| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ওডিসিয়াস
আমি একজন আমজনতা। তবে খাসজনতার কার্যকলাপের প্রতি আমি বিশেষ আগ্রহ প্রদর্শন করে থাকি। আইন নিয়ে আমার কারবার। ভাষার প্রতি রয়েছে আমার বিশেষ দূর্বলতা। টেকনোলজির প্রতি আগ্রহি। আর Social Networking এবং Blogging তো আছেই।
বিশ্বখ্যাত মার্কিন তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান ওয়ালমার্ট স্টোরস ইনকরপোরেশন তাদের লাল তালিকাভুক্ত করার একদিন পরই বড় বিপাকে পড়ল বাংলাদেশি পোশাক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান সিমকো গ্রুপ। যুক্তরাষ্ট্রের খুচরা পোশাক ক্রেতা প্রতিষ্ঠান জে সি পেনি কোম্পানি ইনকরপোরেশন পাঁচ লাখ জোড়া (১০ লাখ) প্যান্ট সরবরাহ করতে সিমকোকে যে আদেশ দিয়েছিল, তা তারা বাতিল করেছে। আজ বৃহস্পতিবার প্রকাশিত রয়টার্সের এক খবরে এ তথ্য জানানো হয়।
এর প্রতিক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠানটির হেড অব অপারেশন খুররম সিদ্দিক মনে করছেন, এর সঙ্গে ওয়ালমার্টের লাল তালিকাভুক্তির কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি বলেন, গত ১৪ মে প্রকাশিত ওয়ালমার্টের লাল তালিকায় অনেক পোশাক সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তাঁর কোম্পানির নামও রয়েছে। তিনি একই সঙ্গে বলেন, প্রাণঘাতী কর্ম-পরিবেশের গুঞ্জনের পর থেকেই পশ্চিমা কোম্পানিগুলোর কাছে তাদের মতো কোম্পানিগুলো এক রকম অস্পৃশ্য হয়ে গেছে।
গত ২৪ এপ্রিল রানা প্লাজা ধসে এক হাজার ১৩০ জন শ্রমিক (যাদের বেশিরভাগই সাধারণ শ্রমিক) নিহত হওয়ায় বিভিন্ন বহুজাতিক পোশাক কোম্পানিগুলো এক ধরনের দ্বন্দ্বে পড়েছে। কোম্পানিগুলো নিরাপত্তার কথা বলে তাদের দীর্ঘদিনের সরবরাহকারীদের সঙ্গে সম্পর্ক চিহ্ন করবে, নাকি সরবরাহকারীদের সঙ্গে থেকে মান বাড়ানোর চেষ্টা করবে, এ নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে আছে।
এদিকে বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান পোশাক সরবরাহ করতে না দেয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারকদের সমিতির (বিজিএমইএ) সহ-সভাপতি রিয়াজ বিন মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘ওয়ালমার্ট এখন যা করছে, তা গা বাঁচানো ছাড়া আর কিছুই নয়। দায়িত্বশীল ব্যবসায়িক সহযোগী হিসেবে তাদের উচিত আমাদের সঙ্গে থেকে নিরাপদ কর্ম-পরিবেশ ও শ্রমিকদের নিরাপত্তা বাড়ানোয় কাজ করা।’ তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকেই তারা বিপুল মুনাফা করেছে। এখন সময় এসেছে তাদের বন্ধুত্বের হাত বাড়ানোর।
রয়টার্সের খবরে বলা হয়, সিমকো গ্রুপ ২২ বছর ধরে ওয়ালমার্টকে পোশাক সরবরাহ করেছে। ওই সময়ে প্রতিষ্ঠানটির নিরাপত্তাগত সমস্যা না থাকলেও তাদের চারটি কারখানা ওয়ালমার্টের লাল তালিকায় রয়েছে।
এ ব্যাপারে ওয়ালমার্ট জানিয়েছে, তাজরীন ফ্যাশনস নামের একটি অননুমোদিত কারখানার সঙ্গে পোশাক সরবরাহের চুক্তি করায় সিমকোকে লাল তালিকায় রেখেছে তারা। তাজরীনে অগ্নিকাণ্ডে ১১২ জন শ্রমিক মারা যান।
তবে সিমকো বলছে, তারা ওই সময়ে ওয়ালমার্টের পোশাক সরবরাহের জন্য তুবা গার্মেন্টসের সঙ্গে চুক্তি করে। কিন্তু তুবা পরবর্তী সময়ে ওই আদেশটি মূল-প্রতিষ্ঠান তাজরীনকে দিয়ে দেয়।
পরে ওই ব্যাপারটি ওয়ালমার্টকে অবহিত করতে তুবার ব্যবস্থাপনা পরিচালক দেলোয়ার হোসেন সিমকোর কর্তাব্যক্তি সিদ্দিককে একটি চিঠি দিয়েছে। ওই চিঠিতে জানানো হয়েছে, সিমকো গ্রুপের অনুমতি ছাড়াই তুবা কাজটি তাজরীনের কাছে হস্তান্তর করেছে। তাই সিমকো বলেছে, তাদের অনৈতিকভাবে শাস্তি দেওয়া হয়েছে।
সিমকোর খুররম সিদ্দিকের মতে, ওয়ালমার্টের এ লাল তালিকাভুক্তি অনেকটা ‘রূপকথার ব্যাঙের মৃত্যুর বিষয়টি বুঝতে না পেরে একদল অবোধ বালকের পাথর ছোঁড়ার’ মতো। তিনি আরও বলেন, কোম্পানির সুনাম ক্ষুণ্ন করার দায়ে ওয়ালমার্টের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবছেন তাঁরা।
২|
০৭ ই জুন, ২০১৩ দুপুর ১:০২
আরজু পনি বলেছেন: ![]()
৩|
০৭ ই জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:৪৭
রেজা এম বলেছেন:
©somewhere in net ltd.
১|
০৭ ই জুন, ২০১৩ সকাল ৯:৪৪
হেডস্যার বলেছেন:
১০ লাখ পিস !! হ্যাহ
এইডা একটা কোয়ান্টিটি হইলো??