নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মডারেশনের সকল অস্বচ্ছ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাই

জীবন চলে যাচ্ছে, এইতো

একলা একজন

মডারেশনের সকল অস্বচ্ছ সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানাই

একলা একজন › বিস্তারিত পোস্টঃ

ভয় হতে তব অভয় মাঝে নূতন জনম দাওহে

০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ৯:৫৯





'ভয় হতে তব অভয় মাঝে নূতন জনম দাওহে/ দীনতা হতে অক্ষয় ধনে সংশয় হতে সত্যসদনে/ জড়তা হতে নবীন জীবনে নূতন জনম দাওহে'- কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর কুষ্টিয়ার শিলাইদহে তার ৩৮তম জন্মদিনে বসে এভাবেই 'নূতন জনম'র প্রার্থনা করেছিলেন । মৃত্যুর আগ পর‌্যন্ত যে জীবনকে তিনি সত্য ও সুন্দরের আলোয় শুদ্ধ করতে চেয়েছেন, শ্রাবণের এক দুপুরে তার সেই জীবনের পরিসমাপ্তি ঘটে। বাংলা ১৩৪৮ সালের ২২ শ্রাবণ বাংলা সাহিত্যের কিংবদন্তি পুরুষ কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন।



আজ বৃহস্পতিবার সেই বাইশে শ্রাবণ। রবীন্দ্র মহাপ্রয়াণ দিবস। বাঙালির মানস গঠনের কবি, বাঙালি চেতনার সার্থক রূপকার কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আজ ৬৮তম মৃত্যুবার্ষিকী। বিশ্বকবির মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীসহ সারাদেশের বিভিন্ন সংগঠন বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। রেডিও টেলিভিশনগুলো প্রচার করছে সপ্তাহব্যাপী বিভিন্ন অনুষ্ঠান। জাতীয় দৈনিকগুলো প্রকাশ করছে বিশেষ ক্রোড়পত্র।



বাংলা সাহিত্যের প্রতিটি শাখাই তার সৃজনশীল সৃষ্টিসম্ভারে সমৃদ্ধ হয়েছে। কবিতার মাধ্যমে সাহিত্যজগতে প্রবেশ করলেও গান, নাটক, ছোটগল্প, উপন্যাস, প্রবন্ধ এমনকি চিত্রকলাতেও রয়েছে তার অপরিসীম অবদান। মধ্যযুগের বাংলা কবিতা বিহারীলাল ও মধুসূদনের হাত ধরে কৈশোরে পদার্পণ করলেও রবীন্দ্রনাথ এই কৈশোরের কবিতাকে যৌবনের তেজদীপ্ত আকাশে ঘুরে বেড়াবার সামর্থ্য দেন। মানসী, সোনার তরী, খেয়া, ক্ষণিকা, নৈবেদ্য ইত্যাদি কাব্যগ্রন্থে তার কবিতার ভাব, ভাষা ও ছন্দ নিয়ে যে নিরীক্ষা তাই বাংলা কবিতাকে বিশ্ব মর‌্যাদায় আসীন করেছে।



তিনিই বাংলা ভাষায় প্রথম সার্থক ছোট গল্পের স্রষ্টা। রচনা করেছেন এক রাত্রী, কংকাল, পোস্ট মাস্টার, মৃণ্ময়ী, কাবুলিওয়ালা'র মতো অজেয় গল্প। বাংলা উপন্যাসকেও তিনি বঙ্কিমচন্দ্রের রোমান্টিক জগত থেকে সার্থক উপন্যাসের পটভূমিতে তুলে আনেন। তার ঘরে বাইরে, গোড়া, নৌকাডুবি, চোখের বালি সেসময়ের প্রেক্ষিতে লেখা হলেও এখনও তা সমসাময়িক। আর তার লেখা রক্তকরবী, অচলায়তন, বিসর্জন ও ডাকঘর নাটকগুলো শুধু সাহিত্যরসিক নয় নাট্যামোদি দর্শকদেরও মন জয় করেছে।



গানের ক্ষেত্রে রবীন্দ্রনাথ অপ্রতিদ্বন্দ্বী। তার রচিত সাহিত্যের মধ্যে গানের সংখ্যাই সবচে' বেশি। গানের মাঝেই তিনি তার আবেগ ফুটিয়ে তুলতে চেয়েছেন। তার সাধনা, ধ্যান, প্রেম কিংবা নিবেদন সবই যেন তার গানের মধ্যে ছড়িয়ে রয়েছে। বাঙালি চেতনার কথাও ফুটে উঠেছে তার গানে। তার 'গীতাঞ্জলি' ইংরেজি অনুবাদ প্রকাশ হওয়ার পর ১৯১৩ সালে একমাত্র বাঙালি এবং প্রথম এশীয় হিসেবে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন। একই সঙ্গে তিনি ভারত ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীতের রচয়িতা। তার লেখা গান ও বাংলাদেশের জাতীয় সঙ্গীত 'আমার সোনার বাংলা' বিবিসি'র জরিপে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাংলা গানের মর‌্যাদা লাভ করেছে।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:২৭

সহেলী বলেছেন: পোষ্ট পড়ে , দেখে ভাল লাগল । ধন্যবাদ আপনাকে ।

শেষ লাইনে বাংলা গানের মর্যাদা হবে কি ?

২৫ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৩২

একলা একজন বলেছেন: জ্বী। ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.