| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
মহাজাগতিক চিন্তা
একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।
সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।
সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।
সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।
সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।
সূরাঃ ৫৩ নাজম, ৩ নং ও ৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩। আর সে মনগড়া কথা বলে না।
৪। এটাতো ওহি যা তার প্রতি ওহি হিসেবেই পাঠানো হয়।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৮৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮৬। আল্লাহ কারো উপর এমন কোন কষ্ট দায়ক দায়িত্ব অর্পণ করেন না যা তার সাধ্যাতীত।সে ভাল যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। সে মন্দ যা উপার্জন করে তার প্রতিফল তার। হে আমাদের প্রতিপালক যদি আমরা ভুলে যাই অথবা আমাদের ত্রুটি হয় তবে আমাদেরকে পাকড়াও করো না। হে আমাদের প্রতিপালক আমাদের পূর্ববর্তিগণের উপর যেমন গুরু দায়িত্ব অর্পণ করেছিলে আমাদের উপর তেমন দায়িত্ব অর্পণ করবেন না।হে আমাদের প্রতিপালক এমন ভার আমাদের উপর অর্পণ করবেন না যা বহন করার শক্তি আমাদের নেই।আমাদের পাপ মোছন করুন, আমাদেরকে ক্ষমা করুন, আমাদের প্রতি দয়া করুন, আপনিই আমাদের অভিভাবক। সুতরাং কাফির সম্প্রদায়ের উপর আমাদেরকে জয়যুক্ত করুন।
* অভিন্ন ফিকাহের গরমিল হাদিস আল্লাহর সুন্নাতে গৃহিত নয়।আল্লাহর পূর্ব বিধান রাসূলের (সা.)প্রতি ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের বিধানের কারণে আল্লাহর সুন্নাতের গরমিল হাদিসের কারণে রাসূল (সা.) ক্ষমাপ্রাপ্ত তবে এমন হাদিস প্রচারযোগ্য নয়।সাধারণত রাসূলের (সা.) সবকাজ ওহী ভিত্তিক প্রচারিত। তবে ত্রুটির কারণে আল্লাহর পক্ষ হতে তাঁর কাজের সমালোচনা দেখা যায়। যে ক্ষেত্রে আল্লাহ রাসূলের (সা.) কাজের সমালোচনা করেছেন সে ক্ষেত্রে রাসূলের (সা.) সুন্নাত বাদ দিয়ে আল্লাহর সুন্নাতের বাস্তবায়ন করা হবে। এ বিধান অনুযায়ী শত্রুকে দয়া না দেখিয়ে প্রয়োজনে তাদেরকে পাইকারী হত্যা করতে হবে।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।
সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।
সূরাঃ ৪ নিসা, ৫৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৫৯। হে মুমিনগণ! যদি তোমরা আল্লাহ ও আখিরাতে বিশ্বাস কর তবে তোমরা (ইতায়াত) আনুগত্য কর আল্লাহর, আর (ইতায়াত) আনুগত্য কর রাসুলের, আর যারা তোমাদের মধ্যে আমির।কোন বিষয়ে তোমাদের মধ্যে বিরোধ দেখাদিলে উহা উপস্থাপিত কর আল্লাহ ও রাসুলের নিকট। ওটা উত্তম এবং পরিনামে ভাল।
সূরাঃ ৪২ শূরা, ৩৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩৮।যারা তাদের রবের ডাকে সাড়া দেয়। সালাত কায়েম করে। নিজেদের মধ্যে শুরার (পরামর্শের) মাধ্যমে নিজেদের কাজ সম্পাদন করে। আর আমরা তাদেরকে যে রিযিক দিয়েছি তা’ হতে ব্যয় করে।
* ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে মোনাফেক কর্তৃক মিথ্যাহাদিস প্রচারের সম্ভাবনা থাকায় এবং আমির ও শুরার মান্যতার বাধ্যবাধকতা থাকায় শুরার পরিশোধন ও আমিরের অনুমোদনের পর হাদিস প্রচারের অনুমতি দেওয়া জরুরী ছিল। এ পদ্ধতিতে যে রাবীর নিকট যতগুলো হাদিস ছিল তিনি সেগুলো লিপিবদ্ধ করে আমিরের দরবারে পেশ করলে আমিরের শুরা সেগুলো পরিশোধন করে আমিরের অনুমোদন নিয়ে রাবীকে অনুমোদীত হাদিস প্রচারের অনুমতি দিলে তারপর রাবীর সেসব হাদিস প্রচার করা সংগত ছিল। আমির অনুমোদীত হাদিস সমূহের কপি সংরক্ষণ করে হাদিস সংকলন করে সারা বিশ্বের ইমাম গণের নিকট জনগণের শিক্ষার জন্য পাঠালে মিথ্যা হাদিস থেকে মুসলিম জনতা রক্ষা পেত।হাদিস পাঁচকান হওয়ার পর লোকেরা যে সব হাদিস সংকলন প্রচার করেছে তাতে বহু অসংগতি আছে। একজন বলল ওমুক হাদিস ইমাম বোখারী (র.) সহিহ বলেছেন। আমি বললাম তাঁকে কে সহিহ বলেছে? সে বলল তাঁর সহিহ হওয়া বিষয়ে ইজমা আছে। আমি বললাম তাহলে তাঁর হাদিসের বিপরীতে মাযহাব কেন মানা হয়? এর দ্বারা বুঝাগেল বাস্তবে তাঁর সহিহ হওয়া বিষয়ে কোন ইজমা নাই। সেজন্য লোকেরা লা মাযহাবী না হয়ে প্রায় সবাই মাযহাবী হয়ে বসে আছে। এ সমস্যার সমাধান কি?
সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং থেকে ৪ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমাত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।
৩। আর তাদের আখারিনের (অন্যান্য) জন্যও যারা এখনো তাদের সহিত মিলিত হয়নি। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৪। ওটা আল্লাহরই অনুগ্রহ, যাকে ইচ্ছা তিনি ওটা দান করেন। আর আল্লাহ তো মহা অনুগ্রহশীল।
সূরাঃ ২৫ ফুরকান, ৭৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
৭৪। আর যারা প্রার্থনা করে, হে আমাদের প্রতি পালক! আমাদের জন্য এমন স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততি দান কর যারা হবে আমাদের জন্য নয়ন প্রীতিকর এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্য ইমাম কর।
* মোত্তাকীদের ইমামের নেতৃত্বে গঠিত আখারিনের শুরায় সংকলিত আমিরের শুরায় পরিশোধীত এবং আমির অনুমোদীত অভিন্ন ফিকাহ মানা হলো হাদিস সংক্রান্ত সমস্যার সমাধান। তারমানে উক্ত অভিন্ন ফিকাহের গরমিল হাদিস তখন মান্যতার বাইরে চলে যাবে।
সূরাঃ ২ বাকারা, ২৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬৯। তিনি যাকে ইচ্ছা হিকমাত দান করেন। আর যাকে হিকমাত দান করা হয় এর ফলে সে নিশ্চয়ই প্রচুর কল্যাণ লাভ করে।মূলত জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছাড়া কেউই বুঝতে পারে না।
* রাসূল (সা.) দম্পতি ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্ত ছিলেন। তাঁরা হলেন জান্নাতের রাজা-রানী। সেই ব্যবসায় হিকমাত প্রাপ্ত মোত্তাকীদের ইমাম আবু হানিফা (র.) আখারিনের শুরার মাধ্যমে অভিন্ন ফিকাহ সংকলন করেন। আখারিন হলেন তাবে তাবেঈনগণের শুরা যারা সাহাবায়ে কেরামের (রা.) সাথে মিলিত হননি। কিন্তু তাঁদের অবস্থান সাহাবা (রা.) যুগের সবচেয়ে নিকটবর্তী।এমন শুরার প্রধান সদস্য ছিলেন ইমাম আবু ইউসুফ (র.) যিনি ছিলেন খেলাফতের প্রধান বিচারপতি। তাঁর নেতৃত্বে আখারিনের শুরায় সংকলিত অভিন্ন ফিকাহ পরিশোধীত হয়। যখন তাঁদের সাথে তাবেঈ ইমাম আবু হানিফা (র.) ছিলেন না।
সূরাঃ ২ বাকারা, ১২৪ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২৪। আর যখন তোমার প্রতিপালক ইব্রাহীমকে কয়েকটি বাক্য (কালিমাত) দ্বারা পরীক্ষা করেছিলেন, পরে সে তা পূর্ণ করেছিল; তিনি বললেন নিশ্চয়ই আমি তোমাকে মানব জাতির ইমাম বানাব; সে বলেছিল আমার বংশধরগণ হতেও; তিনি বলেছিলেন, আমার প্রতিশ্রুতি জালেমদের প্রতি প্রযোজ্য হবে না।
সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ৩২ নং ও ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩২। হে নবী পত্নিগণ! তোমরা অন্য নারীদের মত নও। যদি তোমরা আল্লাহকে ভয় কর তবে পর পুরুষের সহিত কোমল কন্ঠে এমনভাবে কথা বলবে না, যাতে অন্তরে যার ব্যাধী আছে, সে প্রলুব্ধ হয়। আর তোমরা ন্যায় সঙ্গত কথা বলবে।
৩৩। আর তোমরা নিজগৃহে অবস্থান করবে এবং প্রচীন যুগের মত নিজদিগকে প্রদর্শন করে বেড়াবে না।তোমরা সালাত কায়েম করবে ও যাকাত প্রদান করবে। আর আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের অনুগত থাকবে। হে আহলে বাইত (নবি পরিবার)! নিশ্চয়ই আল্লাহ চান তোমাদের থেকে অপবিত্রতা দূর করতে এবং তোমাদেরকে সম্পূর্ণরূপে পবিত্র করতে।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
* ইমাম আবু ইউসুফের (র.) শুরায় পরিশোধীত অভিন্ন ফিকাহ ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আব্বাসীয় আহলে বাইত সবচেয়ে পরাক্রান্ত আমির খলিফা হারুনুর রশিদ কর্তৃক হানাফী মাযহাব নামে অনুমোদীত হলে দুই তৃতীয়াংশ মুসলিম কর্তৃক তা গৃহিত হয়ে এখনো অব্যাহত আছে।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ২৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৬। বল হে সার্বভৈৗম শক্তির (রাজত্বের) মালিক আল্লাহ! তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) প্রদান কর এবং যার থেকে ইচ্ছা ক্ষমতা (রাজত্ব) কেড়ে নাও। তুমি যাকে ইচ্ছা ইজ্জত দান কর, আর যাকে ইচ্ছা বেইজ্জতি কর।তোমার হাতেই মঙ্গল।নিশ্চয়ই তুমি সকল বিষয়ে সর্বশক্তিমান।
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১৩৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৩৯। তোমরা হীন বল হবে না এবং দুঃখিত হবে না। তোমরাই বিজয়ী যদি তোমরা মুমিন হও।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬০ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬০। তোমরা তাদের মোকাবেলার জন্য যথাসাধ্য শক্তি ও অশ্ব-বাহিনী প্রস্তত রাখবে। এর দ্বারা তোমরা সন্ত্রস্ত রাখবে আল্লাহর শত্রুকে, তোমাদের শত্রুকে, এছাড়া অন্যদেরকে যাদের সম্পর্কে তোমরা জাননা, আল্লাহ জানেন।আল্লাহর পথে তোমরা যা ব্যয় করবে এর পূর্ণ প্রতিদান তোমাদেরকে দেওয়া হবে এবং তোমাদের প্রতি জুলুম করা হবে না।
সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৫ ও ৬৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৫। হে নবি! মু’মিন দিগকে যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ কর। তোমাদের মধ্যে কুড়িজন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজনের উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে একশত জন থাকলে এক হাজার কাফিরের উপর জয়ী হবে।কারণ তারা বোধশক্তিহীন সম্প্রদায়।
৬৬। আল্লাহ এখন তোমাদের ভার লাঘব করলেন।তিনিতো অবগত আছেন যে তোমাদের মধ্যে দূর্বলতা আছে।সুতরাং তোমাদের মধ্যে একশত জন ধৈর্যশীল থাকলে তারা দুইশতজন উপর বিজয়ী হবে।তোমাদের মধ্যে এক হাজার থাকলে আল্লাহর অনুমতিক্রমে তারা দুই হাজারের উপর বিজয়ী হবে।আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সাথে রয়েছেন।
* হানাফীদেরকে আল্লাহ একাধারে এগারশ বছর মুসলিম বিশ্বের রাজত্ব প্রদান করেন। আর কোন পক্ষকে আল্লাহ এমন দীর্ঘ রাজত্ব প্রদান করেননি। মুসলিমদের অধীকাংশ অঞ্চল ও রাষ্ট্র হানাফীদের। নিজের শত্রুতে সন্ত্রস্ত রাখার পরমাণু অস্ত্র তাদের পাকিস্তানের আছে। ইদানিং ভারতের সাথে যুদ্ধে তারা জয়ী হয়েছে। তাদের আফগানরা আমেরিকা, রাশিয়া, ন্যাটো ও ইংল্যান্ডের সাথে জয়ী হয়েছে।গঠিত হওয়ার পর তারা কখনও হীনবল হয়নি।মুসলিমদের মধ্যে একমাত্র তারা বিশ্ববিস্তৃত। বিশ্বের এক তৃতীয়াংশ জনবল হওয়ার দৌড়ে তারা সবচেয়ে বেশী এগিয়ে।অভিন্ন ফিকাহ সূত্রে রাসূলের (সা.) সাথে তাদের সংযোগ রয়েছে। সুতরাং শুদ্ধতার সকল সূত্রে হানাফী সঠিক। অন্যদের সমস্যা তাদের কিছুই ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আহলে বাইত বিশ্ব ইমাম আমির কর্তৃক অনুমোদীত নয়। হানাফী ফিকাহ (মাযহাব) ছাড়া অন্য মাযহাব, লা-মাযহাব, কোন তাফসির ও হাদিস সংকলন ইব্রাহীম (আ.) বংশিয় আহলে বাইত বিশ্ব ইমাম আমির কর্তৃক অনুমোদীত নয়। আর রাসূলের (সা.) পর আমিরের মান্যতার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।
সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?
সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।
সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।
* হাদিসের কি হাল হবে সেটা আল্লাহ জানতেন সেজন্য তিনি অভিন্ন ফিকাহের পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিলের বিধান রেখেছেন। সুতরাং আমির অনুমোদীত আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের সাথে যারা মতভেদে লিপ্ত তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। তাদের সে মহাশাস্তি হলো জাহান্নাম। তবে কারো প্রতি আল্লাহর দয়া হলে তিনি মৃত্যুকালে তার কালেমা নসিব করে তাকে জান্নাতবাসী করবেন। নতুবা আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহের সাথে মতভেদ কারীর জান্নাত লাভের কোন পথ নাই।
©somewhere in net ltd.