| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৬। দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয়ই ভ্রন্তি খেকে সঠিক পথ প্রকাশ হয়েছে। অতএব যে লোক তাগুতের বিরোধিতা করবে এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে সে দৃঢ়তর রজ্জুকে শক্ত করে ধরলো যা কখনো ছিঁড়ে যাবে না এবং আল্লাহ হলেন সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী।
সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।
* দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি না থাকায় শরিয়া আইন জারি করতে রাসূল (সা.) মদীনা সনদে মদীনার ইহুদী ও খ্রিস্টানদের সম্মতি স্বাক্ষর গ্রহণ করেছেন।বাংলাদেশে শরিয়া আইন জারি করতে বাংলাদেশ সনদে বাংলাদেশের হিন্দু, খ্রিস্টান ও বোদ্ধের সম্মতি স্বাক্ষর লাগবে।আমেরিকা বলেছে বাংলাদেশে শরিয়া আইন জারি করলে তারা বাংলাদেশের উপর ১০০% সুল্ক আরোপ করবে। বাংলাদেশের হিন্দু, খ্রিস্টান ও বোদ্ধ এতে বিপাকে পড়লে তারা শরিয়া আইন জারি করার জন্য বাংলাদেশ সনদে সম্মতি স্বাক্ষর প্রদান করবে না। তাহলে বাংলাদেশে শরিয়া আইন কিভাবে জারি করা যাবে?
রাসূল (সা.) ছিলেন মদীনার মহাজির নেতা। মদীনার আওস ও খাজরাস ছিল মদীনার বড় দু’টি দল। তারা মহানবির (সা.) প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করে তাঁর দলে যোগদান করলে মহানবি (সা.) মদীনার সংখ্যা গরিষ্ঠ দলেন দলনেতা হন। বাংলাদেশে চরমোনাই শরিয়া আইন জারি করতে হলে বাংলাদেশের দু’টি বড় দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি চরমোনাই পীরের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে হবে। এবারের নির্বাচনে চরমোনাই জয়ী হলে এবং জামায়াত ও বিএনপি চরমোনাই পরবর্তী দু’টি বড় দল হলে শরিয়া আইন জারিতে জামায়াত ও বিএনপিকে প্রথমে চরমোনাইয়ের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে হবে। তারপর চরমোনাই বাংলাদেশ সনদ তৈরী করে তাতে বিএনপি ও জামায়াতের সম্মতি স্বাক্ষর গ্রহণ করে তারপর হিন্দু, খ্রিস্টান ও বোদ্ধ ঐক্য পরিষদের স্বাক্ষর গ্রহণ করবে। তারপর তারা বাংলাদেশ সনদে নিবন্ধিত সকল রাজনৈতিক দলের স্বাক্ষর গ্রহণ করবে। তারপর তারা বাংলাদেশ সনদের বিরোধী কেউ আছে কিনা সে বিষয়ে গণবিজ্ঞপ্তি জারি করবে। বিরোধী কেউ থাকলে চরমোনাই বাংলাদেশ সনদে তাদের স্বাক্ষরও গ্রহণ করবে। দেশেরে সকল পক্ষের সম্মতি স্বাক্ষর গ্রহণের পর চরমোনাই দেশে শরিয়া আইন জারি করবে। চরমোনাই দেশের কোন পক্ষের উপর জোর করে শরিয়া আইন চাপিয়ে দিলে সেটা শরিয়ত সম্মত হবে না। কারণ আল্লাহ স্পষ্টই বলেছেন- দ্বীনের (ইসলামে) মধ্যে কোন জবরদস্তি নাই। তাহলে চরমোনাই রাষ্টের কোন পক্ষের উপর জবরদস্তি শরিয়াইন চাপিয়ে দিলে সেটা শরিয়া আইন কিভাবে হবে? চরমোনাই সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে ক্ষমতাই গিয়ে যে আইন জারি করবে সেটা শরিয়া আইন না হয়ে গণতান্ত্রিক আইন হবে। আর শরিয়া আইন হিসাবে গণতান্ত্রিক আইন চালানো শরিয়া আইন নয়। কারণ গণতান্ত্রিক আইনে সংখ্যাগরিষ্ঠের আইন সংখ্যা লঘিষ্টের উপর চাপিয়ে দেওয়া হয়। যা শরিয়ত সম্মত নয়।কারণ শরিয়ত কোন ভাবেই জবরদস্তি নয়। রাসূল (সা.) রাষ্ট্রের সকল পক্ষের সর্ব সম্মতিতে শরিয়া আইন চালু করায় তাঁর উম্মতের এর বাইরে যাওয়ার সুযোগ নাই। ক্ষমতা পাওয়ার পর অপারগতার কারণে শরিয়া আইন চালু করা না গেলে ক্ষমতাসিন দলের শরিয়া আইন চালু না করার দায়মুক্তি ঘটবে। পরকালে যাদের কারণে শরিয়া আইন চালু করা যায়নি তারা এর জন্য শাস্তি পাবে। সেজন্য চরমোনাই ক্ষমতা প্রাপ্ত হয়ে শরিয়া আইন চালু করতে বাংলাদেশ সনদে জামায়াতের সম্মতি স্বাক্ষর চাইলে তারা অবশ্যই তাতে আপত্তি তুলবে না। তবে আপাতত শরিয়া আইন চালুতে চরমোনাইয়ের বাংলাদেশের সকল পক্ষের বাংলাদেশ সনদে সম্মতি স্বাক্ষর পাওয়ার কোন সম্ভাবনা নাই। কোন এক পক্ষের সম্মতি ছাড়া তারা শরিয়া আইনের নামে যে আইন জারি করবে তা’ কোন অবস্থায় শরিয়া আইন হবে না।
২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:৪৮
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: পোষ্ট সঠিকভাবে পড়ে সঠিক মন্তব্য করুন। আমি বিএনপির সাপোর্টার হলেও শক্তিশালী বিরোধী দল চাই। নতুবা সরকারি দল রাক্ষস হয়ে যায়। আওয়ামী লীগ না থাকায় এখন বিএনপির ২৫০ আসনের বেশী পাওয়ার সম্ভাবনা। এটা কি জাতির জন্য মঙ্গল জনক হবে? ২৭৮ আসন নিয়ে বিএনপি ১২ দিন ক্ষমতায় ছিল। জিয়ার ২৩৫ আসনের বিএনপিও পূর্ণ মেয়াদ শেষ করতে পারেনি। ভারতের চাপে আবার শেখ হাসিনাকে তারেক দেশে আসতে দিলে তারেক খরচের খাতায় চলে যায় কিনা সেটাও একটা বিষয়। জামায়াত-এনসিপি শক্ত বিরোধী দল হলে তাদের বিরোধীতায় বিএনপি অনেক বিপদ এড়িয়ে যেতে পারবে। অনেক সময় নিজের বুদ্ধিতে মানুষ যে ভুল করে বিরোধীদের বিরোধীতায় তারা সে ভুল থেকে বেঁচে থাকতে পারে। চরমোনাই বিএনপিকে অপ্রতিদ্বন্দ্বী করে তুলেছে। এটা দেশেরে জন্য মঙ্গল জনক হবে বলে আপনি মনে করেন কি?
২|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:১৩
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই।
.....................................................................
বর্তমানে সবাই সামনে মূলা ঝুলায়
পরবর্তীতে কলা দেখায় ।
বাংলাদেশে এমন কোন দল আছে যারা ইসলামী শাসন ব্যবস্হা জানে ???
আফগানরা ইসলামী শরীয়া দ্বারা দল চালাবে বলে দেখুন কি অবস্হা,
কেন তারা আশেপাশের মুসলিম দেশ থেকে সাহায্য পাচ্ছেনা ???
৩|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৩৩
আলামিন১০৪ বলেছেন: মদীনার ইহুদী গোত্ররা তাহলে শরীয়া আইন চেয়েছিল? আপনি এসব বা*-ছা* পোস্ট দিয়ে কী মজা পান? গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটের মাধ্যমে যদি দেশের অধিকাংশ মানুষ শরীয়া আইন চায় তাহলে সেটা বাকীদের বিরোধীতার কারণে ইসলামের দৃষ্টিতে অবৈধ হবে? আপনি এত বুদ্ধি নিয়ে ঘুমান কেমনে?
৪|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৪৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমি আপনার ওভারঅল সাম্প্রতিক লেখালেখি নিয়ে মন্তব্য করেছি। আপনার কাছে হটাত করে আব্বাসী হুজুর আর চরমোনাই খারাপ হলো কেন? কারণ এরা গণতন্ত্র চায় না। এরা শরীয়াহ চায়। চরমোনাই পীর যে এমন মানসিকতার দল সেটা কি জোটের জানা ছিলো না? এখন পোষাচ্ছে না তাই জোট ছেড়ে দিয়েছে। কিন্তু আপনার লেখা পড়ে মনে হয় কেউ আপনাকে বলেছে এদের বিরুদ্ধে লিখতে।
ব্লগে সত্যপথিক শাইয়ান ছাড়া সরাসরি চরমোনাই দল কে পছন্দ করে এমন ব্লগার পাওয়া কঠিন। তাহলে এসব লেখার উদ্দেশ্য কি? সবাই তো মেনে নিয়েছে যে জোট আলাদা হয়ে গেছে।
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:২২
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আপনি কি রাজনীতির মানুষ? চরমোনাই ও জামাতের জোট ভাঙা নিয়ে আপনি পেরেশান কেন? আপনার লেখার প্যাটার্ন যেভাবে সরকারি মওলানাদের মতো বদলাচ্ছে উহা অশনি সংকতে। এর মাঝে আপনি আবার বিএনপির সাপোর্টার !