নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বস্তুত পৃথিবীতে কোন কিছুই নিরপেক্ষ নয়

অন্ধ নয় চিন্তাশীল হতে চাই , ইসলাম আমাকে চিন্তা করতে শিখায়

ফাতাহ্‌

ফাতাহ্‌ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ন্যাশনালিজম ইজ ন্যারোইজম

২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০০

ন্যাশনালিজম ইজ ন্যারোইজম ।





ন্যাশনালিজমের মাধ্যমে অতি সুক্ষভাবে আমাদেরকে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে । শুধু বিচ্ছিন্ন নয় আমাদেরকে নিদ্রিষ্ট বাওনডারী বা সীমানাদ্বারা আটকে ফেলা হচ্ছে। এই বাওনডারী বা সীমানাদ্বারা শুধু আমাদের ভৌগলিকভাবে বিচ্ছিন্ন করা নয় , এই বাওনডারী বা সীমানা আমার রক্তের মধো , আমার চিন্তার মধো , আমার পরিবারের মধো, আমার বন্ধের মধো ।





এশিয়া মতো মহান , নৈতিক , উন্নত চিন্তাধারার সৃষ্টিশীল কিছু করতে না পারলেও কিছু অগভীর,অসার ও অমানবিক রাজনৈতিক মতবাদের জন্ম দিয়েছে ইউরোপ। তন্মধ্যে ক্যাপিটালিজম, ফ্যাসিজম, ইমপেরিয়াজম, লিবারালিজম, ডেমোক্রেসি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বহুল আরোচিত চর্চিত মতবাদ ন্যাশনালিজম বা জাতীয়বাদ যেন বিশ্বরাজনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি।রোমান সামাজ্য, পারস্য সামাজ্য,অটোমান সামাজ্য এভাবে বিভিন্ন সামাজ্যর অধিবাসীরূপে নিজের পরিচয় প্রদানে একসময় মানুষ গর্ববোধ করত। ইউরোপে ফরাসি বিপ্লবের পর থেকে জাতীয়তাবাদী চিন্তা এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সাম্রাজ্যের অবক্ষয়ের ও অবসানের পটভূমিতে জাতীয়বাদী রাষ্টের বিকাশ ঘটে। ১৯৪৫ সালে মাত্র ৫১টি জাতি রাষ্ট নিয়ে গঠিত হয় জাতিসংঘ। মাত্র ৬৩ বছর পরে পৃথিবীতে জাতিরাষ্টের সংখা ১৯৪তে এসে দাড়িয়েছে যা জাতীয়বাদের বিকাশ ও বিস্তারের জ্বলন্ত উদাহরণ।



ল্যাটিন শব্দ natus থেকে nation শব্দের উৎপত্তি। যার মূলগত অর্থ রক্ত সম্পর্কযুক্ত বা বংশোদ্ভব জনসমষ্টি। একটি জনগোষ্টি যখন নিজেদেরকে ভিন্ন মনেকরে এবং ভাষা-সাহিত্য, রীতি-প্রথা,আচার-আচরণ, ধারণা-বিশ্বাস-ঐতিহ্য প্রভূতির বন্ধনে একসুত্রে গ্রথিত হয়ে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হয় তখন তাকে জাতীয়তাবাদ বলে। জাতীয়তাবাদ তাই একটি রাজনৈতিক আবেগ উচ্ছাসের নাম।মাটি ও মানুষকে ঘিরে গড়ে ওঠা এক দূর্বিনীত ও চুড়ান্ত অনুভূতির নাম।আমরা এক আমাদের ভূমি হলো জাতীয়তাবাদের চিন্তা।জাতীয়তাবাদ নিজ দেশ বা বসবাসের স্থানকে নিজেদের কতৃত্বে নেবার প্রবল আকাংখার নাম।জাতীয়তাবাদ অন্ধকার অতীতকে টেনে নিয়ে এসে আলোকিত করতে চায় নতুন ইতিহাস সৃষ্টির প্রেরণা।জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ও বিকাশের ক্ষেত্রে ভৌগলিক একত্ব, রেসিয়াল ইউনিটি, নিদিষ্ট ভাষা এবং একই ধর্ম-বিশ্বাস ও সংস্কৃতি গুরুত্তপূর্ণ উপাদানরূপে বিবেচিত হয়। একটি জাতি গোষ্ঠির মানুষ বহুসংখ্যক রাষ্টে ও ভুখন্ডে ছিটিয়ে থাকা সত্তেও তাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী ভাবধারা বিদ্যমান থাকতে পারে । যেমন : ইহুদী জাতি। পৃথিবীতে ওমন ডজনখানেক জাতি রাষ্ট রয়েছে যাদের ভূমি অখন্ড নয়।এন্ডিয়ার আন্দামান রাজ্য মূল ভূখন্ড থেকে ১১০০ মাইল দূরে অবস্থিত । আর্জেটিনার ফকল্যান্ড দ্বপ বৃটেন থেকে ৮০০০ মাইল দূরে অবস্হিত হয়ে বৃটেনের অংশ। আবার ১২০০ বিচ্ছিন্ন ভূখন্ড নিয়ে ইন্দোনেশিয়ান জাতি গঠিত। নিদিষ্ট ভূখন্ডের ভিত্তিতে জাতি গঠনের ভৌগলিক একত্বতা কতটুকু এলাকা নিয়ে হবে আর তা কিভাবে নিধারণ করা হবে তা নিণয়ের মাপকাঠি জাতীয়তাবাদে নেই। একই বংশধারা ও রক্তসম্পকের বন্ধন কিংবা নূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য একটি জনগোষ্টির মধ্যে একাত্ব অনুভূতি স্পৃহা জাগিয়ে তোলে যা জাতীয়তাবাদ বিকাশের অন্যতম উপাদান।কিন্তু রেস ডাইভারসিটি নিয়ে অনেক জাতিরাস্ট গড়ে উঠেছে। যেমনঃ পশতুন, উজবেক , পাঠান,তাজিক, ইত্যাদি রেসের মানুষ একটি আফগান জাতি রাষ্ট গড়ে তুলেছে। ািবার ডাচ, জামার্ন ওলন্দাজ ও ইংরেজ একই বংশোদ্ভত দাবি করলেও তাদের মধ্যে একক জাতিরাষ্ট গড়ে ইঠেনী।ল্যাটিন শব্দ natus থেকে nation শব্দের উৎপত্তি। যার মূলগত অর্থ রক্ত সম্পর্কযুক্ত বা বংশোদ্ভব জনসমষ্টি। একটি জনগোষ্টি যখন নিজেদেরকে ভিন্ন মনেকরে এবং ভাষা-সাহিত্য, রীতি-প্রথা,আচার-আচরণ, ধারণা-বিশ্বাস-ঐতিহ্য প্রভূতির বন্ধনে একসুত্রে গ্রথিত হয়ে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হয় তখন তাকে জাতীয়তাবাদ বলে। জাতীয়তাবাদ তাই একটি রাজনৈতিক আবেগ উচ্ছাসের নাম।মাটি ও মানুষকে ঘিরে গড়ে ওঠা এক দূর্বিনীত ও চুড়ান্ত অনুভূতির নাম।আমরা এক আমাদের ভূমি হলো জাতীয়তাবাদের চিন্তা।জাতীয়তাবাদ নিজ দেশ বা বসবাসের স্থানকে নিজেদের কতৃত্বে নেবার প্রবল আকাংখার নাম।জাতীয়তাবাদ অন্ধকার অতীতকে টেনে নিয়ে এসে আলোকিত করতে চায় নতুন ইতিহাস সৃষ্টির প্রেরণা।জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ও বিকাশের ক্ষেত্রে ভৌগলিক একত্ব, রেসিয়াল ইউনিটি, নিদিষ্ট ভাষা এবং একই ধর্ম-বিশ্বাস ও সংস্কৃতি গুরুত্তপূর্ণ উপাদানরূপে বিবেচিত হয়। একটি জাতি গোষ্ঠির মানুষ বহুসংখ্যক রাষ্টে ও ভুখন্ডে ছিটিয়ে থাকা সত্তেও তাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী ভাবধারা বিদ্যমান থাকতে পারে । যেমন : ইহুদী জাতি। পৃথিবীতে ওমন ডজনখানেক জাতি রাষ্ট রয়েছে যাদের ভূমি অখন্ড নয়।এন্ডিয়ার আন্দামান রাজ্য মূল ভূখন্ড থেকে ১১০০ মাইল দূরে অবস্থিত । আর্জেটিনার ফকল্যান্ড দ্বপ বৃটেন থেকে ৮০০০ মাইল দূরে অবস্হিত হয়ে বৃটেনের অংশ। আবার ১২০০ বিচ্ছিন্ন ভূখন্ড নিয়ে ইন্দোনেশিয়ান জাতি গঠিত। নিদিষ্ট ভূখন্ডের ভিত্তিতে জাতি গঠনের ভৌগলিক একত্বতা কতটুকু এলাকা নিয়ে হবে আর তা কিভাবে নিধারণ করা হবে তা নিণয়ের মাপকাঠি জাতীয়তাবাদে নেই। একই বংশধারা ও রক্তসম্পকের বন্ধন কিংবা নূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য একটি জনগোষ্টির মধ্যে একাত্ব অনুভূতি স্পৃহা জাগিয়ে তোলে যা জাতীয়তাবাদ বিকাশের অন্যতম উপাদান।কিন্তু রেস ডাইভারসিটি নিয়ে অনেক জাতিরাস্ট গড়ে উঠেছে। যেমনঃ পশতুন, উজবেক , পাঠান,তাজিক, ইত্যাদি রেসের মানুষ একটি আফগান জাতিরাষ্ট গড়ে তুলেছে। আবার ডার্চ,ওলন্দাজ,ইংরেজ ও জামার্ন একই বংশোদ্ভত দাবি করলেও তাদের মধ্যে একক জাতিরাষ্ট গড়ে উঠেনি। একই ভাষা ভাষী হওয়া সত্তেও লাতিন আমেরিকার ১৮ টি দেশ একটি জাতিরাষ্ট গঠন করতে পারিনী।আবার ইন্ডিয়ান জাতির মধ্যে ২১ টি প‌্রধান ভাষা ও ২০০ টি আঞ্চলিক ভাষা রয়েছে।একটি ধর্মবিশ্বাস একটি জাতীয়তাবাদী জাগরণ তৈরী করে।ধর্মের বন্ধন জনগণকে একটি জাতিরাষ্ট গড়ার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।ইসরাইল এমনি রাষ্টের উদাহরণ।কিন্তু ইহুদীদের জন্য যদি কেবল ইসরাইল রাষ্ট হবে , তবে ইহুদীরা আমেরিকায় কেন ?? একটি ধর্মকে একটি জাতিরাষ্টের ভিত্তি ধরলে ইন্ডিয়ার ৪৬ % হিন্দু ,৩০ % মুসলিম এবং ১১% প্রকৃতি পূজারি কিভাবে একই জাতি সত্তায় পরিচিত।ধর্ম জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হলে মুসলিম অধ্যুষিত আরবদেশগুলি একটি জাতিরাষ্ট কেন নয় ?

জাতীয়তাবাদ বিশ্ব সভ্যতার প্রতি ভীতি স্বরূপ।জাতীয়তাবাদের নগ্নমূতি ২য় বিশ্বযুদ্ধে মানবতার কবর রচনা করেছে।Prof Lasky তাই বলেন , "As power extends , nationalism transform into imperiallism" জাতীয়তাবাদ একটি ভয়ংকর চিন্তা ও দর্শন।জাতীয়তাবাদ নিজ সম্প্রদায় ও জনগণকে অন্যদের থেকে শ্রেষ্ঠ ভাবতে শেখায়।জাতীয়তাবাদ আবেঘ -যৌক্তিকতার ধার ধারেনা । মানুষকে এমন আবেগে নিয়ে যায় যেখানে অন্য জনগোষ্ঠীকে হেয় ভাবতে অনুপ্রানিত করে। Right or Wrony my country হলো জাতীয়তাবাদের মূল কথা।এখানে মানুষ সীমাবদ্ধতার গোলকে আটকে যায়। জাতীয়তাবাদ অন্য জনগোষ্ঠী, অন্যভাষী, অন্যধর্মনুসারীদের প্রতিপক্ষ দাড় করিয়ে নেয়। এখানে মানুষকে ভ্রাতৃত্ববোধ থেকে দূরে সরিয়ে হানাহানি ও রক্তপাতের দিকে ঠেলে দেয়া হয়।পাশ্চ্যত্যের অন্ধ জাতীয়তাবাদ বংশ, বর্ন, শ্রেণী-ভাষা ও দেশ বৈষম্যের কাঁচি দিয়ে সম্পর্ক সম্বন্ধকে ছিন্ন-ভিন্ন করতে উদ্যত। ব্রিটিশ জাতি পৃথিবীবাসীকে শুনিয়েছে শাসন করার ক্ষমতা অধিকার তাদের। ফলে প্রত্যেক জাতির জনগণ নাজ নাজ জাতির পূজারী হয়েছে।



জাতীয়তাবাদের অর্থ হলো অন্য জাতির ক্ষতি করে নিজেদের সমৃদ্ধি অর্জন, অন্য জাতির ধ্বংসস্তুপের উপর নিজ জাতির সুখ স্বাচ্ছন্দ্য আয়েশ আরামের আকাশসম প্রাসাদ নির্মান। এটি Tribalism বা গোত্রবাদের একটি রূপ। এটি মানুষকে আপন করা দুরে থাক জাতীয়তাবাদ আক্রমনাত্মক ভূমিকা রাখে। জাতীয়তাবাদ জেগে উঠার চেয়ে ভয়ংকর আর কিছু নেয়। সার্বজনীনতা ও বিশালতার বিপরীত মেরুতে অবস্থিত জাতীয়তাবাদ একটি সংকীনতা, যা পরিব্যপ্ত হতে চায়না।

মন্তব্য ২৬ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (২৬) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০২

দুরের পাখি বলেছেন: ন্যাশনালিজম একটা লেভেল পর্যন্ত দরকার আছে । শুধু খেয়াল রাখতে হয় সেইটা যেন হিটলার লেভেলের না হয় ।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬

ফাতাহ্‌ বলেছেন: আরেকটু চিন্তা করুন।

২| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:০৫

সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: ন্যাশনালিজম নিজের পরিচয় মাত্র.....এর বাইরে কিছু নয়। এর প্রয়োজন আছে...তবে অন্যের বিরুদ্ধে এর ব্যবহার নেই। কিংবা অহং ন্যাশনালিজম নয় সন্ত্রাস বা সাম্রাজ্যবাদ।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ সন্ধ্যা ৬:৩৭

ফাতাহ্‌ বলেছেন:

ন্যাশনালিজমের সংঙ্গাটি আমাকে একটু পরিক্ষার করবেন কি ??

আন্যোর বিরুদ্ধে এর ব্যবহার ব্যাপক । তাইতো আজ আন্যায়ভাবে অন্য যে কোন দেশের মানুষ মরলেও সমস্তবিশ্বই চুপ থাকে বা থাকতে হয় বা যারা অন্যায় করে তারাও গর্ববোধ করে এই ন্যাশনালিজমের কারণে।

যদি তাই না হবে তবে কেন ," এলটিটিকে বা অন্যান্য স্বাধীনতাকাশীদের কেন হত্যা করা "।

৩| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:১৫

আতিক একটেল বলেছেন: সকালের টুথপেস্ট থেকে রাতের কনডম বিদেশী ব্যবহার করে মুখে ন্যাশনালিজম ভালই মানায়।

২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ বিকাল ৩:১২

ফাতাহ্‌ বলেছেন:
(যদিও এই উওরটা সম্পূন ভাবে ন্যাশনালিজম রিলেটেড বা সম্পক ভুক্ত নয়।)


আপনার সাথে আমি একমত । বাস্তবতাকে আমি অস্বীকার করছি না।
তবে ইতিহাস স্বাক্ষদেয় আমাদের দেশেই বিভিন্ন দেশ থেকে ব্যাবসায়ীরা এসেছে এবং ব্যবসার নামে আমাদেরকে শাসন করেছে। আর কিছু লোক নিজেদের স্বাথের জন্য তাদের গুণগান করেছে ঠীক রাজাকারদের মত।

আর বিদেশী টুথপেষ্ট চেয়ে আমাদের চুলার কয়লা বা নিমের মিছাক অনেক বেশী ভাল অনন্ত পক্ষে মানবদেহের ক্ষতির দিক থেকে।

আর কনভম তথা জনসংখার কথা যদি বলেন তবে জনসংখা কোন দেশের জন্যই হুমকি নয় , বরং দক্ষ জনসংখা যে কোন দেশের জন্যই মূল সম্পদ।

৪| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৪

কাকশালিখচড়াইগাঙচিল বলেছেন: একমত। নীতিগত ভাবে সহমত।

দূরের পাখি, শুভ্রও ঠিক বলেছেন।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৬

ফাতাহ্‌ বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:২৯

বর্তমানবাংলা বলেছেন: সালাহ উদ্দিন শুভ্র ভাল বলেছেন

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৭

ফাতাহ্‌ বলেছেন: আপনিও কিছু বলুন

৬| ২৭ শে জানুয়ারি, ২০০৯ রাত ১০:৪১

ত্রিশোনকু বলেছেন: জাতীয়তাবাদ কোন কোন ক্ষেত্রে জরুরী আবার অন্য সময় এটা অগ্রগতির পরিপন্থী।
যেমন:

১। আমাদের জাতীয়তাবাদ না থাকলে আমরা সিকিমের ভাগ্য বরন করতে পারি।

২। ইউরোপের দেশগুলোর জন্য জাতীয়তাবাদ অগ্রগতির অন্তরায়।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ সকাল ১০:৪৮

ফাতাহ্‌ বলেছেন: আরেকটু চিন্তার আবদার রাখি , দয়া করে চিন্তা করুন

৭| ২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ১২:৩৬

সালাহ্ উদ্দিন শুভ্র বলেছেন: @লেখক- ন্যাশনালিজম কোন জনগোষ্ঠির পরিচয় হতে পারে যেমন বাঙালি এরা বাংলা ভাষায় কথা বলে-রবীন্দ্রনাথ এদের কবি-এরা বাউল গায়-চাষবাস করে খায়। এখন এই ন্যাশনালিজম নিজেদের শ্রেষ্ঠ দাবি করতে গেলে তার শ্যেষ্ঠত্ব প্রমাণের জন্যই অপেক্ষাকৃত ক্ষুদ্র জাতি যারা সংখ্যায় কম বা দুর্বল তাদের ওপর কতৃত্ত্ব করবে।

ইউরোপের আলোকপ্রাপ্তি পরবর্তী রাজনীতি পুরোটাই ন্যাশনালিজমের অমানবিক প্রকাশ। ধর্মগুলোতে দেখুন- ইসলাম যার যার ধর্ম তার তার কাছে বলছে-হিন্দু নিজের ভূমিতে দাঁড়িয়ে নিজেকেই শ্রেষ্ঠ বলছে-বৌদ্ধরাতো সবকিছুকেই ভালোবাসতে বলছে। সাঁওতাল-ম্রো আদিবাসীরাও নিজেদের সংস্কৃতি নিয়েই টিকে থাকতে আগ্রহি। কিন্তু ইউরোপ বাইবেল গেলাতে শুরু করলো বিশ্বময়।

আমাদের দেশেও দেখুন বাঙালি(শাসক এবং সহযোগী এরাও অবশ্যই বাঙালি )আর কোথাও না পারুক ক্ষুদ্রদের সর্বস্ব লুটে নিতে বেশ পারদর্শী- এই শিক্ষা প্রধাণত ইউরোপের।

০৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ দুপুর ২:৪৯

ফাতাহ্‌ বলেছেন: এশিয়া মতো মহান , নৈতিক , উন্নত চিন্তাধারার সৃষ্টিশীল কিছু করতে না পারলেও কিছু অগভীর,অসার ও অমানবিক রাজনৈতিক মতবাদের জন্ম দিয়েছে ইউরোপ। তন্মধ্যে ক্যাপিটালিজম, ফ্যাসিজম, ইমপেরিয়াজম, লিবারালিজম, ডেমোক্রেসি ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য।বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে বহুল আরোচিত চর্চিত মতবাদ ন্যাশনালিজম বা জাতীয়বাদ যেন বিশ্বরাজনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি।রোমান সামাজ্য, পারস্য সামাজ্য,অটোমান সামাজ্য এভাবে বিভিন্ন সামাজ্যর অধিবাসীরূপে নিজের পরিচয় প্রদানে একসময় মানুষ গর্ববোধ করত। ইউরোপে ফরাসি বিপ্লবের পর থেকে জাতীয়তাবাদী চিন্তা এবং দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর সাম্রাজ্যের অবক্ষয়ের ও অবসানের পটভূমিতে জাতীয়বাদী রাষ্টের বিকাশ ঘটে। ১৯৪৫ সালে মাত্র ৫১টি জাতি রাষ্ট নিয়ে গঠিত হয় জাতিসংঘ। মাত্র ৬৩ বছর পরে পৃথিবীতে জাতিরাষ্টের সংখা ১৯৪তে এসে দাড়িয়েছে যা জাতীয়বাদের বিকাশ ও বিস্তারের জ্বলন্ত উদাহরণ।

ল্যাটিন শব্দ natus থেকে nation শব্দের উৎপত্তি। যার মূলগত অর্থ রক্ত সম্পর্কযুক্ত বা বংশোদ্ভব জনসমষ্টি। একটি জনগোষ্টি যখন নিজেদেরকে ভিন্ন মনেকরে এবং ভাষা-সাহিত্য, রীতি-প্রথা,আচার-আচরণ, ধারণা-বিশ্বাস-ঐতিহ্য প্রভূতির বন্ধনে একসুত্রে গ্রথিত হয়ে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হয় তখন তাকে জাতীয়তাবাদ বলে। জাতীয়তাবাদ তাই একটি রাজনৈতিক আবেগ উচ্ছাসের নাম।মাটি ও মানুষকে ঘিরে গড়ে ওঠা এক দূর্বিনীত ও চুড়ান্ত অনুভূতির নাম।আমরা এক আমাদের ভূমি হলো জাতীয়তাবাদের চিন্তা।জাতীয়তাবাদ নিজ দেশ বা বসবাসের স্থানকে নিজেদের কতৃত্বে নেবার প্রবল আকাংখার নাম।জাতীয়তাবাদ অন্ধকার অতীতকে টেনে নিয়ে এসে আলোকিত করতে চায় নতুন ইতিহাস সৃষ্টির প্রেরণা।জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ও বিকাশের ক্ষেত্রে ভৌগলিক একত্ব, রেসিয়াল ইউনিটি, নিদিষ্ট ভাষা এবং একই ধর্ম-বিশ্বাস ও সংস্কৃতি গুরুত্তপূর্ণ উপাদানরূপে বিবেচিত হয়। একটি জাতি গোষ্ঠির মানুষ বহুসংখ্যক রাষ্টে ও ভুখন্ডে ছিটিয়ে থাকা সত্তেও তাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী ভাবধারা বিদ্যমান থাকতে পারে । যেমন : ইহুদী জাতি। পৃথিবীতে ওমন ডজনখানেক জাতি রাষ্ট রয়েছে যাদের ভূমি অখন্ড নয়।এন্ডিয়ার আন্দামান রাজ্য মূল ভূখন্ড থেকে ১১০০ মাইল দূরে অবস্থিত । আর্জেটিনার ফকল্যান্ড দ্বপ বৃটেন থেকে ৮০০০ মাইল দূরে অবস্হিত হয়ে বৃটেনের অংশ। আবার ১২০০ বিচ্ছিন্ন ভূখন্ড নিয়ে ইন্দোনেশিয়ান জাতি গঠিত। নিদিষ্ট ভূখন্ডের ভিত্তিতে জাতি গঠনের ভৌগলিক একত্বতা কতটুকু এলাকা নিয়ে হবে আর তা কিভাবে নিধারণ করা হবে তা নিণয়ের মাপকাঠি জাতীয়তাবাদে নেই। একই বংশধারা ও রক্তসম্পকের বন্ধন কিংবা নূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য একটি জনগোষ্টির মধ্যে একাত্ব অনুভূতি স্পৃহা জাগিয়ে তোলে যা জাতীয়তাবাদ বিকাশের অন্যতম উপাদান।কিন্তু রেস ডাইভারসিটি নিয়ে অনেক জাতিরাস্ট গড়ে উঠেছে। যেমনঃ পশতুন, উজবেক , পাঠান,তাজিক, ইত্যাদি রেসের মানুষ একটি আফগান জাতি রাষ্ট গড়ে তুলেছে। ািবার ডাচ, জামার্ন ওলন্দাজ ও ইংরেজ একই বংশোদ্ভত দাবি করলেও তাদের মধ্যে একক জাতিরাষ্ট গড়ে ইঠেনী।ল্যাটিন শব্দ natus থেকে nation শব্দের উৎপত্তি। যার মূলগত অর্থ রক্ত সম্পর্কযুক্ত বা বংশোদ্ভব জনসমষ্টি। একটি জনগোষ্টি যখন নিজেদেরকে ভিন্ন মনেকরে এবং ভাষা-সাহিত্য, রীতি-প্রথা,আচার-আচরণ, ধারণা-বিশ্বাস-ঐতিহ্য প্রভূতির বন্ধনে একসুত্রে গ্রথিত হয়ে রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হয় তখন তাকে জাতীয়তাবাদ বলে। জাতীয়তাবাদ তাই একটি রাজনৈতিক আবেগ উচ্ছাসের নাম।মাটি ও মানুষকে ঘিরে গড়ে ওঠা এক দূর্বিনীত ও চুড়ান্ত অনুভূতির নাম।আমরা এক আমাদের ভূমি হলো জাতীয়তাবাদের চিন্তা।জাতীয়তাবাদ নিজ দেশ বা বসবাসের স্থানকে নিজেদের কতৃত্বে নেবার প্রবল আকাংখার নাম।জাতীয়তাবাদ অন্ধকার অতীতকে টেনে নিয়ে এসে আলোকিত করতে চায় নতুন ইতিহাস সৃষ্টির প্রেরণা।জাতীয়তাবাদের উন্মেষ ও বিকাশের ক্ষেত্রে ভৌগলিক একত্ব, রেসিয়াল ইউনিটি, নিদিষ্ট ভাষা এবং একই ধর্ম-বিশ্বাস ও সংস্কৃতি গুরুত্তপূর্ণ উপাদানরূপে বিবেচিত হয়। একটি জাতি গোষ্ঠির মানুষ বহুসংখ্যক রাষ্টে ও ভুখন্ডে ছিটিয়ে থাকা সত্তেও তাদের মধ্যে জাতীয়তাবাদী ভাবধারা বিদ্যমান থাকতে পারে । যেমন : ইহুদী জাতি। পৃথিবীতে ওমন ডজনখানেক জাতি রাষ্ট রয়েছে যাদের ভূমি অখন্ড নয়।এন্ডিয়ার আন্দামান রাজ্য মূল ভূখন্ড থেকে ১১০০ মাইল দূরে অবস্থিত । আর্জেটিনার ফকল্যান্ড দ্বপ বৃটেন থেকে ৮০০০ মাইল দূরে অবস্হিত হয়ে বৃটেনের অংশ। আবার ১২০০ বিচ্ছিন্ন ভূখন্ড নিয়ে ইন্দোনেশিয়ান জাতি গঠিত। নিদিষ্ট ভূখন্ডের ভিত্তিতে জাতি গঠনের ভৌগলিক একত্বতা কতটুকু এলাকা নিয়ে হবে আর তা কিভাবে নিধারণ করা হবে তা নিণয়ের মাপকাঠি জাতীয়তাবাদে নেই। একই বংশধারা ও রক্তসম্পকের বন্ধন কিংবা নূতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্য একটি জনগোষ্টির মধ্যে একাত্ব অনুভূতি স্পৃহা জাগিয়ে তোলে যা জাতীয়তাবাদ বিকাশের অন্যতম উপাদান।কিন্তু রেস ডাইভারসিটি নিয়ে অনেক জাতিরাস্ট গড়ে উঠেছে। যেমনঃ পশতুন, উজবেক , পাঠান,তাজিক, ইত্যাদি রেসের মানুষ একটি আফগান জাতিরাষ্ট গড়ে তুলেছে। আবার ডার্চ,ওলন্দাজ,ইংরেজ ও জামার্ন একই বংশোদ্ভত দাবি করলেও তাদের মধ্যে একক জাতিরাষ্ট গড়ে উঠেনি। একই ভাষা ভাষী হওয়া সত্তেও লাতিন আমেরিকার ১৮ টি দেশ একটি জাতিরাষ্ট গঠন করতে পারিনী।আবার ইন্ডিয়ান জাতির মধ্যে ২১ টি প‌্রধান ভাষা ও ২০০ টি আঞ্চলিক ভাষা রয়েছে।একটি ধর্মবিশ্বাস একটি জাতীয়তাবাদী জাগরণ তৈরী করে।ধর্মের বন্ধন জনগণকে একটি জাতিরাষ্ট গড়ার পেছনে ভূমিকা রাখতে পারে।ইসরাইল এমনি রাষ্টের উদাহরণ।কিন্তু ইহুদীদের জন্য যদি কেবল ইসরাইল রাষ্ট হবে , তবে ইহুদীরা আমেরিকায় কেন ?? একটি ধর্মকে একটি জাতিরাষ্টের ভিত্তি ধরলে ইন্ডিয়ার ৪৬ % হিন্দু ,৩০ % মুসলিম এবং ১১% প্রকৃতি পূজারি কিভাবে একই জাতি সত্তায় পরিচিত।ধর্ম জাতীয়তাবাদের ভিত্তি হলে মুসলিম অধ্যুষিত আরবদেশগুলি একটি জাতিরাষ্ট কেন নয় ?
জাতীয়তাবাদ বিশ্ব সভ্যতার প্রতি ভীতি স্বরূপ।জাতীয়তাবাদের নগ্নমূতি ২য় বিশ্বযুদ্ধে মানবতার কবর রচনা করেছে।Prof Lasky তাই বলেন , "As power extends , nationalism transform into imperiallism" জাতীয়তাবাদ একটি ভয়ংকর চিন্তা ও দর্শন।জাতীয়তাবাদ নিজ সম্প্রদায় ও জনগণকে অন্যদের থেকে শ্রেষ্ঠ ভাবতে শেখায়।জাতীয়তাবাদ আবেঘ -যৌক্তিকতার ধার ধারেনা । মানুষকে এমন আবেগে নিয়ে যায় যেখানে অন্য জনগোষ্ঠীকে হেয় ভাবতে অনুপ্রানিত করে। Right or Wrony my country হলো জাতীয়তাবাদের মূল কথা।এখানে মানুষ সীমাবদ্ধতার গোলকে আটকে যায়। জাতীয়তাবাদ অন্য জনগোষ্ঠী, অন্যভাষী, অন্যধর্মনুসারীদের প্রতিপক্ষ দাড় করিয়ে নেয়। এখানে মানুষকে ভ্রাতৃত্ববোধ থেকে দূরে সরিয়ে হানাহানি ও রক্তপাতের দিকে ঠেলে দেয়া হয়।পাশ্চ্যত্যের অন্ধ জাতীয়তাবাদ বংশ, বর্ন, শ্রেণী-ভাষা ও দেশ বৈষম্যের কাঁচি দিয়ে সম্পর্ক সম্বন্ধকে ছিন্ন-ভিন্ন করতে উদ্যত। ব্রিটিশ জাতি পৃথিবীবাসীকে শুনিয়েছে শাসন করার ক্ষমতা অধিকার তাদের। ফলে প্রত্যেক জাতির জনগণ নাজ নাজ জাতির পূজারী হয়েছে।

৮| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ৮:১২

ভালো-মানুষ বলেছেন: পেলাস দিলাম। কতায় সারবস্তু আছে।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:১৪

ফাতাহ্‌ বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ।

৯| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২১

আন্দালিব পান্থ বলেছেন: হ্যা এই সত্যটি বুঝতে পারলৈ..............মানুষের উন্নতি হবে.......

কবে হবে গো সৃজন সেই মানব সমাজ
যেদিন জাতি গোত্র নাহি রবে...............
................................++++++++++++++++++++++++++

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:২৮

ফাতাহ্‌ বলেছেন: ধন্যবাদ @ আন্দালিব পান্থ,

আশায় আসি , আশায় থাকব।

১০| ২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ১২:৩০

শূন্য আরণ্যক বলেছেন: ভালো লাগলো ...সময় নিয়ে পড়বো

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ রাত ২:২৫

ফাতাহ্‌ বলেছেন: @ শূন্য আরণ্যক ভাইকে স্বাগতম আমার ব্লগে।

১১| ২০ শে মার্চ, ২০০৯ সকাল ৯:০৭

শূন্য আরণ্যক বলেছেন: পুরো টা পড়লাম .. বানান ভুল গুলো ঠিক করলে পোষ্ট আরও সুন্দর হবে

~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~~

অনেক চমৎকার চমৎকার কথা আছে

যেমন ; পশ্চিম ইউরোপের কয়েকটা দেশ এক জাতি হলেও এক দেশ হয়নি

আফ্রিকার দেশ গুলোর বেলাও এককথা খাটে

সুক্ষ ইহুদী বিদ্বেষ টের পেলাম আপনার লেখায়


শেষে একটা উক্তি শেয়ার করি :

Patriotism is the conviction that your country is superior to all others because you were born in it.
George Bernard Shaw

১২| ২২ শে মার্চ, ২০০৯ দুপুর ২:১২

পরিবর্তনবাংলা বলেছেন: ন্যাশনালিজম ইজ ন্যারোইজম একমত।

১৩| ১৯ শে এপ্রিল, ২০০৯ সন্ধ্যা ৭:৪৮

মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেছেন: সম্পূর্ণ একমত। ধন্যবাদ তথ্যবহুল একটু লেখা উপহরের জন্য। কিন্তু ফলাফল খুবই সংকীর্ণ, এটাই দুঃখ।

১৪| ২০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ১:৪০

অলস ছেলে বলেছেন: ভালো লেগেছে।

১৫| ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ রাত ৩:০৮

কথেবিডি বলেছেন: হো, কবে যে দুনিয়ার হক্কলে কথাটা মাইনা নিবো।

তবে, আমরা চেষ্টা করবো, জাতিয়তাবাদ কখনো উগ্র জাতীয়তাবাদে পরিনত না হয়।

ধন্যবাদ,

১৬| ৩০ শে এপ্রিল, ২০০৯ সকাল ১১:৫৮

বাবু>বাবুয়া>বাবুই বলেছেন: ন্যাশনালিজম ইজ ন্যারোইজম একমত।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.