নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আব্ববাসীর কথা সঠিক হলে কোরআন অনুযায়ী কোন ভোটারের চরমোনাকে ভোট দেওয়া উচিত নয়

২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৫৫



সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৪৯ হুজরাত, ১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০। মু’মিনগণ পরস্পর ভাই ভাই; সুতরাং তোমরা ভাইদের মাঝে ইসলাহ (শান্তি স্থাপন) কর, আর আল্লাহকে ভয় কর যাতে তোমরা অনুগ্রহ প্রাপ্ত হও।

* কোরআনে ঐক্যের কথা আছে। বিভেদ না করার কথা কোরআনে আছে। ইসলাহের কথা কোরআনে আছে। কোরআনের উক্ত তিন কথা অনুযায়ী চরমোনাই সঠিক নয়। কিন্তু চরমোনাই বলেছে তারা ঐক্য ছেড়েছে ইসলাম কায়েমের জন্য। আব্বাসী বলছেন ইসলামের গণতন্ত্র হারাম। আব্বাসীর কথা অনুযায়ী গণতন্ত্র ছাড়লে চরমোনাই সঠিক হতো। রাসূল (সা.) একটা সনদ তৈরী করে তাতে সকল পক্ষের সম্মতি স্বাক্ষর গ্রহণ করেছেন। ইসলাম কায়েমের জন্য চরমোনাইয়ের উচিত ছিল এমন একটি সনদ তৈরী করে সবার স্বাক্ষর নেওয়া। সবাই স্বাক্ষর না দিলে তাদের উচিত ছিল ইসলাম কায়েমের চেষ্টা স্থগিত রাখা। রাসূল সব দেশে ইসলাম কায়েম করেন নাই। তিনি ইসলাম কায়েম করেছেন সেই দেশে যে দেশের সবাই ইসলাম কায়েমে সম্মতি দিয়েছে। বাংলাদেশে সবাই ইসলাম কায়েমে সম্মত নয় বিধায় জামায়াত বাংলাদেশে ইনসাফ কায়েমের চেষ্টা করছে। ইসলাম অনুযায়ী এখন এটা সঠিক। কারণ সবাই ইনসাফ কায়েমে সম্মত। বিএনপিও ইনসাফ কায়েম করতে চায়। জামায়াত ও বিএনপি জোট ভোটে আছে ইনসাফ কায়েমে। আব্বাসী ইনসাফ কায়েমে গণতন্ত্র হারাম এটা বলেন নাই। সুতরাং ইনসাফ কায়েমে গণতন্ত্র ঠিক আছে। তাহলে গণতন্ত্রে চরমোনাই কি করছে? তারা হারাম গণতন্ত্র থেকে আজই সকল মনোনয়ন পত্র পত্যাহার করুক। নতুবা তারা প্রমাণ করুক ইসলামে গণতন্ত্র হারাম নয়। এ উপলক্ষে তারা আব্বাসীর সাথে বাহস করুক। জনগণ দেখুক আব্বাসী, নাকি চরমোনাই সঠিক। নতুবা হারাম গণতন্ত্রের মাধ্যমে ইসলাম প্রতিষ্ঠার চেষ্টা বাদ না দিলে কোন ভোটারের চরমোনাইকে ভোট দেওয়া উচিত নয়।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.