নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

মানব মঙ্গল আমার একান্ত কাম্য

মহাজাগতিক চিন্তা

একদা সনেট কবি ছিলাম, ফরিদ আহমদ চৌধুরী ছিলাম, এখন সব হারিয়ে মহাচিন্তায় মহাজাগতিক চিন্তা হয়েছি। ভালবাসা চাই ব্লগারদের, দোয়া চাই মডুর।

মহাজাগতিক চিন্তা › বিস্তারিত পোস্টঃ

রাসূলের (সা.) অনুসারি হবেন শুধুমাত্র সাহাবা (রা.), অন্যরা এবং ওলামা ওলামার অনুসারি হবেন

১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ১:৪০




সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ২৮ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৮। এভাবে রং বেরং- এর মানুষ, জন্তু ও আন’আম রয়েছে। নিশ্চয়ই আল্লাহর বান্দাদের মধ্যে (ওলামা) আলেমরাই তাঁকে ভয় করে।নিশ্চয়্ই আল্লাহ পরাক্রমশালী ক্ষমাশীল।

সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬। এগুলি আল্লাহর আয়াত, যা আমি তোমার নিকট যথাযথভাবে তিলাওয়াত করছি। সুতরাং আল্লাহর এবং তাঁর আয়াতের পরিবর্তে তারা কোন হাদিসে বিশ্বাস করবে?

* রাসূলের (সা.) সম্পদ এলেমের ওয়ারিশ ওলামা। ইন্তেকালের পর সম্পদের মালিক ওয়ারিশ বিধায় কোরআন অনুযায়ী রাসূলের (সা.) ইন্তেকালের পর তাঁর ওয়ারিশ ওলামার মান্যতা সব্যস্ত হয়ে রাসূলের (সা.) হাদিসের মান্যতা বাতিল হবে। সুতরাং সেই হাদিসের মান্যতা সাব্যস্ত হবে যেই হাদিস ওলামার আমলে পাওয়া যাবে এবং সেই হাদিসের মান্যতা সাব্যস্ত হবে ওলামার আমল হিসাবে।সুতরাং ওলামার আমলে না থাকা হাদিস বাতিল সাব্যস্ত হবে।সাবা অনুসারী হবেন রাসূলের (সা.)। কারণ তাঁদের ক্ষেত্রে রাসুলের (সা.) অনুসরনে আল্লাহর আদেশ আছে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০১। মরুবাসীদের মধ্যে যারা তোমাদের আশেপাশে আছে তাদের কেউ কেউ মুনাফিক। মদীনাবাসীদের মধ্যেও কেউ কেউ মোনাফেকী রোগে আক্রান্ত। তুমি তাদের সম্পর্কে জান না। আমরা তাদের সম্পর্কে জানি।আমারা সিগ্র তাদেরকে দু’বার শাস্তি দেব। এরপর তারা মহা শাস্তির দিকে যাত্রা করবে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১০৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৭। আর যারা মসজিদ নির্মাণ করেছে ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এবং ইতিপূর্বে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের বিরুদ্ধে যে সংগ্রাম করেছে তার গোপন ঘাঁটি হিসেবে ব্যবহারের জন্য, তারা শপথ করেই বলবে তারা ভাল কিছু করার জন্যই ওটা করেছে; আর আল্লাহ সাক্ষি দিচ্ছেন নিশ্চয়ই তারা মিথ্যাবাদী।

সূরাঃ ৩৩ আহযাব, ১ নং আয়াতের অনুবাদ-
১। হে নবি! আল্লাহকে ভয় কর এবং কাফিরদের ও মুনাফিকদের আনুগত্য করবে না। আল্লাহ তো সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়।

* রাসূলের (সা.) অনুসরন বন্ধ হয়ে ওলামার অনুসরন চালু হওয়ার কারণ সাহাবা পরিচয়ে থাকা মোনাফেকের ক্ষতি সাধন, কুফুরী ও মুমিনদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টির উদ্দেশ্যে নিজের কথাকে রাসূলের (সা.) হাদিস হিসাবে প্রচার করা।সুতরাং আল্লাহর আদেশে মুনাফিকদের আনুগত্য করা থেকে আত্মরক্ষায় সাহাবা (রা.) ছাড়া অন্যরা রাসূলের অনুসরন ছেড়ে তাঁর ওয়ারিশ ওলামার অনুসারি হবেন। ওলামাও একই কারণে ওলামার অনুসারি হবেন।

সূরাঃ ২ বাকারা,৩১ নং থেকে ৩৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৩১। আর তিনি আদমেকে (আ.) সব জিনিসের নাম শিখালেন। তারপর সেগুলো ফেরেশতাদের সামনে হাজির করলেন। তারপর বললেন, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে আমাকে এসব বস্তুর নাম বলে দাও।
৩২। তারা বলেছিলো, আপনি মহান পবিত্রময়। আপনি আমাদেরকে যা শিক্ষা দিয়েছেন এর বাইরে আমাদের কোন জ্ঞান নেই। নিশ্চয়ই আপনি সর্ব জ্ঞানী, মহাকৌশলী।
৩৩। তিনি বললেন হে আদম! তুমি তাদেরকে ঐসবের নাম বলে দাও!এরপর যখন সে তাদেরকে ঐগুলোর নাম বলে দিলো, তখন তিনি (আল্লাহ) বললেন, আমি কি তোমাদেরকে বলিনি যে, নিশ্চয়ই আমি আকাশ ও পৃথিবীর অদৃশ্য বিষয় সম্পর্কে জানি। আর তোমরা যা প্রকাশ কর এবং যা গোপন কর আমি তাও জানি।

সূরাঃ ৭ আ’রাফ, ১৯ নং থেকে ২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৯। হে আদম! তুমি ও তোমার স্ত্রী জান্নাতে বসবাস কর।আর যা খুশী খাও। আর এ গাছের কাছে যেও না।তাহলে তোমরা যালিমদের মধ্যে গণ্য হবে।
২০। অতঃপর তাদের লজ্জাস্থান যা তাদের নিকট গোপন রাথা হয়েছিল তা’ তাদের কাছে প্রকাশ করার জন্য শয়তান তাদেরকে কুমন্ত্রণা দিল। আর সে বলল, তোমরা না আবার ফেরেশতা হয়ে যাও, অথবা এখানে স্থায়ী হয়ে যাও সেজন্য তোমাদের রব এ গাছ সম্বন্ধে তোমাদেরকে নিষেধ করেছেন।
২১। সে তাদের নিকট কসম করে বলল, আমিতো তোমাদের নছিহতকারীদের একজন।
২২। এভাবে সে তাদেরকে ধোকা দিয়ে নীচু করল।তৎপর যখন তারা সে বৃক্ষফলের মজা গ্রহণ করল তখন তাদের লজ্জাস্থান তাদের নিকট প্রকাশ হয়ে পড়ল।আর তারা নিজেদেরকে জান্নাতের পাতা দ্বারা আবৃত করতে লাগল।তখন তাদের রব তাদেরকে ডেকে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এ গাছের কাছে যেতে মানা করিনি? আর আমি কি বলিনি যে শয়তান তোমাদের প্রকাশ্য দুশমন?

* ওলামা ছেড়ে বড় আলেমের অনুসরনও সঠিক নয়। কারণ আল্লাহ প্রশিক্ষিত বড় আলেম হলেন হযরত আদম (আ.)। তিনিও শয়তানের ধোকায় পড়েছিলেন।

সূরাঃ ৬২ জুমুআ, ২ নং আয়াতের অনুবাদ।
২। তিনিই উম্মীদের মধ্যে একজন রাসুল পাঠিয়েছেন তাদের মধ্য হতে, যে তাদের নিকট আবৃত করে তাঁর আয়াত সমূহ; তাদেরকে পবিত্র করে এবং শিক্ষা দেয় কিতাব ও হিকমত; এর আগে তো এরা ছিল ঘোর বিভ্রান্তিতে।

সূরাঃ ৯ তাওবা, ১১৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
১১৯। হে মুমিনগণ! আল্লাহকে ভয় কর এবং সাদেকীনদের (সত্যবাদী) সাথে থাক।

* রাসূল (সা.) প্রশিক্ষিত ওলামা বড় আলেম হযরত আলীকে (রা.) বাদ দিয়ে আল্লাহর আদেশে সত্যবাদী হযরত আবু বকরকে (রা.) খলিফা নির্বাচীত করে।সূরা: ৪৫ জাছিয়া, ৬ নং আয়াত অনুযায়ী বাতিল হাদিস হিসাবে গাদিরখুমের হাদিস আমলযোগ্য ছিল না। কারণ ইন্তেকালের পর ওয়ারিশের মালিকানার বাইরে রাসূল (সা.) তাঁর এলেমের মালিক ছিলেন না। ওয়ারিশ তাদের মালিকানার কোন সম্পদ কোন কাজে লাগোবে সেটা তাদের বিষয়। এক্ষেত্রে তাঁদের বিরোধী হয়ে গাদির খুমের হাদিসের মান্যতা সঠিক নয়।

সূরাঃ ৮ আনফাল, ৬৭ থেকে ৬৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭।দেশে ব্যাপকভাবে শত্রুকে পরাভূত না করা পর্যন্ত বন্দী রাখা কোন নবির উচিত নয়। তোমরা পার্থিব সম্পদ কামনা কর। আল্লাহ চান পরকালের কল্যাণ। আল্লাহ পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময়।
৬৮। আল্লাহর পূর্ব বিধান না থাকলে তোমরা যা গ্রহণ করেছ সেজন্য তোমরা মহাশাস্তিতে আক্রান্ত হতে।
৬৯। যুদ্ধে যা লাভ করেছ তা’ বৈধ ও উত্তম বলে ভোগ কর। আর আল্লাহকে ভয় কর, আল্লাহ ক্ষমাশীল, দয়ালু।

সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি তাদেরকে রুকু ও সিজদায় অবনত দেখবে।তাদের লক্ষণ তাদের মুখমন্ডলে সিজদার প্রভাব পরিস্ফুট থাকবে: তওরাতে তাদের বর্ণনা এরূপ এবং ইঞ্জিলেও তাদের বর্ণনা এরূপই। তাদের দৃষ্টান্ত একটি চারা গাছ, যা থেকে নির্গত হয় নতুন পাতা, অতঃপর ইহা শক্ত ও পুষ্ট হয় এবং পরে কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে যা চাষীদের জন্য আনন্দ দায়ক। এভাবে মুমিনদের সমৃদ্ধি দ্বারা আল্লাহ কাফিরদের অন্তর্জালা সৃষ্টি করেন। যারা ঈমান আনে ও সৎকর্ম করে আল্লাহ তাদেরকে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের।

সূরাঃ ৫ মায়িদা, ৬৭ নং আয়াতের অনুবাদ-
৬৭। হে রাসূল! তোমার রবের নিকট থেকে তোমার প্রতি যা নাযিল হয়েছে তা’ প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি তাঁর রেসালাত প্রচার করলে না। আল্লাহ তোমাকে মানুষ হতে রক্ষা করবেন। নিশ্চয়ই আল্লাহ কাফির সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না।

সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে। তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে।

সূরাঃ ৬ আনআম, আয়াত নং ১৫৯ এর অনুবাদ-
১৫৯। যারা দ্বীন সম্বন্ধে নানা মতের সৃষ্টি করেছে এবং বিভিন্ন শিয়ায় (দল) বিভক্ত হয়েছে তাদের কোন দায়িত্ব তোমার নয়। তাদের ব্যবস্থ্যা করার দায়িত্ব আল্লাহর।আল্লাহ তাদেরকে তাদের কাজ সম্পর্কে জানিয়ে দিবেন।

* ঐচ্ছিক ক্ষেত্রে রাসূলের (সা.) অনুচিত কাজের সাক্ষি আল্লাহ নিজেই। তবে আল্লাহর পূর্ব বিধান রাসূলের (সা.) প্রতি ক্ষমার কারণে এক্ষেত্রে তাঁর দোষ ধারা হারাম। একই সাথে রাসূলের (সা.) অনুচিত কাজের অনুসারি না হওয়াও আল্লাহর বিধান। আল্লাহ রাসূলকে (সা.) মাওলার দায়িত্ব প্রদান করেছেন চল্লিশ বছর বয়সে। রাসূল (সা.) হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলেছেন তেত্রিশ বছরে। সেজন্য সাহাবায়ে কেরাম (রা.) হাদিসটির আমল ও এবিষয়ে রাসূলের (সা.) দোষ ধরা পরিত্যাগ করেছেন। কিন্তু তাঁদের সাথে মতভেদে লিপ্ত হওয়ায় হযরত আলী (রা.), তাঁর আহলে বাইত ও তাদের সমর্থরা আল্লাহর নিরাপত্তার বাইরে চলে যান। আল্লাহ তাঁদের হত্যাকান্ডের ব্যবস্থা করেন। ইদানিং হযরত আলীর (রা.) আহলে বাইত আলী খামেনী নিহত হন।

সূরাঃ ৩৫ ফাতির, ৪৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৪৩। পৃথিবীতে অহংকার প্রকাশ এবং কূট ষড়যন্ত্রের কারণে (অকল্যাণ)।কূট ষড়যন্ত্র এর আহলকে(এর সাথে সংযুক্ত সকল ব্যক্তি) পরিবেষ্ঠন করে। তবে কি এরা অপেক্ষা করছে পূর্ববর্তীদের সুন্নতের? কিন্তু তুমি আল্লাহর সুন্নাতে কখনও কোন পরিবর্তন পাবে না এবং আল্লাহর সুন্নতে কোন ব্যতিক্রমও দেখবে না।

সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতাম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে তাঁর পথ হতে বিচ্ছিন্ন করবে। এভাবে আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিলেন যেন তোমরা সাবধান হও।

সূরা: ৯ তাওবা, ১২২ নং আয়াতের অনুবাদ-
১২২। আর মু’মিনদের এটাও উচিৎ নয় যে (জিহাদের জন্য) সবাই একত্রে বের হয়ে পড়বে। সুতরাং এমন কেন করা হয় না যে, তাদের প্রত্যেক বড় দল হতে এক একটি ছোট দল (জিহাদে) বের হয় যাতে অবশিষ্ট লোক ফিকাহ (দীনের গভীর জ্ঞান) অর্জন করতে থাকে। আর যাতে তারা নিজ কওমকে ভয় প্রদর্শন করে, যাতে তারা সাবধান হয়।

সূরাঃ ২, বাকারা। ১০৬ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৬। আমরা কোন আয়াত মানসুখ বা রহিত করলে অথবা ভুলে যেতে দিলে তা’হতে উত্তম বা তার সমতুল্য কোন আয়াত আমরা প্রদান করে থাকি।তুমি কি জান না যে আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান।

সূরাঃ ৪ নিসা, আয়াত নং ১১৫ এর অনুবাদ-
১১৫। কারো নিকট সৎপথ প্রকাশ হওয়ার পর সে যদি রাসুলের বিরুদ্ধাচরণ করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতিত অন্যপথ অনুসরন করে, তবে সে যে দিকে ফিরে যায় সে দিকেই তাকে ফিরিয়ে দেব এবং জাহান্নামে তাকে দগ্ধ করব, আর উহা কত মন্দ আবাস।

* আল্লাহর সুন্নাত অভিন্ন ফিকাহ আল্লাহর বিধান। এর পরিবর্তে আয়াত মানসুখ ও হাদিস বাতিল।যারা এরসাথে মতভেদে লিপ্ত হয় তাদের জন্য মহাশাস্তি রয়েছে। তাদের সে মহাশাস্তি জাহান্নাম।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ১১ ই জুন, ২০২৬ রাত ২:৩২

স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: একজন ব্লগার ইতিহাসের পাতা থেকে লিখেছেন
এ বিষয়ে সত্যতা কতটুকু ???

.......................................................................
সবচেয়ে কলঙ্কজনক বিষয় হলো—মদিনার শত শত কুমারী সাহাবী কন্যাদের ওপর চালানো হয়েছিল পাশবিক ধর্ষণ। বলা হয়, সেই ঘটনার পর মদিনায় এমন অনেক শিশুর জন্ম হয়েছিল যাদের পিতৃপরিচয় ছিল অজ্ঞাত। হাজার হাজার সাহাবী ও আনসারদের নির্বিচারে হত্যা করা হয়েছিল, আর যারা বেঁচে ছিলেন তাদের বাধ্য করা হয়েছিল ইয়াজিদের 'কেনা গোলাম' হিসেবে আনুগত্যের শপথ নিতে। মদিনা ধ্বংস করার পর ইয়াজিদি বাহিনী কাবার দিকে রওনা হয় এবং পাথর নিক্ষেপ করে, পবিত্র কাবার গিলাফ জ্বালিয়ে দেয় ও দেয়াল ধসিয়ে দেয়। অথচ আজ অনেক চাটুকার আলেম 'ফিতনা' এড়ানোর দোহাই দিয়ে এই ইতিহাস ধামাচাপা দিতে চায়। তারা চায় না আপনি জানুন যে, আকিদাগত বিচ্যুতি আর ক্ষমতার দালালি কীভাবে ইসলামের পবিত্রতম স্থানগুলোকে অপবিত্র করেছিল।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.