| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ফড়িং তিড়িং বিড়িং
"আমি নিজের কাছে অপরিচিত এবং এটা আমাকে দুঃখ দেয়" -এটা কবে লিখেছিলাম জানিনা। তবে আর আমার নিজেকে জানার কিছু নেই, একজন ভীতু, মূর্খকে চেনার মধ্যে কোন সফলতা নেই।
এরকম একটা Real ভ্যাগাবন্ডের সাথে কোন বুদ্ধিমতী মেয়ের প্রেম করা তো দূরে থাক কথাই বলা উচিত্ না।
পড়াশুনার সাথে তার সাপে নেউলে সম্পর্ক, অত্যন্ত মেধাবী এই জিনিয়াসের দুনিয়ার সমস্ত ফালতু কাজগুলোর সাথে ইয়ারদোস্তি অবস্থা। জন্মলগ্ন থেকে টো টো কোম্পানির এমডি পদের জন্য জীবনের সমস্ত শ্রম সে নিষ্ঠার সাথে ব্যয় করে যাচ্ছে।
তার আরেকটি প্রিয় কাজ আমাকে জ্বালিয়ে জ্বালিয়ে ছাই বানানো এবং আমার বুদ্ধি কত নিম্নস্তরের তা যুক্তি সহকারে প্রমাণ করা। রুটিন করে মেডিসিনের মত তিনবার ধমক দেয়াও তার একটি অবশ্যপালনীয় কাজ এবং তাতে আমি মন খারাপ করে সামান্য কান্নাভাব আনলে আরেকটা ধমক দিয়ে ব্যাখ্যা করা যে ধমকগুলা আমার ভালোর জন্যই দেয়া হয়।
আমি কবিতা পাগলের মত ভালোবাসি কিন্তু "কবিতা দিয়ে পেট ভরে না" এইটাইপ কথা যারা বলে আমিও তাদের মধ্যে একজন। তবুও চালচুলাহীন এই যাযাবরের কবিতাই আমার চেতনার জগতে ক্রমশ এনেসথেসিয়ার মত কাজ করতে থাকে।
মেয়েদের সাথে Flirt করার ওস্তাদ, এক মাঝি-বৈঠাহীন নৌকার যাত্রী সে, কোথায় ভেসে চলেছে নিজেই জানত না, বর্তমান যান্ত্রিক দুনিয়ায় বড় বেমানান, একটুতেই পাগলামীর চূড়ান্ত করা আমার রিঅ্যাকশান চিন্তা না করেই দুদিনের পরিচয়ের এক সন্ধ্যায় বলে বসে, "রাজি না হলে তুলে নিয়ে গিয়ে বিয়ে করব ওয়াদুদ স্যারের মত"!!!
শয়তানির চূড়ান্ত করেও সে ভাবত আমি রাজি হব!! কোন কথা নেই, বার্তা নেই বখাটে ছেলেদের মত বাসায় যাবার সময় একদিন হঠাৎ বাসে উঠে পড়ে। পাশে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে গুন্ডাদের মত অত্যাচার করতে করতে অতিষ্ঠ করে দেয়। নামার কোন লক্ষণই নেই। উপায় না দেখে তার হাত থেকে বাঁচতে নিজেই যখন মাঝপথে নেমে যাচ্ছি তখন সে নামে আর তারপর. . . . . .
বিশাল ভুল করেছিলাম। হয়ত সেদিন শয়তানটাকে এভাবে মাঝরাস্তায় নামিয়ে না দিলে সারাজীবনের জন্য তার কাছে ধরা খাওয়া লাগত না!
©somewhere in net ltd.