| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
এই ব্লগের সব লেখার সর্বসত্ত্ব সংরক্ষিত। লেখকের অনুমতি ব্যাতিত কোন লেখার সম্পুর্ণ অথবা অংশ বিশেষ পরিবর্তন, পরিবর্ধন, পরিমার্জন অথবা সম্পাদনা করে কোথাও প্রকাশ করা যাবে না।
একটি মনস্তাত্ত্বিক গবেষণামূলক কথপোকথন
ওপারে কেন্ যাবেন, কার কাছি যাবেন, ওপারের মানুষের কুনো আত্মীয় তো গাঁয়ের বাইরে নাই।
হতি পারে বাবা দেখতিছো না কি সুন্দর জামা প্যান পরে আছে। দিদিমনির বাসাত যাতি পারে।
তাও হতি পারে, ঢাকাত থিকে পাশ করি আইছে, সাবদের সাথে ওঠাবসা থাকতি পারে, তেই নে।
হ্যাঁ হ্যাঁ উনার কাছেই যাবো। প্রয়োজনে একটু মিথ্যার আশ্রয় নিলে পাপ হয় না যদি ভিতরে কোন খারাপ ইচ্ছে না থাকে।
নায়ের মাঝখানে বসলো পৃথক, কিছুক্ষণ পরে লোকটিকে জিজ্ঞেস করলো আচছা কিছু মনে করবেন না, আপনাদের মধ্যে সম্পর্ক কি?
আমার ছেলি, সোনাই- এবার টুতে উঠছে, আর আমি আনন্দ-আনন্দ দাস। আমি কিন্তু মশাই জাতে চাষা, সারাদিন ক্ষেতে কাম করি। আজ আগেই কাম শেষ হয়ে গেছিলো, দুপুরে খায়ে-দায়ে উঠে ভাবলিম নাওডা লিয়ে কয়ডা মাছ ধরে লি আসি। সোনাইরে লিয়ে নাও বাতে বাতে অনেকদূর আসে পড়িছি।
খুব মনোযোগ দিয়ে পৃথক শুনছিলো আনন্দের অতি সাধারণ দৈনন্দিন জীবনের গল্প। সূর্য্য ততোক্ষণে হারিয়ে গেছে দিগন্তের সীমানায়। লাল রক্তাভ আলোর বিচ্ছুরণে কেমন যেনো সাজ সাজ উৎসবের মতো মনে হচ্ছে। নক্ নকে কলমী শাকের জলাভূমির মধ্য দিয়ে আঁকাবাঁকা পথ ধরে এগুতে থাকলো ছোট্ট ডিঙ্গি নৌকা। জলের পাড় দিয়ে কাশবনের ঘন বন। মৃদু সমীরণের হাওয়ায় তাদের মুখে যেনো ভাসা ফুটেছে, তারা যেনো তাকে সহাস্য বদনে অভ্যর্থনা জানাচ্ছে।
আস্তে আস্তে পাড়ে ভিড়লো তরী। একটু ইতস্তত বোধ করছে নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে পদার্পণে, কিন্তর এর স্পর্শ না পেলে জীবন তো ধন্য হবে না। স্বচ্ছ জলরাশির পাড়ে সবুজ ঢালু পাড়। এর স্বাদ শুধু বসে নয় গড়াগড়ি দিয়ে উপভোগ করতে হয়।
আচ্ছা এ গ্রামের নাম কি?
সোনাই উচ্চস্বরে বললো ’অচিনপুর’।ওপারে কেন্ যাবেন, কার কাছি যাবেন, ওপারের মানুষের কুনো আত্মীয় তো গাঁয়ের বাইরে নাই।
হতি পারে বাবা দেখতিছো না কি সুন্দর জামা প্যান পরে আছে। দিদিমনির বাসাত যাতি পারে।
তাও হতি পারে, ঢাকাত থিকে পাশ করি আইছে, সাবদের সাথে ওঠাবসা থাকতি পারে, তেই নে।
হ্যাঁ হ্যাঁ উনার কাছেই যাবো। প্রয়োজনে একটু মিথ্যার আশ্রয় নিলে পাপ হয় না যদি ভিতরে কোন খারাপ ইচ্ছে না থাকে।
নায়ের মাঝখানে বসলো পৃথক, কিছুক্ষণ পরে লোকটিকে জিজ্ঞেস করলো আচছা কিছু মনে করবেন না, আপনাদের মধ্যে সম্পর্ক কি?
আমার ছেলি, সোনাই- এবার টুতে উঠছে, আর আমি আনন্দ-আনন্দ দাস। আমি কিন্তু মশাই জাতে চাষা, সারাদিন ক্ষেতে কাম করি। আজ আগেই কাম শেষ হয়ে গেছিলো, দুপুরে খায়ে-দায়ে উঠে ভাবলিম নাওডা লিয়ে কয়ডা মাছ ধরে লি আসি। সোনাইরে লিয়ে নাও বাতে বাতে অনেকদূর আসে পড়িছি।
খুব মনোযোগ দিয়ে পৃথক শুনছিলো আনন্দের অতি সাধারণ দৈনন্দিন জীবনের গল্প। সূর্য্য ততোক্ষণে হারিয়ে গেছে দিগন্তের সীমানায়। লাল রক্তাভ আলোর বিচ্ছুরণে কেমন যেনো সাজ সাজ উৎসবের মতো মনে হচ্ছে। নক্ নকে কলমী শাকের জলাভূমির মধ্য দিয়ে আঁকাবাঁকা পথ ধরে এগুতে থাকলো ছোট্ট ডিঙ্গি নৌকা। জলের পাড় দিয়ে কাশবনের ঘন বন। মৃদু সমীরণের হাওয়ায় তাদের মুখে যেনো ভাসা ফুটেছে, তারা যেনো তাকে সহাস্য বদনে অভ্যর্থনা জানাচ্ছে।
আস্তে আস্তে পাড়ে ভিড়লো তরী। একটু ইতস্তত বোধ করছে নয়নাভিরাম সৌন্দর্যে পদার্পণে, কিন্তর এর স্পর্শ না পেলে জীবন তো ধন্য হবে না। স্বচ্ছ জলরাশির পাড়ে সবুজ ঢালু পাড়। এর স্বাদ শুধু বসে নয় গড়াগড়ি দিয়ে উপভোগ করতে হয়।
আচ্ছা এ গ্রামের নাম কি?
সোনাই উচ্চস্বরে বললো ’অচিনপুর’।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ২:০৯
রাজীব নুর বলেছেন: পড়লাম।