নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ফাঁকিবাজ ০০৭

ফাঁকিবাজ সম্পর্কে বলার কিছু থাকে l

ফাঁকিবাজ ০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

mass of soul is 21grams!!!!!!!!

০৬ ই জুন, ২০১৪ সকাল ৭:১৭

গত শতকের প্রথম দিকের ঘটনা,বোস্টনের ডরচেস্টারে এক ম্যানশন ছিলো ওখানকার ব্লু হিল এভিনিউতে। গাছগাছালির নিবিড় ছোয়ায় জায়গাটা ছিলো

দারুন মনোরম।

সেখানে এক চ্যারিটি হসপিটাল ছিলো। একদম শেষ পর্যায়ে টিবি রোগীদের আশ্রম।

তাদের মঙ্গলের জন্য সবচেয়ে ভালো যে পদ্ধতি ছিলো তা হলো,"প্রার্থনা"।

সেটা ছাড়া আর কোন ব্যাবস্থা ছিলো না।

আসলে এই চ্যারিটি হোমে রোগীদের রাখা হতো যাতে রোগ না ছড়ায়।

সেখানে দায়িত্বে ছিলেন এক নামকরা সার্জন । যিনি আধ্যাত্বিক বিষয়েও সুপরিচিত ছিলেন।

হঠাত করে সেই সার্জন রোগীদের উপর এক রহস্যময় পরীক্ষা চালান।

পরীক্ষা ছিলো মৃতদের নিয়ে।পরবর্তীতে তার পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয় কয়েকটি আন্তর্জাতিক জার্নালে । জার্নাল ফর আমেরিকান সোসাইটি ফর ফিসিকাল রিসার্চে সেটা প্রকাশ

হবার পর আলোড়ন বয়ে যায়।

এধরনের পরীক্ষা সবাইকে জানিয়ে করার সাহস আগে কেউ করেনি।

পরীক্ষাটি ছিলোঃ তিনি সদ্যমৃত দেহ আর খানিকক্ষন আগের জীবিত দেহের ওজন নিতেন,মৃত্যুশয্যায় উপস্থিত থেকে।

তিনি মৃতপ্রায় রোগীদের এমন এক বেডে রাখতেন যেটা আসলে এক ধরনের নিক্তি। যা কয়েক গ্রামের তারতম্যও ধরতে পারে। তিনি অনেকগুলো রোগীকে এভাবে ওজন নিয়ে দেখান,মৃত্যুর সাথে সাথে তাদের প্রত্যেকের কিছুটা ওজন কমে যায় । প্রশ্ন হলো ওজনটা কিসের?

মারা যাবার সাথে সাথে তাদের শরীর থেকে কিছু লস হয়নি। না জামা-কাপড়,না কোন বজ্র্য পদার্থ,কিছু লস হলেও তা বেডে থাকার কথা। কয়েক মিনিটে

দেহের পেশী বা কোন তন্ত্র পরিবর্তন হয়নি। অথচ এমাউন্টের ওজন কমে যাচ্ছে। সেটা তবে কীসের?

ওজনটা হচ্ছে আত্মার ।

সার্জনের নাম ছিলো ডানক্যান ম্যাকডুগাল। অনেকে ভেবেছিলেন হয়তো মৃত্যুর সাথে সাথে বাস্পীভবনের মাধ্যমে বা কোন মেটাবলিক কারনে ওজনটা হ্রাস

পায় ।কিন্তু তিনি পরীক্ষা করে দেখেছেন,নিম্নশ্রেণীর কোন প্রানীতে ওজন হ্রাস পায় না। মেটাবলিক কারন হলে সব প্রাণীরই ওজন কমার কথা।

তিনি নিশ্চিত হবার জন্য ১৫ টি কুকুরের উপর একই পরীক্ষা চালান । কিন্তু সেক্ষেত্রে ওজন হ্রাস পায়নি। অরথ্যাত ঈশ্বর শুধু মানুষকেই আত্মা দিয়েছে ।

আর অবাক ব্যাপার হচ্ছে প্রতি পরীক্ষায় একই হারে ওজন কমেছে। প্রতি মৃতদেহে ওজন কমেছে ২১ গ্রাম ।

বিঃদ্রঃ উপএর লেখাটি পেয়েছি মাশুদুল হক নামক এক লেখকের বইতে। বইয়ের নাম,"ভেন্ট্রিলোকুইস্ট"।

লেখাটা আমার কাছে অনেক ইন্টারেস্টিং লেগেছে। গুগল ঘেটে এই নামে সত্যিই এক সার্জন পেলাম। এবং পরীক্ষাটাও সত্যি সত্যি করা হয়েছিলো। গুগলে এই নিয়ে অনেক প্রবন্ধ আছে।

writer--মেহেদী হাসান রাজু

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ০৬ ই জুন, ২০১৪ সকাল ১১:৪৯

rakibmbstu বলেছেন: মানবদেহে রক্ত সর্বত্র দৌড়ায়, বিভিন্ন পেশী, শিরা বা উপশিরা ইত্যাদি ফুলে উঠে, আবার আগের অবস্থানে ফিরে যায়........... এসবের সাথে মহাকর্ষের বা অভিকর্ষের যে কোন বলের কারনে ওজন কিছুটা বেড়ে যেতে পারে যা মারা গেলে স্বাভাবিক অঙ্গানু রক্ত না পেলে চুপসে যাবে এবং হয়তো এই রক্ত দৌড়াদৌড়ি জনিত বিষয় বন্ধ হওয়ার ওজন কিছুটা কমে যাবে এবং এজন্যই সবক্ষেত্রে একই সমান ওজন কমবে ২১ গ্রাম, অন্য প্রানীদের সাথে মানুষের রক্ত সংবহন একরকম না হলে এটা কেবল মানুষের ক্ষেত্রেই কাজ করতে পারে.........এজন্যই হয়তো কুকুরের ক্ষেত্রে এমনটা দেখা যায়নি
B:-) B:-) B:-) B:-/ B:-/

২| ০৭ ই জুন, ২০১৪ রাত ১০:৫৪

ফাঁকিবাজ ০০৭ বলেছেন: I think u r absolutely right.. Brother Rakib..

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.