবানের নাম দিয়ে কি সুন্দর করে চালানো। ইসলামবিদ্বেষী বর্ণচোরারা দেয় মানুষ হবার সবক! ইসলামের সাথে সন্ত্রাস লাগায় ইসলামবিদ্বেষীরা।
কোন ইসলামবিদ্বেষী বর্ণচোরার কাছ থেকে মানবতার সবক শুনতে চাই না। তারা অন্য জায়গায় ল্যাদাক!
২৮ শে জুন, ২০১৩ বিকাল ৫:০১
দীপ জ্বেলে যাই বলেছেন: টেররিজম- কেন এই মিথ্যার বেসাতি!
Click This Link
©somewhere in net ltd.
১|
২০ শে জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৮
নক্শী কাঁথার মাঠ বলেছেন: নাস্তিক ছিলোই, আগে ব্লগ ছিলোনা বলে সেভাবে চোখে পড়তোনা।