| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ফারুক৫৫
সুরা আল-যুমার(৩৯) আয়াত ১৮ যারা মনোনিবেশ সহকারে কথা শুনে , অতঃপর যা উত্তম , তার অনুসরন করে। তাদেরকেই আল্লাহ পথ প্রদর্শন করেন এবং তারাই বুদ্ধিমান।
সুরা বণী ইসরাঈল(১৭) আয়াত ১১০
“বলুন, আল্লাহ বলে আহবান কর কিংবা রহমান বলে , যে নামেই আহবান কর না কেনো , সব সুন্দর নাম তারই। আপনি নিজের নামাজ আদায়কালে স্বর উচ্চগ্রাসে নিয়ে পড়বেন না এবং নিঃশব্দেও পড়বেন না। এতদুভয়ের মধ্যমপন্থা অবলম্বন করুন।"
কোরানে সুস্পষ্ট নির্দেশ দেয়া হয়েছে , নামাজ মধ্যমস্বরে পড়ার জন্য। নিঃশব্দে ও পড়া যাবে না বা উচ্চস্বরেও পড়া যাবেনা। কিন্ত আমরা দেখতে পাইযে , আজ আমরা সকলে নামাজ পড়ার সময় , জোহরের ও এশার শেষ ২ রাকয়াত, মাগরেবের ৩য় রাকয়াত ও সম্পুর্ন আছরের ৪ রাকয়াত নিঃশব্দে পড়ি। এটা পুরোপুরিই কোরানের সুস্পষ্ট নির্দেশের পরিপন্থি।
আলেমরা এর স্বপক্ষে হাদীস, ইজমা , কিয়াসের অবতারনা করেন , যা মানবসৃষ্ট। যেখানে রসূলেরই কোন ক্ষমতা ছিলনা কোরানের পরিপন্থি কোন নির্দেশ দেয়ার , সেখানে আলেমদের কোরানের পরিপন্থি কোন নির্দেশ দেয়ার ক্ষমতা থাকার প্রশ্নই ওঠেনা।
এখন সকলেরই চিন্তা করা উচিৎ , আমরা সঠিকভাবে নামাজ পড়ছি কিনা?
১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:০৭
ফারুক৫৫ বলেছেন: আমিও আপনার সাথে একমত।
২|
১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:১১
মোহাম্মদ লোমান বলেছেন: ভাই আপনি যে 'নামাজ 'শব্দটি বার বার উচ্চারণ করছেন এ'টি কি কুরআনের কোন যায়গায় উল্লেখ আছে? যে সব নামাজ নিঃশব্দে পড়া হচ্ছে বলে আপনি মনে করছেন আসলে তা নিঃশব্দে নয় মৃদু শব্দে পড়া হয়। নিঃশব্দে পড়লে নামাজ হবে না। সুতরাং এটাকে বিতর্কের বিষয় না বানালে কি ভাল হয় না?
১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৭
ফারুক৫৫ বলেছেন: নামাজ বলেছি কারন, বাঙালী মুসলমানদের মধ্যে এই শব্দটিই সালাতের থেকে বেশি প্রচলিত। কোন শব্দ ব্যবহার করলাম সেটা বড় কথা নয় , আমার কথা মানুষ বুঝলো কিনা সেটাই আসল।
আমি তো ভাই কোন বিতর্ক সৃষ্টি করিনি , কোরানের আয়াত কে উল্লেখ করেছি। এখন সকলেই জানুক আল্লাহ কিভাবে নামাজ পড়তে বলেছেন। আমি কি মনে করলাম তাতে কিছুই যায় আসে না। আপনি মৃদু শব্দে পড়ছেন নাকি নিঃশব্দে পড়ছেন , তা আল্লাহ্ই ভালো জানেন।
৩|
১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৩৯
সবাক বলেছেন: নামাজ পড়ারইবা দরকার কি?
১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৪৭
ফারুক৫৫ বলেছেন: যেদিন বুঝবেন , সেদিন আর এই প্রশ্ন করবেন না। সেইদিনের অপেক্ষায় থাকলাম।
৪|
১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ২:৫৬
সচেতন বলেছেন: আমিতো কাউকে নিঃশব্দে নামাজ পড়তে দেখলাম না, বা নিজেও পড়লাম না। নি:শব্দ তখনই সম্ভব যদি ঠোঁট না নাড়াই, মানে মনে মনে পড়ি। কিন্তু মনে মনে পড়লে হবেনা সেটা সম্ভবত আমরা সবাই জানি। সুতরাং যখন ঠোঁট নাড়িয়ে উচ্চারণ করছি তখন জিহবাও নড়ছে আর তখন ফিস ফিস করে হলেও তেলয়াত হচ্ছে। সুতরাং আমি সত্যিই বুঝতে পারছিনা আপনি আসলে কি বুঝাতে চাইছেন।
আমারতো মনে হচ্ছে আমরা ঠিকই করছি।
১০ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৩:১৩
ফারুক৫৫ বলেছেন: আপনার যদি মনে হয় আপনি ফিস ফিস করে পড়ছেন , তাহলে আমি বলার কে? আমি কোরানের অনুবাদটা তুলে ধরেছি। এখন যার যার বুঝ অনুযায়ী নামাজ পড়ুন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ।
৫|
১০ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৩৬
আবিদুর রহমান বলেছেন: আসলে আমাদেরকে কোরআনের দিকেই ফিরে যেতে হবে। সকল প্রকারের ধর্মীয় কুসংস্কার, আলেমদের ভ্রান্ত অন্ধ অনুসরণ আর জাল হাদীসের বেড়াজাল থেকে এবং সর্বোপরি এই লাঞ্চিত অবস্থা থেকে মুসলিম জাতি মুক্তি পেতে পারে কুরআনের সঠিক অনুসরণের মাধ্যমে।
সহমত @ লেখক
১০ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৪:৪১
ফারুক৫৫ বলেছেন: ধন্যবাদ সহমতের জন্য।
৬|
১০ ই জুলাই, ২০০৯ বিকাল ৫:৫২
আবদুল ওয়াহিদ বলেছেন:
ধর্ম আর ধর্মতত্ত্বকে এক করে দেখলে এই ধরনের সমস্যার শুরু হয়।
সহমত।।
১০ ই জুলাই, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:১০
ফারুক৫৫ বলেছেন: সহমতের জন্য ধন্যবাদ।
ধর্ম আর ধর্মতত্ত্ব বলতে কি বোঝাতে চেয়েছেন?
৭|
১৭ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ৩:০৪
আব্দুর রহমান বলেছেন: আসসালামু আলাইকুম,
ভাই কুরআনকে বুঝতে হলে সামগ্রীকভাবে বুঝতে হবে। আর বাংলা তরজমা দিয়ে একদম আরবীর মত করে কুরআন বুঝা সম্ভব নয়।
আপনি এই জায়গায় যে কথাটি বলেছেন, সেটি প্রসঙ্গ ছাড়া হয়েছে।
আমি কোরআনকে যতিচিহ্ন সহ পৃথক পৃথকভাবে পাঠের উপযোগী করেছি, যাতে আপনি একে লোকদের কাছে ধীরে ধীরে পাঠ করেন এবং আমি একে যথাযথ ভাবে অবতীর্ণ করেছি।(১৭:১০৬)
বলুনঃ তোমরা কোরআনকে মান্য কর অথবা অমান্য কর; যারা এর পূর্ব থেকে এলেম প্রাপ্ত হয়েছে, যখন তাদের কাছে এর তেলাওয়াত করা হয়, তখন তারা নতমস্তকে সেজদায় লুটিয়ে পড়ে।(১৭:১০৭)
এবং বলেঃ আমাদের পালনকর্তা পবিত্র, মহান। নিঃসন্দেহে আমাদের পালকর্তার ওয়াদা অবশ্যই পূর্ণ হবে। (১৭:১০৮)
তারা ক্রন্দন করতে করতে নতমস্তকে ভুমিতে লুটিয়ে পড়ে এবং তাদের বিনয়ভাব আরো বৃদ্ধি পায়। [ সেজদাহ ] (১৭:১০৯)
বলুনঃ আল্লাহ বলে আহবান কর কিংবা রহমান বলে, যে নামেই আহবান কর না কেন, সব সুন্দর নাম তাঁরই। আপনি নিজের নামায আদায়কালে স্বর উচ্চগ্রাসে নিয়ে গিয়ে পড়বেন না এবং নিঃশব্দেও পড়বেন না। এতদুভয়ের মধ্যমপন্থা অবলম্বন করুন। (১৭:১১০)
বলুনঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি না কোন সন্তান রাখেন, না তাঁর সার্বভৌমত্বে কোন শরীক আছে এবং যিনি দুর্দশাগ্রস্ত হন না, যে কারণে তাঁর কোন সাহয্যকারীর প্রয়োজন হতে পারে। সুতরাং আপনি স-সম্ভ্রমে তাঁর মাহাত্ন বর্ণনা করতে থাকুন। (১৭:১১১)
এই জায়গায় "আপনি নিজের সালাত আদায়কালে" এর মানে কি জামাতে ওয়াক্তের সালাত বুঝাচ্ছে?
কুরআন বুঝে পড়ুন। আর একা একা নিজের মনগড়া ব্যাখ্যা দিতে যাবেন না। তাহলে বিভ্রান্ত হয়ে পড়বেন। আপনি যে, //আলেমরা এর স্বপক্ষে হাদীস, ইজমা , কিয়াসের অবতারনা করেন , যা মানবসৃষ্ট।// এই কথাটি বললেন, তার প্রমাণ দেওয়া উচিত ছিল। আপনার দেখানো উচিত ছিল, কোন জাল হাদীস তারা ব্যবহার করেছেন কিনা।
রাসূল (স) হচ্ছেন জীবন্ত কুরআন কারণ উনি কুরআনের আদেশগুলো তাঁর নিজের জীবনে বাস্তবায়ন করে আমাদের দেখিয়ে দিয়ে গেছেন যে কিভাবে মহান আল্লাহর ইবাদত করতে হবে। আশাকরি ব্যাপারটি বুঝতে পেড়েছেন।
মহান আল্লাহ আমাদের সঠিক বুঝ দান করুন। আমীন।
১৭ ই জুলাই, ২০০৯ ভোর ৪:২৬
ফারুক৫৫ বলেছেন: "এই জায়গায় "আপনি নিজের সালাত আদায়কালে" এর মানে কি জামাতে ওয়াক্তের সালাত বুঝাচ্ছে? "
এটা দিয়ে কি বুঝাচ্ছে , সেটা একটু খোলাসা করুন।
৮|
১৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৩৪
আব্দুর রহমান বলেছেন: হযরত ইবনে আব্বাস বলেন, মক্কায় নবী করীম (স) কিংবা তাঁহার সাহাবীগণ সালাতে উচ্চস্বরে কুরআন পাঠ করতেন, তখন কাফিরগণ হট্রগোল করতো। অনেক সময় তারা গালাগাল করেতো। এই জন্য নির্দেশ দেওয়া হল যে, কুরআন না এতটা উচ্চকন্ঠে পাঠ কর যাতে কাফিরগণ শুনতে পেয়ে দৌড়ে আসে আর হৈহুল্লুর করতে পারে। আর না এতখানি নিঃশব্দে পাঠ কর যে, সঙ্গের লোকদেরও শুনতে কষ্ট হয়। এই হুকুম শুধুমাত্র তখনকার পরিস্থিতির জন্য দেওয়া হয়েছিল। মদীনায় যখন অবস্থার পরিবর্তন হয় তখন আর এই নির্দেশটি কার্যকর ছিল না। তবে পুনরায় মক্কার মতো পরিস্থিতি যদি মুসলমানদের হয় তখন এই নির্দেশ অনুযায়ী আমল করা কর্তব্য হবে।
একটি বিষয় লক্ষ্যকরুন, এখানে কোন ওয়াক্তের সালাত তা নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি বা বিষয়টি এখানে সুস্পষ্ট নয়।
জোহর এবং আসরের সালাত রাসূল (স) কিভাবে পড়তের তার সুস্পষ্ট বর্ণনা সহীহ হাদীস থেকে আমরা জানতে পারি।
আবূ মা'মার (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা খাব্বার (রা) কে জিজ্ঞেস করলাম, রাসূল(স) কি জোহর ও আছর সালাতে কিরাআত পড়তেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমরা জিজ্ঞাসা করলাম, কি করে বুঝলেন? তিনি বললেন, তাঁর দাঁড়ি মুবারকের নড়াচড়ায়।
আবূ কাতাদাহ (রা) থেকে বর্ণিত, নবী করিম (স) জোহর ও আসরের প্রথম দু'রাকাআতে সূরা ফাতিহার সাথে আরেকটি সূরা পড়তেন। কখনো কোন আয়াত আমাদের শুনিয়ে পড়তেন এবং তিনি প্রথম রাকাআতে কিরাআত দীর্ঘ করতেন।
ইবনে আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (স) যেখানে কিরাআত পড়ার (সশব্দে) জন্য নির্দেশ পেয়েছেন, সেখানে পড়েছেন। আর যেখানে চুপ(নিঃশব্দে) থাকতে নির্দেশ পেয়েছেন সেখানে চুপ করে থেকেছেন। (আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ "নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য রাসূলল্লাহ (স) এর মধ্যে রয়েছে উত্তম আদর্শ।)
আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, প্রত্যেক সালাতেই কিরাআত পড়া হয়। তবে যে সব সালাতে রাসূলুল্লাহ (স) আমাদের শুনিয়ে পড়েছেন, আমরাও তোমাদের শুনিয়ে পড়ব। আর যে সব সালাতে আমাদের না শুনিয়ে পড়েছেন, আমারাও তোমাদের না শুনিয়ে পড়ব।
রাসূলুল্লাহ (স) বলেছেন, সালাত আদায় কর, যেভাবে আমাকে আদায় করেত দেখেছ।
নবী (স) এর মত করে সালাত আদায় না করলে সে সালাত গ্রহণযোগ্য হবে না। কারণ, তাঁর মাধ্যমে মহান আল্লাহ আমাদের শিখিয়েছেন কিভাবে সালাত আদায় করতে হয়।
"হে ঈমানদার লোকেরা! তোমরা আল্লাহর আনুগত্য কর এবং রাসূলের অনুসরণ কর আর নিজেদের আমল বিনষ্ট করো না*। (কুরআন ৪৭:৩৩)
* অন্যকথায়, আমলের কল্যাণকর ও ফলপ্রসূ হওয়ার ব্যাপারটি সম্পূর্ণরুপে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্যের উপর নির্ভরশীল। এই আনুগত্য হতে ভিন্ন পথ অবলম্বন করার পর কোন আমলই আর নেক আমল থাকতে পারে না- অর্থাৎ তা থেকে কোন শুভফল লাভ করার কোন আশায় করা যাবে না।
কুরআনের আইন-কানুন. বিধি-বিধান সম্পর্কে রাসূল(স) আমাদের যেভাবে শিখিয়ে দিয়ে গেছেন সেভাবেই করতে হবে। অন্য কোন মর্তবা গ্রহণযোগ্য হবে না।
আমি আগেই বলেছিলাম, কুরআনকে বুঝতে হবে সামগ্রিকভাবে। আর এটি একটি প্রতিষ্ঠিত বিষয় (আপনি মসজিদে নববী আর মক্কায় হেরেম শরীফে কিভাবে সালাত পড়া হয় সে দিকে খেয়ার করলেই বুঝবেন)। এই বিষয় নিয়ে তর্ক করে কোন সমাধানে আপনি পৌছাতে পারবেন না, শুধু বিভ্রান্তি ছড়াবে আর কুরআন বিরুদ্বচারীরা এর থেকে ফায়দা লুটবে। আমি এই বিষয়ে আর কোন মন্তব্য করব না। কারণ এটা কোন তর্কের বিষয় নয়। আশাকরি বিষয়টি বুঝতে পেড়েছেন।
১৮ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:২১
ফারুক৫৫ বলেছেন: "আলেমরা এর স্বপক্ষে হাদীস, ইজমা , কিয়াসের অবতারনা করেন , যা মানবসৃষ্ট। যেখানে রসূলেরই কোন ক্ষমতা ছিলনা কোরানের পরিপন্থি কোন নির্দেশ দেয়ার , সেখানে আলেমদের কোরানের পরিপন্থি কোন নির্দেশ দেয়ার ক্ষমতা থাকার প্রশ্নই ওঠেনা।"
আল্লাহ্র বাণী পরিবর্তন বা রদ করার ক্ষমতা কারো নেই।
৯|
১৮ ই জুলাই, ২০০৯ রাত ২:৫০
টোনা বলেছেন: ভালো পোস্ট ......
১৮ ই জুলাই, ২০০৯ সকাল ১১:২২
ফারুক৫৫ বলেছেন: ধন্যবাদ , কমেন্টের জন্য।
১০|
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০০
সিটিজি৪বিডি বলেছেন: হে আল্লাহ আমাদের সঠিক ভাবে নামায পড়তে তওফিক দান করুন।
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৫
ফারুক৫৫ বলেছেন: আপনার সাথে আমিও এই দোয়ায় শরিক হলাম।
১১|
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:১৯
মদন বলেছেন: হাদীস মানব সৃষ্ট, তাই হাদিস মানবেন না? এই মানব টা কে?
১২ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:১৪
ফারুক৫৫ বলেছেন: মানব টা হচ্ছে সেই সকল মানুষ , হাদীসে যাদের উদ্ধৃতি দেয়া হয়।
১২|
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:১৬
মদন বলেছেন: আমি অন্য সবার কথা বাদ দিলাম, হযরত আয়েশা (রা.) নিজেও অসংখ্য হাদিস বর্নননা করেছেন। আপনি বলতে চান সেসব তার নিজের বানানো?
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০৩
ফারুক৫৫ বলেছেন: আল্লাহ ভালো জানেন।
১৩|
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:০৬
মদন বলেছেন: আল্লাহ ভালো জানেন সেতো বুঝলাম, কিন্তু আপনার কথা শুনে মনে হলো আপনিও ভালোই জানেন, আপনি কি বলতে চাচ্ছেন সকল হাদিস মানুষের বানানো, কোনোটাই নবী(স.) এর কথা নয়??
১৩ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:৫৭
ফারুক৫৫ বলেছেন: নবীর কথা হতেও পারে নাও হতে পারে। নিশ্চিতভাবে জানার কোন উপায় নেই। একারনেই বলেছি : আল্লাহ ভালো জানেন।
কোরান যেহেতু সবিস্তারে বর্নীত গ্রন্থ , সেকারনে কোরান জানলেই হবে, হাদীসের দরকার নেই।
১৪|
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:২৪
মদন বলেছেন: আমি যতটুকু জানি কোরান যা বলেছে নবী (স.) নিজের জীবনে তা করে দেখিয়েছেন। অর্থাত কোরআনকে থিওরী বললে নবী(স.) এর জীবনকে প্র্যাকটিক্যাল উদাহরন ধরে নিতে পারি।
যার মাধ্যমে কোরান পেলাম তাকে জানবো না? তার কথা শুনবো না? হাদিস বলতে তো আমরা শুধু নবী(স.) কথাই বুঝি না, তার কর্মজীবনও বুঝে থাকি। এতো শক্তভাবে নবী (স.)কে ইগনোর করার কারন কি?
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৫৬
ফারুক৫৫ বলেছেন: যার মাধ্যমে কোরান পেলেন তাকে জানুন , এতে দোষের কিছুতো দেখি না। তবে তাকে পাচ্ছেন কোথায় যে তার কথা শুনবেন!! যে কেউ নিজের কথা তার নামে চালিয়ে দেয়াটা কি খুবই কঠিন কিছু। নবীকে কেউ ইগনোর করছে না। তিনি তার জায়গায় আছেন।
১৫|
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১২:০০
মদন বলেছেন: দুনিয়াতে তো কত কথাই কতজনের নামে চালানো হচ্ছে তাই বলে নবীর কথা বা তার আচার ব্যবহার, আদেশ নিষেধ, কর্মজীবন জানতে এবং মানতে সমস্যা কোথায়? হাদীস মানে তো এইগুলোই, তাই না?
১৪ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ১:৪২
ফারুক৫৫ বলেছেন: এখানেই ভুল করলেন। ধর্মীয় বিধি নিষেধ দেয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহ। এই কারনেই নবীর নামে চালানো বিধি নিষেধ পালন সমর্থন যোগ্য নয়।
১৬|
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:১৭
মদন বলেছেন: নবী(স.)র নামে চালানো সমর্থনযোগ্য নয় বুঝলাম, কিন্তু যেগুলো তিনি বলে গেছেন সেগুলো? বিধি-নিষেধ এর কথা নাহয় বাদ দিলাম, যেগুলো পরামর্শ-উপদেশ দিয়েছেন সেগুলো?
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৩:৩৮
ফারুক৫৫ বলেছেন: একটা কথা আছে না , ঠগ বাছতে গাঁ উজাড়। আপনি কিভাবে বুঝবেন কোনটা ঠিক আর কোনটা বেঠিক। বোখারী নবীর মৃত্যুর ২০০ বছর পরে যে পদ্ধতিতে সহী হাদীস ঠিক করেছেন , তা বিশ্বাসযোগ্য নয়।
কোরান যেহেতু সবিস্তারে বর্নীত গ্রন্থ , সেকারনে কোরান জানলেই হবে, হাদীসের দরকার নেই।
রসূল শুধু কোরান অনুসরন করতেন , কোরানের বাইরে অন্য কিছু অনুসরন করতে তাকে কঠোরভাবে নিষেধ করা হয়েছে কোরানে।
১৫ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৪:১০
ফারুক৫৫ বলেছেন: ১১) সূরা হুদ আয়াত ১
আলিফ, লা-ম, রা; এটি এমন এক কিতাব, যার আয়াত সমূহ সুপ্রতিষ্ঠিত অতঃপর সবিস্তারে বর্ণিত এক মহাজ্ঞানী, সর্বজ্ঞ সত্তার পক্ষ হতে।
১৭|
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ দুপুর ২:০৬
মদন বলেছেন: আপনি হাসালেন ![]()
কোরআন কিভাবে লিখিত হয়েছে? কারা লিখেছে? কতদিন পরে?
শুরুর কোরআনে যের,যবর,পেশ ছিলো না, পরে সংযুক্ত করা হয়েছে।
সুরা আলাক সর্বপ্রথম নাজিলকৃত সুরা। অথচ কোরআনে সুরা ফাতিহাকে সবার প্রথমে রাখা হয়েছে।
শিয়া সম্প্রদায়ের কোরআন নিয়ে তাদের বিশ্বাসের কথা আপনার জানা আছে?
যার উপরে কোরআন নাযিল হয়েছে তারই কথা বা কাজ হাদিস। আপনি কোরআন মানছেন অথচ নবী (স.) কথা বা ব্যবহারিক জীবন মানছেন না। বিষয়টা স্ববিরোধী হয়ে গেলো না।
কষ্ট করে সুরা হাশরের ৭ নম্বর আয়াতে আল্লাহ কি বলেছেন একটু ব্যাখ্যা করবেন?
১৬ ই অক্টোবর, ২০০৯ রাত ৮:৩৫
ফারুক৫৫ বলেছেন: সুরা হাশরের ৭ নম্বর আয়াতে যুদ্ধে লব্ধ গণীমতের মাল ভাগাভাগির বিষয়ে বলা হয়েছে , যাতে কোন বিশেষ বিশেষ ব্যাক্তির হাতে সম্পদ কুক্ষিগত না হয়। আগে পিছের আয়াতগুলো পড়ুন। পরিস্কার হয়ে যাবে। এর সাথে হাদীসের কোন সম্পর্ক নেই।
Muhammad was both the messenger of God and elected leader of a diverse group in the city-state of Yathrib. As a leader and commander, he had the right to allocate the spoils of war. The verse does not mean that Muhammad gave us another book, or a television set, or silly stories, or numerous prohibitions; it is about a specific case, that is, the distribution of spoils of war. The followers of hadith and sunna, abuse this verse and take it out of context hoping to justify volumes of books containing numerous contradictory and silly hearsay reports. They want us to believe that to "take whatever Muhammad has given" means to take whatever story Bukhari and his ilk told several centuries after Muhammad's departure!
১৮|
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ সকাল ১১:৪৯
মদন বলেছেন: আপনি তো শুধু একটি কথার উত্তর দিলেন, এ বিষয় নিয়ে আমি পরে বলছি, বাকি কথা গুলোর ব্যপারে জবাব কি?
আমরা প্রতিনিয়ত যে কোরআন পড়ি তা কিভাবে এলো? এটাতো ঠিক যে আসমান থেকে একবারে বই আকারে লিখিত অবস্থাতে নাজিল হয়নি। বরং নবী (স.) এর ওফাতের পরেই তা সাধারন মানুষ কর্তৃক লিপিবদ্ধ হয়েছে। নবী (স.) নিজেও লিখে যান নাই। তাহলে এর সত্যতা বা সঠিকত্ত কিভাবে বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে?
১৭ ই অক্টোবর, ২০০৯ বিকাল ৫:২১
ফারুক৫৫ বলেছেন: আল্লাহ নিজেই যেখানে কোরানকে অবিকৃতভাবে সংরক্ষনের কথা বলেছেন , সেকারনেই এর সত্যতা বা সঠিকত্ত বিশ্বাসযোগ্য হচ্ছে।
কোরানকে আল্লাহ ওহীরুপে নবী মুহাম্মদের কাছে পাঠিয়েছেন।
১৯|
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১২:২৩
মদন বলেছেন: ""কোরানকে আল্লাহ ওহীরুপে নবী মুহাম্মদের কাছে পাঠিয়েছেন।""
এই কথাটির সত্যতা কতটুকু? (আমি বিশ্বাসের কথা বলছি না, প্রমানের কথা বলছি)। আপনি এমন কোনভাবে প্রমান করে দিতে পারবেন যে সত্যি সত্যি কোরআন নবী (স.) এর উপর উপর নাজিল হয়েছে। (কোরআনের রেফারেন্স টানলে আগেই নবী (স.) চলে আসবে, তার হাদিস চলে আসেব)।
২০|
১৯ শে অক্টোবর, ২০০৯ রাত ১:০৬
মদন বলেছেন: কষ্ট করে সুরা লাহাব এ বর্নিত লাহাব কে, তার পরিচয়, কেন লাহাব এবং তার স্ত্রীকে শাস্তি দেয়া হবে, তারা কি এমন ব্যক্তি যে কোরআনে তাদের সম্পর্কে বলা হলো। এসম্পর্কিত তথ্য কোরআনের আলোকে জানালে বাধিত হবো।
©somewhere in net ltd.
১|
১০ ই জুলাই, ২০০৯ দুপুর ১:৫০
তাহসিন আলম বলেছেন: পুরোপুরি একমত। আলেমদের মাথা নষ্ট। তাই তারা কুরআন পড়ে দেখেনা। অন্ধের মত যা শোনে তাই বলে