নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাঁধনহারা পথিক ঠিকই পথ চেনে...

আমি নিজের মাঝে খুজে পেতে চাই আমার আমাকে। যেতে চাই বহুদূর।

ওডিসিয়াস

আমি একজন আমজনতা। তবে খাসজনতার কার্যকলাপের প্রতি আমি বিশেষ আগ্রহ প্রদর্শন করে থাকি। আইন নিয়ে আমার কারবার। ভাষার প্রতি রয়েছে আমার বিশেষ দূর্বলতা। টেকনোলজির প্রতি আগ্রহি। আর Social Networking এবং Blogging তো আছেই।

ওডিসিয়াস › বিস্তারিত পোস্টঃ

জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধির জন্য ফ্ল্যাট

২১ শে জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৬:০৭

জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের স্থায়ী প্রতিনিধির বসবাসের জন্য একটি ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে। নিউইয়র্কের ম্যানহাটনে, জাতিসংঘ সদর দপ্তর থেকে ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ফ্ল্যাটটির দাম সোয়া তিন লাখ ডলার। আয়তনে এটি তিন হাজার ৩০০ বর্গফুট।

বর্তমানে স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে এই দায়িত্ব পালন করছেন এ কে আব্দুল মোমেন। এই ফ্ল্যাট কেনার ফলে এ খাতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি মাসে ১০ হাজার ডলার সাশ্রয় হবে। বছরে বাংলাদেশি মুদ্রায় সাশ্রয় হবে প্রায় এক কোটি টাকা। সম্প্রতি মিশন মিলনায়তনে অনাড়ম্বর এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে ফ্ল্যাট কেনার দলিলে স্বাক্ষর করেন স্থায়ী প্রতিনিধি এ কে আব্দুল মোমেন।

বাংলাদেশের মিশন প্রতিষ্ঠার ৩৯ বছর পর ২০০৯ সালে মিশনের কার্যালয়ের জন্য জাতিসংঘ সদর দপ্তরের কাছে একটি ফ্লোর কেনা হয়। এতে মিশনের কার্যালয়ের ভাড়া বাবদ মাসে ৩৪ হাজার ডলার, অর্থাত্ বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ২৭ লাখ টাকা সাশ্রয় হয়।

ফ্ল্যাট ক্রয়ের দলিলে স্বাক্ষরের পর আব্দুল মোমেন বলেন, ‘নিঃসন্দেহে এটি আমাদের জন্য একটি সুখবর। এতে বাংলাদেশ সরকারের আর্থিক সাশ্রয় হবে। একই সঙ্গে আমরা একটি ফ্ল্যাটের মালিকানা অর্জন করতে পেরেছি।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যতে একটি ভবন কিনতে সমর্থ হলে সরকার বেশি লাভবান হবে।

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে জুন, ২০১৩ সন্ধ্যা ৭:০৪

রেজা ঘটক বলেছেন: এই মিশনে আমাগো মাসে কতো কোটি টাকা খরচ হয়? এই মিশন দিয়ে আমাগো কি কোনো আয়ের রাস্তা আছে? থাকলে, সেই আয় মাসে কতো? এই টাকায় দেশে কয়টা পদ্মা সেতু তৈরি করা যায়???

২| ২১ শে জুন, ২০১৩ রাত ৮:২১

রাজীব বলেছেন: হিসেব করে দেখলাম প্রতি স্কয়ার ফুটের দাম পড়েছে ৭,৮০০/- টাকা মাত্র। তার মানে আমাদের ধানমন্ডি বা গুলশানের চেয়ে আমেরিকায় ফ্লাটের দাম কম!!

৩| ২১ শে জুন, ২০১৩ রাত ৯:৩৭

মেহেদী_বিএনসিসি বলেছেন: ধানমন্ডি বা গুলশানে জমি যে ফ্লাটের যা দাম..........সে দাম স্বয়ং হোয়াটহাউজের জমি বা ওখানকার ফ্লাটেও নাই......... ।

৪| ২১ শে জুন, ২০১৩ রাত ১১:২৯

ওডিসিয়াস বলেছেন: হাজার হলেও কবি বলেছেন, আমার দেশের মাটি সোনার চেয়েও দামি। কবি যদি এই যুগে লিখতেন, তবে তিনি যে "আমার দেশের ঢাকার মাটি ইউরেনিয়ামের চেয়ে দামি" লিখত এতে সন্দেহ করার দুঃসাহস আমার নেই। কিন্তু, নিজেদের এই ফ্লাট থেকে লাভ কি? উত্তর অনেক। আবার কিছুই না। অন্তত ভাড়া করে তো দেশের কাজ চালাতে হয় না। এই মিশন দিয়ে কত আয় হয় তা বের করতে চান, তবে ন্যূনতম, জাতিসংঘে আমাদের বিভিন্ন বাহিনী যেই টাকা আয় করে, তা বিবেচনায় আনতে পারেন। লবিংটা কিন্তু ঐ নিঊ ইয়র্কেই করতে হয়। আর, আমাদের দেশে যতদিন আবুলের মত দেশপ্রেমিক থাকবে তত দিন বিশ্বব্যাঙ্ক কেন, নিজেদের টাকায় ও পদ্মা ব্রিজ করতে পারব কিনা চিন্তার বিষয় (যদি তাই হত, আগামি কয়েক মাসের মধ্যে পদ্মা সেতুর ভিত্তিপ্রস্তরের খবর পেতে প্রস্তুত হন)।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.