| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শাফিউর রহমান ফারাবী
মুক্তির ১ পথ খিলাফত খিলাফত খিলাফতের দাবিতে নামতে হবে রাজপথে খলিফা বারবার সৈন্য প্রেরন করবেন। আমার Facebook User Name:- shafiur2012
আপনার নামায/সালাতের ভিতর যদি কোন ওয়াজীব তরক হয়ে যায় তাইলে আপনাকে অবশ্যই সাহু সিজদা দিতে হবে। যদি না দেন তাইলে আপনার নামায হবে না। সাহু সিজদা দেয়ার নিয়ম হল শেষ রাকাতে আত্তাহিয়্যাতু পড়ে শুধু ডান দিকে সালাম ফিরিয়ে ২ টি সিজদা দিতে হবে। ২ সিজদার মাঝখানে অবশ্যই ১ তাসবীহ পরিমান সোজা হয়ে বসতে হবে। তারপর যথারীতি আবার আত্তাহিয়্যাতু, দুরুদ শরীফ ও দোয়া মাসুরা পড়ে নামায শেষ করতে হবে। তবে নামাযে যদি কোন ফরয তরক হয়ে যায় তাইলে সাহু সিজদা দিয়ে কোন লাভ হবে না। আবার নতুন করে নামায পড়তে হবে। অনেককেই দেখা যায় কোন কারন ছাড়াই সব নামাযের শেষে একটা সাহু সিজদা দিয়ে দেয়। এটা ঠিক নয়। আমি এখানে সহজ ভাবে নামাযে কখন সাহু সিজদা দিতে হবে আর কখন দিতে হবে না এই মাসলা- মাসায়েল গুলি নিয়ে আলোচনা করবো। সাহু সিজদার এই মাসলা গুলি ছেলে মেয়ে উভয়ের নামাযের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। তবে আপনি যদি জামাতে নামায পড়েন তাইলে ইমাম সাহেব যদি সাহু সিজদা দেয় তাইলে আপনি দিবেন। আর যদি আপনি জামাতে মাসবুক মানে ১ রাকাত পরে উপস্থিত হন আর যদি আপনার নিজে পড়ার রাকাতে কোন ওয়াজীব তরক হয়ে যায় তাইলে আপনি সাহু সিজদা দিবেন।
১. ফরজ নামাযের প্রথম ২ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়া ওয়াজীব। যদি আপনি ফরজ নামাযের প্রথম রাকাত বা ২য় রাকাত বা উভয় রাকাতেই সুরা ফাতেহা ভুল বশত না পড়েন তাইলে আপনাকে সাহু সিজদা দিতে হবে। আবার ফরজ নামাযের ৩য়/৪র্থ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়া সুন্নত। আপনি যদি যে কোন ফরজ নামাযের ৩য়/৪র্থ রাকাতে সুরা ফাতেহা ভুল বশত নাও পড়েন তাইলে আপনাকে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে না।
২. ফরজ নামাযের প্রথম ২ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়ার পর অন্য একটি সুরা মিলানো ওয়াজীব। যদি আপনি ভুল বশত ফরজ নামাযের প্রথম ২ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়ার পর অন্য কোন সূরা না পড়েন তাইলে আপনাকে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে। আবার ফরজ নামাযের ৩য়/৪র্থ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়ার পর অন্য কোন সুরা পড়ার নিয়ম নেই। তবে আপনি ভুল বশত ফরজ নামাযের ৩য়/৪র্থ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়ার পর অন্য কোন সুরা পড়ে ফেললে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে না।
৩. সুন্নত ও নফল স্কল নামাযেই সকল রাকাতেই সুরা ফাতেহা পড়া ও সুরা ফাতেহা পড়ার পর অন্য একটি সুরা মিলানো ওয়াজীব।আপনি যদি যে কোন সুন্নত/নফল নামাযের যে কোন রাকাতে সুরা ফাতেহা বা সুরা ফাতেহার পর অন্য একটি সুরা না পড়েন তাইলে আপনি একটি ওয়াজীব তরক করলেন। আপনাকে অবশ্যই সিজদায়ে সাহু দিতে হবে।
৪. ভুল করে যে কোন রাকাতে ২ রুকু বা ৩ সিজদা দিলে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে।
. সুরা ফাতেহা পড়ার পর এখন কি সুরা পড়বো এই চিন্তায় যদি ৩ তসবীহ পরিমান সময় চলে যায় তাইলে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে। অথবা কোন সুরার কোন আয়াত ভুলে গেছেন ঐ আয়াত কে স্মরন করার জন্য যদি ৩ তসবীহ পরিমান সময় চলে যায় তাইলে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে।ফরয ও সুন্নত নামাযের ১ম বৈঠকে যদি ভুলে ২ বার আত্তাহিয়্যাতু পড়ে ফেলেন তাইলে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে। আবার ফরয ও সুন্নত নামাযের ১ম বৈঠকে
আত্তাহিয়্যাতু পড়ার পর যদি দুরুদ শরীফের আল্লাহুম্মা সাল্লি আলা মুহাম্মাদ পর্যন্ত পড়ে ফেলেন তাইলে শেষ বৈঠকে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে। তবে এরচেয়ে কম পড়ে ফেললে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে না। তবে নফল নামাযের যেকোন বৈঠকে ২ বার আত্তাহিয়্যাতু পড়ে ফেললে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে না।
৬. যেকোন বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু পড়ার সময় যদি ভুলে সুরা ফাতেহা পড়ে ফেলেন তাইলে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে। তবে নিয়ত বাধার সময় ছানার বদলে ভুলে দোয়া কুনুত পড়ে ফেললে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে না।
৭. ৩/৪ রাকাত বিশিষ্ট নামাযে প্রথম বৈঠক ভুলে গেছেন এবং ৩য় রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে গেছেন, যদি অর্ধেকের কম দাঁড়িয়ে থাকেন তাইলে বসে পড়বেন এবং আত্তাহিয়্যাতু পড়ে ৩য় রাকাতের জন্য দাড়াবেন। এই অবস্থায় সিজদায়ে সাহু দিতে হবে না। আর যদি অর্ধেকের বেশি দাঁড়িয়ে যান তাইলে আর বসবেন না। ৩/৪ রাকাত নামায শেষ করে শেষ বৈঠকে সিজদায়ে সাহু দিবেন।
৮. যোহর ও এশার ৪র্থ রাকাতে বসতে মনে নাই। একদম সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে ৫ম রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে গেছেন। তাও মনে হবার সাথে সাথে বসে পড়বেন। আত্তাহিয়্যাতু ও দুরুদ শরীফ পড়ে সালাম ফিরাবেন। এক্ষেত্রে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে না।আর যদি ৫ম রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়ে ফেলেন এবং রুকুও করে ফেলেন তাইলেও বসে পড়বেন। এই অবস্থায় সিজদায়ে সাহু দিতে হবে। আর যদি রুকু করার পরও মনে না হয় তাইলে আরো ২ রাকাত পড়ে মোট ৬ রাকাত পড়বেন। এক্ষেত্রে শেষ ২ রাকাত নফল ও প্রথম ৪ রাকাত ফরয হিসাবে আদায় হল। কিন্তু আসরের নামাযে ৪র্থ রাকাতে এই রকম ভুল হলে মোট ৬ রাকাতই পড়বেন কিন্তু ঐ ৬ রাকাত পুরাটাই নফল হবে। কারন আসর নামাযের পর কোন নফল নামায নাই। এক্ষেত্রে আপনাকে পুনরায় আসরের নামায পড়তে হবে।
৯. নামায ৩ রাকাত পড়েছেন না ৪ রাকাত পড়েছেন এই রকম সন্দেহ যদি সব সময় হয়ে থাকে তাইলে এই সন্দেহের কোন ভিত্তি নাই। আর যদি হঠাৎ করে এই সন্দেহ হয় তাইলে এই রাকাত কে ৩য় রাকাত ধরে আরেক রাকাত পড়ে নিবেন। আর মন যদি ৪র্থ রাকাতের দিকে সায় দেয় তাইলে আরেক রাকাত পড়ার দরকার নেই। এই অবস্থায় সিজদায়ে সাহু দিতে হবে না।
আবার ১ম রাকাত পড়লেন না ২য় রাকাত পড়লেন এই রকম সন্দেহ যদি সব সময় হয়ে থাকে তাইলে এই সন্দেহের কোন ভিত্তি নাই। আর যদি হঠাৎ করে এই সন্দেহ হয় তাইলে এই রাকাত কে ১ম রাকাত ধরে আত্তাহিয়্যাতু পড়বেন। কারন এটা ২য় রাকাতও হতে পারে। আবার ২য় রাকাতেও আত্তাহিয়্যাতু পড়বেন।কারন এটা ২য় রাকাত হতে পারে। আবার ৩য় রাকাতেও আত্তাহিয়্যাতু পড়বেন।কারন এটা ৪র্থ রাকাত হতে পারে। তারপর ৪র্থ রাকাতে সিজদায়ে সাহু করে সালাম ফিরাবেন।
১০. নামায শেষ হওয়ার পর সালাম ফিরানোর পর যদি নামায ৩ রাকাত পড়েছেন না ৪ রাকাত পড়েছেন এই রকম সন্দেহ যদি সব সময় হয়ে থাকে তাইলে এই সন্দেহের কোন ভিত্তি নাই।আর যদি স্পষ্ট ভাবে মনে পড়ে যে নামায ৩ রাকাত পড়েছেন এবং আপনি কিবলামুখি হয়ে বসে আছেন এবং কারো সাথে কথা বলেন নি তাইলে সাথে সাথে দাঁড়িয়ে যেয়ে আরেক রাকাত পড়ে সিজদায়ে সাহু করে সালাম ফিরাবেন। তবে কারো সাথে কথা বলে ফেললে নামায পুনরায় পড়তে হবে।
১১. একই নামাযে সিজদায়ে সাহু করার একাধিক কারন পাওয়া গেলেও একটি সিজদায়ে সাহু করলেই হবে।
১২. বিতর নামাযে দোয়া কুনুত না পড়েই রুকুতে চলে গেছেন বা দোয়া কুনুতের জায়গায় অন্য কিছু পড়ে ফেলেছেন তাইলে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে। আর যদি দোয়া কুনুতের জায়গায় অন্য কিছু পড়ে ফেলেছেন কিন্তু মনে হবার সাথে সাথে দোয়া কুনুত পড়ে ফেলেছেন তাইলে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে না।
তথ্যসূত্রঃ আমি সিজদায়ে সাহুর এই মাসলা-মাসায়েল গুলি হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভীর বেহেশতী যেওর বই থেকে সংগ্রহ করেছি। প্রত্যেক মুসলমানের জন্য সিজদায়ে সাহুর এই মাসলা গুলি জানা ফরয। কারন সিজদায়ে সাহুর জায়গায় যদি আপনি সিজদায়ে সাহু না দেন তাইলে আপনার নামায হবে না। যারা এই সিজদায়ে সাহুর এই মাসলা-মাসায়েল গুলি জানলেন তারা দয়া করে আপনার বন্ধু-বান্ধবী ও আত্মীয় স্বজনকে জানান। আরো পড়তে পারেন
সহিহ শুদ্ধ ভাবে নামায পড়ার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় মাসলা
ইসলামী আক্বীদা সংশোধনের জন্য আরো পড়তে পারেন
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বহু বিবাহ প্রসঙ্গে ইসলাম বিদ্বেষীদের সমালোচনার জবাব
আল্লাহ সুবহানাতায়ালার অস্তিত্ত্বের একটি বুদ্ধিবৃত্তিক প্রমান
পুরুষ জাতির বহু বিবাহ প্রথাকে ইসলামী শরীয়াহ আসলে কতটুকু সমর্থন করে
বনী কুরায়জা গোত্রের সকল পুরুষ ইহুদি হত্যা করা প্রসঙ্গে একটি পর্যালোচনা
ইসলামি শরীয়াহ কি কখনই দাস দাসী প্রথাকে সমর্থন করেছিল
স্টালিনের নৃশংসতার স্বীকার এক বাঙ্গালী বিপ্লবী
মাওসেতুং এর সময় চীনা মুসলমানদের দূর্দশতার কথা শুনুন
কামসূত্র বইটি কোথা থেকে এল ? এর ইতিহাস কি আপনি জানেন ?
২|
০১ লা জুলাই, ২০১২ সকাল ৯:১৩
নাফাজি বলেছেন: ভালো পোস্ট। ধন্যবাদ।
৩|
০১ লা জুলাই, ২০১২ সকাল ৯:৩১
কাউসার রানা বলেছেন: অনেক অনেক ভাল পোষ্ট । ধন্যবাদ।
৪|
০১ লা জুলাই, ২০১২ সকাল ৯:৫৩
সবুজ সাথী বলেছেন:
সাহু সিজদা দেয়ার নিয়ম হল শেষ রাকাতে আত্তাহিয়্যাতু পড়ে শুধু ডান দিকে সালাম ফিরিয়ে ২ টি সিজদা দিতে হবে।
এই নিয়ম কোন হাদীসে আছে জানিয়ে বাধিত করবেন।
৫|
০১ লা জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:০৬
শুভ জািহদ বলেছেন: সবুজ সাথী বলেছেন:
সাহু সিজদা দেয়ার নিয়ম হল শেষ রাকাতে আত্তাহিয়্যাতু পড়ে শুধু ডান দিকে সালাম ফিরিয়ে ২ টি সিজদা দিতে হবে।
এই নিয়ম কোন হাদীসে আছে জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরেকটু এ্যাড করি যে, নিশ্চয়ই আমরা আশরাফ আলী থানভির উম্মত নই। তাই উনি এই বক্তব্যগুলো কোন কোন দলিল থেকে সংগ্রহ করেছেণ? উনার বক্তব্যের দলিল কি? কোন হাদিসের উপর ভিত্তি করে তিনি এগুলো বলেছেন? যেহেতু তিনি কোন দলিল উল্লেখ করেন নাই, তাই মুসলিমরা তার বক্তব্য মানতে পারে না। কোন ব্যক্তি যদি দলিল প্রমাণ ছাড়া কোন আলেমের বক্তব্য মেনে নেয় অন্ধভাবে, তবে ঐ ব্যক্তিটি ওই আলেমকেই রব বানিয়ে নেয়।
০১ লা জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:২৩
শাফিউর রহমান ফারাবী বলেছেন: এই মাসলা গুলি হানাফী মাযহাবের জন্য। আমি নিজেও হানাফী মাযহাব অবলম্বঙ্কারী।
৬|
০১ লা জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:২৪
খবরদার বলেছেন: আমি গত সপ্তাহে বুখারীর নামাজ অধ্যায় পড়লাম। সেখান থেকে জানলাম সালাম ফিরাতে হবে সবার শেষে। যতদূর জানি সালাম ফিরালে নামাজ শেষ হয়ে যায়।
৭|
০১ লা জুলাই, ২০১২ সকাল ১০:৫০
েজ আলম বলেছেন: আমার কাছে খুবই উপকারী পোষ্ট এটি। অসংখ্য ধন্যবাদ এ পোস্টের জন্য। আমি এ সমস্যা সম্পর্কিত মাসআলা খুঁজতেছিলাম। চালিয়ে যান। আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন।
০১ লা জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:২৬
শাফিউর রহমান ফারাবী বলেছেন: একটু শেয়ার করুন
৮|
০১ লা জুলাই, ২০১২ সকাল ১১:৫৬
মুহাম্মদ এরশাদুল করিম বলেছেন: ধন্যবাদ। খুব সুন্দর উপস্থাপনা। আমার মতে, এ বিষয়ে কোন সন্দেহ থাকলে একজন অভিজ্ঞ আলেমকে জিজ্ঞাস করলে ভালো হয়। আল্লাহ আমাদেরকে শয়তানের ধোকা থেকে হেফাজত করূণ। আ-মীন। জাজাকআল্লাহু খাইরান।
৯|
০১ লা জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:১৯
ইভা লুসি সেন বলেছেন: জেনে উপকৃত হলাম
আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুক ।
১০|
০১ লা জুলাই, ২০১২ দুপুর ১২:২৯
খালেদা আকতার বলেছেন: জেনে উপকৃত হলাম
আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুক ।
১১|
০১ লা জুলাই, ২০১২ দুপুর ১:০৫
chai বলেছেন: জেনে উপকৃত হলাম
আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুণ।আমিন
১২|
০১ লা জুলাই, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০৬
মুহাম্মাদ হুমায়ুন কবীর রুশাদ বলেছেন: Onek kichu janlam,doubt chilo. Jazakallah!
১৩|
০৯ ই জুলাই, ২০১২ বিকাল ৩:২৪
লাইলী আরজুমান খানম লায়লা বলেছেন: শেয়ার করার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ
১৪|
১২ ই জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৩২
আবিরে রাঙ্গানো বলেছেন: আবার ১ম রাকাত পড়লেন না ২য় রাকাত পড়লেন এই রকম সন্দেহ যদি সব সময় হয়ে থাকে তাইলে এই সন্দেহের কোন ভিত্তি নাই। আর যদি হঠাৎ করে এই সন্দেহ হয় তাইলে এই রাকাত কে ১ম রাকাত ধরে আত্তাহিয়্যাতু পড়বেন। কারন এটা ২য় রাকাতও হতে পারে। আবার ২য় রাকাতেও আত্তাহিয়্যাতু পড়বেন।কারন এটা ২য় রাকাত হতে পারে। আবার ৩য় রাকাতেও আত্তাহিয়্যাতু পড়বেন।কারন এটা ৪র্থ রাকাত হতে পারে। তারপর ৪র্থ রাকাতে সিজদায়ে সাহু করে সালাম ফিরাবেন। জানা ছিল না মজা লাগলো।
১৫|
০২ রা অক্টোবর, ২০১২ সকাল ১০:১৩
হাবিবুল্লাহ শোয়েব বলেছেন: দরকারি পোস্ট। ধন্যবাদ।
১৬|
২০ শে অক্টোবর, ২০১২ রাত ৮:৪৬
আমি বিড়াল প্রিয় বলেছেন: হানাফী মাযহাবের সিজদায়ে সাহু দেয়ার নিয়মটা তিরমিযী আবু দাউদ শরীফে আছে
১৭|
২১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:২৯
তমা_৩০১১ বলেছেন: অনেক গুরুত্বপূর্ণ পোষ্ট। আপনাকে ধন্যবাদ।
১৮|
২১ শে অক্টোবর, ২০১২ বিকাল ৩:৪৬
আহমেদ সাব্বির পল্লব বলেছেন: প্রয়োজনীয় পোস্ট.....
১৯|
০৭ ই ডিসেম্বর, ২০১২ সকাল ৯:৩৬
স্বাধীনতা ১৯৭১ বলেছেন: খুব ভাল একটা পোস্ট
২০|
২৮ শে এপ্রিল, ২০১৪ সকাল ১০:৫৬
১০১টি নীলপদ্ম বলেছেন: অনেক ভাল লাগল। আমি নিজেও কিছু কনফিউশানে ছিলাম। এখন দূর হল। ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
০১ লা জুলাই, ২০১২ সকাল ৮:৪৬
শাফিউর রহমান ফারাবী বলেছেন: প্রত্যেক মুসলমানের জন্য সিজদায়ে সাহুর এই মাসলা গুলি জানা ফরয। কারন সিজদায়ে সাহুর জায়গায় যদি আপনি সিজদায়ে সাহু না দেন তাইলে আপনার নামায হবে না। যারা এই সিজদায়ে সাহুর এই মাসলা-মাসায়েল গুলি জানলেন তারা দয়া করে আপনার বন্ধু-বান্ধবী ও আত্বীয় স্বজনকে জানান।