| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লেখা টি পড়ার আগে সবার কাছে অনুরোধ এই পেজটিতে লাইকান।
বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে গঙ্গা (পদ্মা), ব্রহ্মপুত্র ও মেঘনা (বরাক) এই বড় এবং প্রধান ৩টি নদ-নদীসহ ৫৪টি ছোট-মাঝারি নদী ভারত থেকে এবং বার্মা থেকে ৩টি নদী সহ মোট ৫৭টি আন্তর্জাতিক নদী বাংলাদেশের ভিতর দিয়ে প্রবাহিত রয়েছে। এই ৫৪টি নদীর মধ্যে ৪৮টি নদীর পানি প্রবাহকে ভারত সীমান্ত থাকার সুবিধা নিয়ে একতরফাভাবে নানা প্রক্রিয়ায় নিয়ন্ত্রণ করছে। যেমন গঙ্গা নদী, এর উৎপত্তি হিমালয়ের দক্ষিণ ঢালে ২৩ হাজার ফুট উচ্চতায় গঙ্গোত্রী হিমবাহ থেকে। দক্ষিণ পূর্বে ও পূর্ব দিকে প্রায় ১ হাজার মাইল অতিক্রম করে এই নদী পদ্মা নাম নিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। এই দীর্ঘ পথে ভারত উত্তর প্রদেশ, বিহার ইত্যাদি স্থানে অসংখ্য বাঁধ ও সংযোগ খাল করে সেচের জন্য পানি সরিয়ে নেয়ায় পশ্চিমবঙ্গে ভাগিরথী-হুগলী নদীর পানি প্রবাহ কমে আসে। এটা পূরণ করে কলকাতা বন্দরের নাব্যতা বাড়ানো ও সেচের জল যোগান দেয়ার জন্য বাংলাদেশ সীমানার ১১ মাইল উজানে মুর্শিদাবাদ জেলার ফারাক্কা নামক স্থানে ফারাক্কা বাঁধ দেয়া হয়। ১৯৫১ সালে ভারত এ পরিকল্পনা করে এবং ১৯৬১ সালে বাঁধের কাজ শুরু হয় এবং ১৯৭৪ সালে তা শেষ হয়। পরীক্ষামূলকভাবে বাঁধ চালুর কথা বলে তারা স্থায়ীভাবে চালু করে দেয়। যার ফলে বাংলাদেশের ৩৭ ভাগ অঞ্চল ও ৩ কোটি মানুষ চরম ক্ষতির শিকার হয়েছে। মেঘনার (সুরমা ও কুশিয়ারা) উৎসমুখ বরাক নদীতে বাঁধ দিয়ে সুরমা-কুশিয়ারা-মেঘনার ওপর নামিয়ে আনা হচ্ছে নতুন আক্রমণ (সংগ্রহীত)।
বাংলাদেশের জনগণ অনেক আন্দোলন ও মিছিল/বিক্ষোভ করেও কোন কাজ হচ্ছে না। কাটার উপর লবন ছিটার মত টিপাই মূখের কাজ ধরল যখন বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসীন ভারতীয় এজেন্ট। আমরা জণগণ গলা ফাটিয়ে বলছি টিপাইমূখে বাধঁ বন্ধ করা হোক, হচ্ছে অনেক লেখালেখি.... এই সুযোগে বিরোধী দল হরতাল ডাকে, ওদিকে সরকার মোটা গদিতে বসে আওয়াজ ছাড়ে টিপাইমূখ প্রকল্পে বাংলাদেশের স্বার্থ রক্ষা করা হবে। যদি টিপাই মূখ বাধঁ নির্মাণই হয়ে যায় তো বাংলাদেশের স্বার্থ থাকলোটা কই ???
আমরা একটি নির্যাতনের শিকার যার নাম ফারাক্কা....
এই ধরণের আরেকটি বিষয় যদি বাঙ্গালীদের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয় তবে বাংলাদেশের ভবিষ্যত কোথায় গিয়ে দাড়াবে?? যতবার এজেন্টরা ক্ষমতায় আসবে একটি একটি করে বাঁধ পড়বে। শুষ্ক মৌসূমে খাবার পানি থাকবেনা বর্ষায় নৌকায় থাকতে হবে। একোন অবিচার?
আশাকরি বাংলাদেশ সরকার কখনোই এই ধরণের সিদ্ধান্ত নিবে না।
চলুন আমরা এক নজর দেখে নিই আমাদের প্রিয় সামুতে টিপাইমূখ বাঁধ নিয়ে অন্যান্য ব্লগারদের বাছায়কৃত কিছু লেখা।
টিপাই মুখে বাঁধ: কালের কাছে এক বাঙালির স্বীকারোক্তি- বিবর্তনবাদী
টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে বরাকবাসীর ভাবনা - শামস শামীম
টিপাই মুখ বাঁধ ও বাংলাদেশ- রকি স্বপ্নচারী।
টিপাই মুখ বাঁধ ও ই-মেইলের প্রতিবাদ- লেখাজোকা শামীম
প্রসঙ্গ : টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা - ভিন্ন চিন্তা
টিপাই মুখে বাঁধ নির্মাণ বন্ধ কর। সুরমা-কুশিয়ারা মেঘনা রক্ষা কর।বাংলাদেশকে মরুভূমি বানানোর পন্থা রুখে দাঁড়ও - ভিন্ন চিন্তা
ভারতের আন্তঃনদী সংযোগ প্রকল্প ও টিপাই মুখে বাধঃ সাহারা মরুভমির পথে বাংলদেশ-২ - নতুনের পথে অন্তযাত্রা
টিপাইমুখী বাধ এবং জাফর ইকবাল মিথ- শেহাব।
টিপাইমুখ বাধ প্রসংগে: চাই সংগ্রামের আন্ত:সংযোগ- দিনমজুর
''দেশ মরুভূমি হয়ে যাক তবুও দাদারা খুশি থাক'' উৎসর্গ ব্লগার শুভ৭৭ - ডিজিটাল দুষ্টু ছেলে।
টিপাই মুখ - মরমী কবি।
দেশের স্বার্থ বিবেচনা করে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে- সৈয়দ আশরাফ - উদার আকাশ।
আমার মেঘনা...... - নাজনীন১
ফারাক্কা থেকে টিপাইমুখ বাঁধ- নিরপেক্ষ চিন্তা।
প্রসঙ্গঃ টিপাইমুখি বাঁধ ও আমাদের লাভক্ষতি- আলী হায়দার।
টিপাইমুখ বাঁধ প্রতিরোধে ভারতীয় পণ্য বর্জনের কার্যকারীতা- কাঙ্গাল মুরশিদ।
টিপে টিপে টিপাই মুখ ! একটি চ্যালেঞ্জের নাম - হামীম।
যদি আরো ভাল লেখা থাকে দয়া করে শেয়ার করুন। কারণ এটি একটি আমাদের জাতীয় স্বার্থ। এ বিষয়ে আমাদের আন্দোলন গড়ে তোলা করা একান্ত প্রয়োজন।
২৬ শে নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৭:১৮
ইশাতের দুনিয়া বলেছেন: আপনার মূল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। তবুও আমাদের একত্র হতে হবে যদি এই সবুজ শ্যামল বাংলাদেশ রাখতে চাই। জানি না বাঙ্গালীরা পারবে কিনা।
©somewhere in net ltd.
১|
২৬ শে নভেম্বর, ২০১১ সন্ধ্যা ৬:৫৪
নেক্সাস বলেছেন: হাহাহাহাহা জাতীয় স্বার্থ...!!
২১ শতকের বাঙ্গালী তোড়াই কেয়ার করে আপনার জাতীয় স্বার্থের।
জাতীয় স্বার্থ এখন জুজুর ভয় !
জাতীয় স্বার্থ নিয়ে কথা বল্লে শুশীলের গায়ের তকমা হারিয়ে যায়। তাই কেউ আর এই নিয়ে কথা বলবেনা।
আমাদের চেতনা এখন ঘুনপোকা খেয়ে নিয়েছে।
কটা বড় শক্তির বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর জন্য জাতী য় ঐক্যের কোন বিকল্প নাই। জাতীয় ঐক্য পারে যেকোন কিছু অর্জন করতে।
কিন্তু দূর্ভাগ্য এই জাতি হয়তো কোনদিন ঐক্যবদ্ধ হতে পারবেনা।
আর এই জন্য দায়ী তথাকথিত আঁতেল শ্রেনীর দেশপ্রেমিক কিংবা ছুপা শুশীলরা।
এখানে কেউ ট্রানজিট বা টিপাই নিয়ে কথা বল্লে একশ্রেনীর ব্লগার আছে হুট করে তাদের রাজাকার বা পাকিজাত বলে গালি দেয়। এটা কতটা যৌক্তিক। স্বাধীনতার ৪০ বছর পর ভারতের কোন আগ্রাসী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে কথা বল্লে তাকে রাজাকার বলা কতটা আক্কেল জ্ঞানহীন কাজ তা ভাষায় প্রকাশ করার মত না।
এই শ্রেনীর ব্লগারেরা এই কথাটি বলা ছাড়া কিছুই জানেনা। না জানে কোন বৈজ্ঞানীক বিশ্লেষন না গবেষনা। এরা মনে করে টিপাই মুখ নিয়ে কথা বলা মানেই আওয়ামীলিগের বিরোধিতা করা। এদের কাছে বাংলাদেশের চাইতে আওয়ামিলীগ বড়।
টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে শুধু বাংলাদেশ কেন মিজোরাম এবং মনিপুরের আদিবাসিরাও বিরোধিতা করছে। তাহলে তারাও কি রাজাকার। এসব সস্তা জেনারাইলেশন করে জাতীয় ঐক্য নষ্ট করার মানে কি?
একি ভাবে তেল গ্যাস নিয়ে কথা বল্লে এরা মনে করে এটা বামদের আন্দোলন। এখানে সাড়া দেওয়া হারাম। ওরা বামদল বুঝে তেল গ্যাস বুঝেনা। আবার আওয়ামিলীগরা মনে করে তেল গ্যাস নিয়ে আন্দোলন মানেই লীগের বিরুদ্ধে আন্দোলন। কাজেই এখানে যাওয়া যাবেনা। সত্যি সেলুকাস।
এদের কেউ ইরান নিয়ে ভাবছে, কেউ ঈসরাইল নিয়ে আবার কেউ ঐশ্বরিয়ার বাচ্চা নিয়ে মশগুল হয়ে আছে। কিন্তু নিজের দেশের মহা দূর্দিনের কথা নিয়ে কেউ মাথা ঘামচ্ছেনা। পৃথিবীর বুকে এমন অপরিনামদর্শী জাতি আর আছে কিনা জানা নাই।
ভারত কিংবা আমেরিকা এই জাতিকে আরো শোষন করবে।কারণ তারা জানে এই জাতীর দূর্বলতা। তারা এই জাতি বহুদাবিভক্ত একটা অপদার্থ জাতী।