| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তামজীদ
গালাগালি দিতে চাইলে - fb.com/kaalponeek
"ক্রমবর্ধমান ইন্টারনেটের চাহিদার পূরণে বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইথ কিনবে ভারত। ১০০ গিগাবাইট ইন্টারন্যাশনাল ব্যান্ডউইথ কেনার পরিকল্পনা করেছে দেশটি। বিটিসিএল এবং বিএসসিসিএল ভারতের বিএসএনএলের সঙ্গে ১০ থেকে ২০ বছরের চুক্তি করবে। বাংলাদেশকে ব্যান্ডউইথের দাম হিসেবে বার্ষিক এক কোটি ডলার খরচ করতে হবে ভারতকে।"
আমি একজন ব্যাক্তিগত জীবনে একজন তথ্যপ্রযুক্তি পরামর্শক। ব্যন্ডউইথের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে সামান্য, যৎসামান্য জ্ঞানও যদি আমার থাকে তাহলে আমি বলে পারি বাংলাদেশ একটি হটকারী সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। প্রশ্ন হলো কিভাবে?
আগে জানা দরকার বাংলাদেশে কতটুকু ব্যান্ডউইথ আসছে। বাংলাদেশ বর্তমানে সাবমেরিন কেবল নেটওয়ার্ক (সি-মি-উই-৪) গেটওয়ে দিয়ে ১৬৪.৪ জিবিপিএস পাচ্ছে। যার ৭ ভাগের ১ ভাগ অর্থাৎ মাত্র ২২ জিবিপিএস আমরা ব্যবহার করতে পারছি অবকাঠামোর অপ্রতুলতার জন্য। বাংলাদেশে বর্তমানে ৩ কোটির উপর ইন্টারনেট ব্যবহারকারী আছে যা ক্রমোবর্ধমান। ২০২০ সাল নাগাদ বর্তমানে প্রাপ্ত ব্যান্ডউইথের থেকে আরো বেশি ব্যান্ডউইথের প্রয়োজনীতার কথা উড়িয়ে দেয়া যাচ্ছে না কোন মতেই। আর ব্যান্ডউইথ সংরক্ষন করা যায় না, যা প্রতি সেকেন্ডে অপচয় হচ্ছে, তা পুনঃব্যবহার করা সম্ভব না।
তাহলে কি করণীয়?
এই মূহুর্তে যা করা দরকার দেশের বা দেশের বাইরে অবস্থানরত খ্যাতিমান প্রযুক্তিবিদদের নিয়ে একত্র করে আলোচনা করা যেতে পারে এই অবস্থা থেকে উত্তরণের। তার আগেই ভিনদেশে আমলাতান্ত্রিক প্যাঁচে ব্যান্ডউইথ রফতানী কোনভাবেই সমর্থন যোগ্য নয়। ভারত শুধু এই ১০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইথই নয়, তার পশ্চাৎপদ প্রদেশগুলোর জন্য (যা সেভেন সিস্টারস নামে পরিচিত ) আরো ৫ জিবিপিএস বরাদ্দের জন্য চাপ দিয়ে আসছে। এয়ারটেল ইতিমধ্যে এ সম্পর্কিত অবকাঠামো তৈরীর উদ্যেগ গ্রহন করেছে। ইন্টারনেটের এই চাহিদার প্রেক্ষিতে ২০ বছরের জন্য ভারতকে ব্যান্ডউইথ লীজ দেয়া অপরিপক্ক আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত ছাড়া আর কিছুই বলা যাচ্ছে না। ইতিপূর্বে ১৯৯৩ সালে সিমিউই-৩ এ সংযুক্ত না হয়ে যে ভুল আমরা করেছি, এখন আবার সেই রকমই আরেকটি ভুল করতে চলেছি।
ভারত যুক্ত ১০ টি সাবমেরিন ক্যবল আছে, আরো ৩টি সংযুক্ত হবার অপেক্ষায় আছে। দক্ষিন কোরিয়ায় ১১টি সাবমেরিন ক্যাবলের ২৫০০০ (পচিশ হাজার) জিবিপিএস ব্যন্ডউইথ ব্যবহার করছে। যেখানে প্রতিটি দেশে প্রতিদিন ব্যান্ডউইথ বাড়ানো চেষ্টায় আছে, সেখানে আমরা উল্টা পথে হাঁটছি। আমরা যদি ২০ বছরে জন্য চুক্তিও করি, আমি বুঝতে পারি তা প্রত্যাহার করার কোন শর্ত আমাদের আমলারা রাখবে না। এখন আইসিটির উন্নয়নের ফলে আগামী ৫ বছরেই বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নত করা যাবে না, এই কথা কেউ বলতে পারেনা। সেক্ষেত্রে আমাদের হয় তো আরো বেশি মূল্য দিয়েই অন্যভাবে ব্যান্ডউইথ আনতে হবে।
আমদের কি করণীয়?
আমাদের দেশের, এমন কি সরকার পর্যায় বদ্ধমূল ধারণা যে ইন্টারনেটের সর্বোত্তম ব্যবহার অপ্রয়োজনীয় ভিডিও দেখাতে। কিন্তু যা সত্য নয়। বর্তমানে ব্লগ এসে এই ধারণা কে পরিবর্তণ করলেও, এখন ইন্টারনেট ব্লগিং প্লাটফর্ম এবং ফেসবুক হিসাবে পরিগনিত হচ্ছে। একথা সত্য যে বাংলাদেশের বেশির ভাগ ব্যবহারকারীর উদ্দেশ্য ফেসবুকিং, কিন্তু এত স্বল্প গতিতে ফেসবুক লোড করা ছাড়া কিছু আশাও করা যায় না। বর্তমানে ভিডিও লেকাচারিং এর জয়জয়কার সর্বত্র। শিক্ষক.কম , খান একাডেমী এদের মানসম্পন্ন মাল্টিমিডিয়া লেকচার যে কোন তরুন-তরুনীকে স্বশিক্ষিত হতে উদ্ভুদ্ধু করতে পারে। কিন্তু তার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যন্ডউইথ সরকার দিতে পেরেছে কি? তাহলে সরকার একটি আইসিটি জেনারেশন কি করে আশা করতে পারে? আমাদের নিজেদেরই এই ব্যপারে সোচ্চার হতে হবে। আমাদের সরকারকে বুঝাতে হবে ইন্টারনেট শুধুই এখন বিনোদন বা কল সেণ্টার ভিত্তিক নয় বরং ফ্রিল্যান্সিং, তৃণমূল পর্যায়ে শিক্ষা দান প্রভৃতিতে ইন্টারনেটের প্রয়োজনীতা অনেক। তবে সরকারের সদিচ্ছা না থাকলে কিছুই সম্ভব নয়। বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের দেশের তথ্য প্রযুক্তিবিদদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করি। তাঁরা যদি এই বিষয়ে এখন চুপ থাকে, পরে এই ভুল শোধরানো হয়তো সম্ভবপর হবে না। আমি আশা করবো তারা সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে আলোচনা করে এ বিষয়ে সচেতনতা সৃষ্টি করবেন
ফেসবুক লিংক
২|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:২২
ভোরের সূর্য বলেছেন: পরে থাকা আনইউজ ব্যান্ডউইড্থ যেটা হয়তো আমাদের আরো পরে লাগবে সেই ব্যান্ডউইড্থ বিক্রী করে টাকা আসলে সমস্যা কোথায়?আর এমন না যে যা আমাদের হাতে যা আছে সেটাই শেষ ব্যান্ডউইড্থ কারন দরকার পরলে যেকোন সময় আমরা ব্যান্ডউইড্থ পেতে পারি সেই ক্ষমতা এবং সোর্স আমাদের আছে। তবে হ্যা আমাদের দেশের যখন প্রয়োজন পড়বে তখন যেনো আমরা ব্যান্ডউইড্থ পাই এবং শর্ট না পরে যায় সেদিকে খেয়াল রেখে রপ্তানি করলে আমি কোন সমস্যা দেখিনা।
৩|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:৩৭
মাজহারুল হুসাইন বলেছেন: দালালরা দেখি কুকুরের মত পাহাড়া দিয়ে বেরাচ্ছে ! 3G ও LTE চালু হলে এই লাইন কম পরে যাবে । Wimax প্রদানকারীদেরও LTE এর অনুমোদন দিলে কি হবে বলতে পারি না । আমাদের মোবাইল কোম্পানীর যে ব্যাকবোন তাতে গ্রাহক পর্যায়ে দাম কমলেই গ্রাহকের বিপ্লব ঘটবে ।
আর ৪ কোটি গ্রাহক কিভাবে মাত্র ২২Gbps এর লাইন ব্যবহার করে ? পারহেড কত টুকু পরে ?
৪|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:৫৫
মোমেরমানুষ৭১ বলেছেন: মাথা মোটা আমলারা চেয়ারে বসে বসে গাজা ফুকছে...... আর ভাবেছে আমাদের অনেক আছে........ এটা হবেই না কেন? যে দেশের তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রি ইউটিউব কি হালুয়া কইতে পারেন না সে দেশের মাথা মোটা আমলারা এর চেয়ে ভাল কোন সুখবর দিতে পারবেন আমাদের?
৫|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৩
আমিনুর রহমান বলেছেন:
তথ্য প্রযুক্তিবিদদের সাথে আলোচনা করা একটি সঠিক সিদ্ধান্ত নেয়া উচিত।
তাছাড়া আগামী ২০ বছরে আমাদের আরো ব্যান্ডউইথ এর প্রয়োজনীয়তা আসবে না তা ভাবাও ভুল।
৬|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২২
আবুল হাসান নূরী বলেছেন: ভারতের কাছে ব্যান্ডউইথ বিক্রি করার বুদ্ধি নিশ্চয়ই প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তিবিদ পুত্র দিয়েছে।
৭|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:২৭
ভোরের সূর্য বলেছেন: ভাই ব্যান্ডউইড্থ ইলেকট্রিসিটি না যে শেষ হয়ে গেলে আর আনা যাবেনা।আপনার যদি ক্যাপাসিটি থাকে আর টাকা থাকে তাহলে ব্যান্ডউইড্থ সাপ্লাই কোন ব্যপার না। যতই 3G ও LTE চালু করেন না কেন। গ্রাহক পর্যায়ে চাহিদার দরকার আগে। 3G ও LTE হচ্ছে একটা মাধ্যম যার মাধ্যমে আপনি উচ্চগতির ইন্টারনেট ব্যাবহার করতে পারবেন কিন্তু সেই সাথে গ্রাহক পর্যায়ে চাহিদা থাকতে হবে কারন কোমপানি গুলো ব্যাবসা করবে। আর ৪ কোটি গ্রাহকের কিন্তু ২২Gbps চাহিদা নাই। তবে ব্যান্ডউইড্থর দাম কমালে কিছু চাহিদা বাড়বে কিন্তু সেটা এমন নয় যে সব ব্যান্ডউইড্থ শেষ হয়ে যাবে। আমি সাধারণ গ্রাহক হিসাবে একটা উদাহরন দেই। আমি একটি ওয়াইম্যাক্স কোম্পানির ইন্টারনেট ব্যাবহার করি যাদের ২৫০০টাকায়(ভ্যাট সহ মাসিক) ১এমবিপিএস ৩৫জিবি ইউজেস। তার মানে প্রতি জিবির দাম পরে ভ্যাট সহ ৭১.৪৩টাকা। বাংলাদেশের হিসাবে বেশ কম।কিন্তু এধরনের কাস্টমার খুব কম কারন বেশিরভাগ কাস্টমার চাহিদা কম ইউজ।একই কোম্পানির প্রিপেইড প্যাকেজ আছে ৭০০টাকায় ২.৫জিবি ১এমবিপিএস।তার মানে ১জিবির দাম পরে ২৮০টাকা!!!!!!!! এধরনের গ্রাহক বেশি কারন গ্রাহকের চাহিদা কম ইউজেস। আচ্ছা যদি এমন হয় যে এই গ্রাহক কে বলা হল আপনি ৭০০টাকায় আনলিমিটেড ব্যাবহার করতে পারবেন। তার চাহিদা বেড়ে যাবে না হয় দ্বিগুন হল। তার মানে বাকি ব্যান্ডউইড্থ কিন্তু ব্যাবহার হচ্ছেনা। আবার যাদের দরকার তারা কিন্তু তুলনামুলক কম টাকায় অনেক বেশি হাই স্পীড নেট ব্যাবহার করছে।
৮|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৪
গোলাম দস্তগীর লিসানি বলেছেন: প্লাস সহ প্রিয়তে।
বাংলাদেশকে উপরে নিতে চাই।
নিচে নামার কোন পথ রাখতে চাই না।
আমরা পাঁচ বছরের জন্ চুক্তি করতে পারি, কারণ পাচ বছরে অবকাঠামো হবে না। এর বেশি আত্মঘাতী।
উন্নয়ন প্রযুক্তিনির্ভর,
বাণিজ্য প্রযুক্তিনির্ভর,
শিক্ষা প্রযুক্তিনির্ভর,
জ্ঞান প্রযুক্তিনির্ভর,
সভ্যতা প্রযুক্তিনির্ভর,
মানুষ প্রযুক্তিনির্ভর-
তাই স্বাধীনতা ও স্বকীয়তাও প্রযুক্তিনির্ভর।
৯|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৫৫
ভোরের সূর্য বলেছেন: ভারতের কমন সমস্যা হচ্ছে সেভেন সিস্টার্স।সাতটি রাজ্য(অরুনাচল,আসাম,ত্রিপুরা,মেঘালয়,নাগাল্যান্ড,মিজোরাম,মনিপুর)।এখানকার যোগাযোগ ব্যাবস্থা দুর্বল।ভারতের ব্যান্ডউইড্থ অভাব নাই কিন্তু এসব রাজ্যে হাই স্পীড ব্যান্ডউইড্থ দিতে যে ইনফ্রাস্ট্রাকচার তৈরি করতে হবে তার চে্য়ে অনেক কম টাকায় বাংলাদেশ থেকে ব্যান্ডউইড্থ কিনে সাপ্লাই দিতে পারবে।ভারত বিদ্বেসি ঠিক আছে কিন্তু অহেতুক না জেনে বিরোধিতা করা ঠিক না।ব্যাবসা আর ইমোশন আলাদা রাখাই ভাল। ভারতের পিয়াজ খাই,রসুন খাই,আদা খাই,ডিম খাই,আরো কত কি।এসব জিনিস ভারত থেকে না আসলে আমাদের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যেত। এটাই বাস্তবতা,মাঝে মাঝে টের পাই যখন ভারত থেকে এসব জিনিস আসা বন্ধ থাকে তখন ২৫টাকার ডিমের হালি হয় ৪০টাকা,২৫টাকার পিয়াজ ৪০টাকা।৭০টাকার আদা ১৫০টাকা। আমি ভারত কে সমর্থন করছিনা কিন্তু আগে নিজেরা পরনির্ভরশীলতা কমিয়ে স্বাবলম্বি হয়ে অন্যকে গালাগালি করা ভাল।
১০|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৫
ভোরের সূর্য বলেছেন: ভাই আসেন সবাই আমরা যারা ভারত বিদ্বেসি তারা আন্দোলন করি।ভারত কে ব্যান্ডউইড্থ দেব না।ভারতের পিয়াজ,রসুন,আদা,ডাল বা অন্য কোন পন্য আমদানি করবোনা।আমরা মরে যাব।২৫টাকার জিনিস ৪০টাকা দিয়ে কিনবো তবু ভারতকে দেবনা কিছু।নেবোনা কিছুই!!!!!!!!!!!!!!!
১১|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:৪৯
দি সুফি বলেছেন: বর্তমানে বাংলাদেশে যেই দামে ব্যান্ডউইদথ বিক্রী হচ্ছে, সেই দাম অনুসারে ১০০জিবি ব্যান্ডউইদথের দাম হওয়ার কথা বাৎসরিক ৪ কোটি ডলারের উপরে (প্রতি mbps ৪২০০ টাকা ধরে এবং ৩৫% ডিসকাউন্টসহ)।
অথচ আমরা ইন্ডিয়াকে এর ৪ ভাগের এক ভাগ দামে বিক্রী করার চিন্তা করছি! আরে আগে নিজের দেশের মানুষের জন্য চার ভাগের এক ভাগ দামে বিক্রী কর হারামখোরেরা!
কোনভাবেই ২০ বছরের জন্য ১০০ জিবি ব্যান্ডউইদথ বিক্রীর সিন্ধান্তকে সমর্থন করি না।
১২|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:০৫
মাজহারুল হুসাইন বলেছেন: দাদা ভারতের সূর্য এলা থামেন । ঠান্ডা হোন ।
কে বলছে আপনারে যে বাংলাদেশে চাহিদা নাই । আমার প্রতি জিবির দাম পরে ভ্যাট সহ ৬৩.৩টাকা । আপনারে যদি দ্বিগুন দেয় । নিবেন না ? ঢাকা শহরেই পরীক্ষামূলকভাবে শুধু দিয়া দেখেন । ১এমবিপিএস ৫০০ টাকা । রেজাল্ট দেখেন এরপর ফরফরাইয়েন ।
আর সুফি ভাই ও একটা ভাল পয়েন্ট ধরছেন । ৮০ টাকা দরে ডলার ধরলে ৬কোটি ৪৫লক্ষ১২হাজার টাকা হবে । আর ভারতকে ৩৫% ডিসকাউন্ট কেন দিতে হবে ?
১৩|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১০:১৩
মাজহারুল হুসাইন বলেছেন: ইনফ্রাস্ট্রাকচার কইয়া লাফায়েন না । ঢাকায় যে ব্রডব্যান্ড গ্রাহক আছে । এদের ১এমবিপিএস ৫০০ টাকা মাস দিলে এখানেই ১০০জিবি শেষ হয়ে যাবে । ![]()
১৪|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ রাত ১১:২০
ভোরের সূর্য বলেছেন: ami research korei bolechi.aro onnek point bolte pari kintu vai amito abeg deye kotha bolina.beshi pele nebona keno kintu kotha holo Ami jotota utilize korte pari sobai ki parbe? amar dorkar bolei kintu Ami beshi bandwidth use kori kintu amar be apnar moto client kom.Oi 2/3gb user ra beshi.varoter sobkisu khaitesen emonki oder TV program gulo amra giltesi r varot ke gali dei.dekhen jeye varot bangladeshider visa deya kul paitese na.via,amar kotha holo amader un use bandwidth thakle roptani korte problem kothai?eita to gas na je 10/12 bosor por sesh hoye jabe.amader capability ache.order korlei aro koeksho GB eshe hajir hobe.
©somewhere in net ltd.
১|
১৪ ই আগস্ট, ২০১৩ বিকাল ৫:০৪
ডাব্বা বলেছেন: খান একাডেমী বা শিক্ষক এর কতজন বাংলাদেশী গ্রাহক? ইউটিউব ব্যবহার আর অবৈধ ডাওনলোড করেই তো একেকজন পন্ডিত!
পড়ে থাকা ব্যান্ডউইড্থ বিক্রী করে যদি দুটো পয়সা আসে ক্ষতি কি?
তবে হ্যা। ২০ বছর অনেক অনেক লম্বা সময়। কোনমতেই এটা ১০ এর বেশী হওয়া উচিত না। যত কম, তত ভাল।
আর ইন্ডিয়ার সাথে যেকোন চুক্তির ব্যপারে সাবধান থাকতে হবে। ইতিহাস থেকে আমরা এই শিক্ষাই পাই।