| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নাম বাংলাদেশের ইতিহাসের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িয়ে আছে। এটা কারও পছন্দ-অপছন্দের বিষয় নয়। যারা নিয়তিতে বিশ্বাস করেন তারা বলবেন, স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় নিয়তি তাকে এই আসনে বসিয়েছে। নিয়তির কারণে তিনি পরিণত হয়েছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূর্ত প্রতীকে। যারা আজকে তার সেই ভূমিকা নিয়ে কূটতর্ক চালাচালি করেন, তারাও বুকে হাত দিয়ে বলতে পারবেন না—‘আমি মেজর জিয়া বলছি’ এই ঘোষণাটি তাদের উদ্দীপ্ত করেনি। পঁচিশে মার্চে নেমে আসা অন্ধকারে আলো জ্বেলে দিয়েছিল জিয়ার এই ঘোষণা।
নিয়তিতে বিশ্বাস করলে পৃথিবীজুড়ে অসংখ্য উদাহরণ মিলবে। এটা ঠিক, নিয়তিকে সব সময় যুক্তি-তর্ক দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায় না। কিন্তু নিয়তি কখনোই ইচ্ছা বা মানসিক শক্তির বাইরে কাউকে কোনো আসন দেয় না। যারা নিয়তিতে বিশ্বাস করেন না, তারা বিষয়টিকে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করবেন। বলবেন, তর্কের খাতিরে যদি ’৭১ সালের ঘটনাকে নিয়তির আশীর্বাদ হিসেবে বর্ণনা করা হয়, তাহলে পরবর্তী পর্যায়ে বাংলাদেশকে বদলে দেয়ার জন্য জিয়ার ভূমিকাকে কীভাবে বিশ্লেষণ করা হবে?
বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর একাংশের হাতে ঊনত্রিশ বছর আগে কেন প্রেসিডেন্ট জিয়া নির্মমভাবে নিহত হয়েছিলেন? আজ এ প্রশ্নের জবাব অত্যন্ত জরুরি। ১৯৭৫ সালে সিপাহি-জনতার ষড়যন্ত্রবিনাশী অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতায় অভিষিক্ত হওয়ার পর জিয়াউর রহমানের মনোজগতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। তার চিন্তার জগতে শুধু সেনাবাহিনী বা চাকরি নয়—দেশের রাজনীতি, সমাজনীতি, অর্থনীতিসহ সবকিছু অন্তর্ভুক্ত হয়ে যায়। চিন্তার জগতের এই প্রসারতার প্রতিফলন ঘটে তার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে।
জিয়াউর রহমান নিহত হয়েছিলেন তারই প্রিয় সহকর্মী ও অনুগতদের হাতে। এটা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছিল না। অতীতের ঘটনাবলির পর্যালোচনায় দুটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে ওঠে। এর প্রথমটি হচ্ছে ষড়যন্ত্র, অপরটি হচ্ছে সেনানায়ক থেকে তার জননায়কে উত্তরণ। ষড়যন্ত্র তত্ত্বটিকে বহুল আলোচিত মনে হলেও এটি অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বাস্তবচিত্রের প্রতিফলন। এক্ষেত্রে কথাটিকে ষড়যন্ত্র না বলে একটি রাষ্ট্রের বিরাগভাজন হওয়াকেও উল্লেখ করা যেতে পারে। জিয়াউর রহমানের একটি বড় অন্যায় ছিল তিনি স্বাধীন পররাষ্ট্রনীতি অনুসরণ করতে চেয়েছিলেন। তিনি জানতেন, একটি রাষ্ট্র যদি তার ইচ্ছা অনুযায়ী পররাষ্ট্রনীতির ক্ষেত্রে স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারে, তাহলে সে রাষ্ট্রটি সার্বভৌমত্বের মর্যাদা অর্জন করে। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে যেসব রাষ্ট্রনায়ক এই নীতি অনুসরণ করেছেন, তাদের অধিকাংশকেই নির্মম পরিণতি ভোগ করতে হয়েছে। এদের মধ্যে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য নাম ইন্দোনেশিয়ার ড. সুকর্ণ, শ্রীলঙ্কার বন্দরনায়েক, পাকিস্তানের জুলফিকার আলী ভুট্টো এবং ইরাকের সাদ্দাম হোসেন। এরকম আরও অসংখ্য উদাহরণ আছে। এই একই অপরাধে সেনা অভ্যুত্থানে নিহত হয়েছিলেন চিলির প্রেসিডেন্ট আলেন্দে এবং বর্তমানে হুমকির মুখে আছেন ভেনিজুয়েলার হুগো শ্যাভেজ।
জিয়াউর রহমান কি ভারত ও আমেরিকাবিদ্বেষী ছিলেন? বিষয়টিকে এত সরলীকরণ করা সম্ভব নয়। উভয় ক্ষেত্রে তিনি চেয়েছিলেন জাতীয় স্বার্থকে বিসর্জন না দিয়ে জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে বিভিন্ন রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক নির্মাণ করতে। আবার এটাও সত্যি, জিয়াউর রহমানের অনেক সিদ্ধান্তই প্রতিবেশী ভারতসহ অনেকের উষ্মার কারণ হয়েছিল। এই অঞ্চলে ভারত যেহেতু আঞ্চলিক প্রাধান্য বিস্তার করতে চায়, তাই তার আকাঙ্ক্ষা এ অঞ্চলের রাষ্ট্রগুলো তাকে গুরু বলে মেনে নেবে। এর পাশাপাশি ভারত তার জাতীয় স্বার্থকেও অনেক বড় করে দেখে। এ কারণেই মিয়ানমারের গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নেত্রী এখন আর ভারতের মাথাব্যথার কারণ নয়। ভারত এখন মিয়ানমারের সেনাশাসকদের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নে অনেক বেশি তত্পর। জিয়াউর রহমানের পররাষ্ট্রনীতির স্বাধীন পথচলার কারণে বাংলাদেশ জগত্সভায় মর্যাদার আসনে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
এর পর আসে অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে তার অনুসৃত নীতির প্রসঙ্গ। প্রথমে যে বিষয়টি আলোচনা করা প্রয়োজন, তা হচ্ছে তার জননির্ভর রাজনীতি। সামরিক শাসন দীর্ঘায়িত না করে তিনি গণরাজনীতিকে উদ্ধার করেন ১৯৭৫-পূর্ব সময়ে পতিত পঙ্কিল আবর্ত থেকে। একই সঙ্গে তিনি নিজেও বেরিয়ে আসেন সেনা প্রভাব থেকে এবং রাজনীতিকে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন ব্যক্তির কাছে। জিয়াউর রহমানের আগে ব্যক্তি আসত রাজনীতির কাছে। কিন্তু তিনি রাজনীতিকে নিয়ে যান ব্যক্তির কাছে। যেটা রাজনীতিবিদ ও সেনা কর্মকর্তাসহ অনেকের মনোকষ্টের কারণ হয়েছে। এ কারণেই তার খণ্ডিত উদ্ধৃতি ব্যবহার করে তাকে ভিলেন বানানোর চেষ্টা করেন ওইসব ব্যক্তি, যারা বিভিন্ন কলাকৌশলে জনগণের ওপর তাদের সিদ্ধান্ত চাপিয়ে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হতে চান। বাংলাদেশের সব রাজনীতিবিদের মধ্যে জিয়াউর রহমানই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি দেশের লাখো লাখো মানুষের সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন, তাদের দুয়ারে গিয়েছেন, দিন ও রাতে তাদের সুখ-দুঃখের কাহিনী শুনেছেন এবং পরামর্শ দেয়ার চেষ্টা করেছেন। জনরাজনীতির যে ধারার সূত্রপাত ঘটে জিয়াউর রহমানের শাসনামলে, তাকে হত্যার মধ্য দিয়ে সেই ধারার অবসান ঘটে। জনগণের কাছে পৌঁছতে পেরে জিয়াউর রহমান অত্যুজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন, স্বাধীন বাংলাদেশে এখনও পর্যন্ত যেটা আর কেউ স্থাপন করতে পারেননি। এই জনরাজনীতির উন্মেষই জিয়াউর রহমানের জন্য কাল হয়ে দাঁড়ায়। রাজনীতিবিদ, ব্যবসায়ী, আমলা ও সেনাবাহিনীসহ সমাজের বিভিন্ন সুবিধাভোগী গোষ্ঠী, যারা রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিয়ন্ত্রণ করতে চায়, তাদের কাছে জনরাজনীতির বিকাশ হুমকির মত। জিয়াউর রহমান মোহিনী ব্যক্তিত্ব দিয়ে জনগণের মনোজগতকে বদলে দিয়েছিলেন। অবশ্য স্বাধীনতা যুদ্ধে তার ভূমিকা এক্ষেত্রে প্রভাবকের কাজ করেছে। বাংলাদেশের জনগণের কাছে জিয়াউর রহমানকে পরিচিত করাতে হয়নি। নিয়তির বরপুত্র অথবা কর্মের সফল পুরুষ যাই হোক না কেন, তা জিয়াউর রহমানকে যে আসনে বসিয়েছে তা অনেকেরই উষ্মার কারণ। তারা এখনও জিয়াউর রহমানকে তাদের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি মনে করেন এবং এ কারণে লাখ লাখ মানুষের শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদনের পর সমাহিত এই মানুষটিকে নিয়ে মাথাব্যথার অন্ত নেই। তাই এখনও তার চরিত্র হননের প্রচেষ্টা একটি মহলে বিশেষভাবে সক্রিয়।
জিয়াউর রহমানের আরেকটি বড় অবদান আধুনিক বাংলাদেশ নির্মাণের পথ চলার সূত্রপাত। জিয়াউর রহমান তার সব কর্মকাণ্ড দিয়ে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চেয়েছিলেন, যার অসংখ্য উদাহরণ এখনও টিকে আছে। এই আধুনিকীকরণের প্রয়াসও জিয়াউর রহমানের বিরুদ্ধে খড়গহস্ত হতে অন্ধকারের শক্তিকে উত্সাহিত করেছিল। জিয়াউর রহমান বেঁচে আছেন তার কর্মের মাধ্যমে। যদিও সেসব কর্মের বহু প্রতীককে মুছে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু সে উদ্যোগ জনসমর্থন লাভ করেনি। ঘোষণা দিয়ে অথবা পরিপত্র জারি করে জনমন থেকে তাদের প্রিয় নেতার নাম মুছে ফেলা যায় না। এ কারণেই ইংরেজ শাসক ও তার দোসরদের শত-সহস্র চেষ্টার পরও সিরাজ-উদ-দৌলাকে কলঙ্কিত করা যায়নি। জীবনের সীমাবদ্ধতা এবং ভুলভ্রান্তি কাটিয়ে সিরাজ-উদ-দৌলা হয়ে উঠেছেন বাংলার শেষ স্বাধীন নবাব।
১৫ ই মে, ২০১১ রাত ৩:৫৬
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: একটি সুগঠিত সেনাবাহিনীকে বাচাঁতে তখন এর চেয়ে ভাল কোন সমাধান ছিল বলে আমার মনে হয় না।
২|
১৫ ই মে, ২০১১ রাত ৩:৩৯
রিফাত হোসেন বলেছেন: দোষ ও গুন দুইটাই মানুষের থাকে ।
তা জিয়ারও ছিল ,, যদিও সে সুশাসক ছিল কিন্তু শাসকের ভূমিকা পালন করতে গিয়ে শোষন না করলেও আসন বাচাতে বিভিন্ন রকম কু কর্ম করেছেন । ![]()
তবে হ্যা বাংলাদেশের এখন পর্যন্ত সব সরকার প্রধানদের মধ্যে মেজর জিয়া ছিলেন অন্যতম । তার ধারে কাছেও বঙ্গবন্ধু আসতে পারে নাই ।
কিন্তু নেতা হিসেবে বঙ্গবন্ধু ছিলেন আবার হিসেবে উপরে । কিন্তু সরকার প্রধান হিসেবে নয় ।
১৫ ই মে, ২০১১ রাত ৩:৫৪
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: আপনাকে ধন্যবাদ।
৩|
১৫ ই মে, ২০১১ ভোর ৬:৫৩
মোহাম্মদ মজিবর রহমান বলেছেন: জিয়া প্বথিবীর বুকে বাংলাদেশকে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে শিখিয়েছিল।বাংলাদেশকে তলা বিহীন ঝুড়ির অপবাদ ঘুঁচাতে তার অবদান অস্বীকার করার কোন উপায় নেই।তার পররাস্ট্রনীতিতে বাংলাদেশি হিসাবে গৌরববোধ হত।জিয়ার কারণেই আজ আমরা বাংলাদেশি।
অভ্যন্তরীণ ক্ষেত্রে,বিশ্বংখল বাংলাদেশকে শ্বংখলের ভিতর এনেছিল।
একজন তাহেরের কথা বলে তার নৈতিকতাকে কুলষিত করা যাবে না।
১৫ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:৪২
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: সর্বোপরি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে একটি রাষ্ট্রীয় কাঠামো দান করেছিলেন।
আপনার সুন্দর বিশ্লেষনের জন্য ধন্যবাদ।
৪|
১৫ ই মে, ২০১১ ভোর ৬:৫৭
আকাশ_পাগলা বলেছেন: খালি শুনি এই করছে সেই করছে। কিন্তু করছে টা কী?????
খালি শুনি এই স্টাইলে চলত, এই করত, কিন্তু লাভটা কী হল?
উনাদের যেই স্লোগান, দেশ কী উন্নতির জোয়ারে ভাসিয়ে দিছিল????
বাংলাদেশের সবচেয়ে জঘন্য ব্যাক্তি ও ব্যাটা। জিয়াই কী গোলাম আযম আর নিজামীকে পুনর্বাসন করে নি?
আর্মি বাঁচাতে কী এটাও খুব জরুরী ছিল?
তাহেরকে মারার কী সুন্দর যুক্তি !! বাহ।
কু দমনের নামে ১৮০০ আর্মিকে ১ সপ্তাহে একটা লোক ফাঁসি দিয়ে দেয়, মানুষের জীবন এতই সোজা !!
বাংলাদেশে একটা লোক দেখান যে ক্ষমতায় যেয়ে লোভ দেখায় নি, যে ক্ষমতায় যেয়ে সেটা আকড়ে ধরে রাখতে চায় নি ! সবাই তাই করছে ইতিহাসে। সব্বাই।
এর জন্য এটেম্পট নিছে সবাই। সবচেয়ে জঘন্য এটেম্পটগুলা নিছিল জিয়া।
১৫ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:৪৭
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: সমালোচনার জন্য ধন্যবাদ। আমি বলতে চেয়েছি যে তিনিই ছিলেন বাংলাদেশের স্বপ্নদ্রষ্টা। বিশ্বের দরবারে আমাদেরকে আত্ন অধিকার প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন তিনিই দেখিয়েছিলেন।
৫|
১৫ ই মে, ২০১১ সকাল ৭:০৪
আকাশ_পাগলা বলেছেন: এই পর্যন্ত তার যত ভক্ত দেখলাম সবাই খালি ছোট বেলার বাংলা ১ম পত্রের মত কথা বলে। উনি দেশকে উপরে উঠাইছেন। মানুষকে সম্মান দিছেন। বাংলায় যেমন চাপা লিখতাম, অমুক ছিল ভদ্র ও বিনয়ী। আর ছিল চঞ্চল ও বুদ্ধিমতী।
এক্সাক্ট কোন "এটেম্পট" নাই যেটা উনি করে দেশকে উঠাইছে??????
কোন এবস্ট্রাক্ট যুক্তি চাচ্ছি না যে, ভাল মূলনীতি নিছে, তলা ছিলনা তলা দিছে -- হাবিজাবি না। এক্সাক্ট কোন "কাজ" নাই?
সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড এগুলা কী বাংলাদেশের চেয়ে উন্নত দেশ না? স্বীকার করেন ত? আচ্ছা এদের কী আর্মি আছে?
এমন ২০ টা ফার্স্ট ওয়াল্ড দেশের নাম বলতে পারব যাদের আর্মি আমাদের চাইতেও দুর্বল কিন্তু ওরা অনেক উন্নত।
একটা দেশকে উপরে উঠাতে, সার্বভৌম করতে সুগঠিত আর্মি লাগে না। শুধু বাংলা ১ম পত্রের চাপা বাদ দিয়ে, সত্যিকারের কাজের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিতে হয়।
১৫ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:৪৮
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: আসল কথা হল তিনি, মানে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে যেখানে রেখে গিয়েছিলেন আমরা তার চেয়ে খুব বেশি এগুতে পারি নি।
৬|
১৫ ই মে, ২০১১ সকাল ৭:২৩
বিডি আইডল বলেছেন: পাকিস্হানী চর রাজাকার জিয়া বাংলাদেশের হোগা মেরে দিয়ে গিয়েছিল...যেহেতু তাকে খুন করা হয়েছে তার পাপের শাস্তি খালেদা জিয়া এন্ড গংকে দেয়া হোক....
১৫ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:৫০
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: আগে নিজেকে জানুন, তারপর অন্যের সমালোচনা করুন।
৭|
১৫ ই মে, ২০১১ সকাল ৮:৩৩
টি-ভাইরাস বলেছেন: varot ar manus hindur pola mojib ar opo kormer jone hasina r বিডি আইডল fasi deua hok, beta na buje hudai kotha bole
১৫ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:৫২
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: ঠিক বলেছেন এই ছাগল গুলারে গঙ্গাজ্বলে চুবিয়ে মারা উচিত, তাইলে তাদের ভগবানের কাছে গিয়ে শান্তি পাক।
৮|
১৫ ই মে, ২০১১ সকাল ৮:৩৫
ফিরোজ-২ বলেছেন: দোষ ও গুন দুইটাই মানুষের থাকে ।
১৫ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:৫৪
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: যেমন আমারও আছে।
৯|
১৫ ই মে, ২০১১ সকাল ৯:১০
সুইট টর্চার বলেছেন: অসাধারণ! ভাল লিখেছেন তবে বিডি আইডলের মত ভাদা'দের কাছ থে সাবধান থাইকেন।
১৫ ই মে, ২০১১ বিকাল ৩:০১
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: সমালোচকদের কাজই সমালোচনা করা, তবে সত্য বলা থেকে আমাকে কেউ আটকাতে পারবেনা। তবে আপনাদের পরামর্শের জন্য ধন্যবাদ। অন্তত সাবধান হওয়া যাবে।
১০|
১৫ ই মে, ২০১১ সকাল ৯:৩২
রিপেনডিল বলেছেন: ননস্পেসিফিক লেখা। আকাশ-পাগলা ভাল বলেছেন "বাংলা প্রথম পত্রের চাপা"। স্পেসিফিক্যালি দেশের জন্য কি কি করেছেন জিয়া এবং সেগুলোর ফলাফল কি ছিল এগুলো নিয়ে লিখুন।
১৫ ই মে, ২০১১ বিকাল ৩:০৭
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: ধন্যবাদ, আগামী দিনগুলাতে এইসব বিষয়ে পোষ্ট দেয়ার চেষ্টা করব।
১১|
১৫ ই মে, ২০১১ সকাল ৯:৩৫
বিডি আইডল বলেছেন: টি-ভাইরাস এবং সুইট টর্চার, জাতীয়তাবাদী নামের আড়ালে আপনারা আসলে ছাগু...আপনাদের নাম লিস্টি করা হলো আওয়ামী লীগ, বাম এবং নাস্তিক তিন দলেরই তালিকায়
১৫ ই মে, ২০১১ বিকাল ৩:২২
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: এদেরকে হট লিষ্ট করা হোক।
১২|
১৫ ই মে, ২০১১ সকাল ১০:১০
লালু কসাই বলেছেন: আকাশ_পাগলা আর রিপেন্ডিল@ জিয়া কি করেছেন স্পেসিফিকলি জাতীয়তাবাদি ব্লগার দাসত বলেছেন তার ব্লগে। একটু ঘুরে আসতে হয় যে ঐদিকে। জানার ইচ্ছা থাকলে ঘুরে আইসেন। আর একখান কথা,ঐসব তাহের মোশারফদের দিয়ে বাংলাদেশ চালানো সম্ভব না রে ভাই। হাছা কথা ই তো। সেনাবাহিনীর কি দরকার?? তাহেরের মত চিন্তা চেতনায় থাকলে এমন ই মনে হবে ভাহে......।
বিডি আইডল@চরম বলেছেন ২ টা কমেন্টে। আমিও বলি জিয়ারে মরনোত্তর ফাঁসি দেয়া হউক। আর মুজিবরে মরণোত্তর স্বাধীনতার ঘোষক বানানো হউক
১৫ ই মে, ২০১১ বিকাল ৩:২৩
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: হ বালাই কইছেন।
১৩|
১৫ ই মে, ২০১১ সকাল ১০:২৭
সুইট টর্চার বলেছেন: যারা স্পেসিফিক্যালী জানতে চান তাড়া এখানে ঢু মারতে পারেন
১৬ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:১৬
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: ভাই আপনার দেয়া চমৎকার পোষ্টটির জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।
১৪|
১৫ ই মে, ২০১১ দুপুর ১২:৪৮
""ফয়সল অভি "" বলেছেন: জিয়ার প্রসঙ্গ আসলে যে লেখাগুলো পড়া উচিত>>
মৃত্যুচুম্বী কর্নেল তাহের এর ধ্রুপদ চিন্তায় বাংলাদেশ–অর্ণব পুত্
ইতিহাসের কালো অধ্যায়
সামরিক আদালতে প্রদত্ত কর্নেল তাহেরের জবানবন্দি
জিয়া জানতেন, কতখানি জানতেন
১৫|
১৫ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:৫৪
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: +++++++++++++
শহীদ জিয়া সার্বভৌম বাংলাদেশের প্রেরণা। একটি দেশ ঠিক ততটাই স্বাধীন সে যতটা সার্বভৌম।
@ আকাশ পাগলা, জিয়া গো. আযাম ও নিজামীদের আসতে না দিলে সৌদি সহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশ গুলিতে আজকে ৪০ লক্ষ বাংলাদেশীর কর্মসংস্থান হত না। বাংলাদেশে গার্মেন্টস ও এই প্রবাসীদের রেমিটেন্সই বৈদেশিক মুদ্রা উপার্জনের বড় উৎস। এর কৃতিত্ব জিয়ার। আল্লাহর কাছে উনার আত্নার মাগফিরাত কামনা করি।
১৬ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:১৩
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।
১৬|
১৫ ই মে, ২০১১ রাত ৯:০৪
লুথা বলেছেন:
++++ আওয়ামী চামচিকাদের অবশ্য চুলকানী হবে অনেক এই পোস্ট পডে...তাদের খোদা তো আবার মুজিব ভাই
১৬ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:১৯
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: তাগোর তো হুদাই চুলকায়। কারন কতদিন যাবত এই দেশরে কেউ কম্বল দেয় না।
যানেন না পুরান কম্বল গায়ে দিলে চুলকায়।
১৭|
১৫ ই মে, ২০১১ রাত ১০:২৭
আকাশ_পাগলা বলেছেন: @১৫ নাম্বার কমেন্টে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
আত্মসম্মানবোধ বলে ছোট একটা কথা আছে। আপনার মার খুনী আপনাকে চাকরী দিলেই হাত পেতে নিয়ে নিবেন??? আত্নসম্মানবোধ না থাকলে ত নিবেনই।
গার্মেন্টসের কয়টা পোশাক সৌদীতে যায়? গার্মেন্টস দাঁড়ায়নি সৌদি ছাড়া ?
দাঁড়াইছে। সৌদি লোক নিবে সেই আশায় গোলাম আযমকে না এনে, এত বড়ো নেতা, এত শক্তিশালী আর্মির মালিক, এর জনপ্রিয় ব্যক্তিত্ব দেশকে কোন কিছুর উপর খাড়া করিয়ে দিতে পারল না?
সৌদিতে ৪০ হাজার লোক যাবে, সেই আশায় দেশ স্বাধীন হইছিল???
সৌদি না থাকলেও যোগ্য নেতা যদি থাকে, কোন না কোন উপায়ে ঠিকই দেশ দাঁড়াবে। এখন ত নেতা ছাড়াই পোশাক শিল্প দাঁড়িয়ে গেল।
তখন ভাল গাইড পেলে দেশ খাদ্যে আগাত।
সৌদিতে কী বাংলাদেশের লোকেরা মাগনা টাকা পায় নাকি??? সারাদিন কাজ করে পায়। কোয়ালিটি ডেভেলপ করলে ওরাই পিছে পিছে ঘুরবে।
কোয়ালিটি ডেভেলপের চিন্তা না করে, গোলাম আযম কে ঘরে এনে সৌদীর কাছে ভিক্ষা করা কোন আদর্শ আর নীতিবান নেতার কাজ হতে পারে না।
১৬ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:২২
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: নিতান্তই মন্দ বলেন নাই । ধন্যবাদ।
১৮|
১৫ ই মে, ২০১১ রাত ১০:২৯
আকাশ_পাগলা বলেছেন: বাংলাদেশের কোন নেতাই এই পর্যন্ত দেশকে কিছু দিয়ে যেতে পারে নি।
কারও এমন কোন আদর্শ আমি পাইনা, যেটা তারা নিজেরা ফলো করছেন !!
কোন দলে থাকাটাই এখন আমার কাছে হাস্যকর লাগে। যারই গুণকীর্তন করা হোক, তার স্পেসিফিক ভাল কাজ আসলে পাওয়া যায় না।
১৬ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:২৩
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: আপনি বোধহয় শেখ মুজিবুর রহমান এবং জিয়াউর রহমান সম্পর্কে পড়ালেখা করেন নাই। পড়লে এই মন্তব্য করতে পারার কথা না।
১৯|
১৬ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:০৬
েতজপাতা বলেছেন: ও আল্লাহ।। বাংলাদেশ জিন্দাবাদ এইটা কি কইল?? গো।আজম, নিজামীর কারনে বাংলাদেশ উন্নতির চরম শিখরে??? কোটি কোটি টাকা আসতেছে ওদের কারনে???
এমন টাকা আসনের চেয়ে ডাষ্টবিনের ময়লা খাইয়া বাচাও ভাল।। ক্ষমতার লোভে আজ বি এন পি র কাছে গো আ রাও মহান নেতা...
গালি দেয়ার ও রুচি হইতাছে না...
১৬ ই মে, ২০১১ দুপুর ২:২৭
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: গঠন মূলম সমালোচনা করুন। আমাদের প্রবাসী ভাইদের প্রতি শ্রদ্ধা নিয়ে কথা বলুন। কার মাধ্যমে গেল বা আসল তা বড় কথা নয়। তাদের কাজের যারা সন্মান করতে না পাড়লে আপনি ডাস্টবিনে চলে যান।
ভুলে যাইয়েন না প্রবাসী ভাইদের পাঠানো রেমিটেন্স না আসলে আমাদের টিকে থাকা কষ্ট হইতো।
২০|
১৬ ই মে, ২০১১ বিকাল ৩:০৫
নগর বালক বলেছেন: যারা শহীদ জিয়াকে সেনানায়ক বলেন, তাদের কাছে আমার প্রশ্ন,৩ নভেম্বর এর পর কে হত বাংলাদেশের নেতা ? তার পুর্বের ঘটনায় যারা জিয়াকে যুক্ত করতে চান,তাদের কাছে প্রশ্ন,তত্কালীন সেনাপ্রধান বিমান বাহিনী প্রধান কই ছিলেন।কর্নেল (বরখাস্ত বলে শুনেছি) তাহেরকে নিয়ে যারা মায়া কান্নায় লিপ্ত,তাদের কাছে বিপ্লবী গনবাহিনীর কুকর্ম সম্পর্কে জানতে চাই। সর্বোপরি একটা নাম বলি,অলিভার ক্রমওয়েল।যারা ইতিহাস থেকে কারো নাম মুছে ফেলতে চায়,নামটি তাদের জন্য।
১৯ শে মে, ২০১১ রাত ১২:৪৬
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই, সত্য বলে যান। নিন্দুক তথা ছাগলরা ম্যা ম্যা করবই। কারন এছাড়া তার আর কি করার আছে।
২১|
১৬ ই মে, ২০১১ রাত ১১:১২
েতজপাতা বলেছেন: লেখক, আপনে দেখি ছয় লাইন বেশি বুঝলেন।।
"গো।আজম, নিজামীর কারনে বাংলাদেশ উন্নতির চরম শিখরে??? কোটি কোটি টাকা আসতেছে ওদের কারনে??? এমন টাকা আসনের চেয়ে ডাষ্টবিনের ময়লা খাইয়া বাচাও ভাল।।"
এই কথায় কি বোঝা যায় না, কথাটা গো, আ ও নিজামীরে নিয়া বলা হইছে??? এই কথার মানে হল গো,আ ও নিজামীর মাধ্যমে আসা টাকার চেয়ে ডাষ্টবিনের ময়লা ও ভাল।। এটা না বোঝার কোন কারন দেখি না।। কমেন্ট না বুইঝাই আবালের মত কথা কইয়া ফালাইলেন।। যত্তসব।।
প্রবাসীরা নিজেদের যোগ্যতায় বাইরে যায় এবং তাদের কারনেই আমরা রেমিটেন্স পাই।। এখানে গো,আ ও নিজামীর কি কৃতিত্ত্ব??
২২|
১৭ ই মে, ২০১১ রাত ১০:১৬
শুভ রাত্রি বলেছেন: আমি মেজর জিয়া বলছি on behalf of Sheikh mujibor rahman
১৯ শে মে, ২০১১ রাত ১২:৪৮
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: গায়ে মানে না আপনি মোড়ল।
২৩|
১৯ শে মে, ২০১১ রাত ১:০৭
সবাক বলেছেন: মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন : সব কমেন্টকারীর সাথে সহমত। জিয়া আমার আব্বা ছিলো এবং একটা খানকির পোলা ছিলো।
২০ শে মে, ২০১১ রাত ৮:১৫
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: ভাগ্য ভাল আফনে আপনার আব্বার যুগে জন্ম নেন নাই, তাইলে মুখ দিয়া এত কথা বাইর হইতো না।
আপনার কাজে আসবে এমন দুটি লিংক :
‘আজ আর একচেঞ্জ অব হার্ট নয়, চাই চেক অব হার্ট’ - আবুল মনসুর আহমদ
১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ হয়েছিল যেকারনে !!
২৪|
১৯ শে মে, ২০১১ বিকাল ৩:৩১
বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: @ আকাশ_পাগলা ও তেজপাতা, অন্ধ হলেই কি প্রলয় বন্ধ হয়? শেখ মুজিবের দল ও কর্মী প্রীতির কারণেই ১৯৭৪ সালে র্দূভিক্ষ ঘটে। আজকে দেখেন লিবিয়া হতে ৩০-৩৫ হাজার বাংলাদেশী চলে আসাতে রেমিটেন্স প্রবাহে ঘাটতি পরেছে। তাতেই সরকারের ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা আর আপনারা বলেন ডাষ্টবিনের খাওয়া খেয়ে বেচে থাকতে তার মানে আপনারা চান এ দেশ আফ্রিকার এঙ্গোলা ও রুয়ান্ডার মত অবস্থা হউক? এখন চেষ্টা করা হচ্ছে সৌদি, কুয়েত ও আমিরাতে আরো বাংলাদেশীর কর্মসংস্থানের ব্যাবস্থা করার। আপনারা অন্ধ আবেগের জোরে যতই অস্বীকার করুন মধ্যপ্রাচ্যের ৪০ লক্ষ বাংলাদেশীর পাঠানো বিলিয়ন বিলিয়ন ডলারের রেমিটেন্স এ দেশের অর্থনীতিতে বিশাল অবদান রাখছে। জিয়া স্রেফ নিজে ও জামাতের জন্য এটা করেন নি বরং দেশের ভবিষ্যতের কথা ভেবেই তাদেরকে রাজনীতিতে সুযোগ দিয়েছে। তবে এই দেশে নিমক হারামীর অভাব নেই। আমরা স্বাধীন হয়েছি পরিশ্রম করে অর্থ উপার্জনের জন্য ৭৪ সালের র্দূভিক্ষে পতিত হওয়ার জন্য নয়।
২০ শে মে, ২০১১ রাত ৮:১৬
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
২৫|
২৩ শে মে, ২০১১ রাত ১০:৫০
আকাশ_পাগলা বলেছেন: @ বাংলাদেশ জিন্দাবাদ
এই একটা মজার ব্যাপার। আম্লীগ সরকার প্রতিবাদ আসলেই শুনি আপনারা বলছেন দেশ নাকি ইন্ডিয়ার কাছে বেঁচে দিল। আর জিয়া যে সেসময় সৌদীর পা চেটে দিল তাতে কোন দোষ নেই??
দেশে ইন্ডিয়ার সংস্কৃতি ঢুকায় আমাদের খুব সমস্যা, আর সৌদীর কথায় তখন নিজের ২ লক্ষ বোনকে মাকে যারা রেইপ করছে তাদের বুকে টেনে নেয়া হল -- তখন দোষ নাই????
হ্যা, সৌদী আমাদের অনেক কিছু দিছে। নিছে একটাই। ""আত্মসম্মানবোধ""। এইটা ইন্ডিয়ার কাছে/পাকিস্তানের কাছে/নেপাল ভুটান কঙ্গো যার কাছেই দিবেন -- আপনাকে কিছু না কিছু ভিক্ষা দিবেই।
ইসরাইল আমেরিকার ক্ষমতায় কত আরবকে পিটিইয়ে বেড়াচ্ছে। ইসরাইল কী আমেরিকা হয়ে গেছে? উলটা ইসরাইলই আমেরিকায় প্রভাব বিস্তার করছে। ইন্ডিয়া আর চায়নাও সুপার পাওয়ার হবেই। বাংলাদেশের সাথেও ইন্ডিয়ার এমন সম্পর্ক হতে পারত যেমনটা ইসরাইল আর আমেরিকার। আমাদের মাঝে ইন্ডিয়া ঢুকত না, উলটা ওদের মাঝেই আমরা ইন্টারপ্রেট করতে পারতাম।
এটা জরুরী না। নিজের আর্মি ছাড়া সিঙ্গাপুর, সুইজারল্যান্ড টিকে আছে। কাউকে কেয়ার করে না। কিন্তু তুলনাটা দিলাম এই হিসেবে যে, সৌদীর পা না চেটে অন্য দেশকে খাতির করতে আরও লাভ হত বাংলাদেশের।
২৯ শে মে, ২০১১ রাত ১:১২
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: আপনার মতামতটা সঙ্কীর্ণ মানসীকতার উর্ধে নিয়ে যেতে পারেন নি, আর যথেষ্ট রাজনৈতিক গেয়ানের অভাব রয়েছে। এখানে কেউ সৌদি আর ভারতের পক্ষে বিপক্ষে কথা বলেনি বা বলতে বলেনি।
মতামতের জন্য ধন্যবাদ। অন্তত চিনতে পারলাম।
২৬|
২৩ শে মে, ২০১১ রাত ১১:০১
অনিক আহসান বলেছেন: জিয়া প্রো-ইন্ডিয়ান ছিলেন না... । ভারতের কাছে এইটাই ছিলো তার একমাত্র অপরাধ....
ভারতে মোরাজি দেশাইয়ের সরকার ক্ষমতায় থাকলে জিয়া হত্যাকান্ড ঘটতো না...
২৯ শে মে, ২০১১ রাত ১:১৪
মাহমুদ ইমতিআজ বলেছেন: এটাই একজন দেশপ্রেমিক শাসকের স্বরূপ হওয়া উচিত, জিয়া তাই ছিলেন। হাজার সালাম তার প্রতি।
মতামতের জন্য ধন্যবাদ।
২৭|
২৯ শে মে, ২০১১ রাত ১:২৭
শায়েরী বলেছেন: Janlam onek kisu
Apnake +++
২৮|
২৯ শে মে, ২০১১ রাত ১:২৯
বিদ্রোহী কান্ডারী বলেছেন: কেন খামাখা ইন্ডিয়ার দালালদের সাথে কথা বলছেন! ওরা দুনিয়ায় একমাত্র বন্ধু ভারত ছাড়া আর কাউকে খুজে পায়না। ওদের দৃষ্টিতে ভারত হল নিরীহ, গোবেচারা, বন্ধুপ্রতিম, অত্যাচারের স্বীকার, অন্যায়ের স্বীকার, সন্ত্রাসের স্বীকার এক দেশ। সেখানে আছে সুশাসন, মানবতা শান্তিময় পরিবেশ। তাই কি দরকার সংখ্যাগরিষ্ট মুসলিমের দেশ বাংলাদেশের টিকে থাকার তার চেয়ে ভারতের সাথে একাকার হলে কি মজাটাই না হত। কত সহজেই তাহলে কলিকাতা যেতে পারত তা কি চিন্তা করেছেন? কলিকাতা হার্বালের ঔষুধ ছাড়া তো তাদের চলে না।
২৯|
২৯ শে মে, ২০১১ রাত ১:৩৭
গিগাবাইট বলেছেন: ৫ নাম্বার কমেন্টে ঝাঝা
৩০|
১১ ই জুন, ২০১১ রাত ১১:৫৪
জিপসি মেহেদি বলেছেন: লেখক ভাই, আপ্নে চালাইয়া যান।ভাদাদের লেখা পড়ার সময় ফেলানীর ছবিটা চোখে ভাসছিল। মন্তব্য পড়তে পড়তে আমারো কিছু প্রশ্ন আসছিল।এখন আর উৎসাহ পাচ্ছিনা । ধন্যবাদ , প্লাস সহকারে ।
৩১|
১১ ই জুন, ২০১২ রাত ৮:৪৭
আমি ব্লগার হইছি! বলেছেন: একটা কারণ রাজাকার দের সাথে পিরিত।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই মে, ২০১১ রাত ৩:৩৫
কল্পবিলাসী স্বপ্ন বলেছেন: একজন সেনা নায়ক থেকে রাস্ট্রনায়ক হবার পিছনে,কর্নেল তাহেরের অবদান নিশ্চয় অস্বীকার করতে পারবেন না,এখন বলুন জিয়া কেন কর্নেল তাহের কে প্রহসনের বিচারে হত্যা করলো?