নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-২)

২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ২:০৮



সূরাঃ ২ বাকারা, ২১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২১। হে মানব সম্প্রদায়! তোমরা তোমোদের সেই রবের ইবাদত কর যিনি তোমাদেরকে ও তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যেন তোমরা মোত্তাকী হও।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২ নং আয়াতের অনুবাদ-
২। ঐ কিতাব; যাতে কোন সন্দেহ নেই, যা হেদায়াত মোত্তাকীদের জন্য।

সূরাঃ ২ বাকারা, ৩০নং আয়াতের অনুবাদ-
৩০। আর যখন আপনার প্রতিপালক ফেরেশতাগণকে বললেন, নিশ্চয়ই আমি পৃথিবীতে খলিফা সৃষ্টি করব। তারা বলল, আপনি কি পৃথিবীতে এমন কাউকে সৃষ্টি করবেন যে, তারা তাতে বিবাদে লিপ্ত হবে এবং রক্তপাত করবে।আর আমরাই তো আপনার তাসবিহ পাঠ করছি এবং আপনারই হামদ বা প্রশংসা করছি। আর আপনার পবিত্রতা ঘোষণা করছি।তিনি বললেন-তোমরা যা জান না নিশ্চয়ই আমি তা’ ভালো করে জানি।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৩। ঐসব রাসূলদের আমরা তাদের কোন জনের উপর কোন জনকে শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছি। তাদের মধ্যে কোন জনের সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন।আর কোন জনকে উচ্চ মর্যাদায় উন্নীত করেছেন। আর আমরা মরিয়ম পুত্র ঈসাকে প্রকাশ্য মুজেযা দান করেছি। আর তাকে পবিত্র আত্মা দ্বারা সাহায্য করেছি।আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে নবিগণের পরবর্তী লোকেরা পরস্পরের সঙ্গে যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু তারা পরস্পর ইখতিলাফ (মতভেদ) করেছিল।তাতে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তারা পরস্পর যুদ্ধ-বিগ্রহে লিপ্ত হতো না। কিন্তু আল্লাহ যা ইচ্ছা তাই করে থাকেন।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৬। দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই। নিশ্চয়ই ভ্রন্তি খেকে সঠিক পথ প্রকাশ হয়েছে। অতএব যে লোক তাগুতের বিরোধিতা করবে এবং আল্লাহর উপর বিশ্বাস স্থাপন করবে সে দৃঢ়তর রজ্জুকে শক্ত করে ধরলো যা কখনো ছিঁড়ে যাবে না এবং আল্লাহ হলেন সর্বশ্রোতা মহাজ্ঞানী।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৫৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৫৭। আল্লাহ হলেন মুমিনদের ওলী। তিনি তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে যান। আর যারা কুফুরী করেছে তাদের আউলিয়া হলো তাগুত। তারা তাদেরকে আলো থেকে অন্ধকারের পথে নিয়ে যায়। তারাই জাহান্নামের অধিবাসী। ওর মধ্যে তারা চিরকাল থাকবে।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২০৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২০৮। হে ঈমানদারগণ! তোমরা পরিপূর্ণভাবে ইসলামে প্রবেশ কর এবং শয়তানের পদাংক অনুসরন করবে না। নিশ্চয়ই সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

* মানব সৃষ্টির উদ্দেশ্য হলো মোত্তাকী হওয়া। আল্লাহর কিতাব মোত্তাকীগণের হেদায়াতের জন্য। মোত্তাকীদের হিদায়াত হলো বিবাদে লিপ্ত না হয়ে আল্লাহর খেলাফতের দায়িত্ব পালন করা। বিবাদের একটি কারণ জবরদস্তি।একদল লোক খলিফা হযরত ওসমানের (রা.) উপর জবরদস্তি করে তাঁকে হত্যা করে কাফের হয়ে যায়। পরবর্তী খলিফা সেইসব কাফেরদেরকে খেলাফতের সেনাবাহিনীতে চাকুরী প্রদান করেন। এ ঘটনার পর পরবর্তী খলিফার সাথে সাহাবায়ে কেরামের (রা.) দু’টি দল যুদ্ধ করে। সেই সব যুদ্ধে তাদের কিছু লোক মুমিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। এ কুফরী বাড়তে থাকায় কারবালায় সাহাবায়ে কেরামের (রা.) শেষ ইমাম হযরত ইমাম হোসেন (রা.) তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা তাদের ইমামের মাথাকেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়। সাহাবায়ে কেরামের (রা.) শেষ ইমাম নিহত হওয়ার পর মুমিনগণ গভীর অন্ধকারে পতিত হয়। তখন মুমিনগণের ওলী আল্লাহ রাসূলের (সা.) মত ব্যবসায় হিকমত প্রাপ্ত ইমাম আবু হানিফার (রা.) মাধ্যমে তাদেরকে অন্ধকার থেকে আলোর পথে নিয়ে আসেন।ইমাম আবু হানিফা (রা.) কোরআনের বিদ্যমাণ অংশ থেকে এর মানসুখ অংশ পৃথক করে পরিপূর্ণ অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করেন। একাজ করিয়ে নেওয়ার জন্য আল্লাহ ইমাম আবু হানিফাকে (র.) একশত বার দিদার প্রদান করেন। বিষয়টি বুঝার জন্য আল্লাহ আমাকেও চারবার দিদার প্রদান করেন।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ
১৪৩। এইভাবে আমি তোমাদিগকে এক মধ্যমপন্থী জাতিরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছি।যাতে তোমরা মানব জাতির জন্য সাক্ষীস্বরূপ এবং রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষীস্বরূপ হতে পারেন।তুমি এ যাবত যে কিবলা অনুসরন করতেছিলে উহা আমরা এ এ উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত করে ছিলাম যাতে আমরা জানতে পারি কে রাসূলের অনুসরন করে আর কে ফিরে যায়? আল্লাহ যাদেরকে সৎপথে পরিচালিত করেছেন তারা ছাড়া অন্যদের নিকট এটা (সৎপথ)কঠিন।তোমাদের ঈমানকে ব্যর্থ করে দিবেন আল্লাহ এমন নন।আল্লাহ মানুষদের প্রতি স্নেহশীল-দয়াদ্র।

* মানব জাতির জন্য সাক্ষীস্বরূপ হতে গেলে মানব জাতি যেথায় থাকে সেথায় থাকা বাধ্যতা মূলক। মানবজাতি সারা বিশ্বে আছে সুতরাং মধ্যমপন্থী জাতি হানাফী কারণ তারা সারাবিশ্বে আছে। রাসূল (সা.) তাঁর কোন উম্মাতের থেকে সারা বিশ্ব থেকে দরূদ পেয়ে থাকেন? উত্তর হলো হানাফী। সুতরাং মধ্যমপন্থী জাতি হিসাবে রাসূল (সা.) হানাফীদের পক্ষে সাক্ষি দিবেন। মুসলিম তিহাত্তর দলের ৭২ দল সারা বিশ্বে থাকে না। সুতরাং সূরাঃ ২ বাকারা, ১৪৩ নং আয়াত তাদেরকে সঠিক প্রমাণ করে না। মুসলিমদের মধ্যে শুধুমাত্র হানাফীদেরকে সূরাঃ ২ বাকারা, ১৪৩ নং আয়াত সঠিক প্রমাণ করায় এবং মুসলিমদেরকে শুধুমাত্র একটি দল সঠিক হওয়ায় তারাই মুসলিমদের মধ্যে সঠিক দল।

সূরাঃ ২ বাকারা, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। হে ঈমানদারগণ! তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা কর। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।

* আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে সারা বিশ্বে থাকার জন্য ধৈর্যশীলদের সারাবিশ্বে রাখেন। মুসলিমদের মধ্যে সারাবিশ্বে হানাফী থাকায় এবং মুসলিমদের অন্য কোন দল সারা বিশ্বে না থাকায় হানাফী ছাড়া মুসলিমদের অন্য কোন দলকে সঠিক মনে করার সংগত কোন কারণ নাই।

সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।

* আল্লাহর বিধানে জীবন যাপনের সহজসাধ্য উপায় অভিন্ন ফিকাহ। অভিন্ন ফিকাহ হলো কোরআনের অভিন্ন বুঝ। রাসূলের (সা.) সময় এটি অলিখিত ছিল।সাহাবা (রা.) সহজেই রাসূল (সা.) থেকে অভিন্ন ফিকাহ সংগ্রহ করতেন। কিন্তু রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পর সাহাবা থেকে অভিন্ন ফিকাহ সংগ্রহ কঠিন ছিল। আবার সাহাবা পরিচয়ে কিছু লোক মোনাফেক থাকায় অভিন্ন ফিকাহ সংগ্রহে প্রতারিত হওয়ার সম্ভাবনা ছিল। এমতাবস্থায় অসাহাবা পাইকারী কাফের হতে থাকে। যার প্রমাণ কারবালা। সাহাবার (রা.) শেষ ইমাম হযরত ইমাম হোসেন (রা.) কারবালায় তাঁর প্রতিপক্ষে কোন মুমিন খুঁজে পাননি। তারা ইমামের মাথা কেটে ইয়াজিদকে উপহার দেয়।এমতাবস্থায় আল্লাহ কারো উপর কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না বিধায় ইমাম আবু হানিফার (র.) মাধ্যমে তিনি অভিন্ন ফিকাহ সংকলনের ব্যবস্থা করেন। পরে আমির হারুনুর রশিদ এটি পরিশোধান করে অনুমোদন করলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম এর অনুসারী হয়। এখনো এ ধারা বিদ্যমাণ আছে। কিছু সংখ্যক লোক অভিন্ন ফিকাহ না মেনে কোরআন-হাদিস মানতে বলে। কিন্তু যারা আরবী জানে না তাদের পক্ষে কোরআন-হাদিসের মানসুখ জেনে কোরআন-হাদিস মানা সম্ভব নয়। এরা মানুষকে অসম্ভবের দিকে পথ দেখায়। সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াত অনুযায়ী তাদের পথ ইসলামের পথ নয়। অন্য যারা ফিকাহ সংকলন করেছে তাদের ফিকাহ আমির অনুমোদীত নয়। তাদের অননুমোদীত ফিকাহ বিভিন্ন পথ দেখায় বিধায় তাদের ফিকাহও ইসলাম নয়। সুতরাং একমাত্র ইসলাম হলো হানাফী অভিন্ন ফিকাহ। কারণ এটি আমির অনুমোদীত অভিন্ন ফিকাহ। যা পালন সম্ভব এবং সহজসাধ্য। সুতরাং এটাই একমাত্র আল্লাহর বিধান।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:৫৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-৩)

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১১০ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১০। তোমরাই মানব জাতির জন্য খাইরা (শ্রেষ্ঠতম) উম্মতরূপে তোমাদের উদ্ভব ঘটানো হয়েছে। তোমরা সৎকাজের আদেশ দিবে এবং অসৎকাজে নিষেধ করবে।আর আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করবে। আর যদি আহলে কিতাব বিশ্বাস স্থাপন করতো তবে অবশ্যই তাদের জন্য ভালো হতো। তাদের মধ্যে কেউ কেউ তো মোমেন। আর তাদের অধিকাংশ ফাসেক।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৩। তোমরা একত্রে আল্লাহর রজ্জু দৃঢ়ভাবে ধর! আর বিচ্ছিন্ন হবে না। তোমাদের প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ স্মরণ কর।যখন তোমরা শত্রু ছিলে তখন তিনি তোমাদের অন্তরে প্রীতি সঞ্চার করেছেন, ফলে তাঁর দয়ায় তোমরা পরস্পর ভাই হয়ে গেলে।তোমরাতো অগ্নি কুন্ডের প্রান্তে ছিলে, আল্লাহ উহা হতে তোমাদেরকে রক্ষা করেছেন। এভাবে আল্লাহ তোমাদের জন্য তাঁর নিদর্শনসমূহ স্পষ্টভাবে বিবৃতকরেন যাতে তোমরা সৎপথ পেতে পার।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট স্পষ্ট নিদর্শন আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১৩৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৩৯। তোমরা হীন বল হবে না এবং দুঃখিত হবে না। তোমরাই বিজয়ী যদি তোমরা মুমিন হও।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৩।নিশ্চয়ই আল্লাহ আদমকে, নূহকে ও ইব্রাহীমের বংশধর এবং ইমরানের বংশধরকে বিশ্বজগতে মনোনীত করেছেন।

সূরাঃ ৩ আলে ইমরান আয়াত নং ৬৭ এর অনুবাদ-
৬৭। ইব্রাহীম ইহুদী ছিলেন না, খ্রিস্টানও ছিলেন না, তিনি ছিলেন ‘হানিফাম মুসলিমা’ বা ‘একনিষ্ঠ মুসলিম’। আর তিনি মুশরিক ছিলেন না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ৭৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৪। তিনি নিজ রহমতের জন্য যাকে ইচ্ছা খাছ (বিশেষ) করে নেন।আর আল্লাহ মহা অনুগ্রহশীল।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ৩১ নং ও ৩২ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩১। আপনি বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস তবে আমাকে অনুসরন কর! তাহলে আল্লাহ তোমাদেরকে ভালোবাসবেন। আর তোমাদের সব পাপ মাফ করবেন। আর আল্লাহ খুবই ক্ষমাশীল দয়াবান।
৩২। আপনি বলুন তোমরা আল্লাহ ও রাসূলের (সা.) অনুগত হও। কিন্তু যদি তারা ফিরে যায়, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফেরদেরকে ভালোবাসেন না।

* মানব জাতির খাইরা (শ্রেষ্ঠতম) উম্মত আল্লাহর আদেশে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং পরস্পর মতভেদ পরিত্যাগ করে। তারা হীনবল হয় না। তারা প্রবল-পরাক্রান্ত হয়। তারা বিজয়ী হয়। আল্লাহ তাদেরকে রাজত্ব/ক্ষমতা প্রদান করেন।তারা ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় মুসলিম বিশ্বের শাসক।তারা ‘হানিফাম মুসলিমা’ বা ‘একনিষ্ঠ মুসলিম’। আল্লাহ তাদেরকে নিজ রহমতের জন্য খাছ (বিশেষ) করে নিয়েছেন।সেজন্য তারা বিশ্ব বিস্তৃত এবং গঠিত হওয়ার সময় থেকে এখন পর্যন্ত তাদের দলে আছে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম। মুসলিম অঞ্চল ও দেশের অধীকাংশ তারা প্রাপ্ত।একসাথে বেশী মুসলিম বসবাসকারী দক্ষিন এশিয়া তাদের। এখানে থাকা হিন্দুস্থানের গজোয়ায়ে হিন্দ তাদের সাথে হয়েছে, হচ্ছে এবং হবে। মুসলিমদের একমাত্র পরমাণু শক্তিধর রাষ্ট্র পাকিস্তানের অবস্থান হিন্দুস্থান অঞ্চলে। গজোয়ায়ে হিন্দে তাদের জয়ী হওয়ার কথা রয়েছে। ইদানিং তারা একটি যুদ্ধে জয়ী হয়েছে। হিন্দুস্থানের যুদ্ধে জয়ী দলকে রাসূল (সা.) নাজাত প্রাপ্ত দল বলেছেন। তিনি নাজাত প্রাপ্ত একটি দলের কথা বলেছেন। সুতরাং গজোয়ায়ে হিন্দ অনুযায়ী সেই একটি দল হানাফী। তারা রাসূলের (সা.) অনুসারী। রাসূল (সা.) অভিন্ন ফিকাহ মানতেন। হানাফীরাও অভিন্ন ফিকাহ মানে। অভিন্ন ফিকাহ হলো কোরআনের অভিন্ন বুঝ। কোরআনের বিভিন্ন বুঝে মতভেদ হয় এবং ঐক্য নষ্ট হয়। সুতরাং কোরআনের অভিন্ন বুঝ হলো ইসলাম এবং কোরআনের বিভিন্ন বুঝ ইসলাম নয়। ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আব্বাসীয় হানাফী প্রায় সাতশত বছর বিশ্ব শাসন করেছে। মুসলিমদের তিহাত্তর দলের আর কোন দল বিশ্ব শাসক নয়। অমুসলিমদের কোন দলও সাতশত বছর বিশ্ব শাসন করেনি।আমেরিকা বিশ্ব শাসক হতে গিয়ে ভিয়েত নামে হেরেছে, আফগানিস্তানে হেরেছে। সবাই তাদেরকে মানে না। বৃটিশ বিশ্ব শাসন ছিল দুইশত বছর। সুতরাং হানাফীরাই মানব জাতির খাইরা (শ্রেষ্ঠতম) উম্মত। সংগত কারণে মুসলিম তিহাত্তর দলের মধ্যে শুধুমাত্র তারা সঠিক। তাদের সাথে মতভেদকারী কোন দল সঠিক নয়। হানাফীদের সাথে মতভেদকারী দলের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। আর সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম।মুসলিমদের সাথে বিভেদ সৃষ্টির দায়ে হানাফীদের সাথে মতভেদকারীদের জন্য জাহান্নামই উপযুক্ত স্থান।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.