| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
চূড়ান্ত মেধাহীনদের দ্বারা শোষিত সমাজব্যস্থার খুবই নিচু স্তরের শোষিত গোষ্টির অংশীদার আমি, আমার স্তরে এসে ব্যাক্তিগত ভাবে আমাকে শোষন করার তেমন কিছুই আর বাকি থাকেনা কিন্তু সমষ্টিগত ভাবে আমরাই সংখাগরিষ্ঠ শোষিত শ্রেণী। পুঁজিবাদকে ফুলিয়ে ফাপিয়ে স্ফীত করে তোলার কৌশলগুলো আমার স্তরে তাদের পরিশ্রমের কার্যকারিতা মূল্যায়নে মননিবেশ করে।
কোনভাবে পুঁজিবাদরে উচ্ছিষ্টেরও অংশিদার যদি হতে পারতাম তাহলে হয়তো আমিও হোতাম স্বল্প মেধাবী পুঁজিবাদের কোন যোদ্ধা। তখন হয়তো আমার কাজ করতে হতো বাঙলাদের মতই কোন দেশে, অসম্ভবের নির্দেশে আমিও নিশ্চই ঝাঁপিয়ে পড়তাম আমার চেয়ে আরও একটু বেশি স্বল্প সুবিধা বঞ্চিত সহোদরের উপর, তারপর হয়তো একদিন আমিও.......
আমি পৃথিবীর সংখ্যাগরিষ্ট প্রাণীর প্রতিনিধিত্ব করি, আমি খু্ব সহজেই নিজেকে বিক্রি করি (অন্তত খাদ্য আর সবচেয়ে বেশি পরিচিত ভন্ডদের থেকে দূরে থাতে), আমি সাংস্কৃতিক ভাবে বেশ পিছিয়ে আছি(মমতাজের সংগীত পরিরেশনার সময় তার গান শোনার বদলে তার খাদ্যের প্রাচুর্যের কথা ভেবে আমি অস্থির থাকি), আমি বেশ অনুকরন প্রিয়, নিজস্ব কোন রুচিবোধ আমি আজও তৈরি করতে পারিনি সাকিব খান, শাহারুখ খানের অন্তঃস্বার শূন্যতার মাঝেই আমি হাতরে বেড়াই আমার অনর্জিত সাফল্য। রূপালী পর্দার প্রাণভ্রমরাদরে সর্বোচ্চ মানের পতিতা ভাবিনা আমি তাদের উন্মত্ত্বতাকে মনে হয় নারী মুক্তির সংগ্রমা হিসেবে, প্রতি প্রহরেই কোন না কোন প্রান্তরে আমি খঞ্চর চালিয়ে দেই আমারই মত কারো হৃৎপিন্ডে যে হয়তো বাসায় ফিরেই স্বল্পস্থায়ী কোন সঙ্গম ক্রিয়ায় লিপ্ত হতো। আমি ও আমরা প্রায় অবৈতনিক শিক্ষালয়ে গিয়ে অন্তত ২৫-২৮ বছর কাটিয়ে আসি খুবই আশপাশের বাস্তবতার সাথে পরিচিত না হয়ে, সাথে অবশ্য পেয়ে যাই এক পাতার একটি ভবিষ্যৎ বানী সম্মলিত প্রত্যাদেশ, যাতে লেখা থাকে তুমিই সবচেয়ে প্রবল ভাবে আওতা ভুক্ত এই সামাজিক ব্যবস্থার, তুমিই নেতৃত্ব দিবে তোমার নিজের ধ্বংস, তোমাকে কোন কাজেরই উপযুক্ত করে গড়ো তোলা হয়নি শুধুমাত্র পরিস্তিতির শিকার হওয়া ছাড়া।
কোটা বিরোধী আন্দোলনকারীদের ছবি দেখে দেখে পিএসসির সব ধরনের নিয়োগের থেকে বঞ্চিত করার নির্লজ্জ হুশিয়ারি শোনার সময় কথাগুলো মনে হয়েছিলো আমার!
©somewhere in net ltd.