| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই
দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।
যে মেয়েটি আমাকে প্রথম প্রেম শিখিয়েছিল
সে আমার দু বছরের বড় ছিল আর স্কুলে এক ক্লাস উপরে পড়তো। সে খুব মারকুটে ও ডানপিটে ছিল; আমি খুব গোবেচারা ছিলাম। আমাকে দু চোখে দেখতে পারতো না।
সে পড়ালেখায় ব্যাকবেঞ্চার ছিল, আমি নাকি খুব মেধাবী ছিলাম, মেয়েটার চেয়ে; এজন্য আমার প্রতি তার প্রচণ্ড ক্ষোভ ছিল; অবশ্য এটা আমি জানতে পেরেছিলাম অনেক অনেক দিন পর- সে যখন মুচকি মুচকি হাসছিল, আর তার স্বামীর কাছে অনুযোগ করছিল, অনেক অনেক দিন পর পথে যেতে যেতে হঠাৎ দেখা হয়ে গেলে।
তার সাথে একদিন স্কুলে ঝগড়া হয়েছিল। আমি শিক্ষকের কাছে নালিশ করেছিলাম। শিক্ষক তাকে ভর্ৎসনা সহ বেত্রাঘাত করেছিলেন। আমার প্রতি মেয়েটার প্রচণ্ড ক্ষোভ ছিল।
তারপরের দিন একটা বেদনাদায়ক ঘটনা ঘটেছিল।
স্কুল ছুটির পর। আমাদের বাড়িতে আসতাম মেয়েটার বাড়ির পাশের রাস্তা দিয়ে। ওত পেতে থাকা মেয়েটা আমাকে দেখেই আমার উপর ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, এবং ছুটে পালাবার আগেই বাঘিনীর মতো আমার পিঠের উপর বড্ড একটা কামড় বসিয়েছিল। আমার হৃদয়বিদারক কান্নায় মেয়েটার মা ছুটে এসে আমাকে আদর করেছিলেন, আর মেয়েটাকে মারবার জন্য তাড়া করেছিলেন। এই মর্মান্তিক ঘটনার কথা জানতে পেরে আমার মা অনেক মর্মাহত হয়েছিলেন।
এ ঘটনার পরের বছর আমি দ্বিতীয় শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হলাম, আর ফাঁকিবাজ, দজ্জাল মেয়েটা ফেল মেরে দ্বিতীয় শ্রেণিতেই রয়ে গেলো। প্রকৃতি মানুষকে এভাবেই শিক্ষা দিয়ে থাকে।
আর প্রাকৃতিক নিয়মে মেয়েটা আমার প্রতি নরম হতে থাকে। আমার জন্য সে গাছপাকা বরই নিয়ে আসতো; ওদের আমতলায় ঝড়ের দিনে আম কুড়োনোর দাওয়াত দিত; চড়ুইভাতিতে আমাকেও সঙ্গে নিত। পুতুল বিয়ের সময় ছেলে হিসেবে একমাত্র আমাকেই ডাকতো মেয়েটা ওদের দলে। প্রথম বৃষ্টির নতুন পানিতে পুকুর ভরে যেতো, রাতভর ব্যাঙ ডাকতো; সকালে আমরা একসাথে সেই ব্যাঙ তাড়াতাম, আর সারা দুপুর ভরা পুকুরে ডুবসাঁতার খেলতাম।
আরও কিছুকাল পর মেয়েটা বলেছিল, ‘তোকে একদিন একটা জিনিস দেখাবো, কাউকে বলবি না তো?’
আমি সে কথা কাউকে বলি নি।
একদিন মেয়েটা শাড়ি পরেছিল; পুতুলবিয়ের দিনে। আমাকে পাঞ্জাবি আর পায়জামা পরতে বলে নি; এসব কি ছাই আমরা জানতাম? তেঁতুলখোসায় ভাত রেঁধে দিয়েছিলেন ওর মা; পুরো একতেঁতুল ভাত সে আমাকেই দিয়েছিল। তারপর মুখ টিপে হেসে বলেছিল, ‘দেখবি?’
‘দেখবো’- বলতেই ‘আয়’ বলে ইশারায় ডেকে নিয়ে যায় ওদের কোনার দিকের অন্ধকার ঘরটায়। খুব আলগোছে দরজা ভেজিয়ে দিয়ে ফিসফিসিয়ে বলে, ‘কাউকে বলবি না তো?’
‘না।’ আমিও ফিসফিস করে জবাব দিই। মেয়েটা কাঁপা হাতে খাটের উপর জাজিমের নিচ থেকে কী যেন বের করে এনে আমার হাতে তুলে দেয়।
‘পড়্। কাউকে বলবি না তো?’
‘না।’ বলে আমি পড়তে থাকি। এক আনা যদি পড়তে পারি, ষোল আনা তার অর্থ বুঝি না।
‘প্রেমপত্র। বুঝলি?’
‘তুই লিখেছিস?’
‘না। বকুলা ম্যাডামকে দিতে বলেছিল, তুহিন স্যার। দিই নি। কাউকে বলবি না তো?’
‘না।’
‘আমিও একটা লিখবো। তুই নিবি?’
‘নিব।’
তারপর মেয়েটা একদিন আমাকে একটা ‘প্রেমপত্র’ লিখেছিল; আর একটা অনবদ্য জিনিস দেখিয়েছিল।
আমি সে কথা কাউকে বলি নি।
* পুরোনো, ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
একটা কবিতার গোড়াপত্তন ও এর অর্থবোধকতার পর্যায় সমূহ
আমাদের ছোটোবেলায় পদ্মা নদী খুব উত্তাল, বিশাল ও ভয়াবহ ছিল। নদীপাড়ে দাঁড়িয়ে বাবাকে জিজ্ঞাসা করতাম, ‘বাবা, গাঙের কি ঐ-পাড় নাই?’ বাবা হেসে জবাব দিতেন, ‘আছে। অনেক দূরে। দেহা যায় না।’
আমি তখন গাঙের বুকে পালতোলা নাওয়ের দিকে চেয়ে চেয়ে ভাবতাম, আহা, একদিন যদি ঐ-পাড়ে যাইবার পারতাম!
কলেজবেলায় গ্রামে গিয়ে মাঝে মাঝে পদ্মাপাড়ে যেতাম বন্ধুদের সাথে বেড়াতে। পদ্মা ডুবে গেছে চরের বালুতে। কলাপাতায় সবুজের ঢেউ দেখি, আর শুকনো তীরে দাঁড়িয়ে দেখি পদ্মার বুকে সাদা বালু খাঁ-খাঁ করছে। চিকন খালের মতো মরা নদী বুড়ির মতো ধুঁকে ধুঁকে হেঁটে যাচ্ছে যেন।
অনেকদিন পর দেখা।
গুলিস্তান থেকে শুরু। বাবু বাজার ব্রিজ কিংবা পোস্তগোলার চীনমৈত্রী সেতু পার হয়ে ঢাকা-মাওয়া সড়ক ধরে চলতে থাকুন।
শ্রীনগর।
সদর পার হয়ে কামারগাঁও ছাড়িয়ে শাইনপুকুর।
দোহার উপজেলা শুরু।
কিছুদূর গিয়ে নারিশা। ছোটোবেলায় এখানে অনেক এসেছি। ছোটো চোখে নদীর ঐ-পাড় ধু-ধু করতো। কলেজবেলায় এখানে ধু-ধু বালুচর।
আজ।
নারিশা গ্রাম ভেঙে ডুবে যাচ্ছে নদীগর্ভে। গ্রামবাসীর প্রাণান্ত চেষ্টা তা প্রতিরোধে।
গাড়ি থামিয়ে নেমে পড়ি। পাড়ে দাঁড়িয়ে দেখি ও-পাড়ে সূর্য পাটের উপরে, স্রোতোময়ী পদ্মার শরীরে ঢেউয়ের ভাঁজে ভেঙে পড়া রোদ চিকচিক করছে।
এই পথে, একটু দূরে প্রমীলাদের বাড়ি। স্কুলজীবনে শুধু প্রমীলার সাথে কাকতালে দেখা হবার সম্ভাব্যতায় এখানে ঘোরাঘুরি করতাম। আর আছে সায়ন্তনীদের বাসা। ওর মতো সুন্দরী মেয়ে আমার চোখে আর একটাও পড়ে নি আজও। মিনাদের বাড়ি আর ইমরানদের বাড়ি পাশাপাশি। মিনার সাথে মাঝে মাঝে কথা হয়। ইমরান বাবা হয়েছে বছর দুই আগে, ও এ-খবর দিয়ে হাওয়া হয়ে গেছে।
আর সোহানা? রাতুলের চাচাত বোন সোহানা। স্কুলজীবনের পর ওর সাথে আর দেখাই হলো না। প্রমীলা বলে, ‘সোহানার দিনে দিনে বয়স কমে।’ শামীম ওর সাথে প্রেম করতো। ওদের দু পরিবারে অহিনকুল পরিস্থিতি সারাজীবন। ও-বাড়ির মেয়ে এ-বাড়িতে? এ-বাড়ির ছেলে ও-বাড়িতে? পৃথিবী উলটে গেলেও না। এসএসসির পর পর ওর বিয়ে হলো এক গণিতজ্ঞের সাথে। রাতুলের সাথে দেখা করতে গেছি; এগিয়ে এলো ভুবনমোহিনী সোহানা ওর হৃদয়হরা হাসির ঝিলিক ছড়িয়ে।
‘তুই না খুব চিকন আছিলি? মাত্র কয় মাসেই এতো মোটা হইয়া গেছস?’ আমার কথা শেষ হবার আগেই, ‘স্টুপিড!’ বলে এক ঝামটায় আমার গাল টেনে দিয়ে পৃথিবীকাঁপানো একটা হাসি হেসে ঘাড় বাঁকিয়ে বেণি দুলিয়ে চলে গেলো সোহানা। ওর সেই হাসি চোখের সামনে ভাসে, ওর কথা মনে হলে, বা না হলেও।
আমাকে ভর্ৎসনা করে রাতুল বলেছিল, ‘তুমি এতো বোকা কেন? ও প্রেগন্যান্ট হইছে বোঝো না?’
আরো অনেকে। শাপলা। ঝিনুক।
একেকটা মেয়ে একেকটা অনবদ্য কবিতা, ভিন্ন ভিন্ন রস ও স্বাদের। এই দেখুন, কোনো ছেলের নামই আমার মাথায় আসছে না এখন। আমরা মেয়েদের কথা বেশি মনে রাখি; ওরা আমাদের নিয়ে কী ভাবে তা জানতে খুউব খুউব সাধ হয়। আমার মতো সবগুলো ছেলেই হয়তো এমন করেই সবগুলো মেয়ের কথা ভাবে। আর মেয়েগুলো? ওরা মনে হয় আমাদের আর মনে রাখে না। আমরা যেমন বউয়ের চোখের দিকে তাকিয়ে আর তার বুকের উপর শুয়ে একবার হলেও ওদের প্রত্যেকের কথা ভাবি, ওরা কি স্বামীর বুকে মাথা রেখে একটি মুহূর্তের জন্যও মনে করেছে আমাদের কথা? আমার কথা? ওরা খুব স্বার্থপর। ওরা স্বামীদের সাথে বেইমানি করে না, আমরা যেমন বউদের সাথে করি। ওরা নয় প্রেমিকা, নয় বান্ধবী। ওরা আমাদের কেউ না।
একদিন আমাকে অবাক করে দিয়ে প্রমীলা বলেছিল, ‘তোরা এতো নিষ্ঠুর কেন রে? তোদের কথা ভেবে ভেবে মরি... ।’ তারপর ওর কণ্ঠ গলে যেতে থাকে, করুণ ফিসফিসে স্বরে দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলে, ‘তোর কথা কতো ভাবতাম... খুব নিষ্ঠুর রে তুই!’
আমি যখন পদ্মার গভীর থেকে স্কুলবান্ধবীদের ছিনিয়ে নিয়ে আসছিলাম, দেখি আমার সরলা বউ আর সন্তানেরা উজ্জ্বল ঢেউয়ের দিকে তাকিয়ে আনন্দে ঝলমল করছে।
এখানে একটা কবিতার ভাব জাগে। সর্বপ্রথম যে শব্দটা মাথায় টোকা বা উঁকি দিল, সেটা হলো- ‘দিধিষু’। কবে কোথায় এই শব্দটা পড়েছিলাম মনে নেই। অর্থটাও ততো পরিষ্কার নয়। কিন্তু ‘দিধিষু’ দিয়েই কবিতা শুরু করি।
দিধিষু শরীর নদীর বিভায় ঘুমিয়ে পড়ে পাখিদের অগোচরে। জলের জোনাকিরা
কোমল বাতাসে ভেঙে ভেঙে মাছের সারিতে মিশে যায়।
এই হলো কবিতা। এর কী অর্থ দাঁড়ায় তা জানি না। আদতে এর কোনো অর্থ নেইও। সব কবিতার অর্থ থাকে না।
অহনার সাথে যদি আবার আরেকদিন, কালের স্রোতে ভাসতে ভাসতে কোনো এক চরের কন্দলীবনের হরিৎ ছায়ায় অলৌকিকভাবে দেখা হয়ে যায়, এ দু চরণ কবিতা ওকে শোনাবো। এ কবিতা শুনে সে যারপরনাই খুশি হবে; খুশির ঘোরে বহুক্ষণ কেটে যাবে, তারপর যথাস্বভাবে বলবে, ‘এবার এর অর্থটা আমাকে বুঝিয়ে বল্, সোনাপাখি।’
আমি অহনাকে অতি চমৎকারভাবে কবিতাটার অর্থ বুঝিয়ে দেব। সে বিস্ময়ে ডগমগ হয়ে শুধু এ কথাটাই বলবে, ‘তোর মতো কবি হয় না রে পাগল; তুই একদিন অনেক বড় কবি হবি!’
*পুরোনো, ২৩ এপ্রিল ২০০৯
আমরা মেয়েদের কথা মনে রাখি, মেয়েরা ভুলে গেছে
আদি রূপ - খসড়া
পারুলের মতো সুন্দরী মেয়ে আজও দেখি না; সারাদিন কেটে গেছে ওর উড়ন্ত ওড়নার রংধনু দেখে, 'আমার দিকে ফিরেও তাকায় নি'- কেটে গেছে দিনের পর দিন এভাবেই; বহু বহুদিন।
ওর বিয়ে হয়ে গেলো। যুবকেরা দলে দলে সন্ন্যাসে গেলো। গেলাম আমিও। চৈত্রনিদাঘে, জলসঙ্গমে খুন হয়েছি পারুলের কথা ভেবে। পারুল পলকে সব দিয়ে দিল ওর বরকে- কোথাকার কোন্ উড়ো পুরুষ, উড়ে এসে পেয়ে গেলো আজীবন স্বত্বাধিকার। আকৈশোর বিন্দু বিন্দু যত্নে ওর বাড়ন্ত বুকে জমতে দিয়েছি মধু, একদিন আমাদেরই সম্পদ হবে ভেবে - আমাদের গ্রাস কেড়ে নিল উপনিবাসী বর! আমার কথা একবারও ভাবে নি পারুল- না কাউকে কখনো।
বীনা সুলতানা; ঝিনুক; নার্গিস; ওরা খুব সুখে আছে স্বামীদের সংসারে। ওদের অঢেল আহ্লাদ আর স্বামীদের সাথে উৎফুল্ল ঢলাঢলি দেখি, আর করাতের মতো কে যেন চিড়ায় আমাদের পাঁজরের হাড়। মেয়েরা পাষণ্ডিনী; ওরা কেবল বরকেই বোঝে, আর তীর্থের প্রেমিকদের বিমর্ষ বিলাপে ওদের ব্যাপক বিনোদন হয়।
'কষ্ট নিস না দোস্।' শাহনাজকে আজ কবিতা শোনালে ও শুধু এটুকু সান্ত্বনাবাক্য আওড়ালো। আর বললো, 'যাকে নিয়ে এসব মহৎ কবিতা লিখেছিস, সে খুব ভাগ্যবতী রে!' আমার খুব সাধ হয়েছিল শাহনাজ বলবে, 'তুই কি জানিস, আমিও কতোরাত নির্ঘুম কাটিয়েছি তোর কথা ভেবে? তোর কথা মনে পড়তেই বুক থেকে ঠেলে নামিয়ে দিয়েছি বরকে!' শাহনাজ বললো না। মেয়েরা পাষণ্ডিনী; ওরা কেবল বরকেই বোঝে।
সংবিধান সংশোধনের একচ্ছত্র ক্ষমতা যদি আমার হাতে থাকতো, মাইরি বলছি, স্বামীদের সাথে মেয়েদের এহেন রংতামাশা, ঢলাঢলি আইন করে করতাম সংবিধানবিরোধী, অবৈধ। এসব মূলত ক্লাসমেট আর বিয়েপূর্ব-প্রেমিকগণের ফুর্তির বেসাতি, যাদের বিরান জীবনে একখানা বউ জোটে নি অদ্যাবধি।
নায়িকাদের নামবদল, স্বামীদের ভয়ে![]()
- চূড়ান্ত রূপ
শিমুলের মতো সুন্দরী মেয়ে আজও দেখি না; সারাদিন কেটে গেছে ওর উড়ন্ত ওড়নার রংধনু দেখে, ‘আমার দিকে ফিরেও চায় নি’- কেটে গেছে দিনের পর দিন এভাবেই; বহু বহুদিন।
ওর বিয়ে হয়ে গেলো। যুবকেরা দলে দলে সন্ন্যাসে গেলো। গেলাম আমিও। চৈত্রনিদাঘে, জলসঙ্গমে খুন হয়েছি শিমুলের কথা ভেবে। শিমুল পলকে সব দিয়ে দিল ওর বরকে- কোথাকার কোন্ পামর পুরুষ, উড়ে এসে জুড়ে গেলো আজীবন দখলে। আকৈশোর বিন্দু বিন্দু যত্নে ওর বাড়ন্ত বুকে জমতে দিয়েছি মধু, একদিন আমাদের সম্পদ হবে এ ভেবে- মোক্ষম গ্রাস কেড়ে নিল উপনিবেশী বর! আমার কথা একবারও ভাবে নি শিমুল; নয় কাউকে কখনো।
সায়ন্তনি; কনকচাঁপা; রঞ্জনা; ওরা খুব সুখে আছে ‘পরপুরুষের’ ঘরে। ওদের অঢেল আহ্লাদ আর স্বামীদের সাথে অবাধে উৎফুল্ল ঢলাঢলি দেখি, আর করাতের মতো কে যেন চিড়ায় আমাদের পাঁজরের হাড়। মেয়েরা পাষণ্ডিনী; ওরা কেবল বরকেই বোঝে, আর তীর্থের প্রেমিকদের বিমর্ষ বিলাপে ওদের ব্যাপক বিনোদন হয়।
‘কষ্ট নিস না দোস্।’ জুঁইকে আজ কবিতা শোনালে ও শুধু এটুকু সান্ত্বনাবাক্য আওড়ালো। আর বললো, ‘যাকে নিয়ে এসব মহৎ কবিতা লিখেছিস, সে খুব ভাগ্যবতী রে!’ আমার খুব সাধ হয়েছিল জুঁই বলবে, ‘তুই কি জানিস, আমিও কতোরাত নির্ঘুম কাটিয়েছি তোর কথা ভেবে? তোর কথা মনে পড়তেই বুক থেকে ঠেলে নামিয়ে দিয়েছি বরকে!’ জুঁই বললো না। মেয়েরা পাষণ্ডিনী; ওরা কেবল বরকেই বোঝে।
সংবিধান সংশোধনের একচ্ছত্র ক্ষমতা যদি আমার হাতে থাকতো, মাইরি বলছি, স্বামীদের সাথে মেয়েদের এহেন রংতামাশা, ঢলাঢলি আইন করে ঘোষণা করতাম সংবিধানবিরোধী, অবৈধ। এসব মূলত ক্লাসমেট আর বিয়েপূর্ব-প্রেমিকগণের ফুর্তির বেসাতি, যাদের বিরান জীবনে অদ্যাবধি বউ জোটে নি... একদা একখানা অর্বাচীন বউ জুটে গেলেও বউমণিরা ঘড়ায় তোলা নিত্যব্যবহার্য জল, বান্ধবীরা সুগভীর সন্তরণদিঘি।
__________________________________________
‘কেতকীর সঙ্গে আমার সম্বন্ধ ভালোবাসারই, কিন্তু সে যেন ঘড়ায়-তোলা জল- প্রতিদিন তুলব, প্রতিদিন ব্যবহার করব। আর লাবণ্যর সঙ্গে আমার যে ভালোবাসা সে রইল দিঘি, সে ঘরে আনবার নয়, আমার মন তাতে সাঁতার দেবে।’- শেষের কবিতা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
*পুরোনো, ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১২:৪১
প্রিয় বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেলে
প্রিয় বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেলে উঠতি যৌবনে আমরা সবগুলো ছেলেবন্ধু পারস্পরিক শত্রুতা ভুলে দল বেঁধে দেবদাস হতাম। আমাদের চরণসমুদয় অনাথের মতো নিস্তেজ হয়ে পড়তো। বিরহীসংঘের সমাবর্তনে বিগত বান্ধবীকে প্রতারণার দায়ে গোষ্ঠি উদ্ধারে লিপ্ত হতাম।
বয়স বাড়ে; সময় বদলায়; দৃষ্টি ও দর্শন বদলে যেতে থাকে। পৃথিবীর সবখানে, সবকিছুতে ছড়িয়ে আছে আর জড়িয়ে আছে প্রেম।
প্রিয় সহেলিরা সংবিধিবদ্ধ প্রেমিকা আমাদের সকলের। বিয়ের আগে ওরা একেকটা ব্যক্তিগত, হস্তান্তর-অযোগ্য মূল্যবান সম্পদ; আমরা প্রতিদ্বন্দ্বী বন্ধুদের সহজাত শত্রু ভেবে নিজস্ব অধিকার প্রতিষ্ঠায় নিরন্তর সংগ্রামী হয়ে উঠি।
বিয়ের পর বান্ধবীরা কারো ব্যক্তিগত সম্পদ থাকতে পারে না, না তার স্বামীর, না কোনো পুরনো প্রেমিকের। ওরা তখন আমাদের সর্বজনীন প্রেমিকা হয়ে ওঠে।
প্রিয় বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেলে এখন আমাদের মনে আগের মতো বিরহভাব জাগে না; যেসব পরমা সুন্দরীর বিয়ে হয়েছিল অনেক অনেকদিন আগে, তাদের এখন নতুন করে চিনি। রম্য আড্ডায় আগের চেয়েও সুনির্মল, সতেজ আর লাবণ্যময় ওরা, আর ওদের প্রাণোচ্ছল হাসি। অনাবিল সান্নিধ্যে আমাদের প্রতিটি মুহূর্ত ওরা বাঙ্ময় ও স্মরণীয় করে তোলে।
আমাদের বান্ধবীরা আজকাল বড্ড উদার ও অমায়িক। স্বামী ও সংসার বিলকুল ঠিক রেখে নিত্যনৈমিত্তিক আচারের মতোই ওরা আমাদের নিয়মিত প্রেম সম্প্রদান করে।
এসব রম্যকথা স্ত্রীদের জন্য নয়; এ হলো প্রিয় সহপাঠিনীর প্রতি অনাঢ্য প্রেমিকগণের অভবিষ্য প্রেমবাঞ্ছা।
* পুরোনো, ২০ শে মার্চ, ২০১০ রাত ১২:৫৯
কবিতার বিবর্তন
সর্বশেষ সংস্করণ : অয়োময় সুপুরুষ
কিছুই নেবে না সে। তার কোনও লোভ নেই।
তার কোনও আবেগ অথবা অনুভূতি নেই।
নিঝুম অন্ধকারে গা ঘেঁষে দাঁড়ালে তার শরীরও অন্ধকারময় নিরুত্তাপ
সে খেলে না আমায় নিয়ে যেমন তার অভ্যাস
আমার অঙ্গে অঙ্গে বিপুল মাৎসর্য দাহন
জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাই করি তার সংসার
আমাকে সুখ দেয় অনিন্দ্য রহস্যের পরকীয়া পাপ
একটা ধারালো তরবারি তার চোখের সামনে খাপ থেকে খুলে
হাতে নেবো তুলে
আর তার নির্জন শয্যায় একটা আগুন শরীর বিছিয়ে দেবো
ভেবেছি কতোদিন
ও একটা বড্ড সুপুরুষ, সারাবেলা প্রেম দেয়
ও একটা বউপোষা কাপুরুষ, নিপাতনে সঙ্গম শেখে নি
ও এতো ভালো কেন, ও এতো পাষণ্ড কেন, জানি না।
আমরা যাই লং ড্রাইভে, রিক্শায় সারা শহর
পার্কে, রেস্তরাঁয় ঘুরি; সিনেপ্লেক্সে মুভি দেখি
আলগোছে অন্ধকারে ওর হাতের আঙুল নাড়ি মুঠো ভরে
তারপর ব্লাউজের ভাঁজ গলিয়ে বুকের উপর ঠেঁসে ধরি ওর রোমশ হাত
'তামাম পৃথিবী তোর', ফিশফিশিয়ে বলি, 'এই নে! নে না! তামাম পৃথিবী তোর!'
মোমের মতো গলতে গলতে বের হয়ে এলে হাত
আমার নপুংসক প্রেমিক বলে, 'ঘরে তোর বর, আমারও একটা সাদাসিধে বউ,
থাক না এসব!'
যার সবই আছে, না চাইতেই সব সে পেয়ে যায়
সব পাওয়া যার নিয়তি, সে কিছুই নেয় না
কিছুই নেয় না সে। তার কোনও লোভ নেই।
তার কোনও আবেগ অথবা অনুভূতি নেই। ছিল না।
মাটি কিংবা পাথরের শরীর তার।
সে একটা পাষাণ সুপুরুষ।
আদিতে কবিতা (ইনস্ট্যান্ট পয়েম) : আমি তাকে সবই দিতে চেয়েছিলাম
কিছুই নেবে না সে। তার কোনও লোভ নেই।
তার কোনও আবেগ অথবা অনুভূতি নেই। ছিল না।
মাটি কিংবা পাথরের শরীর তার।
নিঝুম অন্ধকারে গা ঘেঁষে দাঁড়ালে তার শরীরেও অন্ধকারময় নিরুত্তাপ
সে খেলে না আমায় নিয়ে তার বউয়ের মতোন
আমার অঙ্গে অঙ্গে বিপুল মাৎসর্য দাহন
আমি জ্বালিয়ে পুড়িয়ে ছাই করি তার সংসার
আমাকে সুখ দেয় অনিন্দ্য রহস্যের পরকীয়া পাপ
একটা ধারালো তরবারি তার চোখের সামনে খাপ থেকে খুলে তার হাতে দেবো তুলে
আর তার নির্জন শয্যায় একটা আগুন শরীর বিছিয়ে দেব
ভেবেছি কতোদিন
ও একটা বড্ড সুপুরুষ, সারাবেলা বউকে প্রেম দেয়
ও একটা বউপোষা কাপুরুষ, নিপাতনে সঙ্গম শেখে নি
ও এতো ভালো কেন, ও এতো পাষাণ কেন?
আমরা যাই লং ড্রাইভে, রিক্শায় সারা শহর
পার্কে, রেস্তরাঁয়, সিনেপ্লেক্সে মুভি দেখি
আলগোছে অন্ধকারে ওর হাতের আঙুল নাড়ি মুঠো ভরে
তারপর ব্লাউজের ভাঁজ গলিয়ে বুকের উপর ঠেঁসে ধরি ওর লোমশ হাত
'তামাম পৃথিবী তোর', ফিশফিশিয়ে বলি, 'নে! নে না! তামাম পৃথিবী তোর!'
মোমের মতো গলতে গলতে বের হয়ে এলে হাত
আমার নপুংসক প্রেমিক বলে, 'ঘরে তোর বর, আমারও একটা সাদাসিধে বউ,
থাক না এসব!'
কিছুই নেবে না সে। তার কোনও লোভ নেই।
তার কোনও আবেগ অথবা অনুভূতি নেই। ছিল না।
মাটি কিংবা পাথরের শরীর তার।
সে একটা নিরেট নপুংসক।
পাদটীকা নিষ্প্রয়োজন নয়। একটা লেখা প্রথমে যে থিমটার উপর দাঁড়িয়ে যায়, কোনো কোনো সময় বার বার এডিট করার পর তার আদি রূপ অনেকখানিই বদলে যায়, এমনকি মূলভাবও। আমার ক্ষেত্রে এটা ঘটে থাকে।
* পুরোনো , ৭ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:১৯
সনির্বন্ধ ঘোষণা
আর কোনো চোরকাঁটা লেগে নেই
যতোদিন যতোবার তোমাদের দেখেছি, কোমল প্রার্থনার স্বননে
শুনেছি রোদনের রাগ; আমিও শরীরে মেখেছি রোদের পরাগ
তোমাদের কথা ভেবে
তোমাদের ওড়না হাসে উড়ন্ত স্মৃতির দেশে, অনেক ক্রন্দন আর অশ্রুরা
মিশে যায় প্রখর সন্তাপে
স্মৃতির ললনারা, তোমাদের ঘ্রাণের পেলবতা,
বুকের উষ্ণতা, রাতভর মাধুর্যময় কণ্ঠসান্নিধ্য কাম ও মননে আমাকে
দিয়েছিল সজীব ঋদ্ধতা
কন্দলীখোসা সকলেই ছুঁড়ে ফেলে। জহরততুল্য মাৎসর্যের শিস আমিই কি
দিই নি গেঁথে
তোমাদের অহমে? কী বিপুল দর্পে ফুটে ওঠে তোমাদের উদ্ভাস, ভেবে দেখো
সে কার দান!
মনে রেখো...শূন্য থেকেই শূন্য আসে...
Ex nihilo nihil fit
আর পূর্ণ কলশ চূর্ণ হয়ে গেলে শূন্যতাই নিজস্ব সম্পদ
আর
উলুক্ষেতে সোনাবীজ চিনবে না, তাও জানি
তাই
নিজ গুণে ক্ষমা করে দিয়েছি, বিদগ্ধ চোরকাঁটা, মনে রেখো
*পুরোনো, ৯ ই অক্টোবর, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:২৯
যে গানটি শোনা হয় নি, যে কবিতাটি লেখা হয় নি...
যে গানটি শোনা হয় নি, যে কবিতাটি লেখা হয় নি...
একটা চিঠি হারিয়ে গেলে প্রথম প্রেমিকার
একটা সম্পর্ক ভেঙে গেলে, অনেক পুরনো ও মধুর
ভুলে গেছি তার কাঁকনের রং, চুলের গহনে নিঝুম আঁধার
খুব দূরে, খুব খুব দূরে একটা অচেনা সুর ভেসে যেতে যেতে দিগন্তে মিশে যায়
মধুরতম গানটি শোনা হলো না
এমন একটা গানের জন্য হু হু করে বুক, তৃষ্ণার মতো অতৃপ্তিময় জ্বালা
কী বাণী লেখা ছিল গানের শরীরে? কার কথা লেখা ছিল করুণ হরফে?
আমি কি চিনি সেই দুঃখিনী মেয়েটাকে? তার গায়ের বর্ণ, ‘উজান গাঙের নাইয়া’র পানে চেয়ে থাকা ছলছল চোখ; আমি কি দেখেছি কোনওদিন দুঃখিনী মেয়েটাকে?
প্রিয় কবিতাটি লেখা হলো না আজও
পেন্সিলের আনাড়ি দাগের মতো দুর্বোধ্য হস্তাক্ষরে
লেখা ছিল কাঁচা বয়সের প্রথম চিঠিটা
আমি কি সেই ভাষা বুঝি? সেও কি হায় বুঝতো অনাগত প্রেমের যন্ত্রণা?
শার্টের নিচপকেটে, লুঙ্গির কোঁচড়ে, বেড়ার ফাঁকে, বইয়ের ভেতরে ঘুরতে ঘুরতে
অমোঘ বিধানে চিঠিটা সত্যিই হারিয়ে গেলে হন্যে হয়ে ছুটতে ছুটতে
একদিন অনায়াসে বুঝি- এর নাম প্রেম নয়, কুহক
কী লেখা ছিল চিঠির ভাষায়? আহা, আজও রাহিমার ঠিকানা জানি না;
অনেক দূরে ঝাপসা গোধূলিতে ওড়না উড়িয়ে রাহিমা হেঁটে যায়
আর ওর চিঠিটার মতো একটা অচেনা সুর ভেসে যেতে যেতে মিশে যায় দিগন্তে
এমন একটা কবিতা লেখা হলো না, এমন একটা গান শোনা হলো না
রাহিমার চিঠিটা কোথায় হারিয়ে গেলো
আড়িয়াল বিলের ওপারে তার মায়ের বাড়ি, পশ্চিমে বাপের ভিটা
মাঝখানে সমুদ্র আর ঢেউ
তোমরা যদি কেউ কোনওদিন রাহিমাকে ভেসে যেতে দেখো
আমায় অন্তত একটুখানি খবর দিও
*পুরোনো, ২৬ শে অক্টোবর, ২০১০ বিকাল ৪:১৭
নারীরা
এসেছিল, কেউ থাকে নি; দুঃখ দিয়ে চলে গেছে, একে একে। দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী।
*৩০ নভেম্বর ২০১০ বিকাল ৪:০৬
![]()
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:০৭
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: দ্রুত পঠনের এক আশ্চর্য ক্ষমতা রয়েছে আপনার। এ লেখাটি পোস্ট করা হয়েছে বিকাল ৩:৩৬-এ, আপনি মন্তব্য করেছেন বিকাল ৩:৪৩-এ। মাত্র ৭ মিনিটে এ সুদীর্ঘ লেখাটি পাঠ করে ফেলেছেন দেখে আমি চমৎকৃত হলাম। আমি মুগ্ধ।
অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা বাংলাদেশী পোলা।
২|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৪৯
শায়মা বলেছেন: তোমার জীবনে নারীরা ছিলো বলেই না এত এত কবিতা লিখে কবি হয়ে গেলে তুমি ভাইয়া।![]()
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:০৫
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
আমি অহনাকে অতি চমৎকারভাবে কবিতাটার অর্থ বুঝিয়ে দেব। সে বিস্ময়ে ডগমগ হয়ে শুধু এ কথাটাই বলবে, ‘তোর মতো কবি হয় না রে পাগল; তুই একদিন অনেক বড় কবি হবি!’
জন্মাবার পর কেউ কবি হতে পারে না
কবি হয়েই জন্মাতে হয়![]()
তবে প্রশংসা ভালো লাগতো কঠিনচিত্ত আলেকজান্দারেরও, আমি কোন্ ছার![]()
সেজন্য অনেক ধন্যবাদ বুবু।
৩|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৫০
বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: মেয়েটা একদিন আমাকে একটা ‘প্রেমপত্র’ লিখেছিল; আর একটা অনবদ্য জিনিস দেখিয়েছিল।
আমি সে কথা কাউকে বলি নি। - committed friend ![]()
মেয়েরা ভরসা পায় ![]()
সংবিধান সংশোধনের একচ্ছত্র ক্ষমতা যদি আমার হাতে থাকতো, মাইরি বলছি, স্বামীদের সাথে মেয়েদের এহেন রংতামাশা, ঢলাঢলি আইন করে ঘোষণা করতাম সংবিধানবিরোধী, অবৈধ। এসব মূলত ক্লাসমেট আর বিয়েপূর্ব-প্রেমিকগণের ফুর্তির বেসাতি, যাদের বিরান জীবনে অদ্যাবধি বউ জোটে নি... একদা একখানা অর্বাচীন বউ জুটে গেলেও বউমণিরা ঘড়ায় তোলা নিত্যব্যবহার্য জল, বান্ধবীরা সুগভীর সন্তরণদিঘি।
অমন করে বলতে নেই ![]()
+++++++++++++++
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:০৯
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
আমি সে কথা কাউকে বলি নি। - committed friend ![]()
মেয়েরা ভরসা পায় ![]()
বউমণিরা ঘড়ায় তোলা নিত্যব্যবহার্য জল, বান্ধবীরা সুগভীর সন্তরণদিঘি।
অমন করে বলতে নেই ![]()
+++++++++++++++
আপনার মন্তব্যে খুব আনন্দিত ও উৎসাহিত বোধ করছি। অনেক ধন্যবাদ।
৪|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৫৪
ভবঘুরে জীবন বলেছেন: ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী। এ কথাটি আমার খুব ভাল লেগেছে।
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:১০
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এ কথাটি আমারও খুব প্রিয়
ধন্যবাদ ভবঘুরে জীবন।
৫|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:০২
খালি ব্যান খাই বলেছেন: হুম....
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:১১
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আশা করি ব্যান খাওয়া বন্ধ হয়েছে![]()
জোকিং![]()
![]()
ধন্যবাদ 'হুম'-এর জন্য![]()
৬|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:০৩
ইয়াশফিশামসইকবাল বলেছেন: োরে বাপপস, ki oshadharon lekha!!! hai jodi amio partam emon kore likhte!!! asholei, likhte parata ekta oloukik gun, Bidhata ja shobaike den na....khub bhalo laglo ebong ++++++++++++++......
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:১৩
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ ইয়াশফি শামস ইকবাল। আপনার মন্তব্যে যদিও খুব লজ্জা পাচ্ছি, তবুও শায়মাকে যা বলেছি, আপনাকেও তাই বললাম![]()
![]()
সব সময় ভালো থাকুন।
৭|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:১২
তাসবীর আহমাদ বলেছেন: আপনেতো সেই ছোট বেলাই পুরা 'সেয়ান' আছিলেন! ![]()
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:১৫
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ঠিক ধরেছেন। তবে যত বড় হচ্ছি ততই মনে হচ্ছে ছোটোবেলাটাই ভালো ছিল- সেয়ানা ছিলাম যে![]()
এখন দিনে দিনে বোকা হচ্ছি![]()
![]()
![]()
ধন্যবাদ মজাদার মন্তব্যের জন্য![]()
![]()
৮|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:১৪
আবু সালেহ বলেছেন: নারী আর কবিতা....
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:১৭
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হ্যাঁ, নারী আর কবিতা। নারীরাই সকল কবিতার উৎস![]()
ছোটো করে বলতে গেলে বলতে হয়, গোটা দুনিয়াটাই নারীর জন্য![]()
![]()
৯|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:৪১
জালিস মাহমুদ বলেছেন: এ দেখি মহাকাব্য
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:১০
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: সত্যিই, এক সুবিশাল মহাকাব্য- নারীদের![]()
ধন্যবাদ জ।লিস।
১০|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:৫৩
হনলুলু বলেছেন: অনেক মন দিয়ে , অনেকক্ষন ধরে তাড়িয়ে তাড়িয়ে লেখাটা পড়লাম । এতো মনোযোগ দিয়ে আমি কিছু পড়িনা কখনো ।
ওর বিয়ে হয়ে গেলো। যুবকেরা দলে দলে সন্ন্যাসে গেলো। গেলাম আমিও। চৈত্রনিদাঘে, জলসঙ্গমে খুন হয়েছি শিমুলের কথা ভেবে।
অসাধারন। অপূর্ব ....
তিন লাইনেই যেনো যুগ যুগান্তের নারীদের অমোঘ পরিনতি আর যুবকদের হাহাকারগুলো জীবন্ত হয়ে উঠেছে ।
লেখক আপনাকে শ্রদ্ধা .....
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:১৮
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমি খুব গর্বিত বোধ করছি এতো মনোযোগ দিয়ে এ লেখাটা পড়বার জন্য। নিজেকে ধন্য মনে করছি এবং অনেক উৎসাহিত বোধ করছি।
অশেষ ধন্যবাদ হনলুলু। আপনার প্রতিও শ্রদ্ধা থাকলো।
১১|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৫:৪৭
দুঃখ বিলাসি বলেছেন: মেয়েটা একদিন আমাকে একটা ‘প্রেমপত্র’ লিখেছিল; আর একটা অনবদ্য জিনিস দেখিয়েছিল।
আমি সে কথা কাউকে বলি নি।
এখনতো আমাদের বলে দিলেন
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:০২
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হ্যাঁ তাইতো!!!! কিন্তু তার কোন্ কথাটা এখন আপনাদের বলে দিয়েছি?![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
ধন্যবাদ দুঃখবিলাসী।
১২|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৫
ঈষাম বলেছেন: ভালু ভালু..![]()
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:০২
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ ধন্যবাদ![]()
![]()
১৩|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:০২
সপ্নভূক বলেছেন: একেকটা মেয়ে একেকটা অনবদ্য কবিতা, ভিন্ন ভিন্ন রস ও স্বাদে..........অসাধারন
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:০৩
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ সপ্নভূক।
১৪|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:০৩
সপ্নভূক বলেছেন: আকৈশোর বিন্দু বিন্দু যত্নে ওর বাড়ন্ত বুকে জমতে দিয়েছি মধু, একদিন আমাদেরই সম্পদ হবে ভেবে - আমাদের গ্রাস কেড়ে নিল উপনিবাসী বর! আমার কথা একবারও ভাবে নি পারুল- না কাউকে কখনো।
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:০৪
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কী নিষ্ঠুর ওরা, একবার ভাবুন![]()
![]()
![]()
১৫|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:০৮
মুনসী১৬১২ বলেছেন: এতো নারী মহাকব্য ভাইয়া---
কিছু জায়গা অসাধারণ হয়েছে---
র বিয়ে হয়ে গেলো। যুবকেরা দলে দলে সন্ন্যাসে গেলো। গেলাম আমিও। চৈত্রনিদাঘে, জলসঙ্গমে খুন হয়েছি শিমুলের কথা ভেবে।
---
ও একটা বড্ড সুপুরুষ, সারাবেলা বউকে প্রেম দেয়
ও একটা বউপোষা কাপুরুষ, নিপাতনে সঙ্গম শেখে নি--
পদ্মা ডুবে গেছে চরের বালুতে। কলাপাতায় সবুজের ঢেউ দেখি, আর শুকনো তীরে দাঁড়িয়ে দেখি পদ্মার বুকে সাদা বালু খাঁ-খাঁ করছে। চিকন খালের মতো মরা নদী বুড়ির মতো ধুঁকে ধুঁকে হেঁটে যাচ্ছে যেন।---
আমি যখন পদ্মার গভীর থেকে স্কুলবান্ধবীদের ছিনিয়ে নিয়ে আসছিলাম, দেখি আমার সরলা বউ আর সন্তানেরা উজ্জ্বল ঢেউয়ের দিকে তাকিয়ে আনন্দে ঝলমল করছে।---
অসাধারণ-------- পর্যবেক্ষণ
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:০৬
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: উদ্ধৃতি যোগে ভালোলাগা প্রকাশে আমি খুব উৎসাহিত বোধ করছি। অনেক ধন্যবাদ।
১৬|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:১০
সপ্নভূক বলেছেন: সংবিধান সংশোধনের একচ্ছত্র ক্ষমতা যদি আমার হাতে থাকতো, মাইরি বলছি, স্বামীদের সাথে মেয়েদের এহেন রংতামাশা, ঢলাঢলি আইন করে করতাম সংবিধানবিরোধী, অবৈধ। এসব মূলত ক্লাসমেট আর বিয়েপূর্ব-প্রেমিকগণের ফুর্তির বেসাতি, যাদের বিরান জীবনে একখানা বউ জোটে নি অদ্যাবধি।
‘কেতকীর সঙ্গে আমার সম্বন্ধ ভালোবাসারই, কিন্তু সে যেন ঘড়ায়-তোলা জল- প্রতিদিন তুলব, প্রতিদিন ব্যবহার করব। আর লাবণ্যর সঙ্গে আমার যে ভালোবাসা সে রইল দিঘি, সে ঘরে আনবার নয়, আমার মন তাতে সাঁতার দেবে।’- শেষের কবিতা, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
প্রিয় বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেলে উঠতি যৌবনে আমরা সবগুলো ছেলেবন্ধু পারস্পরিক শত্রুতা ভুলে দল বেঁধে দেবদাস হতাম। আমাদের চরণসমুদয় অনাথের মতো নিস্তেজ হয়ে পড়তো। বিরহীসংঘের সমাবর্তনে বিগত বান্ধবীকে প্রতারণার দায়ে গোষ্ঠি উদ্ধারে লিপ্ত হতাম।
বয়স বাড়ে; সময় বদলায়; দৃষ্টি ও দর্শন বদলে যেতে থাকে। পৃথিবীর সবখানে, সবকিছুতে ছড়িয়ে আছে আর জড়িয়ে আছে প্রেম
নারীরা
এসেছিল, কেউ থাকে নি; দুঃখ দিয়ে চলে গেছে, একে একে। দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। ভালোবাসা হলো দুঃখ, এক ঘরে কবিতা ও নারী। .........
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:০৮
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আপনার ক্ষেত্রেও একই কথা বলছি- এ লেখা থেকে অনেকগুলো উদ্ধৃতি উল্লেখ করে আমাকে অনেক সম্মানিত ও উৎসাহিত করেছেন। আপনাকে বিনীত ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।
১৭|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:২৫
উম্মে মারিয়াম বলেছেন: সব কবিতার ছন্দতো দেখি আজ ঐ ছবিতে আকা দুচোখের তারায় বন্দী হয়ে আছে।।
আপনার মত করে আমি কবে লিখতে পারব বলেন তো?????????????মনে হয় এ জীবনে না......।
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:২২
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: হায় হায় আপু, এ কী বলছেন আপু? (দুই লাইনের জন্যই প্রযোজ্য) ![]()
![]()
![]()
আচ্ছা আপু, নিচের জায়গাটায় কখনো যান নি, বুঝেছি। এটা টাঙ্গাইল জেলার ধনবাড়ি নওয়াব বাড়ির ছবি। ওখানে আমার বেশ ক'বার যাওয়া হয়েছে। একটা দিঘি আছে ওখানেও। বেড়াবার জন্য ভালো জায়গা। আমি অবশ্য ওখানে থাকি না![]()
![]()
![]()
১৮|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:২৫
মাহী ফ্লোরা বলেছেন: যে গানটি শোনা হয় নি, যে কবিতাটি লেখা হয় নি..
সেটিই সর্বোচ্চ সৌন্দর্যে পূর্ণ!
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:৩৬
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: সেটিই সর্বোচ্চ সৌন্দর্যে পূর্ণ! খুব খাঁটি কথা বলেছেন আপু। এজন্যই সৃষ্টিশীলতায় কোনোদিন পূর্ণ তৃপ্তি মেলে না- সর্বোচ্চ সুন্দরের পেছনে একজন শিল্পী এজন্যই নিরন্তর ধাবমান।
১৯|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:৩১
ছেড়া পলিথিন বলেছেন: আগের কথা মনে পড়লে কেমন লাগে?
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:৩৮
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আগের কথা মনে পড়লে কেমন লাগে?
বুকটা ফাইট্ট্যা যায়![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
২০|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:৩৯
হানিফ রাশেদীন বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো আপনার প্রেমকাব্য।
দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা : ঘর কৈনু বাহির, বাহির কৈনু ঘর / পর কৈনু আপন, আপন কৈনু পর
একটা কথা, আপনার সব পোষ্টই বেশ বড় আরেকটু ছোট ছোট করে দেয়া যায় কীনা ভেবে দেখার অনুরোধ রইলো।
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:৪৬
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
ঘর কৈনু বাহির, বাহির কৈনু ঘর / পর কৈনু আপন, আপন কৈনু পর। কান্তপাদ!!!
দুঃখের কবিতাই শ্রেষ্ঠ কবিতা। 'Our sweetest songs are those that tell of saddest thoughts' (Percy Shelley)
'আমার প্রেমকাব্য' ভালো লেগেছে জেনে আনন্দিত![]()
![]()
একটা কথা। পরের পোস্টের জন্য মনে রাখবো। অবশ্য বিশেষ উদ্দেশে পোস্টগুলো দীর্ঘাকার ধারণ করছে![]()
![]()
ভালো থাকুন।
২১|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:৪৬
সায়েম মুন বলেছেন: ভাল লাগলো পোষ্টটা।![]()
তাইতো বলি আপনি এত সুন্দর কবিতা লিখেন ক্যামনে
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:৪৯
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: পোস্টটা ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগছে![]()
![]()
![]()
![]()
২২|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:৫১
নাজনীন১ বলেছেন: এতো বড় লেখা পড়তে পড়তে তো টায়ার্ড হয়ে গেলাম! স্মৃতিকথা ভাল লাগলো।
আচ্ছা, বৌ-এর হাতে ভাত খাওয়ার গল্প একসময়ে কোন এক ব্লগার লিখেছিলেন, তিনি কি আপনি? ঠিক মনে করতে পারছি না।
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১:৩৩
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এতো বড় লেখা পড়তে পড়তে তো টায়ার্ড হয়ে গেছেন বলে আমি সত্যিই লজ্জিত ও দুঃখিত![]()
তবে স্মৃতিকথা ভালো লেগেছে জেনে খুশি হলাম।
আপনার স্মৃতিশক্তির প্রশংসা না করে পারা যাচ্ছে না![]()
তবে স্ত্রীর হাতে খাওয়া-দাওয়া বাদ দিতে হয়েছে![]()
কারণ, বাসায় থাকলে ছোটো ছেলেটা আমার হাতে (আসলে চামচ) ছাড়া খায় না। ধরুন তাকে লাঞ্চ খাওয়ানো শুরু করলাম ৩টার দিকে, খাওয়া শেষ হয় মোটামুটি ৫টার কিছু পরে![]()
খেতে খেতে সে টিভি দেখে, ল্যাপটপে গেমস খেলে, লেগু খেলে, ইত্যাদি- কখনো বা মাঝখানে তাকে গোসল করানো হলো, বা সে বাথরুমে 'মহৎ কাজে' গমন করে![]()
আরো যে কারণে বউয়ের হাতে খাওয়ার অভ্যাস ছাড়তে হয়েছে তা হলো স্ত্রীর বড়াই- সে বড় গলায় বলতো- বাসায় বাচ্চা হলো ৪টা![]()
![]()
![]()
৪টাকে সামলাতে তার জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠছে![]()
![]()
![]()
তবে আমি যে সংসারে একেবারেই কোনো কাজে আসি না, তা নয়। এর ভুরি ভুরি প্রমাণের মধ্যে একটা হলো এই ![]()
![]()
![]()
ধন্যবাদ। ভালো থাকুন।
২৩|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:৫৩
নাজনীন১ বলেছেন: সব রোমিওদের কাহিনী মনে হয় এরকমই। ![]()
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১:৪১
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: জি আপু, আমারও তাই মনে হয়![]()
নিচে প্রেমপ্রাজ্ঞ ব্লগার হিজিবিজি'র কমেন্ট লক্ষ করুন। কী গভীর এক তত্ত্ব উপস্থাপন করলেন তিনি ![]()
![]()
![]()
![]()
প্রতিটা ব্যর্থ প্রেমের কবিতা নাকি বুঝায় কবির সাথে প্রেমিকার মিলন হয়েছিল আর সফল প্রেমের কবিতা নাকি বুঝায় কবি প্রেমিকাকে কোনদিন নিজের মতো করে পায়নি!! ![]()
![]()
![]()
![]()
২৪|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৯:০১
মাহী ফ্লোরা বলেছেন: একটা কথা বলি? কিছু মনে করবেন না। সম্ভবত উনি আপনার সহধর্মিনী। পোষ্টে ছবি দেয়াটা আমার ভাল লাগেনি।
মনে হচ্ছে আপনি তাঁকে আঙ্গুল দিয়ে দেখাতে চান আপনার তাঁর প্রতি বর্তমান আনুগত্যের কথা।
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১:৪৯
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আপু, আমি কিছু মনে করি নি। আপনার মতামতের উপর পূর্ণ শ্রদ্ধা থাকলো। পোস্টে ছবি দেবার ব্যাপারে ভবিষ্যতে আপনার কথাটা বিবেচনায় রাখবো।
কিন্তু ছবিটা/ছবি দুটো আসলে কার? এখানে একটা ছবি আছে, দেখেন তো মিলে কিনা![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
আপু, আমি যে বউয়ের প্রতি অনেক অনুগত, এটা তো আমি তাকে দেখাই না, সে-ই বরং ধমক-ঠমক, মেজাজ-মর্জি- আর-----আর অনুরাগ দিয়ে দেখিয়ে/বুঝিয়ে দেয়![]()
![]()
![]()
![]()
যাক ভালো লাগলো মন্তব্যে। শুভ কামনা প্রিয় আপু![]()
![]()
২৫|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৯:৪৮
আশরাফুল ইসলাম দূর্জয় বলেছেন:
কবিতার বিবর্তন গুলি বার বার পড়ার মত।
পোস্টে ভালোলাগা।
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১:৫১
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ আশরাফুল ইসলাম দূর্জয়। একটা ইন্টারেস্টিং বিষয় আপনার নজরে পড়েছে দেখে ভালো লাগলো।
২৬|
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:৩০
তিথির অনুভূতি বলেছেন: মহাকাব্য ভালো লাগল **
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১:৫২
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
মহাকাব্য ভালো লাগলো জেনে আমারও ভালো লাগলো**
ধন্যবাদ**![]()
![]()
![]()
![]()
২৭|
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১:১০
হিবিজিবি বলেছেন: আপনার লেখার হাত চমৎকার!! কয়জন পারে এমন চমৎকার ভাবে বর্ণনা করতে!!
তবে আপনি যে সেই কাল থেকেই ধরা খেয়ে যাচ্ছেন তা কিন্তু বোঝা যায়!!
কোথায় যেন পড়েছিলাম...প্রতিটা ব্যর্থ প্রেমের কবিতা নাকি বুঝায় কবির সাথে প্রেমিকার মিলন হয়েছিল আর সফল প্রেমের কবিতা নাকি বুঝায় কবি প্রেমিকাকে কোনদিন নিজের মতো করে পায়নি!!
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১:৫৮
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: উপরে ভুলে আপনার নাম হিজিবিজি লিখেছি। এখন খেয়াল করে সঠিক নামটা দেখলাম। কেমন হয়, হিজিবিবি![]()
![]()
আচ্ছা, আপনার সূত্রটা চন্ডিদাসের প্রেমসূত্র হিসাবে এ শতাব্দীর বড় আবিষ্কার মনে হচ্ছে![]()
কে এর উদ্ভাবক, তা জানতে মনটা ব্যাকুল হচ্ছে খুব![]()
![]()
![]()
এবার বলুন, প্রেমিকার সাথে কবির মিলন হয়েছিল, নাকি হয় নি![]()
![]()
![]()
![]()
২৮|
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ২:৪৭
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন:
একটা কবিতা মনে করতে চাইছিলাম, ওটাও জীবনসঙ্গী নিয়ে, শুধু মনে আছে চতুরমাত্রিক ব্লগে আপনার প্রথম কবিতা ছিল ওটা।
ভাল থাকবেন।
২৫ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:০৮
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: চতুর্মাত্রিকের কথা ভুলে গিয়েছিলাম। আপনার কথায় ওখানে গেলাম, দেখি কী- পাসওয়ার্ড ভুলে গেছি![]()
অনেক গুঁতাগুঁতি করে পাসওয়ার্ড উদ্ধার করলাম। ওখানে নিচের কবিতাটি পোস্ট করেছিলাম, যাতে আপনার কমেন্ট ছিল সবার উপরে :
চলো, আজ প্রেম করি
(তারিখঃ ৯ অক্টোবর ২০১০, ৩:৪৩ পূর্বাহ্ন)
চলো তবে, আজ খানিকটা সময় প্রেম করা যাক
এই অমৃত-ঝরা ফাল্গুনের পথে
হাতটি বাড়াও, চলো আজ ফিরে যাই বহু বহু দূরে
গেরস্থালির খুনসুটি আজ থাক
বহুদিন ভোরের সূর্য দেখি না, দেখি না প্রেমাস্পদ চাঁদ
অভিমানে হেঁটে গেছে গন্ধমুখর হাসনাহেনার রাত সুগোপনে
ভুলে গেছি ওষ্ঠের স্বাদ
জীবন ফুরালো কখন? খেয়ালও করি নি মরে গেছে যৌবন-তুফান।
শুকালো প্লাবন। থেমে গেছে মিথুনরঙিন সব সুর ও গান।
কতোটুকু বাকি আছে আর? সব ছেড়েছুঁড়ে
চলো আজ প্রেম করি অবেলার পেলব রোদ্দুরে।
******
কবিতাটার কথা মনে রেখেছেন জেনে সত্যিই কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। আপনার উপস্থিতি পোস্টের ঔজ্জ্বল্য বাড়ায়। সব সময় ভালো থাকুন।
২৯|
২৫ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:২২
রেজোওয়ানা বলেছেন: আপনার প্রথম প্রেমটা তো দারুন মিষ্টি প্রেম ছিল
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১১:০২
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: দারুন মিষ্টি প্রেম ছিল, না? কতো কিলঘুষি আর কামড় যে খেলাম- এ কষ্টের দাগ কি পিঠে লেগে নেই আজও?![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
৩০|
২৫ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:৪৮
গাধা মানব বলেছেন: কোবতে লিখনের কারন তাইলে এই।
২৫ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১১:০৪
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: জি, এ হলো কারণ![]()
![]()
![]()
৩১|
২৬ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:১২
ব্লগপাতায় কামরুন নাহার বলেছেন: "আমি অহনাকে অতি চমৎকারভাবে কবিতাটার অর্থ বুঝিয়ে দেব। সে বিস্ময়ে ডগমগ হয়ে শুধু এ কথাটাই বলবে, ‘তোর মতো কবি হয় না রে পাগল; তুই একদিন অনেক বড় কবি হবি!"...চমৎকার... !!
২৬ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:২৩
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এই দুপুরে হঠাৎ কোথা থেকে? ![]()
(ওখানে অবশ্য কেবল সকাল, তাই না?)
আজকের দিনটা খুবই ব্যস্ততায় যাচ্ছে। সকালে নামাজের পর ঘুমে স্বপ্ন দেখতে দেখতে টায়ার্ড, এত্ত কঠিন ছিল স্বপ্ন![]()
৯টার দিকে স্বাধীনতা যু্দ্ধের উপর এক আলোচনা অনুষ্ঠান। ১১টায় একটা প্রীতি ভলিবল ম্যাচ- ২-১ সেটে হেরে গেছি![]()
স্কোর ১৫/১৩, ১৪/১৬, ১৩/১৫। লাঞ্চ করতেও কষ্ট হলো
এখন ব্লগিংয়ে ব্যস্ত। ৪টায় টি-টেন ক্রিকেট, ভলিবলে যাদের কাছে হেরেছি ওদের সাথে
জেতার কোনো বিকল্প নেই![]()
রাতে একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যাবার আগে কিছুক্ষণ টিভি দেখবো ও ঘুমাবো
অনুষ্ঠান থেকে ফিরে এক কলিগের সাথে রুমে আড্ডা দেবো![]()
![]()
আমার একটা ভালো লাগা অংশ উদ্ধৃত করেছেন। অনেক ধন্যবাদ, এবং স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা।
৩২|
২৬ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৪১
ব্লগপাতায় কামরুন নাহার বলেছেন: মেঘহীন আকাশ সোনা ঝরা রোদ...স্বাধীনতা দিবসের ব্যস্ততা শুধু মনে...
"এই দুপুরে হঠাৎ কোথা থেকে? (ওখানে অবশ্য কেবল সকাল, তাই না?)আজকের দিনটা খুবই ব্যস্ততায় যাচ্ছে। সকালে নামাজের পর ঘুমে স্বপ্ন দেখতে দেখতে টায়ার্ড, এত্ত কঠিন ছিল স্বপ্ন ৯টার দিকে স্বাধীনতা যু্দ্ধের উপর এক আলোচনা অনুষ্ঠান। ১১টায় একটা প্রীতি ভলিবল ম্যাচ- ২-১ সেটে হেরে গেছি স্কোর ১৫/১৩, ১৪/১৬, ১৩/১৫ লাঞ্চ করতেও কষ্ট হলো এখন ব্লগিংয়ে ব্যস্ত। ৪টায় টি-টেন ক্রিকেট, ভলিবলে যাদের কাছে হেরেছি ওদের সাথে জেতার কোনো বিকল্প নেই রাতে একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যাবার আগে কিছুক্ষণ টিভি দেখবো ও ঘুমাবো অনুষ্ঠান থেকে ফিরে এক কলিগের সাথে রুমে আড্ডা দেবো
আমার একটা ভালো লাগা অংশ উদ্ধৃত করেছেন। অনেক ধন্যবাদ, এবং স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা"...
সব ব্যস্ততা আনন্দ মুখোর হোক...স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছা...!!
২৬ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০১
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ক্রিকেট খেলে এলাম। টি-টেন ম্যাচ ছিল। অর্থাৎ প্রতি দল ১০ ওভারের ইনিংস খেলেছে
ম্যাচটি যে বাংলাদেশ-পাকিস্তান ম্যাচের উত্তেজনাকেও টপকে যাবে তা আমরা আগেভাগেই অনুমান করেছিলাম
যাই হোক, টসে হেরে আমাদের দল বোলিংয়ে নামলো। দুর্দান্ত বোলিং
ব্যাটসম্যান উঠেই দাঁড়াতে পারছিল না
প্রতিপক্ষের রানের গতিচিত্র নিচের মতো ছিল![]()
১ম ওভার শেষে: ৩/০
২য় ওভার শেষে:১০/০
৩য়: ১২/২
৪র্থ: ১৫/৩
৫ম: ১৯/৪
৬ষ্ঠ: ২৩/৪
৭ম: ২৭/৫
৮ম:৩১/৭
৯ম:৩৮/৮
১০ম: ৪০/৯
আমাদের রান তাড়া করার দশা দেখেন ![]()
১ম ওভার শেষে :১/০
২য় ওভার শেষে: ৩/১
৩য়: ৭/১
৪র্থ : ১০/২
৫ম : ১৩/৩
৬ষ্ঠ : ১৬/৪
৭ম : ২১/৫
৮ম : ২৭/৫
৯ম : ৩৫/৭
৯.১ : ৪১/৭
শেষ ওভারে ৬ বলে ৬ দরকার ছিল, কিন্তু ১ম বলেই একটা ৬ মেরে দিলে দর্শকরা উল্লাসে আসমান জমিন কাঁপিয়ে মাঠে নেমে পড়ে
২ ওভারে মাত্র ২ রান দিয়ে, এবং ব্যাটিঙে ১০ রান (সর্বোচ্চ স্কোর) করে অল-রাউন্ড কৃতিত্বের জন্য আনোয়ারকে ম্যান অব দ্য ম্যাচ নির্বাচন করা হয়![]()
ভালো কথা, আমি কিন্তু খেলোয়াড় না
নির্বাচক![]()
আর আপনার জ্ঞাতার্থে জানাচ্ছি যে টেনিস বলে লাল টেপ পেঁচিয়ে ক্রিকেট বল বানানো হয়েছিল![]()
![]()
![]()
৩৩|
২৬ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১১:২২
নাজনীন১ বলেছেন: ব্লগার হিবিজিবির আবিষ্কার অসাধারণ! নোবেল পাওয়ার যোগ্য!
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:১৪
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আপনি যেহেতু এতো করে বলছেন, তাঁকে 'প্রেমদর্শন' বিভাগে একটি অ-মূল্য 'নোবেল পুরস্কার' বিজয়ী ঘোষণা করলাম। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে পুরস্কারটি হস্তান্তরের জন্য জমকালো অনুষ্ঠান আয়োজনের ব্যবস্থা করুন![]()
![]()
৩৪|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৪:০৩
ব্লগপাতায় কামরুন নাহার বলেছেন: আহা! স্কোর-বোর্ড দেখে ঐতিহাসিক এশিয়া একাদশের কথা মনে পড়লো..
অনেক অভিনন্দন!!
ওহ ভালো কথা তিন রানে কিন্তু আমরাই জিতেছি শুধু খেলার মাঠে আপিল করার আইন জানলেই হতো...![]()
কাপ পাওয়াটাই তো বড় কথা না (আঙ্গুর টক) বারো বছর ক্রিকেট খেলেও আমরা কেন খেলার আইন জানলাম না সে আফসোস করেই বা লাভ কি?
ভবিষ্যতে যেন এই অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে পারি এটাই ক্রিকেট প্রেমিকদের চাওয়া।
মহান স্বাধীনতা দিবসের দুর্দান্ত ক্রিকেট খেলার নির্বাচককেও অনেক অভিনন্দন...
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৭
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এশিয়া ম্যাচে ৫ রান প্রাপ্তি/কর্তনের ব্যাপারে আমার মতামত খুব কড়া এবং স্পষ্ট। ম্যাচ শেষ হবার কয়েকদিন পর এ অভিযোগ উত্থাপনের মাধ্যমে আমাদের ক্রিকেটআইন সম্বন্ধে অজ্ঞতা প্রকটভাবে প্রকাশ পেয়েছে একদিকে, অন্যদিকে মানসিক নিচুতাও। খেলা চলাকালীন সময়ে ও-সব হয়ে থাকে কমবেশি সব ম্যাচেই। এটা খেলার একটা অংশই। তবে জেনুইন কারণ থাকলে তা যথাসময়ে যথাযথভাবে উপস্থাপন করতে হবে। ব্যাটসমানের সাথে সংঘাতে রান নষ্ট হওয়ার ব্যাপারটা মেনে নিয়েই পুরো স্টেডিয়াম ভর্তি মানুষ উত্তেজনায় কাঁপছিলেন। ঐ অবস্থায় জেতার মধ্যে যে গৌরব, এভাবে ৫ রান চেয়ে জেতার মধ্যে তা নেই। ঐদিন এ দেশের মানুষ চোখের পানি ফেলেছেন ক্রিকেটের জন্য। এই হারের মধ্যে দিয়ে ক্রিকেটাররা আমাদের হৃদয়ের গভীরে ঢুকে গেছেন, তাঁরা এখন আমাদের আত্মার অংশ। এটা ক্রিকেটের জয়।
এসব অভিযোগ দাখিল করে আমরা আমাদেরকে, এবং আমাদের ক্রিকেটারদেরকেই হেয় করেছি।
৩৫|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩০
নীল-দর্পণ বলেছেন: প্রিয় বান্ধবীদের বিয়ে হয়ে গেলে উঠতি যৌবনে আমরা সবগুলো ছেলেবন্ধু পারস্পরিক শত্রুতা ভুলে দল বেঁধে দেবদাস হতাম।
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৯
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
আমাদের বান্ধবীরা আজকাল বড্ড উদার ও অমায়িক। স্বামী ও সংসার বিলকুল ঠিক রেখে নিত্যনৈমিত্তিক আচারের মতোই ওরা আমাদের নিয়মিত প্রেম সম্প্রদান করে![]()
![]()
![]()
![]()
এসব রম্যকথা স্ত্রীদের জন্য নয়; এ হলো প্রিয় সহপাঠিনীর প্রতি অনাঢ্য প্রেমিকগণের অভবিষ্য প্রেমবাঞ্ছা![]()
![]()
![]()
![]()
৩৬|
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৩
সানড্যান্স বলেছেন: চমতকার পোস্ট
২৭ শে মার্চ, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৭
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ।
৩৭|
২৮ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:১০
রেজওয়ান তানিম বলেছেন: চমৎকার লিখেছেন।
আজকাল কার ছেলেছোকরার প্রেম গুলো জানি কেমন কেমন
দেখনেদারির পরিমান অনেক বেশি।
ভাল লাগল পোস্ট
২৮ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৪১
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ রেজওয়ান মাহবুব তানিম।
৩৮|
২৮ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১:১৯
ব্লগপাতায় কামরুন নাহার বলেছেন: ক্রিকেট ফাইনালের পর আপিল করার কথা শুনে আপনার মতো আমিও চিন্তা করেছিলাম পরে ভাবলাম অনেক সময় বিতর্কিত ইস্যু উত্থাপন করলে ফিউচার প্লানিং এ সুবিধা হয়।
“এই হারের মধ্যে দিয়ে ক্রিকেটাররা আমাদের হৃদয়ের গভীরে ঢুকে গেছেন, তাঁরা এখন আমাদের আত্মার অংশ। এটা ক্রিকেটের জয়”...
একমত এবং এটাই সান্ত্বনা।
২৯ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৫৯
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: এখানে একটা কবিতা সাইটের লিংক আছে। নিচে লুতফুল বারি পান্না এ সাইটটির কথা উল্লেখ করেছেন। বাংলা কবিতার উপর মনে হয় এটাই প্রথম সাইট। ২০০১/২০০২ সনের দিকে এ সাইটি চালু হয়। মজার বিষয় হলো, তখন ইংরেজি অক্ষরে বাংলা লিখতে হতো। কী যে কষ্ট![]()
![]()
![]()
কিছুদিন পরে ইমেজ ফরম্যাটে কবিতা এ্যাটাচ করার বন্দোবস্ত হলো
এভাবে একদিন দেখা গেলো এখানে বাংলা লিখবার ব্যবস্থাও হয়ে গেছে। এ সাইটটি কবিতা আলোচনার জন্য সমৃদ্ধ।
ঘুম পাচ্ছে। কী লিখছি, বা গুছিয়ে লিখেছি কিনা আগামীকাল দেখবো![]()
কাল সকালে একটা খেলা খেলতে যাচ্ছি। এ খেলাটা প্রথম খেলি ২০০৫ সনের দিকে। আমার স্কোর ছিল ৮১। এরপর হয় ৭৮। এরপর ৯০। ৭২। ৬৫.....আজ ৫৩। আমি একেবারেই নবিশ। আমার ছেলে আজও বিশ্বাস করতে পারে না যে এ খেলাটা আমি খেলতে পারি। আমি খেলবার সময় সে হঠাৎ সামনে পড়ে গেলে উৎসুক হয়ে আমার খেলা দেখে। তার স্কোর অবশ্য আমার চেয়ে অনেক ভালো। .... খেলাটা কী, আন্দাজ করুন![]()
![]()
৩৯|
২৮ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৪৬
সাকিন উল আলম ইভান বলেছেন: অসাধারন ভাইয়া ।
সেইভ করে রাখলাম পিসিতে ।
৩০ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:০০
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ সাকিন উল আলম ইভান। শুভেচ্ছা জানবেন।
৪০|
২৮ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৫০
লুতফুল বারি পান্না বলেছেন: মঞ্চ থেকেই আপনার লেখার ভক্ত আমি।
কিছু কিছু লেখার স্টাইল খুব সহজবোধ্য আবার একই সংগে রিচ।
আপনার লেখাগুলো তেমন। সহজেই বোঝা যায় অথচ চাইলেই স্টাইলটা ফলো করা যায় না। এত নিখুত এবং ইউনিক সব ডিটেলসের কাজ থাকে যেগুলো আয়ত্ব করতে হলে রীতিমত গবেষণা করা দরকার। এমন কিছু গদ্য আছে শ্রীদর্শিনীর আপনি তাকে সাগরলীনা নামে চিনবেন। একসময় মঞ্চে ঐ নামে লিখত।
৩০ শে মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:২৩
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কবিতা মুক্তমঞ্চের উল্লেখ করায় কিছুটা নস্টালজিক হলাম, যা উপরে কামরুন্নাহারের মন্তব্যে বলেছি। অনেক দিন পর্যন্ত ঐ একটা সাইটই ছিল বাংলা কবিতার উপর, যা ছিল অন্যদিকে কবিদের মিলনমেলা। মাঝে মাঝে কবিতার উপর চমৎকার বিতর্কও দেখা যেত।
সাগরলীনার কথা মনে পড়ে। তাঁর কবিতা পড়েছি। ভালো লেখেন।
এই সাইটে আপনার কিছু কবিতা পড়লাম। আমি খুব মুগ্ধ হয়েছি আপনার কবিতায়। যে-কজন গুটিকতক কবি খুব ভালো কবিতা লেখেন ব্লগে, নিশ্চিত আপনি তাঁদের একজন। সহজাত ক্ষমতায় অন্ত্যমিল সৃষ্টিতে আপনি অদ্বিতীয়।
ব্লগে নিয়মিত আসবেন এ প্রত্যাশা।
৪১|
৩০ শে মার্চ, ২০১২ দুপুর ২:৩৬
প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার বলেছেন: কয়েকটা পড়লাম, আবার আসতে হবে..আপনি অনেক সুন্দর লিখেন।
৩০ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১১:৫০
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কয়েকটা পড়েছেন জেনে অনেক ভালো লাগলো প্লিওসিন অথবা গ্লসিয়ার। শুভ কামনা।
৪২|
৩০ শে মার্চ, ২০১২ রাত ৮:৪২
ব্লগপাতায় কামরুন নাহার বলেছেন:
খেলাটা আন্দাজ করতে পারছি না বলে দুঃখিত তবে ক্রিকেট যে নয় তা বুঝতে পারছি...
আশা করছি “এত্ত কঠিন ছিল স্বপ্ন’’ আর খেলার বিস্তারিত ঘটনা পরবর্তী পর্বে জানতে পারবো ...![]()
অনেক শুভকামনা...!!
৩১ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:০১
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ক্রিকেট যে নয়, তা যে গবেষণা করে বের করেছেন সেজন্য আপনাকে ধন্যবাদ না জানাতে পারলে আমি কেঁদে ফেলবো![]()
![]()
![]()
আজ আমার স্কোর ছিল : ৬+৭+৬+৬+৪+১২+৬+৪+৭=৫৮। গতকাল ছিল : ৬+৪+৬+৬+৩+৬+৬+৬+১০=৫৩
একটা ক্লু দিচ্ছি, যাঁরা এ খেলটা খেলেন, তাঁরা আমার এ স্কোর কার্ড দেখে অতি সহজেই বিচার করে ফেলবেন আমি কতো বড় মাপের এক মহান খেলোয়াড়!!!!!![]()
![]()
![]()
![]()
![]()
এতেও যদি না বোঝেন তবে স্থিরচিত্রের সাহায্য নেয়া ছাড়া আমার কোনো গতি থাকবে না![]()
![]()
৪৩|
৩১ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:৪২
ব্লগপাতায় কামরুন নাহার বলেছেন: আহা রাজ কপাল! ধন্যবাদের জন্য ধন্যবাদ!!
স্কোর দেখে বুঝা যাচ্ছে গতকালের চেয়ে আজ উন্নতি...
খেলাটা ফিটনেস টেস্ট জাতীয় কোন খেলা হবে...
আর চিন্তা করা যাচ্ছে না...![]()
স্থিরচিত্র দেখলে সঠিক বলা অসম্ভব নয়...
৩১ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১২:৪৯
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
অনেকটা এরকম ![]()
![]()
![]()
![]()
৪৪|
৩১ শে মার্চ, ২০১২ রাত ১:২২
ব্লগপাতায় কামরুন নাহার বলেছেন: Hahaha…Golf … ![]()
![]()
Thank you…
০১ লা এপ্রিল, ২০১২ রাত ১১:৪৬
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
অবাক হলাম, কীভাবে পারলেন![]()
![]()
![]()
![]()
৪৫|
০২ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ১:১৯
ব্লগপাতায় কামরুন নাহার বলেছেন: অবাক হলাম খেলা দেখে...
সাপকে অনেক ভয় পাই...
সাপ নিয়ে যে খেলে তাকেও...
এ লেখার উত্তর দিলেও আর দেখতে পারবো না বলে দুঃখিত।
শুভকামনা!!
০২ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:১৩
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: সাপকে অনেক ভয় পাই...। আমিও![]()
![]()
সাপ নিয়ে যে খেলে তাকেও...। কারণ কী? ![]()
![]()
এ লেখার উত্তর দিলেও আর দেখতে পারবো না বলে দুঃখিত। এটারও কারণ জানা দরকার![]()
![]()
৪৬|
০২ রা এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০০
সোমহেপি বলেছেন: এই পোস্টটা ই চাচ্ছিলাম।এমন একটা পোস্ট।
০২ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ৯:৫৫
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমি জানতাম আপনি এটাই চাইবেন![]()
এজন্য এ পোস্টটা আপনার জন্যই ![]()
![]()
![]()
ধন্যবাদ।
৪৭|
০২ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ৮:৫৪
সাকিব। বলেছেন: ভাল লাগলো পোষ্টটা
০২ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ৯:৫৬
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ সাকিব।
৪৮|
০৭ ই এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:৪৮
রাহি বলেছেন: নারী
০৭ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ১০:০৩
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন:
নারী একজন পুরুষের নাড়ি!!!![]()
![]()
![]()
৪৯|
১২ ই এপ্রিল, ২০১২ রাত ৮:৫২
বর্ণচোরা বলেছেন: superb..
১৩ ই এপ্রিল, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০১
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ।
৫০|
২২ শে এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৩:৫৮
হাসনাত মহসীন বলেছেন: এক কোথায় অনবদ্য !! ভীষণ ভালো লাগলো।
২২ শে এপ্রিল, ২০১২ বিকাল ৪:০৩
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ হাসনাত মহসীন। আমার ব্লগে স্বাগতম।
৫১|
০১ লা মে, ২০১২ রাত ৩:৩৭
shapnobilash_cu বলেছেন: ভাল লাগলো বেশ। অনেকদিন পর ব্লগ পড়লাম, পুষিয়ে গেছে সময়টা। ভাল থাকবেন।
০১ লা মে, ২০১২ সকাল ১০:০৩
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ধন্যবাদ স্বপ্নবিলাসী।
৫২|
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:০৩
একজন আরমান বলেছেন:
কি লিখবো?
আপনার লেখা সংকলন পড়ে বুকের মাঝে কেমন জানি ছ্যাঁত ছ্যাঁত করে উঠেছিল।
আর কবিতা ?
অনেক জায়গাতে নাদানই আছি !
১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৪ বিকাল ৫:৪৩
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: কীভাবে উত্তর দিব- সেটা ভাবছি ![]()
থাক, ওটা না ধরেই বলি ![]()
ইনস্ট্যান্টলি এত পুরোনো পোস্টে নজর দেয়াতে অনেক খুশি হলাম এবং সেজন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ও শুভ কামনা।
এই তো, ওভাবেও পারা গেলো ![]()
©somewhere in net ltd.
১|
২৪ শে মার্চ, ২০১২ বিকাল ৩:৪৩
বাংলাদেশী পোলা বলেছেন: একটি ফাউল লেখা পড়ে বমি আসছে।