নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মনে হয় শুধুই জীবনটাকে যাপন করে যাচ্ছি, আর কিছু না......।

সবকিছুতেই নির্মোক থাকছি, সবকিছুই ইদানীং অর্থহীন মনে হয়; নিজের এই নেতিবাচক প্রবণতায় নিজেই লজ্জিত ।:(

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক|

প্রচুর স্বপ্ন দেখি,কিন্তু প্রচুর হতাশায় ভুগি| প্রচুর কাজ করি,কিন্তু প্রচন্ড অলস| জীবনকে উপভোগ করার পক্ষে, কিন্ত জীবনের সার্বিক যোগফল শুন্য বলে মানি| পেশা তথ্যভান্ডার ও যোগাযোগপ্রকৌশলে, যদিও মাঝে মাঝে বড়োই নির্লিপ্ত যোগাযোগে; মানুষ ছাড়া থাকতে পারি না কিন্তু নিসংগতা সবচাইে বেশি উপভোগ করি|সব মিলিয়ে ‘জনারন্যে নিসংঙগ পথিক’ |

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| › বিস্তারিত পোস্টঃ

নটরডেম ক্যাথেড্রাল দেখতে যাওয়া আর কৈশোরে ‘হাঞ্চব্যাক অভ নটরডেম’ পড়ে সেই আবেগের অনুরণন ......

২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০০

ফ্রাঙ্কফুর্ট থেকেই আমার মুখে নটরডেম আর নটরডেম, যার বাংলা মূল উচ্চারণ সম্ভবত নোত্রঁ-দাঁম, আইফেল টাওয়ার বা মোনালিসা এইসব ‘বিখ্যাত’ দর্শনীয় নিয়ে একটা শব্দ ও নাই; আমার দুই সহকর্মী মোটামুটি ক্লান্ত!



এসমেরালদা আর কোয়াসিমোদো, আমার আবেগী কৈশোর বয়সের দুই চরিত্র, ভিক্টর হুগো এর ‘হাঞ্চব্যাক অভ নটরডেম’ পড়ে তৈরি। প্যারিসকে আমার চেনা বইয়ের পাতায় এডভেঞ্চারের শহর হিসাবে , শিল্পকলার শহর হিসাবে নয়! আলেকজান্দ্রার দ্যুঁমা’র টানটান এডভেঞ্চার কাহিনীগুলো

বা জুলভার্নের জন্মশহর বলেও হয়তোবা । তাই প্যারিস আমার কাছে ক্লদ মোঁনে, রেনোঁয়া ,কামিল এর যতোনা, তার চাইতে বেশী ডিঁ আরতানা বা জুলভার্ন এর শহর।







ষোড়শী জিপসি তরুণী এসমেরালদা প্যারিসের আমজনতার কাছে ছিলো মোহিনী, তার ছোট্ট ছাগল জালিকে নিয়ে প্যারিসের পথে নেচেগেয়ে দিন কাটাত। রাজার বাহিনীর ক্যাপ্টেন ফিবাস এর কাছে সে কামনার বস্তু , আর্চ বিশপ ক্লঁদ ফেলোর কাছে ভালোবাসার – ধর্মের বন্ধন এর সাথে প্রতিনিয়ত ক্ষতবিক্ষত হয়ে, আর কোয়াসিমোদোর কাছে নিবেদনের দেবী; বিশেষত ক্লঁদ ফেলোর নির্দেশে এসমেরালদাকে ছিনিয়ে নিয়ে আসতে গিয়ে সৈন্যদের হাতে ধরা পরার পর যখন তাকে চাবকানো হয়; এই মমতাময়ীই কাছে এসে তাকে পানি খাইয়েছিলো সেবা দিয়েছিলো।



নটরডেমের কুঁজো কোয়াসিমেদোর হৃদয় কখন দখল হয়েছিলো সে জানে না, কিন্তু এসমেরালদাকে ফিবাস এর হত্যাচেষ্টার (নাকি প্রথমদিকে হত্যাই? অনেকদিন আগের পড়া, বইটা ও কাছে নাই , পুরোপরি নিশ্চিত নই। প্রতিশোধকাতর আর্চবিশপ ই এই চেষ্টা করেছিলেন) জন্য দায়ী করে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়, কোয়াসিমেদো তাকে উদ্ধার করে নিয়ে এসে নটরডেমে আশ্রয় দেয়। এসমেরালদা তার কাছে প্রার্থনার চাইতেও বেশী নিবেদনের মানুষ, সে ফিবাস কে পছন্দ করে, কোয়াসিমোদো তাই মেনে নেয় । ( ‘আ টেল অভ টু সিটিজ’ এর সিডনি কার্টনকে মনে পড়ে।)



এসমেরালদার মন কাতর সুদর্শন ক্যাপ্টেন ফিবাসকে নিয়ে , যে ফিবাস অভিজাত এক রমণীর সাথে বাগদত্তা, এসমেরালদা তার কাছে কেবলই কামনার বস্তু। প্যারিসের জনগণের ঘৃণার পাত্র ছিলো কোয়াসিমোদো- তার বিকট দানবীয় আকৃতি আর প্রতিবন্ধীতা, সবাইকে পাত্তা না দিয়ে গির্জার কার্ণিশে ঝুলে ব্যঙ্গ ছুঁড়ে দেবার জন্য; এসমেরালদার কাছে ও প্রথমে তাই



আইন অনুযায়ী নটরডেম ক্যাথেড্রাল 'স্যাংচুয়ারি' অর্থাৎ অভয়াশ্রয়। মধ্যযুগের ইউরোপে ধর্ম ও রাষ্ট্র ছিলো একে অপরের ক্ষমতার পরিপূরক, সেই সুবাদেই নটরডেমের এই ক্ষমতালাভ। গ্রিগোঁরি (এসমেরলদার নামকাওয়াস্তে স্বামী, প্যারিসের ভবগুরে কবি) আর বদমাশদের রাজা ক্লোপিন এর প্ররোচনায় প্যারিসের ভবঘুরে-অপরাধীদের দল এসে নটরডেমের সামনে ভীড়করে, উদ্দেশ্য এসমেরালদাকে ছিনিয়ে নেয়। এই বিশৃঙ্খলা দেখে রাজার আদেশে নটরডেমের স্যাংচুয়ারী ক্ষমতা বাতিল করা হয়, প্রতিশোধউম্মাদ প্রত্যাখিত বিশপ ক্লদ ফেঁলো এসমেরালদা কে তুলে দেন রাজার সৈন্যেদের হাতে। কোয়াসিমেদো ক্ষোভে উম্মত্ত হয়ে তার প্রভু তার অনেকটা ঈশ্বর ফেঁলোকে ক্যাথেড্রাল এর উপর থেকে ফেলে দেয়। এর পর তাকে আর দেখা যায়নি নটরডেমে প্রাকাশ্যে।



সিস্টার গুঁদুলে, তার ছোট্ট মামণি এগনেসকে হারাবার শোকে যে বাকী জীবন নিজের ইচ্ছায় এক অন্ধকার ঘরে মামণির জুতো বুকে চেপে ধরে পার করে দেয়; জিপসীদের উপর ঘৃণায় এসমেরালদাকে কঠিন সব অভিশাপ দিত। শেষ মূহুর্তে এসমেরালদা পালাতে পারেনি গুঁদুলে এর কঠিন হাত থেকে, আর তখনই সিস্টার গুঁদুলে বুঝতে পারে, এসমেরালদাই তার হারিয়ে যাওয়া মামণি এগনেস!



দুইবছর পরে নটরডেমের পাতালে খননকাজ চলাকালে দুইটি কঙ্কাল আবিস্কৃত হয়। একটা কঙ্কাল কোন এক তরুণীর, সোনালীচুলো; তাকে জড়িয়ে ধরে আছে উচুঁ পিঠের হাড়ের ভাঙা ঘাড়ের আরেকটি কঙ্কাল, পরম মমতায়!



(পড়া বইগুলোর মুভি দেখতে আমি অপছন্দ করি অনেককারণে। তীব্র বেদনার অনুভুতির এগনেস এর সাথে মা গুঁদুলের বুঝতে পারার জায়গাটি এই কাহিনী নিয়ে তৈরী পনেরোটি মুভির কোথাও বিশেষভাবে নেই। আমি দেখেছিলাম সালমা হায়েক এর করা ১৯৯৬ এর মুভিটি, ডেমি মুরের অভিনীত একটা আছে, সব ছাপিয়ে ১৯১১ এর নির্বাকটাই ভালো লেগেছে। ইউ টিউবে সার্চ দিলে পাওয়া যাবে অনেক.)



অনেক বকবক হলো, আসেন নটরডেম গির্জাটাই দেখিঃ







নটরডেমের সম্মুখভাগ। প্রথমে কিছুটা হতাশ হয়েছিলাম । সেন্ট নিকোলাস চার্চ এর বিশালত্ব এখানে নাই। কিন্তু পুরো দেখার পর...। একসময় ফ্রেঞ্চ রাষ্ট্রকাঠামো আর্চবিশপ অভ প্যারিসকেই মুখ্য করে প্রাধান্য দিতো, ভ্যাটিকানের প্রভাব কমানোর জন্য। নটরডেম তাই ত্রয়োদশ থেকে ষোড়শ শতাব্দীর অনেক ঘটন-অঘটন-পরিবর্তনের স্বাক্ষী।












নটরডেমের কারুকার্যময় জানালা, বিভিন্ন সন্তদের ছবি আর নানা কাহিনী খোদিত আছে জানালাগুলোতে। সূর্যের আলো যখন জানালার মাঝ দিয়ে আসে অপূর্ব সুন্দর লাগে, ছবি তুলতে খেয়াল নাই।












লম্বাটে আরেকটি অলঙ্কৃত জানালা। প্রাগ বা বার্লিন মিট্টে’র আরো দুইটি চার্চ এ গিয়েছিলাম - প্রথমটা ষোড়শ শতাব্দীর , পরেরটা এক হাজার বছরকার আগের, সেগুলোতে প্রায় একই ধরনের জানালা। খুবই সুন্দর ।










ভেতরে , ক্যামেরার ফ্রেমে আসে না এত বিশাল। রোববারে যাওয়ায় আমাদের সৌভাগ্য, প্রার্থনা সঙ্গীত চলছিলো, বিশাল কক্ষটিতে প্রতিধধনি হয়ে ঘোরাক্রান্ত মনে হচ্ছিলো...














নটরডেমের মডেল, পাশ থেকে। চরম বিস্ময় লাগে, গথিক স্ট্রাকচারে এতো দারুণ এই চার্চটি বানানো হয়েছিলো সেই ১১৬০ সালে ! আমি স্থাপত্য বুঝি না, এক বন্ধু পরে বলেছিলো নটরডেম মূলত তার ভিন্ন আর নতুনত্বে ভরা নির্মাণরীতির জন্য বিখ্যাত, বিশেষ করে গথিক কাঠামোতে বাইরে থেকে সাপোর্ট দেয়া প্রবৃদ্ধি আর বেলফ্রাইগুলো।










নটরডেমের পূর্বের টাওয়ার থেকে প্যারিস আর সেঁইনে নদী। দূরে দেখা যায় আইফেল টাওয়ার , ফ্রেঞ্চ স্থাপত্যের বাড়িঘর। ভাবি, কোয়াসিমোদোর চোখে কেমন ছিলো এই শহর ?









টাওয়ারে ঊঠতে লাইন ধরতে হয়েছিলো আড়াই ঘন্টা , আইফেল বা মোনালিসা দেখার লাইনের চাইতে বেশী। যাক ,সমঝদার পাবলিক দুনিয়াতে এখনো আছে । :) লাইনে এক জাপানী তরুণের সাথে বেশ গল্প হলো, কিন্তু তার ঠক ঠক করে শীতে আর গুড়ি গুড়ি বৃষ্টিতে কাঁপা দেখে ভয়ই হচ্ছিলো কখন না টেঁসে যায়। তাও লাইন ছাড়বে না সে, কোয়াসিমোদোর ঘন্টা শুনেই যাবে.







কোয়াসিমোদোর ঘন্টা। ছুঁয়ে কি যে অদ্ভুত লাগছিলো...। জন্মকালা ও আধাঅন্ধ কোয়াসিমোদোর প্রিয় শব্দ ছিলো এই ঘন্টার শব্দ।










প্যারিস হচ্ছে ব্রিজের শহর। সেঁইনে নদীর উপর কম করে হলেও পঁচিশটা ব্রিজের ছবি তুলেছি আমি। পন্ট আলেকজান্দ্রেরের রাত... আহা ব্রিজ ও একটা দেখার জিনিষ হতে পারে ঃ) একটা ঠাট্টা শুনলাম, ফ্রেঞ্চরা নাকি প্রতি যুদ্ধে জিতলে একটা ব্রিজ বানায় স্মৃতিস্বরুপ হারলেও একটা। :) কে জানে, যে বলেছিলো সে জার্মান, পচানোর জন্যই হয়ত ঠাট্টাটা বানিয়েছে।





[ছবি আর বেশী দেয়া যাবে না মনে হয়, বড় হয়ে গিয়েছে অনেকখানি, এম্নিতেই কাটাকুটি করে দিতে দিতে বেহাল গলদঘর্ম অবস্থা :( ]



রাতের আলোকিত ক্যাথেড্রালটি না দেখে মনে হয় আমরা ভুল করেছিলাম। কিন্তু উপায় ও ছিলো না, কারন প্রতিরাতেই আমরা গারে-দ্যু-নর্দ এর এক মরোক্কিয়ান দোকানে ডোনার খেতে যেতাম, তারপর লা-শাপেলে মেট্রো পরিবর্তন করে অলিম্পাইডেস এর আস্তানায়, পা টেনে টেনে।





বিকেলে অদ্ভুত কিছু অনুভূতি নিয়ে নেমে আসি নটরডেমের টাওয়ার থেকে। কৈশোরের স্বপ্নের জায়গাগুলো আচম্বিত দেখা হলো। নদীর ওপারে মনে হয় ডিঁ আরতানা হয়তো এখনই ছুটে আসবে এথোস, পর্থোস আরামিসকে নিয়ে..., না হয় বাস্তিলের বিপ্লবী। বোটাবাসে উঠে নদীপথে যাত্রা শুরু করি, গন্তব্য আইফেল টাওয়ার, কারোকাছে প্যারিসের অন্যতম দর্শনীয় স্থান, কারো কাছে লোহালক্কড়ের একটা স্তুপ..

মন্তব্য ১১৪ টি রেটিং +৩৮/-১

মন্তব্য (১১৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৫

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:

কিচ্ছু ভাল লাগছে না ইদানীং , অনেক কিছু লেখার শেয়ার করার – তাও লিখতে ভাল লাগে না, তাই একেবারেই বর্তমান প্রাসঙ্গিকতাহীন একটা ঘোরাঘুরি পোস্ট লিখলাম। দুইজনের প্রতি কৃতজ্ঞতা। ক্লাস সিক্সে জমানো টাকা আর সহপাঠী অলি থেকে দশটাকা ধার নিয়ে কিনেছিলাম হাঞ্চব্যাক অভ নটরডেম এর বাংলা অনুবাদ, সেই ধার এখনো শোধ হয় নাই :( । আর ফকির হবার প্রস্তুতি নিয়ে জীবনে নিজের টাকায় প্রথমবার বিমান টিকেট কিনতে গিয়েছিলাম , ২৫০ ইউরো ধরে রাখা টিকেট চিপাচাপা দিয়ে ১৩৫ ইউরো দিয়ে কেটে দিয়ে অন্য টিকেট এর সাথে এপেণ্ড করে দিয়েছিলেন লুফথানসা ব্রসলো এর যে সুইট পোলিশ দাদু, তার তিন নাতিকে :)

২| ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩২

লীনা দিলরূবা বলেছেন: 'ফ্রেঞ্চরা নাকি প্রতি যুদ্ধে জিতলে একটা ব্রিজ বানায় স্মৃতিস্বরুপ হারলেও একটা।''

মজা পেলাম কথাটায়।

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৪৫

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
কে জানে হাছানি। জার্মান ফ্রেঞ্চ রাশিয়ান বৃটিশ সবগুলার মধ্যে ব্যাফক ক্যারফা। এক পার্টি আরেকপার্টিরে ধুমায়ে পচায়। :) :)


যেমন আমার পোলিশ কলিগরা কয়, একটা জার্মান আর একটা শপিং করার ট্রলির মাঝে পার্থক্য হইতাছে গিয়া, ট্রলিটার একটা মন আছে । :)

৩| ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩২

ফ্রুলিংক্স বলেছেন: প‌্যারিস কয়েকবারই যাওয়া হয়েছে। নটরডেমের চুড়া দেখা হয়েছে আইফেল টাওয়ার থেকে কিন্তু পরবর্তিতে যাওয়া হয়নি :(

পরবর্তিতে এদিকে আসলে আওয়াজ দিয়েন। একসাথে যাওয়া যাবে।

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১১

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: পরের বছর হয়ত বার্লিন , কপালে থাকলে। আওয়াজ দিবো অবশ্যই ।
আপনার এক পোস্টে আমার প্যারেন্ট কম্পানিদের একটায় গবেষণার কথা পেয়েছিলাম।

নটরডেম দেখলেন না? মনে দুস্কু পাইলাম :(


৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১০:৫৬

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: আমি প্রথম আইফেল দেখছি নটরডেমের টাওয়ার থেকে, আপনের উলটা :)

৪| ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩৬

রাতমজুর বলেছেন: দুর মিয়া আপ্নের ঘুরাগুরি দেখলে রাগে গা জ্বলে, আমি কেন পারি না?

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৬

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
ঘুরেন , ক্যাডায় মানা করছে। আমার সবচাইতে দারুণ ঘোরাটা ছিলো রাঙামাটিতে দুইদিন। এই দেশের জায়গাই দেইখা শ্যাষ করতে পারবেন না।

দুঃখের কথা কই, এইগুলা ফিরি ফিরি ঘুরা। ইউনিতে থাকতে আর চাকরি জীবনের প্রথমে দুস্তরা নেপাল-ভূটান-ভারত সব কয়েকবার কইরা সফর দিছে; টেকা আর সময়ের ঝামেলায় কখনো যাইতে পারি নাই; অথচ কাঠমান্ডুতে আমার পাঁচজন ব্যাচমেট, থিম্পুতে আট-নয়জন কলিগ আছে। :( :(

৫| ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৪

সায়েম মুন বলেছেন: হুমম

৬| ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৭

দীপান্বিতা বলেছেন: খুব সুন্দর ঘুরে এলেন!...খুব ভাল লাগল.....:)

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৪

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আপনি তো ভাগ্যবান , আরেকটা দেখার মত শহরে থাকেন; পাশে এক সহব্লগার বসে আছেন, সপ্তাখানেক ধরে নাকি কলকাতা ঘুরতে চান ।

৭| ২৮ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৮

শ।মসীর বলেছেন: মামা তমারে ধইন্যা শেয়ার করার জন্য।

যাইতে মন চায় - টেকা নাই, এখনতো ট্রেনিং এও পাঠায়না :(

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:০৭

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:

প্রোডাক্ট কিনো, পাঠাইবো :)
প্রাগের ক্যাথেড্রালটার ছবি দেইখো মুখপুস্তিকায়, সুবিশাল !

৮| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৩

একরামুল হক শামীম বলেছেন: ছবিগুলা দারুন :)

৯| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৫

সিদ্ধার্থ আনন্দ বলেছেন:
amar pora sera boigulor ekta...............

apni lucky.

priyete.

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০৭

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
হ্যাঁ।
ভাগ্য ব্যাপারটা মাঝে মাঝে মানি।:)

১০| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৭

রাতমজুর বলেছেন: :|

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৫৪

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: :)
:(

১১| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:১৯

ফারহান দাউদ বলেছেন: পুরা বুক রিভিউ করে ফেললেন এই সুযোগে। ছবি দেখে হিংসা হচ্ছে এইটা হইলো কথা।:|

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:০২

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: হ রে ভাই। হিংসিত হন , কিছু করার নাই । সেইসময়ের তেল ওঠতাছে এখন, ২৪*৭*৩০ অফিস করতেছি :( :(

১২| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১২:৫৪

শাওন বলেছেন: এতকিছু জানতাম না সত্যি । অনেক কিছু জানলাম । + দিছি :)

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:০৯

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: :)

১৩| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:১৮

মনজুরুল হক বলেছেন:

হাঞ্চব্যাক অভ নটরডেম ছবিটা দেখার আগে পড়ে যেটুকু অপূর্ণতা ছিল তা কেটে গেছিল। বয়স মনে নেই। ছবিঘরে ঢোকার আগে কুঁজো এ্যান্থনী কুইনকে মেয়ে মনে করিছিলাম! টাইটেলে ভুল ভাঙ্গল!

প্রাচীন ইঁটের দেওয়ালের কার্ণিশে বেনামী আগাছ ফুটে থাকা ফুলটা ভাল লেগেছিল এসমেরালদার। কোয়াসিমেদো ওই কুঁজো শরীর নিয়ে ঝুলে ঝুলে কার্ণিশ থেকে ফুলটা তুলে এনে দিয়েছিল এসমেরালদাকে। চোখের সামনে এখনো পষ্ট ভেসে উঠছে সেই দৃশ্যাবলি.............

আরো একটু বড় হয়ে আবারো ছবিটা দেখতে চেয়েছি, পাইনি!

আপনার বর্ণনা পড়ে সাথে সাথে ঘুরে এলাম পাঁরী। আমি বলি ক্রিষ্টোফার কর্ডওয়েলের শহর! বাস্তিল দুর্গের পরিখায় শত সহস্র লাশের রক্তে লাল হয়ে যাওয়া পানি বয়ে যাওয়া শহর।

ফ্যাবুলাস!!

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:১৫

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: প্রাচীন ইঁটের দেওয়ালের কার্ণিশে বেনামী আগাছ ফুটে থাকা ফুলটা ভাল লেগেছিল এসমেরালদার। কোয়াসিমেদো ওই কুঁজো শরীর নিয়ে ঝুলে ঝুলে কার্ণিশ থেকে ফুলটা তুলে এনে দিয়েছিল এসমেরালদাকে। চোখের সামনে এখনো পষ্ট ভেসে উঠছে সেই দৃশ্যাবলি.............

>>>
অদ্ভুত সুন্দর দৃশ্য, কিন্তু কোথাও পড়া বা দেখা হয় নাই। ইউটিউবে মোটমাট ১৫টার মত ছবি আছে , সব দেখতে হবে দৃশ্যটা খুঁজতে হলে।


বাস্তিল আমার কাছে ও প্রেরণার নাম। বাস্তিলের কাছে একটা মনুমেন্টই আছে; দুর্গ যে নাই তাও জানতাম না। ঝাড়া তিনঘন্টা নষ্ট করেছি আমি বাস্তিল খুঁজতে গিয়ে।

ধন্যবাদ মনজুরুল ভাই, নতুন একটা দৃশ্যপট জানা হলো।



>>>
ধন্যবাদ , সব কমেন্ট মুছে নতুন করে দিলাম।

১৪| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩২

মুরুববী বলেছেন: ফেরিচে গেছলাম , কিন্তু নটড়ডাম দেইখা জুত লাগে নাই। তার থেকে লুভরে ঘুরাঘুরি করতে অনেক ভালা লাগে।

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৫১

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: লুভরে ঘুরতে গিয়া আরেকটু হইলে ঠ্যাং দুইখান রাইখা আসছিলাম :) মেলা কষ্ট। বইখান পড়া থাকলে না হয় স্থাপত্য নিয়া গুঁতাগুতি করার অভ্যাস থাকলে হয়ত নটরডেম ও জুত লাগতো।

লুভর পুরা দ্যাখতাম পারি নাই । :( মেলা বড়।

১৫| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১:৩৮

ফারহান দাউদ বলেছেন: এইখানে পুরান প্রবাদ মনে করায়া দেয়া লাগে-- "পেটে খাইলে পিঠে সয়।"

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪২

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: :(

১৬| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:০০

সৌরভ সাখাওয়াত বলেছেন:
ভাইছা আন্নেঁ বার্লিনতুন যে থাত্তর আইনছিলেন আর আর আফারলাই, হেগেন কই? দেন্নতো

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:২৩

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
বাইজান, আইনছিলাম দুইখান হাত্তর ভাঙি, দেয়ালেত্তুন, কিন্তু আন্নেরা দুইজনে কনে কদ্দুরা হছন্দ কইরবেন বুঝিয়েন্না। আগে বুঝি লই।

এন্নে হাত্তর দরকার থাইকলে যোগাযোগ করেনঃ

পাথুরে
http://www.somewhereinblog.net/blog/pathurea

১৭| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ২:৩৪

আকাশচুরি বলেছেন: আপনার চোখে পুরো নটরডেম দেখলাম, মনে হচ্ছিল আপনার সাথে সাথে কুঁজো কোয়াসিমেদোর পিছু পিছু আমিও ছিলাম:)

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:০১

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
লেখার কষ্টটা সার্থক মনে হচ্ছে। আকাশচুরি কে অন্তুত আমার চোখে দেখাতে পারলাম বলে ।:)

১৮| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ৩:১৭

মনজুরুল হক বলেছেন:

রাত ২.৫৮ থেকে ৩.৫ বা ৩.৬ এই সময়টাকে সামু হ্যাং অবস্থায় থাকে। সিঙ্ক্রোনাইজিং হয় ওই সময়ে, তাই কমেন্ট ক্লিক করলেও সম্পূর্ণ হয়না মনে হয়। বহুবার একই কমেন্টের কারণ এটাই।

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:২০

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
>>>
ধন্যবাদ , সব কমেন্ট মুছে নতুন করে দিলাম।

১৯| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৬:৩৫

'লেনিন' বলেছেন: হাঞ্চব্যাক অফ নটরেড্যাম নাম দেখেই ঢুঁকিনি... কতো যে আফসোস কতো যায়গায় বেড়ানোর ইচ্ছা.. ছবিগুলো দেখে আরো আফসোস হচ্ছে কবে যে যাবো....

২০| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫১

জেরী বলেছেন: ছবিগুলো সুন্দর আসছে

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:১৪

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
হ , জেলীবু ; এই বেহুদা সাইজ এর ছবিগুলারে সাইজ করতে খবর হৈয়া গেচে; কাটাকুটি করে দিতে দিতে বেহাল গলদঘর্ম অবস্থা :(

২১| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১০:৫১

তায়েফ আহমাদ বলেছেন: এক নিমিষে তো প্যারিস ঘুরায়া লইয়া আইলেন!
ধইন্যা............

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৫৯

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:

আর কই কই ঘুরতে চান ভাইজান ? :)

২২| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:০৬

বৃত্তবন্দী বলেছেন: কিছু কিছু এলাকা যার প্রতি আমার সবসময়ের আগ্রহ আছে এবং থাকবে... সেরকম এখটা এলাকা আপনার চোখে দেখার সুজোগ হ'লো। থ্যংক্স...

২৩| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:২৪

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:

@'লেনিন'
@বৃত্তবন্দী


বস , জীবন এবং সুযোগ দুটোই খুব বিচিত্র । একসময় সময় ও টাকার অভাবে আমি ভারতই যেতে পারি নাই। :(
হঠাৎ সুযোগ মিললো, অনেকটা ফ্রি-ই ঘোরা হলো প্যারিস-বার্লিন-প্রাগ। :)

একদিন আশা করি দেখা হয়ে যাবে সব।




>>>


@বৃত্তবন্দী
মুখপুস্তিকায় প্রচুর এক্সপেরিমেন্ট ফটুক তোলাতুলি দেখতাছি ? :)

২৪| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩২

ম্যাভেরিক বলেছেন: আহ্‌, হা, কোমল মায়ার কৈশোর ফিরে আসলো!

বইটা আমি পড়েছিলাম স্কুলে, পুরোনো আমলের ছাপা। প্রথম কয়েকটি পৃষ্ঠা নেই, প্রতি পৃষ্ঠায় যে লেখক বা বইয়ের নাম, তাও নেই। মগ্ন হয়ে পড়তে লাগলাম। কিন্তু হায়, বইয়ের শেষও নেই! কাহিনী শেষ হয়ে গেছে যেখানে ক্ষুদ্র প্রকোষ্ঠে মা মেয়েকে জড়িয়ে ধরে রেখেছে।

বইটি গেঁথে থাকে মনে, সময় সময় মনে পড়ে লা এসমারেলদা আর কুঁজো পিঠের কোয়াসিমেদোর কথা, আর একটি ছোট্ট প্রকোষ্ঠের কথা যার শিকগুলো অন্যরকম ভাবে বাঁকানো, যেখানে মা মেয়েটিকে জড়িয়ে রাখছে আর মেয়েটি বাইরের অশ্বারোহী এক যুবককে হঠাৎ বলে ফেলেছে চলে না যেতে, ফলে ধরা পড়ে যায় তারা। কী হলো তারপর!

এক যুগেরও বেশি সময় পরে বুঝতে পারলাম অসাধারণ এই উপন্যাসটির নাম "হানচ ব্যাক অব নতর দাম।"

চমৎকার লেখায় +। কৈশোর আনয়নে গভীর সম্মাননা।

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:২০

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
বনফুলের পাঠকের মৃত্যু বা এই ধরনের একটা গল্পের কথা মনে পড়লো।যাক এক্ষেত্রে পাঠকের মৃত্যু ঘটে নাই।


..... আর একটি ছোট্ট প্রকোষ্ঠের কথা যার শিকগুলো অন্যরকম ভাবে বাঁকানো, যেখানে মা মেয়েটিকে জড়িয়ে রাখছে আর মেয়েটি বাইরের অশ্বারোহী এক যুবককে হঠাৎ বলে ফেলেছে চলে না যেতে, ফলে ধরা পড়ে যায় তারা। কী হলো তারপর!
>>>

এই জায়গাটিই আমাকে অনেক বেশী আচ্ছন্ন করেছিলো , পুরো কাহিনীতে । কি করুণ অদ্ভুত। কৈশোরের আবেগ অনেক বেশী নাড়া খেয়েছিলো এখানেই।

আচ্ছা , পরে নিশ্চয় পুরো কাহিনীটাই পড়া হয়েছিলো।

চমৎকার মন্তব্যের জন্য অনেক কৃতজ্ঞতা।

২৫| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৩৩

বৃত্তবন্দী বলেছেন: হুঁ জীবনটাই তো একটা এক্সপেরিমেন্ট। আরো কিছু ফটুক আপকরবো এখন :)

২৬| ২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ দুপুর ১:৩২

পারভেজ বলেছেন: এইসব ক্যাথেড্রাল পড়াশোনা করেছিলাম। এখন কিছু মনে নেই :|
তবে দেখার খুব শখ ছিলো :( আদৌ পারবো কিনা কে জানে।
খুব ভালো লাগলো পোস্ট টা।

২৯ শে আগস্ট, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:০৭

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আর্কিটেক্টদের জন্য চমৎকার একটা সাবজেক্ট নটরডেম। একদিন আশা করি দেখে এসে আমাদের সেই সাপেক্ষে জানাবেন। অপেক্ষায় থাকলাম।
ভাল লেগেছে সে জন্য আমার ও ভালো লাগলো।

২৭| ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:১৬

দীপান্বিতা বলেছেন: চলে আসতে বলুন!...পূজোওতো সামনে! গরমটাও কমে গেছে...আর মেট্রোও আরো বড় হল......ভালই ঘুরবেন :)

৩০ শে এপ্রিল, ২০১২ রাত ১:৫০

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: পুরনো নিজের লেখা নিজেই পড়তে গিয়ে কমেন্টগুলো পড়ছিলাম, তিনবছর বাদে, সেই আগ্রহের শহর কলকাতায়, এক্কেবারে মাস দুয়েক !

২৮| ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:২৫

দীপান্বিতা বলেছেন: ‘হাঞ্চব্যাক অভ নটরডেম’ আপনার লেখাটা আবার পড়লাম...ভাল লাগল...ছোটতে পড়েছিলাম......কিন্তু বিদেশি গল্পের বঙ্গানুবাদ অদ্ভুত হয়!(সব ক্ষেত্রে অবশ্য নয়!)......প্রকৃত রসটা পাইনি...পারলে বঙ্গানুবাদটার লিঙ্ক দেবেন!

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৩৪

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: >>>

ছোটবেলায় পড়েছিলাম সেবা প্রকাশনীর কিশোর ক্লাসিক সিরিজের অনুবাদটা, ওই সিরিজটার অনুবাদ অনেকক্ষেত্রেই সংক্ষিপ্ত ; কিন্তু দুর্দান্ত!

সেটা তো আপনি কিনতে পারবেন না, স্ক্যান করা কোন লিঙ্ক আছে কিনা দেখি, থাকলে দেবো।

>>>

কিছু মনে করবেন না, আপনাদের ওদিকে অনুবাদ বলতেই মনে হয় আক্ষরিক অনুবাদ করে, বইয়ের মজা এক্কেবারে নষ্ট করে দেয়। দেজ পাব্লিকেশান এর অনুবাদ শার্লক হোমস আর জুল ভার্ন সমগ্র কিনেছিলাম, উফফফ । :( [ জানালার গোবরাট, বর্ষাতি,সশঙ্কনজরদারি :(]

সেই একই অনুবাদ সেবা, মুক্তধারা বা বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র থেকে বের হলে , দারুণ।

২৯| ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৩০

পাথুরে বলেছেন: আহারে ফিরি ঘুরনের চান্স তো পাইলাম না, ট্যাহা থাকলে ফাটায়ালাইতাম। হিংসা কর্লাম বস।

নোতরদাম কাহিনী জানলাম অনেক কিছুই। ধইন্যা।

===========================
এন্নে হাত্তর দরকার থাইকলে যোগাযোগ করেনঃ

পাথুরে
http://www.somewhereinblog.net/blog/pathurea
======================================

শেষকালে আমার মাতায় বাড়ি দিবার চিন্তা নি? এইডা বহুত শক্ত পাত্থর কৈলাম... হু হু :|


;) ;)

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ ভোর ৫:৩৯

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: >>
জিনিষপাতি কিছু কিনো, ব্যবস্থা হইবোনে। অবশ্যি এখন হইতে দূরপ্রাচ্যের দিকে রাঊটের ও চান্স আছে।

অনেক কিছু জানলা , খালি ধইন্যা দেও কেন? কাঁচা মরিচ ও দিবার পারো না?

>>
বহুৎ শক্ত পাথর ? উ হুঁ, মনে লয় না। :)

৩০| ৩০ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

সুলতানা শিরীন সাজি বলেছেন:
কি ভালো যে লাগলো...........
ঘোরা হলো ছবিতেকথায়।

"কোয়াসিমোদোর ঘন্টা। ছুঁয়ে কি যে অদ্ভুত লাগছিলো...। জন্মকালা ও আধাঅন্ধ কোয়াসিমোদোর প্রিয় শব্দ ছিলো এই ঘন্টার শব্দ।"
সেই শব্দ যেনো শুনতে পেলাম...........

সুন্দর লেখার জন্য ধন্যবাদ।
শুভকামনা রইলো।

৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ সকাল ১১:৫২

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: কিভাবে জানি যে জায়গাটা আমাকে স্পর্শ করেছে , সেটাই আপনি কোট করেছেন!
কৈশোরের আবেগ আসলেই অনেক বড় জিনিষ, এতো কিছু থাকতে একটা ঘন্টা প্রতীক হয়ে গেলো, ভিক্টর হুগো এর কল্যানে।


অনেক ধন্যবাদ।

৩১| ৩১ শে আগস্ট, ২০০৯ রাত ১১:৫১

ইউনুস খান বলেছেন: পোস্টেই যেনো অনেক কিছু ঘুরা হয়ে গেলো। আপনারে অনেক অনেক ধইন্যা। আশা করি ভালো আছেন।

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৪

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
একটু উদ্ভ্রান্তির মাঝে আছি। তাই মন শান্ত করারা জন্য সিরিজ ভ্রমণকাহিনী লিখতে বসবো চিন্তা করছি। তাতে সেই সময় গুলোতে ফিরে গয়ে কিছুটা শান্ত থাকা যায়।


অনেক ধইন্যা পায়া গ্যালাম। চিয়ানকুয়েইয়া :)

৩২| ০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩২

পাথুরে বলেছেন: কাঁচা মরিচ দিতে ভুইল্যা গেসলাম, অনেক দাম তো!!! ;)
দিয়া গেলাম। :)

০১ লা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৬

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: চিয়ানকুয়েইয়া :)

৩৩| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৪৫

রোবোট বলেছেন: অফটপিক
তোমার ব্যাকগ্রাউন্ড কি? কোন দেশে থাকো?

৩৪| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১৪

রন্টি চৌধুরী বলেছেন: পড়ব পড়ে।
অনেক দিন আপনার ব্লগে আসা হয় নি।
কেমন আছেন নিঃসঙ্গ পথিক ভাই।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:১৯

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: একটু উদ্ভ্রান্তির মাঝে আছি। তাই মন শান্ত করারা জন্য সিরিজ ভ্রমণকাহিনী লিখতে বসবো চিন্তা করছি। মুখপুস্তিকায় আপনার স্ট্যাটাস দেখি মাঝে মাঝে , খুব কম যাওয়া হয়। কোনো ঝামেলায় আছেন নাকি?

আমি আপনার ব্লগে নিয়মিতই যাই, আর মেজাজ খারাপ করি [রাগের ইমো]। কিচ্ছু না হলে একটা বাৎচিৎ পোষ্ট হলেও দেন। কারণ লাষ্ট পোষ্টটাতে অফটপিক কিছু বলা সম্ভব না।


পোষ্ট -পুষ্ট কিছু একখান চাই।

৩৫| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৮

রন্টি চৌধুরী বলেছেন: হাহ হা,..
ঠিকই আছি।
ব্লগে আসতে ল্যাজি লাগে।
স্ক্রীপ্টরাইটিং ২ পোষ্টাব মনে হয় আজকে কালকে।

ইদানিং আসলে নিজেকে লুকিয়ে রাখতে ইচ্ছে হয়, তাই পোষ্ট দিতে ইচ্ছে হয় না।
আপনি ভ্রমনকাহিনী দেন। আপনার পুরনো ভ্রমন পোষ্টগুলো সেদিনও পড়ে এসেছি আরেকবার।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৪০

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
আমার চাইতে বেশী আইলসা কেউ থাকতে পারে এটা আমারে বিশ্বাস করানো সম্ভব না। তাইলে বলেন , লুকায়া রাখার মাজেজা কি? অবশ্য একখান কারণ থাকতে পারে ( বদনমুবারক সংক্রান্ত :) ) পাব্লিক ব্লগ , আর কিছু নাইবা বলি :) :)

৩৬| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৮:০৭

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:

"হাঞ্চব্যাক অভ নটরডেম"--শব্দ তিনটা দীর্ঘদিন মাথার ভিতরে গেঁড়ে বসেছিল, নতুন করে আবার পুরনোতে ফিরে গেলাম ।

ছবিগুলো দারুণ সুন্দর ।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:২৮

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
এইতো পাওয়া গেলো আরেক পলাতক আরাশি কে :) রন্টিনানার পর।
কি ব্যাপার , ভালোলাগা কবিতার সিরিজ গেলো কই?


ফটুক ভালো লাগছে এই জন্য ধইন্যা।:)

৩৭| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭

হেমায়েতপুরী বলেছেন: এসমারেলদা আর কোয়াসিমোদোকে নিয়ে ১টা কবিতা লিখেছিলাম ব্লগে।


লেখা বড় হলেও ক্লান্তিহীন পড়ে গেলাম, ভাল লাগলো।এসমারেলদা আর কোয়াসিমোদোকে নিয়ে ১টা কবিতা লিখেছিলাম ব্লগে।


লেখা বড় হলেও ক্লান্তিহীন পড়ে গেলাম, ভাল লাগলো।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৩:১১

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: >>>
আপনার কবিতাটি পড়লাম ঃ ভালো লেগেছে। লিঙ্ক দিয়ে দিলাম এইখানে, অন্যদের পড়তে সুবিধা হবে।

প্রেমান্ধ এসমেরালদা পাঠ প্রতিক্রিয়াঃ ভিক্টর হুগোর হাঞ্চব্যাক অব নটরডেম
Click This Link

>>>
আমার খুব প্রিয় গানগুলোর একটা বার্টি হিগিন্সের ক্যাসাব্ল্যাঙ্কা , প্রিয় মুভি ও বটে;
সেই গানের একটা পোষ্ট দিয়েছেন দেখলাম, একটু অসম্পূর্ণ মনে হলো।

৩৮| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

রোবোট বলেছেন: হূম পড়া হয়েছে। কমেন্ট মুছে দিও।

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৩

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: চিয়ানকুয়েইয়া :)

০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৪

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: চিয়ানকুয়েইয়া :)

৩৯| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১০:৪৯

শূন্য আরণ্যক বলেছেন: প্রিয় পোষ্ট ++

ধন্যবাদ ।

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৭

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: প্রিয় পোষ্ট :) :)

৪০| ০২ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪২

দীপান্বিতা বলেছেন: তা’লে লিঙ্ক পেলে দেবেন কিন্তু! :)

৪১| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০০

হেমায়েতপুরী বলেছেন: অসম্পুর্নতাটুকু জানালে খুশি হতাম। কোনো লিন্ক নেই?? আপনি দিয়ে দিয়েছেন তাই ধন্যবাদ।

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ বিকাল ৪:৫০

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
অসম্পূর্ণতা ছিলো লিঙ্ক না দেওয়ায়। যারা গানটা আগে শুনেন নাই , তাদের কাছে লিরিক্স টা খুবই সাধারণ মনে হবে তাই

ধন্যবাদের জন্য :)

৪২| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:০৮

শাওন৩৫০৪ বলেছেন: ওয়াহ....

৪৩| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৩৪

আল্লাহ রাখা বলেছেন: আবেগী......ভাল লাগলো।

৪৪| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬

ইউনুস খান বলেছেন: ডিং

৪৫| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ৯:৫৩

ভোরের তারা বলেছেন: দুধের স্বাদ ঘোলে মিটানের লাইগা ধইন্যা, কাচামরিচ। মনে হইল চোখের সামনে সব দেখতেছি।
নতুন লাস্ট তিনটা লেখা পড়লাম, আপনার লেখা বইলা কথা। প্রোফাইল ফটুকটা সুন্দর অইছে।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩২

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:

>
দেইখা আসেন ,ভালা লাগবো। বইটা পড়া থাকলে তো অবশ্যই।

>>
ময়মনসিংহের সাহেববাজার পার্কে ব্রম্মপুত্র নদের পাশে তোলা, ভাদাইম্মার প্রতিকৃতি :)

৪৬| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ সকাল ১০:০৫

আবদুর রাজ্জাক শিপন বলেছেন:
"কি ব্যাপার , ভালোলাগা কবিতার সিরিজ গেলো কই?"

হুটহাট করে যে কোন সময় শুরু হয়ে যেতে পারে আবার ।


আপাতত, নিজে কিছু লিখছি ।

আর হ্যাঁ, আমি কিন্তু পলাতক নই, আছিতো ।

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:৩৭

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
:)

আপনার ব্লগ হলো আমাদের কয়েকজনের কবিতার রেফারেন্স ব্লগ। সেই নিথর সময়গুলো তো নেই যে, একতা কবিতার বই নিয়ে এলিয়ে পড়ে কয়েকটি ঘন্টা পার করে দেয়া যায়।

কবিতাদের ও তাই লিষ্টিকৃত না হলে আমাদের মত দুর্ভাগাদের চলে না।:(

আপাতত কৃতজ্ঞতা।

৪৭| ০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১১

অপ্‌সরা বলেছেন: এত সুন্দর!!!!!!

বিশেষ করে নটরডেমের কারুকার্যময় জানালাগুলো!!!!

০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৩

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
গির্জার জানালাগুলো দিয়ে আসা আলো দেখে নিয়ো নেটে খুঁজে। সত্যি অসাধারণ।

সৌন্দর্য কি অনেকটাই আরোপিত? না হয় বিশালত্বের দিক দিয়ে প্রাগে দেখা সেন্ট নিকোলাস চার্চ অনেক বিশাল মনে হয়, কিন্তু নটরডেম দেখে মনে হলো প্যারিস দেখে ফেললাম; এরকম মনে হয় কেন?

৪৮| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৪

ইউনুস খান বলেছেন: লেখক বলেছেন:

>
দেইখা আসেন ,ভালা লাগবো। বইটা পড়া থাকলে তো অবশ্যই।

>>
ময়মনসিংহের সাহেববাজার পার্কে ব্রম্মপুত্র নদের পাশে তোলা, ভাদাইম্মার প্রতিকৃতি


আপনি কি ময়মনসিংহের? আমি হালুয়াঘাটের ;)

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৪৫

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
নারে ভাই, ময়মনসিংহ যাওয়া হলো মোটে একবার। তবে বাংলাদেশের বাইরে জেলাশহরগুলোর মাঝে আমার সবচাইতে পছন্দ হয়েছে ময়মনসিংহ শহর। এছাড়াও ঘুরেছি নান্দাইল, গফঁরগাও- এখানকার মানুষগুলো অনেক বেশী আন্তরিক, গরীব হলেও তুলনামূলকভাবে অনেক বেশী সৎ; চাওয়াপাওয়ার হিসাব খুব সরল।

অনেক নাম ফাটানো জায়গা ঘোরার চাইতেও আমি বেশী উপভোগ করি
'উইকেণ্ড ট্যুর' হিসাবে এইসব আউলা-বাউলা ঘোরাকে।

৪৯| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১১:৪৬

আকাশ অম্বর বলেছেন:

চমৎকার বর্ণনা! গিয়েছিলুম বেশ কয়েকবছর আগে।

'কৈশোরের স্বপ্নের জায়গাগুলো আচম্বিত দেখা হলো। নদীর ওপারে মনে হয় ডিঁ আরতানা হয়তো এখনই ছুটে আসবে এথোস, পর্থোস আরামিসকে নিয়ে..., না হয় বাস্তিলের বিপ্লবী।'

++++++

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:০৪

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: ধন্যবাদ। আপনি কেমন দেখেছিলেন?


একপলকে আপনার ব্লগে হালকা দেখে এলাম, সাবলীলতা দেখে কিছুটা ঈর্ষাম্বিত; বিস্তারিত পড়ি নাই এখনো। আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করুন না। ভিন্ন ভিন্ন চোখে দেখা বা আদেখা কিছু আবারো দেখি।

৫০| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৮:৫৩

আকাশ অম্বর বলেছেন:

ধন্যবাদ, অনেক। আপনার মত এত মনমুগ্ধকর না হলেও চেষ্টা করবো! :)

আপনি জার্মানীতেই আছেন বুঝি?
অনেক ভালো থাকুন, ভ্রাতা।

০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:১৪

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
প্রথমে ধন্যবাদ।

:) আমি আলসে মানুষ , তাই আগের ঘোরাঘুরির গল্প এখন দিচ্ছি, আর সবাই আমারে জর্মন-নির্বাসিত করে দিচ্ছে।:(

আমি ভাই ঢাকায় থাকি, আর মন পড়ে থাকে নিজের শহর চট্টগ্রামে।

৫১| ০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:২৬

সব্যসাচী প্রসূন বলেছেন: অদ্ভুত সুন্দর... আপনি তো ভাই স্মৃতিকাতর করে ফেললেন ... সেবার সেই হ্যাঞ্চব্যাক অফ নটরডেম ... আহা কি দিন ছিল... খুব ভাল লাগল :)

৫২| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ ভোর ৫:৩৬

শফিউল আলম ইমন বলেছেন: প্যরিসে গিয়েছিলাম ২০০৫ এর দিকে! বেশ মজা করেছি। আপনি কোথায় বসবাস করছেন? ইংল্যান্ডে আসলে আওয়াজ দিয়েন।:)

০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৬

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
ইমন ভাই;
:) আমি আলসে মানুষ , তাই আগের ঘোরাঘুরির গল্প এখন দিচ্ছি, আর সবাই আমারে জর্মন-নির্বাসিত করে দিচ্ছে।:(

আমি ভাই ঢাকায় থাকি, আর মন পড়ে থাকে নিজের শহর চট্টগ্রামে।

ইউকে এর ভিসা নিয়েছিলাম নিজের গাঁটের টাকা খরচ করে। দুইমাসের প্রচন্ড ব্যাস্ত জীবন আর ঘোরাঘুরি শেষে ক্লান্তি নিয়ে ঢাকা ফিরে আসতে হয়েছিলো, তাছাড়া অফিস ছুটি দিচ্ছিলো না। :(

৫৩| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:৫২

চাচামিঞা বলেছেন: দারুননননননননননননন!!!!!!!!!!!!!!!!!!!!

৫৪| ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ৯:৪২

কখনো মেঘ, কখনো বৃষ্টি বলেছেন: ওয়াও!!!!

৫৫| ১০ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ১:৩২

নুশেরা বলেছেন: লেখা, ছবি, প্রথম মন্তব্য-- সবই অসাধারণ!

১১ ই সেপ্টেম্বর, ২০০৯ রাত ১:১৭

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: :) :)

তাইলে এখন নুশেরা'বু সার্টিফায়েড পোষ্ট ট্যাগ লাগিয়ে দেই ? কি আনন্দ :)

৫৬| ২২ শে অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:০৮

সুবিদ্ বলেছেন: প্রিয় একটা বই.....সাথে বিশাল পাওনা আপনার লেখাটা.....বইটা আবার পড়তে ইচ্ছা করছে.....

৫৭| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:৩৩

মুভি পাগল বলেছেন: অসাধারণ।
+++++++++++++++++++++++++

৫৮| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৪৪

উদাসী স্বপ্ন বলেছেন: আপনের এই ব্লগে পুরা ইউরোপ দেখা যায়। খুব নিখুত সুন্দর একটা মহাদেশ। বেহেস্তের কাছাকাছি, কিন্তু বস, এইখানে কোনো আবেগ নাই, কোনো অনুভূতি নাই!

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৪৬

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
খুব নিখুত কিন্তু না। অভাব-দুঃখ-দৈন্য কিন্তু ওইখানেও কম নাই, রুমানিয়া পোল্যান্ড দেখলেই বোঝা যায়। প্যারিসেই মনে হয় পাঁচ লাখ লোক (অধিকাংশই ইমিগ্র্যান্ট) বাইরে রাইত কাটায়:(
আর আবেগ , অনুভূতি এইগুলা আছে তয় খুব মাপা মাপা।

৫৯| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৩৯

সাদাকালোরঙিন বলেছেন: মাস খানেক আগে প্যারিসে পালিত হলো " নুই ব্লোশ্যে" , সারারাত জুড়ে প্যারিসের বিভিন্ন স্থানে হইচই, আলোকসজ্জা, পথ নাটক, পথ শো ।এই রাতে প্যারিস ঘুমায় না।

রাতের নটরডেম এর একটা ছবি দিলাম, যদিও ক্যামেরার দূরাবস্থার কারনে ছবির কোয়ালিটি তেমন ভাল নয়।

৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৯:৫০

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:
রাইতের পন্ট আলেকজান্ডার এর ছবি থাকলে একখান শেয়ার করেন। সেঁইনে নদী দিয়া গেছিলাম, ছবি তুলবার পারি নাই।।

অটঃ আপ্নে কি এখন ও বাইরে সংক্ষিপ্তবার্তাপ্রক্রিয়াযন্ত্র নিয়ে ঘটমট করতেছেন?

৬০| ৩০ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১০:১৫

সাদাকালোরঙিন বলেছেন: পন্ট আলেকজান্ডারের ছবি আপাতত সংগ্রহে নেই, তবে আছি যখন তখন তুলে ফেলব।

নাহ ভাই, সংক্ষিপ্তবার্তাপ্রক্রিয়া যন্ত্রের কামলাগিরি ছেড়েছি কিছু দিন হলো। ইইউ এর দয়ায় উচ্চ শিক্ষার্থে আমলা হওয়ার আশায় পড়ে আছি এখানে।

আবার প্যারিস এলে জানাবেন। ভ্রমনের সঙ্গী হতে পারব আশা করি ।

০৬ ই নভেম্বর, ২০০৯ রাত ১২:০৭

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন:



আর যাওয়া :( পোল্যান্ড-জার্মানীর চিপা দিয়া একবার ক্যামনে ক্যামনে গেলাম।

কুম্পানি কিউ-থ্রি,২০০৯ এ সেইরকম লস খাইছে গ্লোবালি। গুলশান থেকে মতিঝিল যাইতেও মনে হয় কৈফিয়ত লাগবো, প্যারিস বহুদূর।:(

৬১| ১৩ ই ডিসেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:১২

রিমি (স. ম.) বলেছেন: শৈশব কৈশোরে মনে দাগ কেটে যাওয়া জায়গাগুলো স্বচক্ষে দেখার সুযোগ সবার হয় না। আপনার হয়ে গেল। :)

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৩৫

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: হ্যাঁ, আচম্বিতেই হলো। শুকরিয়া।

ও হ্যাঁ, শুভেচ্ছা ও শুভকামনা, নতুন করে পথচলায়।

৬২| ২৭ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১১:০৩

রাজিব খান০০৭ বলেছেন: ভালো লাগল। আমার প্রিয় বই এর পটভূমির ছবি তো তাই একটু বেশীই।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১০ সকাল ১০:৩৬

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: চিয়ানকুয়েইয়া :)

৬৩| ১২ ই এপ্রিল, ২০১০ ভোর ৬:০১

সাজিদ বলেছেন: ছোটবেলায় একটা বই ছিল যেটাতে মাদার, ওল্ডম্যান এন্ড দ্যা সী, ওয়ার এন্ড পীস, হ্যান্চব্যাক অফ নটারডাম ইত্যাদি ছিল। এই গল্পটা অতটা ভালো লাগে নাই। তখন অত বুঝতাম না। তবে এখন বুঝি চিরন্তন ভালবাসা আর প্রতারনার গল্প।

৬৪| ০৭ ই মে, ২০১০ রাত ৮:২৭

ছায়াপাখির অরণ্য বলেছেন: গতকালই মাত্র ছবিটা দেখলাম। আ্যন্থনি হপকিন্সের।

আর শৈশবে যে অনুবাদটা পড়েছিলাম, সেটা ছিল সেবা প্রকাশনীর। ওখানে মনে হয় মুভির মতই স্যাঙচুয়ারিতে গিয়ে শেষ করা হয়েছে। (যদি স্মৃতি প্রতারনা করে না থাকে)

৬৫| ০৩ রা ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৪:১৭

মাহমুদ ফয়সাল বলেছেন: বেশি জোস

৬৬| ০৪ ঠা জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১২:০৬

শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: ক্লদ এর জন্য কষ্ট হয়।

০৫ ই জানুয়ারি, ২০১১ রাত ১:৩৫

|জনারন্যে নিসংঙগ পথিক| বলেছেন: বস, এদ্দিনে আরেকজন পেলাম যার ক্লদ এর জন্য কষ্ট হয়।
আমার কাছে ও এই বইয়ের অন্যতম মানবিক চরিত্র ক্লদ। যার আবেগ আছে , আবার ঈর্ষা আছে। এসমেরালদার জন্য তার অনুভূতি বার বার ই তার ধর্মবিশ্বাসকে ছাড়িয়ে যায়, আবার বার বার অনুতাপেও ভোগে।

ক্লদ ফেলো'কে নেতিবাচক মনে হতে পারে এসমেরালদার প্রত্যাখান এর পর তার জিঘাংসামূলক আচরন দেখে। সত্যি কথা হলো, অধিকাংশ মানুষই ক্ষমতা থাকলে ওই পরিস্থিতিতে সেটা এম্পলয় করবে। ক্লদ আক্ষরিক অর্থেই মানুষ, মহাপুরুষ কেউ না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.