| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ফাহমিদুল হক
আমি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগে পড়াই। ফিকশন ও নন-ফিকশন দুই ধরনের লেখাই লিখি। গল্প লিখি, প্রবন্ধ লিখি, অনুবাদ করি। 'যোগাযোগ' নামের একটি একাডেমিক পত্রিকা সম্পাদনা করি। আপাতত চলচ্চিত্র-অধ্যয়ন এলাকায় উচ্চতর গবেষণা করছি।
ইদানীং চীনা ভাষার বেশ কিছু ছবি দেখে আমার এই উপলব্ধি হয়েছে যে, বাংলা ভাষার ছবির সঙ্গে তুলনামূলক একটা আলোচনা করার একটি সুযোগ রয়েছে। চীনা ভাষার একটি ছবি মানে একসঙ্গে অন্তঃত তিনটি দেশের দর্শক ঐ ছবিটি প্রেক্ষাগৃহে দেখতে পারবেন। আমি বলছিলাম চীন, হংকং ও তাইওয়ানের ছবির কমন মার্কেটের কথা। বস্তুত এই বাজার আরও বিস্তৃত। অনেক চীনা ভাষার ছবিই কিন্তু মার্কিন সিনে-থিয়েটারগুলোতে মুক্তি পায়। আর মালয়েশিয়া কিংবা সিঙ্গাপুরের চলচ্চিত্র বাজারও কিন্তু চীনা ভাষার ছবির জন্য উন্মুক্ত।
ইন্ডাস্ট্রি হিসেবে এই তিনটি দেশের মধ্যে হংকংই বড়ো, তবে চীন তাইওয়ানের ইন্ডাস্ট্রিও বেশ শক্তিশালি। বিশেষত হংকংয়ে যেক্ষেত্রে ভালো-মন্দ দু'ধরনের ছবিই নির্মিত হয়, বাকি দুই দেশের শিল্পসম্মত ছবির সুনামই বেশি। চীনে যেমন রয়েছেন পরিচালক ঝ্যাং ইমু, তেমনি তাইওয়ানে আছেন হোসে সিয়ান। তবে হংকংয়ের ওং কার ওয়াই-এর খ্যাতি এদের কারও চেয়ে কম নয়। আর হলিউডে বসে চীনা ভাষায় ছবি করেন আং লি বা জন উ-র মতো পরিচালকরা। আর এই তিন দেশেরই আছে এক ঝাঁক তারকা, যাদের রয়েছে আন্তর্জাতিক খ্যাতি। বস্তুত এইসব পরিচালকদের আজকালকার সব ছবিই বলতে গেলে কো-প্রডাকশন বা যৌথ প্রযোজিত, এবং কাস্টিংয়ের ক্ষেত্রে তিন দেশের তারকাকেই মাথায় রাখা হয়। চীনের রয়েছে দুই বিখ্যাত অভিনেত্রী, গং লি ও ঝ্যাং জিয়ি। দুজনেই ঝ্যাং ইমুর ছবি দিয়েই বিখ্যাত হয়েছেন। ঝ্যাং ইমুর প্রথম দিককার ছবিতে থাকতেন গং লি, ইদানীংকার ছবিতে থাকেন ঝ্যাং জিয়ি। হংকংয়ের রয়েছে বেশ কয়েকজন শক্তিশালী অভিনেতা: টনি লেয়ুং, এন্ডি লাউ, চৌ ইয়ুন ফ্যাট, জেট লি, জ্যাকি চ্যান। তিন দেশের কয়েকটি বিখ্যাত ছবির কাস্টিং লক্ষণীয়:
১. ২০৪৬ (২০০৪), পরিচালক: ওং কার ওয়াই (হংকং), কাস্টিং: টনি লেয়ুং (হংকং), গং লি (চীন), ঝ্যাং জিয়ি (চীন) http://en.wikipedia.org/wiki/2046_(film)
২. ক্রাউচিং টাইগার হিডেন ড্রাগন (২০০০), পরিচালক: আং লি (তাইওয়ান/যুক্তরাষ্ট্র), কাস্টিং: চৌ ইয়ুন ফ্যাট (হংকং), মিচেল ইয়ো (মালয়েশিয়া/যুক্তরাষ্ট্র), ঝ্যাং জিয়ি (চীন), চ্যাং চেন (চীন) Click This Link
৩. হাউস অব ফ্লাইং ড্যাগার্স (২০০৪), পরিচালক: ঝ্যাং ইমু, কাস্টিং: ঝ্যাং জিয়ি (চীন), তাকেশি কানেসিরো (তাইওয়ান), এন্ডি লাউ (হংকং)http://en.wikipedia.org/wiki/House_of_Flying_Daggers
৪. রেড ক্লিফ (২০০৮), পরিচালক: জন উ (চীন/হংকং/যুক্তরাষ্ট্র), কাস্টিং: টনি লেয়ুং, তাকেশি কানেশিরো, চ্যাং চেন। http://en.wikipedia.org/wiki/Red_Cliff_(film)
চীন-হংকং-তাইওয়ান-যুক্তরাষ্ট্র এই কয়েকটি দেশের আওতায় চীনা ভাষার ছবি নির্মিত হয়ে চলেছে। এখানে উল্লিখিত সবগুলো ছবিই বিগ বাজেটের, এসব ছবির আয়ও বিশাল। কো-প্রডাকশন ও কো-স্টারিং এসব ছবির সাফল্যের মূল রহস্য। তবে পরিচালকের দক্ষতার কথা সবার আগে স্বীকার করতে হবে। এই চারটি ছবির মধ্যে শেষের তিনটি ছবিই বিশাল ক্যানভাসের এবং প্রাচীন চীনের রাজতন্ত্রের প্রেক্ষাপটে মার্শাল আর্টনির্ভর একেকটি কস্টিউম এপিক এগুলো। আর ২০৪৬ ছবিটিতে ষাট-সত্তরের দশকের হংকংয়ের প্রেক্ষাপটে সায়েন্স ফিকশনের মিশেলে অভিনব এক মিস্টিক চলচ্চিত্র।
তিনটি দেশেই চলচ্চিত্র বিকশিত হয়েছে এবং জাঁকজমকভাবে টিকে আছে এই কমন মার্কেটের ওপর ভিত্তি করে। হংকংয়ের ভাষা ক্যান্টোনিজ হলেও তা চায়নিজ ভাষারই নিকটতম অপভ্রংশ। ফলে এই তিন দেশ, যুক্তরাষ্ট্র ও ইন্দোচীন অঞ্চলের অন্যান্য দেশ (সিঙ্গাপুর, মালয়েশিয়া) চীনা ভাষার চলচ্চিত্রের এক বিরাট বাজার হিসেবে দাঁড়িয়ে আছে। বলা যায় তারা বাজারটিকে দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছে। যদি সরকারগুলো এসবে বাধা দিত রাজনৈতিক বিবেচনায় (চীন-হংকং বা চীন-তাইওয়ানের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বের কথা স্মর্তব্য) তবে এই বাজার দাঁড়াতো না।
এই বিশাল চীনাভাষীদের মতো বাজার বাংলাভাষীদের নেই। তবে বাংলাভাষীদের পরিমাণও তো কম নয়। উইকিপিডিয়ার তথ্যমতে বাংলা পঞ্চম বা ষষ্ঠ ভাষা। কিন্তু এই ভাষার চলচ্চিত্রের কমন মার্কেট নেই। ভারত ও বাংলাদেশের বাংলাভাষী ছবি যেক্ষেত্রে রুগ্ণ অবস্থায় ধুঁকছে, এই কমন মার্কেট তৈরি করা গেলে তাতে প্রাণ ফিরে পেতে পারতো।
কমন মার্কেট তো ছিলই (অবশ্য তখন কেবল কলকাতাতেই ছবি হতো), দেশবিভাগ ও পূর্ববর্তী ঘটনাবলী পারস্পরিক যে অবিশ্বাস তৈরি করেছে, তা আর যেন ঘোচাবার নয়। কিন্তু বর্তমান বাস্তবতায় বিষয়টির পুনর্বিবেচনার সুযোগ রয়েছে।
১৯৬৫ সালের যুদ্ধের কারণে পাকিস্তান সরকার ভারতীয় ছবির আমদানি বন্ধ করে দেয়। এর আগে উত্তম-সুচিত্রার ছবি পূর্বববঙ্গে মানুষ প্রেক্ষাগৃহে দেখেছে। বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর বন্ধ করে দেয়া পাকিস্তানি ছবি, দেশীয় ইন্ডাস্ট্রিকে এভাবে জোর প্রটেকশন দেয়া হয়। এক্ষেত্রে সরকার ও প্রযোজকদের মনোভাব একই ছিল। এর কুফল যেটা হয়েছে, একচেটিয়া বাজারের কারণে ছবির সার্বিক মান নিয়ে প্রযোজক-পরিচালকরা দীর্ঘদিন কোনো হুমকির মুখে পড়েননি। ভিসিআর-কেবল-ডিভিডি পরপর এসে যাওয়ায় দর্শক সাধারণ মানের দেশী ছবি প্রত্যাখ্যান করা শুরু করে। ইন্ডাস্ট্রি বাঁচার জন্য সেক্স-ভায়োলেন্সের দিকে বেশিমাত্রায় ঝুঁকে পড়ে।
পরিচালক তারেক মাসুদ অনুসন্ধান করে দেখেছেন যে এইযে ভারতীয় ছবির নিষেধাজ্ঞা বা বাংলাদেশী ছবির ভারতে প্রবেশাধিকার না পাওয়া, এর কোনো আইনগত বাধা নাকি নেই। তিনি নানান প্রচেষ্টার পর মাটির ময়নার মুক্তি দিতে সক্ষম হন ভারতে, ২০০৭ সালে।
বাংলাদেশ ও ভারতের কো-প্রডাকশনে বাংলা ছবি যে একেবারো অনালোচিত বিষয় তা নয়। তবে তা তারকাবিনিময়ের মধ্যেই সীমিত। বাংলাদেশের ফেরদৌস কলকাতায় এবং কলকাতার ঋতুপর্ণা ঢাকায়, এভাবেই চলেছে। একটা যথার্থ কো-প্রডাকশন ছিল সম্ভবত পদ্মা নদীর মাঝি, ঠিকঠাকমতো উভয় দেশে একই সময়ে মুক্তি পায়। লাভের টাকা বিনময়রেও একটা স্বচ্ছতা ছিল বলে জানা যায়। এছাড়া অন্যান্য বেশ কিছু ছবি নামেই কো-প্রডাকশন ছিল, বিনিয়োগে স্বচ্ছতা না থাকায় সেগুলো ট্রেন্ড হিসেবে দাঁড়াতে পারেনি। অনেক হাস্যকর ও করুণ চিত্রও আছে। অবিচার ছবির দু’জন পরিচালক ছিলেন, শক্তি সামন্ত ও হাসান ইমাম। পশ্চিমবঙ্গে তা অন্যায় অবিচার নামে মুক্তি পায়, এবং হাসান ইমামের নাম সেখানকার পোস্টারে ছোট করে ছাপা হয়।
যদি মাটির ময়না ভারতে মুক্তি পেতে পারে, তবে অন্য ছবিগুলোরও ভারতে প্রবেশাধিকার পাওয়া উচিত। আবার ভারতের ছবিও বাংলাদেশে আসুক। পাশাপাশি সত্যিকারের কো-প্রডাকশন চালু হোক। বিগ মার্কেটের জন্য (বাংলা ভাষায় ২৩ কোটি লোক কথা বলে) বিগ বাজেটে উন্নত প্রডাকশনের ছবি নির্মিত হোক। দুই ইন্ডাস্ট্রিই দাঁড়িয়ে যাক। বর্তমান সময়ে কো-প্রডাকশনের হার এশিয়া ইউরোপে আগের চেয়ে অনেক বেশি বেড়েছে, দিন দিন এই প্রবণতা বাড়ছেই। এর সুবিধা মূলত দুইটি: ব্যয়ের সুবিধা ও বাজারের সুবিধা।
আর বন্ধ হতে থাকা দেশের প্রেক্ষাগৃহগুলোকে টিকিয়ে রাখার জন্য সীমিত সংখ্যায় ইংরেজি, হিন্দি, বাংলা, ইরানি, আরবি, ফরাসি, ইতালীয় ইত্যাদি নানান ভাষার ছবি আমদানির অনুমতি দেয়াও দরকার। (যেমন চীনে সর্বোচ্চ ২০টি হলিউডি ছবি আমদানি করে; মালয়েশিয়ায় স্বদেশী, চীনা, তামিল, হিন্দি ভাষার ছবি একটি সিনেপ্লেক্সে পাশাপাশি চলে) নানান দেশের নানান ছবির সংস্পর্শে দর্শক ও নির্মাতা উভয়েরই রুচিবোধে পরিবর্তন আসবে। পাশাপাশি ভারতেও বাংলাদেশী ছবির প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করতে হবে।
পরিচালক তারেক মাসুদ কিংবা আবু সাইয়ীদের মুখে শুনেছি, পশ্চিমবঙ্গের চলচ্চিত্রের কর্ণধাররা বাংলাদেশের ছবিকে আজকাল হুমকি মনে করেন। সেখানে চলচ্চিত্র উৎসবে প্রথমত বাংলাদেশের সাধারণ মানের ছবিগুলোকে আমন্ত্রণ করার একটা প্রবণতা লক্ষ করা যায়। দ্বিতীয়ত বাংলাদেশী ছবির প্রদর্শনের ক্ষেত্রে সবসময় এমন মিলনায়তন বা প্রেক্ষাগৃহকে বাছাই করা হয়, যার আশেপাশে দর্শকদের যাওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। সত্যজিৎ-ঋত্বিক-মৃণালের দিন তো নেই, বুদ্ধদেব-গৌতমরাও ফুরিয়ে আসছেন। অন্যদিকে বাংলাদেশের ছবি ধীরে ধীরে হলেও সুনাম অর্জন করছে। আগে ছিল সুপেরিয়রিটি, এখন কি তবে ইনফেরিয়রিটি কমপ্লেক্স কাজ করা শুরু করেছে? আমি পত্রপত্রিকা থেকে যতটুকু বুঝতে পারি, এক গৌতম ঘোষ ছাড়া পশ্চিমবঙ্গের কোনো পরিচালকের বাংলাদেশের ছবি সম্পর্কে কোনো ধারণাই নাই।
চীনাভাষীরা যদি রাজনৈতিক শত্র“তার পরও সাংস্কৃতিক বিনিময় অবাধে করতে পারে, তবে বাংলাভাষীদের সেভাবে ভাবতে দোষ কোথায়? পশ্চিমবঙ্গের সুপেরিয়রিটি কমপ্লেক্সে ভোগার দিন তো চলে যাচ্ছে, খোদ পশ্চিমবঙ্গেই তো বাংলা ভাষার অবস্থা সঙ্গীন। আর বাংলাদেশের দিক থেকেও ভারত জুজুর ভয় পাওয়া আর পাওয়ানো কতদিন চলবে? রাজনীতি বা অর্থনীতির দর কূটনীতিকের টেবিলে কষা হোক, সাংস্কৃতিক বিনিময়টা জনগণের জন্য উন্মুক্ত করা হোক।
প্রথম ছবির লিঙ্ক: Click This Link
দ্বিতীয় ছবির লিঙ্ক: Click This Link
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৭
ফাহমিদুল হক বলেছেন: আপনার আলোচনা শোনার অপেক্ষায় রইলাম।
২|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৩
মানুষ বলেছেন: পড়লাম। তবে চীনাদের কটমটে নাম পড়তে গিয়ে দাঁত নড়ছে আর কান ঝাঁ ঝাঁ ভকরছে।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১৮
ফাহমিদুল হক বলেছেন: হা হা হা ...
৩|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২২
বিডি আইডল বলেছেন: চীনা/হংকং এর কাহিনী নিয়ে নীচের ছবি গুলো অবশ্যই দেখবেন:
ক্রাউনচিং টাইগার এন্ড হিডেন ড্রাগন
দ্যা প্রমিজ
হাউজ অব ফ্লায়িং ড্যাগার
দ্যা ওয়ারিয়র
এন এমপ্রস এন্ড দ্যা থ্রি ওয়ারিয়র
কার্স অব দি গোল্ডেন ফ্লাওয়ার
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:২৯
ফাহমিদুল হক বলেছেন: ধন্যবাদ নামগুলোর জন্য। আরও কিছুর নাম যোগ করি:
দি ব্যাঙ্কুয়েট
হিরো
দি সিটি অব স্যাডনেস
ওং কার ওয়াই (হংকং) আর ঝ্যাং ইমু (চীন)র সব ছবিই দ্রষ্টব্য।
৪|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩০
বিডি আইডল বলেছেন: হিরো তো অসাধারন একটা ছবি...
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৫৮
ফাহমিদুল হক বলেছেন: হ্যাঁ। মার্কিন পরিচালক তারান্তিনো এই ছবিটির ব্যাপারে উদ্যোগ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে পরিবেশনা নিশ্চিত করেন।
হিরো ও ক্রাউচিং টাইগারের সাফল্যের কারণে পশ্চিমা দেশগুলোতে চীনা ছবির বাজার সম্প্রসারিত হয়েছে।
৫|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৬
নাজিম উদদীন বলেছেন: সম্প্রতি পার্ল এস বাকের 'গুড আর্থ' দেখেছি। পূরনো মুভি, কিন্তু অসাধারণ, বিপ্লবের আগে চীনের সমাজজীবন নিয়ে দূর্দান্ত মুভি।
এনা এন্ড দ্য কিং, ক্রাউচিং টাইগার ভাল লেগেছিল।
এছাড়া ক্লিন্ট ইস্টউডের জাপানীজ মুভি 'ব্যাটল অফ আইয়োজিমা' সাম্প্রতিক ভাল মুভি ।
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৩৮
ফাহমিদুল হক বলেছেন: ওং কার ওয়াই (হংকং) আর ঝ্যাং ইমু (চীন)র সব ছবিই দ্রষ্টব্য।
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
৬|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৪৯
অচন্দ্রচেতন বলেছেন:
@ নাজিম উদদীন
ক্লিন্ট ইস্টউডের সিনেমাটা সম্ভবত, হলিউড প্রোডাকশন। আর সিনেমাটার নাম - লেটারস্ ফ্রম ইয়ো জিমা।
৭|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:৫২
নাজিম উদদীন বলেছেন: ঠিক বলেছেন, সঠিক নাম মনে ছিল না।হলিউড প্রডাকশন, জাপানীজ ল্যাংগুয়েজ এবং কুশীলব।
@ অচন্দ্রচেতন
৮|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৩৭
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ফাহমিদ ভাই,
একটা বিষয়ে আপনার কাছে জানতে চাই। চীন-হংকং-তাইওয়ানের মুভির বাজারের চেয়ে বলিউডের বাজার বড় কি না?
আমি একবার শুনছিলাম, হলিউডের পরে সবচেয়ে বড় মার্কেট মুম্বাইয়ের দখলে। মুম্বাইয়ের মুভি ইন্ডাস্ট্রির অধীনে, অধিগ্রহণে, শাসনের ছায়াতলে শুধু আমাদের বাজার না খোদ ভারতের বাজারও পর্যুদস্ত। কিছুদিন আগে হিন্দু পত্রিকায় একটা লেখা পড়তেছিলাম যেইখানে নন-বলিউডি হিন্দি সিনেমার সংকট নিয়া আলোচনা করা হইতেছিল। তারা হিন্দি সিনেমা ও বলিউডি সিনেমার সুস্পষ্ট একটা বিভেদ রেখা টানার প্রস্তাব করতেছিলেন। হিন্দির বাইরে অন্য ভাষায় সিনেমার অবস্থা কী সেইটা এই পরিপ্রেক্ষিতে একটু ভেবে দেখা যেতে পারে। বলিউডের ইন্ডাস্ট্রির কাছে বাংলা, মারাঠি, উড়িয়া, অহমীর অবস্থা সুবিধার না। ফলে, সেইখানে এই আঞ্চলিক ভাষার সিনেমার বিকাশ খুব কঠিন আগামীতে আরও কঠিন হবে বলে মনে হয়। বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ। এইখানে আলাদা কইরা সিনেমা বিকশিত হবে। এইটা তো সত্যি কথা। সেইটা দেইখা যদি ওখানকার বাঙালি পরিচালকরা কিছু চিন্তায় পড়েন তাইলেও অবাক হবো না। কিন্তু আপনি যখন ভারতের সঙ্গে সিনেমা বিনিময় চুক্তি করবেন তখন বলিউডের বাজার মাথায় রাখতে হবে। আমরা কি বলতে পারবো, শুধু ভারতীয় বাংলা ছবিই আমরা নিবো বা দেখাবো? অবস্থা যদি এমন হয়, আমাদের হলগুলোতে হিন্দি সিনেমা রমরমা চলতেছে আর পশ্চিমবঙ্গে দুই একটা হলে সীমিত আকারে আমাদের দুএকটা চলতেছে। একটা বড় ইন্ড্রাস্ট্রির বাজারে গিয়া আমাদের নন-ইন্ডাস্ট্রির মিনিপর্দার পরিচালকরা কী করতে পারবেন? বলিউডের সিনেমার বিরুদ্ধে আমি নই। আমি দেখি। কিন্তু সেটা ছোট পর্দার মার্কেট দখল করে থাকুক। কিন্তু তারেক মাসুদ-আবু সাইয়িদ, ফারুকীদের উত্থানের সময়ে ভারতের কাছে আমাদের বাজার উন্মুক্ত করাটা কাজের কথা হবে না।
ভারতের সঙ্গে যৌথ প্রযোজনায় যাওয়া বা বড়পর্দার জন্য মুভি আনার চেয়ে সহজ হলো আমাদের এফডিসিকে এই নতুন, তরুণ, প্রতিভাবান পরিচালকদের কাছে খুলে দেয়া। আমি মনে করি, স্বাধীন দেশ হিসাবে আমাদের সিনেমা আমাদের পরিচালকদের হাতেই দাঁড়াবে।
এরাই আমাদের কাটপিস সমৃদ্ধ এফডিসিকে ইন্ডাস্ট্রিতে পরিণত করতে পারবে। ব্যবসা ও শিল্প দুইটাই বাংলাদেশে সম্ভব। আর আমরা ভাল সিনেমা বানালে পশ্চিমবঙ্গ কেন বম্বেতেও সে সিনেমা চলবে।
৯|
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:১০
ফাহমিদুল হক বলেছেন: ভালো কিছু দিক আপনার আলোচনায় আছে।
চীনা ভাষার সিনেমার বাজার বলিউডের চেয়ে অবশ্যই ছোট। আর ভারতে এই আঞ্চলিক ভাষার সিনেমার বিকাশ আগামীতে আরও কঠিন হবে বলে আমিও মনে করি।
পোস্টটা লিখতে লিখতে আমার মনেও এই আশঙ্কা ছিল যে হিন্দি ছবির অনুপ্রবেশ বাংলাদেশের প্রেক্ষাগৃহে দেখা দিলে হয়তো মালিক কেবল হিন্দিই চালাতে চাইবেন। আমরা যখন চার বছর আগে মেইনস্ট্রিম ছবি নিয়ে গবেষণা করছিলাম তখন প্রেক্ষাগৃহের মালিকদের এরকম বলতে শুনেছি যে হিন্দি ছবির অনুমতি দিলে তারা যে লসের মুখে পড়েছেন, তা থেকে বেঁচে যাবেন। বাংলা ছবি তখন কি পাত্তাই পাবেনা? এই জায়গায় কন্ট্রোল করা যেতে পারে। যে সীমিত সংখ্যক হিন্দি ছবিই কেবল অনুপ্রবেশের অধিকার পাবে।
তবে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা চলতে পারে। অথবা কেবল বাংলা ছবি পরীক্ষামূলকভাবে ওপেন করে দিয়ে (অবশ্যই উভয়পক্ষে সুষ্ঠু বিনিময় হতে হবে) দেখা যেতে পারে।
বিষয়টা নিয়ে আমি জোরগলায় কিছু বলতে পারছি না। চীনা ভাষার বাজারটা দেখে অনুপ্রাণিত হয়ে পোস্টটা লিখেছিলাম। টিকে থাকতে বাংলা সিনেমার বাজার সম্প্রসারণ করতেই হবে, এবং পশ্চিমবঙ্গ বা আসাম-ত্রিপুরা তার একটা সম্ভাব্য মার্কেট। অবশ্য অভ্যন্তরীণ বাজার চাঙ্গা হওয়া দরকার সবচেয়ে আগে।
যাহোক আপনাকে ধন্যবাদ।
১০|
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ সকাল ১১:৫৬
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ফাহমিদ ভাই,
হল মালিকরা একবার সুযোগ পেলে বড় বিজনেস ও বড় মুনাফা রক্ষার কী চেষ্টা চালাবে তা বোঝা যায়। বাংলা ছবির মার্কেট বাড়ানো অবশ্যই দরকার। কিন্তু মার্কেটের আগে প্রোডাক্ট জরুরি। তারেক-তানভীর-মোরশেদ-সাইয়িদ-ফারুকীদের সিনেমা তৈরির যে হার সে হার দিয়ে হবে না। প্রতি শুক্রবার একটা করে বিজনেস করার মতো মুভি রিলিজ করার ক্ষমতা অর্জন করতে হবে আমাদের।
আমি ভেবেছিলাম, গুরুত্বপূর্ণ এই পোস্টটিতে অনেকেই মত দেবেন। কিন্তু সিনেমা নিয়ে আমাদের প্রজন্ম খুব বেশি ভাবে না বলেই মনে হচ্ছে। অথচ আলাপগুলো হওয়া দরকার।
আপনাকে ধন্যবাদ।
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৪৭
ফাহমিদুল হক বলেছেন: "প্রতি শুক্রবার একটা করে বিজনেস করার মতো মুভি রিলিজ করার ক্ষমতা অর্জন করতে হবে আমাদের।"
এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ কথা। বিজনেসটা এফডিসির প্রডাক্টই হতে হবে। ইম্প্রেস তো সিনেকালচারে কোনো অবদান এখনও রাখতে পারলো না। তারেক থেকে ফারুকী তাদের জায়গা থেকে খুব খারাপ করছেন বলা যাবেনা। আমাদের এফডিসির লোকজন যদি নতুন করে একটু সাহিত্য একটু টেকনোলজি একটু টেকনিক নিয়ে পড়তেন! আমাদের বইতে সাজেস্ট করেছি শুধু গুণে ভোলালে আজকাল ছবি নাও চলতে পারে, রূপেও ভোলাতে হবে। অর্থাৎ সিনেটেকনোলজি আধুনিক হতে হবে -- প্রডাকশন থেকে প্রজেকশন পর্যন্ত।
আমাদের প্রজন্ম তো মনে হয় সিনেমা নিয়ে আগের চেয়ে বেশি ভাবছে। পোস্টটা হয়তো অনেকের চোখে পড়েনি, বা চীনা ছবি নিয়েই আগ্রহ বেশি প্রকাশিত হয়ে পড়েছে।
১১|
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৯
আহসান হাবিব শিমুল বলেছেন: ফাহমিদ ভাই,হিরো,গুড বাই মাই কনকিউবাইন,ক্রাউচিং টাইগার,হিডেন ড্রাগন এই ধরনের বেশ কয়েকটি চাইনিজ সিনেমা আমি দেখেছিলাম।যাকগে কি কি চাইনিজ সিনেমা দেখেছি সেইটা গুরুত্বপূর্ণ কোন বিষয় না,কিন্তু আপনি যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তা যুক্তিযুক্ত মনে হলে কার্যকরী হবে বলে মনে হয়না।
চলচিত্রে আমাদের চেয়ে তুলনামূলক ভাবে অনেক বেশি ঐতিহ্যের অধিকারী পশ্চিমবংগের সবাই তো মুম্বাইমুখী।রিতুপর্ণ ঘোষ হিন্দিতে সিনেমা বানায়,অপর্ণা সেনের মতো তাত্ত্বিক চলচিত্রকারের মেয়ে হিন্দি পুরাদস্তুত বাণিজ্যিক সিনেমায় নাচন-কুর্দন করে,সানন্দা থেকে ঝাকে ঝাকে তারকা মেইন ইন্ডাস্ট্রিতে নাম লেখায়,সেই শুধু ভাষার নৈকট্য চলচিত্রের পূনর্জীবনে কতটা সাহায্য করবে,সেইটা অনিশ্চিত।আবার হিন্দি সিনেমা ঢাকার হলে দেখানোর ব্যবস্থা করলে সেইটা হয়তো সিনেমা হলগুলোকে বাঁচাবে কিন্তু আদৌ বাংলা চলচিত্রের মরণদশা কাটাবে কিনা আমি সন্দিহান।
আর যেখানে রাজনৈতিক বিরোধ এতো তীব্র,সেখানে কি শুধু সাংস্কৃতি প্রভাব বিস্তার করতে পারে?
১৬ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:৩৩
ফাহমিদুল হক বলেছেন: আপনি হয়তো ঠিকই বলেছেন যে ভারতীয় আঞ্চলিক ছবির ভবিষ্যৎ খারাপই। সত্যজিৎ কিংবা মৃণাল সেনও হিন্দিতে ছবি করেছেন কিন্তু তাদের মূল অবলম্বন ছিল বাংলা ভাষাই। আর আজ ঋতুপর্ণ সর্বভারতীয় বা বৈশ্বিক পর্যায়ে যাবার বাসনায় হিন্দিতে ছবি করছেন, হিন্দি তারকাদের কাস্ট করছেন। তাকে দোষও দেয়া যায়না, আবার তার মেধা থেকে বাংলা ছবি বঞ্চিতও হচ্ছে।
আমি বলতে চাচ্ছিলাম যেহেতু দুই বাংলার ইন্ডাস্ট্রিই হুমকির মুখে তাই পারস্পরিক লেনদেন বা বাজার উন্মুক্ত করলে হয়তো উভয়েই বেঁচে যেত। চীনা ছবির কমন মার্কেট যেমন আছে। আসলে এখানে রাজনৈতিক বিরোধ আসলেই তীব্র, পারস্পরিক বিশ্বাস বা শ্রদ্ধাবোধও খুব কম। আর উভয়েই কমপ্লেক্সে ভোগে। একজন নিজেকে সুপেরিয়র ভাবে , কিংবা বৃহত্তর ভারতীয় বলে নিজেকে ভাবতে শ্লাঘাবোধ করে; আরেকজন ভাবে বাংলা ভাষাভিত্তিক সব কার্যক্রমের কেন্দ্র তো ঢাকাতেই হবে, আজ হোক বা কাল। অতএব ওদের দাদাগিরি সহ্য করবো কেন?
১২|
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ দুপুর ১:৪১
রবিউলকরিম বলেছেন: ভালোই হতো যদি অনেকগুলো কিন্তু না থাকত।
চিনের সিনেমা শুধু হংকং, তাইওয়ান নয়; জাপান, সিংগাপুর, কোরিয়াতেও বাজার পেতে পারে কেননা ঐ অঞ্চলগুলোর ভাষাকাঠামোটা মোটামোটি একইরকম বলে আমার মনে হয়।অপভ্রংশ বোধকরি। সেখানে আমাদের পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের ভাষাভাষীদের জন্য সেটা সম্ভব নয়। কেননা পশ্চিমবঙ্গ একটি স্বাধীন রাষ্ট্র নয়। ভারত শাসিত। আমি বলতে চাচ্ছি যে, ঐ অঞ্চলগুলোতে চিনা ছবির বাজার পেতে রাষ্ট্র বাধা হয়ে দাঁড়ায় না, কিন্তু আমাদের বাধা হয়ে দাঁড়ায়। আর হিন্দি ছবির বাজার অন্যান্য মারাঠী, বাংলা, তেলেগু যেসব আঞ্চলিক ভাষা আছে তাদেরকে কাছেও ঘেসতে দেয় না। কেন দেয় না তা তো সুস্পষ্ট। রাষ্ট্রিয় কারণে। এক জাতি, এক ভাষা। রাষ্ট্র তো হিন্দিকে প্রাধান্য দেবেই।
কমন মার্কেট হলে ভালোই হতো। যদি সেটা পশ্চিমবঙ্গের সাথে হতো। কিন্তু তা তো সম্ভব নয়। চুক্তি হলে হিন্দি ছবি হু হু করে ঢুকবে আর আমাদের এখানকার নাজুক কাঠামোটা ভেঙে যাবে। যে কজন নতুন পরিচালক এসেছে তাদের আরো সময় দরকার-কাঠামোটাকে শক্ত করার জন্য। নতুনদের তৈরি করার জন্য। আর পশ্চিমবঙ্গের উৎসব প্রসংগে সাঈদদের অভিযোগ শুনলে আমার কেমন জানি অন্যরকম মনে হয়। দাদারা কিন্তু সবসময় বাংলাদেশকে ফুলিয়ে ফাঁপিয়ে রাখে। তাদের থেকে এগিয়ে রাখে। আমার কাছে ভাওতাবাজী মনে হয়। তারা চায় না আমরা প্রতিযোগিতায় থাকি। তারা সবসময় বলে, আরে তুমি তো ফার্স্ট। তুমি যদি প্রতিযোগতিতাতেই না থাকো, তবে তোমার উত্তরণ হবে কিভাবে। আমাদেরকে তারা এভাবেই পিছিয়ে রাখতে চায়।
মাথাটা ব্যথা করছে। পরিস্কার করে বলতে পারলাম কিনা জানিনা। আমি বলতে চাচ্ছি এটা সম্ভব নয়, প্রতিযোগিতার বাজারে। আমাকে হয় দরজা বন্ধ করে দিয়ে নিজের ঐতিহ্য নিয়ে কাজ করে যেতে হবে। নচেৎ ওদের বরণ করে নিতে হবে। তাতে একসময় ভারতে বাংলা বা অন্যান্য ভাষার চলচ্চিত্রের যে দশা হয়েছে তাই হবে।
১৩|
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১০:৫৩
ফাহমিদুল হক বলেছেন: মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ রবিউল ভাই।
আপনার একটা কথা গুরুত্বপূর্ণ। যে পশ্চিমবঙ্গের বাজার তো পশ্চিমবঙ্গের কাছ থেকে নয়, দিল্লি থেকে পেতে হবে। এটা একটা বিরাট বাধা।
তবে দাদাদের পিঠ চাপড়ানি সাহিত্যে বেশ দেখা যায়, সিনেমায় নয়। কারণ সিনেমায় ওদের যে বিরাট ঐতিহ্য, যা এখন ক্ষয়িষ্ণু, তার কাছে আমরা নিতান্তই শিশু। কিন্তু দূরত্বটা মনে হয় কমছে, আশঙ্কা তাদের ঐখানে। উৎসবে সাধারণ ছবিকে ডাকা মানে হলো পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে দেখানো যে দেখো বাংলাদেশের ছবি এরকম, সাধারণ মানের । আর ভেনু ভালো না দেবার অর্থ হলো যাওবা এসেছে তাও যাতে লোকে না দেখে।
১৪|
১৭ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১১:০৫
কেএসআমীন বলেছেন: বাংলাদেশের অনেক সিনেমা হল ভেংগে মার্কেট হয়েছে ও হচ্ছে। দর্শকও হলমুখী হওয়া প্রায় ছেড়ে দিচ্ছে। ৩৫ মি.মি সেলুলয়েড থেকে আস্তে আস্তে ডিজিটাল ফরম্যাটে ছবি তৈরী হবে অদূর ভবিষ্যতে। তাই প্রশ্ন, সিনেমা হলের ভবিষ্যত কি? হল যদি না থাকে তবে শুধু টিভির জন্য কি এত বড় বাজেটের ছবি তৈরী করা সম্ভব ভবিষ্যতে?
২০ শে আগস্ট, ২০০৮ সকাল ৮:৫০
ফাহমিদুল হক বলেছেন: ভারতে নতুন নতুন সিনেপ্লেক্স এখনও হচ্ছে। সিনে কালচার চাঙ্গা হলে সিনেমা হল নতুন করে আরও হবে। ডিজিটাল মাধ্যমে সিনেমা বানানোর কয়েকটি বিষয় আছে:
১. ডিজিটালেই প্রদর্শন -- টিভিতে বা ইনফরমাল প্রজেকশন হলে
২. ৩৫ মিমি এ ট্রান্সফার করে প্রদর্শন।
৩. ডিজিটালের জন্য পৃথক প্রেক্ষাগৃহ বানিয়ে প্রদর্শন।
দ্বিতীয়টি বা তৃতীয়টি বিকাশ লাভ করলে প্রেক্ষাগৃহ কালচার বন্ধ হবার কোনো সুযোগ নেই।
©somewhere in net ltd.
১|
১৫ ই আগস্ট, ২০০৮ রাত ১২:০৮
মাহবুব মোর্শেদ বলেছেন: ফাহমিদ ভাই,
ক্রাউচিং টাইগার হিডেন ড্রাগন দেখছি। ২০৪৬-এর একটা তোতলানো আলোচনা ব্লগে করছিলাম। আরেকটা চাইনিজ মুভি ভাল লাগছিল সেইটার নাম মাস্ক অফ গড। সেটার আলোচনা ব্লগে করছিলাম। আপনার পোস্ট পড়ে নিজের প্রচারণা আগে কইরা নিলাম।
চীনা মুভির প্রসঙ্গটা খুব ইন্টারেস্টিং। কিন্তু এর সঙ্গে টুইস্ট হিসাবে বাংলা মুভি ও যৌথ প্রযোজনা যে প্রসঙ্গ তুললেন সেইটার সঙ্গে দ্বিমত প্রকাশ করার যথেষ্ট কারণ থাকছে। সময় নিয়ে আলাপ করার ইচ্ছা রইলো। আপাতত অ্যাড্রেস করা থাকলো।