| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৫১ যারিয়াত, ৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৬। আমি জিন ও মানুষকে এ জন্য সৃষ্টি করেছি যে, তারা আমারই ইবাদত করবে।
* আল্লাহ মানুষকে ইবাদতের জন্য সৃষ্টি করেছেন, সুতরাং তাদেরকে আল্লাহর ইবাদত করতেই হবে।ইহকালে আল্লাহর ইবাদত না করলে পরকালে আল্লাহর ইবাদত করতেই হবে। আল্লাহ কিছুতেই তাঁর উদ্দেশ্য বিফলে যেতে দিবেন না।পরকালে আল্লাহ কি জোর করে ইবাদত করাবেন?
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৬। দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয়ই ভ্রন্তি খেকে সঠিক পথ প্রকাশ হয়েছে। অতএব যে লোক তাগুতের বিরোধিতা করবে এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে সে দৃঢ়তর রজ্জুকে শক্ত করে ধরলো যা কখনো ছিঁড়ে যাবে না এবং আল্লাহ হলেন সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী।
* পরকালে আল্লাহ কোন লোককে দিয়ে জোর করে ইবাদত করাবেন না। এখন যারা আল্লাহর ইবাদত করছে না পরকালে তারা নিজের ইচ্ছায় আল্লাহর ইবাদত করবে।পরকালে তারা নিজের ইচ্ছায় আল্লাহর ইবাদত কেন করবে?
সূরাঃ ২, বাকারা। ৮১ নং আয়াতের অনুবাদ-
৮১। হ্যাঁ যে ব্যক্তি অনিষ্ট অর্জন করবে এবং নিজের পাপের দ্বারা বেষ্ঠিত হবে মূলত তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানে তারা চিরস্থায়ী অবস্থান করবে।
সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ৪৬ থেকে ৪৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৬। উভয়ের (অনুগত ও অবাধ্য) মাঝে পর্দা আছে।আর আরাফে কিছু লোক থাকবে যারা প্রত্যেককে তাদের লক্ষণ দ্বারা চিনবে।আর তারা জান্নাতবাসীদেরকে ডেকে বলবে, তোমাদের শান্তি হোক। তারা তখনও জান্নাতে প্রবেশ করেনি, কিন্তু তারা এ বিষয়ে আশ্বস্ত।
৪৭। যখন তাদের দৃষ্টি অগ্নিবাসীদের দিকে ফিরিয়ে দেওয়া হবে তখন তারা বলবে, হে আমাদের রব আমাদেরকে যালিমদের সাথী বানিয়ে দিবে না।
৪৮। আরাফবাসীগণ যে লোকদেরকে লক্ষণ দ্বারা চিনবে তারা তাদেরকে ডেকে বলবে, তোমাদের দল ও তোমাদের অহংকার কোন কাজে আসল না।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
* যখন তারা দেখবে ইহকালে আল্লাহর ইবাদত না করায় পরকালে তাদের জন্য চিরস্থায়ী জাহান্নাম বরাদ্ধ তখন তারা এর থেকে আত্মরক্ষায় নিজের থেকেই ইবাদত করা শুরু করে দিবে।তখন তাদেরকে জাহান্নামে না ফেলে আরাফে ছেড়ে দেওয়া হবে এবং কথা থাকবে ইবাদত বন্ধ করলেই তাদেরকে জাহান্নামে ফেলে দেওয়া হবে। স্বচক্ষে জাহান্নাম দেখার পর তারা আর ইবাদত বন্ধ করবে না। এভাবে তারা চিরস্থায়ী আল্লাহর ইবাদতে লিপ্ত থাকবে।আর কালেমা পাঠকারীগণ ইবাদতে ঘাটতির কারণে যারা আরাফে যাবে তারা অবশিষ্ট ইবাদতের পর জান্নাতে যাবে।নতুন এ ব্যবস্থার সাথে কোন আয়াত সাংঘর্ষিক হলে আল্লাহ সেসব আয়াত মানসুখ করে সে স্থানে আল্লাহ নতুন ব্যবস্থার সাথে সংগতিপূর্ণ আয়াত স্থাপন করবেন। এভাবে মালিকের ইবাদত কখনো বন্ধ হবে না। তখন চিরস্থায়ী আরাফবাসীগণ হবে আল্লাহর দাস এবং জান্নাতিগণ হবেন আল্লাহর বন্ধু। বন্ধুত্ব ও দাসত্বের পর্দা থাকবে উভয়ের মাঝে। বন্ধুগণ বন্ধুর মত জীবন ও জিবিকা পাবেন এবং দাসগণ দাসের মত জীবন ও জিবিকা পাবেন।
০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৭
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কথাগুলো আমি লিখেছি আয়াতের মর্ম থেকে। পোষ্টটি ফেসবুকের বড় গ্রুপ সমূহে চলমান রয়েছে। কেউ বুঝায় তাদের সমস্যার কথা বলেনি। আপনি আরেকটু চেষ্টা করলে হয়ত বুঝতে পারবেন।
২|
০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৫৪
সাজিদ উল হক আবির বলেছেন: প্রিয় ব্লগার, আপনার লেখার স্টাইল পাঠকবান্ধব না। একটানা অনেকগুলো কোরআনের আয়াত এবং হাদিস উল্লেখ করে তারপর একটা বা দুটো প্যারাগ্রাফে নিজের কথাগুলো বলেন। এতে করে আগের আয়াত ও হাদিসের সঙ্গে যুক্ত করে আপনার বক্তব্যের অর্থ সবসময় স্পষ্ট হয় না। বিষয়টি নিয়ে চিন্তা করতে পারেন। মাআসসালাম।
০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: আমি পোষ্টটি অনেক কষ্ট করে লিখেছি।এটা বুঝতে হলে পাঠককেও একটু কষ্ট করে বুঝতে হবে।
৩|
০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:২০
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আপনার স্বপক্ষে কোনো দলিল প্রমান উপস্থাপন করেননি কেন?বিভ্রান্তিজনক ![]()
০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: দলিল উপস্থাপন করা হয়েছে, আপনার দৃষ্টিকে প্রসারিত করলেই দলিল দেখতে পাবেন।
৪|
০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৫৪
রাজীব নুর বলেছেন: ইবাদত দিয়ে ইহকাল বা পরকালের কোন উপকারটা হয়?
০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৯:৪৯
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: সেটা আপনি যথা সময়ে বুঝবেন।
৫|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৪:৩৪
মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
মানুষ কি করবে না করবে তা আল্লাহই অনেক আগে ঠিক করে রেখেছেন।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৩৩
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: অনেক আগে ঠিক করা হলেও সেটা ন্যায় সঙ্গতভাবে ঠিককরা হয়েছে। আল্লাহর পক্ষে সেটা সম্ভব কারণ তিনি ভবিষ্যত জানেন।
সূরাঃ ৯৫ তীন, ৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৮। আল্লাহ কি বিচারকদের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ট বিচারক নন?
৬|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৩৩
বাজ ৩ বলেছেন: যখন তারা দেখবে ইহকালে আল্লাহর ইবাদত না করায় পরকালে তাদের জন্য চিরস্থায়ী জাহান্নাম বরাদ্ধ তখন তারা এর থেকে আত্মরক্ষায় নিজের থেকেই ইবাদত করা শুরু করে দিবে।তখন তাদেরকে জাহান্নামে না ফেলে আরাফে ছেড়ে দেওয়া হবে
এই অংশটুকু কি আপনার ব্যাক্তিগত কথা অথবা ধারনা,নাকি কোনো আয়াত থেকে পেয়েছন,পেয়ে থাকলে কোন আয়াত থেকে পেয়েছেন স্পষ্ট করুন
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪১
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:
সূরাঃ ২, বাকারা। ৮১ নং আয়াতের অনুবাদ-
৮১। হ্যাঁ যে ব্যক্তি অনিষ্ট অর্জন করবে এবং নিজের পাপের দ্বারা বেষ্ঠিত হবে মূলত তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। সেখানে তারা চিরস্থায়ী অবস্থান করবে।
সূরাঃ ৫১ যারিয়াত, ৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৬। আমি জিন ও মানুষকে এ জন্য সৃষ্টি করেছি যে, তারা আমারই ইবাদত করবে।
* প্রথম আয়াতে চিরস্থায়ী জাহান্নামের কথা বলা আছে। মানুষ যখন দেখবে ইবাদত না করায় তার এ বরাদ্ধ সেজন্য সে তার এ বরাদ্ধ বাতিলের চেষ্টা হিসাবে ইবাদত করা শুরু করবে। আর আল্লাহ যেহেতু ইবাদত করাই পছন্দ করেন সেহেতু ইবাদত রত লোকদেরকে আল্লাহ জাহান্নামে না ফেলে আরাফে ছেড়ে দেবেন। মানুষের সভাব ও আল্লাহর ইচ্ছা এবং আয়াতের সমম্বয়ে আমি উক্ত কথা বলেছি।
৭|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৯:৫৯
রাজীব নুর বলেছেন: যারা মানবিক মানুষ তাদের ইবাদত করার প্রয়োজন পড়ে না। ইবাদত করে পাপীর দল।
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৩
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ইহকালের পাঠ চুকিয়ে পরকালের পাঠে প্রবেশ করলে হিসাব অন্য রকম হবে। এখনকার স্বাধীনতা তখন থাকবে না।
৮|
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫৬
ধুলো মেঘ বলেছেন: তার মানে আল্লাহ জোর করে হলেও তাদেরকে দিয়ে ইবাদত করাবেই? ইবাদত কি মানুষ আল্লাহ্র জন্য করে, নাকি নিজের জন্য করে? ইবাদত করলে আল্লাহ্র কি লাভ?
০৩ রা জানুয়ারি, ২০২৬ দুপুর ১:৪৬
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: ইবাদত আল্লাহর পছন্দের কাজ। বিপদ থেকে বাঁচতে লোকেরা স্বেচ্ছায় এটা করবে। মোজামেডান খেলায় জিতলে আমার কি লাভ? মোহামেডান জিতলে আমার ভালো লাগে এটাই আমার লাভ। সেরকম কেউ আল্লাহর ইবাদত করলে আল্লাহর ভালো লাগে এটাই তাঁর লাভ।
©somewhere in net ltd.
১|
০২ রা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১১:৫১
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি শেষ অংশের লেখাটি কোথা থেকে পেয়েছেন ? কোন তাফসীর ? পুরোপুরি কনফিউসড হয়ে গেলাম ।