| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১১৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৬। যদি তুমি দুনিয়ার অধিকাংশ লোকের কথামত চল তবে তারা তোমাকে আল্লাহর পথ হতে বিচ্যুত করবে। তারা তো শুধু অনুমানের অনুসরন করে: আর তারা শুধু অনুমান ভিত্তিক কথা বলে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৬। দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয়ই ভ্রন্তি খেকে সঠিক পথ প্রকাশ হয়েছে। অতএব যে লোক তাগুতের বিরোধিতা করবে এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে সে দৃঢ়তর রজ্জুকে শক্ত করে ধরলো যা কখনো ছিঁড়ে যাবে না এবং আল্লাহ হলেন সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
* গণতন্ত্রে সংখ্যা গরিষ্ঠের মত সংখ্যা লঘিষ্টের উপর জবরদস্তি চাপিয়ে দেওয়া হয়।ইসলাম এটা অনুমোদন করে না। বদর বন্দ্বী বিষয়ে রাসূল (সা.) সংখ্যা গরিষ্ঠের মত একজনের মতের উপর চাপিয়ে ছিলেন।আল্লাহ এর সমালোচনা করেছেন। উচিত কাজে ইসলামে একজনের মতও গৃহিত হতে পারে।আর অনুচিত কাজে সংখ্যাগরিষ্ঠের মতও ইসলামে গৃহিত হয় না। আর শরিয়া বিশিষ্ট ইসলামী হুকুমত চালাতে সকল পক্ষের মত লাগে। সেজন্য রাসূল (সা.)মদীনা সনদে মদীনার ইহুদী ও খ্রিস্টানের সম্মতি নিয়েছেন।মোহাজির প্রধান মহানবির (সা.) আনুগত্য স্বীকার করেছে মদীনার বড় দুটি গুষ্ঠি আউস ও খাজরাস। সেহিসাবে তিনি মদীনার সংখ্যাগরিষ্ঠের নেতা ছিলেন। সংখ্যা গরিষ্ঠতার জোরে তিনি তাঁর ইসলামী হুকুমত মদীনার সংখ্যা লঘিষ্ঠ ইহুদী খ্রিস্টানদের উপর চাপিয়ে দেননি। তিনি মদীনার শাসনতন্ত্র মদীনা সনদে ইহুদী ও খ্রিস্টানদের সম্মতি স্বাক্ষর নিয়েছেন। বাংলাদেশে শরিয়া আইন চালু করতে বাংলাদেশ সনদে বাংলাদেশের সকল পক্ষের সম্মতি স্বাক্ষর লাগবে। বাংলাদেশ সনদে বাংলাদেশের হিন্দু, খ্রিস্টান ও বোদ্ধদের সম্মতি গ্রহণ করে বাংলাদেশে শরিয়া আইন চালাতে হবে।যিনি শরিয়া আইনের শাসক হবেন তাঁর পক্ষে মুসলিম সকল পক্ষেরও সম্মতি লাগবে। হযরত মুয়াবিয়া (রা.) হযরত ইমাম হাসানের (রা.) জবরদস্তি সম্মতিতে তাঁর ইসলামী হুকুমত প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ইমাম হাসান (রা.) যুদ্ধ এড়াতে এ ক্ষেত্রে সম্মতি প্রদান করেছেন। সাহাবায়ে কেরাম হযরত মুয়াবিয়াকে (রা.) আমিরুল মুমিনিন স্বীকার করেননি। তাঁরা তাকে বাদশা স্বীকার করতেন।ইমাম হাসানের (রা.) জবরদস্তি সম্মতির পূর্ব পর্যন্ত ইসলামী হুকুমত ছিল। হেজাজে হযরত আলীর (রা.) বিরোধীতা হযরত আয়েশা (রা.) তাঁর ভুল হিসাবে মেনে নেওয়ায় হযরত আলীর (রা.) খেলাফত ইসলামী হুকুমত ছিল। একই কাজে হযরত মুয়াবিয়া (রা.) ভুল স্বীকার না করলেও তাঁর কাজ ভুল সাব্যস্ত হয়ে হযরত আলীর (রা.) খেলাফত সঠিক সাব্যস্ত হবে। সিরিয়ায় হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) শাসন হযরত আলী (রা.) যুদ্ধ এড়াতে মেনে নেওয়ায় তখনও হযরত মুয়াবিয়ার (রা.) শাসন ইসলামী হুকুমত ছিল না। জবরদস্তি ইসলামী হুকুমত হয় না বিধায় রাসূলের (সা.) দশ বছর ও খোলাফায়ে রাশেদার ত্রিশ বছর ইসলামী হুকুমত ছিল। বাংলাদেশেও কোন পক্ষের উপর কোন রকম জবরদস্তি ছাড়া শরিয়া আইন চালানো গেলে তবেই এখানে শরিয়া আইন চালানো যাবে। শরিয়া আইন চালু হওয়ার পর একজনের মতের উচিত কাজও সকলের উপর চালানো যাবে এবং সকলের অনুচিত কাজ একজনের উপর চালানো যাবে না। শরিয়া আইনের ইসলামী হুকুমত এরকমই।
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৫১
মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন: কয়েকটি আয়াতের মিলিত মর্মে ফিকাহ হয়।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:৪৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: প্রতিটি আয়াতের আলাদা কনটেক্সট আছে ।