নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ফাঁকিবাজ ০০৭

ফাঁকিবাজ সম্পর্কে বলার কিছু থাকে l

ফাঁকিবাজ ০০৭ › বিস্তারিত পোস্টঃ

দক্ষ শিকারি ও সাকিব...

১০ ই জুলাই, ২০১৪ সন্ধ্যা ৬:১৬

সাকিবকে শিকার করতে দরকার ছিল চক্রান্তের। যেই চক্রান্ত সামনে রাখলে ঠাণ্ডা মাথায় পরিকল্পনা করে তার ক্রিকেট খেলা নিষিদ্ধ করা যায়।

চক্রান্তের ধাপগুলো দেখে বুঝতে অসুবিধা হয় না সাকিব বিরোধীরা কত গভীর পানির রুই-কাতলা। প্রথমে ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়ার লীগ (CPL) খেলতে যাওয়া নিয়ে ফাঁদ পাতা হল, তারপর অসত্য প্রচারণা চালিয়ে প্রথমে তার প্রতি জনমতের একাংশকে বিগড়ে দেয়া হল।

ব্যস, হয়ে গেল। সাকিব বধের যজ্ঞ প্রস্তুত করতে আর কোন অসুবিধা থাকল না ইভটিজার অভিজাতদের সমর্থক বিসিবির অভিজাতদের।

কিন্তু যজ্ঞে সাকিব বধ শেষে পাপন কিছুই আর লুকিয়ে রাখলেন না। সাকিবের ‘ধৃষ্টতা’র কথা তুলে ধরে তিনি ক্রোধ প্রকাশ করলেন। প্রতিশোধ নিতে পারায় দেহভঙ্গিতে জিঘাংসার তৃপ্তি জাহির করলেন।

অথচ, সাকিব সিপিএল খেলার অনাপত্তি পত্র যোগার করতে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশনস কমিটির প্রধান আকরাম খানের সাথে যোগাযোগ করেছিলেন। তিনি সাকিবকে বলেছিলেন বিসিবির ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) নিজাম উদ্দিন চৌধুরীর সাথে যোগাযোগ করতে।

নিজামের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি সাকিবকে ফের আকরাম খানের সাথেই যোগাযোগ করতে বলেন। এ দফার যোগাযোগে আকরাম তাকে সিপিএলে খেলতে সমস্যা নেই জানিয়ে মৌখিক অনুমতি দিলেন এবং বললেন দেশে ফিরলে এনওসি সাইন করে দেবেন।

কিন্তু আকরাম খানের আশ্বাসে অনাপত্তি ছাড়াই সিপিএল খেলতে যাওয়াই যে ফাঁদে পা দেয়া তা টেরও পাননি সাকিব।

তাই গত বুধবার স্ত্রীকে নিয়ে সাকিব দেশ ছাড়ার পরপরই কলকাঠিগুলো নড়েচড়ে ওঠে। সিপিএল খেলতে বারবাডোজ যাওয়ার পথে লন্ডনে অবস্থান কালেই তাকে যত তাড়াতাড়ি দেশে ফিরে জাতীয় দলের অনুশীলনে যোগ দিতে বলে দেয় বিসিবি।

বিসিবির নোটিশ পেয়ে গত রোববার দেশে ফিরে আসেন সাকিব। কিন্তু এর মধ্যেই নয়া কোচ চন্দ্রিকা হাথরুসিংয়ের বরাত দিয়ে দেশের পক্ষে সাকিবের ক্রিকেট না খেলার হুমকিসহ নানা অভিযোগের জোরালো প্রচারণা হয়ে গেছে।

তাই দেশে ফিরে সাকিব দেশের হয়ে আরো দশ বছর ক্রিকেট খেলতে চাওয়ার কথা বলেও তার দেশপ্রেমের প্রমাণ দিতে পারলেন না। বরং ক্রিকেট বিশ্বে বাংলাদেশকে মর্যাদার আসনে বসাতে তার সব অর্জনই এক ঘষাতেই মুছে দেয়া হল।

যেকোনো মূল্যে শাস্তি দেয়া যখন ক্রিকেট অঙ্গনে আসা ক্ষমতাবান অখেলোয়াড়দের উদ্দেশ্য হয়ে যায় তখন একজন ক্রিকেটারের নিষিদ্ধ হওয়া ছাড়া আর কোন উপায় থাকে না।

উপায় সাকিবেরও থাকল না। সাকিবের দেশ প্রেম নিয়ে আমি তুষার কোনো সন্দেহ করি না। নেইমার মেসি রোনাল্ড কেউ আমাদের দেশমাতৃকার সম্পদ নয়। সম্পদ ঐ গলফার সিদ্দিকুর, ফুটবলার আলফাজ এমিলিরা.. সাকিব মুশফিকরা.. কারণ এরাই বাংলাদেশ আর দেশের পতাকার জন্যেই তাদের শ্রম দিয়ে যাচ্ছে...

আসলে ডঃ মুহাম্মদ শহীদুল্লাহ একটা কথা বলে গেছেন যার সত্যতার প্রমাণ আর কেউ না ১৬ কোটি মানুষের সাকিব...

"যে দেশে গুনের সমাদর নেই সে দেশে গুনী জন্মাতে পারে না।"



আল্লাহ যেন কোনো সাকিব কে আর এই দেশে জন্ম না দেন...

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.