নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১)

২৬ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:০৪



সূরাঃ ১ ফাতিহা, ১ নং থেকে ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। সমস্ত প্রশংসা জগৎ সমূহের প্রতি পালক আল্লাহর।
২। যিনি অনন্ত দয়াময়, অন্তহীন মেহেরবান।

সূরাঃ ১ ফাতিহা, ৪ নং আয়াত থেকে ৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪। আমরা আপনার ইবাদত করি এবং আপনার কাছে সাহায্য চাই।
৫। আমাদেরকে সিরাতাম মুসতাকিমে (সরল সঠিক পথে) হেদায়েত প্রদান (পরিচালিত) করুন।
৬। তাদের পথ যাদেরকে আপনি নেয়ামত (অনুগ্রহ) দান করেছেন।
৭। যাদের উপর আপনার ক্রোধ নেই। আর যারা পথভ্রষ্ট নয়।

* দুইতৃতীয়াংশ মুসলিম হানাফী।তারা মেহেরবানের প্রশংসা করে তাঁর মেহেরবানি তাঁর সাহায্য পাবে। মেহেরবানের সবচেয়ে বড় মেহেরবানি সাহায্য সিরাতাম মুসতাকিম তারাই পাবে। সংগত কারণে তারা পথভ্রষ্ট হবে না। মুসলিম তিহাত্তর দলে বিভক্ত হওয়ার পর অভিন্ন ফিকাহ অনুসরনের মাধ্যমে হানাফীদের যাত্রা শুরু হয় আহলে বাইতের সদস্য ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় সবচেয়ে পরাক্রান্ত আব্বাসীয় খলিফা হারুনুর রশিদের সময়। তার আগে রাসূল (সা.) ও সাহাবায়ে কেরাম (রা.) অভিন্ন ফিকাহের অনুসারী ছিলেন।আব্বাসীয়গণ এরপর প্রায় সাতশত বছর মুসলিম বিশ্বের শাসক ছিল। তারপর মুসলিম বিশ্বের শাসক থাকে তুর্কি হানাফী। মোগল হানাফী ও মধ্যএশিয় হানাফী। এখনো মুসলিম বিশ্বের অধীকাংশ এলাকা ও দেশ তাদের হাতেই আছে। সুতরাং মেহেরবানের নেয়ামতও তারাই বেশী পেয়েছে। সুতরাং সুরা ফাতিহার সাত আয়াতের ছয় আয়াতে হানাফী মাযহাবের সঠিকতা অকাট্যভাবে প্রমাণীত হয়।

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:২৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:



কোরআন আগে না হানাফী মযহাব আগে?

২| ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:৫২

অগ্নিবাবা বলেছেন: আল্লাহ যে আছে ইহার প্রমান কি? কোরানে লেখা আছে।
কোরান যে সঠিক ইহার প্রমান কি? আল্লহ বলেছে।
চাচা ইহা নিয়েই ঘুরপাক খাচ্ছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.