| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
৭ ১ নিশান
দেখি আমি অন্ধ চোখে জগতটাকে
অনেকদিন ধরে কর্পোরেট দুনিয়া নিয়ে কিছু একটা লেখব বলে ভাবছিলাম আজ আমি কর্পোরেট দুনিয়ার পর্দার আড়ালের কথা আপনাদের বলব। বাংলাদেশের ইতিহাসের দিকে তাকআলে কর্পোরেট দুনিয়ার ইতিহাস বেশি দিনের না। ৯০ এর দশকের পর থেকে যেদিন মাল্টিন্যাসনাল প্রতিষ্টান বাংলার মাটিতে তার স্বার্থ খুজে পেল তখন থেকেই মুলত কর্পোরেট কালচার বাংলার মাটিতে এসে পড়ল। এখন বাংলাদেশের নানা প্রতিষ্টানে কর্পোরেট কালচার ছাড়া কিছু ভাবা যায় না। এখানে নানা মতের, নানা, ধান্ধার মানুষ এক হ্যেছে স্বার্থ হাসিলের জন্য। কর্পোরেট জগতের নিয়ম কানুন সবই আলাদা এখানে আপনাকে মেকি হয়ে যেতে হবে। নিজের সকল পরিচয় ভুলে আপনাকে হতে হবে কর্পোরেট মানুষ আর তা না হতে পারলে আপনার বিদায়। কি ছেলেদের কি মেয়েদের সবাইকে এখানে পরিবর্তিত হয়ে যাতে হয়। ভালোমন নিয়ে আপনি আর যাই হোক এদের জগতে টিকতে পারবেন না। আপনি যদি মদ না খাইতে পারেন তাহলে আপনাকে শুনতে হবে আপনি কালচার সেখেননি , আপনি সেকেলে। আসলেই কি তাই মানুষ যদি মাদক না খাই তাহলে কি সেকেলে হয়ে যায় ? দারুন এদের সিস্টেম। বাংলাদেশে বসে আপনার কাজ হবে বাংলাদেশের ক্ষতি করা। আর বেহাল্লাপনা চেয়ে চেয়ে দেখা। আমি নিজে কওন পীর মানুষ না। আমিও নিয়মিত বারে যায় তা দু গ্লাস বিয়ার খেয়ে আসার জন্য। কর্পোরেট হতে হলে আপনাকে উপরে বাংলাদেশের জন্য দরদ উতলে দিতে হবে আর ভিতরে ক্ষতি করার চিন্তা করতে হবে। ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকো বাংলাদেশ সরকার কে এন্টি স্মোকিং এর জন্য ফান্ড দেয় বলে প্রচারন বন্ধ করুন এতে কি হয় আমাদের দেশের কমপানি মার খাই আর ওরা লাভ করে। কারন ওরা এমনিতেই পরিচিত আর বাংলাদেশের বিড়ি কম্পানি গুলো প্রচারনার অভাবে মার খাই। আমি শুধু বোঝানোর জন্য টোবাকো এর কথা বললাম।
ছেলেদের থেকে বেশি দাম সুন্দর মেয়েদের এই দুনিয়াতে। ছেলেদের দিয়ে আসলে অফিসিয়াল কাজ ছাড়া বাকি কিছু হসিল হয় না। এজগতে কাজ হয় রাতের আড়ালে। মেয়েদের শরীরকে এখানে ব্যবহার করা হয় সুকৌশলে। এখানে মেয়েদের হয়ে যেতে হয় লাজ লজ্জা হীন। আসলে টাকার লোভের কাছে অন্য কিছুর তুলনা হয় না। লাখ লাখ টাকার লোভে পড়ে মেয়েরা এখানে নিজেদের অজান্তে নিজেরা নিজেদের কে বিলিয়ে দেই। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশের বোকা মেয়েরা জানে না যে , কর্পোরেট বসদের নিয়মিত ন্তুন আইটেম পছন্দ। সেদিন দেখলাম এক চাকরির বিজ্ঞাপনে বলে দিয়েছে মেয়ে সুন্দর হতে হবে আরো নানা কিছু তাহলে কালো মেয়েদের কি হবে। আজকাল কর্পোরেট হাউস গুলোতে কাজ করা মেয়েদের খুব তাড়াতাড়ি অনেক টাকা হয়ে যায়। কিভাবে হয় তারাই ভালো জানেন। আর মিডিয়া হাউস গুলোতে মেয়েদের কি কদর তা না দেখলে বিশ্বাস করা যাবে না। একদিন মামুনুর রশীদ বলেছিলেন আমি ৪০ বছর অভিনয় করেও ফ্লাটের টাকা যোগাড় করতে পারি নি আর এখন একটা নাটকে কাজ করা মেয়েরা ৬ মাসের ভিতরে ফ্লাট কিনে ফেলে। কত আক্ষেপ করে তিনি বলেছেন কথা গুলো। আমি চ্যানেল আইতে কাজ করতে যেয়ে চলে এসছি কারন আমার ধাতে সয় না এসব । একদিন এক মেয়ে আসল সে নাকি লাক্স সুন্দরী, সে আমাদের ড্রেস সেন্স বোঝাবে ভালো অনেক ক্ষন তার কথা শুনলাম। এর পর দেখি নাম না জানা এক বড় ভাই এসে সবার চোখ ফাকি দিয়ে তার পেটে হাত দিয়ে বলল কি ব্যাপার এত ফ্যাট কেন আজ রাতে কার কল আছে। আমি আমার কানকে বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। এর পর দিন আমি আমার ইউনিট ছেড়ে ঘিরনাই চলে আসি। বলে রাখি আমি চ্যানেল আইয়ের ক্যাম্পাস হিরো প্রগামের একজন ফাইনালিস্ট ছিলাম তাই আমার অল্প বিস্তর এইজগত জানা আছে।
মিডিয়া গুলো টিকে আছে মেয়েদের দিয়ে ব্যবসা করে। এত সব প্রতিযোগিতা কেবল নতুন নতুন মেয়ে খুজে এনে হাই ক্লাস প্রতিতা বানানোর জন্য। একটা ছেলেকে পাহাড় ডিঙ্গিয়ে মিদিয়াতে নিজেকে প্রমান করতে হয়, আর মেয়েকে নিজের কাপড় খুলে নিজেকে প্রমান করতে হয়। এটাই আমাদের কর্পোরেট মিডিয়া জগত। নগ্নতা ছাড়া মিডিয়াতে মেয়েদের কোন দাম নেই।
এতো গেল কর্পোরেট মিডিয়া জগতের ব্যাপার, আজকাল ব্যাংকগুলো ও কর্পোরেট হয়ে গেছে। আমি নিয়মিত একটা প্রাইভেট ব্যাংকে যতায়াত করি । একদিন আমি একাউন্ট এর একটা ঝামেলা নিয়ে ব্যাংকে গেছি, কাস্টমার কেয়ারে যে মেয়েটি বসে আছে তার দিকে তাকাতে পারছিলাম না, কারন তিনি যে পোশাক পরে ছিলেন তাতে তার অনেক কিছু পরিস্কার হয়ে গেছিল। ব্যাংকে যে যতটা একাউন্ট করাতে পারে তার তত লাভ আছে এরপর আছে এফডিয়ার কত কি। এক মেয়ে দেখি ট্রাসপারেন্ট একটা কামিজ পরে এসেছে সে আমার পরিচিত তাই ঠাট্টা করে বলে দিলাম কাস্টমার এবার না এসে যাবেই না। রিকভারিতে মেয়েদের তো অনেক সুবিধা কারন এখানে তারা কন্ঠ বেচে চলে। এক ব্যাংকারের কথা অনুসারে একটা মেয়ের গলা সুনলে নাকি মানুষ লোন ফেরত দিতে দেরি করে না। কি যুক্তি সব জায়গায় নারী শরীর বেচাকেনা চলছে কর্পোরেট এর নাম করে। আর আমরা নাকি এগিয়ে যাচ্ছি। এই যদি এগুনোর নাম হয় তাহলে শতধিক এক সমাজ কে যেখানে নারিদের পন্য করে টাকা কামাতে হয়।
আপনি গার্মেন্টস ব্যবসার দিকে যাবেন সেখানে তো নারি ছাড়া কোন কিছু কল্পনা করতে পারবেন না। এরা আমাদের দেশের জন্য নাকি সবথেকে বেশি টাকা আনে আদতে সবই ফাকি কারন এখানে আমরা কেবল দর্জির কাজ করি। সুতা, বোতাম,রং সবই বাইরের কেবল মালিক লাভবান হয় আর মরে যায় শ্রমিক। আসে অনে টাকা সে টাকা আবার চলে যায় সুতা, বোতাম,রং এর দাম শোধ করতে চায়না, ইন্ডিয়াতে। আর বিদেশি বায়ার এসেছে তার মন ভরতে হবে কি লাগবে কি লাগবে? সুন্দরী মেয়ে লাগবে? পাঠিয়ে দাও কোন মেয়েকে সারা রাত মাস্তি করে কাজ দিয়ে চলে যাবে। রাতের আধারে নাইট পার্টির নামে মাতলামি করা আর নারী শরীর নিয়ে খেলা করা এই ব্যবসার এক অপ্রিহার্য উপাদান। কর্পোরেট আমাদের সবাইকে নষ্ট করে চলেছে। আমরা এদের নিরিহ শিকার।
আজকাল নাকি মেয়েরা কোথাও নিরাপদ না। সবাই এদের নিয়ে ব্যবসা করতে চাই। আর কাজের বিনিময়ে নিতে চাই শরীর। এর জন্য নানা ফাদ পেতে বসে আছে। আমি একজন ডিজাইনার কে জানি সে নিজের কাজের জন্য নিয়মিত শরীর বেচে চলেছে । এখন আর বের হতে পারছে না এমনকি বিয়ের কথাও চিন্তা করতে ভয় পাই তার ব্যবসায়িক পাটনার দের জন্য। সে ভুল পথে অনেক বেশিদূর যেতে চেয়েছে অনেক কম সময়ে । আসলে কম সময়ে বেশি দূর যেতে চাই বলেই মানুষ বিপদে পড়ে। আর মেয়েরা অনেক বেশি তাড়াতাড়ি উপ্রে যতে চাই বলে পড়ে যায় অতলে।
আর ফ্যাশন হাউস গুলো এখন সব থেকে বড় নারী সরবরাহকারী, তারা ফ্যাশন করাতে নিয়ে যায় দুবাই, সিংগাপুর মালেশিয়া, সেখানে চলে দুদিনের দেহ ব্যবসা আর ফিরে এসে বলে শুটিং শেষ। আমার বান্ধবী ছিল লাক্স সুন্দরী অর কাছ থেকে জেনেছি যে মেয়েদের কে মোটিভেট করা হয় আস্তে আস্তে একসময় নষ্ট করে ফেলা হয় কৌশলে যখন তার ফেরার কোন উপায় থাকে না। আর যে যত বড় কথায় বলুক দেহ বিনিময় ছাড়া যে প্রতিযোগিতায় ফাস্ট হওয়া যায় না তা বুঝি।
দেশে কি কোন ভালো জ্ঞানী স্মার্ট ছেলে নেই ? কই তাদের নিয়ে তো কোন অনুষ্ঠান হয় না কোন চ্যানেলে। মেয়েদের নিয়ে এত কেন? কেউ কিছু বলতে পারেন? চ্যানেল আই তে কি কোনদিন হইয়েছে লাক্স সুন্দর ?
আমাদের উচিত আমাদের বোন-মেয়েরা কোথায় কি কাজ করছে তার সম্পর্কে খোঁজ রাখা তা না হলে আমাদের ই বিপদ। তারা ভুল করে কখন কোন বিপদে নিজের অজান্তে পড়ে যায়।
আজ সময়ের অভাবে অন্য সেক্টরের কথা গুলো লিখতে পারলাম না অন্যদিন সময় করে লিখব।
২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৪৬
লাবনী আক্তার বলেছেন: খুবই গুরত্বপূর্ণ কথা বলেছেন। আসলে নারীরাই বোকা। তারা কোনটা ভালো কোনটা মন্দ তা তাদের বোঝা উচিত। আর বাবা মা কেও দেখতে হবে তার সন্তান কি করেন?
আসলে এখন কার মানুষগুলো কেমন যেন হয়ে গেছে! ভালো মন্দের বিচার মনে হয় বুঝেনা। মানুষ দিন দিন খারাপের দিকেই যাচ্ছে।
৩|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৪৯
সত্যবাক বলেছেন: ব্লগের মডুরা হাবিজাবি লেখা সামনের পাতায় ঝুলাতে পারে, কিন্তু এই ধরণের লেখার কোন খোজ খবর নাই।
হায়রে বাংগালী...........................
৪|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৫৬
আবুলমাল বলেছেন: আপনি এই সব বন্ধ করতে চান,
ইসলাম ও এইসব বন্ধ করতে চান,
আবার আপনি ইসলাম ও বন্ধ করতে চান।
তাহলে আসলে আপনি কি চান?
(এখানে আপনি বলতে শুধু লেখক আপনি নন )
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১২:৫৩
৭ ১ নিশান বলেছেন: আবুলমাল আপনি বলেছেন আমি ইসলাম বন্ধ করতে চাই আসলে আমি ইসলাম বন্ধ করতে চাই না। কারন ইসলাম অনেক মড়ারেট একটা ধর্ম যা মানুষ কে অনেক স্বাধীনতা দিয়েছে। ইসলাম বলছে জ্ঞান অর্জন প্রত্যেক নর-নারীর জন্য ফরজ। জ্ঞান অর্জনের জন্য প্রয়োজেন সুদুর চীনে যাও এর মানে হল চীনে যাওয়া নয় , এর মানে হল সাধনা করা ও চেষ্টা করা। আর প্রকৃত জ্ঞানে জ্ঞানী হলে মানুষ এসব বাজে কর্পোরেট কালচার হতে বের হয়ে আসবে।
৫|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৫৮
রাফসান রাফী বলেছেন: একদিন মামুনুর রশীদ বলেছিলেন আমি ৪০ বছর অভিনয় করেও ফ্লাটের টাকা যোগাড় করতে পারি নি আর এখন একটা নাটকে কাজ করা মেয়েরা ৬ মাসের ভিতরে ফ্লাট কিনে ফেলে।
একটা ছেলেকে পাহাড় ডিঙ্গিয়ে মিদিয়াতে নিজেকে প্রমান করতে হয়, আর মেয়েকে নিজের কাপড় খুলে নিজেকে প্রমান করতে হয়।
শুনতে খারাপ লাগলেও এগুলাই পুজিবাদের কুৎসিত বর্জ্য!!!
৬|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:০৭
জেরিফ বিন্ আমির বলেছেন:
দুর্দান্ত লিখেছেন। প্রতিটা কথাই যথার্থ। আমিও মিডিয়াতে কাজ করে এইসব নোংরামী বেশ ভালোই দেখেছি। সময় করে আরো কিছু অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন। আমারগুলোও বলব। মিডিয়া সাক্স..
৭|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২২
আমি ইহতিব বলেছেন: মেয়েরা আজকাল সব জায়গাতেই পণ্য হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। ধিক এসব কর্পোরেট সমাজকে। তবে এসব ক্ষেত্রে মেয়েদেরও দোষ কমনা, তারা নিজেরা এসব ব্যাপারে সচেতন হলে অবস্থা এতো খারাপ হতোনা।
সময়োপগী ভালো পোস্ট।
৮|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৩
দুখী ব্লগার বলেছেন: মডেল -Quazi Nawshaba Ahmed
tight গেঞ্জি পড়ে, পাশে লেখা " রেডহচ্ছে বাংলাদেশ , খাঁটি দুধের অঙ্গীকার নিয়ে তৈরি আমরাও" ।
Model : Quazi Nawshaba Ahmed
সামান্য কিছু টাকা আর প্রচার পাবার জন্য যে মেয়েটি মানুষের নোংরা দৃষ্টির শিকার হোল সে কি একবার ও ভেবে দেখেছে বিজ্ঞাপনে তার ভুমিকা আর প্রয়োজনীয়তা কততুকু ? ? ?
পশ্চিমা বিশ্বের অনুকরণে আমাদের দেশেও শুরু হয়েছে তথাকথিত সুন্দরী প্রতিযোগীতা। গানের প্রতিযোগীতায় যে ভাল করবে সে হয়তো ভাল গায়ক হবে, অভিনয় প্রতিযোগীতায় যে ভাল করবে সে হয়তো ভাল অভিনেতা/অভিনেত্রী হবে, নাচের প্রতিযোগীতায় যে ভাল করবে সে হয়ত ভাল নৃত্যশিল্পী হবে, কিন্তু একজন মেয়ে সুন্দরী প্রতিযোগীতায় অংশ নিয়ে কি হতে পারে?
বিশিষ্ট বিচারক একজন প্রতিযোগীকে কমেন্টস দিয়েছেন,
"তোমার পারফরমেন্স ভালো হয়েছে তবে আজকে আমি তোমার যৌবনের আবেদনটা পেলাম না!!!
এই ছবিটি লাক্স আনন্দধারা ২০০৪ এর। মাঝখানের মেয়েটির নাম ফারহিনা জুনায়েদ লিমি। তার বর্তমান অবস্থা খুবই করুন। নাটক মডেলিংয়ে সুবিধা করিয়ে দিবে বলে তার নগ্ন ছবি নেটে ছেড়ে দিয়েছে একটি চক্র। She is already divorced 3 times !! And ননদ of মডেল Quazi Nawshaba Ahmed
মাইয়া শরীর দেখাইয়া বা শরীর বেইচা টাকা কামাইব..... আধুনীক বাবা মা এই সুযোগ হেলায় হারাবে কেন?'
এ ছাড়াও আমার মনে হয় এ সব পরিবারগুলো খুব দরিদ্র-শুধু মানসিক দিক দিয়ে নয়, অর্থনৈতিক দিক দিয়েও। ওদের রুটি রোজগারের ব্যবস্থা হয় ওদের মেয়েদের উপার্জনে। আর এ পন্থায় উপার্জন সবচেয়ে সহজ, কোন যোগ্যতাই লাগে না শুধুমাত্র শরীর দেখান ছাড়া।
আজ আমাদের দেশের যুব সমাজের নৈতিক অবক্ষয় ও ধংসের একটা বড় কারন হলো মেয়েরা তাদের ফাদে পা দিয়েছে । তারা তাদের থিওরী দিয়ে মেয়েদের ব্রেইন ওয়াশ করতে এবং পরিবার থেকে আলাদা করে ঘর থেকে বের করে আনতে সমর্থ হয়েছে । RJ নওসীনের উক্তি অনেকটা এরকম -
"স্বামীর সাথে ডিভোর্স হওয়াই আমার ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট।"
আমাদের নারীবাদীরা কিন্তু এই মেয়েদের নিয়ে কোন কথা বলেন না। কোন্ এক অজানা কারণে যে তারা সুন্দরী প্রতিযোগীতার বিরুদ্ধে কোন কথা বলেন না তা বোধগম্য নয়।
নারী আরও বেশী নিজেকে জানুক, নিজের শক্তি উপলব্ধী করুক, অন্যের লালসার হাত থেকে নিজেকে কি করে রক্ষা করতে হয় তা জানুক এই কামনাই করছি, জানি এই কামনার কোন ফল হবেনা
( colleced )
৯|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:২৬
রহমান জর্জ বলেছেন: হা হা হা। টেনশন লে নে কা নেহি ব্রাদার। ওয়েট এন্ড সি। আস্তে আস্তে আপনেরটাও যাইব তয় হায়ারে। বুড়িগো কাছে ডিমান্ড পাইবেন খিকজ্। মেয়েরা বুঝে গেছে এমনিতেও যেখানেই যাক পুরুষ তাকে খোঁজে বডির জন্যই বেশি মনের জন্য না। বডি ইজ এন এসেট- ওয়েস্টার্ন ইডিওলজির ইনকর্পোরেশন। একটু ডিলা কইরা দিলেই যদি পটারপট প্রমোশন, টেহা-পয়সা-গাড়ী-বাড়ী অইয়া যায় তাইলে আর খামাখা কেন তারা কস্ট করে খিঁচ খাইয়া থাকবো আপনের আলগা পিরিতের লাইগা। আপনার নাই অতএব খিচেন বইয়া। ঝাটা মারি আমনের হোলাহাইনগো কপালে হেতিরা চনু চাটবো হগলের। খানকা সভ্যতায় পাছায় লাথি মারার শক্তিও আমরা ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলছি। আমরা হারিয়ে ফেলছি সেই শ্বাশত মা, কন্যা, কিংবা স্ত্রীদের।
১০|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৫:৩২
ফারহানাযাহরা বলেছেন: এইসব নোংরামি নিয়ে আমাদের কলামিস্টরা কখনো কলম ধরেন না, তারা কলম ধরেন যখন আমরা হিজাব করি, ছেলে মেয়েদের প্রকাশ্য বেলেল্লাপনা নিয়ে তারা নিশ্চুপ থাকেন কিন্তু মহা চিন্তিত হয়ে হাহাকারে ফেটে পরে যখন ছেলে মেয়েরা নিজেদের মধ্যে সংযত, ভদ্র দুরত্ব বজায় রেখে চলে, ক্ষণে ক্ষণে তারা আমাদের মনে করিয়ে দেয় বাঙালি সংস্কৃতির কথা অথচ নিজেরাই হয় অপসংস্কৃতির ধারক, আমি জোর গলায় এইসব ভন্ড দের বলতে চাই তোমাদের মত বুদ্ধিজীবী যারা প্রতি নিয়ত নিজেদের বেচা কেনা কর অতি কম মূল্যে তোমাদের চেয়েও লক্ষ গুনে উন্নত বিবেক বুদ্ধির অধিকারী আমার দেশের অতি সাধারণ মানুষ যারা সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলে জানে এবং মানে। তোমরা নরকের কীট , তোমাদের মত শয়তানের সহচরদের হতে আমরা নিজেদের এবং আমাদের পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষা করবই, ইনশাআল্লাহ।
১১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:১৭
ইমনয বলেছেন: অসাধারন একটা লেখা......দুঃখী ব্লগারের মতামত ও দারুন লাগ্ল।এমন একটা লেখার জন্যাই অপেক্ষা করেছিলাম .........১০০% সত্যি ক্তহা।আমরা অনেকেই এই ব্যাপারে কিছু জানিনা।অভিবাবকদের অনেক সচেত্ন হওয়ার দরকার।
১২|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১১:৪৯
ধুসর কুয়াশা বলেছেন: বহুদিন পর আবার এমন আক্তা বাস্তব লেখা পেলাম। এই ধরনের লেখা এখন ত সামু থেকে উঠেই গেছে।লেখক্কে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আমাদের দেশের মেয়েরা এখন এই ব্যাপারটা যত তাড়াতাড়ি বুঝতে পারবে ততই দেশ অ জাতির জন্য মঙ্গল।
১৩|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:০৮
মুহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেছেন: যথার্থ লিখেছেন ! +++++++++
আমাদের অফিসে কিছু ইন্টার্ণী নিয়েছে একটা ইউনিটে, যারা মেয়েগুলোর ইন্টারভিউ নিয়েছে, সেই এক ম্যানেজার নির্লজ্জের মত আমাকে বলে, তারা বেছে বেছেই এমন সব মেয়ে নিয়েছে, যাতে অফিসের ছেলেরা "মোটিভেটেড" হয় !!!
ঐ মেয়েগুলো সকালে যখন অফিসের করিডোর দিয়ে যখন হাটে তখন মনে হয় কিছু র্যাম্প মডেল হাটছে, মনে হয় প্রতিদিন বিউটি পারলার থেকে মেক আপ করে আসে ! সত্যিই খুব বাজে অবস্থা আমাদের এই কর্পোরেট জগতের !!!
১৪|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৫
পাড়ার মেঝ ভাই বলেছেন: আপনার কথাগুলো পুরোপুরি অস্বীকার করা যাবে না ।
১৫|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:২৫
পাড়ার মেঝ ভাই বলেছেন: আপনার কথাগুলো পুরোপুরি অস্বীকার করা যাবে না ।
১৬|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:৪৬
৭ ১ নিশান বলেছেন: আমি কেবল আমার অভিজ্ঞতা শেয়ার কথা শেয়ার কএছি মাত্র আপনাদের কথা শুনে উৎসাহিত হলাম।আমরা নিজেদের বাংলা সংস্কৃতির ধারক বাহক বলে মনে করি, কিন্তু আমরাই আমাদের কালচার কে বেঁচে দিচ্ছি কিছু টাকার জন্য। আমার নিজের খুবই কাছের মানুষরাও কর্পোরেট দুনিয়াতে আছে তারা এখনও নিজেদের কে বিকিয়ে দেয়নি তারা চেষ্টা করছে এর থেকে বের হ্যে আসার জন্য। দুঃখী ব্লগার খুবই ভালো লিখেছেন আমি আপনার পোস্ট দেখতে চাই। আপনি যে আড়ং এর বিজ্ঞাপনটা দিয়েছেন তা আশাকরি সবাই বুঝবে। খাটি দুধের বিজ্ঞাপন ইউরোপ-আমেরিকাতেও আমি দেখেছি কিন্তু এভাবে মেয়েদের শরীর দিয়ে দুধের বিজ্ঞাপন দেখানোর মাধ্যমে যৌনতাকেই সামনে তুলে এনেছে। আমি যতদুর জানি আড়ং ব্রাকের একটা প্রতিষ্টান এরা নাকি বাংলা চেতনার ধারক বাহক। কিন্তু পথে ঘাটে এদের পোশাক আশাক ও দুগ্ধজাত পন্যের বিজ্ঞাপন দেখলে মনে হয় এরা আসলে যৌনতাকে পুজি করে ব্যবসা করে চলেছে। যা মোটেও কাম্য নয়। আমাদের নিজেদের জন্য হলেও আমাদের মেয়ে-বোন, দের সচেতন করে তুলতে হবে। আমরা ইস্লামের কথা বলেই হয়ে যায় গোড়া ইসলামী। আসলে কিন্তু তা নয়। আপনারা দেখেন ইরানের মেয়ে ফুটবল দল এসে বাংলার মেয়েদের হারিয়ে দিয়ে গেল। তাহলে তারা কি আমাদের চেয়ে বেশি এগিয়ে যায় নি। এমনকি পাকিস্তানি মেয়েরা আমাদের মেয়েদের থেকে বেশি এগিয়ে গেছে পড়ালেখায়। ছুটির দিন সহ রিড়ার্স ডাইজেস্ট পড়লে আপনারা বুঝতে পারবেন। আমরা আসলে না পারছি পুরোপুরি ওয়েস্টার্ন হতে না থাকতে পারছি বাংলাদেশী কালচার নিয়ে থাকতে। আমাদের উচিত বাংলা কালচার নিয়ে বেঁচে থাকা। কর্পোরেট দুনিয়া কে ধিক্কার জানান। আমাদের চাইনিজ হোটেলে গিয়ে পান্তা ভাত খাওয়া সংস্কৃতির থেকে বের হয়ে আশা।
১৭|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:২৬
জামি১৭০৪ বলেছেন: ছেলেদের নিয়েও কি যেন একটা প্রোগ্রাম শুরু হবে, কয়েকদিন আগে পেপারে দেখলাম। এখন তাহলে এদের কি হবে?
১৮|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:৩৪
চিন্তায় আছি বলেছেন: আমার বান্ধবী ছিল লাক্স সুন্দরী অর কাছ থেকে জেনেছি যে মেয়েদের কে মোটিভেট করা হয় আস্তে আস্তে একসময় নষ্ট করে ফেলা হয় কৌশলে যখন তার ফেরার কোন উপায় থাকে না। আর যে যত বড় কথায় বলুক দেহ বিনিময় ছাড়া যে প্রতিযোগিতায় ফাস্ট হওয়া যায় না তা বুঝি।
সত্য কথা
৮ নং কমেন্টা চরম সত্য
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১০
৭ ১ নিশান বলেছেন: জামিকে বলছিঃ বিভিন্ন চ্যানেলে ১০০টা প্রগ্রাম হয় মেয়েদের নিয়ে আর ছেলেদের নিয়ে হয় ১ টা। ক্যাম্পাস হিরো একবার হয়ে এখন বন্ধ হবার জন্য ধুকছে, ছেলেদের নিয়ে হয় লোক দেখানো প্রগ্রাম, লাক্স চ্যানেল আইয়ের সেরা সুন্দরী এর বাজেট এর তুলনায় এগুলো কিছু না। কালো মানুষ কি সুন্দর ও সুন্দরী না। যেখানে নিগ্রো মেয়ে বিশ্ব সুন্দরী নির্বাচিত হয় সেখানে আমাদের দেশে সুন্দরী নামের কিছু ভুত খুজতে চ্যানেল গুলো মাথার ঘাম পায়ে ফেলে দেই।
দেখেছেন কোন সুন্দরী কোনদিন সমাজসেবা করেছে, যেখানে বিশ্ব সুন্দরী হলে তাকে ১ বছর সমাজ সেবা মূলক কাজ করতে হয়। আর আমাদের দেশে এদের খুজে নিয়ে আসা হয় কর্পোরেট মার্কেটের জন্য।
১৯|
১৩ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৩:৪০
বিবাগী বাউল বলেছেন: যে কর্পোরেট কালচার আধুনিকতার নামে, উদারতার নামে নারীদের পণ্য হিসেবে গণ্য করে তাকে ধিক্কার ! আর যারা নারী স্বাধীনটার নামে নারীদের পুরুষদের লালসার বস্তুতে পরিণত করে বাবসা করছে তাদেরও ধিক্কার । ধিক কথিত আধুনিকতাকে.।.।
২০|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১:৪১
দর্পন বলেছেন: এই খানে এসে কোন মুক্তমনা চুদির ভাই কোন কথা বলবে না । তারা জানে এসব নোংরামি কিন্তু কিছুই বলবে না , কিন্তু মেয়েরা বোরকা পড়ে গড়ে বন্দি হয়ে থাকে তখন তারা এদের বের করে আনতে সোচ্চার ? আবার এদের সুস্থ জীবন ও দিতে পারে না ।
আমার এক কাজিন বলে " আসলে ওদের বউ-মেয়ে-ছেলে সবাই নষ্ট, তাই ওরা চাও সবাই যেন নষ্ট হয়ে যায় , দেখলি না অরুন চৌঃ ঘটনার পর তার বউ কোন প্রতিক্রিয়ায় দেখালো না,"
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১১
৭ ১ নিশান বলেছেন:
দর্পণ আপনার কথাটা খুবই ভালো লাগল। অরুন চৌধুরীরা কিছু করলে দোষ হয় না কারন তারা যে নারী মুক্তির ধ্বজাধারী। হ্যা সে নারীকে মুক্তি দেই তার লাজ লজ্জা থেকে। তারা কাদা মাটির মত নারীকে রুপ দেই কর্পোরেট জগতে মিশে যাবার জন্য। কোন মেয়েকে কিছু বলবেন আর আপনি হয়ে যবেন ইভটিজার ফলাফল জেল জরিমানা সম্মান হানি। এরা নারীদের পন্য বানাচ্ছে আর আমাদের প্রতিবাদ করার জায়গাকে নষ্ট করে দিচ্ছে। এরা নারীকে বলছে এসো কাপড় খুলে চলো আর আমাদের মুখে শিকল দিয়ে বলছে এটাই এখন নিয়ম। আমি মানি না এই নিয়ম।
২১|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১২
৭ ১ নিশান বলেছেন: হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন ভাই এদের অবস্থা লেজ কাটা শেয়ালের মত ণীজেড় লেজ গেছে তাই পরের লেজ কাটবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। কি আর বলব রে ভাই। মুক্তমনাদের অন্যনাম ইসলাম বিদ্বেষী এরা বোরখা তো অনেক কাছের ব্যাপার, এরা মেয়েদের কে বাজারের পন্য করতে পারলেই নিজেদের উদার বলে প্রচার করে দেই। মেয়েদের শিক্ষিত ও স্বনির্ভর করা এক জিনিস ও ভোগ পন্য করা আরেক জিনিস। আমি নিজেও এক আধটু পানি খাই তবে আমি ইসলামের বিরোধী না। এরা স্বনির্ভরের নাম করে মেয়েদের শরীর কে ভোগ করতে চাই। আর আমাদের মত যারা এসবের প্রতিবাদ করি তারা এদের কাছে হয়ে যায় গোড়া মুসলিম ও মৌলবাদী। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই মেয়েরা এগিয়ে যাক তাদের মেধা ও বুদ্ধি দিয়ে, কেন তাদের শরীর বেচতে হবে। আমরা সবাই যদি এই সত্যটা ধারন করতে পারি তাহলে আমাদের বোন-মেয়ে ও স্ত্রীরা নির্ভয়ে নানা জায়গায় চাকরি করতে পারবে।
আমাদের বুদ্ধিজীবীরা ত মুক্তমনা ও ইসলাম বিরোধী এই যে ধরুন শাহরিয়ার কবীর সে অনেক বড় মাপের লোক সেদিন এক সেমিনারে বলে দিল আমি মরে গেলে রবীন্দ্র সংগীত বাজিয়ে দিও। বাহ বাহ এরা পারেও ভালো। তাহলে কি বলা যায় না তারা আসলে কি চাই? জনাব শাহরিয়ার সাহেবের উচিত নাম এভিডেভিড করে মোঃ শব্দটি বাদ দিয়ে দেওয়া।
আমেরিকাকে বলা হয় নাগরিক স্বাধীনতার দেশ কিন্তু সেখানকার মানুষ ও গোড়া খ্রিষ্টান, তবে কি তারা মৌলবাদী ও গোঁড়া খ্রিস্টান হয়ে যাবে? জর্জ বুশের আমলে গর্ভপাত নিষিদ্ধ ছিল । তারা কি মৌলবাদী? না তারা তাদের কালচার কে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করে চলেছে । আর আমরা নিজেদের সমৃদ্ধ কালচার কে দিনে দিনে নষ্ট করে দিচ্ছি।
কোন-নারী অধিকারের নেত্রিকে আজ পর্যন্ত বলতে শুনলাম না যে কর্মক্ষেত্রে নারীর অধিকার কি হবে এই নিয়ে কথা বলতে। কোন নারী কেবল নিগৃহীত হলেই এদের মাথা খোলে, সেমিনার সিম্পোজিয়াম করে দুনিয়া কাপিয়ে দেই।
সবকিছুর জন্য দরকার নৈতিক মূল্যবোধের উন্নয়ন। আর সে জায়গাটা হল ধর্ম। আমি কোন ধর্ম তে পাইনি যা মানুষ কে পাপ করতে বলে, মানুষকে অসম্মান করতে উৎসাহিত করে, মানুষকে খারাপ পথে চলতে বলে। তাহলে কেন আমরা ধর্ম থেকে নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা নেব না? আর ইসলাম তো বলেই দিছে কারো সাথে খারপ কিছু করা যাবে না, লোভ লালসা হারাম, ভ্যবিচার করা যাবে না। আর আমরা যদি এগুলো নিয়ে কথা বলি আমরা হয়ে যায় ছাগু(এই ছাগু এর মানে আমি জানি না কিন্তু ইদানিং অনেকে আমাকে বলে আমি নাকি ছাগু হয়ে যাচ্ছি) জানি এটা বলে আমাকে অপমান করা হচ্ছে। তারপর অ আমি সত্য বলা থেকে বিরত হব না। কে যদি ছাগু মানে জানেন দয়া করে আমাকে জানাবেন।
যদি আমারা সবাই ছোটবেলা থেকে নৈতিক দিক সম্পর্কে শিক্ষা লাভ করতাম তাহলে এসব নোংরামি আমাদের সমাজে থাকত না। উন্নত দেশে বাচ্চাদের ছোট বেলায় অনেক নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হয় তাই তারা হয় অনেক উন্নত চিত্তের অধিকারী(সাহায্য করার মন থাকে, দুর্নীতি মুক্ত, নারীদের সম অধিকার, আরও অনেক কিছু)
২২|
১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ১১:১২
৭ ১ নিশান বলেছেন: হ্যাঁ ঠিকই বলেছেন ভাই এদের অবস্থা লেজ কাটা শেয়ালের মত ণীজেড় লেজ গেছে তাই পরের লেজ কাটবার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। কি আর বলব রে ভাই। মুক্তমনাদের অন্যনাম ইসলাম বিদ্বেষী এরা বোরখা তো অনেক কাছের ব্যাপার, এরা মেয়েদের কে বাজারের পন্য করতে পারলেই নিজেদের উদার বলে প্রচার করে দেই। মেয়েদের শিক্ষিত ও স্বনির্ভর করা এক জিনিস ও ভোগ পন্য করা আরেক জিনিস। আমি নিজেও এক আধটু পানি খাই তবে আমি ইসলামের বিরোধী না। এরা স্বনির্ভরের নাম করে মেয়েদের শরীর কে ভোগ করতে চাই। আর আমাদের মত যারা এসবের প্রতিবাদ করি তারা এদের কাছে হয়ে যায় গোড়া মুসলিম ও মৌলবাদী। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই মেয়েরা এগিয়ে যাক তাদের মেধা ও বুদ্ধি দিয়ে, কেন তাদের শরীর বেচতে হবে। আমরা সবাই যদি এই সত্যটা ধারন করতে পারি তাহলে আমাদের বোন-মেয়ে ও স্ত্রীরা নির্ভয়ে নানা জায়গায় চাকরি করতে পারবে।
আমাদের বুদ্ধিজীবীরা ত মুক্তমনা ও ইসলাম বিরোধী এই যে ধরুন শাহরিয়ার কবীর সে অনেক বড় মাপের লোক সেদিন এক সেমিনারে বলে দিল আমি মরে গেলে রবীন্দ্র সংগীত বাজিয়ে দিও। বাহ বাহ এরা পারেও ভালো। তাহলে কি বলা যায় না তারা আসলে কি চাই? জনাব শাহরিয়ার সাহেবের উচিত নাম এভিডেভিড করে মোঃ শব্দটি বাদ দিয়ে দেওয়া।
আমেরিকাকে বলা হয় নাগরিক স্বাধীনতার দেশ কিন্তু সেখানকার মানুষ ও গোড়া খ্রিষ্টান, তবে কি তারা মৌলবাদী ও গোঁড়া খ্রিস্টান হয়ে যাবে? জর্জ বুশের আমলে গর্ভপাত নিষিদ্ধ ছিল । তারা কি মৌলবাদী? না তারা তাদের কালচার কে বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করে চলেছে । আর আমরা নিজেদের সমৃদ্ধ কালচার কে দিনে দিনে নষ্ট করে দিচ্ছি।
কোন-নারী অধিকারের নেত্রিকে আজ পর্যন্ত বলতে শুনলাম না যে কর্মক্ষেত্রে নারীর অধিকার কি হবে এই নিয়ে কথা বলতে। কোন নারী কেবল নিগৃহীত হলেই এদের মাথা খোলে, সেমিনার সিম্পোজিয়াম করে দুনিয়া কাপিয়ে দেই।
সবকিছুর জন্য দরকার নৈতিক মূল্যবোধের উন্নয়ন। আর সে জায়গাটা হল ধর্ম। আমি কোন ধর্ম তে পাইনি যা মানুষ কে পাপ করতে বলে, মানুষকে অসম্মান করতে উৎসাহিত করে, মানুষকে খারাপ পথে চলতে বলে। তাহলে কেন আমরা ধর্ম থেকে নৈতিক মূল্যবোধের শিক্ষা নেব না? আর ইসলাম তো বলেই দিছে কারো সাথে খারপ কিছু করা যাবে না, লোভ লালসা হারাম, ভ্যবিচার করা যাবে না। আর আমরা যদি এগুলো নিয়ে কথা বলি আমরা হয়ে যায় ছাগু(এই ছাগু এর মানে আমি জানি না কিন্তু ইদানিং অনেকে আমাকে বলে আমি নাকি ছাগু হয়ে যাচ্ছি) জানি এটা বলে আমাকে অপমান করা হচ্ছে। তারপর অ আমি সত্য বলা থেকে বিরত হব না। কে যদি ছাগু মানে জানেন দয়া করে আমাকে জানাবেন।
যদি আমারা সবাই ছোটবেলা থেকে নৈতিক দিক সম্পর্কে শিক্ষা লাভ করতাম তাহলে এসব নোংরামি আমাদের সমাজে থাকত না। উন্নত দেশে বাচ্চাদের ছোট বেলায় অনেক নৈতিক শিক্ষা দেওয়া হয় তাই তারা হয় অনেক উন্নত চিত্তের অধিকারী(সাহায্য করার মন থাকে, দুর্নীতি মুক্ত, নারীদের সম অধিকার, আরও অনেক কিছু)
২৩|
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৫৮
রিমন০০৭ বলেছেন: সুন্দর লিখেছেন
২৪|
১৫ ই ডিসেম্বর, ২০১২ দুপুর ১:০৪
ইমনয বলেছেন: ২২ নং কমেন্ট "নিশান" চমৎকার ব্লেছেন।আমরা অনেকেই এখন এই পরিস্থিতির স্বীকার।
২৫|
০৭ ই মে, ২০১৩ রাত ১০:৫৩
কালোপরী বলেছেন: হুম
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই ডিসেম্বর, ২০১২ বিকাল ৪:৪১
সবুজ মহান বলেছেন: হুম আপনি আপনার নিজের অভিজ্ঞতা থেকে লিখেছেন বুজতে পারছি ।
আপনার কথাগুলো পুরোপুরি অস্বীকার করা যাবে না ।