| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ওডিসিয়াস
আমি একজন আমজনতা। তবে খাসজনতার কার্যকলাপের প্রতি আমি বিশেষ আগ্রহ প্রদর্শন করে থাকি। আইন নিয়ে আমার কারবার। ভাষার প্রতি রয়েছে আমার বিশেষ দূর্বলতা। টেকনোলজির প্রতি আগ্রহি। আর Social Networking এবং Blogging তো আছেই।
জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে ‘বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্য আইন ২০১৩’-এর খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।
আজ সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়।
সভা শেষে সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মোশাররাফ হোসাইন ভূইঞা সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। আজ মন্ত্রিসভার ২০৬তম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
মন্ত্রিপরিষদের সচিব বলেন, মন্ত্রিসভার পর্যবেক্ষণের আলোকে পরিমার্জন শেষে প্রস্তাবিত আইনটি যাচাই-বাছাইয়ের জন্য আইন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হবে। এরপর তা আবার মন্ত্রিসভায় যাবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ জীববৈচিত্র্যে সমৃদ্ধ। এই আইন করার জন্য জাতীয় পর্যায়ে প্রতিশ্রুতি ছিল। এই আইনের লঙ্ঘন অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে এবং শাস্তির বিধান রয়েছে। বিনা অনুমতিতে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান জীববৈচিত্র্যে হস্তক্ষেপ করলে বা জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করলে সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড ও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হবে। তবে ক্ষতির পরিমাণ বেশি হলে জরিমানার পরিমাণ বাড়ানো যাবে।
জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও জীববৈচিত্র্যের উপাদানের টেকসই ব্যবহারের জন্য এই আইন করা হয়েছে বলে মোশাররাফ হোসাইন জানান। তিনি বলেন, আইনটি বাস্তবায়নের জন্য একটি জাতীয় কমিটি থাকবে। এই কমিটিকে সহযোগিতা করতে একটি কারিগরি কমিটি ও একটি বিশেষজ্ঞ কমিটি থাকবে। স্থানীয় পর্যায়ে ব্যবস্থাপনা কমিটির কাজ করার কথাও আইনে বলা আছে। তবে কাদের নিয়ে জাতীয় কমিটি হবে, সেটা বিধির মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। জাতীয় কমিটির অনুমোদন ছাড়া কোনো ব্যক্তি বা সংস্থা জীববৈচিত্র্য ব্যবহারের জন্য অনুপ্রবেশ করতে পারবে না এবং জীববৈচিত্র্যের ব্যবহারের ফল ব্যবহার করা যাবে না।
©somewhere in net ltd.