নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি ঘুরতে ভালোবাসি। আমি খুব নেট পাগল। আমি নবম শ্রেণী থেকে অনার্স পযর্ন্ত নানী বাড়িতে ছিলাম।

নাহল তরকারি

আমি ধার্মিক। আমি সব কিছু ধর্মগ্রন্থ অনুযায়ী বিচার বিশ্রেশণ করি। আমি সামাজিক রীতিনীতি, সমাজিক কু সংস্কার, আবেগ দিয়ে কোন কিছু বিচার করি না।

নাহল তরকারি › বিস্তারিত পোস্টঃ

হে পহেলা বৈশাখ।

১৩ ই এপ্রিল, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৩

পহেলা বৈশাখ আসলে আগের মত আনন্দ জাগে না। যখন ছোট ছিলাম, তখন খুব ভালো লাগতো। মনে করেন ইন্টার পাশ করার পর থেকে কোন উৎসবে তেমন আনন্দঘন মনে হয় না। পহেলা বৈশাখ সবচেয়ে আনন্দঘন হয়েছিলো আমি যখন ক্লাস নাইনে পড়তাম। তখন ২০০৯ সাল। আমাদের ভবেরচর বাজারে জিলাপী বেচে। তখন এই জিলাপী আমার কাছে খুব মজা লেগেছিলো। পহেলা বৈশাখের পরের দিন কালিতলায় বৈশাখী মেলা হয়।

২০১০ সালেও বেশ মজা হয়। ২০১২ সালে আমি ইন্টার সেকেন্ড ইয়ারে পড়ি। আমরা বন্ধুরা জিলাপী খাই। ঘুরতে যাই। পরের দিন মেলায় যাই। ২০১৩ সালে আমাদের ইন্টার পরীক্ষা হয়। যার কারনে তেমন মজা করতে পারি নাই। কিন্তু সে বার আমি পরীক্ষায় ফেইল করি। এর পর থেকে কোন উৎসবে তেমন মজা লাগে না।

পহেল বৈশাখ হারাম নাকি হালাল। এটা নিয়ে তর্কে যাবো না। এটা আপনারা জানেন।

পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে যে পান্তা ইলিশ খেতেই হবে এমন কোন প্রথা আমি মানি নাই। বরং আমি পরোটা, রুটি বা গরম ভাত দিয়ে সকালে নাস্তা করেছি। দুপরে হয়তো নানী ভালো মন্দ রান্না করেছিলো। খেয়েছি। পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে যে বিশেষ পোষাক পরিধান করা, বা বিশেষ সাজ করিতে হবে, এগুলো আমি করি নাই। আমার আবার এত বাহ্যিক চাকচিক্য ভালো লাগে না। আমরা জাস্ট ফ্রেন্ডরা মিলে ঘুরেছি মাত্র। অতি রজ্ঞিত কিছু করি নাই। অনেকের কার্যকলাপ আমার কাছে অতিরজ্ঞিত মনে হয়।

মুসলিমদের একটি বেসিক বিশ্বাস হচ্ছে ইবাদত করার সময়, আল্লাহ কে ছাড়া আর কাউকে সৃষ্টিকর্তা মানা যাবে না। মহাবিশ্বের সকল শক্তির উৎস এই আল্লাহ। ইবাদত তাকেই করতে হবে। কোন কিছু চাইলে, তার কাছেই চাইতে হবে। এটা হচ্ছে বেসিক নিয়ম। অনেক ‍মুসলিম ফজর নামজ পড়তে পারেন না। আল্লাহর এই আদেশ পালনে অনেক মুসলিম ফেইল, এটা অন্য হিসা্ব। মুসলিম চায় যে, ভুল ক্রমেও যেন আল্লাহর সাথে যাতে অন্য কারো শীরক না হয়।

আনন্দ শোভা যাত্র বা মঙ্গল শোভা যাত্রায় পেচা, ময়ূর, বক, হাতি সহ অনেক প্রতীক নিয়ে মঙ্গল শোভা যাত্রা অনুষ্ঠিত হয়। মুসলিমরা এসব কে শিকরের একটি উপাদান মনে করে। আপনাদের উচিৎ মুসলিমদের এই বিশ্বাস কে সম্মান দেখানো।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২৬ রাত ৮:০১

রূপক বিধৌত সাধু বলেছেন: ছোটবেলার পয়লা বৈশাখ সবচেয়ে আনন্দের ছিল। মেলা হতো এলাকায়, কত অনুষ্ঠান হতো। এখন আমাদের গ্রামে কিছুই হয় না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.