নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে জিহাদই হলো সবচেয়ে বড় জিহাদ।

যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাই, ফাঁসি চাই, হতে হবে।

ঢাকা থেকে

অন্যায় সহ্য করা খুব কঠিন।। কিন্তু বাস্তব বড়ই নির্মম।

ঢাকা থেকে › বিস্তারিত পোস্টঃ

হানাদার ভারতের আরেক ষড়যন্ত্র : দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ ভেঙে বিলীনের অপচেষ্টা

০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:০২

বাংলাদেশের পশ্চিমে, সুন্দরবন সংলগ্ন দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপটি কৌশলে ভারত ভেঙে দিচ্ছে। বাংলাদেশের সীমানায় বৃহৎ এ দ্বীপটি যাতে আর গড়ে উঠতে না পারে সেজন্য ভারত উজানে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর স্রোত ও পলি নিয়ন্ত্রণ করছে। ফলে নতুন করে পলি জমতে না পেরে তালপট্টি দ্বীপ আর উঁচু না হয়ে বরং সম্প্রতি সেখানে ভাঙন শুরু হয়েছে। ওদিকে চার-পাঁচ বছর আগে থেকে ভারত বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে যে, তালপট্টি দ্বীপটি বিলীন হয়ে গেছে। এর কোনো অস্তিত্ব বর্তমানে আর নেই। কিন্ত বাস্তবতা হচ্ছে, তালপট্টি দ্বীপের অস্তিত্ব এখনো আছে এবং ভাটার সময়ে এর চূড়া সামান্য ভেসে ওঠে। কিন্তু জোয়ারে পুরোপুরি ডুবে যায়। আগে যত দ্রুত দ্বীপটি গড়ে উঠছিল, বর্তমানে সেভাবে আর গড়ছে না। তবে এখনো বিলীন হয়নি। গত সপ্তাহেও গুগলের স্যাটেলাইট মানচিত্রে তালপট্টি দ্বীপটির অস্তিত্ব দেখা গেছে।

বাংলাদেশের প্রখ্যাত সমুদ্র বিজ্ঞান ও ভূগোল বিশেষজ্ঞ, প্রফেসর ড. আবদুর রব আরো তথ্য জানিয়ে বলেন, দ্বীপটি রেকর্ডপত্রে বাংলাদেশের। একাত্তরের স্বাধীনতার পর থেকে ভারত জোরপূর্বক তালপট্টি দখল করে রেখেছে। কিন্তু প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একবার দ্বীপটির দখল নিয়েছিলেন। এরপর ভারত সমুদ্রসীমা নির্ধারণ সংক্রান্ত বিরোধের মীমাংসা না হওয়ার অজুহাত দেখিয়ে ‘বিরোধপূর্ণ এলাকায়’ বাংলাদেশের নৌবাহিনীকে স্থায়ীভাবে ঘাঁটি গাড়তে দেয়নি। এর মধ্যে ভারত একাধিকবার জরিপ করে দেখেছে, তালপট্টি পুরোপুরি জেগে উঠলে এবং আন্তর্জাতিকভাবে সমুদ্রসীমার ফায়সালা হলে ভারত কখনোই এর মালিকানা পাবে না। বরং বাংলাদেশ এর মালিকানা লাভ করলে সমুদ্রসীমা প্রাপ্তিও আরো অনেকদূর এগিয়ে যাবে। তাই ভারত তালপট্টি দ্বীপটি ভেঙে দেয়ার কৌশল গ্রহণ করেছে। বিশেষ করে বঙ্গোপসাগরে সমুদ্রসীমা নিয়ে মিয়ানমারের সাথে বাংলাদেশের বিরোধের ব্যাপারে সমুদ্র আইন বিষয়ক আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের (ইটলস) রায়ের পর ভারত এ ব্যাপারে আরো হিংস্র হয়ে উঠেছে। যাতে তালপট্টির মালিকানা কোনোভাবেই বাংলাদেশ না পেতে পারে। এজন্য একদিকে হাড়িয়াভাঙ্গা নদীর মোহনায় ভারতীয় অংশে গ্রোয়েন নির্মাণ করে স্রোতের গতি বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দেয়া হচ্ছে, অপরদিকে নদীর উজানে বাঁধ নির্মাণ করে পলি ভিন্ন খাতে সরিয়ে দিচ্ছে ভারত।

এ অবস্থায় মিয়ানমারের পর এবার ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা নির্ধারণের মাধ্যমে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপ ফেরত পাওয়ার ব্যাপারে যদিও বাংলাদেশ প্রচ- আশাবাদী হয়ে উঠেছে, কিন্তু শেষ পর্যন্ত সে আশার গুড়ে বালি পড়তে পারে বলেই আশংকা করা হচ্ছে। এদিকে সরকারের মেরিটাইম বিশেষজ্ঞ ও সমুদ্র অঞ্চল সীমানা রক্ষা কমিটিসহ সংশ্লিষ্ট মহল এবং উপকূলবর্তী সকল শ্রেণী-পেশার মানুষের স্বপ্ন, আস্থা ও বিশ্বাস দৃঢ় হয়েছে যে, সেন্টমার্টিনের মতো তালপট্টি দ্বীপও বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা বৃদ্ধিতে হয়তো বিশেষ ভূমিকা রাখবে। তাদের দাবি আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালে আইনি লড়াইয়ে জোরালোভাবে তথ্য-উপাত্ত ও যুক্তি উপস্থাপন করে দক্ষিণ তালপট্টিসহ বিশাল সমুদ্রসীমায় বাংলাদেশের কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা চূড়ান্ত করা হোক। দক্ষিণ তালপট্টি দখল করে নেয়ার পক্ষে কোনো যৌক্তিক বা আইনগত দাবি নেই ভারতের। তারা যে এটি জবর দখল করে রেখেছে দীর্ঘদিন, তার বিপরীতে জোরালো কোনো পদক্ষেপও নেয়া হয়নি বাংলাদেশের পক্ষ থেকে। দক্ষিণ তালপট্টি বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের বলে প্রমাণিত হলেও ভারত গায়ের জোরে বরাবরই তা অস্বীকার করে আসছিল। এখন আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের রায়ে এটা ফেরতের পথ সুগম হওয়ার আগেই ভারত দুষ্টামি করে দ্বীপটি ধ্বংসের পথ বেছে নিয়েছে।

নৌবাহিনী সূত্রে জানা যায়, বাংলাদেশের সাতক্ষীরা জেলার শ্যামনগর এবং পশ্চিমবঙ্গের ২৪ পরগণা জেলা বসিরহাটের মধ্যস্থল হাড়িয়াভাঙ্গা নদী দ্বারা চিহ্নিত সীমান্ত রেখা বরাবর হাড়িয়াভাঙ্গার মোহনার বাংলাদেশ অংশে অগভীর সমুদ্রে দ্বীপটির অবস্থান। দ্বীপটি গঙ্গা বা পদ্মা নদীর বিভিন্ন শাখা নদীর পলল অবক্ষেপণের ফলে গড়ে উঠেছে। হাড়িয়াভাঙ্গা মোহনা থেকে দ্বীপটির দূরত্ব মাত্র ২ কিলোমিটার। দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের সরাসরি উত্তরে বাংলাদেশের মূল ভূখ- এবং সর্ব-দক্ষিণে বঙ্গোপসাগর। দ্বীপটির বর্তমান আয়তন প্রায় ১০ বর্গকিলোমিটার। ১৯৭০ সালের নভেম্বরে প্রলয়ংকরী ঘূর্ণিঝড় গাঙ্গেয় ব-দ্বীপাঞ্চলের দক্ষিণভাগে আঘাত হানার পর পরই দ্বীপটি তদানীন্তন পূর্ব পাকিস্তান সরকারের প্রথম দৃষ্টিগোচরে আসে। তৎকালীন খুলনা জেলা প্রশাসন নৌবাহিনীর সহযোগিতায় প্রাথমিক জরিপ শেষে প্রশাসনিক দলিলপত্রে নথিভুক্ত করে দ্বীপটির নামকরণ করে ‘দক্ষিণ তালপট্টি’। ভারত তখন এ ব্যাপারে কোনো উচ্চবাচ্য করেনি। অথচ ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধের মাঝামাঝি সময়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ সরকার দ্বীপটি ‘নিউমুর দ্বীপ’ নামে অবহিত করে রাতারাতি দখল করে নেয়। স্বাধীনতা যুদ্ধের অস্থির সময়ে দ্বীপটির দখলদারিত্ব তখন আর বাংলাদেশ বা পাকিস্তান কর্তৃপক্ষের পক্ষে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হয়নি। পরে ১৯৭৪ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ইআরটিএস ভূ-উপগ্রহের মাধ্যমে স্বল্প ও গভীর সামুদ্রিক পানিতে জেগে ওঠা এই ডুবন্ত ভূখ-ের জরিপ করা হয় এবং দ্বীপটি বাংলাদেশ অংশে বলে প্রমাণিত হওয়ায় রেকর্ডভুক্ত করা হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে হৈ চৈ হতে থাকে। কিন্তু প্রতিবাদ জোরালো না হওয়ায় দীর্ঘসময় ধরে দ্বীপটি ভারতের অবৈধ দখলে রয়ে গেছে। দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপের চারপাশ দশ কিলোমিটার বিস্তৃত। এখানে উপকূলীয় সমুদ্রের গড় গভীরতা মাত্র ৩ থেকে সাড়ে ৫ মিটার। দ্বীপটি থেকে সোজা প্রায় ৪৩ কিলোমিটার দক্ষিণে গভীর সামুদ্রিক খাত বা অতলান্তিক ঘূর্ণাবর্তের (সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড) অবস্থান।

দেশের দ্বিতীয় সমুদ্রবন্দর মংলা ও সংশ্লিষ্ট মেরিটাইম বিশেষজ্ঞ এবং সমুদ্র সম্পদ পর্যবেক্ষকদের অভিমত, আয়তনের দিক থেকে দক্ষিণ তালপট্টি অত্যন্ত ক্ষুদ্র দ্বীপ হলেও ভূ-রাজনৈতিক নিরিখে দ্বীপটির গুরুত্ব অপরিসীম। উপকূলীয় দ্বীপটির মালিকানার সাথে জড়িত রয়েছে বাংলাদেশের বঙ্গোপসাগরের বিশাল সমুদ্রাঞ্চলের সার্বভৌমত্বের স্বার্থ। তাই সালিশি নিষ্পত্তির মাধ্যমে শুধু দক্ষিণ তালপট্টিই নয়, সমুদ্রসীমার এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনকে নিষ্কণ্টক করা একান্ত জরুরি। বাংলাদেশের উপকূল থেকে দক্ষিণে প্রায় ৫শ’ কিলোমিটার পর্যন্ত মহীসোপানের বিস্তৃতি। এই অগভীর সমুদ্রাঞ্চলের মোট আয়তন কমপক্ষে সাড়ে ৩ লাখ বর্গমাইল। আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইনের সর্বশেষ নীতি অনুযায়ী নিজ দেশের উপকূলীয় সংলগ্ন মহীসোপানের যাবতীয় সমুদ্র সম্পদরাজির ব্যবহার ও মালিকানা স্বত্ব ভোগ করার একচ্ছত্র অধিকার রয়েছে। দক্ষিণ তালপট্টির মালিকানার সাথে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের স্বাভাবিক সীমার অতিরিক্ত কমপক্ষে ২৫ হাজার বর্গমাইল সমুদ্রাঞ্চলের স্বার্থ জড়িত। দ্বীপটির দক্ষিণ, দক্ষিণ-পূর্ব ও দক্ষিণ-পশ্চিমে হাজার হাজার বর্গকিলোমিটার সংরক্ষিত অর্থনৈতিক অঞ্চলে মৎস্য ও তেল-গ্যাস ক্ষেত্রসহ বিপুল পরিমাণ সামুদ্রিক সম্পদ রয়েছে। ওই এলাকার সমুদ্রতলে লৌহ, ম্যাঙ্গানিজ, অ্যালুনিয়াম, তেজস্ক্রিয় ভারী খনিজ পদার্থ ইত্যাদির বিপুল সঞ্চয় রয়েছে। এর প্রমাণ পাওয়া গেছে বঙ্গোপসাগরের অগভীর মহীসোপান তলদেশে খনিজ তৈল এবং প্রাকৃতিক গ্যাসের বড় ধরনের সঞ্চয় আবিষ্কৃত হওয়ায়।

সমুদ্র অঞ্চল সীমানা রক্ষা জাতীয় কমিটির আহ্বায়ক মোহাম্মদ নূর মোহাম্মদ এক সাক্ষাৎকারে জানান, কমিটির সদস্য সচিব অবসরপ্রাপ্ত রিয়াল অ্যাডমিরাল খোরশেদ আলমসহ নেতৃবৃন্দ ১৯৮২ সালে আন্তর্জাতিক সমুদ্র আইন পাস হওয়ার পর থেকে বহু দেন দরবার করেছে বিভিন্ন পন্থায়। এখন ভারতের সাথে সমুদ্রসীমা নির্ধারণ ও বিরোধ নিষ্পত্তি হওয়া জরুরি। এক্ষেত্রে দক্ষিণ তালপট্টি দ্বীপসহ ঐ এলাকার বিরাট সমুদ্রাঞ্চলে অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

ওদিকে বিজিবি সূত্র জানায়, দক্ষিণ-পশ্চিমসহ দেশের বিভিন্ন সীমান্ত এলাকায় হাজার হাজার বিঘা জমি ভারত জোরপূর্বক দখল করে রেখেছে। যা নিয়ে দীর্ঘকাল ধরে জরিপ ও বৈঠক চলছে, কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। একইভাবে সমুদ্রাঞ্চলে তালপট্টিসহ বিরাট এলাকায় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে আছে ভারত।

মন্তব্য ১৬ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (১৬) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:১৩

রকিবুল আলম বলেছেন: @সামু এবং আমি

২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:১৯

ঢাকা থেকে বলেছেন: সামু এবং আমি , আমি তোমার সাথে খারাপ ব্যবহার করবো না। শুধু কমেন্টটা মুছে দিলাম, কারন অসভ্য মন্তব্য আমার পোষ্টে রাখি না।
কিছু লোক আছে ভারতের বিরুদ্ধে বললেই জামাত বলে, পাকি বলে গালি দেয়। হানাদার শব্দটা শুধু পাকিদের জন্য নয়, যেগুলো জানোয়ারের মত সবগুলোই হানাদার। ভারত তো জানোয়ারের চেয়ে কম করেনা। পাকিগুলো করেছে ৭১এ। আর ভারত তো ৭১ থেকে ২০১২ পর্যন্ত সুযোগ পেলে আরো করবে। জামাইত্যা গুলোর পাকিস্তান আর তোমাদের মত ভাদা পাচাটা গোলামগুলোকে ভারত পাঠাতে হবে। কাজেই ব্যবহার শিখ। না হয় ভারত মাতার কোলে গিয়ে আশ্রয় নাও। বাংলার আলো বাতাস খাইয়া হানাদার ভারতের গোলামীকরো। যে রকম জামাতীরা ৭১ এ করেছে পাকি হানাদার দের গোলামী।



৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:২৩

রকিবুল আলম বলেছেন: ২ নং কমেনটে

০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:২৬

ঢাকা থেকে বলেছেন: ধন্যবাদ।

৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:২৩

রকিবুল আলম বলেছেন:

০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:২৭

ঢাকা থেকে বলেছেন: ধন্যবাদ।

৫| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:২৪

রকিবুল আলম বলেছেন: মনের কথা কইছেন ভাই

০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:২৮

ঢাকা থেকে বলেছেন: ভাইরে, কঠিন এক বাস্তবতা।

৬| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ২:৪৪

বীরেনদ্র বলেছেন: ভারত পাকিস্তানের চেয়ে কম করে না। আপনার এই মন্তব্যএর সমর্থনে কি কি যুক্তি আছে?

১) ২৪ বছরের সরাসি শাসন এবং শোষন।
২) ৩০ লক্ষ বাংলাদেশী হত্যা।
৩) ২ লক্ষ মা বোনকে ধর্ষন ।
এই তিন্টার কোনটা ভারত করেছে এতটূ বলবেন কি?

আপনি যদি মনে করেন সীমান্তে হ্ত্যা= ৩০ লক্ষ বাঙ্গালী হত্যা তাহলে হিসেব টা কে সঠিক হবে?


০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ রাত ৩:২৪

ঢাকা থেকে বলেছেন: পাকিস্তান ইতিহাসের ন্যাক্কারজনক নজির সৃষ্টি করেছে, এতে সন্দেহ নেই। পাকিস্তানের কুকীর্তি সমর্থন কোন মানুষ করতে পারে না পশু ব্যতীত।
ভারত যেভাবে প্রাকৃতিক সম্পদ লুট করছে , মিডিয়া তো বোবা, তা প্রকাশ করবে না।
বাংলাদেশের সম্পদ লুটের একটা পরিসংখ্যান সময়মত দেবো।
মদ,গাঁজা, ফেন্সিডিল সহ বিচিত্র্র্ ধরনের মাদক ঢুকিয়ে দেশের সামাজিক ভারসাম্য নষ্ট করা, গোয়েন্দা সংস্থা দ্বারা দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি , ধর্মীয় কৃষ্টি কালচারে প্রভাব বিস্তার করা,উগ্র হিন্দুবাদীদের দ্বারা ধর্মীয় বিদ্বেষ ছড়ানো, সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে নিজের এজেন্ট প্রবেশ করানো আরো অনেক। সময় সুযোগ পেলে লিখবো।
নিজেদের অঙ্গরাজ্য হিসেবে গন্য করার জন্য যা কিছু দরকার সবই করছে এবং বাংলাদেশ দখল করার কুস্বপ্ন ও দু:স্বপ্ন দেখছে। অবশ্য তার সব চেষ্টাই বৃথা যাবে , কারন মূল চাবি তো তাদের হাতে নয়, চাবি যে কোথায় এটা বুঝতে অনেক সময় লাগবে। সময়মত উল্টা ভারতই দখল হয়ে যেতে পারে।

৭| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ সকাল ৮:৪১

পথিক০২১ বলেছেন: @Birendra : We certainly do not want to take over a morally and culturally Bankrupt country like India. We believe in living in peace and let others live in peace. Indeed what Pakistan did may not be same as in number as India has done so far. But to tell you the truth one life is one life. Killing a human without any viable reason is as much as like killing the whole humanity. I have observed you and your comments many time. You seem to be educated and articulated. If you live in Bangladesh why is it that every time some one says anything about India it always irritates you ? After all, even a Kindergarten Kid knows India never had or will it have any honest intention of being a peaceful neighbor. Lets come to the topic in hand it clearly shows in the above map that the Island belongs to Bangladesh then why did India try to take over the Island by employing treachery and trickery what kind of a friend does that to a friend ? Do you take illegal possession of your friends property ? NO right ?? When I see India a very popular phrase comes into mind "Muh mein sheikh Farid Bagal mein Teer(arrow) ".

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১২ রাত ১২:৫৬

ঢাকা থেকে বলেছেন: Thanks for your nice comment.

৮| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১২ সকাল ৮:৪৮

স্বাধীকার বলেছেন:
আজ একজন জিয়াকে দরকার। কিন্তু বর্তমান সরকার যাদের কোলে উঠে ক্ষমতাসীন তাদের বিরুদ্ধে দেশের স্বার্থে কোনো অব্স্থান নিবে বলে মনে হয়না। আগামীতে ভারত তাদের কোলে করে ক্ষমতায় বসাবে, এই ভাবনায় টিপাইবাধঁ, তিস্তাচুক্তি, আন্তঃনদী সংযোগ এবং সম্প্রতি কোনো বিনিময় ছাড়াই নৌচুক্তি এক বছর বৃদ্ধি-এসব আমাদের মহান সরকারের দেশপ্রেমের নমুনা!!!!!

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১২ রাত ১:০১

ঢাকা থেকে বলেছেন: স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে কোন সরকারই দেশপ্রেমের পরিচয় দিতে পারেনি।
বিষয়টা এমন হয়েছে যে,এক শকুনের দল যায়, আরেক শকুনের দল আসে।
মাঝখানে জনগনের অবস্থা কেরোসিন।
সব সরকারই নতজানু পররাষ্ট্রনীতির চর্চা করে গেছে।

৯| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১২ রাত ১:০৮

রমিত বলেছেন: আজকের কালপুরুষ
Click This Link

১০| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১২ রাত ১:১২

রমিত বলেছেন: @বীরেন্দ্র, ভারত, কুখ্যাত ফারাক্কা বাধ নির্মান করেছিল ১৯৭১ সালে। যখন আমার জাতি এক রক্তক্ষয়ী স্বাধীনতা যুদ্ধে লিপ্ত, এই সুযোগটা ভারত গ্রহন করেছিল।
ভারতের অমানবিকতার একটা উদাহরণ দিলাম, এরকম আরও অনেক আছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.